আমার প্রিয় পোস্ট

ব্যস্ত শহর ঠাঁস বুনটের ভিরে আজো কিছু মানুষ স্বপ্ন খুজে ফিরে........

আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানির অনুপস্থিতি বিতর্কঃ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত বড় কোন সৈন্য দল নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে অপমান জনক পরাজয় বরন করে পাকিস্তান

১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪

শেয়ারঃ
0 6 0

জেনারেল এম এ জি ওসমানি আত্বসমর্পনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না,এই বিষয়টাকে নিয়ে আগেও অনেক পানি ঘোলা করার চেষ্টা করা হয়েছে।৭১ পরাজিত শক্তির আত্ত্বা এখনো যাদের মাঝে ভর করে আছে তারা জায়গা পেলেই তাদের পুরাতন সেই বিষ ভরা নিঃশাস ফেলে আমাদের গৌরবময় বিজয় কে ছোট করে প্রচার করতে উঠে পরে লাগে।তার কিছু নমুনা ব্লগে দেখা গেল।সেই সুত্র ধরেই এই পোস্ট।


ঐতিহাসিক ভাবেই ভারত আর পাকিস্তান একে অপরের শত্রু।আর ভারত সভাবতই চাইবে পাকিস্তান কে দুর্বল করার সকল সুযোগ কে কাজে লাগানোর।সেটা খুব স্বাভাবিক।আর ৭১ এ সুযোগ টি কাজে লাগিয়ে ভারত বাংলাদেশ কে সাহায্য করেছে আমাদের মুক্তি সংগ্রামে।
ভারতের সেই সাহায্য অনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় নভেম্বরের শেষে ডিসেম্বরে।যা ডিসেম্বর ওয়ার নামে পরিচিত।আর সেখানে ভারত ও বাংলাদেশ যৌথ ভাবে গঠন করে মিত্র বাহীনি।যাতে ইস্টার্ন ও ওয়েস্টর্ন জোন নামে ২টা ভাগ ছিল।
ইস্টার্ন জোনের ভারতীয় অংশের চীফ ইন কমান্ড ছিলেন জি এফ আর জ্যাকব।তিনি প্রথম যখন জেনারেল নিয়াজির কাছে আত্ত্বসমর্পনের ড্রাফট দেখান (১৬ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টা) ।এর আগেই পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই যুদ্ধ কে পাক-ভারত যুদ্ধ বলে একটি আন্তর্জাতিক রুপ দেওয়ার জন্য জাতিসংঘে প্রস্তাবনার চেষ্টা চলে।
নিয়াজিকে বলা হয় তাকে বাংলাদেশ ও ভারত জয়েন্ট ফোর্সের কাছে আত্ত্বসমর্পনের জন্য।দিনটি পুর্ব নির্ধারিত ছিল না।
আর তখন জেনারেল ওসমানি ছিলেন সিলেটে।ওসমানিকে ঢাকা আসার জন্য বলা হয়।তার কিছু পরেই ওসমানি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার জন্য হেলিকাপ্টারে উঠেন।কিন্তু পাকিস্তানিদের অনবরত গুলির মুখে সেটি আর ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করতে পারে নি।
এদিকে রেসকোর্সে আত্নসমর্পনের জন্য প্রস্তুত ঢাকা।আগেই বলা হয়েছে জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে যে প্রক্রিয়া চলছিল তার জন্য মিত্র বাহীনি কৌশল গত ভাবে এই আত্নসপমর্পন যত দ্রুত সম্ভব করার চেষ্টা করে।এর জন্য বাংলাদেশের অপর মিত্র রাশিয়ার তাড়াও ছিল (জাতিসংঘের সেই প্রক্রিয়া মোকাবেলার কৌশল হিসাবে)
তাই ওসমানিকে ছাড়াই শুরু হয় সেই আত্নসমর্পনে অনুষ্ঠান।যাতে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ওসামনির পরে যিনি ছিলেন সেই একে খন্দকার(ছবিতে সাদা পোশাকে)

আত্নসমর্পনের যে দলিলে সাক্ষর করা হয় সেটাতে জেনারেল অরোরা যিনি ইস্টার্ন জোনের জি ও সি ছিলেন তার পদবি টি খেয়াল করুন।তাতে স্পস্ট লিখা আছে জিওসি ইন্ডিয়া -বাংলাদেশ ফোর্স (ইস্টার্ন )
দলিলের ভিতরেও কার কাছে নিয়াজি আত্ন সমর্পন করল সেটা স্পস্ট করে বলা আছে।


আর যারা বলে পাকিস্তান ভারতের কাছে আত্নসমর্পন করেছিল,তাদের কাছে জানতে চাই।
তবে ভারত বাংলাদেশ থেকে এক নোটিশে সকল সৈন্য প্রত্যাহার করলই বা কেন?আর চির শত্রু পাকিস্তান কে হারনোর কৃতিত্ব কেবল নিজেরাই নিল না কেন?
এর একটাই জবাব।ভারত আমাদের মিত্র শক্তি হিসাবে আমাদের বিজয়ে সাহাজ্য করেছে,এর বাইরে কিছু নয় ।হোওক তাতে তার শত্রু পাকিস্তান কে দুর্বল করার সার্থ জড়িত,সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়।কারন শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু এটা ধ্রুব সত্য।
আমাদের যা দেখার ভারত আমাদের এই বন্ধুত্ব কে মর্যাদার সাথে দেখে কিনা।

******
আর এর মধ্য দিয়ে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত বড় কোন সৈন্য দল(৯৫ হাজার) নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে অপমান জনক পরাজয় বরন করে পাকিস্তান।
******
নিয়াজি প্রথমে রেসকোর্সে এই দলিলে সাক্ষরে রাজি হয়নি,তিনি এটি অফিসে করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু ইতিহাসের প্রথম উন্মুক্ত জনতার সামনে এই আত্নসমর্পনে বাধ্য হয় পাক সেনারা।
********
জ্যাকব তার বইতে নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখতে গিয়ে বলেন,তিনি নিয়াজির সামনে এই ড্রাফট দেখানোর এক পর্যায়ে নিয়াজির চোখ বেয়ে পানি পড়ে।আর এটা দেখে জ্যাকবের যযে অনুভুতি তা তার নিজের ভাষাতেই দেখুন
(Then I saw tears in his eyes. I looked at him with pity and thought this man has behaved very badly with the people of Bangladesh. You know what his Army did and I don’t want to repeat that. I wanted him to surrender in front of the people of Dhaka.)

সংযুক্তিঃ ওসমানির বক্তব্যঃ
১৮ তারিখে ওসমানী সদর দপ্তরে ফিরে আসেন ।তাকে নিয়ে নানা গুজব শুনে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন তিনি।
এবার আসুন শুনি স্বয়ং ওসমানির বক্তব্য-”দেখুন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে যাচ্ছি। কিন্তু দুঃখ হলো স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধ সম্পর্কে কোনো চেতনা এখনও জন্ম হয়নি। আমাকে নিয়ে রিউমার ছড়ানোর সুযোগটা কোথায়? কোনো সুযোগ নেই। তার অনেক কারণ রয়েছে। নাম্বার ওয়ান- পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কবে আত্মসমর্পণ করবে আমি জানতাম না। আমি কলকাতা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাদের আত্মসমর্পণের প্রস্তাব এসেছে।

নাম্বার টু- ঢাকায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আমার যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ এই সশস্ত্র যুদ্ধ ভারত-বাংলাদেশের যৌথ কমান্ডের অধীনে হলেও যুদ্ধের অপারেটিং পার্টের পুরো কমান্ডে ছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল স্যাম মানেকশ। সত্যি কথা হচ্ছে আমি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো নিয়মিত সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধানও নই। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনী আমার কাছে আত্মসমর্পণ করতে পারে না। কারণ বাংলাদেশ জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী কোনো দেশ নয়।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে জেনারেল মানেকশকে রিপ্রেজেন্ট করবেন লে.জে অরোরা। জেনারেল মানেকশ গেলে তার সঙ্গে যাওয়ার প্রশ্ন উঠতো। সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমার অবস্থান জেনারেল মানেকশর সমান। সেখানে তার অধীনস্থ আঞ্চলিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল অরোরার সফরসঙ্গী আমি হতে পারি না। এটা দেমাগের কথা নয়। এটা প্রটোকলের ব্যাপার। আমি দুঃখিত, আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধের বড় অভাব।

ঢাকায় ভারতীয় বাহিনী আমার কমান্ডে নয়। জেনারেল মানেকশর পক্ষে জেনারেল অরোরার কমান্ডের অধীন। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করবে যৌথ কমান্ডের ভারতীয় বাহিনীর কাছে। আমি সেখানে (ঢাকায়) যাবো কি জেনারেল অরোরার পাশে দাড়িয়ে তামাশা দেখার জন্য? হাও ক্যান আই!

আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করবেন জেনারেল মানেকশর পক্ষে জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আর পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে জেনারেল নিয়াজী। এখানে আমার ভূমিকা কি? খামোখা আমাকে নিয়ে টানা হ্যাচড়া করা হচ্ছে।

পাশাপাশি কেনো মুক্তিবাহিনীর কাছে পাকিস্তানীরা আত্মসমর্পণ করেনি এটার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ওসমানী সংক্ষেপে ব্যাপারটা এমন যে যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক নীতিমালা আছে যার অন্যনাম জেনেভা কনভেনশন। বাংলাদেশ এই কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ নয় বলেই সেই নীতিমালা মানতে মুক্তিবাহিনী বাধ্য ছিলো না। তাই তাদের হত্যা করলে বা তাদের উপর অত্যাচার করলে বলার থাকতো না কিছু। পাকিস্তানীরা জেনেশুনে সে ঝুকি নেয়নি। তাছাড়া ৯০ হাজার যুদ্ধবন্দীকে খাওয়ানো পড়ানো তদারক করার ক্ষমতাও যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ছিলো না। তখনও নিজের খাওয়াটাই যে জোটে না!” (দ্র. একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা, নজরুল ইসলাম, অনুপম প্রকাশনী ১৯৯৯ )

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানির অনুপস্থিতি বিতর্কজেনারেল ওসমানিআত্মসমর্পন অনুষ্ঠান ;
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮
রাঙা মীয়া বলেছেন: ক্যাতা করে কেঠায় ? জাতি জানতে চায়
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২

লেখক বলেছেন: ভাইজান আমি আজ পর্যন্ত আপনার কোন মন্তব্য বুঝতে পারলাম না:(
:)
ভাই তর্যমা করে দেন কি বলছেন!!!

২. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪১
রাজর্ষী বলেছেন: চমৎকার। ইতিহাস বিকৃতিকারীদের ঘৃনা জানাই। নিজেদের গৌরবে কালিমা লেপন করতে এদের বাঁধে না।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: মানুষ গৌরব করার কিছু খুজে পায় না,আর আমাদের এত গৌরব থাকতে আমরা তা না করে উলটা পথে হাটি!!

৩. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২
বৃষ্টি বালক বলেছেন: আমি আগে কোন দিন এই দলিল টি দেখিনি।

ধন্যবাদ রাহাত ভাই পোস্টের জন্য +
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৪. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: বাংলাদেশে আমার ধারনা ১ টি শ্রেনী আছে,যারা মুক্তি যুদ্ধের পক্ষে কিন্তু ভারতের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারনা পোষন করে,তাদের বলছি

ভারত পুরো যুদ্ধের সময় ২ কোটি শরনার্থি কে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে।এই শরনার্থিদের অধিকাংশই নারী ,শিশু ও বৃদ্ধ।সাড়ে সাত কোটির মাঝে ২ কোটি ভারতে পালিয়ে যাবার পরেও ৩০ লক্ষ প্রান গেছে আমাদের।আর এরা যাবার যায়গা না পেলে মৃত্যুর সংখ্যা কত হত এক বার ভাবুন?

ভারত যুদ্ধের সময় আমাদের সাহাজ্য করেছে সেটা তাদের সার্থে সেটা আমিও মানি,কিন্তু সেটা তো আমাদের জন্য মন্দ ছিল না!!

আর ভারত যদি আমাদের সম্মান না করত,তবে এখন মার্কিনিরা যেভাবে ইরাক দখল করে আছে তারাও তা করত।কিন্তু ভাবুন এক নোটিশে তারা চলে গেছে।

আর সীমানা কাছা কাছি হওয়ায়,তার উপর বিশ্বের অন্যতম বৃহত সীমানা বেশটিত প্রতিবেশি ভারত।তাই নানা দন্ধ থাকবেই,সেটা পৃথিবির সকল দেশেয় হয়। আর পন্যের বেলাতেও এমন সমস্যা হয় পাশে বৃহত আকারের প্রতিবেশি থাকলে।


যেমন আজ ৩ জন বাঙ্গালী কে হত্যা করেছে বি এস রফ!!তার তীব্র নিন্দা জানাই।এর প্রতিকারো চাই।

কিন্তু এর মানে কি আমাদের ভারত বিদ্ধেষি হতে হবে?

সেটা হবে বোকামি।ভারতের মত বৃহত প্রতিবেশির সাথে বৈরি সম্পর্ক রেখে বাংলাদেশ কোন দিন উওন্নতি করতে পারবে না।


কিন্তু আত্ত্ব মর্যাদাশীল জাতি হিসাবে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে ভারত সহ অন্য দেশ আমাদের সাথে মর্যাদা পুর্ন বন্ধুত্ব রাখছে কিনা সেটা।
এর ব্যাতিক্রম হলে প্রতিবাদ করতে হবে।সে ক্ষেত্রে কোন ছাড় চলবে না

৫. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৮
ইউনুস খান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৬. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৪
ইয়াহিয়া বলেছেন: পোষ্ট ভালো লেগেছে।
''আর সীমানা কাছা কাছি হওয়ায়,তার উপর বিশ্বের অন্যতম বৃহত সীমানা বেশটিত প্রতিবেশি ভারত।তাই নানা দন্ধ থাকবেই,সেটা পৃথিবির সকল দেশেয় হয়। আর পন্যের বেলাতেও এমন সমস্যা হয় পাশে বৃহত আকারের প্রতিবেশি থাকলে...................কিন্তু এর মানে কি আমাদের ভারত বিদ্ধেষি হতে হবে?''-কথাগুলো ভালো লাগেনি
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: এর মাঝে বাস্তবতা ছাড়া আর কি ভুল আছে?

আমি এটাও লিখেছি...যে

আজ ৩ জন বাঙ্গালী কে হত্যা করেছে বি এস রফ!!তার তীব্র নিন্দা জানাই।এর প্রতিকারো চাই।

আত্ত্ব মর্যাদাশীল জাতি হিসাবে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে ভারত সহ অন্য দেশ আমাদের সাথে মর্যাদা পুর্ন বন্ধুত্ব রাখছে কিনা সেটা।
এর ব্যাতিক্রম হলে প্রতিবাদ করতে হবে।সে ক্ষেত্রে কোন ছাড় চলবে না

৭. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
রাত্রী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। লেখাটা ভাল লেগেছে।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৮. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৬
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: আমি বাধ্য হয়েছি কিছু চিহ্নিত ব্লগার কে ব্যান করতে!
কারন এরা অযথা গালা গালি ও ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করে।


৯. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
বৃষ্টি বালক বলেছেন: ভাই পোস্ট খানা অসমে দিলেন!!!তা নাইলে আরো বেশি মানুষ পড়তে পারত
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: :)

১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১১. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৪
বৃষ্টি বালক বলেছেন: আমি ভাই আপনাকে ভুল বুঝে ছিলাম।
তার জন্য লজ্জিত
১২. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৬
বৃষ্টি বালক বলেছেন: বিডি আইডল ভাই আপনাকে ভুল বুঝেছিলাম।
তার জন্য লজ্জিত

রাহাত ভাই উপরের পোস্ট খানা মুছে দিন
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: দিলাম

১৩. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৯
রশীদ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৭
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। লেখাটা ভাল লেগেছে।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৫. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩২
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: বহুলাংশে একমত।

তবে জেনারেল ওসমানী তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা এখনুও পাচ্ছেন বলে মনে হয়না।

আমাদের কিছু অরবাচীন নায়কেরা জেনারেল অরোরা বলতে অজ্ঞান, তারা অরোরা ফাউন্ডেশন গঠন করেছেন, কিন্তু তারা ওসমানীকে তার বারষীকিগুলিতে মনে করেন না।

ভারতের সাথে সম্পরক তৈরীতে আরও দুরদৃস্টি নিয়ে রাজনীতি ক্রা প্রয়োজন।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: ওসমানির ব্যাপারে আপনার মন্তব্যের সাথে একমত

১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: আর সবার সকল কিছু্তে কখনই এক মত হয়ার আশা করি না।

জানেন তো স্মৃতি সৌধ ৪ দিক থেকে ৪ রকম দেখতে,যদও একই জিনিস:)

১৬. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: ভারতের সাথে সম্পরক তৈরীতে আরও দুরদৃস্টি নিয়ে রাজনীতি করা প্রয়োজন।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: হুম

১৭. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
বিডি আইডল বলেছেন: @বালক: ব্লগে মনোমালিন্য আমি মনে রাখি না..সবাই এখানে কম-বেশী ভার্চুয়াল। ভালো সময়টাকেই মনে রাখি
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: সেটাই

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: সেটাই

১৯. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৮
রাইডার বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য :)
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২১. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
বিবর্তনবাদী বলেছেন:

মন্তব্য নম্বর ৪: ভারত যদি আমাদের সম্মান না করত,তবে এখন মার্কিনিরা যেভাবে ইরাক দখল করে আছে তারাও তা করত।কিন্তু ভাবুন এক নোটিশে তারা চলে গেছে।

===============================
না তারা সম্মানের জন্য একনোটিশে যায় নাই। তাদের পক্ষে এখানে থাকা সম্ভব ছিল না। কারন পাকিস্তানের পেছনে আমেরিকা এবং চীন ছিল। যদি তারা না যাইত, তখন যুদ্ধপরবর্তীতে ভারতের আবার আমেরিকা ও চীনের ঠেলা সামলাইতে হইত। তারা গেছে তার ক্রেডিট শেখ মুজিবকে দিতে হবে। বাংলাদেশে স্বাধীন হবার পর বঙ্গবন্ধু যে কয়েকটি সঠিক কাজ করতে পেরেছিলেন, তার মাঝে এটাই সবচাইতে বড়।


আর এটাকে মার্কিনিদের ইরাক আক্রমনের সাথে তুলনা করা যায় না। কারন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একমাত্র পরাশক্তি, তারা কারো কথা না শুনলে তাদের কিছু আসে যায় না। অন্যদিকে, তখন ভারতের রাশিয়ার দিকটাও দেখতে হয়েছে।
তারা বাংলাদেশ দখল করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটাকে রাশিয়ার সম্রাজ্যবাদীতার নমুনা হিসেবে উপস্থাপন করত। তাই, রাশিয়া সবসময় এটা নিশ্চিত করেছে যে, কোন ক্রমেই ভারত বাংলাদেশ দখল করবে না।


আর তারা প্রথমে তো আমাদের ঝুলায়া রাখছিল। একাত্তরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা এককথায় আমাদের তেমন সাহায্যই করে নাই। হালকা অস্ত্র ও অল্প কিছু ট্রেনিং দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পাঠায়া দিত। তারা যখন দেখে আর এককোটি মানুষের চাপ সহ্য করা যাচ্ছে না, তখনই তাদের সঠিক অর্থে সামরিক সাহায্য দেবার দরকার পরে।


আর এককোটি শরনার্থীর বোঝা বহনের জন্য অনেকেরই ভারতের জন্য সহানূভূতির অশ্রু ঝরে। ধরেন, আমি আমার পাশের অফিসের দুইটি বিবাদমান গ্রুপের মাঝের বিবাদকে কাজে লাগিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চাচ্ছি। তখন আমার অবশ্যই তাদের একটা (যে আমার সাথে) সাপোর্ট দিতে হবে। কিন্তু সেই সাপোর্ট দিতে দিতে যখন আমার অবস্থা টালমাটাল হবে তখন ব্যাপারটার একটা বিহিত না করলে চলবে না।


সেই বিহিতের একটা রুপ হইল ডিসেম্বরে ভারতের যুদ্ধ ঘোষণা। তারা যুদ্ধ ঘোষনা না করলে হয়ত আমরা ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ স্বাধীন হতাম না। তবে সেদিন না হলেও একদিন না একদিন নিশ্চয়ই হতাম। কারন মুক্তিযোদ্ধারা নিজের দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবনের বাজি রেখেছিল। ভারতের স্বার্থ উদ্ধারের হাতিয়ার হবার জন্য নয়।


পন্যের কথা বললেন, বাংলাদেশী হত্যার কথা বললেন সীমান্তে, অথচ ফারাক্কার কথা তুললেন না যে??? বৈরি সম্পর্ক কি আমরা রাখছি নাকি তারা?? তাদের ভালবাসতে গিয়ে ফারাক্কার মত বিষয় পাশ কাটিয়ে দেশকে মরূভূমী করতে হবে নাকি??




এখন খুব ব্যস্ত। তাই কিছু রেফারেন্স দেবার ইচ্ছে থাকলেও দিতে পারলাম না, হাতের কাছেও সব কিছু নাই। ব্লগ থেকে দূরে থাকতে চাই, কিন্তু পারছি না।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার জবাব অনেক বড় হবে সময় করে দিব।

ধন্যবাদ আলোচনায় আসার জন্য

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: বস্ততার জন্য বিলম্ব হওইয়ায় ক্ষমা চেয়ে নিলামঃ

প্রথম কথা আমি ভাবছিনা যে আপনার সাথে আমার ভাবনার অবস্থান ১৮০ ডিগ্রি বিপরিতে।আমাদের ভাবনার অবস্থান টা সামান্য দুরেঃ)

***
আমি শুরুতেই বলেছি ভারত আমাদের সাহায্য করেছে সেটা তাদের শত্রু পাকিস্থান কে কাবু করতে,তাতে আমার কোন সন্দেহ নেই।
এর সাথে আরো কিছু ব্যাপার আছে,যেটা তখন কার সময়ের বিশ্ব যে ২টা ব্লকে ভাগ ছিল সেই ব্লক গুলিতে মুজিবের অবস্থান এর জন্য।

রাশিয়ান ব্লকে থাকায় ও আদর্শ গত ভাবে ভারত ও রাশিয়া মুজিব কে সাহায্য করবে এটাই স্বভাবিক।অন্তত রাশিয়ার জন্য সেটাই ছিল মুল কারন।
আর মার্কিন সমর্থিত পাকিস্তান কে পরাজিত করতে পারাটা রাশিয়ার একটা বিজয়ও বটে।

***
আমি প্রশ্নাতিত ভাবেই মানি কারো সাহায্য না পেলেও আমাদের বিজিয় নিশ্চিত ছিল।সেটা ৯ মাসে না হলেও ১৮ মাসে হতোই।
***
ভারতের শরনার্থি দের জায়গা দেয়ার ব্যাপারে আপনার অবস্থানের সাথে দ্বিমত আছে।
আপনি কলিগের যে সকল উপমা দিয়এ যাই বুঝান,আমি এভাবেই ভাবি
এই শরনার্থিদের অধিকাংশই নারী ,শিশু ও বৃদ্ধ।সাড়ে সাত কোটির মাঝে ২ কোটি ভারতে পালিয়ে যাবার পরেও ৩০ লক্ষ প্রান গেছে আমাদের।আর এই নারী ও শিশু থাকলে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক অনেক অনেক বেড়ে যেত।


ভারত তার সার্থের জন্য করুক বা যার জন্য করুক,এটা মানতে হবে এর ফল হিসাবে আমাদের লাখ লাখ মানুষ প্রানে বেচেছে।


*****
আর ডিসেম্বর যুদ্ধে ভারতের ওভাবে অংশ নেয়ার যে কারন(শরনার্থি চাপ) সেটা আমি মানি ও জানি।কিন্তু আবারো বলতে হয়,কারন যাই হোওক তার ফলাফল আমাদের জন্য মঙ্গল জনক ই ছিল

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: আর ফারাক্কা নিয়ে যা বললেন সে ক্ষেত্রে বলতে চাই,

আমি এই পোস্টে এই ব্যাপার গুলি কে ফোকাস করতে চাইনি।
আমি অবশ্যই আমার পোস্টে এটা পরিস্কার করে বলেছি,ভারতের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব হতে হবে মর্যাদা ভিত্তিক ও তাতে আমাদের সার্থ বিসর্জন দেয়ার প্রশ্নই উঠে না।

আর ফারাক্কা নিয়ে মুজিব ইন্দিরা যে চুক্তি করেছিল ,মুজিবের পর অন্য সরকার গুলির সাথে ভারতের সমর্কের কারনেই তা আর পুর্নতা পায় নি।আজ পর্যন্ত আম যতটা জানি সেই মুজিব ইন্দিরা চুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি পুর্ন ভাবে।তাতে বাংলাদেশের সার্থ কোন ভাবেই বিসর্জন দেয়া হউ নি।

২২. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আর আত্মসমর্পন যদি হয় ভারত ও বাংলাদেশ পক্ষের কাছে তবে দলিলে বাংলাদেশের পক্ষে কারো স্বাক্ষর দেখছি না কেন???

মিস্টার এ, বি, ও সি-তে যদি কোন চুক্তি হয় তবে চুক্তি পত্রে এ, বি, ও সি এর স্বাক্ষর থাকবে এটাই কি স্বাভাবিক না??? বি এবং সি যদি স্বাক্ষর করে বং এ যদি উপস্থিত থাকে তবে কি সেটাকে এ, বি, সি এর চুক্তি বলা সম্ভব???

আর এ কে খন্দকার সাহেব দাঁড়িয়ে আছেন কেন??? তাকে যদি একটা পক্ষ হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয় তবে অবশ্যই, তার জন্যও একটি বসার স্থান থাকার কথা। তার দাঁড়িয়ে থাকা শুধু খন্দকারের জন্য নয়, বাংলাদেশের জন্য অপমান।

যুদ্ধের শুরুতে তাজউদ্দীন আহমেদ যখন বাংলাদেশে ছেড়ে ভারতে যান তখন সেই চরম মুহুর্তেও তিনি বাংলাদেশের সম্মান নষ্ট করেনন নি। সীমান্ত অতিক্রমের সময় তিনি বলেন, "তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতে ঢুকছেন। কোন প্রকার প্রোটকল ছাড়া ভারতে প্রবেশ তার দেশের জন্য অপমানকর"। তখন ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে এটা জানানো হলে, তারা তাজউদ্দীন আহমদকে অফিসিয়ালি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বাগতম জানান।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: জবাব টা আপনাকে দিতে হবে ভাবি নি!!!!!!!!!!!!!!


a ,b,c এর মাঝে কোন চুক্তি হলে তিন জনের সাক্ষর লাগবে এটা সবাই জানে।কিন্তু
a ও b মিলে জোট করলে ব্যাপারটা দাঁড়ায় (a+b) ও c এর মাঝে চুক্তি।

অরোরা ভারত ও বাংলাদেশ জয়েন্ট ফোর্সের পক্ষে সাক্ষর করেছেন।তাই এখানে পক্ষ তিনটি না।ভারত ও বাংলাদেশ এখানে জয়েন্ট,মিত্র বাহিনী।

******
খন্দকারের সিট নিয়ে আপনার প্রশ্নটা আমাকে আবারো অবাক করেছে!!!
ভাই আপনার অবগতির জন্য বিনিত ভাবে বলতে চাই,সেই অনুষ্ঠান স্থলে ইস্টার্ন জোনের চিফ অন কমান্ড জি এফ আর জ্যাকব উপস্থিত ছিলেন,তিনি আরোরার অনেক উপরে।জ্যাকব ও সেখানে বসেনি!!!

যে কোন চুক্তি সই করার সময় কেবল যারা সই করে তারাই বসে এটা এখন কার
শান্তি অবস্থাতেও হয়।প্রধান মন্ত্রি দাঁড়িয়ে থাকে কিন্তু তার সচিব চুক্তিতে সাক্ষর করার সময় বসে করে!
********

তাজ উদ্দিন আহমেদ নিঃসঙ্গ সারথি ডকু তে গার্ড অফ অর্নারের ব্যাপার টা আছে।
আপনার এই তথ্যই যথেষ্ট প্রমানের জন্য মুজিব সরকার বাংলাদেশের সম্মান ও মর্যাদার ব্যাপারে কতটা সচেতন ছিলেন।

২৩. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০০
বিবর্তনবাদী বলেছেন: অফিসিয়ালী স্বাগতম জানানো মানে, তাকে গার্ড অফ অর্নার প্রদান করা হয়। এই তথ্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: ্ভাই আমি নগন্য ছাত্র!তাও ইতিহাসের না।কিন্তু সকল বিষয়ে জানার আগ্রহ আছে।সেই বিবেচনায় পড়ে যাই,বলে যাই।

আবারো ধন্যবাদ আলোচনার জন্য

২৪. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৮
...অসমাপ্ত বলেছেন: তথ্যগুলোর জন্য অনেক ধন্যবাদ। ...চমৎকার লেখা। অনেক কিছুই জানা ছিল না। ধন্যবাদ। ও প্রিয়তে রাখলাম।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৫. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২
সত্যান্বেষী বলেছেন:
বিষয়টি আমার কাছেও এতদিন অস্বচ্ছ ছিল। তথ্যগুলোর জন্য আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ।

স্বাধীনতা অমর হোক। অমর হোক আমাদের ভিতরে এবং বাইরে।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৬. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৭
আতিকুল হক বলেছেন: বিবর্তনবাদীর সাথে সহমত। বাংলাদেশে ভারত-বিদ্বেষের সুযোগ ভারতই করে দেয়। ভারত লাশের পর লাশ জমিয়ে যে বিভেদের দেয়াল তৈরি করছে সে দেয়াল ডিঙিয়ে বন্ধুত্ব হয় কি করে। তিনজন বাংলাদেশীর রক্তের দাগ তো এখনো শুকোয়নি। এই রক্ত সেই একই লাল, পাকি হানাদারদের গুলিতে ৭১ এ যা ঝরেছে। একদিকে তারা লাশের পাহাড় গড়ছে, অন্যদিকে ফারাক্কার মত বাঁধ দিয়ে নদীগুলোকে পানিশূণ্য করছে। আমরা কি চোখের পানি দিয়ে নদীগুলো ভরবো।

ধরুন এক রাতে আপনি আপনার স্ত্রীকে নিয়ে ফিরছেন। মাঝে সন্ত্রাসীদের পাল্লায় পড়লেন। এমন বিপদে পাড়ার এক বড় ভাই ফেরেশতার মত হাজির হয়ে আপনাদের বাচালেন। কিন্তু এই বাচানোর বিনিময়ে সেই বড় ভাই যদি রোজ রাতে আপনার স্ত্রীকে চান, কতদিন কৃতজ্ঞতা ধরে রাখবেন।

ভারতের ১৯৭১ সালের ভূমিকার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলি, ভারতের ভূমিকা অবশ্যই ইতিহাসে আশা দরকার। কিন্তু আমার বউয়ের দিকে আর নজর দেবেন না।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: আমি আপনার সাথে অনেকাংশেই এক মত।আমি বার বার বলেছি ভারতের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব তখনই রাখা যাবে যখন সেটা মর্যাদাপুর্ন হবে ও সার্থ বিকিয়ে দিয়ে না হবে।


কিন্তু আপনাকে বাস্তবতাও দেখতে হবে ৭৫ এর পরের সরকার গুলির পররাষ্ট্র নীতি কি ছিল?যে আপনাকে সাহায্য করল,তাকে ভুলে সেই সন্ত্রাসী প্রিতি আপনি শুরু করে দিলেন।২১ বছর!!!

তার পর আপনি সেই সাহয্য কারীকে আগের মত পাবে না।


তার উপর কথা হলো,এই দুনিয়াতে কেও নিজের ক্ষতি করে অন্যের সাহায্য করবে না।তার পরও অন্যের সাহায্য আমাদের লাগে।সেক্ষেত্রে নিজেকেই সচেতন থাকতে হবে যাতে আমার মর্যাদা ক্ষুন্ন না হয়।


***
ফারাক্কার কথা উপরে বিবর্তন দার বেলাতে বলেছি।
আমাদের অবশ্যই নিজেদের হিসসা আদায় করে নিতেই হবে।

***
আর আমি আপনার সেষ কথাটাই তুলে ধরেছি,ভারতের ভুমিকা অস্বীকার না করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নিজের সার্থ ও মর্যাদার প্রতি পুর্ন সজাগ রেখে আমাদের বন্ধুত্ব করতে হবে।

কারন এত বড় বর্ডার যার সাথে তার সাথে বৈরী ভাব রেখে অনেক কিছুই অর্জন সম্ভব না।



ধন্যবাদ

২৭. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
আতিকুল হক বলেছেন: "কিন্তু আপনাকে বাস্তবতাও দেখতে হবে ৭৫ এর পরের সরকার গুলির পররাষ্ট্র নীতি কি ছিল?যে আপনাকে সাহায্য করল,তাকে ভুলে সেই সন্ত্রাসী প্রিতি আপনি শুরু করে দিলেন।২১ বছর!!!"

আপনি বলতে চাইছেন যে ৭৫ পরবর্তী সরকার গুলোর নীতির জন্যই এই অবস্হা। ৯৬-২০০১ তো আওয়ামী সরকার ছিল। বি এস এফ এর শুটিং প্র্যাকটিস কি বন্ধ ছিল। চোখ খুলুন। ভারতের পলিসি হচ্ছে টাইট দেয়ার পলিসি। ভারত চায় প্রতিবেশিদের চাপে রাখতে যেন সে তার প্রভাব খাটাতে পারে। হয় ভুটান হয়ে বেচে থাকো, নইলে অত্যাচার সইতেই হবে। শ্রীলংকা ভারতের কী ক্ষতি করেছে, আমরা ভারতের কি ক্ষতি করেছি। জানাবেন আশা করছি।

আমরা গায়ের চামড়া খুলে দিলেও ভারতের খিদে মেটাতে পারবো না। ভারতের পায়ে পড়ে আমরা বাচতে পারবো না। আমাদের বাচার পথ আমাদেরই খুজে নিতে হবে। শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ জাতি আর দূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতি দিয়ে।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: আমি আপনাকে বুঝাতে পারিনি।
বাংলাদেশ কে আপনার পক্ষ হিসাবে ভাবতে হবে,আওয়ামীলীগ বা অন্য দল্কে আলাদা ভাবে না ভেবে।৭৫ এর আগে এমন সমস্যা খুব একটা হয় নি।(আমি বলছি না বা মনেও করি না ৭৫ এর পরিবর্তন না হলে ভারত এমন করত না।হয়ত মাত্রাটা এত হত না)
আর আমি এটাও বলেছি ভারত একটি বড় দেশ,তারা স্বাভাবিক ভাবেই প্রভাব বিস্তার করতে চাইবে।কিন্তু সেটাকে আপনার নিজস্ব যোগ্যতা দিয়ে মোকাবেলা করতে হবে।

আপনাকে ১টা প্রশ্ন করি।

১) ভারতের মত আয়তন ও ক্ষমতায় বৃহত দেশের সাথে(যার সাথে বাংলাদেশের বিশাল বর্ডার) ভালো সমর্ক ছাড়া কি শান্তি পুর্ন ভাবে বাংলাদেশে কোন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নায়ন সম্ভব?

(((দয়া করে ভেবে বলুন))))




আর ভুটান শ্রীলংকা ....সব ওই একই কথা।কারন এটা বৈশ্ব্যিক বাস্তবতা,যে বড় মাছ পাশের গুলিকে গিলে খেতে চাইবে।

তাই বলে কি আপনি বড় মাছের সাথে সমর্ক না রেখে টিকতে পারবেন?

না।আর তাই চাই তীক্ষন পররাষ্ট্র নীতি।৭২ এর সংবিধান দেখেন....স্পস্ট বলে দেয়া আছে কি হবে তার ভিত্তি

২৮. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৪
আতিকুল হক বলেছেন: আমার দুটো বিষয় বলার আছে।

এক, ভারতের সাথে সুসম্পর্ক গড়তে আমার আপত্তি নাই। বরং সুসম্পর্কই চাই। কিন্তু আমি সুসম্পর্ক কিভাবে গড়বো। একদম রিসেন্ট একটা উদাহরন ধরি। যে বিএসএফ সদস্য ধরা পড়লো তার বিচার হতে হবে বাংলাদেশের আদালতে। কারন সে বাংলাদেশের মাটিতে এদেশের মানুষ খুন করে ধরা পড়েছে।আমি বিডিআর পাঠাতে বলছিনা ভারতীয় মেরে আসার জন্য। সব ইস্যুতে এই দৃঢ়তাটুকু দেখালে যদি বন্ধুত্ব না থাকে দরকার নাই এমন বন্ধুর।

দুই, কবর নাটকে একটা সংলাপ ছিল। আন্দোলনে ছাত্রদের সাথে একটা কেরানিও যোগ দিয়েছেন। নেতা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমিও এদের সাথে জুটেছ। তার জবাব ছিল এরকম। কি করব, গুলি দিয়ে গেথে দিয়েছেন। বাংলাদেশে ভারত-বিদ্বেষ ভারতই গুলি দিয়ে গেথে দিয়েছে।

সুসম্পর্ক চাইলে ভারতকেই আগে বদলাতে হবে।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রথম অংশের জন্য।
আমি এটাও মানি যে ২ দেশের মাঝে সু সম্প্ররক স্থাপনের জন্য ভারয়কেও অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে।
আমি আপনার অনুভুতি বুঝেছি ও তাকে সম্মান করেই বলছি,
আজ পত্রিকায় গোয়াল ঘরে রাত কাটানো সীমান্তের মানুষের ছবি দেখে আমিও বলে ঊঠেছিলা,কি আজব!!স্বাধিন দেশে অন্যের ভয়ে গোয়াল ঘরে যেতে হবে!!

এটা আবেগীয় কিন্তু সত্য ও বাস্তব অনুভুতি।কিন্তু এর জন্য আমি আপনি গো ধরে ভারত বিদ্বেশি হতে পারি।

কিন্তু রাষ্ট্র আর ব্যাক্তি ক্ষোভ এক না। বন্ধুতে বন্ধুতে কথা কাটা কাটি হলে তা এক জিনিস আর রাষ্ট্রে রাষ্টে সেটা ভিন্ন জিনিস।


সর্ব পরি আবারো,
বলি আপনার মত আমিও বিশ্বাস করি ভারতের সাথে সু সম্প্ররক থাকা উচিত আমাদের।
সেটা অবশ্যই মর্যাদার সাথে।তা করতে গেলে ভারত দাদাগিরি দেখালে আমাদের গাল ফুলিয়ে পিছ পা হলে চলবে না।বরং কি পন্থায় আমাদের পররষ্ট্র নীতি চালালে সম্মানের সাথে সুসম্ররক করা যায় তাই খুজে বেড় করতে হবে।


আর কোন ভাবে না করা গেল,অবশ্যই অন্য পন্থা ভাব তে হবে।কারন ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হয়েছে আমাদের স্বাধিন জাতির মর্যাদা দিতে,অসম্মান নিয়ে বাচার জন্য নয়।
সেই পন্থায় যাবার আগে আমাদের সর্বোচ্চ ও যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে,যা হয়েছে বলে আমি মনে করি না (৭৫ - ২০০৮ এ)

২৯. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪০
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: শরনারথী ২ কোটি না, ১ কোটি ছিল।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
এটা অনিচ্ছাকৃত ভুল।

সংখ্যটা আসলেই ১ কোটি এর মত
http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=50

৩০. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪২
সৌম্য বলেছেন: ওসমানী কেন অনুপস্থিত ছিল সেটা নিয়ে বিস্তারিত একটা ব্লগ লিখেছিলাম কালকে। পোস্ট দেবার মুহুর্তে কারেন্ট গেল গা। লিখা নেই লিঙ্ক দিবো নে।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।

কিন্তু এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি তাতো বললেন না!!

৩১. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৩
বিবর্তনবাদী বলেছেন: উত্তরের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উত্তর পুরোটাই কি নিজেকে বুঝিয়ে চলা নয়??? ফারাক্কার মত বিষয় ফোকাসে না এনে ভারত সম্পর্কিত আলোচনা একেবারেই অসম্পূর্ণ।

a ও b মিলে জোট করলে ব্যাপারটা কোন ভাবেই (a+b) ও c এর মাঝে চুক্তি হয় না। চুক্তি হতে হয় a, b ও c এর মাঝে। এক্ষেত্রে b যদি তার আত্মসম্মান বোধ বিসর্জন দিয়ে a এর আধিপত্ত স্বীকার করে বা করতে বাধ্য হয় তবে তা ভিন্ন ব্যাপার।


দেখুন আমাদের এহেন মানসিকতার কারনেই এককালে মীরজাফর ক্লাইভের স্মরনাপন্ন হয়েছিল এবং স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়েছিল। আমাদের এই মানসিকতার পরিবর্তন না এলে একদিন হয়ত ভারত বা অন্য বিদেশী বেনিয়ারা আমদের স্বাধীনতা আবারো হরণ করতে পিছপা হবে না। আর আমরা নিজেরাই নিজেদের স্বাধীনতা ধ্বংস করে বেনিয়া গোষ্টিকে দোষ দিয়ে যাব।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০

লেখক বলেছেন: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ফারাক্কার মত বিষয় ফোকাসে না এনে ভারত সম্পর্কিত আলোচনা একেবারেই অসম্পূর্ণ।


ভাই আমি কি এই পোস্ট ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত সেটা জন্য করেছি?

এখানে আত্নসমর্পনের দিনের একটা ঘটনার ব্যাখ্যা করা ছাড়া কোন উদ্দেশ্য ছিল না।

আর নিচে মন্তব্য করতে গিয়ে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক সামনে আনার কারন পোস্টের প্রথমেই ব্যখ্যা করা।এই পোস্টি মুলত এর আগের দিনের একটি পোস্টের (পাগলা বাবা ব;গারের) প্রেক্ষিতে করা।


a b c নিয়ে আপনি যা বলছেন সেটা আপনার নিজের যুক্তি দিয়েই বিশ্লেষন করুন!!
যে তাজউদ্দীন বা মুজিব নগর সরকার চরম মুহুর্তে গার্ড অফ অর্নার ছাড়া ভারতে গেল না,সেই সরকার আত্নমর্যাদা বিকিয়ে দিয়ে নিজেদের অর্জন অন্যের হাতে তুলে দিল এটা একই পৃষ্ঠায় বলাটা কতটা সামাঞ্জস্য পুর্ন!আমার বোধগম হচ্ছে না!


আমি ভারত কেন সকল দেশের প্রতি আমাদের পর রাষ্ট্র নীতি কি হোয়া উচিত তা পরিষ্কার করেছি।


স্মৃতি সৌধ কে ৪ দিক থেকে দেখতে ৪ রকম লাগে!যদিও একই জিনিস।তাই দৃষ্টি ভঙ্গির পার্থিক্য ছাড়া আমার কাছে এটা আর কিছু মনে হচ্ছে না!


ধন্যবাদ ভাই

৩২. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৬
মুকুট বলেছেন: তথ্যগুলোর জন্য অনেক ধন্যবাদ।+
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

৩৩. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৬
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের ঋণে আমাদের কিছু সুবিধা হচ্ছে এটা যেমন ঠিক তার সাথে এই ঋণ নিতে গিয়ে আমরা তাদের শর্তপুরণ করতে গিয়ে আরো বেশি ক্ষতির সম্মুক্ষিন হচ্ছি।

এখন আমরা যদি সাময়িক সুবিধার জন্য তাদের কাছে কৃতজ্ঞ হয়ে নিজেদের আত্মসম্মানবোধ বিকিয়ে দেই, সেটা স্বাধীন জাতির ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর।
৩৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩
রাহাত না বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। লেখাটা ভাল লেগেছে।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮
হুমায়ূন সাধু বলেছেন: পোস্ট ভাল, কমেন্টের জবাব আরো ভালো। যোগ।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৬. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আপনি কিসের সাথে কি মিলাচ্ছেন!!! সেই মুহুর্তে দস্যু ভারত বাংলাদেশকে সেই চান্স না দিলেতো মুজিবনগর সরকারের কিছু করার ছিল না। তারা না হয় যুদ্ধের শুরুতে প্রোটকল ছাড়া ভারতে যেতে অস্বীকার করতে পারতেন, কিন্তু তাদের পক্ষেতো লাস্টে কিছু করা সম্ভব ছিল না।


আর আপনার বার বার "তাজউদ্দীন বা মুজিব নগর সরকার " লিখার তীব্র প্রতিবাদ করছি। বাংলাদেশের তৎকালীন প্রবাসী সরকারের অনেক অর্জন শুধু তাজউদ্দীন আহমদের ব্যক্তিগত অবদান। সেই সরকারের অনেকেই ভারতে আমোদ ফুর্তিতে ব্যস্ত ছিলেন। অনেকে তখনই বিভেদ সৃষ্টি করেন। মুজিব বাহিনীর কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন।


তাজউদ্দীন আহমদের অনেক ব্যক্তিগত ক্রেডিট পুরো সরকারকে দেওয়া আমার কাছে অন্যায় মনে হয়।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার এই মন্তব্যের জবাব দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করছি না আর!!!


আশা করি এতে রাগ করবেন না!!
ব্লগার হিসাবে আমি আপনাকে সম্মান করি ও আশা করি নানা বিষয়ে আমরা এর পরেও আমাদের মতামত শেয়ার করব।
ধন্যবাদ আবারো

৩৭. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫২
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: ভারতীয় সৈন্য সাহায্য ছাড়া আমরা ভিয়েতনামীদের মত দীরঘদিন লড়াই করে স্বাধীনতা আনতে পারতাম। তাদের পরোক্ষ সহায়তা হলেই চলত।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: পারতাম।সেটা আমিও মনে করি।কেবল তাতে সময় ও রক্ত বেশি লাগত


পাকিস্তান চীন আমেরিকার সাহায্য নিয়ে থাকলে সেটা কে আমরা মন্দ ও তাদের জন্য অপমান জনক না ভাবতে পারলে,আমাদের কে যারা সাহায্য করল সেটা কে অপমানভাবার কোন কারন নাও।

মার্কিনিরা কি পাকিস্থা কে নিঃসার্থ সমর্থন দিয়েছিল?


ধন্যবাদ

৩৮. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৯
বৃষ্টি বালক বলেছেন: রাহাত ভাই আপনার জবাব গুলি জটিল হয়েছে.........

ধন্যবাদ আপনাকে আবারও...
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৯. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৮
এস্কিমো বলেছেন: যারা বাংলাদেশের জন্মে বিশ্বাসী না তারা সব সময়ই নানান বিষয়ে বিতর্ক তৈরী করবে। একটা বিতর্কের চেষ্টা হয়েছে - ভারতের কাছে পাকিস্থান হেরেছে। এইটা ইচ্ছাকৃত - কারন রাজাকারা সুযোগের অপেক্ষায় আছে কিভাবে মুক্তিযুদ্ধকে ভারতে যুদ্ধ হিসাবে দেখাবে।

ধন্যবাদ আপনার পোস্টের জন্যে।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: ্ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য

২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪১. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০০
বৃষ্টি বালক বলেছেন: এস্কিমো বলেছেন: যারা বাংলাদেশের জন্মে বিশ্বাসী না তারা সব সময়ই নানান বিষয়ে বিতর্ক তৈরী করবে


কিন্তু এরা সফল হবে না কোন দিন
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: সেটাই

৪২. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৪
সরকার মারুফ বলেছেন: বিবর্তনবাদীর সাথে সহমত।
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: তবে জবাব টা উনার কাছেই দিসি

৪৩. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৪
সাজেদ বলেছেন: বৃষ্টি বালক বলেছেন: এস্কিমো বলেছেন: যারা বাংলাদেশের জন্মে বিশ্বাসী না তারা সব সময়ই নানান বিষয়ে বিতর্ক তৈরী করবে


কিন্তু এরা সফল হবে না কোন দিন
৪৪. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

পোস্টটির জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ।

"ভারত পুরো যুদ্ধের সময় ২ কোটি শরনার্থি কে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে।এই শরনার্থিদের অধিকাংশই নারী ,শিশু ও বৃদ্ধ।সাড়ে সাত কোটির মাঝে ২ কোটি ভারতে পালিয়ে যাবার পরেও ৩০ লক্ষ প্রান গেছে আমাদের।আর এরা যাবার যায়গা না পেলে মৃত্যুর সংখ্যা কত হত এক বার ভাবুন?"

সেজন্য ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে কুন্ঠাবোধ করিনা । আমাদের সাহায্যে তাদের যে সার্থ ছিল , সেটা এই বিতর্কের অন্তর্ভুক্ত না করেও, সেই শ্রদ্ধাটুকু করতে পারি । করি । ভারতের এই সাহায্য খাটো করে দেখার উপায় নেই কিছুতেই ।

তবে,
সেই কৃতজ্ঞতার প্রকাশে ভারতের দাদাগিরী কতটুকু সইতে হবে এই প্রসঙ্গটা এখানে চলে আসে । পাকীস্তান থেকে স্বাধীন হয়ে ভারতের ধারালো তরবারীর নীচে কল্লা ফেতে ঝুকির মধ্যে থাকতে কার-ই বা ভালো লাগবে বলুন ?

"বাংলাদেশে আমার ধারনা ১ টি শ্রেনী আছে,যারা মুক্তি যুদ্ধের পক্ষে কিন্তু ভারতের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারনা পোষন করে"

*ভারতের ক্রমবর্ধমান সামন্ত আচরণ
*আগ্রাসী ভূমিকা
*সীমান্তে বিনা উস্কানীতে পাখির মতো নিরীহ মানুষকে মারা
*আমাদের বাজারে ওদের অবাধ বিচরণ, আর
* ওদের বাজারে আমাদের জন্য বর্ম তৈরী করা (যেমন, আমাদের টিভি চ্যানেগুলোর সম্প্রচার ওখানে বন্ধ রাখা)--

এই বিষয়গুলোকে আপনি কিভাবে দেখেন ? এই কারণগুলোর জন্য বাংলাদেশীরা ভারত বিদ্বেষী হয়ে ওঠছে ক্রমশ, এটা কি আপনার মনে হয় ?
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: আমি আপনার এই সব কটি পয়েন্টে আমার অবস্থা এই পোস্টে মন্তব্যে করেছি।
সীমান্তে বিনা উস্কানীতে পাখির মতো নিরীহ মানুষকে মারা সহ।


শুধু টিভি চ্যানেলের টা আসেনি।
নিঃসন্দেহে এটা অন্ধকার যুগের আচরন।
আর এর ব্যার্থতা আমাদেরও কিছুটা।
আমি নিজে বলতে পারি,শাহরুখ খান ছাড়া হাতে গুনা ২/১ নায়ক আমি হয়ত চিনি।আমার বাসায় সারা দিনে এক বারের জন্য ও হিন্দি চ্যানেল চলে না।(খেলার চ্যানেল বাদে)


ধন্যবাদ

৪৫. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৪
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

ওকে !

তাহলে, একশ্রেণীর বাংলাদেশীর ভারত বিদ্বেষী হয়ে ওঠার যৌক্তিকতা কি আপনি খুঁজে পান ?
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: না।

কারন সেটা যে বাস্তবতা বিরুধি তাও আমি মন্তব্যের নানা জায়গাতে দেখিয়েছি।
ওটা কোন বুদ্ধির কাজ হতে পারে না।

ভাই বাংলদেশ ভারত সম্পর্ক খারাপ রেখে কোন স্থিতিশীল পরিবেশ আনতে পারবেন না দেশে।

কারন,
১)ভারত আমাদের সীমান্তবর্তি প্রতিবেশি
২)এত বড় বর্ডার বেস্টিত প্রতিবেশি আর কোন স্থানে আছে কিনা আমি জানি না।
৩)বাস্তবতা হলো,ভারত এশিয়ার নেক্সট অর্থনোইতিক শক্তি হতে যাচ্ছে।

তাই নিজ মর্যাদার ব্যাপারে সতর্ক থেকে শক্তিশালি ও কৌশলি পররাষ্টনীতি নিতে হবে।তা না হলে....

৪৬. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৩
বৃষ্টি বালক বলেছেন: বাংলদেশ ভারত সম্পর্ক খারাপ রেখে কোন স্থিতিশীল পরিবেশ আনতে পারবেন না দেশে


এই কথা টার জন্যই আমাদের বৈরি সম্পক রাখা ঠীক হবে না।কিন্তু
মর্যাদার ব্যাপারে সতর্ক ্থাকতে হবে
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯

লেখক বলেছেন: হাসি খানার অর্থ তরজমা করে দেন!!

৪৮. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: ছাগুগুষ্ঠির চোখে পড়েননাই মনে হইতাসে, মাইনাসের বন্যা + "ভাদা" "ভোদা" টাইপ বিশেষনের জইন্য পরছতুত থাকেন...
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: মাইনাস দিয়ে কি সব কিছু বদলানো যায়?

ইতিহাস কে কোন দিন বদলানো যায় না,বদলানোর চেষ্টা করা যায় মাত্র।

৪৯. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১
তপন চৌধুরি বলেছেন: ওসমানি সত্যই বাঘের বাচ্চা
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: কিন্তু আমরা তাকে যোগ্য সম্মান দিতে পারিনি

৫০. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০২
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: তার আধীনস্থ সেক্টর কমান্ডাররাও সম্মান দেননা।

সেক্টর কমান্ডারা জেনারেল অরোরার নামে ফউন্ডেশন তৈ্রী করেন, কিন্তু ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবারষীকিতে তারা নীরব থাকেন।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক কিছুই বাইরে থেকে বুঝা যায় না!!
মুক্তি যুদ্ধে যাদের অনন্য অবদান ছিল তাদের অনেকেই নানা লেভেল গায়ে দিয়ে ফেলায় অনেক কিছুই আর সুন্দর থাকে নি এ দেশে

৫১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১০
রেদওয়ান রহমান বলেছেন: ভাই, এই পোস্টটা পড়ে বাংলাদেশের ইতিহাস মনে পড়ে গেল। বেশ আবেগপ্রবন হয়ে পরেছি। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা আর স্বাধীনতা পরবর্তী অবস্থা এর মধ্যে কত পার্থক্য....বিশ্বাস করা যায় না। যা আশা নিয়ে দেশ স্বাধীন করা হয়েছিল তার কতটুকু অর্জিত হয়েছে ভাববার বিষয়।
৫৩. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: রাহাত ভাই, এতদিন পরে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত চমৎকার প্রয়াসের জন্য।

আজই আমি প্রথম পড়লাম এটি। খুব ভাল লাগল।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

২৩ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:১৭

লেখক বলেছেন: খুলাসা করে বলুন

৫৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩
মনজু মজুমদার বলেছেন: দারুন, সোজা শোকেসে গেল!
৫৮. ২০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
রেনেসা বলেছেন: ম্যাকিয়াভ্যারি রাস্ট্র দর্শনে আমরা কি পাই?

ভারত আমাদের সাথে যে আচরণ করছে, আমাদের মেজাজ তাতে ভাল থাকার কথা নয়। দাদাগীরি অসহ্য লাগে। চরম সত্য কথা। এই অজুহাতে একটি বাস্তবাতাকে অস্বিকার করা যায় না। ডকট্রিন অব নেসাসিটি বলে যদি কিছু থাকে তা হলে আমাদের উচিত ভারতের সাথে ভাল সম্পর্ক রেখে চলা।

একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত রুগ্ন অর্থনৈতিক দেশের পক্ষে বিশাল জনগোষ্ঠির, অর্থনৈতিকভাবে সুস্থ, সংগঠিত, ভৌগলিক বিবেচনায় আমাদের বন্ধি করে রাখা একটি দেশের বিপক্ষে যাওয়া কোন বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করি না।

বিরোধে না জড়িয়ে আমরা নিজেদেরকে একটি শীর্ষ স্থানে নিয়ে তার পর না হয় বলি দাদা অনেকতো করেছেন এবার আসেন ...

একটা প্রাসঙ্গিক গল্প
বিদেশ ফেরত ছেলের পিতা করিম সাহেব নতুন ২তলা বিল্ডিং এর উপরে উঠে তার প্রতিবেশীকে ডাকছেন, রহিম সাহেব ও রহিম সাহেব। প্রতিবেশী রহিম সাহেব বুঝতে পারলো তার নতুন তৈরী ২তলা বিল্ডিং এর অহমিকা। তিনি তার ডাকে কোন উত্তর দিলেন না। এরপরই নিজের ছেলেকে বিদেশ পাঠালেন ২বছর পর রহিম সাহেবও ৩তলা একখান বাড়ি করে ৩ তলা থেকে তার প্রতিবেশি করিম সাহেবকে ডাকছেন, ও করিম সাহেব, করিম সাহেব, ২ বছর আগে আমাকে ডেকেছিলেন কি জন্য, এই বার বলেন।

আমরা এখন একটু না হয় চুপ করে থাকি। টাইম ইজ ওল্ড জিপসী ম্যান। আজ এখানে, কাল ওখানে। আমাদের কাছেও একদিন আসবে। তখন না হয় দাদাদের বলব, এখন সময় আমাদের...
৫৯. ২০ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০১
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: ভাই আমার প্রশ্নের উত্তর কে দিব ?
১. নিয়াজীর গাড়ি Fort William এ কেন
২. পাকিস্তান army এর arms গেল কই

 

মোট সময় লেগেছে ২.২৩৫৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ক্ষুদ্র গ্রহের ক্ষুদ্র এক মানব...কিন্তু বুকে নিয়ে বেঁচে আছি এক বিশাল স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই