আমার প্রিয় পোস্ট

ব্যস্ত শহর ঠাঁস বুনটের ভিরে আজো কিছু মানুষ স্বপ্ন খুজে ফিরে........

ছিটমহলঃআইন ও রাজনৈতিক মারপ্যাচের আবর্তে লাখো মানুষের অদ্ভুত জীবন

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০৮

শেয়ারঃ
0 2 0

ঘুম ভেঙ্গে নিজেকে বিচ্ছিন্ন কোন এক দ্বীপে অবিস্কার করার মাঝেও হয়ত রোমাঞ্চকর কিছু থাকতে পারে।চার পাশে চোখ জোড়া জল রাশি,মাঝে এক খন্ড ভুমি,দ্বীপ।কিন্তু এই খন্ড ভুমিটি যদি অন্য কোন দেশের ভুখন্ডের ভিতর হয়!চার পাশে স্থলভাগ তার পরেও বিচ্ছিন্ন!
বাংলাদেশ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম এবং কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি ও ভুরুঙ্গামারী থানার কিছু জমি ভারতীয় সীমান্তবর্তী জেলা কুচবিহারের অন্তর্গত। জমিগুলো বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। একইভাবে কুচবিহার জেলার কিছু জমি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার বোদা ও দেবীগঞ্জ, নীলফামারীর ডিমলা, লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা ও পাটগ্রাম এবং কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলার অন্তর্গত। এসব জমিও ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা। এভাবে বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের এবং ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের যেসব ছোট ছোট ভূখণ্ড রয়েছে সেগুলোকেই বলা হয় ছিটমহল।
বাংলাদেশ ও ভারতের মোট ছিটমহলের আয়তন দাঁড়ায় ২৪ হাজার ২৬৮ দশমিক ০৭ একরভারতের মধ্যে বাংলাদেশের ছিটমহলের সংখ্যা ৫১টি। অপরদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ছিটমহল হচ্ছে ১১১টি। বেসরকারি তথ্য মতে, এসব ছিটমহলের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার।
এক নজরে বাংলাদেশ ও ভারতের ছিটমহলঃ
বাংলাদেশ ৫১ ৭,১১০.০২ জনসংখ্যা প্রায় ৭০,০০০ ভারত ১১১ ১৭,১৫৮.০৫ জনসংখ্যা প্রায় ১,০০,০০০

ছিটমহলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের মালিকানাধীন ৫১টির মধ্যে ৩৩টির অবস্থান লালমনিরহাট এবং বাকি ১৮টির অবস্থান কুড়িগ্রাম জেলায়। ভারতের মালিকানাধীন ১১১টি ছিটমহলের মধ্যে লালমনিরহাটে ৫৯টি, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, নীলফামারীতে ৪টি এবং কুড়িগ্রামে ১২টি। তবে বাংলাদেশের ছিটমহলগুলোর লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও সেগুলোর অবস্থান ভারতের কুচবিহার জেলায়।
ছিটমহলে উৎপত্তিঃ
১৯৪৭ সালে যখন বিটিশদের দ্বারা প্রণীত এক আইনে বলা হয়, উপমহাদেশের স্বাধীন অঞ্চলগুলো তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভারত বা পাকিস্তানে যোগ দিতে পারবে অথবা তারা স্বাধীন সত্তা নিয়েও থাকতে পারবে।অন্য কোনো রাজ্য নিয়ে সমস্যা না হলেও সমস্যা হয় কুচবিহার নিয়ে। কারণ সে সময় কুচবিহারের রাজা ছিলেন জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণ। যার কিছু জমিদারি স্বত্ব ছিল বৃহত্তর রংপুর ও দিনাজপুর জেলার মধ্যে। অপরদিকে রংপুর ও দিনাজপুরের জমিদারের কিছু তালুক ছিল কুচবিহার সীমানার মধ্যে। জমিদারদ্বয় এ নিয়ে সমঝোতায় আসতে ব্যর্থ হন। ফলে ভারতের অভ্যন্তরে পড়ে পূর্ব পাকিস্তানের কিছু ভূখণ্ড আর পূর্ব পাকিস্তানের অভ্যন্তরে পড়ে ভারতের কিছু ভূখণ্ড। যা পরে ছিটমহল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর উভয় দেশই এসব ভূমির দফারফা করার দিকে অগ্রসর হয়। গঠন করা হয় র‌্যাডক্লিফ মিশন। শেষ পর্যন্ত এ মিশনও চূড়ান্ত মীমাংসায় আসতে ব্যর্থ হয়।
১৯৫৮ সালে পাকিস্তান প্রধান্মন্ত্রী ফিরোজ খান নোন ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নেহেরুর মাঝে বেরুবাডি ছিট মহল নিয়ে একটি চুক্তি হয় সেটিও ব্যার্থ ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টের এক আদেশে।
বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ছিটমহল সমস্যা সমাধানকল্পে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে ১৯৭৪ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা মূলত ইন্দিরা মুক্তির চুক্তি নামেই পরিচিত।
চুক্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে ভারতীয় ছিটমহল এবং ভারতে বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো অতি সত্বর বিনিময় করতে হবে।’ চুক্তিতে আরো বলা হয়, ‘ভারত দক্ষিণ বেরুবাড়ী ইউনিয়ন নং-১২ এর দক্ষিণ দিকের অর্ধাংশ ও পার্শ্ববর্তী ছিটমহলগুলোর অধিকারী হবে, যে এলাকার পরিমাণ ২.৬৪ বর্গমাইল। বিনিময়ে বাংলাদেশ দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমলের অধিকারী হবে। বাংলাদেশের পানবাড়ী মৌজার সঙ্গে দহগ্রামকে সংযুক্ত করার জন্য ভারত বাংলাদেশকে ‘তিন বিঘা’ নামে (১৭৮×৮৫) মি. এলাকা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দেবে।’
অবশেষে ১৯৯০ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তিন বিঘা করিডোরের অনুমদন দিলে ১৯৯২ লের ২৫ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাও আবার একটি চুক্তি করেন।এর মাধ্যমে ১ ঘন্টার পর পর ১ ঘন্টা করে খুলে রাখার সিধান্ত হয় কড়িডোর।যা মুল ভুখন্ডের সাথে যোগাযোগের একমাত্র উপায়,যদিও রাতের বেলা সম্পুর্ণ বন্ধ থাকে।পরে ২৪ ঘন্টার জন্য খুলে দেয়ার কথা থাকলেও যা আজো হয়ে উঠেনি।
এখানে উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের যত গুলি ছিটমহল আছে তার মাঝে ২২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলই সবচেয়ে বড়।লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম থানা সদর থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ ছিটমহলটি।এর জন্সংখ্যা বর্তমানে ২২ হাজার।


অপরদিকে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি থানায় রয়েছে ভারতীয় ছিটমহল দাশিয়ারছড়া। সীমান্ত থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার ভেতরে এর অবস্থান। আয়তন ১৭৪৩ একর। লোকসংখ্যা প্রায় ৯ হাজার।


মানবাধিকার বিষয়ক বেসরকারি সংস্থা অধিকারের হিসাবমতে দেখা যায়, ২০০০ থেকে ২০০৫-এর জুলাই পর্যন্ত বিএসএফ ও ভারতীয় দুর্বৃত্তের হাতে নিহত হয় ৪০৬ জন বাংলাদেশি। আহত হয় ৪৮৪ জন এবং অপহৃত হন ৫০১ জন। অন্যদিকে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার তথ্যমতে, ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশের নাগরিকদের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটে ৩২৫টি। এতে নিহত হন ১১৪ জন এবং আহতের সংখ্যা ১৩৯ জন।পাশাপাশি ছিটমহলগুলো মানুষ পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, নারী ও শিশুদের এসব রুটেই পাচার করা হয় ভারতে। যেসব নারী এসব ছিটমহল দিয়ে পাচার হয়ে যায় তাদের অধিকাংশের আশ্রয় মেলে কলকাতার পতিতালয়গুলোতে। ইউনিসেফের রিপোর্টে দেখা গেছে, পাচার হওয়া নারীদের মাঝে ৫৫%-এর বয়স ১৭-২৪ এর মধ্যে, যাদের ৯৫%ই অশিক্ষিত। আর শিশুদের আশ্রয় মেলে কোনো কারখানায় বা তাদের হত্যা করে বিক্রি করে দেয়া হয় তার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। এছাড়াও মদ-গাঁজার উন্মুক্ত আসর বসে ছিটমহলগুলোতে। দু’একটি ছিটমহলে আবার চাষ করা হয় গাঁজা।

বেঁচে থাকার সামান্যতম নাগরিক অধিকার থেকেও এসব ছিটমহল বাসী বঞ্ছিত,পড়ালেখা,সাস্থ্য সেবা সহ কোন ধরনের নাগরিক সুবিধাই তাদের জন্য সহজলভ্য নয়।

এই সমস্যা কেবল বাংলাদেশের নয়,দুটি দেশের ছিট মহলে বসবাসরত দু দেশের নাগরিকদেরকেই অবর্ননিয় দুর্দশার মাঝে দিন কাটাতে হচ্ছে।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বেশ কবার পদক্ষেপ নেয়া হলেও ভারত সুপ্রিম কোর্টের মুলা ঝুলিয়ে বিষয়টিকে ঝুলিয়ে রেখেছে।রাজনৈতিক ও আইনী মারপ্যাচের উর্দ্ধে উঠে এই মানুষগুলির দিকে মানবিক দৃষ্টি নিয়ে তাকাতে হবে।সাম্প্রতি ডঃ দীপু মনি ভারত সফরে এ ব্যাপারে একটি সমধানে পৌছানোর ব্যাপারে ইঙ্গিত মিলেছে।পারস্পারিক স্বার্থ সংরক্ষনে রেখে এই সমস্যার আশু সমাধান কামনা করি


দক্ষিন তালপট্টি :বাংলাদেশের দাবী ও আন্তর্জাতিক আইন

7 sisters:সেভেন সিস্টারস
সুত্রঃ বিভিন্ন ওয়েবসাইট

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছিটমহল ;
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:

দারুন তথ্যবহুল পোষ্ট। সোজা হলুদ তারকায় টিপ্পি :)
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: খাইছে! :)

৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০২
কিরিটি রায় বলেছেন: সেইতো কথা... তিন বিঘা’ নামে (১৭৮×৮৫) মি. এই সামান্য ভূখন্ড আমরা ব্যবহারে স্বাধীন অনুমতি পাইনা...

আর আমাদের বর্তমান সরকার শত শত কিলোমিটার এশিয়ান হাইওয়ের নামে তাদের অবাধ ব্যবহারের জন্য দিয়ে দিতে চায়!!!!!!!!!!!!!!!

প্রিয়তে +
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: ব্যাপারাটা আসলেই আজীব!কারন বাংলাদেশের ভিতর যে ১১১ টি ছিট মহল আছে ভারতের তাদের অবস্থাও কম বেশি তেমনটাই।প্রায় ১ লাখের মত ভারতীয় সেগুলীতে থাকে!তাই ২ দেশের স্বারথেই এর সমাধান দরকার।

৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: খুবই কষ্টকর। খারাপ লাগল।
৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫২
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: খারাপ লাগল , মানে মন খারাপ হলো।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: লাভ কি?যাদের টনক নড়া দরকার তাদের তো কিছু হচ্ছে না!

৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮
ডিজিটাল কলম বলেছেন:
++++++++++++++++
অনেক কিছু জানতে পারলাম।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯
অপ্‌সরা বলেছেন: একটা জিনিস ভেবে অবাক হই!!
এত কঠিন লেখা এই পিচকি ভাইয়ার মাথা থেকে কি করে বের হয়???

মানে কঠিন কঠিন বিষয় নিয়ে লিখবো সেটা ভাবতেই তো আমি অক্কা পাই!!
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: আর কত বড় হলে তোর মনে হবে আমি বড় হয়েছি?????আমার মাথা ছাঁদ ফুড়ে আকাশ ছুলে?

১০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: হুম আপু আমিও সেটাই ভাবি!!!!!!! জ্বর আর অসুখ নিয়ে এই লেখা মাথায় আসল কি করে!!!!!!!!! আমার কাছেও রহস্য!!!!!!!
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: :(

১১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: এরকম করলে কিন্তু ডিসুম!!!!!!! মন খারাপ করা যাবেনা!!
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: :)

১২. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
অপ্‌সরা বলেছেন: আশী বছরের বুইড়া হলেও তুমি পিচকি থাকবে!!!!! :):);)
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: পিচ্চি হইলাম তোর কারনে.......:P

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: ভালো নাই ভাইজান... আপনার কি খবর?

১৫. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২০
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আপু ঠিক বলছে। দিন দিন শুকাচ্ছে। পিচ্চি না বলে উপায় নাই!!
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: :)

১৭. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৮
দিগন্ত বলেছেন: ১৯৫৮ সালে পাকিস্তান প্রধান্মন্ত্রী ফিরোজ খান নোন ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নেহেরুর মাঝে বেরুবাডি ছিট মহল নিয়ে একটি চুক্তি হয় সেটিও ব্যার্থ ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টের এক আদেশে

- এটার কারণ ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দারা পাকিস্তানে যোগদান করতে অসম্মত হন। তাদের বক্তব্য তারা সুপ্রিম কোর্টে পেশ করেন ও ১৯৫৮ সালে মামলার রায়ে ছিটমহল হস্তান্তর বন্ধ করতে বাধ্য হয় সরকার। এই সরকারের বিরুদ্ধে মামলায় পুরোভাগে ছিলেন বেরুবাড়ি (তখন দক্ষিণ বেরুবাড়ী) অঞ্চলের লোকজনে। তাই ১৯৭১ এর পরে ভারত বাংলাদেশ ছিটমহল চুক্তির সময় বেরুবাড়িকে আলাদা করে ভারত সরকার ভেবেছিল বাকি অংশের হস্তান্তর সম্ভব। কিন্তু অধিকাংশ (বাংলাদেশ ও ভারতীয়) ছিটমহলের লোকজনেই এতে তীব্র আপত্তি জানায়। তাই এখন এটা নিয়ে সরকারের মনে হয়না কিছু করার আছে। বরং বেরুবাড়ির যে অংশটুকু বাংলাদেশের থেকে নেওয়া হয়েছে তা বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দেবার প্রক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে, আর সব ছিটমহলে করিডরের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৮১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ক্ষুদ্র গ্রহের ক্ষুদ্র এক মানব...কিন্তু বুকে নিয়ে বেঁচে আছি এক বিশাল স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই