somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বিশ্বে যা কিছু ধ্বংস লীলা তার শতভাগ করিয়াছে নারী,নিরব দর্শক তার নর-- রাহাত খান <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />
সামুদ্রিক ঝর টাইফুন সাইক্লোন এসবের এমন অসংখ্য মেয়েলি নাম আমরা জানি...মালা,রিটা,নিন,ক্যাটরিনা,লিসা,রোজা,নার্গিস,আইলা,লাইলা...

সভাবতই অনেকের মত আমার প্রশ্ন জাগে কেন মেয়েদের নামে এসব ঝরের নাম রাখা হয়?উওর জানতে চেষ্টা করে যা পেলাম তাই এখানে শেয়ার করছি...

সাধারনত ঝরের নামকরন করে থাকে WMO (World Meteorological Organization)। তারা নানা অঞ্চলের জন্য আগে থেকেই করে রাখে একটি চার্ট,যা থেকেই নাম করন করা হয় ঝড় গুলির।সাধারনত ৭ বছর পর পর এসব নামের একটা পুনরাবৃত্তি দেখা যায়।১৯৫০ সাল থেকে ঝরের নাম হিসাবে মেয়েদের নাম আসা শুরু হয়।ম্যাটারোলজিস্ট রা তাদের গার্ল ফ্রেন্ড/স্ত্রীর নাম দিয়ে সাধারনত এসব নাম রাখেন!!!!!তবে যা জানা গেছে ,বিংশ শতাব্দির শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান এক আবহাওয়াবিদ তার অপছন্দের একজন রাজনীতিবিদের নাম দিয়ে প্রথম ঝরের নাম রাখেন,যা মানুষের নামে প্রথম ঝড়!!!!
তবে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর থেকেই US নেভি মেয়েদের নাম প্রচলন করে!!আর তার পর থেকে এটাই রেওয়াজ হয়ে গেছে।)যদিও ছেলেদের নামেও অনেক ঝড়ের নাম করন করা হয়েছে,তবে তা সংখ্যায় কম)
প্রচলিত একটা কথা আছে,”ফিমেইল অফ দ্যা স্পেসিস ইজ মোর ড্যাডলি দ্যান মেইল”….আসলে ঝড়ের নাম হিসাবে মেয়েদের নাম আসার এটাই গোপন রহস্য <img src=" style="border:0;" />

তবে WMO থেকে এটা বলা হয় যে,সাধারন মানুষের সাথে ঝড়ের তথ্য আদান প্রদানকে সহজতর করার জন্য সহজ এসব নাম (মানুষের) ব্যবহার করা হয়।

WMO থেকে যেসব ঝড়ের নামের চার্ট করা হয়েছে তা পাবেন এখানে




যাক সিনেপ্লেক্সে এভাটার আইছে,আইজ দেখার খায়েস আছে...ছুটির দিনটা সবার ভালো কাটুক...

বিদ্রঃ ইহাকে কেউ নারী বিদ্বেষী পোস্ট ভাবিয়েন না... জাস্ট ফর ফান...টাইটেল টা এমন করিয়াছি

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29159526 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29159526 2010-05-21 12:08:01
আর্জেন্টাইন ওয়ার্ল্ডকাপ ট্রাজেডি ১৯৯০-২০০৬:কান্নাভেজা দিন গুলি <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif" width="23" height="22" alt=":-*" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /> আর্জেন্টিনা (০) বনাম ওয়েস্ট জার্মানি (১)
ম্যাচঃ ফাইনাল
তারিখঃ৮ জুলাই ১৯৯০ ভেন্যুঃরোম
দর্শকঃ
Andreas BREHME (Grm) 85' Penalty goal
ফলাফলঃ শেষ মুহুর্তের বিতর্কে ,ম্যারাডোনার হাতে টানা দ্বিতীয় শিরোপা হাত ছাড়া...কান্নার ভেজা আর্জেন্টাইন





আর্জেন্টিনা ( ১) বনাম রোমানিয়া (৩)
ম্যাচঃ Round of 16
তারিখঃ ৩ জুলাই ৯৪ ভেন্যুঃ লসএঞ্জলস
দর্শকঃ ৯০ হাজার


# Ilie DUMITRESCU (ROU) 11',
# Gabriel BATISTUTA (ARG) 16' Penalty goal,
# Ilie DUMITRESCU (ROU) 18',
# Gheorghe HAGI (ROU) 58',
# Abel BALBO (ARG) 75'

ফলাফলঃ ভক্তদের কান্নায় ভাসিয়ে বিদায় নিলেন ম্যারাডোনা নামের এক অবতার......





আর্জেন্টিনা ( ১) বনাম নেদারল্যান্ড (২)
ম্যাচঃ কোয়ার্টার ফাইনাল
তারিখঃ ৪ জুলাই ৯৮ ভেন্যুঃ মার্সেইলেস
দর্শকঃ৫৫ হাজার

# Patrick KLUIVERT (NED) 12',
# Claudio LOPEZ (ARG) 17',
# Dennis BERGKAMP (NED) 89'

ফলাফলঃ শেষ মিনিটের হোচটে হৃদয় ভেঙ্গে কান্নার সাগরে আর্জেন্টাইন ভক্তকুল






আর্জেন্টিনা (১) বনাম সুইডেন (১)
ম্যাচঃগ্রুপ
তারিখঃ ১২ জুন ২০০২ ভেন্যুঃমিয়াগী
দর্শকঃ ৪৫ হাজার

# Anders SVENSSON (SWE) 59',
# Hernan CRESPO (ARG) 88'

ফলাফলঃ জয়ের বিকল্প ছিলনা ইংল্যান্ডের কাছে আগের ম্যাচ হারা আর্জেন্টিনার...... আবারো কান্না ভেজা চোখে বিদায়...






আর্জেন্টিনা (১/২) বনাম জার্মানি (১/৪)
ম্যাচঃকোয়ার্টার ফাইনাল
তারিখঃ৩০ জুন ২০০৬ ভেন্যুঃ বার্লিন
দর্শকঃ৭২ হাজার

# Roberto AYALA (ARG) 49',
# Miroslav KLOSE (GER) 80'

ট্রাইব্রেকারঃ ৪-২
জার্মানিঃ৪
Neuville Scored
Ballack Scored
Podolski Scored
Borowski Scored
আর্জেন্টিনাঃ ২
Cruz Scored
Ayala missed
Rodríguez scored
Cambiasso missed

ফলাফলঃ ম্যারাডোনা উত্তর আর্জেন্টিনার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দলের দুর্ভাগ্যজনক বিদায়






বরাবরই বিশ্বকাপ আর আরজেন্টিনা নিয়ে উন্মাদনা থাকে তুঙ্গে... কিন্তু এবার হয়ত সময় করে ম্যাচ দেখাই হবে না... তার পরেও শুভ কামনা আরজেন্টিনা... এবার আর যেন কান্না ভেজা চোখে মেসিকে মাঠ না ছাড়তে হয়...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29149203 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29149203 2010-05-05 17:03:10
‘ন্যুড’ আর ‘ন্যাকেডের’ পার্থক্য
মকবুল ফিদা হুসেইন ।নামটির সাথে অনেকেই পরিচিত।ভারতের এই চিত্র শিল্পী কিছুদিন আগে কাতারের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। বাংলাদেশের তসলিমা নাসরিনের মত এই শিপ্লী ভারতীয় হিন্দু মৌলবাদীদের হুমকির মুখে গত প্রায় ৪ বছর ভিন দেশে অবস্থান করছেন।২০০৬ সালে নগ্ন "ভারত মাতা" ছবিটি আঁকার পর থেকেই দেশ চুড়ান্ত তোপের মুখে পরেন।
এই ছবিতে ভারতের মানচিত্রটিকে একটি নগ্ন নারী হিসাবে দেখানো হয়েছে,আর যার দেহের নানা অংশে ভারতের বিভিন্ন স্থানের নাম লিখা হয়েছে।
হিন্দু মৌলবাদি যারা এর পুর্বে ফিদা হুসেইনের নগ্ন হিন্দু দেব দেবির চিত্রকর্মের বিরুধীতা করে আসছিল তারা এটাকে জাতীয় ইস্যুতে রুপান্তর করে। যদিও মজার ব্যাপার এ নিয়ে ২০০৮ সালে এক মামলায় বলা হয়- হুসেনের ভারত মাতা চিত্রটি অশ্লীল নয়,এটি কাম উদ্দীপকও নয় এবং এই চিত্র কোনো বিকৃত কামনার উদ্রেক করে না। চরম দুর্দশাগ্রস্ত একজন নারীর বিমূর্ত চিত্রের মাধ্যমে জাতির একটি অবয়ব দেখাতে চেয়েছেন তিনি। তিনি আরো জানান, চিত্রটির নান্দনিক নগ্নতা, অশ্লীলতাকে বাধাগ্রস্ত করে। চিত্রটি তার মতে কোনো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে না। অতঃপর সুপ্রিমকোর্ট এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল খারিজ করে দেন।
ভারত সরকার যদিও তাকে দেশে ফিরলে নিরাপত্তা দেয়া হবে বলছে,তার পরেও তা আসত্ব করতে পারেনি হুসেইন কে।

এই শিল্প কর্মের কথা শুনার পর আমার নিজেরও একটা আগ্রহ জন্মায়, ভাবনার অনেক উপাদান এখানে আছে বলেই মনে হয়। সেই প্রচীন কাল থেকেই শিল্প সাহিত্যের সাথে অশ্লিলতা একটি বিতর্কের নাম।সেই সাথে ধর্মিয় অনুভুতি বা জাতিগত অনুভুতিতে আঘাত মুক্ত সাহিত্য চর্চার পথে একটি অন্তরায় ছিল সব সময়।
যারা বিতর্কে তুলেছে নানা সময় আলোচিত সকল সাহিত্য আর শিপ্ল কর্মের তাদের দাবি, স্বাধীনতা আর সেচ্ছা চারিতা এক নয়। কারো স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার আছে বলেই সে অন্যের অনুভুতিতে আঘাত করতে পারে না।

আর বরাবরই এসকল অভিযোগের পালটা জবাবে, ওই সকল শিপ্ল কর্ম আর সাহিত্য কর্মের শৈপ্লিক আর নান্দনিকতাকে বুঝে উঠতে না পারার ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন তার স্রষ্টা।কোন সমাজ যদি পশ্চাদ পদ হয় তবে তার পক্ষে সময়ের চেয়ে সামনে চলা শিল্পের রস বুঝে উঠা সম্ভব না।

নগ্ন ভারত মাতা ছবির পক্ষে হুসেনের অবস্থান, যে কোনো নগ্ন শিল্পকর্ম বিচার করার আগে ‘ন্যুড’ আর ‘ন্যাকেডের’ পার্থক্য বুঝতে হবে। দুটো শব্দ বা তার মানে ও দ্যোতনা এক নয়।
দেখুন তো সেই ছবিটি...






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29131874 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29131874 2010-04-09 19:28:39
বিবিসি উর্দুঃ এই রিপোর্ট যদি পাকিস্তানের সত্যিকার চিত্র হয় তবে আমাদের লজ্জা পাওয়া উচিত!!!!
২৬ মার্চ উপলক্ষে একটি বাংলাদেশি বেসরকারি টিভি খবরে বিশেষ রিপোর্টে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ও পথচারীদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু প্রশ্ন করেছিল!যাদের অধিকাংশই ভুল উত্তর দিয়েছিল।

অন্যদিকে ফিরোজ কামালের মত বাংলাদেশী ইতিহাসবিদ (!!!) মগবাজারী টাকায় রচিত নানা সাইট ,ব্লগার ও মিডিয়ার ইতিহাস চর্চা এমনকি সাহোর সহ ব্লগারদের কথা মনে পড়ল!!

আমি ব্যক্তিগত ভাবে নানা ফোরামে পাকিস্তানিদের সাথে কথা বলা ও অনলাইন বন্ধুত্বের চেষ্টা করতাম,করি এখনো!এর একটাই কারন ,আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে এই জঘন্য বর্বরতাকে কি শিক্ষিত সুস্থ পাকিস্তানিরা সমর্থন করে?
কিন্তু আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা খুব একটা ভালো ছিল না।অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা ৭১ নিয়ে কথা বলতে অনিহা দেখাত।তবে কয়েকজনকে পেয়েছিলাম,তাদের মাঝে IUT এর কিছু বন্ধু ছিল তারা দুঃখ প্রকাশ করত ৭১ এ তাদের বাবাদের ভুলের জন্য।

পাকিস্তানি সেনা বাহীনির অফিসারিদের সাক্ষাতকারের ভিত্তিতে ১৬ ডিসেম্বরের পরাজয়ের( পাকিস্তানিদের) লজ্জা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে পরে একটা পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে।
কিন্তু অবাক লাগল এত লজ্জা আর গ্লানি সত্যেও ১৯৭১ এর পেছনের কারন গুলি অকপটে পাকিস্তানি ছাত্ররা স্বীকার করে গেল।

তারা জানে তাদের পুর্বপুরুষ বাঙ্গালীদের ৩০ লক্ষ প্রান কেড়ে নিয়েছিল। তারা জানে ৫২ এ অন্যায় ভাবে বাঙ্গালীদের উপর উর্দু চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। তারা জানে সংখ্যা গড়িষ্ঠ হওয়া সত্যেও অন্যায় ভাবে বাঙ্গালীদের ক্ষমতায় যেতে দেয়া হয়নি। তারা জানে আমাদের পাট রপ্তানীর ন্যায্য হিস্যা আমাদের না দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করা হত। তারা জানে বিশাল দুরত্বের কারনে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত পার্থক্যের কথা। তারা জানে ৪৭ এ পাকিস্তান জন্মের পিছনে বাঙ্গালীদের অগ্রনী অবদানের কথা!

স্কুল ছাত্রীদের কয়েকজন ভারতের হাতের কথাও স্বরন করিয়ে দেয়।এতে অবাক হবার কিছুই নেই।কারন এই কথা কউ অস্বীকার করে না,যে ভারত তার স্বার্থে ৭১ আমাদের সহায়তা করেছে।

শেষে এটাই বলতে চাই যারা পরাজিত,তারা ইতিহাসের যতটা জানে, দুর্ভাগ্য ৭১ এমন গৌরব ময় বিজয়ের অংশিদার হয়ে আমাদের মাঝে কি সেই সচেতনতা আছে???
আর ছাগু সম্প্রদায়ের লজ্জা নামক গ্রন্থি জানি নাই... তাই তাদের বোধদয় হবে কিনা আল্লাহ জানে...








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29128416 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29128416 2010-04-03 18:49:25
৬ নম্বর বাসে ঝুলে রবিন্দ্রনাথঃ একটি শানে নযুল <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> কাক ভেজা হতেই রবি টের পেল সাপ্লাই শেষ!কোন রকমে গামছাতে মাথা মুছে মুছে ডাইনিং এ বসতেই কানে ভেসে এলো... রবি বারান্দায় বাতাস আছে এখানে চলে আসো...গ্যাস নাই।রান্না এখনো হয় নাই...
বারান্দায় এলোকেশে কাদম্বিনি...মুগদ্ধ নয়নে দেখে যাচ্ছে তাকে রবি... হঠাত পাশের কন্সট্রাকশন চলা বাড়ির ছাদ থেকে ফাল্গুনী হাওয়ায় এক গাদা বালি উড়ে এলো বারান্দায়... কাদম্বিনি চোখ ধুতে ঘরে...
হাতে থাকা মুঠোফোনটাতে ম্যাসেজ অপশনে লিখা শুরু করল রবি!!!

কি হতে পারে সেই কবিতা!!!!

জানতে বড্ড মন চায়... <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29127961 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29127961 2010-04-02 21:41:11
বৃষ্টি বিলাসঃ বৃষ্টি দিনের গানের অনলাইন সংগ্রহ। (প্রথম কিস্তিঃ৬০ টি গানের ডাউনলোড লিংক)

বসন্তকাল গত কিন্তু কাগজে কলমে এই কথা প্রমাণ করা যাবে না যেহেতু বর্ষপঞ্জিকায় বৈশাখ এখনো আসে নাই...। কি রকম যেন দিনগুলো, একটা গুমোট অস্থিরতা প্রকৃতিতে বিরাজমান বাতাসে জলের কণা ক্রমশই বাড়ন্ত ।এবারের গরমটা খুবই অসহ্য ঠেকছে...নোন্তা জলের আবেশে পোশাক সাথে গায়ের সংগ্রাম।এমনি যখন অবস্থা তখন হঠাত ঈশাণ কোনে হাল্কা জমাট বাষ্প দিনের আলোকে ম্লান করে দেয় যেন সহসাই সন্ধ্যা নামবে আর সেই সাথে থেমে থেমে চলে অদ্ভুত শীতল হাওয়া...রাস্তায় পরে থাকা কাগজ আর পলিব্যাগের মধ্যে ঘূর্ণন শক্তি জমা হয়, তারা যেন ঘুরে ঘুরে মাটি ফেলে আসমানের দিকে উঠতে চায়... প্রাচীন জটাধারী বৃক্ষ তার ভারী দেহ কে মাইকেল জ্যাক্সনের আদলে একটু দোলায় আর শীর্ণকায় বৃক্ষদের চলে ধ্রুপদী নৃত্যের কসরত ওদিকে যেন জলের আশায় বেড়ে যায় রিকশার ক্রিং ক্রিং...মোটর গাড়ির হর্ণ...যাপিত জীবনের আচমকা গতি বেড়ে যায়...অলি গলি তে ভর করে ঐশ্বরিক প্রান...তার টানেই বের হয়ে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা...তাদের কেন জানি আজ কোন শাসন মানতে ইচ্ছে করে না ...প্রকৃতির এই অন্তস্বত্তায় জনমনে জন্মায় চঞ্চলতা...প্রকৃতি, প্রান আর মানুষ এটাই যে সৃষ্টির নিগূঢ় তত্ত্ব তা যেন আবার বোধগম্য হয় ...বুঝতে পারি এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে আদিম ও চরম সম্পর্ক......
কিন্তু শেষ পর্যন্ত আজও জলের দেখা মিলেনি...হাল্কা মেঘ উড়ে চলে যাচ্ছে...বড় অস্থির...
তবুও আশা থেকে গেল সময় আর বেশি নেই...বৃষ্টি আসছে..............................


আজ প্রথম কিস্তি হিসাবে ৬০ টি গানের ডাউনলোড লিংক প্রকাশ করা হল। সংরহে আরো ৪০ এর অধিক গানের নাম আছে।সে গুলির ডাউনলোড লিংক সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।পরের আপডেটে সেগুলি প্রকাশের আশা রাখি।



ডাউনলোড বিষয়ক সহায়তাঃ
১)Esnips থেকে ডাউনলোড করতে IDM এর সহায়তা নিতে পারেন। অথবা Esnips Link Generator এর সহায়তা নিতে পারেন।
২)যে কয়েকটি গান ১২৮ kpbs এর নিচে আছে,সেগুলির ক্ষেত্রে ডাউনোডের পর Audio Converter Software এর সহায়তা নিতে পারেন।


বিদ্রঃ
১)যদি কোন লিংক ডেড থাকে অনুগ্রহ করে রিপোর্ট করুন।
২) সম্ভব হলে আপনার কাছে প্রিয় ১০ টি গানের ক্রম নাম্বার মন্তব্য আকারে দিলে পরবর্তি আপডেটে রেটিং হিসাবে দেয়া যাবে।

**************************************************
লিংকঃ
১) বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল
২)আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম- শ্রীকান্ত
৩)এখনি নামবে বৃষ্টি - হাবীব
৪)আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে - নিয়াজ মাহমুদ
৫)এক বরষার বৃষ্টিতে ভিজে দুটি মন কাছে আসল - নীলোফার ইয়াসমিন
৬)চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে - হাবিব
৭)ঝুম ঝুম বৃষ্টি-কুমার বিশ্বজিত ও কনা
৮) এক দিন বৃষ্টিতে বিকেলে - অঞ্জন দত্ত
৯)ওগো বৃষ্টি আমার চোখের পাতা ছুঁয়োনা-( হৈমন্তি শুক্লা)
১০)আষাঢ় শ্রাবণ, মানে নাতো মন, ঝর ঝর- ঝর ঝর ঝরেছে
১১)শাওন রাতে যদি, স্মরণে আসে মোরে-মান্না দে
১২) অঝর ধারায়-বাপ্পা
১৩)হাওয়ায় মেঘ সরায়ে,ফুল ঝরায়ে - কিশোর কুমার
১৪)অনেক বৃষ্টি ঝরে,তুমি এলে- রুনা লাইলা
১৫) বৃষ্টির গান - শহীদ
১৬) বৃষ্টি নেমেছে- ওয়ারফেজ
১৭)এই বৃষ্টি ভেজা রাতে তুমি নেই বলে-- আর্টসেল
১৮) চল বৃষ্টি নামাই - হাবীব
১৯)বৃষ্টি ঝরে যায়- তৌসিফ
২০) আমি বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি- সুবির নন্দি
২১)আমি বৃষ্টি ভালোবাসি - মৌসুমি ভৌমিক
২২)টিপ টিপ বৃষ্টি - শেখ ইসতিয়াখ
২৩)বৃষ্টি পরে -বাপ্পা
২৪)সারা দিন বৃষ্টি বৃষ্টি -ইন্দ্রনীল
২৫)বৃষ্টি - জেমস
২৬) আজ তোমার মেঘে মেঘে রঙ ধনু - পুনম
২৭) বরষা - শিরোনামহীন
২৮) বৃষ্টি রাতে - অর্নব
২৯)ও বৃষ্টি - বাচ্চু
৩০) আজ শ্রাবনের বাতাস বুকে - রুপঙ্গকর
৩১) শহুরে বৃষ্টি - সুমন চৌধুরী
৩২) এক বরষায় - শাওন
৩৩) এই মেঘলা দিনে একলা
৩৪) একি রিম ঝিম
৩৫)এমনি বরষা ছিল সেদিন
৩৬)আমি বৃষ্টি চাই - সুভোমিতা
৩৭)মেঘ হলে মন বিকেলকেলায়-শ্রীকান্ত
৩৮)বৃষ্টি - এলিটা (রাগা )
৩৯)বৃষ্টি দেখে অনেক কেদেছি-পার্থ বড়ুয়া/মুহিত
৪০)আষার শ্রাবন এল আর বি
৪১)বৃষ্টি শেষে
৪২) অনেক বৃষ্টি পরে- বাপ্পা
৪৩)এলোমেলো বৃষ্টি হৃদয় খান
৪৪) একটু বৃষ্টি - রাফা
৪৫) এক পশলা বৃষ্টিতে কুমার বিশ্বজিত
৪৬)বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায়- আসিফ
৪৭)বৃষ্টি- তিশমা
৪৮)বৃষ্টি উদাস - ন্যান্সি
৪৯)বৃষ্টি হবে -ফাহমিদা
৫০)বৃষ্টি খবর ভেজা - ক্রান্তি
৫১)টুপুর টুপুর বৃষ্টি - হেমন্ত
৫২)বৃষ্টি ভেজা রাতে - আনিতা
৫৩)বৃষ্টি ভেজা রাতে - অর্নব
৫৪)এত বৃষ্টি-সামিনা
৫৫)কেন বৃষ্টি ঝর- হাসান
৫৬) বৃষ্টি ভেজা - বাচ্চু
৫৭)টুপ টুপ বৃষ্টি - হাসান
৫৮)দৃষ্টি ভরা বৃষ্টি - কুমার বিশ্বজিত
৫৯)আমি বৃষ্টি দেখেছি ,বৃষ্টির ছবি একেছি - অন্জন দত্ত
৬০)বৃষ্টি- তানিম



গান মনোনয়নের জন্য যাদের কাছে কৃতজ্ঞঃ
বৃষ্টি বালক,বাবুনি সুপ্তি্ , ইরফান রিজভী,রাত্রি২০১০ , অবসরের গান , আলিম আল রাজি , মহলদার , সমুদ্র কন্যা ,লুমেন্‌ ,কলম.বিডি , ই য়া দ ,সিউল রায়হান ,মানবিক ৩০, দি ফ্লাইং ডাচম্যান , সামিউর , কাকলাশ , পাপন , অপ্রয়োজন , সিনথিয়া জামান , সালেহীন শিপ্রা , সায়েম মুন , তানিয়া মুন ,নস্টালজিক

ও আরো অনেকেই

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29122596 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29122596 2010-03-24 18:38:34
<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif" width="23" height="22" alt=":-*" style="border:0;" /> ভৌতিক না এটা প্রমান করার মত যথেষ্ট কারন আমরা আজো পাইনি... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif" width="23" height="22" alt=":-*" style="border:0;" />

সন্ধ্যায় বাবা ফিরল,রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে প্রতি সপ্তাহের মত সব কিছু গুছিয়ে আড্ডা দিতে তিন জন চলে যাই নানুর বাসায়।নানুর বাসা ছিল আমাদের বাসা থেকে ৫ মিনিটের হাঁটার পথ। নানুর বাসায় ছাদে মামা,আন্টি সহ সব্বাই জমিয়ে আড্ডা মারতাম অনেক রাত অব্দি।আমি ঘুমিয়ে যেতাম অধিকাংশ সময় আন্টির কোলে।আড্ডা শেষে অনেক রাতে ঘুম ঘুম চোখে বাড়ি ফেরা,এটাই ছিল রোজ বৃহঃ বার রাতের রোটিন...

কিন্তু সেই রাতে ১ টার পর হঠাত আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামল।সারা সন্ধ্যা লক্ষন না থাকলেও এই বৃষ্টি আড্ডা আরো জমিয়ে রেখেছিল সেই রাতে...ছোট্ট চিলে কোঠায় বৃষ্টির কারনে আসরের নতুন ভেন্যু স্থির করা হয়।অন্য দিন ঘুমিয়ে গেলেও ঐ রাতে
বৃষ্টি আর একটু পর পর আকাশ কাঁপানো বজ্রের গর্জনে আমি নিজেও ছিলাম আড্ডার সক্রিয় সদস্য...
রাত ৩ টা বেজে গেলে বৃষ্টি থেমে যায়।তাই বাড়ি ফেরার পালা,বৃষ্টি না থাকলেও নানা ভাই একটা বড় ছাতা সাথে দিয়ে দেন।মা ছাতা আনতে একটুও রাজি ছিলেন না।কারন এর আগে অনেক ছাতা হারানোর বাজে রেকর্ড ছিল <img src=" style="border:0;" />
আর এই ছাতা নানা ভাইয়ের খুব প্রিয় এক বন্ধুর কাছ থেকে উপহার পাওয়া।তার পরেও নানা ভাইয়ের জোরে ছাতা হাতে আমাকে কোলে নিয়ে বাবা বের হলেন,সাথে মা।তখন বৃষ্টি একেবারেই নেই।ওমা আমাদের বাসার গেইটে পৌছানোর একটু আগে
হঠাত আবার বৃষ্টি।গেইট খুলে সেই অনেকটা বাঁধায় করা পথ দৌড়ে বারান্দায় পৌছাতে পৌছাতে আমি ছাড়া সবাই ভিজে লুটোপুটো...বৃষ্টির কারনে বিদ্যুত নেই,চার দিক অন্ধকার।মা চার্জার জ্বালিয়ে সবাইকে তোয়ালে দিলেন,আর আমি হাতের ছাতাটা ডাইনিং রুমের একটা চেয়ারের হাতলে রাখলাম।মা বলল সকালেই দিয়ে এসো মনে করে।আর একটু পরেই সবাই নিজ নিজ রুমে চলে গেলাম।


সকাল ১১ টা।পত্রিকা হাতে বাবা বারান্দায় চা খাচ্ছিল,আমি তখন ফ্রেশ হয়ে পাশে বসলাম।আর অমনি বাবা বলল নাস্তা করে নানা ভাইয়ের ছাতাটা দিয়ে আসো রাহাত।হঠাত মনে পরল আন্টি আমাকে আসার আগে মনে করে আমার জন্য রাখা চকলেট নিয়ে যেতে বলেছিল!কিন্তু বৃষ্টির জন্য ভুলে গেসিলাম।আর তাই মার কথা শুনে লাফিয়ে বল্লাম,আচ্ছা এখনি যাচ্ছি...বলেই দৌড়ে গেলাম ডাইনিং রুমে... হাতলটা ফাঁকা!মা কে ডাকলাম... মা বাবাকে... কেউ বলতে পারছে না!!! যদিও বাসায় আর চতুর্থ কেউ নেই,আর তিন জন ছাতাটা রাত সাড়ে তিনটায় রেখে শুধু ঘুমাতে গিয়েছি! ছাতার পানি তখন মেঝেতে পরে আছে,শুধু ছাতা নেই...
সমস্ত বাসা তন্নতন্ন করে খুঁজা হলো...কোথাও কোন হদিস পাওয়া গেলনা ছাতার।
স্বাভাবিক ভাবেই খুবই বিমর্ষ মা।বাবাও বেশ লজ্জায় পরে গেলেন।আমি তো বোকা হয়ে বসে রইলাম...সারা দিন আমাদের কেটে গেল এই প্রশ্নের জবাব খুঁজে।

পর দিন জবাব অমিমাংশিত রেখেই বাবা চলে গেলেন চাকুড়ি ক্ষেত্রে।দুপুরে খাওয়ার পর ঘুম ভেঙ্গে আমি আসলাম পানি খেতে ডাইনিং এ... যেখান দুপুরে বসে আমি আর মা ভাত খেয়েছি।
আমি শুধু মা............ বলে একটা চিতকার দিলাম।আর অপলকে তাকিয়ে রইলাম ছাতাটার দিকে!সেই একই চেয়ার,সেই

ছাতা...আর তখনও ভিজে থাকা ছাতা থেকে টপ টপে পানি পরছিল।মা আমাকে বুকে টেনে নিলেন... সাথে সাথে উনার রোমে নিয়ে গেলেন।সন্ধ্যায় বোয়া বাসায় ফিরলে উনাকে দিয়ে ছাতাটা ফেরত পাঠানো হয়...

আজ এত বছর পার হয়ে গেল,সেই ঘটনার কোন কার্য্যকারন বুঝে উঠতে পারিনি আমরা কেউ... শুধু আজো কথা প্রসঙ্গে ওই দিনের কথা আসলে আমি ,মা আর বাবা কেবল চুপ করে তাকিয়ে থাকি এক এক জনের দিকে... যেন এই প্রশ্নের কোন সমাধান পাবার নয়...





বিদ্রঃ বাবার উপার্জনে নির্মিত প্রথম বাড়ি বলে পর পর এমন অনেক ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও বাড়িটির মায়া আমরা ছাড়তে পারছিলাম না অনেক দিন।যখন ছাড়লাম তার আগে অনেক কিছুই ঘটে গেল!সময় হলে পরে সে গুলি নিয়ে লিখব।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29116900 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29116900 2010-03-15 18:30:02
মুজিব চোর বলায় আজো তার সমালোচনা করে প্রতিপক্ষ,তবে কি করে আশা করতে পারি ইডেনের সঠিক সমাধান! সবাই পায় সোনার খনি আমি পাইছি চোরে খনি... সংসদে একাধিকবার বলেছেন সাধারন মানুষের টাকা কে চোরি করে?আমি আপনি ,আমরা শিক্ষিত যারা তারা...এদেশের সাধারন মানুষ তো অসৎ না...
এক বিন্দু মিথ্যা নেই কথা গুলিতে। দলের ও দেশের মানুষের অনৈতিকতার কথা খুব একটা নেতাদের মুখে এত অকপটে শুনার ইতিহাস নেই। কিন্তু আজো এই কথা গুলির সমালোচনা হয়! মুজিব নিজেই চোর বলেছে তাহলে বুঝিন কি অবস্থা ছিল....ব্লা ব্লা...গে ৩ দিন আগে সাকা সংসদে দাড়িয়েও একই অভভিযোগ করেছেন।আরে নিজের অপরাধ স্বীকার করতে না পারলে তার সংশোধন আসবে কিভাবে???


ছাত্ররাজনীতি সেই সাথে মুল রাজনীতি, নীতি থেকে সরে গেছে অনেক আগেই... কিন্তু আওয়ামীলীগ বা বি এন পি এর মত এত বড় দল গুলি দলীয় ভাবে এতটা দেওলীয়া হয়ে যায়নি যে তারা কেন্দ্রীয়ভাবে চাঁদাব্জি,টেন্ডার বাজি,সহ ধর্ষন এই সকল কাজ করছে।যখন এরা ক্ষমতায় যায় তখন তাদের আখের গুর খেতে অনেক মাছি ভিড় করে।যারা এই সকল কাজের ৯০ ভাগ করে থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার পরেও এইসকল পাতি নেতা অথবা সুবিধাভোগীদের ব্যাপারে দল গুলি খুব একটা কঠিন পদক্ষেপ নেয় নি কখন।
এর একটা প্রধান কারন হলো কোন পদক্ষেপ নেয়া মানে ঘটনার দায় স্বীকার করে নেয়া,আর প্রতিপক্ষের কাছে হেরে যাওয়া!!!কারন আমাদের সমাজে নিজের ভুল সংশোধনকারীর প্রশংসা করার রেওয়াজ এখন চালো হয়নি।আমারা কেউ তার ভুল করলে,সেটি সংশোধনের পথ খুলা রাখি না।আর তাই বেড়েই চলছে এসব।


কিন্তু ব্লগের পরিবেশ দেখুন!!!! ইডেনের ঘটনায় এন্টি আওয়ামী ব্লগাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে এই কাজ সয়ং হাসিনা সাহারা তত্তাবধান করেন!!!! তাদের কমেন্ট পড়লে বুঝতে হবে ইডেনে কোন ভালো মেয়ে পড়ে না!!!!এক এক জন মহা কবি কালীদাস হয়ে যাচ্ছে ইডেন কন্যাদের নিয়ে!!!

কিন্তু একবার কি ভেবেছেন প্রতিবাদের এই পন্থা কোন সমাধান দিবে????
এই ব্যাপার গুলিকে মুল রাজনীতির সাথে যুক্ত না করে দল গুলিকে তাদের সমর্থক সংঘটন সমর্থক,সুবিধাভোগীদের অন্যায়ের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করাই কি শ্রেয় নয়?
আজ আমরা যদি হাসিনার কাছে এই দাবী করি যে ইডেনের মত ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায় যে সকল ছাত্রী নামধারীরা এর সাথে জড়িত তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দিয়ে প্রমান করুন আপনার দল এসবের বাইরে।অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রলীগ সহ সকলকে হুশিয়ার করার মত কোন পদক্ষেপ নিন,যে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এসব করলে দল তাদের পাশে থাকবে না।যদি ব্যার্থ হোন তবে জনগন এর দায় মুল দল্কেই দিবে।কিন্তু আমাদের সমালোচনাতে কি সেই রাস্তা খুলা রাখছি আমরা?


যে ভাবেই সমালোচনা হোওক,তার পরেও ইডেন এর ঘটনাটি আগের গুলির মত মামুলী ভাবে নিলে এটি হবে হাসিনা সরকারের চরম বোকামি... হাসিনাকে তার কঠুর রুপ টি দেখাতে হবে,তানা হলে এর খেসারত দিতে হবে প্রকৃত সমর্থকদের
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29115744 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29115744 2010-03-13 21:57:38
Google Earth এ মক্কার উজ্জ্বলতার কারন অলৌকিকতা নয়ঃ দয়া করে ধর্মান্ধ হয়ে ইসলামের ক্ষতি করবেন না! ইসলামের পবিত্র স্থান মক্কা মদীনা নিজ মহীমাতেই সম্মানিত স্থান,তার সম্মান বৃদ্ধি করতে মিথ্যাচারের কোন প্রয়োজন নেই।সৃষ্টি কর্তার ক্ষমতা প্রমানের জন্য কোন জড় বস্তুর সাহায্য নিয়ে স্রষ্টাকে ছোট করার কোন প্রয়োজনও নেই। ধর্ম ভীরু হোন কিন্তু ধর্মান্ধতা না প্রদর্শনই নিজ ধর্মের জন্য মঙ্গল জনক। গুগুল আর্থ দিয়ে মক্কা আর মদীনাকে পৃথিবির উজ্জ্বলতম অলৌকিক স্থান হিসাবে দাবী করার আগে একবার ভাবা উচিত এটা দিয়ে কতটা ছোট করছি নিজ ধর্মকে। কারন মিথ্যাচার আথবা অজ্ঞানতার কারনে অযাচিত ভাবে বিজ্ঞানকে ভুল ভাবে ব্যবহার করে নিজ ধর্মের মহীমা ছড়াতে গেলে সেটি প্রকারান্তে নিজ ধর্মকে অন্যদের কাছে ছোটই করে।

আসুন ব্যাপারটা দেখি,
এই হলো গুগুল আর্থ দিয়ে মক্কার ছবি,এই ছবিটি ৫০০০ ফুট উপর থেকে নেয়া।

আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে দৃশ্যত এটিকে পৃথিবির উওজ্জ্বলতম স্থাপনা বলেই মনে হবে! কিন্তু এই অভিজ্ঞতার সাথে কেউ যদি এটা জড়িয়ে দেয় যে এটি আল্লাহর অশেষরহমত,অলৌকিক ব্যাপার!!!<img src=" style="border:0;" />

সেই ব্যাপারটিই ব্লগে ঘটেছে,শুধু তাই নয় ইন্টারনেটে অনেক ইসলামিক সাইট এর সাথে এটাও দাবী করে নীল আর্মস্ট্রং চাঁদ থেকে একমাত্র মক্কাকে দেখতে সমর্থ হয়েছে,যা ছিল উজ্জ্বলতম স্থাপনা!!!

যাক আসুন এবার আরো একটি ছবি দেখি!এটি তাজমহল!!!
আমরা জানি মক্কা শরীফ দামী সাদা মার্বেল দিয়ে যেমন তৈরী তেমনি তাজমহল মার্বেল স্থাপনা।
এটি হলো তাজমহলের ৫০০০ ফুট উপর থেকে তুলা ছবি।


স্বাভাবিক চোখ তো অবশ্যই মক্কা শরীফকে উজ্জ্বল বলেই প্রমান করবে!আর সেই অলৌকিক দাবীকে সমর্থন যোগাবে!আসলেই কি তাই????



এবার আসুন ভিতরের কাহীনিঃ
আলোর নিয়ম অনুসারে কোন বস্তুর উপর আলো পরলে তা থেকে যদি আলো প্রতিফলিত হয় তবেই সেই বস্তুকে দেখা যাক,যা থেকে যত বেশি আলো নিসৃঃত হবে তাকে তত উজ্জ্বল দেখাবে।
এবার এই ছবিটি দেখুন,যা খুব কাছ থেকে নেয়া মক্কা শরীফের ছবি!কি দেখছেন লাল মার্ক করা স্থানে? মিনারের ছায়া।তার মানে আলো এসে পরেছে সাদা মার্বেলের উপর তা থেকে প্রতিফলিত হচ্ছে আলো,কিন্তু যেখানে ছায়া পরেছে সেই স্থানটি কিন্তু ইউজ্জ্বল দেখাচ্ছে না!কিংবা যেখানে মার্বেল পাথর নেই সেই স্থানটিও না।




এবার তাজমহলের ছবি খুব কাছ থেকে দেখুন,এবার অনেক উজ্জ্বল আগের তুলনায়!কারন কাছ থেকে নেয়া!আর এতেও ছায়া দেখুন।




গুগুলের আর্থের আরেকটি টুলস রোলার দিয়ে আসুন এবার সাইজ় মাপি,
মক্কা শরীফের মার্বেল আবৃত স্থান প্রায় ০.৬৯ কিমি আর প্রস্থ ০.৩৩ কিমি মানে ক্ষেত্র ফল প্রায় ০.২২৭৭ বর্গ কিমি।আর তাজ মহলের মুল স্থাপনা ০.০১ x ০.০১ =০.০০০১ বর্গ কিমি!!! তার মানে প্রায় ২২৭৭ গুন বড় ক্ষেত্র ফল হচ্ছে মক্কার মার্বেল আবৃত স্থান! আর এর জন্যই তাকে এত উজ্জ্বল বলে মনে হচ্ছে।










যদি অন্ধকার অমাবশ্যার রাতে,সব আলো নিভিয়ে দেয়ার পর ছবি নিন তবে তাতে আর এই অলৌকিকতার খুঁজ পাবেননা। আর নীল আর্ম স্ট্রং নিয়ে তো কম মজার জোক্স ধর্ম ব্যবসায়ীরা বলেনি,যাক যদি সত্যই নীল আর্ম স্টড়ং চাঁদে বসে মক্কাকে দেখতে পান তার পরেও অবাক হবার কিছু নেই!!!! ১) তখন নির্ঘাত মক্কার মত এত বড় আয়তনের স্থাপনার আলো নিভে ছিল না ২) চাঁদ থেকে দেখা পাওউয়া মানে তখন চাঁদের আলো পৃথিবিতেও আসছিল!



(এবার এভারেস্টের বিস্তৃত বরফ রাশির ছবি দেখুন!! সাড়ে ছয় লক্ষ ফুট( ১২৩ মাইল উপর থেকেউ কি উজ্জ্বল!!! যার বরফ আবৃত স্থানের দৈর্ঘ ছবিতে ২৫৫ কিমির মত)



সব শেষে বলতে চাই, দু দিন পর পর এই ভন্ড পীর ঐ ভন্ড নবীর ছবি চাদের বুকে দেখা যায়!ইন্টারেটের কল্যানে ঐসকল দাবীর সাথে সবাই পরিচিত। আমাদের নিজের ধর্মকে যদি আমরা সত্যই বিশ্বাস করি দয় করে ইসলামকে ঐ পর্যায়ে নামাবেন না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29114983 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29114983 2010-03-12 18:09:42
<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" />গুগুল কি বাংলা ভাষার কোন সুস্থ শব্দের সাথে পরিচিত না?? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> গুগুল!সার্চ ইঞ্জিন কে পরিচয় করিয়ে দেবার কিছু নেই।গুগুল বাংলাদেশ সাইট ( google.com.bd ) নিয়ে এই পোস্ট।সার্চ ইঞ্জিনে ইংরেজি বর্নমালার কোন একটি টাইপ করার পর যে ড্রপ ডাউন কি ওয়ার্ড আসে তা জানিনা সবার নজরে এসেছে কিনা। ২৬ টি বর্নের সব কটি একবার করে লিখে দেখুন! বাংলা যে সকল শব্দ গুচ্ছ আপনার সামনে আসবে তা দেখে যে কারো ধারনা হতে বাধ্য যে বাংলা ভাষাতে কোন শ্লীল শব্দ নেই,বাংলা ভাষাতে প্যেব জগতে কোন সভ্য কাজ হয় না!!!

আবারো বলি, সাহো নিয়ম শর্তাবলিতে এই শব্দ গুলি নিষিদ্ধ্ব।তার পরেও আশা করব পোস্টের মর্মাথ বুঝে শব্দ গুচ্ছের দায় পোস্টের উপর দিবেন না!




a-z পর্যন্ত যা পাবেন তার সংক্ষিপ্ত রূপ নিম্নে দিলামঃ







a = অশ্লিল ছবি!!!!
b =ভোদা,বড় দুধ,বাবার সাথে চুদা চুদি!!!!!
c=চুদাচুদি,চুদাচুদি ভিডিও
d=দৈহিক সম্পর্ক,দুধ টেপা,ধর্ষন
e=
g=গুদের রস
h=হস্তমৈথুন
i=
j=যৌন ছবি,যৌবন জ্বালা
k=কাজের মেয়েকে চুদাচুদি,খারাপ মেয়ে
l=লিভ টুগেদার,লিঙ্গ
m=মেয়েদের দুঢ,মাল আউট
n=নীল ছবি,নগ্ন ছবি
o=অশ্লিল ছবি
p=পতিতালয়
q=
r=রসময় গুপ্ত
s=সেক্সি মেয়ে ,সেক্সি ছবি
t=
u=উলঙ্গ
v=ভাবির দুধ খাওয়ার গল্প
w=
x=
y=যুবতীর গল্প,যুবতী ভাবির দেহের জ্বালা
z=



i q t x z দিয়ে সরাসরি কোন বাজে শব্দ পাবেন না,কিন্তু যা আসে তা আপনাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ঐদিকেই নিয়ে যাবে (q) বাদে!!!!
মজার ব্যাপার t =তারেক রহমান, z=জিয়াউর রহমান ছাড়া আর কোন পলিটিক্যাল লিডার কে পেলাম না ড্রপ ডাউন ওয়ার্ড গুলিতে!!


নিজে কিছু বিব্রতকর অবস্থায় পরতে হয়েছে!কোন লেটার চেপে অন্য দিকে নজর দিলে,নিজে থেকেই সিলেক্ট হয়ে গেল কোন একটি শব্দ!!সাথে সাথে সার্চ রেজাল্ট!!!! সামনে বসা বাবা মা!!!!!!!

আমি বুঝতেছিনা এর দায় কাকে দিব!!!!এর প্রতিকারের জন্য কোথায় অভিযোগ দিব!! গুগুলের কাছে কি আমরা সকলেই এর প্রতিকার চাইতে পারি? সকলের পরামর্শ চাই...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29114378 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29114378 2010-03-11 18:58:41
বিলম্বে হলেও ২৬ বিদেশি নাগরিক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন
জাতি হিসাবে আমরা অকৃতজ্ঞ এটা পুরাতন অপবাদ,আশা করব হীন রাজনৈতিক দৃষ্টি এড়িয়ে সকলেই এর পাশে থাকবেন।যদি আপনার বিবেচনায় এই তালিকায় যোগ্য কেউ বাদ পরে তার নাম উল্লেখ করুন।হয়ত পরের তালিকাতে তাঁর নাম আসবে...




*ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী

*কনসার্ট ফর বাংলাদেশের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন

*প্রখ্যাত সেতারবাদক পন্ডিত রবিশংকর

*জ়েনারেল জে এফ আর জেকব

*যৌথ বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা

*যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি

*পাকিস্তানের সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল আজগর খান

*সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কসিগান

*ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট

*পাকিস্তানের কবি ও সাংবাদিক আহমেদ সালিম

*নেপালের প্রেসিডেন্ট রামবরণ জাদব

*ভারতের কণ্ঠশিল্পী লতা মুঙ্গেশকর,সলীলে চৌধুরী, গোবন্দি হালদার

*মুম্বাইয়ের তৎকালীন প্রথম সারির নায়িকা ওয়াহিদা রহমান

*লন্ডনে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার আপা পান্থ,

*যুক্তরাষ্ট্রর রিচার্ড টেইলর

*সাভিয়েত নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা এডমিরাল জুয়েনকো


আগামী সোমবার মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর আনুষ্ঠনিকভাবে সংবর্ধনার কাজ শুরু করবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়।



ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী

পাকিস্তানের সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল আজগর খান

নেপালের প্রেসিডেন্ট রামবরণ জাদব

জর্জ হেরিসন

জে এফ আর জেকব
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29110446 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29110446 2010-03-05 13:29:04
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃ সুন্দরীরা এখানে নিষিদ্ধ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> .
.
.
.
.
.
.
.
.
.
..
ইহাদেরি কানে

একবার নক্ষত্রের পানে চেয়ে-একবার বেদনার পানে
অনেক কবিতা লিখে গেল যুবকের দল;
পৃথিবির পথে-পথে সুন্দরীরা মুর্খ সসম্মানে
শুনিল আধেক কথা;-এই সব বধির নিশ্চল
সোনার পিত্তলমুর্তিঃতবু, আহা,ইহাদেরি কানে
অনেক ঐশ্বর্য্য ঢেলে চ'লে গেলো যুবকের দল;
একবার নক্ষত্রের পানে চেয়ে-একবার বেদনার পানে



এত অল্প কথায় এত সুন্দর করে এমন অমোঘ বানী আর কোথাও আছে কিনা জানা নাই...
স্যালুট জীবনান্দ দাশ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29107807 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29107807 2010-03-01 12:15:21
বেহেস্তের পাসপোর্ট আর বিমান বন্দর সব প্রস্তুতঃআজ রাতই শেষ রাত!!! বাংলাদেশের জনগনের জন্য আমাদের রাজনৈতিক নেতারা কে বলেছে কিছু করেনি?এই দিন দুনিয়ার ক্ষনিকের সুখের কথা না ভাবলেও পরকালের অফুরন্ত সুখের সন্ধান দিতে তারা বদ্ধ পরিকর!!!

বি এন পি ...... এম এ হান্নান আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এর নাম বদলে পীর ওলি শাহ আমানত এর নামে রেখে গেসিল।


জামাত তো ভোটের সময় শুনতাম কইত তাদের ভোট দিলে বেহেস্তের চাবি পাওয়া যাইব...আর গেল সপ্তাহে শিবিরের কর্মি ধরতে উত্তরা অভিযান কালে পাওয়া গেল বেহেস্তের পাসপোর্ট নামক পুস্তিকা।তাও পুরাই বাংলাদেশের পাসপোর্টের অনুরুপে তৈরী!


আর আজ,
আওয়ামীলীগ সবার পিছনে থেকেও শেষ চেষ্টায় প্রথম হইতে যাইতেছে!ঢাকা বাসিকে আনন্দের জোয়ারে ভাসিয়ে জিয়া বিমান বন্দরের নাম আরেক পীর ওলী শাহ রাহমতোল্লাহার নামে নামকরন করিলো!


সকল প্রস্ততি শেষ!!!
এবার সেই শুভ ক্ষন!!!এক যোগে ঢাকা ও চট্রগ্রাম থেকে ২ টি বিমান উড্ডয়ন করিবে বাংলার ভাগ্যা আকাশে!ঠিকানা বেহেস্ত!দুই পীরের নামে নাম কৃত আন্তর্যাতিক বিমান বন্দর আর বেহেস্তের পাসপোর্ট লইয়া বাংলাদেশী গো বেহেস্তে পারি দিতে, দিতে, রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা কারী জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে আহবান করা হইতেছে!!!!!



ব্লগে সময় নষ্ট কইরেন না!!!জলদি করেন......ফ্লাইট মিস হইতে পারে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29098628 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29098628 2010-02-15 23:42:59
অবাক ভালোবাসাঃ তুমি এত ভীতু ছিলে কেন? কিছুক্ষন পর সেই অম্লান হাসি হেসে লাবন্য বলে উঠল,আমার মেয়ে। ঐদিন তো ঘুমিয়েছিল তাই ওর হাসি কান্না কোনটাই শুনাতে পারিনি।তাই আজ জেগে থাকতে কল দিলাম।
হঠাত গম্ভির।আবারো অভিমান গলায় নিয়ে বলে উঠল,তুমি এত ভীতু ছিলে কেন?

আমি সাধারনত ফোনে যাদের সাথে প্রয়োজনের বাইরে লম্বা আলাপ করি,তারা সবাই জানে অধিকাংশ সময় কথা আমিই বলি।কথা বলতে আমার ভালোই লাগে।কিন্তু এই একজন যার সাথে আমি শ্রোতা।

তাই স্মিত হাসি ছাড়া কিছুই বলার ছিলনা তার ঐ অভিমানের জবাবে।

দু এক মাস পর পর লাবন্যের ফোন পাই।ও এখন ইটালীতে আছে,গত ডিসেম্বর তার কোল আলো করে একটা মেয়ে এসেছে।আমাকে অবাক করে দিয়ে কি সারল্য ভরা গলায় বলতে থাকল,জানো মেয়েটা নাকি আমার মত হয়েছে সবাই বলে।
আমি যখন বললাম ওমা সেতো ভালো কথা!মায়ের সৌন্দর্য পাওয়া মেয়ের জন্যতো ভাগ্যের বিষয়।এক গাল হেসে বলে,জানো আমার মেয়ে আমার চেয়ে অনেক বেশি সুন্দর হয়েছে ।

এই এক ঘেয়েঁ জীবনে ওর এই অপ্রত্যাশিত কল অনেক বেশি ভালোলাগা হয়ে দাড়িয়েছে এখন।

এই তো বছর দেড়েক আগের কথা।হঠাত এক সন্ধ্যায় অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসল,রহস্য ভরা কথা।মুঠোফোনে অচেনা রমনীর সাথে কথা বলার চেয়ে ওর পরিচয় জানিতেই আমি বেশি তৎপর ছিলাম।কারন কোন এক অজানা কারনে খুব অস্বাভাবিক লাগছিল সব।দ্বিতীয় দিন যখন অনেক গুলি ক্লো দেয়ার পর,দৃঢ় গলায় বল্লাম...লাবন্য?
দুদিনের সকল উচ্ছলতা এক মুহুর্তে থেমে গেলো।
সব টুকু অভিমান গলায় তোলে,
- মনে আছে তাহলে নামটা?
- থাকবে না কেন!
- তবে আমাকেই কেন খুঁঝে বের করতে হলো।
- তুমি হারিয়ে গেছো,এটা বিশ্বাস করার তো কোন কারন ছিল না!
- কত না জায়গায় তোমার ফোন নাম্বার খুঁজেছি,তোমার স্যার,পুরাতন বন্ধু যাকে পেয়েছি সবার কাছে।কায়েশ,মানে আমার ছোট ভাইটা।মনে আছে ওর কথা?ওকে দিয়ে এখানে ওখানে খুঁজিয়েছি।
মাকে বলেছি আমি তোমার নাম্বর না পেলে ইটালী যাবো না।তোমার সাথে যে আমাকে দেখা করতেই হবে।


দীর্ঘ ৭ বছর পর অপ্রত্যাশিত ভাবে লাবন্য এ যা বলছিল আমার কাছে তখন ঘোর মনে হচ্ছিল।৭ বছর আগে সেই কৈশোরের ভালোলাগা,বন্ধুদের অনেকেই তা নিয়া মস্করা আর আড্ডার বিষয় বানাতো, সেইতো ছিল স্মৃতি!কোন দিন সাহস করে কিছুই বলা হয়নি।কারন আমি কারো সাথে বন্ধুত্ব করতে চেয়েছি আর সে না করেছে তেমনটি যে কখন হয়নি!বরং আমি চাওয়ার আগে আমার কাছেই ছেলে মেয়ে সবাই বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে।সেখানে এই মেয়েটি নিজেকে তো আড়াল করে রাখতই,আর যে কবার চোখ পরেছে তাতে ভেবছিলাম আমাকে পাশ কাটাতেই চাচ্ছে।তাই নিজের ঈগো আমাকে আর এগুতে দেয়নি।কিছু দিন পর স্বাভাবিক নিয়মেই হারিয়ে গেল সরকারী চাকুরে বাবার এই মেয়েটি।

-অবশেষে তোমার এক বন্ধুর কাছ থেকে নাম্বারটা জোগার করতে পারলাম।
-লাবন্য আমার কাছে তো সবই অবিশ্বাস্য লাগছে!
-লাগবেই তো,ভীতুদের কাছে এমনটা মাঝে মাঝে মনে হয়!পারতে না সেদিন এক বার সামনে দাঁড়াতে?একবার বলতে?
-ওমা তুমি কি সেই পরিবেশ দিয়েছো?সব সময় তো আমার উপর চটে আছো সেই ভাব করে থাকতে!
-তা না হয় থাকতাম,কিন্তু তোমাকেই যে ভালোবাসতাম বুঝলে না কেন!আমি তো জানতাম তোমার কথা!তাই তো এত দিন পরে হলেও খুঁজে বেড় করেছি...
যাকে প্রথম ভালোবেসেছি,তাকে একবার হলেও বলে যেতে চাই...ভালোবাসি...

যা জানা গেল,পারিবারিক বন্ধু ইটালিয়ান ছেলের সাথে তার বিয়ে হয়ে গেছে মাস খানেক আগে অনলাইনে।এখন ইটালী নিয়ে যাবার পালা।কোন ভাবেই খুঁজ পাওয়া যায়নি আমাকে তখন।কিন্তু দেশ ছাড়ার ঠিক আগ মুহুর্তে শেষ চেষ্টায় খুঁজে এই পাওয়া।

-প্লিজ আমার সাথে দেখা করো।
-হুম তা ত করবই।

কিন্তু আমি পারিনি।তার টানা ১ মাসের চলা কথপোকথন আমাকে আবারো ভীতু করে তুলেছিল।নতুন জীবনে নাম লিখিয়ে ফেলা লাবন্যকে তার নতুন জীবনে চলতে শুরুর আগে আমি চাইনি আর এলোমেলো করতে।তাই আমার সাথে না দেখা করেই আবারো অভিমান নিয়ে চলে যায় ইটালী।

এখন যখন কথা হয়,আর শুনি স্বামী আর নতুন সন্তান নিয়ে ভালো আছে,হাসতে পারছে সেই লাবন্য ঝরা হাসি খুব ভালো লাগে।
আগামী জুনে দেশে ফিরবে লাবন্য...
এবার আমি অপেক্ষাতে আছি,কবে আসবে......



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29096860 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29096860 2010-02-13 18:33:27
জয় চাই না......প্লিজ আমাকে ড্র করতে দাও.. কিন্তু এই ২৫ বছরের যাপিত জীবনে খুব অল্প সময়ের ব্যাবধানে অদ্ভুত একটা অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলাম দুইবার।
প্রথমবার নিজের স্বত্তার সাথে জেদের কনফ্লিকট।সেই যুদ্ধে জেদকে বিজয়ী হয়ে দেখে চমকে উঠলাম,কারন নিজের স্বত্তা,নিজের মুল্যবোধ গুলি মনে হচ্ছিল জেদের কাছে হেরে যাচ্ছে!তাই যদি হয় তবে বিজয়ের শেষ হাসি কি আর হাসা যেত?জেদেটাও যে অনেক অপন ছিল!!তাই অনেকটা সময় লেগেছে কাকে বিজয়ী দেখতে চাই সেটা স্থির করতেই।
জেদটাকে জয়ী করার মঞ্চ তৈরী করেও জয় মাল্য তাকে পরাতে পারিনি...
সে যাত্রায় হয়ত কোন ভাবে সার্ভাইভ করে গেছি।কিন্তু এবার????এবার তো স্বত্তা আর ভালোলাগার কনফ্লিকট!!!
এবারো যে এক সাথে দুটাই জয়ী হতে পারছে না!কাকে বেছে নেব বিজয় মঞ্চে???


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29093580 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29093580 2010-02-08 19:54:12
তোমার চোখ এতো লাল কেন?
তোমার চোখ এতো লাল কেন নির্মলেন্দু গুণ

আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে , আমি চাই
কেউ একজন আমার জন্য অপেক্ষা করুক,
শুধু ঘরের ভেতর থেকে দরোজা খুলে দেবার জন্য ।
বাইরে থেকে দরোজা খুলতে খুলতে আমি এখন ক্লান্ত ।

আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ আমাকে খেতে দিক । আমি হাতপাখা নিয়ে
কাউকে আমার পাশে বসে থাকতে বলছি না,
আমি জানি, এই ইলেকট্রিকের যুগ
নারীকে মুক্তি দিয়েছে স্বামী -সেবার দায় থেকে ।
আমি চাই কেউ একজন জিজ্ঞেস করুক :
আমার জল লাগবে কি না, নুন লাগবে কি না,
পাটশাক ভাজার সঙ্গে আরও একটা
তেলে ভাজা শুকনো মরিচ লাগবে কি না ।
এঁটো বাসন, গেঞ্জি-রুমাল আমি নিজেই ধুতে পারি ।

আমি বলছি না ভলোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ একজন ভিতর থেকে আমার ঘরের দরোজা
খুলে দিক । কেউ আমাকে কিছু খেতে বলুক ।
কাম-বাসনার সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে
জিজ্ঞেস করুক :'তোমার চোখ এতো লাল কেন ?


অসম্ভব প্রিয় কবিতাটি ফটোশপের নতুন পাওয়া কিছু ব্রাশের তুলিতে আঁকার চেষ্টা করছি...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29061240 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29061240 2009-12-18 19:58:35
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা কারো দানে পাওয়া নয়...(লিংক সহ আপডেট)


এক গানে এত সুন্দর করে বাংলার ইতিহাস এত হৃদয় গ্রাহী করে মনে হয় আর লিখা হয়নি...

Esnips link: ক্লিক


বিজয় দিবসের আনন্দ সেই দিন অনুভব করতে পারব পুর্নাঙ্গ ভাবে যেদিন...

এই দাবী পূরন হবে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29059450 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29059450 2009-12-15 19:58:19
৭১এ বোম্বের বালকেরা বাংলাদেশীদের জন্য বলেছিলঃ পালিশ করি জুতো মুছিয়ে দিতে ক্ষত (পর্ব-৩) সিকিম ও কাস্মিরের ভুখন্ড বড়দের বাট্টা হতে পারে কিন্তু রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ নয়- পর্ব ১
CIA এন্টি কম্যুনিজম মিশনঃবাংলাদেশে ধর্মিয় উগ্রতা বিস্তারে প্রথম বীজ (পর্ব-২)
১৯৬৫ সালের পাক ভারত যুদ্ধ,অখন্ড পাকিস্তানের অংশ হিসাবে সেই যুদ্ধে ভারত আমাদেরও প্রতিপক্ষ ছিল।পাকিস্তানের রাষ্ট্র যন্ত্র তথা সামরিক শক্তি সম্পুর্ন পশ্চিম পাকিস্তানের নেতৃত্বে চলছিল।সবচেয়ে অবাক হবার বিষয় সেই যুদ্ধ্বের সময়টাতে পুর্ব পাকিস্তান আর ভারতের সীমান্ত ছিল সম্পুর্ণ অরক্ষিত।পাকিস্তান সেনা বাহীনি কোন রকম নিরাপত্তা দান না করে সকল শক্তি পশ্চিম পাকিস্তান আর ভারতের সীমান্তে নিয়োজিত করে!কাস্মির নিয়ে সে যুদ্ধ্ব শুরু হলেও সেটি ছিল স্টেট ওয়ার।ভারত পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান অতিক্রম করে সে যুদ্ধে লিপ্ত হয় অগাস্টের ৫ তারিখ।পুর্বপাকিস্তানকে অরক্ষিত রেখে পুর্ব পাকিস্তান রাইফেলস কে পর্যন্ত সেই যুদ্ধে লাগানো হয়।সে সময় মাত্র ১৬ টি প্লেন ছিল পুর্ব পাকিস্তনানে,ছিলনা কোন ট্যাংক।যুদ্ধের এক পর্যায়ে পুর্ব পাকিস্তান বেইজ ক্যাম্প থেকে পাকিস্তানের যুদ্ধ বিমান উড্ডয়ন করে সেই যুদ্ধে ভারতের বিপক্ষে অংশ নেয়।অবশেষে সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে অমীমাংসিত অবস্থায় যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে হয়।বারবার আমাদের নিরাপত্তার কথা তখন উত্থাপন করা হলেও পশ্চিমারা ছিল নিরব।নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করলেও সেদিন তারা রম্য সুরে বলে ছিল "তোমাদের যদি তারা নিয়ে যায়,তবে আমরা দিল্লি দখল করে নেব"!!!!

সামরিক তথ্যের সুত্রঃ
ডন এর আর্কাইভ থেকে: Reflections on two military presidents

ডিফেন্স জার্নাল থেকেঃ The Pakistan Army(From 1965 to 1971

আজ ৬ ডিসেম্বর।
এই দিনটি এক দিক দিয়ে খুবই গুরুত্ব পুর্ণ,কারন দ্বিতীয় রাষ্ট্র ভারত আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দান করে।আর এর ফলে বিশ্বের অন্যকোন রাষ্ট্রের কাছে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন ছাড়া আর কোন পথ খোলা থাকে না।
১৯৭১ সালের মুক্তি যুদ্ধে ভারতের যে সাহায্য সেটি কি কেবল রাজনৈতিক সাহায্য ছিল?সেই সাহায্য কি কেবল ভারতের রাজনৈতিক শক্তির পক্ষ থেকে ছিল?এই প্রশ্নের জবাব জানাটা খুবই জরুরী বলে আমি মনে করি।
বোম্বে শহরের বালকেরা পাকিস্তানিদের সেই বর্বতায় ক্ষত বিক্ষত বাংলাদেশের ক্ষত মুছে দিতে রাস্তায় নামে,সারাদিন জুতা পালিশ করে যা উপার্জন করে সেই টাকা দান করে বাংলাদেশের সাহার্য্যার্থে!মানবতার জন্য এর চেয়ে উতকৃষ্ঠ উদাহারন আর কি হতে পারে?তারা সেদিন লিখে ছিল "We shine shoes to help heal the bruise"... "পালিশ করি জুতা মুছে দিতে ক্ষত"

ভারতের অনেক সংস্কৃতিকর্মীও মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আর্থিক সহায়তা করেছিলেন। তাদের মধ্যে পন্ডিত রবিশংকর, চিত্রনায়িকা ওয়াহিদা রহমান, চিত্রশিল্পী মকবুল ফিদা হুসেনের নাম উল্লেখযোগ্য। এখানে উলেখ্য কন্সার্ট ফর বাংলাদেশের অন্যতম উদ্যোগতা রবিশংকর ছিলেন।

অন্যদিকে বোম্বে থেকে ২০০২ সালের মুক্তি প্রাপ্ত "16th December" নামক মুভিতে,পাক-ভারত দ্বন্দের ফাঁকে স্পষ্ট বলা হয়েছে ৭১ এ পাকিস্তান ভারতের কাছে আত্মসমর্পন করেছে!!! আমি অবাক হয়েছিলাম সেই মুভির পর বাংলাদেশ থেকে কোন প্রতিবাদ করা হয়নি।



পাঞ্জাবের এক ভারতীয় বন্ধু ছিল যে বাংলাদেশকে ভারতের অংশ বলায় গত ৩ বছর আগে ম্যাসেঞ্জারে ঝগরার পর সকল সম্পর্ক ছিন্ন করি।আমি জানি এমন মন্তব্য করার মত ভারতীয় নাগরিকের হয়ত সংখ্যা কম হবে না।

কিন্তু মিত্র বাহীনির যারা কমান্ডার ছিল,সেই Sam Manekshaw,Jagjit Singh Aurora ও J F R jacob তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্পর্কে যে হৃদয় স্পর্শী বর্ননা তাদের লেখনিতে (কলাম,বই)দিয়েছেন,কোন ভিন দেশি মানুষ আমাদের গৌরবকে এভাবে উচ্চারিত করতে পারে ভাবতে অবাক হতে হয়।।তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে কোন ভাবেই ছোট করে দেখেন নি।তারা নিজেদের কৃতিত্ত্বকে কোথাও বড় করে দেখান নি।

এই সিরিজের সমাপ্তি এই পর্বে টানা সম্ভব হচ্ছে না।উপসংহার যা আগামী ও শেষ পর্বে টানব সেটির জন্য আরো কিছু কথা সংক্ষেপে সামনে আনা দরকার।
১)মুজিবকে ইসলাম বিরুধী বলে একটা প্রচারনা সবসময়েই ছিল।কিন্তু এই তথ্য গুলি জানা সকলের উচিত ,মুজিব বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে স্থান দিলেও OIC এর সদ্যস্য পদের জন্য আবেদন করেন ও সম্মেলনেও যোগ দান করেন।যদিও তার আমলে সদস্য পদ দেয়া হয়নি।মুজিবের শাসনামলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়।আর সবচেয়ে গুরুত্ব পুর্ণ একটা তথ্য হলো,৭৫ এর পুর্বে বাংলাদেশে মদের লাইসেন্স প্রদান করা হত না।

২)এই আধুনিক বিশ্বে আমার জানা মতে এমন নজির হয়ত নাই,যা ভারত বাংলাদেশি চ্যানেল তাদের ওখানে প্রচার নিশিদ্ধ্ব করে স্থাপন করেছে ।
৩)টিপাই মুখি বাঁধ নিয়ে বর্তমান সরকারের দায় সারা কথা ব্লগে অনেক আলোচনা করা হয়েছে,ভারত এই বাঁধ নির্মানকে ক্ষতিকর না ভাবলেও,যখন চীন ভারতের উজানে বাঁধ নির্মানের কথা তুলে প্রতিবাদে ফেটে পরে ভারত!!!!!(এই কথা গুলি এখানে তোলার একটাই উদ্দেশ্য,উপসংহার টানার সময় এ সবের বিবেচনার দরকার আছে)

৪)বিডিআর বিদ্রহের পর অনেকেই ভারতের দিকে আঙ্গুল তুলেছে,কিন্তু যে দিকটি খেয়াল করা দরকার সেই ৩ দিন বাংলাদেশের অরক্ষিত বর্ডারের পরেও বাংলাদেশের নিরাপত্তা কেবল রক্ষা পেয়েছে বি এস এফ এর বর্ডার সিল করে রাখার কারনেই।তা না হলে এ কদিনে যে অবৈধ্য পন্য,অস্ত্র,ড্রাগ প্রবেশ করত সেটি থেকে রক্ষা পেয়েছে বাংলাদেশ সেই বি এস এফ এর কল্যানে যার হাত আমার দেশের ভাইয়ের রক্তে লাল।


আশা করি আগামি পর্বে সমাপ্তি সুচক উপসং হার টানব, এই তিন পর্বের নানা পয়েন্টের উপর।আশা করি সাথে থাকবেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29054514 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29054514 2009-12-06 19:21:13
পরিচয় উন্মোচন ও ব্যানঃ রনি কলকাতা কি রিভার্স গেইম? (আপডেট-২) রনি কলকাতা কি সেটার নিউ ভার্সান??এই নিকটি ব্যাবহার করে যে মন্তব্য করা হয়েছে তা কোন ভাবেই মেনে নেয়া কোন আত্মমর্যাদাশীল জাতির জন্যই সম্ভব না।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী্র মর্যাদা থেকে শুরু করে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ত্ব নিয়ে টান দিয়েছে এই নিক!!!যার জন্য এই প্রতিবাদের ঝর সব খানে।
কিন্তু কে এই ব্লগার?গত ২মাস ২ সপ্তাহ ধরে ব্লগে থাকা এই ব্লাগার এই বিতর্কের পুর্বে পশ্চিম বঙ্গে চালু হওয়া একটি ব্লগ সাইট কফি হাউজের আড্ডার ভালোই প্রচারনা করে নিজেকে কলকাতার পুত্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেছে!!!কিন্তু তার আসল পরিচয় বের করা কি খুব কঠিন???
সাহোর নোটিশ বোর্ডের কাছে অনুরোধ,

১) এই ব্লগারের IP দেখে সেকি সত্যই কলকাতার নাকি এটা কোন রিভার্স গেইমের অংশ,যার মাধ্যমে ভারত বিদ্বেষ কে ব্লগে ছড়িয়ে কার্য্য সিদ্ধি করছে কেউ সেটি উন্মোচিত করা হওক। ২)অতপর ইহা যে দেশের ব্লাগারই হোওক তাকে ব্যান করা হোওক।


গত দু দিনে অসংখ্য পোস্ট,এমনকি ভারতের সাথে ব্লগীয় যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে!যাক প্রয়োজন হলে রক্তের দামে কেনা দেশের মান বাঁচাতে আবার রক্ত দিতে বাঙ্গালী পিছ পা হবে না,সেটি ভারত কেন যে কারো বিপক্ষেই।কিন্তু এভাবে ব্লগে যা হচ্ছে তার সমাপ্তি দরকার।যাতে ভবিষ্যতে এমন বাজে নজির না হয় তাই সাহোকে এই ঘটনার সচ্ছ একটা পদক্ষেপ নেয়ে উচিত।




আপডেটঃএই মুহুর্তে প্রথম পাতায় ৭ টি পোস্ট এই টপিক্স এ!!!যে কেউ সাহো তে এলে এটাকে কোন ব্লাগ ভাববে না!যেন যুদ্ধ ক্ষেত্র!! আম-ব্লগার সহ,সেলেব্রেটি ব্লগার দেরও গত ২ দিন ধরে এই যুদ্ধে দেখছি।কিন্তু চিল কি কান আসলেই নিল নাকি,আমাদের দিয়ে কেউ খেলাচ্ছে সেটি আগে যাচাই করে না হয় যুদ্ধ করি।সাহোর বিপক্ষে পুরাতন অপবাদ এরা বিতর্ক টিকিয়ে রাখে,এতে তাদের লাভ হয়।আমার মনে হয় এত দিনে সাহো একটা ব্র্যান্ড হয়ে দাড়িয়েছে।এই নিচু কৌশল এখন না প্রয়োগ করলেও সাহোতে পোস্ট ও হিট আসবে।


আপডেট-২ (৯:৪০ মিনিট) "রনি কলকাতার ব্লাগ স্থগিত করা হয়েছে।সেই সাথে প্রাপ্ত তথ্য মতে গত কয়েক মিনিটের মাঝে অনেকেই জেনারেল হয়েছে ফ্লাডিং এর জন্য" ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29053980 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29053980 2009-12-05 18:53:36
পাকিস্তানি সুন্দরি,মসজিদে বোমা ৪০ জন নিহত,নিজামি ৪৩ তম!!!!! ০৪/১২/২০০৯
পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে সেনা সদর দপ্তরের কাছে আজ শুক্রবার একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৪০ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। জুমার নামাজের উদ্দেশ্যে মুসল্লিরা মসজিদে সমবেত হওয়ার পরপরই এ হামলা চালানো হয়। সেনা মুখপাত্র মেজর জেনারেল আতাহার আব্বাস বলেন, জঙ্গিরা রাওয়ালপিন্ডির কাসেম মার্কেটের কাছে একটি মসজিদে হামলা চালায়। এটি ছিল জঙ্গিদের সংঘবদ্ধ হামলা। একাধিক জঙ্গি এ হামলায় অংশ নেয়। তারাই মসজিদের ভেতরে বোমা হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, হামলায় অন্তত ৩৫ ব্যক্তি মারা গেছে এবং ২০ জন আহত হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেহমান মালিক একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেন, জঙ্গিরা মুসল্লির ছদ্মবেশে মসজিদে প্রবেশ করে এ হামলা চালায়। তিনি এ হামলার জন্য তালেবানের সঙ্গে জড়িত বিদ্রোহীদের দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘দুজন আত্মঘাতী জঙ্গি বোমা হামলা চালিয়েছে। হামলায় মসজিদের ছাদ ধসে পড়ে। এতে ৩৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আরও অনেক লোক আহত হয়েছে।’ মালিক বলেন, সোয়াত ও ওয়াজিরিস্তানে সেনাবাহিনীর সফল অভিযানের প্রতিশোধ নিতেই জঙ্গিরা একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ হামলার স্থলটি ঘিরে রেখেছে। এ হামলায় জড়িত অন্য জঙ্গিদের গ্রেপ্তারে তাঁরা সেখানে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে। ---বিবিসি


নিউজঃ-২ The Royal Islamic Strategic Studies Centre কর্তৃক ,মৌলানা নিজামি সাহেব ৫০০ জন ইনফ্লোয়েন্সিয়াল মুসলিম লিডারের মাঝে ৪৩ তম,তিনার খবর আছে ৭৮ নম্বর পাতায় ও ১৮ নম্বর পাতায়। বইখানা পিডিএফ



উপরে সুন্দরি প্রতিযোগিতার প্রতিযোগি,নিউজ ১,নিউজ-২ এর মাঝে কোন মিল খুজে পান???]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29053605 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29053605 2009-12-04 23:46:48
CIA এন্টি কম্যুনিজম মিশনঃবাংলাদেশে ধর্মিয় উগ্রতা বিস্তারে প্রথম বীজ (পর্ব-২) সিকিম ও কাস্মিরের ভুখন্ড বড়দের বাট্টা হতে পারে কিন্তু রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ নয়- পর্ব ১


১৯৫১ সালে CIA বাংলাদেশে অর্থাৎ তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তানে শুরু করে এক এন্টি কম্যুনিজম মিশন।রেডিও,স্থির চিত্র,চলচ্চিত্র,সংবাদ মাধ্যম,বই-পুস্তক,পোস্টার,কার্টুন কে ব্যবহার করে ধীরে ধীরে টার্গেট গ্রুপ (ছাত্র,শ্রমিক,আর্মড ফোর্স, সহ সমাজের নানা স্তরে বিভিন্ন ক্লাব সহ আমজনতা)এর মাঝে কম্যুনিজমের বিপক্ষে প্রচারনা করে এর বিপক্ষে আরেকটি কাউন্টার মতবাদ চালু করার পরিকল্পনা করা হয়।আর মুসলিম অধ্যুসিত এই অঞ্চলে ইসলামকে প্রোমোট করে সেটিকে কম্যুনিজমের প্রতিপক্ষ হিসাবে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।এ ক্ষেত্রে ইসলামি নানা গ্রুপ ধর্মিয় নেতাদেরকে নিয়োগ করা হয়।সে সাথে বিদ্যমান ,প্রয়োজনে নতুন কোন পলিটিক্যাল পার্টি গঠন করে অপারেশন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকে তাতে।



অপারেশনাল থিম হিসাবে কম্যুনিজম ইসলামের শত্রু,এন্টি গড হিসাবে ও বিভিন্ন দেশে কি কি নেগেটিভ প্রভাব পড়েছে সেগুলিকে হাইলাইট করে কম্যুনিজমকে ধ্বংস করার সে এক বিশাল নীলনক্সা।
আদর্শিক ভাবেই মুজিব ও তার দল ছিল রাশিয়া ও ভারত পন্থী।ফলে ভারত ও রাশিয়া বিরোধী একটা প্রচারনা গোপনে ভালো ভাবেই ছড়াচ্ছিল বাঙ্গালীদের মাঝে।আর ঐতিহাসিক ভাবেই বাংলাদেশের মানুষ ধর্মিয় ভাবে সহনশীল,কিন্তু নিজেদের আদর্শিক শত্রু কম্যুনিজমের ধংস আনার জন্য মার্কিনীরা এদেশে উগ্র ইসলামী চেতনার বীজ রাষ্ট্রের ভিতরে প্রথিত করার সকল ব্যবস্থা করে।একটি রাষ্ট্রে ভিতর কোন মতবাদ হুট করে ঢুকিয়ে দেয়া যায় না,জাতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে কিভাবে কোন ধারনাকে ছড়িয়ে দেয়া যায় তার সকল ব্যবস্থাই এই পরিকল্পনাতে ছিল।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম বাঙ্গালীর স্বাধিকার আন্দোলনের একটি চুড়ান্ত ধাপ,কিন্তু সেটির পার্শ্ব পটভুমিতে পাক-ভারত দ্বন্দ ছিল।আর সেই পার্শ্ব কারনে ভারত আমাদের সহায়তা করেছে।সে সাহায্যের মুল উদ্দেশ্যই ছিল পাকিস্তানকে দুর্বল করা।কিন্তু সেটি কি আমাদের জন্য মুখ্য ছিল?শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু।
১৯৭২ সালে কর্নেল তাহের শেখ মুজিবের কাছে একটি পদত্যাগ পত্র দেয়।সেটি আমার কাছে মনে হয় খুবই গুরুত্ব পুর্ণ।সেই পদত্যাগ পত্রে তাহের আক্ষেপ ও অভিযোগ করে ডিসেম্বরে মিত্র বাহিনীর গঠনের বিপক্ষে তার অবস্থান ব্যক্ত করেন।তার ধারনা মতে মুক্তিযোদ্ধারা যখন বিজয়ের সকল আয়োজন সমাপ্ত করে তখন এই চুক্তি আমাদের গৌরবকে মলিন করেছে।আমার ব্যক্তি গত মত এই অভিযোগ তার মত লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার ভিতরে সুপ্ত থাকাটা এক হিসাবে খুবই স্বাভাবিক।কারন এই মিত্র বাহিনী গঠনের ফলে সাড়ে ৮ মাসের প্রতিরোধ অনেকটাই আড়ালে পরে যায়,আর ভারতের কৃতিত্ব নানা মাধ্যমে প্রাধান্য পায়।যে মুক্তিযোদ্ধার কোলে তার সহযোগি যুদ্ধে শহীদ হয়েছে তাদের কাছে এটা মেনে না নেয়াটা প্রাকৃতিক ভাবেই স্বাভাবিক ও আবেগের বিষয়।কিন্তু জাতিসংঘে ভুট্টোর যে অপতৎপরতা ছিল,আর সেটি মোকাবাল করতে করতে রাশিয়ার উৎকন্ঠা বাড়তে থাকে।সেই পটভুমিতে এই যুদ্ধকে আরো দীর্ঘায়িত করাটা আমাদের মুল আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা লাভকে হুমকির দিকে ঠেলে দিচ্ছিল।তাই এই যুদ্ধের দ্রুত একটি পরিনতি টানা বাধ্যতামুলক ছিল।কিন্তু অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের আবেগের কাছে হয়ত এই বাস্তব সত্যটি ধরা দেয়নি।


ঢাকায় মার্কিন কনসু্লেটে CIA যে তার বার্তা পাঠায় সেটি পাবেনঃপিয়াল ভাইয়ের ব্লগ
CIA এর সকল ডিসক্লোজড ডকু পেতে:ক্লিক


এই ২ পর্বের মাঝে হয়ত অনেকেই মিল খুঁজে পাবেন না!আশা করি আগামী পর্বে অর্থাৎ শেষ পর্বে সমন্বয়টা পাবেন। আর বাংলাদেশের রাজনীতিতে,আমা্র আপনার মাঝে যে রাজনৈতিক চেতনা যা আজ অবিশ্বাস আর সম্পুর্ন বৈপরীত্যে ভরা,তার সাথে যোগ সুত্র স্থাপনের চেষ্টা করব।আশা করি সাথে থাকবেন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29053022 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29053022 2009-12-03 19:43:36
সিকিম ও কাস্মিরের ভুখন্ড বড়দের বাট্টা হতে পারে কিন্তু রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ নয়- পর্ব ১
হিমালয় অধ্যুষিত এই অঞ্ছলটি কখনই নিরাপদে ছিল না।ইতিহাস ঘেটে যা জানা যায় ১৭০০ সালে এই ছোট্ট ভুখন্ডটি দখলে নিয়ে যায় ভুটান!]!!!!এই ভুটানীদের বিতারিত করে তীব্বতিয়ানরা ১৭১০ এর দিকে।১৭৩৩ সাল নাগাদ এই সিকিম অসংখ্য বার পুর্ব দিকে ভুটান কর্তৃক ও পশ্চিম দিকে নেপাল কর্তৃক আক্রমনের স্বীকার হয়,এমনকি নেপালীরা এর রাজধানী পর্যন্ত ধ্বংস করে এর মাঝেই।

বৃটিশদের আগমনের পর ১৮৯০ এ সিকিম বৃটিশ প্রটেক্টোরিয়েট (উপযুক্ত পরিভাষা জানা নেই) অঞ্চল হিসাবে গন্য হয়।
১৯৪৭ এ বৃটিশদের প্রস্থানের সময় এক পপুলার ভোটে সিকিমবাসী ভারতের অন্তরভুক্ত হতে অনাস্থা জানায়।ফলে এটি ভারতের একটি প্রটেক্টোরিয়েট দেশ হয়।এখানে উল্লেখ্য স্বাধিন সার্বভৌমত্ত্ব (sovereignty) আর suzerainty ক্লিক এর মাঝে অনেক পার্থক্য আছে।Suzerian রাষ্ট্রের নিরাপত্তা দান করে প্রতিবেশি কোন অধিকতর শক্তিধর রাষ্ট্র,তারাই বন্ধুপতিম কম শক্তিধর রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি সহ বৈদেশিক সকল দিক নিয়ন্ত্রন করে থাকে।অল্প কথায় স্বাধিনতার এক বনসাই রুপ এটি। এই রকম অঞ্ছল/দেশের সংখ্যা বিরল নয়।গত ২০০ বছরের ইতিহাসে পৃথিবিতে এমন শ'খানেক উদাহরন আছে।আমাদের এই দক্ষিন পুর্ব এশিয়াতেই প্রটেক্টোরিয়েট এর উদাহরনঃ
* Afghanistan (1879-1919)
* Sikkim (1910-1975)
* Bhutan (1910-1947)
* British North Borneo (1888-1946)
* Brunei (1888-1984)
* Federation of Malaya (1948-1957)
* Maldives (1887-1965)
* Sarawak (1888-1946)

সেই হিসাবে সিকিমের সীমানা রক্ষা সহ নিরপত্তা ও বৈদেশিক সকল নীতি ও চুক্তি নিয়ন্ত্রনের ভার শুরু থেকেই পায় ভারত।১৯৫৫ সালে রাজতন্ত্রের অধিনে স্টেট কাউন্সিল সাংবাধানিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে।এর মাঝে সিকিমের ভিতর রাজতন্ত্র বিরুধী অন্দলন তীব্র হতে থাকে।অভিযোগ আছে সিকিমে নিজের পুর্ণ নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠার জন্য ভারত এই আন্দোলনে রসদ দিচ্ছিলো।অভিযোগ সত্য মিথ্যা যাই হোওক দৃশ্যত রাজতন্ত্রের জনপ্রিয়তা শূন্যের কোঠায় উঠলে ও ১৯৭৩ এ রাজতন্ত্র বিরুধী রায়টের পর সরকার প্রধানের অনুরুধে ভারতের পার্লামেন্ট সিকিমের পুর্ন নিয়ন্ত্রনের সিদ্ধান্ত নেয় এপ্রিলের ৬ তারিখ ১৯৭৫ সালে।এ দখলের কৌশলটি বিশেষ ভাবে লক্ষনীয়,যেহেতু সিকিম প্রধানমন্ত্রীর (অনেকেই তাকে সিকিমের মিরজাফর বলে) অনুরুধে ও সার্বিক নিরাপত্তা আগে থেকেই ভারতের অধীন ছিল তাই কেবল রাজ প্রাসাদের রাজার রক্ষীদের নিরস্ত্রকরনের মাধ্যমেই পুরু সিকিম ভারতের নিয়ন্ত্রনে আসে।তার পর নিয়ম রক্ষার রেফারেন্ডাম আর তাতে ৯৭ ভাগ ভোট পরে ভারতের সাথে একীভুত হবার জন্য।

সিকিম ভারতের প্রদেশ হিসাবে অফিসিয়ালি স্বীকৃতি ১৯৭৫ এর ১৬ মে পেলেও চীন সেটিকে ভারতের অংশ বলে মেনে নেয় ২০০৩ সালে!!!কাহীনির মজা এখানেই।চীন ভারত সম্পর্ক নানা কারনেই বৈরী,কিন্তু এর মাঝেও নিজের ভাগের মাংস হালাল করার জন্য একে অপরের সমর্থক!চীন এই শর্তে সিকিমকে ভারতের অংশ হিসাবে মেনে নেয়,যাতে ভারত তীব্বতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সমর্থক না হয়ে একে চীনের অংশ হিসাবেই বিবেচনা করে!
লাল অংশটি পাকিস্তান চীনকে উপহার দিয়েছে!

এদিকে
১৯৬৩ সালে সিনো-পাক চুক্তির মাধ্যমে যে কাস্মির নিয়ে পাক-ভারত আজো উত্তপ্ত সেই কাস্মিরের ১২০০০ বর্গ কিমি চেয়েও বেশি চীনকে উপহার হিসাবে দান করে দেয় পাকিস্তান!!!!!!!!!!!এমনকি কাস্মিরের সেই বিশাল ভুখন্ডের মানুষের মতামত নেয়ার প্রয়োজনো অনুভব করেনি পাকিস্তান!বর্তমান বাংলাদেশের পাকিস্তান প্রেমি অংশও তখন ছিল পুর্ন নিরব!!দৃশ্যত এর বিনীময়ে পাকিস্তান কোন ভুখন্ড লাভ করেনি,শুধু বন্ধু রাষ্ট্র চীনের সাথে সম্পর্কের ভীত মজবুত করা ছাড়া।কিন্তু মার্কীন গোয়েন্দাদের রিপোর্টে বলে চীনের সাহায্যে পাকিস্তানের পারমানবিক প্রকল্পের সুচনা সেই সময় থেকেই!!!

মুলত ভারত,চীন,পাকিস্তানের দন্দ্বে বাট্টা হিসাবেই ব্যবহৃত হয়েছে সিকিম ও কাস্মির।যেন নিজেদের ভাগ মিলাতে ওই অঞ্ছলের মানুষের স্বাধীনতা, মাংস বন্টনের মত বাট্টা হিসাবে এ থালা ও থালা করেছে।


এই পর্বে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আনার আগেই পোস্টের দৈর্ঘ্য ভাবিয়ে তুলেছে...... পরের পর্বে এর সাথে যুক্ত হবে বাংলাদেশ,১৯৫১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে শুরু হওয়া CIA এর আন্টি কম্যুনিজম মিশন,ভারতের গোলামী/বিদ্বেষ,বাঙ্গালীদের ভিতর উগ্র ধর্মিয় বীজ রোপন ও সিকিম ভিতি!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29052028 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29052028 2009-12-01 18:43:33
বাবরি মসজিদঃমানুষের প্রান যেখানে ধর্মকে টিকিয়ে রাখে!(লিবারহাম রিপোর্ট ও ঘটনা প্রবাহ)
বিতর্ক শুরু যেভাবেঃ
মোঘল সম্রাট বাবরের শাসনামলে(১৪৮৩-১৫৫১) অনেক হিন্দু মন্দির ভেঙ্গে সেখানে মসজিদ নির্মান হয় বলে অভিযোগ আছে।প্রচারিত যে বাবরি মসজিদ যা পুর্বে মসজিদ ই জন্মস্থান বলে পরিচিত ছিল সেটি নির্মান করা হয় রামমন্দির ভেঙ্গে। বৃটিশ শাসনালে এই বিতর্কিত স্থানটি উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয় ১৯৩৬ সালে।ভারত স্বাধিনতা লাভের পর থেকেই আবার হিন্দুবাদী নানা গ্রুপ সংঘটিত হতে থাকে।
*১৯৮৪ রামমন্দির গড়তে প্রচার শুরু করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।
* ১৯৮৬ সালের ১ ফেব্র“য়ারি মসজিদ চত্বরের তালা খুলে বিতর্কিত স্থলে পূজার অনুমতি দেয়া হয়।
* ১৯৮৬ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে বাবরি মসজিদ একশন কমিটি গড়ার উদ্যোগ নেয়া হয়।
* ১৯৮৯ সালের ১৪ আগস্ট, বিতর্কিত স্থলে স্থিতাবস্থা রাখার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।
*১৯৮৯ সালের অক্টোবর-নভেম্বর, অযোধ্যায় ’রাম শিলা’ আনা শুরু করে উগ্রপন্থি হিন্দু মৌলবাদী সদস্যরা।৯ নভেম্বর রামমন্দিরের শিলান্যাস করে তারা।
* ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ওই চত্বরে করসেবা শুরু করে তারা। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বিজেপি নেতা আদভাণী রথযাত্রা শুরু করেন। অক্টোবর-নভেম্বর মসজিদের চূড়ায় উঠে উগ্র হিন্দু কর্মীরা গেরুয়া পতাকা টাঙিয়ে দেয়। এ নিয়ে স্থানে স্থানে সংঘর্ষ, মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
*১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়।
*একই বছর ১৬ ডিসেম্বর একটি কমিশন গঠিত হয়।কমিশনের এক মাত্র সদস্য বিচারপতি লিবারহামের নামে এটি লিবারহাম কমিশন নামে পরিচিত।
*এর পরেই শুরু হয় হিন্দু মুসলিম জাতিগত দাঙ্গা।হাজার হাজার মানুষ প্রান দেয়!আর বেচে থাকে ধর্ম!!!!!যার ছুয়া বাংলাদেশ,পাকিস্তানেও পরে।
*৪৮ বার সময় বাড়িয়ে অবশেষে ৩০ জুন ২০০৯ লিবারহাম রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।আর সর্বশেষ খবর এটি রাজ্যসভায় উত্থাপনকালে ২৪ নভেম্বর তারিখ হাতাহাতি পর্জন্ত হয়ে গেল অধিবেশনে!
*লিবারহান কমিশন প্রণীত এই রিপোর্টে বিজেপি প্রধান অটল বিহারি বাজপেয়ি ছাড়াও ১৯৯২ সালে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে শীর্ষ নেতা এল কে আদভানি এবং মুরলি মনোহর জোশিকে।


সার সংক্ষেপে এটাই বলতে চাই,রাম মন্দির ভেঙ্গে সেটি করার পক্ষে অনেক যুক্তি আছে,হয়ত সেই ভাঙ্গার ছবি আমাদের কাছে নাই।কিন্তু এটি হলফ করে বলা যায় সেটি হয়ে থাকলে তা এই ছবি গুলির মতই বর্বর ছিল।
ধর্ম আমাদের শান্তির কথা বলে,যদি তাই হয় তবে এই বিদ্বেশের সমাপ্তি চাই।কারন কাওকে জোর করে ধর্মের দিকে আনা যায় না,জোর করে করা যায় না ধর্মের প্রসার।ভুলটি যখনই হোওক,সংশোধনটি এখনি করতে হবে।তাতে এক পক্ষকে ছাড় দিতেই হবে।এর বিকপ্ল নেই।
আমরা একটি শান্তি পুর্ন পৃথিবি চাই।ধর্মের নামে অধর্ম নয়।

লিবারহাম রিপোর্টের জন্য ক্লিক করুনঃ পি ডি এফ



ভিডিও চিত্রে সেই দৃশ্য]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29050192 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29050192 2009-11-26 21:51:42
মিশন তিন বিঘাঃ অনুভব করে আসুন স্বাধীনতাকে (ভ্রমন কাহীনি ও ছবি ব্লগ)
দহগ্রামের মানচিত্র
ভারতীয় ভুখন্ডে বাংলাদেশের যে কটি ছিটমহল আছে তার মাঝে সর্ব বৃহত দহগ্রাম।এটি লালমনির হাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার একটি ইউনিয়ন।এর আয়তন ২২.৬৮ বর্গ কিমি।আর জনসংখ্যা ২০০৫ এর হিসাব অনুসারে ১৪৬৬৪ জন।বাংলাদেশের মুল ভুখন্ডের সাথে এই ছিটমহলের সংযোগ তিন বিঘা করিডোর দিয়ে।পাটগ্রাম থেকে ভ্যান দিয়ে ১৮ কিমি পথ পাড়ি দিয়ে তিন বিঘার সামনে আসতেই পথ থামায় বিডিআর নিজেদের পরিচয় দেই।
তিন বিঘা করিডোরে ছবি তুলা নিষেধ।সর্বত্র সাইবোর্ডে বাংলায় "ছবি তুলা নিষেধ" হিন্দিতে "ফটু খিচনা বর্জিত হে" ইংরিজিতে "ডোন্ট টেইক পিচার" দেখে বিডি আর জোওয়ান্দের বিকল্প কি করা যায় তা জানিতে চাই,উনারা আমাদের নিরাপদ দুরত্বে থেকে কিভাবে ছবি নেয়া যায় তার ব্যাপারে আন্তরিক ভাবেই সহযোগীতা করল। মুল বাংলাদেশ ভুখন্ডে করিডোরের সামনে বসে ফটো সেশন করে অতক্রম করলাম বর্ডার।চার পাশে কাটা তারের বেড়া।ডানে ও বায়ে বি এস এফ জোয়ান দের সতর্ক পাহারা।১৭৮ মিটার/৫৬০ ফুটের মত লম্বা করিডোর পেরিয়ে আবার প্রবেশ করলাম আরেকটি বাংলাদেশে!দগ্রাম ছিটমহলে।্সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা এই করিডোর খুলা থাকে।

রাস্তা ঘাটা পাকা,ভিতরে পাকা রাস্তার পরিমান ১০ কিমি।ছিটমহলের ভিতরে ভ্যানে করে ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম সব কিছু।এমন বাড়ীও আছে যার অর্ধেক বাংলাদেশের বাকীটা ভারতের!দহগ্রামের ভিতর দিয়ে বয়ে গেছে ২ টা নদী তিস্তা ও সাকেরা!!!হেঁটে হেঁটে চলে গেলাম ইউনিয়নের শেষ গ্রাম আঙ্গরপোতা জিরো পয়েন্টে।সেখান থেকে কয়েক গজ দুরেই ভারতীয়দের বসতবাড়ী।বিনা বাধায় আমরা সেসকল বাড়িতে গেলাম,কথা হলো তাদের সাথে।বাংলা ভাষাভাষি।মুল গেইটে যে কড়া কড়ি দেখলাম তার কিছুই বুঝা গেলনা ভিতরে।যাক তাদের সাথে কিছু ছবি তুলে চলে এলাম ছিটমহলের ভিতরকার বিডি আর ক্যাম্পে।কথা বললাম জোয়ানদের সাথে।এই ছিটমহলের নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৭০ জন জোয়ান নিয়োজিত।তাদের ভাষ্যমতে এই ছিটমহলের কেউ এখন পর্যন্ত বি এস এফ এর নির্মম গুলিতে প্রাণ হারায়নি।সেই সাথে সেনাবাহীনির উপর তাদের ক্ষোভ সেটিও পরিস্কার ভাবে আমাদের বুঝি দিল।আমরা যখন বললাম আমরা কতটা গর্ব করি তাদের জন্য,শুনে হেসে বলল,পেটে ভাত থাকে না এই গর্ব দিয়ে কি করব!!!সেখানে কিছুটা পানি জল খেয়ে আবার ঘুরা শুরু করলাম।যেখানেই তাকাই দিগন্ত জোরা ধান ক্ষেত এত উর্বর ফসলি জমি খুব কম দেখেছি।

এখানে আজো বিদ্যুত যায় নি।কিন্তু অবাক হই মোবাইল নেটওয়ার্ক দেখে!গুরুত্ত্বপুর্ণ স্থাপনা গুলিতে সৌর বিদ্যুত ব্যবস্থা দেখা গেল।আছে ১৫ টা মসজিদ আর একটি মন্দির।২ টি বাজার বা হাটও আছে।এরকম একটিতে বসে চা আর বিস্কুট খেয়ে কিছুটা বিশ্রাম নিলাম।খুব ভালো খাবারের ব্যবস্থা পাবেন না সেখানে।তার পাশেই দহগ্রাম উচ্চামাধ্যমিক বিদ্যালয়।অবাক করার মত আধুনিক স্থাপনা।১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের নব নির্মিত ভবনটি উল্লেখ করার মত।আছে একটি পোস্ট অফিস।মজা করে তা থেকে পোস্ট করলাম বেয়ারিং চিঠি পরিচিতদের উদ্দেশ্যে।তার পাশে উনিয়ন পরিষদের ভবন।সেখানে কথা হয় স্কুলের নবম শ্রেনীর এক ছাত্রের সাথে।আমাদের অবাক করে দিয়ে সে তার ইতিহাস সচেতনতা বুঝিয়ে দিল। ইন্দিরা মুজিব চুক্তি থেকে শুরু করে ৯২ এর চুক্তি সব বিষয়ে তার মতামত তুলে ধরল।জানালো সেখানকার নানা অভাব অভিযোগের কথা।জানালো কি করুন জীবন কাটিয়েছে তার পুর্ব পুরুষেরা যখন তিন বিঘা না থাকায় ১৯৪৭ থেকে ৯২ তারা আবদ্ধ ছিল ।জানালো আজ যখন ১২ ঘন্টার মুক্ত জীবন পেয়েছে তার পরেও কত সমসযায় জর্জরিত এই জন পদ।এক মাত্র যে সাস্থ্য কেন্দ্র আছে তাতেও নেই ডাক্তার।সন্ধ্যার পর কেউ অসুস্থ হলে তাকে মুল ভুখন্ডে নেয়া যায় না ইত্যাদি ইত্যাদি।ভিতররের বাকীটা ঘুরে ঘুরে দেখলাম,বুঝার চেষ্টা করলাম জীবনটাকে।মানুষগুলি খুব ভদ্র ও আন্তরিক বলেই মনে হল।সেখানে ১ রাত থেকে তাদের আতিথিয়তা গ্রহনের জন্যেও বলল।

সব শেষে আবারো পায়ে হেটে বেড় হলাম করিডোর দিয়ে।পাটগ্রামে এক ভদ্রলোক বলেছিলেন "ছিটমহল দেখার চেয়ে অনুভবের বিষয়" ।
সত্যি এই করিডোর দিয়ে হাটার সময় সেটি টের পেলাম।২ টি দেশ কিভাবে সীমানা দিয়ে বিভক্ত হয়,এক ইঞ্চি জমি কতটা মুল্যবান,আর পরাধিনতা কতটা যন্ত্রনা দায়ক,আর মুক্তি কতটা উচ্ছাসের আর আনন্দের।তার সব কিছুর একটা ককটেল হলো এই করিডোর।

যারা যেতে চানঃ

ঢাকা থেকে বাসে করে পাটগ্রাম যেতে হবে।শ্যমলী,গাবতলী থেকে অসংখ্য বাস আছে।৩৫০ টাকা পরবে ভাড়া।হানিফ,বাবলু,খালেক এন্টারপ্রাইজ,ডিআর এন্টারপ্রাইজ,শাহ আলী, লালমনি এক্সপ্রেস, এস আর ট্রাভেলস এর বাস পাবেন।সময় লাগে ৯/১০ ঘন্টা। ট্রেনে গেলে লালমনির হাট নামতে হবে।তার পর বাকী ৯৩ কিমি বাসে করে যেতে হবে। পাটগ্রাম থেকে ভ্যানে করে তিন বিঘা যেতে হবে,খরচ জন প্রতি ৩০ টাকা।প্রতি ভ্যান রিজার্ভ ২০০ টাকা।সময় লাগে দেড় ঘন্টা করে। পাটগ্রামে থাকা ও খাওয়ার সু ব্যবস্থা আছে।যারা ছিটমহলের ভিতর থাকতে চান তারা খাবার সাথে নিয়ে গেলে ভালো।খাবারের মান ভালো,দামে কম।

সময় করে ঘুরে আসুন,অন্য রকম এক অভিজ্ঞতা পাবেন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29044532 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29044532 2009-11-16 20:24:06
অপেক্ষার ১৯ নভেম্বরঃমুজিব বাংলাদেশের মানচিত্র বদলে দিছে তাকে হত্যার বিকল্প ছিল না! প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা
২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত হইবে

(ক) ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা-ঘোষণার অব্যবহিত পূর্বে যে সকল এলাকা লইয়া পূর্ব পাকিস্তান গঠিত ছিল এবং সংবিধান (তৃতীয় সংশোধন) আইন, ১৯৭৪-এ অন্তর্ভুক্ত এলাকা বলিয়া উল্লিখিত এলাকা, কিন্তু উক্ত আইনে বহির্ভূত এলাকা বলিয়া উল্লিখিত এলাকা তদ্‌বহির্ভূত; এবং

(খ) যে সকল এলাকা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের সীমানাভুক্ত হইতে পারে ।

মুলত মুজিব ইন্দিরা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচ্ছিন্ন একটি ছিটমহল বেরুবারীর দক্ষিন অংশ ভারতকে দিয়ে দেয়া হয়,তার বিনিময়ে চুক্তি অনুসারে ভারত বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডোর নামক একটি ভারতীয় ভুখন্ড বাংলাদেশকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দিতে সম্মত হয়।যার মাধ্যমে প্রায় ২২.৬৮ বর্গ কিমির বাংলাদেশের বৃহত্তম ছিটমহল দহগ্রামের সাথে মুল ভুখন্ড বর্তমানে যুক্ত।

এর ফলে বাংলাদেশের সীমানায় পরিবর্তন আসে,আজো এর জন্য ক্ষুব্ধ ডেশ প্রেমি জনতা!!!!

মুল কথায় আসি।গত ১২ নভেম্বর বাংলাদেশের বৃহত্তম এই ছিটমহল দেখা জন্য যাত্রা করি।তার ঠিক আগ মুহুর্তে সন্ধ্যায় বাংলা ভিশনে একটি টক শো হচ্ছিল,আর কাকতালীয় ভাবে এই বিষয়টি সেখানে আসে।নির্ধারিত গাড়ি ধরতে বিলম্ব হবে জেনেও আলোচনা না দেখে উঠতে পারছিলাম না।উপস্থাপিকা সুরঞ্জিত সেন গুপ্তকে ঘায়েল করার সুরে প্রশ্ন করল "আপনি সামরিক সরকারের কাটা ছেড়ার কথা বলছেন,কিন্তু মুজিব তো ৩য় সংশোধনি দিয়ে দেশের মানচিত্রই বদলে দিল,তাকে কি বলবেন?"
জবাব কি ছিল শুনতে পারিনি,কারন বিরতি শুরু হয় আর আমার গাড়ি ধরতে বেড় হতে হয়।

বুদ্ধি হবার পর থেকেই মুজিব দেশ বিক্রি করে দিতে চেয়েছিল এই টাইপ কথা শুনে আছি।আর মুজিব বিরুধীরা সব সময় এই বিষয়টি নানা ভাবে হাইলাইট করে।

ঘুরে এলাম ছিটমল,আর তিন বিঘা করিডোর।কথা বললাম সেখানকার মানুষের সাথে,বিডিআর বি এস এফ এর সাথে।(পুর্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে পরের পোস্ট দিব)

বর্তমানে সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা এই ১২ ঘন্টা টানা করিডোর খুলা থাকে।কিন্তু ১৯৪৭ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত (৭৪ এর পর এক ভারতীয় সুপ্রীম কোর্টের এক মামলায় ্তিন বিঘা করিডোর বাস্তবায়ন হয়নি) সম্পুর্ণ আবদ্ধ ছিল এই দহগ্রাম,যার বর্তমান জনসখ্যা ১৫ হাজার!!দহগ্রামের ক্লাস নাইনের এক ছাত্র এভাবে বলছিল "আজো সন্ধ্যার পর যদি কেউ অসুস্থ হয় তাকে মুল ভুখন্ডে নিতে পারি না,বিডি আর ,বি এস এফ এর অনুমতি জোগাড় করতে ৩/৪ ঘন্টা লেগে যায়,আর তাতে রোগীকে বাচানো যায় না"
১২ ঘন্টা খুলা থাকার পরেও বাংলাদেশের এই সকল নাগরিক এই নুন্যতম সুযোগটি পায় না।এখন ভাবুন যখন সম্পুর্ণ আবদ্ধ ছিল,কি ছিল তাদের জীবন যাত্রার মান।

যে বেরুবারীর আংশিক এর বিনিময়ে এই করিডোর সেটি আজো বাংলাদেশের সাথে বিচ্ছিন্ন।সেটির কিছু অংশের বিনিময়ে আজ এই বিশাল ছিট মহলটি মুল ভুখন্ডের সাথে যুক্ত হতে পারল।
আর এটি নিয়ে মায়া কান্না,আর বিদ্বেষ ছড়ানো।এটা কি দেশ প্রেম না নোংরা রাজনৈতিক খেলা???

১৯ নভেম্বর মুজিব হত্যার চুড়ান্ত রায়,অধির আগ্রহে অপেক্ষায় আছি যার।কিন্তু এর মাঝেই আজ এক জনকে বলতে শুনলাম যে মুজিব মানচিত্র পাল্টালো তাকে হত্যার বিকল্প ছিল না!আবারো থমকে গেলাম।জানিনা এই লেখা তার চোখে পড়বে কিনা!



বিদ্রঃ উপরের ছবিটি তিন বিঘা করিডোরের সামনে তুলা,যার কিছু সময় পরে হেটে যাই করিডোর দিয়ে দহগ্রামের ভিতর
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29044037 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29044037 2009-11-15 22:02:32
CIA released ডকুমেন্ট আর্কাইভ ১৯৪৪ থেকে ২০০৭
১৯৪৭ এর সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠা পায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা CIA(Central Intelligence Agency) ।যার প্রাথমিক কাজ হলো বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্র ,সংস্থা এমনকি ব্যাক্তি বিশেষের উপর নজরদারি ও তাদের সমন্ধে তথ্য সংগ্রাহ ও সেই অনুসারে পলিসি ম্যাকারদের রিপোর্ট করা।অত্যন্ত গোপনিয়তার মাঝে দিয়ে সেই কাজটি সম্পন্ন করে সংস্থাটি।বিশ্ব জুড়ে বিখ্যাত ব্যাক্তিদের হত্যা,হত্যার চেষ্টা সহ এহন কোন কাজ নেই যাকে ঘিরে এই সংস্থার সম্পর্কে অভিযোগের শেষ নেই।সাম্প্রাতিক ইরাক যুদ্ধ তার অন্যতম উদাহরন।যাক এই পোস্টের উদ্দেশ্য হলো সেই সকল রিপোর্ট যার ভিত্তিতে USA তার পলিসি তৈরি করে তা নিয়ে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও তার পুর্ব ও পরবর্তি নানা তথ্য পাওয়া যায় এসকল রিপোর্ট থেকে।



নিচের লিংকে রিলিসড তারিখ অনুসারে CIA এর রিপোর্ট গুলি আছে।
প্রতিটি রিপোর্ট দুই ভাবে আছে,প্রথমে মুল রিপোর্ট খানা টেক্সট ফরমেট এ html এ পাবেন,এর ঠিক নিচে Original document নামক আরেকটি লিংক পাবেন যাতে স্কেন করা রিপোর্টটি দেখতে পারবেন।
সার্চ অপশনটিতে আপনি CIA report এর পর সাল ও যে দেশের ব্যাপারে খুজছেন তার নাম লিখে দিলে সহজেই পেতে পারেন কাংখিত রিপোর্টটি।

অনেক খুজেছি এত দিন এই রিপোর্ট গুলি,আগে এলোমেলো ভাবে কিছু রিপোর্ট পেলেও পুর্নাঙ্গ ভাবে পাই নি।তাই হঠাত একটি সাইটে সব গুলি এক সাথে পাওয়ায় শেয়ার করলাম।
CIA REPORT ARCHIVE
CIA Official Site ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29037198 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29037198 2009-11-03 22:01:23
বিদ্রোহ ১৯৭৭'বাংলাদেশ: অবশেষে একটা স্থির চিত্র পেলাম! ২ অক্টোবর ১৯৭৭,পুরাতন তেজগাঁও বিমান বন্দর,ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লাশ ও বিদ্রোহীদের জটলা।

অনেক খুজা খুজি করেও অনলাইনে ১৯৭৭ সালের রক্ত ঝরা বিদ্রোহের কোন ছবি অথবা ভিডিও কোথাও পাচ্ছিলাম না।আজ একটা স্থির চিত্র পেলাম,তাই শেয়ার করছি।

সংক্ষেপেঃ
৭৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জাপানি রেড আর্মি একটি ডিসি-৮ বিমান ছিনতাই করে।আর সেটিকে জোর করে অবতরন করায় ঢাকার পুরাতন তেজগাঁও এর বিমান বন্দরে।সেই বিমানে ১৫৬ যাত্রি ও ক্রো ছিল।মুক্তিপন হিসাবে তারা জাপান সরকার কাছে অর্থ ও তাদের আটক সদস্যদের মুক্তি দাবি করে।টানা ৪ দিন তারা হাইজাক করা বিমান নিয়ে ঢাকা অবস্থান করে।বাংলাদেশ বিমান বাহীনি,সরকার এর মধ্যস্ততায় জাপান সরকারের বিমান মন্ত্রীর উপস্থিতিতে তাদের দাবি মেনে নেয়া সাপেক্ষে সেই হাইজাক নাটকের অবসান হয়। কিন্তু সেই দিনই অর্থাৎ ২ অক্টোবর এই হাইজাক নাটকের অবসানের মিনিট খানেক পর বাংলাদেশ বিমান বাহীনিতে আকস্মিক ভাবে ছড়িয়ে পরে এক বিদ্রোহ!!সেনারা লাইনে দাড় করিয়ে হত্যা করতে থাকে কর্মকর্তাদের,অল্পের জন্য বেঁচে জান বিমান বাহীনির প্রধান।যদিও তার আগে ৩০ সেপ্টেম্বর ছোট খাটো একটি বিদ্রোহের সুচনা হয় বিমান বাহিনীতে বগুড়ায়।সেটি সাথে সাথে দমন করা গেলেও ঢাকার বিদ্রোহ প্রকট হয়ে যায়।তারা অল্প কিছু সময়ের জন্য রেডিও স্টেশন পর্যন্ত দখল করে।ব্যার্থ হামলা চালায় জিয়ার বাসায়।

সেই বিদ্রোহ দমন হবার পর,সাথে সাথে গঠিত হয় বিশেষ ট্রাইবুনাল।তাতে প্রায় ১৪ শ বিমান,সেনা সদস্য ও নন কমিশন্ড কর্মকর্তা,শত শত অফিসার ও সাধারন সৈনিকদের ফাঁসি ও ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠানোর আদেশ হয়। বিদ্রোহের ৭ দিনের মাথায় শুরু হয় ফাঁসির কার্য্যক্রম,যা চলে প্রায় ৩ মাস ধরে।জিয়া সে সময় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের অপসারন সহ ৩ চিফ অফ দ্যা জেনারেল স্টাফ কে বদলি করেন।তাদের একজন মেজর জেনারেল মনজুরের নেত্রিত্বে ৮১ সালে জিয়া আরেকটি ব্যর্থ সেনা বিদ্রোহে নিহত হন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29032317 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29032317 2009-10-26 19:58:58
বাংলাদেশের বয়স ৩৯ আর দৈনিক সংগ্রামের বয়স ৩৫ !!!! একটা কথা শুনেছিলাম অনেক আগে,মিথ্যা নাকি ১০০ বার উচ্চারিত হলে কিছুটা হলেও সত্যে পরিনত হয়।বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃতির বেলাতে এই কথার সত্যতা আমরা বহুবার দেখেছি।আমরা দেখেছি বিগত নির্বাচনের প্রাক্কালে মুজাহিদকে বলতে জামাত কোন যুদ্ধাপরাধ করেনি,এই দেশে কোন যুদ্ধাপরাধি নেই।এক জনতো আরো এক ধাপ এগিয়ে এটাও বলতে লজ্জা পায়নি যে এই দেশে নাকি মুক্তিযুদ্ধই হয় নি!!!

যাক মুল প্রসঙ্গে আসি।অনেকদিন আগে একটা লেখাতে জামাতের মুখপাত্র দৈনিক সংগ্রামের রঙ বদলের দালিলিক প্রমান দিয়েছিলাম। একটি অনলাইন ফোরামে দৈনিক সংগ্রামের ৩৫ বছর পুর্তি শিরনামে্র একটি লেখা দেখে চোখ আটকায়!!সাথে থিম সং!!!যাক সাথে সাথেই ঢু দেই সংগ্রামের সাইটে ,সার্চ ইঞ্জিনের কল্যানে ৪ অক্টোবর ২০০৯ একটা ইস্যু পাই যাতেও ৩৫ বছর পুর্তির খবর।এবার নিশ্চিত হই আসলেই তারা ৩৫ বছরপুর্তী উদযাপন করেছে।



যে পত্রিকা ৭১ এ আমাদের বিরুধিতা করল সেটি কিভাবে ৩৫ বছরে পা দিল!!!অনেক খুজা খুজি করেও একটি তথ্যের ব্যাপারে ১০০ ভাগ নিশ্চিত হতে পারিনি যে ৭২ থেকে ৭৫ এই পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধছিল কিনা।সেই সাথে প্রকৃত পক্ষে কোন সাল থেকে যাত্রা করে এই পত্রিকা।
এই অবস্থাতে যা যা হতে পারে নিম্নরূপে উল্লেখকরা যায়,

*যদি ১৯৭১ এ যে পত্রিকার অস্তিত্ব ছিল তার বয়স কম করে হলেও ৩৯ হবার কথা।

*যদি ৭২ সাল থেকে ৭৫ এর প্রকাশনা বন্ধ থাকে তথাপিও বয়স থেমে থাকার কথা না।আমরা একুশে টিভি কে দেখেছি,দীর্ঘ ৬ বছরের মত বন্ধ থাকলেও এর বয়স থেমে থাকেনি। *অনলাইনে নতুন যে সাইট এরা ব্যবহার করছে,তাতে কেবল ২০০৯ এর ইস্যুগুলি আছে।মজার ব্যপার বর্ষ ৩৫ ও সংখ্যা ১৮৯ ঝুলতেছে সর্বশেষ ভিজিট করা সবগুলি ইস্যুতে!!!

ঢাকা, রবিবার ৩৫ বর্ষঃ ১৮৯তম সংখ্যা ৪ অক্টোবর ২০০৯ ১২শ্রাবন আষাঢ় ১৪১৬ ঢাকা, বৃহস্পতিবার ৩৫ বর্ষঃ ১৮৯তম সংখ্যা ২২ অক্টোবর ২০০৯ ১২শ্রাবন আষাঢ় ১৪১৬ ঢাকা, রবিবার ৩৫ বর্ষঃ ১৮৯তম সংখ্যা ১৮ অক্টোবর ২০০৯ ১২শ্রাবন আষাঢ় ১৪১৬


যে পত্রিকার বয়স বাংলাদেশের বয়সের কম,সেই পত্রিকা কিভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কাজ করে!এটা ধিরে ধিরে প্রতিষ্ঠিত করাই কি এর লক্ষ্য????আজ থেকে বহু বছর পর সংগ্রাম মুজাহিদের মতই কি আমাদের এই বানী শুনাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে???


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29030725 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29030725 2009-10-23 20:21:08
বি এন পি এর আদর্শ!আর আমার অসহায় তাকিয়ে থাকা লিংটা দেখেই ক্লিক করলাম!প্রথমেই পেলাম...
"The BNP promotes a very center-right policy combining elements of conservatism, corporatism, nationalism, strong defense, anti-anarchism and anti-communism. It is more popular among the country's business class, military, and conservatives, and is credited with bringing socio-economic stability in the country. Young people have showing particular interest to the party due to its open minded policy and in large the party is operated by young leaders. The party believes that Islam, is an integral part of the socio-cultural life of Bangladesh, and favors Islamic principles, as well as cultural views together. This is particularly seen through its alliance with the Islamic party of Jamaat"

ভাবিলাম !তাকিয়ে রহিলাম!কিছুক্ষন নির্বাক থেকে বাহির হইয়া আসিলাম


তা কোন আপনি ক্লাসে পড়েন???]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29028121 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29028121 2009-10-18 23:23:36
মালদ্বীপে পানির নিচে কেবিনেট বৈঠকঃ আমাদের ভবিষ্যৎ
আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ১ ফুট বেড়ে গেলে তলিয়ে যাবে বাংলাদেশের বৃহৎ একটি অংশ।১৪ ভাগ মানুষ হয়ে পরবে জলবায়ু উদবাস্তু।জলবায়ু পরিবর্তনের এই ভয়াবহ পরিনতি কেবল আমাদের জন্যই নয়,মালদ্বীপের মত নীচু রাষ্ট্র গুলিকে অস্তিত্ত্ব সংকটে ফেলে দিচ্ছে।মালদ্বীপ বাধ্য হচ্ছে অন্য রাষ্ট্রে জমি কিনে নিজ দেশের নাগরিকের ভবিষ্যত বাসস্থান নিশ্চিত করতে!
আজ মালদ্বীপ প্রেসিডেন্ট নাশেদ ও তার মন্ত্রী পরিষদ প্রায় ৫ মিটার গভীর পানিতে তাদের কেবিনেট মিটিং সম্পন্ন করে।গ্লোবাল ওর্মিং এর প্রভাব বিশ্ববাসির কাছে তুলে ধরার জন্যই এই ব্যাতিক্রমি উদ্যোগ!ব্যাপারটা হাসির ও মজার লাগতে পারে,কিন্তু জাতীর অস্তিত্ব যখন হুমকির মুখে তখন নিমিশেই সেই মজা মলিনতায় ঢেকে যায়।কি জবাব দিবে সভ্যাতার দিক পালেরা?
বিবিসি

মালদ্বীপ প্রেসিডেন্ট অফিস ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29027472 http://www.somewhereinblog.net/blog/asmkhanrahat/29027472 2009-10-17 19:43:02