আমার প্রিয় পোস্ট

যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান হতে পারে? আল কুরআন

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ : একটি অযৌক্তিক ও বিপদজনক মতবাদ ( দ্বিতীয় পর্ব )

১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৫৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

প্রথম পর্ব


পাশ্চাত্যের রাজনীতি ধর্ম ও নৈতিকতাহীন হওয়ায় সেখানকার নেতৃবৃন্দ দেহ সর্বস্ব এক একটি পশুতে পরিণত হয়েছে। তারা প্রমাণ করেছে, ধর্মহীন রাজনীতির স্বভাবই হলো- অতিরিক্ত লোভ-লালসা চরিতার্থ করা। মিথ্যাচার,প্রতারণা, দুর্নীতি ধর্মহীন রাজনীতির নিত্যসঙ্গী।

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা অভিযোগ করে থাকে যে, ধর্ম অসহনশীলতার জন্ম দেয়। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, খ্রিষ্টান চার্চের সংকীর্ণমনা নেতাদের দ্বারা ধর্মীয় অসহনশীলতা প্রদর্শিত হলেও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের আবির্ভাবের পর অসহনশীলতার মাত্রা ও ভয়াবহতা অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারেনি ; পারেনি শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধির গোড়াপত্তন ঘটাতে। ড: উইল ডুরান্ট তাঁর Story of Civilication গ্রন্থের চতুর্থ খন্ডে বলেছেন,

সিজার থেকে নেপোলিয়ন পর্যন্ত সময়কালে যত লোক নির্যাতন ভোগ করেছে এবং যুদ্ধে যত লোক প্রাণ দিয়েছে, পশ্চিমী আধিপত্যের বর্তমান এই যুগ, তার চেয়ে অনেক বেশী নির্দোষ মানুষকে নির্যাতনের যাঁতাকলে পিষ্ট করেছে এবং এ যুগের যুদ্ধ ও নির্যাতনের হিংস্রতা বন্য পশুর হিংস্রতাকেও হার মানিয়েছে। মানবেতিহাসের সবচেয়ে কলংকজনক অধ্যায় রচনা করেছে আমাদের এই যুগ।


ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা অপর ধর্মের প্রতি কতটা সহনশীল (!) তার কিছু দৃষ্টান্ত দেখুন অধ্যাপক খুরশীদ আহমদের ইসলাম ও ধর্মনিরপেক্ষ অসহনশীলতা প্রবন্ধে। প্রবন্ধকার লিখেছেন-

কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রেই নয়, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এই ধর্ম বিরোধী উন্মত্ততা আরো বেশী পীড়াদায়ক। গ্রীসে সমগ্র মুরিয়া সম্প্রদায়ককে নির্মম মৃত্যুর শিকারে পরিণত করা হয়েছিল। এমনকি নারী শিশু ও মহিলাদের প্রতিও সামান্য করুণা প্রদর্শন করা হয় নি। মুরিয়া সম্প্রদায়ের প্রায় তিন লক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। স্পেন ও সিসিলি থেকে মুসলমানদের উজাড় করা হয়েছে হত্যা ও নির্বাসনের মাধ্যমে। বাল্টিক রাষ্ট্রসমুহে সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানদের সংখ্যালঘূতে পরিণত করা হয়েছে। আর এজন্য হত্যা,নিপীড়নসহ সবরকমের পন্থাই অনুসৃত হয়েছে। ফিলিস্তিনে বিদেশী এক সম্প্রদায়কে অন্যায়ভাবে আমদানি করা হয়েছে এবং মুসলমানদের ঘরবাড়ী ও সহায়-সম্পদ থেকে উচ্ছেদ করে সেখানে বিদেশী ইহুদীদের গৃহদান করা হয়েছে। সোভিয়েট ইউনিয়নে মুসলমানদের ভাগ্যে যা ঘটেছে, তাও আজ সকলের জানা। ধর্মনিরপেক্ষ পশ্চিমে এবং ধর্মহীন রাশিয়ায় এ ব্যাপারে একই মানসিকতা বিরাজ করছে। *

ধর্ম থেকে রাজনীতিকে পৃথক করার পর এই যে মানসিকতার অভ্যুদয়, একে যদি সহনশীলতা বলা হয়, তাহলে অসহনশীলতা বলা হবে কাকে?

(আগামী পর্ব : মুসলিম বিশ্বে ধর্মনিরপেক্ষতা)



 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ধর্মনিরপেক্ষতাবাদধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ;

 

  • ৬৪ টি মন্তব্য
  • ৭১২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:০৮
comment by: হাইগ্যানী হাবা ব্যবিলন জন বলেছেন: ওহে ভাইছাহেব, আপনের ডিওডেনামে কি গুঁড়াকৃমি বিদ্যমান? মাঝে মাঝে মাথা বাহিরে ঠেলিয়া দুনিয়া দেখিবার কালে আপনের পিছনে উত্থিত সুরসুরির হেতু একেকবার যাচ্ছেতাই জিনিষ দিয়া সার্ভার ভরিতে লাগিয়াছেন!
২. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:০৯
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: অসাধারন হচ্ছে আশরাফ ভাই..... চলুক!
৩. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:১২
comment by: নুরা পাগলা বলেছেন: পাশ্চাত্যের রাজনীতি ধর্ম ও নৈতিকতাহীন হওয়ায় সেখানকার নেতৃবৃন্দ দেহ সর্বস্ব এক একটি পশুতে পরিণত হয়েছে।

- দেহ ছাড়া পশু কই পাইবেন। একবার পাইছিলাম ১৯৭১ সালে - দেহ দেখতে মাইষের মতোন আর কাজ কাম পশুর মতোন। এরা কিন্তু মুকে ইসলামের কতা কইতো - এহনও কয়। এরা কি মানুষের দেহদারি পশু?
৪. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:১৬
comment by: ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন: আশরাফ রহমান thank you.
আমি আপনের লেখা মনযোগদিয়ে পড়ছি।
এখানে নানা প্রকার বাজে মন্তব্য হবে। দমবেন না। চালিয়ে যান। ধৈর্য ধারন করতে হবে।
আপনার প্রতি পক্ষের কৌশলটা বলে দেই।
প্রথমত আপনাকে গালি দিবে। এতে যদি দমে যান তো ভাল। না হলে আলোচনাকে অন্যদিকে নেয়ার জন্য অপ্রাসংগিক কথা বলবে। অপ্রাসংগিক কথার জবাব দিলেই আলোচনা ধিরে ধিরে অন্যদিকে চলে যাবে। এতেও কাজ না হলে হালকা ভয় দেখাবে। এতেও কাজ না হলে ভাগবে। ভাগা পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।
৫. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:১৭
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: আহারে শুধু পাশ্চাত্যরে গাইলাইয়া যদি সব ঠিক হইয়া যাইত তাইলে...তো হইতই। দ্যাহেন না দেশের ইতিহাসের কথা কেমন করে নূরা পাগলা কইতে চায়......এরা কিন্তু মুকে ইসলামের কতা কইতো - এহনও কয়....তাইলে পাবলিক কই যাইবো, কনতো ভাইডি? আর একটা কথা, ধর্মনিরেপক্ষতা যেমন অন্ধ হতে পারে তেমনি ধর্মও...কি বুঝলেন?
৬. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:২১
comment by: নুরা পাগলা বলেছেন: ওরে দেখছনি নতুন মুফতি ইছমত কেমুন কতা কয়..
আছরাফ হাজামরে জ্ঞান দেয়... আরে ইছমত তুমি মনে লয় নতুন আইছ ...
আছরাফের চামরা গন্ডারের থাইক্কাও মোডা ... গাইলতো তো ওর পানি বাত..
এ ছাড়া এর উপর ওর রুটি রুজি ..যাইবো কই?
৭. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:২৩
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৮ ০১:১৬:৫৫
আশরাফ রহমান thank you.
আমি আপনের লেখা মনযোগদিয়ে পড়ছি।
এখানে নানা প্রকার বাজে মন্তব্য হবে। দমবেন না। চালিয়ে যান। ধৈর্য ধারন করতে হবে।
আপনার প্রতি পক্ষের কৌশলটা বলে দেই।
প্রথমত আপনাকে গালি দিবে। এতে যদি দমে যান তো ভাল। না হলে আলোচনাকে অন্যদিকে নেয়ার জন্য অপ্রাসংগিক কথা বলবে। অপ্রাসংগিক কথার জবাব দিলেই আলোচনা ধিরে ধিরে অন্যদিকে চলে যাবে। এতেও কাজ না হলে হালকা ভয় দেখাবে। এতেও কাজ না হলে ভাগবে। ভাগা পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।

কে কে ভাগছে নাম জানতে চাই। আর আপনার সুন্দর পোস্টটার লিংক কবে দিবেন?
৮. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:২৪
comment by: ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন: হ নতুন আইছি। অনেক কিচু শিকতাছি। তোমাদের খুব ভাল লাগে।
৯. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:২৭
comment by: ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন: কতটি আজগুবি নাম এহন আর দেহি না। ভাগেছে মনে হয়।
১০. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:২৮
comment by: নুরা পাগলা বলেছেন: @ইছমত - খুশী অইলাম... তয় তুমরা আর আমি তো এক - মনে কর তুমরা "মউদুদী" আর আমি "মারফতি" - দুইদলই মানুষের বিশ্বাসের উপরে ব্যবসা করি। লও অহ আত মিলাও.. মউদুদি আর মারফতি ভাই ভাই...

@আসল ট্র্যাপ - পাহাড় মানে একটা ভাগছে.. ইছমত মুফতি মনে লয় ওর কতাই কইছে..
১১. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৩০
comment by: ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন: সুন্দর পোষ্টটার বাজে কথা গুলি মুচ্ছা ফালাইছি। এহন লিংক দিলে কইবেন, কই মিয়া বাজে কথা কই? বাজে কথা কও, না? তহন আমি হইবাম চুর আর আপনে হইবেন সাদু। দরকার নাই।
১২. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৩৩
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: নতুন কইরা পোস্ট করেন। আমি আপনার সুন্দর পোস্টটা পড়তে বিশেষভাবে আগ্রহী।
১৩. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৩৩
comment by: ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন: নুরা পাগলা তুমি হইলা ভারতনাট্যম আর আমি হইলাম জারি সারি ভাটিয়ালি।
১৪. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৩৫
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: পোস্টের ব্যাপারে কারো কোন কথা না থাকলে মন্তব্য না করার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।
১৫. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৩৬
comment by: ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন: কাম নাই ভাই। যা হুনছি, আর না। খারাপ কথাই বালা।
যেই দেশে যে বাউ
উপুত হইয়া নাও বাউ।।
১৬. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৪২
comment by: নুরা পাগলা বলেছেন: হ, বাইসাবেরা এহানে কুনু বাজে কতা বলা যাইবো না। মন করেন - আছরাফ সাব আজাম অইলে কি অইবো .. ধর্ম কর্ম করেন তাই..এটা পবিত্র জাগা..

সবাই শুরু করেন - পশ্চিমের মানুছ পশু - আমরা সবাই ডিভি চাই.. আমিরিকা যাইতে চাই..

অইছে নি হাজাম বাই..
১৭. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৪২
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: আশরাফ রহমান বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৮ ০১:৩৫:৪৩
পোস্টের ব্যাপারে কারো কোন কথা না থাকলে মন্তব্য না করার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।

পোস্ট জাঝা হইছে। ১ দিছি।
১৮. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৫১
comment by: র্দশক বলেছেন: "পাশ্চাত্যের রাজনীতি ধর্ম ও নৈতিকতাহীন হওয়ায় সেখানকার নেতৃবৃন্দ দেহ সর্বস্ব এক একটি পশুতে পরিণত হয়েছে " --

৭১ এ কি, পাকিস্তানে ধর্মনিরপেক্ষতা ছিল। তারা আর তাদের দোসরা কেন পশুর চেয়ে খারাপ ছিল।
১৯. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৫৫
comment by: নুরা পাগলা বলেছেন: @শরত মিয়া - এইডা কি কইলেন -"আর একটা কথা, ধর্মনিরেপক্ষতা যেমন অন্ধ হতে পারে তেমনি ধর্মও...কি বুঝলেন?"

যারা পোস্টটা শুরুই করে একদল মানুষকে পশু হিসাবে চিহ্নিত করে তাদের বলচেন এই কতা। কি যে কন। আমাররা যেইডা জানি - বিশ্বাস করি হেইডাই ঠিক আর বাকীগুলান বাদ। এডাইতো এহানে কইছে আমাগো আছরাফ মিয়া।

আমিরিকার জর্জ বুশও হেইডাই কয় .. এহানেই অইল মারফতি ..

কিন্তু বুল যাগায় মনে লয় আপনে ঠিক কতাটা কইলেন,,
২০. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:০৪
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: আশরাফের কথাবার্তার সাথে জর্জ বুশের কতার মিল আছে। দু্ইটা একি গোয়ালের।
২১. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:২৪
comment by: আপনি মানুষ না আওয়ামীলিগ? বলেছেন: ঠিকাছে। চলুক
২২. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:৫১
comment by: রাজনীতিক বলেছেন: ভাইজান,এত তথ্য প্রমাণ দিয়া হার্ট কইরা লিখলে ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা হার্টফেল করতে পারে। তাগো প্রতি আপনের একটু দয়ামায়াউ নাই? দেহেন নাই আপনের পুষ্টের ব্যাপারে হেগোর কোনই মন্তব্য নাই!
২৩. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ৩:০৭
comment by: তীরন্দাজ বলেছেন: যদিও পোষ্টের শিরোনাম ধর্মনিরপেক্ষতার বিপক্ষে, এর মুল বক্তব্য হচ্ছে, ইসলাম ধর্মের বিপক্ষে যাদেরকে, যে সব কর্মকান্ডকে, দাঁড় করানো যেতে পারে, তাদেরকে উদ্দেশ্য করে।

"অধ্যাপক খুরশীদ আহমদের ইসলাম ও ধর্মনিরপেক্ষ অসহনশীলতা প্রবন্ধে। প্রবন্ধকার লিখেছেন-

কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রেই নয়, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এই ধর্ম বিরোধী উন্মত্ততা আরো বেশী পীড়াদায়ক। ......."

প্রচন্ড গোজামিলের পর লেখাকে নিজস্ব উদ্দ্যেশ্যে প্রবাহিত করা হয়েছে। যদিও এখানে ধর্মবিরোধী উন্মত্বতার কথা বলা হয়েছে, ধর্মনিরপেক্ষতার কথা নয়, তার পরও লেখক গোজামিল করে নিজের উদ্দেশ্যকে চরিতার্থ করায় প্রয়াসী হয়েছেন।

ধর্মনিরপেক্ষরা নিজেরা ধার্মিক হতে পারে, নাও হতে পারে, সে যাই হোক না কেন, অন্যকে ধর্মবিরোধী করার আগ্রহ তাদের নেই। তারা সবরকম ধর্মোন্মাদনার বিপক্ষে কথা বলে।

২৪. ১৮ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৪:৫৭
comment by: তাহমিদাল বলেছেন: আশরাফ রহমান, আপনি বলছিলেন আমার প্রশ্নগুলার জওয়াব দোসরা পর্বে দিবেন, যা আপনি হয়তো পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনাটারে বাস্তবায়ন করতে গিয়া ব্যর্থ হইছেন ; আমার প্রশ্নের কোনো জওয়াব এখানে মিলে নাই। প্রথম পর্বের পোস্টের মন্তব্যে কি জওয়াব দেওয়ার ইচ্ছা পুষেন আপনি?
যাউক, আদর্শ ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে কোনো বিশেষ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপর নিপীড়ন হওয়ার কথা না, যেইটা আগের মন্তব্যকারীগণ এরিমধ্যে বইলা ফেলছেন; তয় ইসলামের ক্ষেত্রে যেমন স্রেফ কল্পিত মূলনীতির দিকে তাকাইলে হয় না, ইসলামের ধ্বজা কারা বহন করতেছে সেইটা দেখা লাগে, সের'ম ধর্মনিরপেক্ষতার আলোচনায়ও কারা নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বইলা দাবি করে ও তাদের কাজেকামে সেই ধর্মনিরপেক্ষতা ফলিত হইয়া উঠে কিনা, সেইটা একটা দেখার বিষয়। আশরাফ রহমানের এই পর্বের লেখাটা এই দিক দিয়া খুবি প্রাসঙ্গিক।
কিন্তু শেষে দিয়া আপনি একটা লম্ফ দিয়া ধর্মনিরপেক্ষতা আদর্শটার ঘাড়ে পড়লেন কেন, সেইটা আমার কাছে পরিষ্কার না। এইসকল সহিংসতার পিছনে যে ঠিক ধর্মনিরপেক্ষতাই দায়ী, সেই প্রমাণ কি এতো সহজে হয় ? আপনি যেই উপাত্ত উপস্থাপন করছেন, তাতে বড়জোর ভেজাল ধর্মনিরপেক্ষতার ভাব শনাক্ত করা যাইতে পারে...

... যেমন ভেজাল ইসলাম আর শুদ্ধ ইসলাম, কী কন?
২৫. ১৮ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৫:১১
comment by: নুর3ডিইডি বলেছেন: ইসলাম একটি সর্বাঙ্গিণ শাশ্বত জীবন বিধান। মানব চরিত্রের এমন কোন বিষয় নেই, যা ইসলামে অনুপস্থিত।
ধন্যবাদ আশরাফ ভাই, অনেক পর্ব হবে আশা করছি।
২৬. ১৮ ই জুন, ২০০৭ সকাল ৭:৪৯
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: তাহমিদাল খুব ভাল বলছেন ... পুরা একমত
২৭. ১৮ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮
comment by: বিজলীর খড়ি বলেছেন: ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মবিরোধীতা, তবে এটা পরবর্তীতে নানান মতবাদের মধ্যদিয়ে মূর্ত হয়। সমাজতন্ত্র, পূজিবাদ, শিরক, বস্তবাদ সব কিছুরই পূজ্য হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। এটা এখন কার্যত সুবিধাবাদিতার মতবাদ। তাই মানুষের সব পাশবিক লোভ-লালসা, শয়তানী চরিতার্থ করার ক্ষেত্রে এই মতবাদটির আশ্রয় নেয়া হয়। ধর্মনিরপেক্ষতা আসলে শয়তানবাদ।
২৮. ১৮ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ২:০৩
comment by: বিজলীর খড়ি বলেছেন: তীরন্দাজ,
একটা ন্যুনতম জ্ঞান ছাড়া অন্যর সাথে তর্ক করা উচিত নয়। a little learning is a dangerous thing
২৯. ১৮ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ২:১০
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: হ, আপনাগো মত ঐসলামিক 'বিরাট জ্ঞান' নিয়া তর্ক করালে জগতের প্রায় সবাইরে শয়তান ছাড়া কিছু ভাবন যায় না।
৩০. ১৮ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ২:২১
comment by: বিজলীর খড়ি বলেছেন: আমরা মানুষকে সুন্দর-পবিত্র ভাবি। 'লাকাদ খালাক নাল ইনসানা ফী আহসানি তাকউইন, সুম্মা রাদাদ না হু ফী আসফালা সাফীলিন--নিশ্চয়ই আমি মানুষকে অতি উত্তম গুনাবলি দিয়ে সৃষ্টি করেছি, কিন্তু এরপর সে নেমে গেছে অবনতির নিম্নতম স্তরে'--সুরা আত-তীন।
৩১. ১৮ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ২:৪৮
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: তীরন্দাজ বলেছেন-
যদিও পোষ্টের শিরোনাম ধর্মনিরপেক্ষতার বিপক্ষে, এর মুল বক্তব্য হচ্ছে, ইসলাম ধর্মের বিপক্ষে যাদেরকে, যে সব কর্মকান্ডকে, দাঁড় করানো যেতে পারে, তাদেরকে উদ্দেশ্য করে।
"অধ্যাপক খুরশীদ আহমদের ইসলাম ও ধর্মনিরপেক্ষ অসহনশীলতা প্রবন্ধে। প্রবন্ধকার লিখেছেন-
কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রেই নয়, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এই ধর্ম বিরোধী উন্মত্ততা আরো বেশী পীড়াদায়ক। ......."
প্রচন্ড গোজামিলের পর লেখাকে নিজস্ব উদ্দ্যেশ্যে প্রবাহিত করা হয়েছে। যদিও এখানে ধর্মবিরোধী উন্মত্বতার কথা বলা হয়েছে, ধর্মনিরপেক্ষতার কথা নয়, তার পরও লেখক গোজামিল করে নিজের উদ্দেশ্যকে চরিতার্থ করায় প্রয়াসী হয়েছেন। ধর্মনিরপেক্ষরা নিজেরা ধার্মিক হতে পারে, নাও হতে পারে, সে যাই হোক না কেন, অন্যকে ধর্মবিরোধী করার আগ্রহ তাদের নেই। তারা সবরকম ধর্মোন্মাদনার বিপক্ষে কথা বলে।

আমার বক্তব্য :
আপনার বক্তব্যের জবার দেয়ার আগে আপনার অবগতির জন্য বলছি। পৃথিবীতে তিন ধরণের রাষ্ট্রব্যবস্থা লক্ষ্য করা যায়। ক) ধর্মীয় রাষ্ট্র খ) ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এবং গ) ধর্মহীন রাষ্ট্র।
অধ্যাপক খুরশদি আহমদ তার লেখায় দেখিয়েছেন যে, ধর্মনিরপেক্ষ এবং ধর্মহীন রাষ্ট্রেই ধর্মীয় বিশ্বাসীরা বেশী আক্রান্ত হয়েছেন। অথচ ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে এমনটি হওয়ার কথা ছিল না। কারণ ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে যার যার ধর্ম বিনা বাধায় পালন করতে পারার কথা।

আপনি বলেছেন,
ধর্মনিরপেক্ষরা নিজেরা ধার্মিক হতে পারে, নাও হতে পারে, সে যাই হোক না কেন, অন্যকে ধর্মবিরোধী করার আগ্রহ তাদের নেই। তারা সবরকম ধর্মোন্মাদনার বিপক্ষে কথা বলে।*

আমার বক্তব্য :

আপনি কি কথাটা ভেবেচিন্তে বলেছেন? পৃথিবীতে সব ধর্মনিরপেক্ষ দেশেই তো ধর্ম বিশেষ করে ইসলাম ধর্মের বিরোধিতা করা হয়। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তো দুরের কথা ব্যক্তিগতভাবে ধর্ম পালন করার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করা হয়। আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক ম্যাকিয়াভেলী বলেছেন, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শাসকরা ধার্মিক না হলেও ধার্মিক হবার ভান করবে। কিন্তু তুরস্ক,মিশর, ভারতসহ বিশ্বের সব ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের দিকে তাকিয়ে দেখুন সেসব দেশের শাসকরা ধার্মিক হওয়ার ভান করাতো দুরের কথা ধর্মীয় বিশ্বাসীদের উপর হত্যা,নির্যাতন, জুলুমসহ এমন কোন অমানবিক পন্থা নাই যে গ্রহন করা হয় না। তারা ধর্মোন্মাদনার বিপক্ষে কথা বলা তো দুরের কথা নিজেরাই ধর্মোন্মাদনা সৃষ্টি করে। আপনি কি দেখাতে পারবেন ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ সৃষ্টির পর থেকে এখন পর্যন্ত এমন কোন রাষ্ট্র ছিল যেখানকার শাসকরা ধর্মোন্মাদনার বিপক্ষে কথা বলেছে এবং যেখানে সবধর্মের লোকজন নিজ নিজ ধর্ম বিনাবাধায় পালন করতে পেরেছে?
৩২. ১৮ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:১৮
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: বিজলীর খড়ি বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৮ ১৪:০৩:০৯
তীরন্দাজ,
একটা ন্যুনতম জ্ঞান ছাড়া অন্যর সাথে তর্ক করা উচিত নয়। a little learning is a dangerous thing


জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য তীরন্দাজকে মউদুদীর চটি বই দেয়া হোক।
৩৩. ১৮ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:১৯
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: তাহমিদাল বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৮ ০৪:৫৭:২২
আশরাফ রহমান, আপনি বলছিলেন আমার প্রশ্নগুলার জওয়াব দোসরা পর্বে দিবেন, যা আপনি হয়তো পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনাটারে বাস্তবায়ন করতে গিয়া ব্যর্থ হইছেন ; আমার প্রশ্নের কোনো জওয়াব এখানে মিলে নাই। প্রথম পর্বের পোস্টের মন্তব্যে কি জওয়াব দেওয়ার ইচ্ছা পুষেন আপনি?

আমার বক্তব্য :

তাহমিদাল আমি কি আসলেই বলেছিলাম যে দোসরা পর্বে আপনার প্রশ্নগুলোর জবাব দেবো? দেখুন তো আমি প্রথম পর্বে কি বলেছিলাম--
*** তাহমিদাল, ঠিকই বলেছেন আপনার প্রশ্নের জবাব এক কথায় দেয়া যাবে না। অপেক্ষা করুন পরবর্তী পর্বগুলোতে আশাকরি জবাব পেয়ে যাবেন। ***
এবার ধরতে পেরেছেন তো আমি দোসরা পর্বের কথা বলিনি। সুতরাং অযথা বিভ্রান্তি ছড়াবেন না।

তাহমিদাল বলেছেন :

যাউক, আদর্শ ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে কোনো বিশেষ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপর নিপীড়ন হওয়ার কথা না, যেইটা আগের মন্তব্যকারীগণ এরিমধ্যে বইলা ফেলছেন; তয় ইসলামের ক্ষেত্রে যেমন স্রেফ কল্পিত মূলনীতির দিকে তাকাইলে হয় না, ইসলামের ধ্বজা কারা বহন করতেছে সেইটা দেখা লাগে, সের'ম ধর্মনিরপেক্ষতার আলোচনায়ও কারা নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বইলা দাবি করে ও তাদের কাজেকামে সেই ধর্মনিরপেক্ষতা ফলিত হইয়া উঠে কিনা, সেইটা একটা দেখার বিষয়।

আমার মন্তব্য :

আমি আপনার বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারলাম না। কারণ আপনার কল্পিত আদর্শ ধরনিরপেক্ষবাদী এই দুনিয়ায় কোনকালেই ছিল না এবং ভবিষ্যতে হবার সম্ভাবনাও নাই। কারণ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ধর্ম ও নৈতিকতাকে এড়িয়ে চলে। সুতরাং যার মধ্যে কোন নীতি নৈতিকতা নাই, যার কোন ধর্ম নাই তিনি কখনও মানুষের মধ্যে সমতা বিধান করতে পারেন না। ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদের মূল কথাই হলো প্রতারণা, ভন্ডামী ও চাতুরতার মাধ্যমে শাসন করা। তাই কোন প্রতারকের দ্বারা আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
অপরদিকে ইসলামের দ্বারা যে আদর্শ ও কল্যানকামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব তা নবী মুহাম্মদ, খোলাফায়ে রাশেদা এবং শতশতবছর ধরে ইসলামী শাসকরা দেখিয়ে গেছেন। বর্তমানেও দুএকটি দেশে প্রমাণিত হচ্ছে। তবে হ্যা, ব্যক্তির উপরই প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নির্ভর করে। অর্থাৎ ইসলাম কারা প্রতিষ্ঠা করবে তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, জ্ঞান-গরিমা, প্রজ্ঞা, দুরদর্শীতা দেখতে হবে। বাংলা ভাই কিংবা ওসামাবিন লাদেন যদি ইসলাম কায়েমের চিন্তা করে তাহলে বুঝতে হবে তারা ইসলাম কায়েম নয় ,ইসলামকে বিতর্কিত করতে চায়।
পরিশেষে একটি কথাই বলতে চাই আর তা হলো, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের মুল আদর্শই যেহেতু ধর্ম ও নৈতিকতার বিরোধিতা করা সুতরাং তাদের দ্বারা আদর্শ রাষ্ট্র কায়েম করা সম্ভব নয় কিন্তু ইসলামের যেহেতু আদর্শ আছে, মানব কল্যাণের গাইডলাইন আছে সেহেতু প্রকৃত মুসলমানরা ইচ্ছে করলেই মানব কল্যাণের লক্ষ্যে আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে।


তাহমিদাল বলেছেন :
কিন্তু শেষে দিয়া আপনি একটা লম্ফ দিয়া ধর্মনিরপেক্ষতা আদর্শটার ঘাড়ে পড়লেন কেন, সেইটা আমার কাছে পরিষ্কার না। এইসকল সহিংসতার পিছনে যে ঠিক ধর্মনিরপেক্ষতাই দায়ী, সেই প্রমাণ কি এতো সহজে হয় ? আপনি যেই উপাত্ত উপস্থাপন করছেন, তাতে বড়জোর ভেজাল ধর্মনিরপেক্ষতার ভাব শনাক্ত করা যাইতে পারে...

আমার বক্তব্য :

না ভাই আমি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদে ঘাড়ে চেপে বসিনি। কেবল ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদের আসল চেহারাটা প্রকাশ করতে শুরু করেছি। আসলে আমি যে উপাত্ত উপস্থাপন করেছি তা-ই ধর্মনিরপেক্ষতার আসল বৈশিষ্ট্য। এটা কোন ভেজাল নয়। আমার পরবর্তী আলোচনাগুলোতে এ সংক্রান্ত আরো অনেক প্রমাণ পাবেন।
৩৪. ১৮ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:২৩
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: আশরাফ রহমান বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৮ ১৫:১৯:২৭
..... তবে হ্যা, ব্যক্তির উপরই প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নির্ভর করে। অর্থাৎ ইসলাম কারা প্রতিষ্ঠা করবে তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, জ্ঞান-গরিমা, প্রজ্ঞা, দুরদর্শীতা দেখতে হবে। বাংলা ভাই কিংবা ওসামাবিন লাদেন যদি ইসলাম কায়েমের চিন্তা করে তাহলে বুঝতে হবে তারা ইসলাম কায়েম নয় ,ইসলামকে বিতর্কিত করতে চায়।



গোলাম আযম এবং নিজামীর মতো ইসলামী সৈনিকদের ব্যাপারে আপনার মতামত কি আশরাফ ভাইয়া? তারাও তো ইসলামী শাসন কায়েম করতে চায়। তারা কিমুন লোক?

আশরাফ রহমান কুতায় গেলেন? ব্যাপারটা পরিস্কার করেন।
৩৫. ১৮ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:২৩
comment by: হেজাব বলেছেন: আস্-সালামুআলাইকুম আশরাফ ভাই। ভাল আছেন?
ইরাবন বর্তমানে শিয়া মুসলমান বেশি না সুন্নী মুসলমান? ঐখানে শিয়ারা কি সুন্নীদের উপর কোন অত্যাচার জুলুম করে? আপনে কি আজাদীতে জুম্মার নামাজ পড়ছেন কখনও। যদি পইরা থাকেন তাইলে কি হাত বাইন্দা না ছাইড়া মানে শিয়াগ মত নামাজ পড়ছিলেন নাকি সুন্নীগ মত পরছিলেন।

বর্তমানে পাসদার বাহীনিতে কি সুন্নীগ ভর্তি করে?
৩৬. ১৮ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:২৫
comment by: হেজাব বলেছেন: ইরাবন=ইরানে
৩৭. ১৮ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:৩২
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: আশরাফ রহমান বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৮ ১৫:১৯:২৭
..... তবে হ্যা, ব্যক্তির উপরই প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নির্ভর করে। অর্থাৎ ইসলাম কারা প্রতিষ্ঠা করবে তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, জ্ঞান-গরিমা, প্রজ্ঞা, দুরদর্শীতা দেখতে হবে। বাংলা ভাই কিংবা ওসামাবিন লাদেন যদি ইসলাম কায়েমের চিন্তা করে তাহলে বুঝতে হবে তারা ইসলাম কায়েম নয় ,ইসলামকে বিতর্কিত করতে চায়।



গোলাম আযম এবং নিজামীর মতো ইসলামী সৈনিকদের ব্যাপারে আপনার মতামত কি আশরাফ ভাইয়া? তারাও তো ইসলামী শাসন কায়েম করতে চায়। তারা কিমুন লোক?
৩৮. ১৮ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৫
comment by: শাওন বলেছেন: দেখাতেছি । চলুক চাচাজান । আমি দেখি কি হয় । :)
৩৯. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: আশরাফ রহমান বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৮ ১৫:১৯:২৭
..... তবে হ্যা, ব্যক্তির উপরই প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নির্ভর করে। অর্থাৎ ইসলাম কারা প্রতিষ্ঠা করবে তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, জ্ঞান-গরিমা, প্রজ্ঞা, দুরদর্শীতা দেখতে হবে। বাংলা ভাই কিংবা ওসামাবিন লাদেন যদি ইসলাম কায়েমের চিন্তা করে তাহলে বুঝতে হবে তারা ইসলাম কায়েম নয় ,ইসলামকে বিতর্কিত করতে চায়।



গোলাম আযম এবং নিজামীর মতো ইসলামী সৈনিকদের ব্যাপারে আপনার মতামত কি আশরাফ ভাইয়া? তারাও তো ইসলামী শাসন কায়েম করতে চায়। তারা কিমুন লোক?

আশরাফ রহমান কুতায় গেলেন? ব্যাপারটা পরিস্কার করেন।
৪০. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১০:০১
comment by: নূরা পাগলা বলেছেন: "পাশ্চাত্যের রাজনীতি ধর্ম ও নৈতিকতাহীন হওয়ায় সেখানকার নেতৃবৃন্দ দেহ সর্বস্ব এক একটি পশুতে পরিণত হয়েছে।"

- ব্লগ কর্তৃপক্ষ এই লাইনটা একটি খেয়াল করবেন কি?

পশ্চিমের নেতাদের ঢালাও ভাবে "পশু" বলার মাধ্যমে কি কোন "এন্টি-ওয়েস্টার্ন স্লোর" হচ্ছে কিনা?
যে দেশে বাজেট তৈরীর জন্যে ৭৫% পশ্চিমের সাহায্য দরকার সেখানে এই ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য প্রচার করার মাধ্যমে কি একটা কনফিউজসড সোসাইটি তৈরী করার পক্ষে কাজ করছেন কিনা!

আর যারা অন্ধ সমর্থন দিচ্ছেন - তারও একটু ভাববেন পোস্ট ৯/১১ বিশ্বে আপনারা কি নিজেদেরকে একটা অন্ধ গলিতে পাঠাচ্ছেন কিনা?

৪১. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১০:০৩
comment by: পাহাড় বলেছেন: সুন্দর লেখা।
৪২. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১০:২২
comment by: তাহমিদাল বলেছেন: দোসরা পর্বে জওয়াব দেন নাই, পরের পর্বগুলায় কি তা পাব?

যাউক, আপনি ধর্ম আর নৈতিকতারে একতোড়ায় বাঁধছেন। তয় ধর্ম আর নৈতিকতা, আমরা দেখছি, সবসময় একসাথে চলে না। ধর্ম বাদেও নৈতিকতা থাকতে পারে; তথা অধার্মিক মানুষের মধ্যেও নৈতিকতার দাবি থাকতে পারে। ধর্মের একভাগ নীতি, নৈতিকতার একটা প্রকার ধর্মীয় নৈতিকতা। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নিজেই একটা নৈতিক ধারণা, একটা আদর্শ। এইখানে নৈতিকতা পদটার অর্থ লইয়া কিছু গোলমাল থাকতে পারে। নৈতিকতা বলতে কেউ একটা বিশেষ নীতিকে বুঝতে পারেন, যেমন কেউ হয়তো ভাবতে পারেন যে খেরেস্তানজাতি শুয়ার খায়, ওদের কোনো নৈতিকতা নাই, বা মদ্যপান করার অর্থ নৈতিকতার অভাব। তর্কের খাতিরে আপনারে জ্ঞাত করি, আমরা নৈতিকতা বলতে কোনো বিশেষ নীতিরে বুঝি না। বরং নীতির ভাবই নৈতিকতা। তো শুদ্ধ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ দুনিয়ায় আজতক কোনো রাষ্ট্রে কায়েম হইছে কিনা আমার জানা নাই, না হইলেও হবে না এমন কথা কওয়ার অধিকার আছে কেবল গণকের।
ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের মূলকথা প্রতারণা, ভণ্ডামি ও চাতুরী - এই তথ্য কই পাইলেন? আমার মন্তব্যটা আরেকবার পড়েন; আগের পোস্টে যেই মন্তব্যগুলান করছি যেগুলার জওয়াব দেওয়া থেইকা আপনি বিরত থাকছেন সেইগুলা পড়েন... দেখেন আপনারই প্রস্তাবিত ইসলামের ভেজাল পাঠ আর ইসলামের শুদ্ধ পাঠ - এই দুই ভাগে ভাগাভাগির বৈধতা মাইনা আমি বললাম যে ধর্মনিরপেক্ষতার দুই ভাগ - ভেজাল আর শুদ্ধ। ধর্মনিরপেক্ষতার ধামাধরাদের মধ্যে দোষ থাকলে তাতে ধর্মনিরপেক্ষতার ত্রুটি নিরূপিত হয় না, যেমন আপনে হয়তো বলবেন যে ইসলামের ধামাধরা লাদেনের গোমরাহির দোষে ইসলাম দোষী নয়।
৪৩. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:১৬
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: আশরাফ রহমান বলেছেন :
২০০৭-০৬-১৮ ১৫:১৯:২৭
..... তবে হ্যা, ব্যক্তির উপরই প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নির্ভর করে। অর্থাৎ ইসলাম কারা প্রতিষ্ঠা করবে তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, জ্ঞান-গরিমা, প্রজ্ঞা, দুরদর্শীতা দেখতে হবে। বাংলা ভাই কিংবা ওসামাবিন লাদেন যদি ইসলাম কায়েমের চিন্তা করে তাহলে বুঝতে হবে তারা ইসলাম কায়েম নয় ,ইসলামকে বিতর্কিত করতে চায়।



গোলাম আযম এবং নিজামীর মতো ইসলামী সৈনিকদের ব্যাপারে আপনার মতামত কি আশরাফ ভাইয়া? তারাও তো ইসলামী শাসন কায়েম করতে চায়। তারা কিমুন লোক?

আশরাফ রহমান কুতায় গেলেন? ব্যাপারটা পরিস্কার করেন।
৪৪. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:২১
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: তাহমিদাল- আপনি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের প্রবক্ত ম্যাকিয়াভেলীর দর্শন নিয়ে পড়াশুনা করুন। সেখানে শাসককে শৃগালের চেয়েও ধুর্ত হবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনবোধে শাসককে ধার্মিক হবার ভান করতেও উপদেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু ইসলাম এসব গুনাবলীকে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য বলে ঘোষণা করেছে। সুতরাং যে মতবাদের উদ্দেশ্যই হচ্ছে প্রতারণা তা কখনোই ভেজালমুক্ত হতে পারে না। অপরদিকে ইসলাম সবসময়ই ভেজাল মুক্ত। কিছুলোক ইসলামের ভুলব্যাখ্যা করলে সে দোষ ইসলামের নয়। আশাকরি বিষয়টি আপনার পরিস্কার হয়েছে।

অনুরোধ- সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আপনার যেকোন প্রশ্ন সরাসরি বলবেন।
৪৫. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৩৮
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: আশরাফ ভাইয়া আমার প্রশ্নটার জবাব দেন।
৪৬. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৪৮
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: আসল ট্র্যাপ- লাদেন কিংবা বাংলাভাইয়ের সাথে জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে তুলনা করা ঠিক না। আমি যতদুর জানি তারা জঙ্গীবাদের বিপক্ষে। তবে তাদের দ্বারা ইসলাম কায়েম হবে কিনা তা আল্লাহই ভাল জানেন। কারণ জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৪১ সালে। এখন পর্যন্ত তাদের অবস্থান মজবুত নয়।
৪৭. ১৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৫৪
comment by: তাহমিদাল বলেছেন: আশরাফ রহমান, ম্যাকিয়াভেলি মহাশয়ের প্রিন্স বহিখানি পড়ছিলাম, ডিসকোর্স পড়ি নাই। তয় ম্যাকিয়াভেলি যে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের প্রবক্তা এই ভুল আপনি বারবার কইরা আমারে শরমিন্দা করতেছেন। ধর্মনিরপেক্ষতার প্রবক্তা ম্যাকিয়াভেলিরে বলা হয় না, যদিও তিনি পোপতন্ত্রের কঠোর সমালোচনা করছেন। নৈতিকতার প্রতি তাঁর একপ্রকার ঔদাসিন্য ছিল; আগ্রহ ছিল খালি রাজনীতি লইয়াই। তাঁর দর্শনে ছিল সর্বশক্তিমান আইনপ্রণেতার ধারণা। তো, ক্যাথলিক এনসাইক্লোপেডিয়ায় বলা হইতেছে যে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের উত্পত্তির সাথে যাঁদের নাম জড়ানো আছে তাঁরা হইলেন Holyoake ও Bradlaugh।

থাক, ব্যাপার না।

আর মন্তব্যে প্রশ্ন করাই লাগব, আর শুধু প্রশ্নই করা যাইব, কোনো পর্যালোচনা করা যাইব না, এমন বাঁইধা দিচ্ছেন ক্যান?
৪৮. ১৯ শে জুন, ২০০৭ রাত ১২:০৭
comment by: তাহমিদাল বলেছেন: আপনি ঘোষণা দিলেন, ‌ধর্মনিরপেক্ষতার উদ্দেশ্যই প্রতারণা। তার মানে আপনি ধর্মনিরপেক্ষতা যা বলে তা না শুইনা এখন তার ফন্দি খুঁজতে লাগছেন। আপনি যদি ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি বিচারমূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিতে না পারেন, তাইলে যুক্তিতর্কের জায়গায় দাঁড়িয়ে কথা বলা সম্ভব না। এ হচ্ছে সেই মামুলি ষড়যন্ত্র তত্ত্বের মতোই একটা কিছু, যা ঘুরে ঘুরে সেই একই বৃত্তে গোঁত্তা খায়। কোনো একটা মতবাদ কী বলতেছে তা না শুইনা পুরাটাই ষড়যন্ত্র এমন গোঁয়াতুর্মি করলে তর্ক করা বৃথা।
৪৯. ১৯ শে জুন, ২০০৭ রাত ১২:১৬
comment by: তাহমিদাল বলেছেন: *তত্ত্বের*
৫০. ১৯ শে জুন, ২০০৭ রাত ১২:২৮
comment by: আসল ট্র্যাপ বলেছেন: আশরাফ ভাইয়া, আমার প্রশ্নটা হইলো আপনে যে কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য দিছেন যেমন: জ্ঞান-গরিমা, প্রজ্ঞা, দুরদর্শীতা, এগুলা কি আপনে গোলাম আযম কিংবা নিজামীর মধ্যে পাইছেন?
৫১. ১৯ শে জুন, ২০০৭ রাত ১২:৫৪
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: তাহমিদাল- আপনি ম্যাকিয়াভেলীর একটা বই পড়েছেন। আর আমি অনার্স এবং মাস্টার্স লেবেলে তার সম্পর্কে অসংখ্য বই পড়েছি। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি কি ছিল তা আপনি অনার্স লেবেলের যেকোন ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন। আশাকরি তখন আপনার ভুল ভাঙ্গবে।

ধর্মনিরপেক্ষতার উদ্দেশ্যই যে প্রতারণা তা আমার কোন সিদ্ধান্ত নয়। তাদের কার্যকলাপই তা প্রমাণ করেছে। আর আমার লেখাতে তা তথ্যসহ তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি। আমার লেখা তথ্যের ব্যাপারে আপনি কিন্ত কিছু বলেন নি। সুতরাং আপনিও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নিয়ে পড়াশুনা করুন সেইসাথে তাদের বাস্তব কর