সামুর হইছে কী? এত্তো স্লো আর এডিট করতে গেলে পোস্ট হাওয়া হয়ে যায়।
=============================
ধুমপান সতর্কীকরণ: ধুমপান স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। এই সিগারেটের ছ্যাঁকা কারো গায়ে লাগলে তাহা বাঘতালীয়। জীবিত ও মৃত কোন ব্যক্তির কারো খিঁচুনী উঠলে পাঠক দায়ী থাকবেন। আমিন।
=============================
আমি: আউলাদি, কেমন আছ? ঈদে কী করছ? নতুন ছিঃনেমা?
আউলা: হতচ্ছাড়া, তোমাকে কতবার বল্লাম আমাকে দিদি ডাকবে না!
আমি: কেন? কেন? কী হয়েছে?
আউলা: দিদি ডাক শুনলে বয়েস বেশি মনে হয়। সবাই বয়েসের খোঁটা দেয়, তুমি-ও দিচ্ছ।
আমি: এটা কিছু না দিদি। রমজানের সুন্দরীবিতানে (পার্লার) গিয়ে মেকাপ করে নিলে হবে। ব্লগে আসো না কেন? অভিমানে?
আউলা: হুঁ। ভেবেছিলাম আমার নিরুদ্দেশে অনেকে মান ভাঙানোর জন্য আমার স্ক্রিপ্ট নিয়ে ঈদ উপলক্ষে একটা ছিঃনেমা বানাবে।
আমি: ইয়ে মানে, ঠিকাছে। আমি ব্লগে বলে দিব। কিন্তু মেলা ঝামেলা কাজ। কে অভিনয় করবে! কে বানাবে!
আউলা: রোজিনা আপা, আর লাইলি মাড্যামকে বল্লে হবে। সেইসব তোমাকে ভাবতে হবে না। জেলীবু টমরে দৌড়ায়ে দৌড়ায়ে অভিনয় শিখে গেছে। কস্টিউম, অঙ্গসজ্জার জন্য আছে অপ্সরা।
আমি: আউলাদি, তোমার অনেক বুদ্ধি তো। শুধু ভাত খেতে একটু বেশি সময় লাগাও আরকি!
=============================
(রমনা পার্ক। সময় বিকেল। তানিম ভাই ও ভাবীকে পাওয়া গেল।)
আমি: তানিম ভাই, ঈদে কী আইট্টা কলার নতুন সংস্করণ আসবে? ব্লগে দেখি আসো না আজকাল।
তানিম: আস্তে, তোমার ভাবী শুনলে আজ না খেয়ে থাকতে হবে। সে মনে করে আমি ব্লগে যাই শুধু লুলামি করতে।
আমি: নারীসমাজ কখনো সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে না।
তানিম: চুপ। তুমি আজকাল বেয়াদব হয়ে যাচ্ছ। একটা আফসোসের কথা বলি, স্মৃতি আসলেই বদনা। সেদিন তোমার ভাবী নাকি বাসমতী চাল আনতে বলেছিল। আমি মসুর ডাল নিয়ে এলাম। সেকি কাণ্ড। বলে আমি নাকি বাজার করতে গিয়ে আশপাশে বেশি তাকাই।
আমি: তানিম ভাই, চিন্তা করবেন না। আমরা আপনার জন্য ব্যাচেলরসভা থেকে বিবাহনিরোধক কর্মসূচি হাতে নিব।
=============================
আমি: মেঘাভ্র, কী কর?
মেঘু: রাবারের অবশিষ্ট দিয়ে পুতুল বানাই। একটা অর্ডার পেয়েছি, বিদেশে রপ্তানি হবে।
আমি: সেজন্যই কি তোমাকে ব্লগে দেখা যায় না?
মেঘু: মুহাহাহা। ক্যান, আমি তো প্রায় আসি, চুপিচুপি। তুমি আজকাল আঁতেল কবিতা লিখ।
আমি:
মেঘু: ইশ। তোমার জোতিষবিদ্যা লাগে নাই। আমি এখন যাই। আমার অনুভূতি বিবর্তন হয়ে গেছে!
=============================
টুশকিমণি: ভাইয়া, কেমন আছেন?
আমি: ভালো আছি, টুশকিমণি। ঈদে খানাপিনা কেমন চলছে।
টুশকিমণি: আমনে খালি খাওয়ার খোঁটা দেন।
আমি:
টুশকিমণি: জীবনানন্দদাশের কবিতা দিয়ে একটা জুস বানাই দি?
=============================
স্থান: ঢাকার কমলাপুর স্টেশন।
নির্ঝর: অভিকবি, আপনাকে দেখে আরাম লাগছে। আজ অনেক রোদ।
আমি: নির্ঝর, অনেক ঘাম পড়ছে। রোদের রুমাল দিয়ে মুখটা মুছে নেন।
নির্ঝর: অভিকবি, আপনি তো শাদাকালো হয়ে গেছেন।
আমি: খুব ইচ্ছে করে চাঁদ নেমেছে,
আকাশের 'পরে চাঁদটি ক্ষয়ে মেঘকাঁচি হয়ে যাচ্ছে
নির্ঝর: সেই চাঁদের হাতে ভোরের বকুল রেখে
দূরতম শুভালক্ষীর বুকে ঈদের আনন্দ মিলায়েছে
=============================
আমি: নিহন, ছবি আঁকো নাকি?
নিহন: একটা গল্প লিখি। একটা ছেলের অনেক দুঃখ।
আমি: ঈদের দিনে দুঃখের গল্প লিখলে আমপাবলিক খাবে না। ছবি আঁকো।
=============================
আমি: রঙধুন, কাঁদছেন কেন?
সাদা কালো এবং ধূসর: ব্লগে আসি একটু আনন্দ করার জন্য। সবাই দেখি আজকাল আঁতলামি মন্তব্য করে। ভাল্লাগে না, তাই একাএকা মিস্ত্রাল পড়ি। আহা...
আমি: হুম। বিলাই হয়ে যান। বিলাইদের দুঃখ নেই। দেখেন না ব্লগের শাওন৩৫০৪-কে।
=============================
আমি: চানাচুর, চানাচুর ইংরেজি কী?
চানাচুর: তুমি কি আমার সাথে মজা করছ?
আমি: নাতো।
চানাচুর: শয়তান, আমার সাথে ভেবে ভেবে কথা বলবে। আমি সবার সাথে ভেবে ভেবে কথা বলি। ভেবে ভেবে খাই, তাই আমার ভাত খেতে তিন ঘণ্টা লাগে।
=============================
আইরিন সুলতানা: আশরাফ, সামনের সপ্তাহে আমাদের বাসায় আপনাকে দাওয়াত।
আমি: কি উপলক্ষে?
আইরিন: ইয়ে মানে। (হাতের মেহেদী দেখিয়ে) বুঝেন তো... :!> :#> তবে আমি চাচ্ছি একটা আনকমন সন্ধ্যে করতে। হলুদ সন্ধ্যা না করে নিমসন্ধ্যা করব। আপনার নিমের ক্ষেত কবিতাটা থেকে দুই কেজি নিমপাতা পাঠিয়ে দিবেন।
=============================
আমি: খেকুদা, আইরিন আপার বিয়ের দাওয়াত পেয়েছেন?
একরামুল হক শামীম: পেয়েছি, তবে যাব না।
আমি: কেন? কেন?
খেকুদা: তারা নাকি বেশি কিছু রান্না করবে না। আমি আবার ১১ পদ তরকারী পদ, ৩ রকমের ভাত, পোলাও; ৫ রকমের পানীয় (বাংলাটাও) না হলে নিমন্ত্রণে যাই না।
=============================
আমি: দাষুদা, ঈদে নতুন জামা কিনছেন?
রাশেদ: না। জীবনটা ভাল্লাগে না। দেখ দেয়ালে সিগারেটের ধোঁয়া দিয়ে সব দুঃখ লিখে রাখি!
আমি: আহারে....ঈদে বালিকার সাথে বিবাহটা সেরে ফেললে ভালো হতো না! এক দাওয়াতে দুইটা.আপনি তো আবার কঞ্জুস।
দাষু: আমি অতিশয় ভালো পোলা।
আমি: নতুন কবিতা লিখছেন?
দাষু: হ্যাঁ। পড়ি শোন-
"এতো দুঃখ দিলি, তুইতুইতুই
কষ্টে আমি ঈদের চাঁদ না ছুঁই।"
=============================
বিমা: কি আকাম কর সারাদিন, বড়ভাইয়ের জন্য একটা মেয়ে দেখতে পারলা না।
আমি (লজ্জিত): ভুল হয়েছে। আপনি গিটার বাজায়ে শুরু করে দেন। ট্রাক লাগলে আরাফাত শান্তরে খবর দিলে হবে।
বিমা: আসলে এই জনমে বোধহয় বিয়ে হবে না। মুকলারও হইল না, ড়াশুর-ও না। আমাদের বন্ধু-সার্কেলটা আসলে অপয়া। আমি ভাবছিলাম দেশে এসে...চুল-দাঁড়ি সব ফেলে দিলাম, অথ বোরকা পরা কোন মেয়ে পাগল হইলো না! :-<
=============================
বাবুনি সুপ্তি: ভাইয়া, তিন গোয়েন্দা পড়বেন? আমি এখন বইয়ের পোকা হয়েছি।
আমি: ভালো তো, আমি অবশ্য মাসুদ রানা পড়তাম। দাও, তুমি এতো করে বলছ।
সুপ্তি: আমি বৃষ্টি দেখতে দেখতে বারান্দায় বই পড়ি। বইয়ের পোকা হয়েছি।
আমি: সুপ্তি শুন, তোমাকে কিছু কড়া কথা বলব। মনে নিও না কিছু। নিজের মনকে আরো শক্ত কর, পৃথিবীটা অনেক কুটিল; তুমি এতো ভালো মেয়ে হয়ে থাকলে কষ্টই পাবে।
=============================
নাজনীন খলিল: অভি, তোমার জন্য ঈদ উপলক্ষে একটা অভিধান পাঠালাম। পেলে আমাকে বলো।
আমি: তোমার অনেক দয়া।
নাজনীন আপু: দেশে আসতে আমাদের জন্য কসমেটিক আনতে ভুলো না।
=============================
আমি: খাইরুন কেমন আছে? বসতে পারে এখন?
মমমম১২: হুঁ। সে এখন পঠেইঠো খায়।
আমি: আপনি কি খান?
মমমম১২: আমার হাতটা ব্যথা করে। তাই খেতে পারি না। বুড়োটা খাইয়ে দেয়।
=============================
আমি: কাউয়া কইরে?
গোল্লাকাউয়া (বৃত্তকাক): ছবি তুলি। আত্মমগ্ন কথা লিখি।
আমি: কী জামনা এলো। কাউয়ারা এখন ভুষূন্ডি!
গোল্লাকাউয়া: কবিবর, আমাদের আর লজ্জা দিবেন না। কাক সমাজের পক্ষ থেকে আপনার জন্য ঈদ উপলক্ষে একটা ময়ূরের পালক ফ্রি।
আমি: থাক লাগবে না। শুধু ঈদের দিন কাকাকাকাকা কর্বনা। কান ঝাল্পালা করলে খবরাছে।
=============================
সাজি: অভী, ঈদে সেমাই খেতে এসো।
আমি: অবশ্যই বুবু। তুমি বুবু হয়েছ বলে একটা সুবিধা আছে। রান্না ভালো না হলে বকা যাবে।
সাজি: কীযে বলো। রাইয়ানদেরকে কতো করে খাওয়াই।
=============================
ফেরারী পাখি: ভাবছি, ঈদ উপলক্ষে আমার নিকটা নিড়পাখি করব।
আমি
: কেন?
ফেরারী পাখি: উনি মাইন্ড করেন। বলে, তুমি কী এখনো ফেরারী অনুভব করো নাকি! আমি তো ঝাঁড়ি দিয়ে বলি ঈদে শুধুমাত্র একটা শাড়ি কিনলে তো ফেরারী অনুভব হবেই।
=============================
রেটিং: আশরাফ, তোমার কবিতায় + রেটিং দিলাম।
আমি: ধন্যবাদ। আপনারে ইদানীং মোটামোটা (বাবুবাবু) লাগছে!
রেটিং: অনেক হাইকিং, বাইকিং করি তো তাই।
=============================
অনন্ত দিগন্ত: কবি ভাই, আমার পোস্টটা তো হিট খাইল, কিন্তু কেউ কথা দিল না। ভাবছিলাম নাঈমের উপর কাঁঠাল রেখে ভেঙে খাব। হইল না।
আমি: আচ্ছা, আমি বলে দিবনে।
অনন্ত দিগন্ত: ভাবছি, ঈদের পরে কেউ কথা না দিলে এখটা পাথর বিয়ে করে ফেলব, কোঁখড়াচুলওয়ালী চুলোয় যাক।
=============================
নুশেরা: প্রিয় ভাইয়া অভি, তুমি এত্তো ভালো লেখ। বুবুকে একটা কবিতা লিখে দাও না ঈদে!
আমি: আচ্ছা দিব, কিছু প্রশ্ন ছিল। তোমার হিটের রহস্য কী?
নুবু: কোন রহস্য নেই, নিজে নিজের ব্লগের পাতা হিট করি; মানে বারবার খুলি।
আমি: তা তো বুঝলাম। কিন্তু এতো মন্তব্য তো আর নিজে করো না!
নুবু: শুনো, আমি সবার ব্লগে গণহারে কমেন্ট করি। মানুষ চক্ষুলজ্জা হলে-ও অন্তত একটা মন্তব্য করতে আসে!
আমি: তুমি আসলে ভালো লিখ। তবে বানান ভুল ধরাটা মাঝে মাঝে ভয় ধরায়।
নুবু: আরে আসল মজা তো এখানে। সবাই কবিতা, গল্প লিখে। আমি বানান ভুল ধরি। লেখক কাঁচুমিচু করে, ভাবতেই আনন্দ লাগে যে লেখকের উপর খবরদারী করলাম! সবার কাছে নিজেকে বড় জ্ঞানী লাগে।
আমি: হুমম। তোমার বানান ভুল ধরার রোগটাকে তো নুশেরাটিস সংজ্ঞায়িত করল রোবোট।
নুবু: এটা আসলে ভালোবাসার বহ্নিপ্রকাশ। যেমন তোমাকে আমার অনেকসময় অভি না ডেকে আশবাফ ডাকতে ইচ্ছে করে।
আমি:
============================
ম্যাভেরিক: আচ্ছা, ম্যাপলপাতার কবি বলুন তো, Hellenism শব্দের অর্থ ও কাহিনী কি?
আমি: জানি, তবে বলতে ইচ্ছে করছে না। আমাকে অভি ডাকলে প্রীত হব।
ম্যাভেরিক: সেদিন একটা বিষয়ে পড়লাম। পাখিদের চলাচলে বিস্ময় লুকিয়ে আছে। একটা চিন্তা এলো। ব্যাঙের চলাচলে মানুষের জন্য উৎসব উপলক্ষে কোন শুভেচ্ছাবার্তা (যেমন- ঈদ মোবারক, নমস্কার) চিহ্ন থাকে কিনা সে ব্যাপারে গবেষণা করতে মন চাইছে।
আমি:
============================
আমি: গোল্লাখাঁড়ু কেমন আছ? পূজোর শুভজবা।
কাঁকন: খাঁড়ু মানে কি?
আমি: খাড়ু মানে কাঁকন। গোল্লাখাঁড়ু মানে গোল্লাকাঁকন।
কাঁকন: আশরাফ, তোমার আঁতলামি মাঝে মাঝে অসহ্য লাগে। ঢং।
আমি:
কাঁকন: ছি, ছি, তোমার মনমাইন্ডই খারাপ।
আমি: আসলে বাংলা সিনেমা আর স্মৃতিমৃতি পোস্ট দিয়ে তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে।
============================
অনেকের নাম বাদ গেছে। দুঃখিত। জায়গা হচ্ছে না। যারাযারা হিমালয় বাবার (জনৈক বিমা ও আমি ওনার মুরিদ) স্বপ্নে দেখা দিতে চান তাহারা চিক্কুর মারেন একটা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

