somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এক নজরে সোফিয়া

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১। সোফিয়াকে আনলো কেন? যত আদিখ্যেতা?:
উত্তর: এখানে সোফিয়ার কথোপকথন এর চেয়ে তার ফেসভ্যালু এবং অনুষ্টানের বিজ্ঞাপন এবং মিডিয়া হান্টিং করা হয়েছে। সোফিয়া এখানে উদ্দীপকের ভুমিকা নিয়েছে। বিজ্ঞানের উন্নতিকে পরিচিত করা, নতুন প্রজন্মকে উচ্ছসিত করা এবং এসব উচ্ছাসের পরবর্তী ফিডব্যাক হবে ধীরে ধীরে বিজ্ঞান মনস্ক একটা জাতিতে পরিণত হওয়া। অনুষ্টানে নতুন প্রজন্মের ব্যাপক ভীড় প্রাথমিক লক্ষ্য পুরণ হয়েছে। ছোট শিশু কিশোরেরাও ঘরে ঘরে ব্যাপক কৌতুহলী হয়েছে। কৌতুহলই পরবর্তী জানার প্রথম ধাপ। কত টাকাইতো লুট হয়। বিজ্ঞানের জন্য না হয় একটু খরচ হলো। গুলশানে বসে মেকআপ করার চেয়ে, অপটিকেল ফাইবারের ফ্রী লাইন না নেবার চেয়ে এসব নিয়ে আরো আদিখ্যেতা হলে ক্ষতি নাই বরং লাভ।
২। সোফিয়াকে নিয়ে অতি মাতামাতি কি ভালো হয়েছে?
উত্তর : কোন একটা নতুন ঘটনা ঘটলে সেটা নিয়ে নানা স্কেলে মাতামাতি হবে। ঘোষক বিতর্ক/ রাজনৈতিক হাউকাউ এর চেয়ে বিজ্ঞানের একটা জিনিস নিয়ে লোকে একটু বলুক না। সোফিয়া জন্মের মাত্র দুমাসের মাথায় এ দেশে এসেছে । মানুষ এক্সসাইটেড থাকতে পারে।

৩। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে কি কিছু আছে? যন্ত্রের আবার বুদ্ধি কি?
উত্তর: হ্যাঁ অবশ্যই আছে। বুদ্ধি হলো একধরণের তথ্যের সংশ্লেষণ। আমাদের যে বুদ্ধিমত্তা সেটা জৈবিক আর সোফিয়ার যে ম্যাকানিজম সেটা ইলেক্ট্রনিকস। ছোটকাল থেকে আমাদের শিখাটাকে প্রিসেট তথ্যই। আমরা কথা বলার সময় সেখান থেকেই বলি। অনেক শব্দ ভান্ডার থেকে শব্দ বাঁচাই করেই বলি। সোফিয়া শুধু ন্যারেটর না। "আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো ইনপুট ডাটাকে এনালাইজ করে মেমোরি ডাটার সাথে রিজন করা, এবং সবচেয়ে রিজোনেবল একটি আউটপুট দেয়া। ইন্টেলিজেন্স হলো রিজনিং পাওয়ার, ন্যাচারাল ইন্টেলিজেন্সে এ কাজটি করে থাকে বায়ো-ব্রেইন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে এটি করে থাকে কমান্ড-ড্রাইভেন ব্রেইন। বায়ো-ব্রেইনের দক্ষতা এ কাজে অত্যন্ত বেশি, তাই মানুষের ইন্টেলিজেন্স সোফিয়ার চেয়ে বেশি। সোফিয়ার ইন্টেলিজেন্স কম হতে পারে, কিন্তু যন্ত্রের কোনো ইন্টেলিজেন্স থাকতে পারে না এটা অত্যন্ত ভুল কথা। "(কপি ফ্রম এমডি মহিউদ্দিন)

৫। একজন বলেছেন সে নারীর আদল কেন? নারী কে পণ্য বানানো হলো কেন?
যিনি বানিয়েছেন তিনি একজন পুরুষ। সুতরাং একজন পুরুষের প্রিয়তমা মানুষটিও নিশ্চয় নারী ছিলো। আর নারী হওয়াতে যে সুবিধা সেটা হলো নারী ভয়েজ দেয়া গেছে । নারী ভয়েজ অনেক বেশি ক্লিয়ার একটা পুরুষ ভয়েজ থেকে। শুধু পণ্য না ভেবে পুজারীও ভাবা যায়। মোনালিসা নারী কেন ? দেশকে ফিমেল জেন্ডার হিসাবে বলি কেন? এসব প্রশ্নের উত্তর জানলে এই অবান্তর প্রশ্ন আসতো না। মজা করার জন্য বলি কেউ তার রোবটকে ডিপজল বানাবে না সোফিয়া বানাবে সেটা তার ব্যাপার। আর কেউ প্রডাক্ট বানানোর সময় মার্কেট এড্রেস না করে বানায় না। ভোক্তার চাওয়া অবশ্যই রিফ্লেক্ট করে।

৬। গায়ে ওড়না বা পোশাক কেন?
যে কোন দেশের কৃষ্টিকালচারকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য পোশাকের আগমন। মানুষতো পোশাক পড়ে । এর বাইরে পোশাকের মধ্যে আমাদের দেশের জামদানিকে তুলে ধরা হয়েছে। একদম নগ্ন থাকার চেয়ে পোশাক পড়া বা ওড়না পড়ানোতে সমস্যা কি হয়েছে ঠিক বুঝা গেলো না।
৭। তাকে ফর্সা বানানো হলো কেন? এটা কি বর্ণবাদ নয়?
ফর্সা রঙে আলোর প্রতিফলন ভালো হয়। একজন কৃষ্ণাঙ্গ মেয়েও ফর্সা হতে চায়। ফর্সাতে আলোকচিত্র ভালো আসে এবং যিনি বানিয়েছেন তিনিও ফর্সা । ফর্সা হতে চাওয়া মানেই বর্ণবাদ নয়। বর্ণের কারণে বৈষম্যই মুলত বর্ণবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৩
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ হাসিনার নতুন ব্যর্থ প্রজেক্ট, তারেক জিয়াকে দেশে ফেরত আনা

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪


News on Tareq Zia

তারেক জিয়াকে কি দেশে আনা সম্ভব? না, পুরোপুরিই অসম্ভব: বেগম জিয়া জেলে আছেন, লন্ডনে তারেকের পরিবার আছে, অপরিণত বয়স্ক মেয়ে আছে, জামাতের বিশাল শিকড় আছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগাররা ফিরে আসুন

লিখেছেন সম্রাট ইজ বেস্ট, ২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৮



খুব দুঃখ নিয়ে লিখছি। ব্লগে যোগ দেয়ার পর থেকে জানামতে কারো সাথে মনোমালিন্য হয়নি। একআধটু ঠোকাঠুকি হয়ত হয়ে থাকতে পারে তবে সেটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই হলো অবস্থা

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৫৮



১। প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে মার সাথে কিছুক্ষন গল্পগুজব করি। একদিন মার সাথে গল্পগুজব না করলে মা গাল ফুলিয়ে থাকে।
সেদিন মাকে বললাম, সুরভি খুব বিপদে পড়েছে। বুয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

হতে চাই তোরই সঙ্গিনী

লিখেছেন নীলপরি, ২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১৪





ছবির শিল্পী - Eszra Tanner



মেঘ, একটু ধীরে চল
পিপাসার্ত চাতকের মতো প্রতীক্ষমণা
তোর ছায়া ধরবো হাতে
তুই একটুখানি গল্প শোনা
ঘুম ভাঙা এই প্রভাতে!


টলটলে দীঘি-জলে কেনো ফেললি
তোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রেমিক হতে হলে

লিখেছেন শিখা রহমান, ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪৭



জানি প্রেমিক হতে হলে দামাল হতে হয়,
ঝড়োয়া হাওয়ার মতো দমকা, বৃষ্টির মতো তুমুল।
মনের বাঁ দিকে থাকতে হয় আরেকটা কল্পতরু মন;
ঝাকড়া চুলে স্বর্ণ চাপার গন্ধ,
বুকে নীল আকাশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×