আমি যেখানে থাকি সিউল ফরেস্ট ওখান থেকে সাবওয়েতে আধাঘন্টার পথ, স্টেশন থেকে বের হয়ে প্রায় ১৫ মিনিট হেটে পৌঁছালাম মূল জায়গায়। ফরেস্ট শব্দটা বলতে আমাদের মনে যেরকম ছবি ভাসে এটা মোটেও সেরকম কিছু না। শহরের ইট সুরকি থেকে একটু নিস্তার পাওয়ার চেস্টায় তৈরী করা হয়েছে এই এলাকা। বড় মাপের পার্ক বলা যেতে পারে এটাকে।
ঢুকেই একটা ক্যাকটাস হাউস, সাথে ইনসেক্ট গার্ডেন, কিন্তু কপাল খারাপ, ওটা বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। তাই বাইরে থেকেই দেখতে হলো কোনরকমে। একটু সামনে হেটে একটা টানেল চলে গেছে সোজা নদীর পাড়ে। সাইকেল রেন্ট আছে কেউ চাইলেই পুরো বনে ঘুরে বেড়াতে পারে। ঠিক মাঝখানে একটা বিশাল তার ঘেরা জায়গায় চরে বেড়াচ্ছে অসংখ্য হরিণ। সেই ঘেরা জায়গায় আছে লেক, অনেক নাম না জানা গাছ আর বুনো ফুল। পুরো ঘেরাটুকুর উপর ব্রিজ করা আছে উপর থেকে হরিণ দেখার জন্য। আজ সারাদিন মেঘলা, সাথে হালকা কুয়াশাও, তাই শেষ বিকালেই রওনা দেই ওখান থেকে।
গাছের গোড়ায় মেটালের কারুকাজ
ফুটপাতে খাই দাই (খালাম্মা কোনভাবেই তার ছবি তুলতে দেবেনা, মেকআপ ছিলোনা তাই)
বনের মাঝে প্রাণের ছোঁয়া
হান নদীর একাংশ
এক পাল হরিণ
সেদিন দুজনে বসে ছিনু বনে...
ঘোড়াগুলো ছুটেই চলেছে
ফেরার পথে এক্সপেরিমেন্ট চালালাম রাতের সিউল নিয়ে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

