স্নান, মানুষের পূর্বজন্মের বিরহরীতি
০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১১
স্নানসর্বস্ব
এক.
দূর হতে গান আসে গানের খেয়ালে। তারকার ঘাম হতে গেঁজে ওঠে ঘুম।
এমন সংগীত তুমি একাকী বাজালে। যন্ত্রের প্রাণের মাঝে বরষা নিঝুম।
নিদ্রাচারী চাঁদ গেল বেপাড়ার ঘরে।কোকিলের কালো যায় জোছনার ভাগে।
নিদ্রা বিষাদের বোন টুটি চেপে ধরে। কিছুটা রমণ চাই সঙ্গমের আগে।
তার লোভে বিষ পান অন্ধকারে বসে।আঁধার তোমার কাছে রটাল সে কথা।
আত্মশব কাঁধে নিয়ে তারকারা খসে। শবদেহে আলো জ্বালা সঙ্গমের প্রথা।
এই ঘোর যন্ত্রঘোর, চোখ বুজে থাকা।শিয়রের কাছে বৃথা মোম জ্বেলে রাখা
-------------------------------
ছবি: শর্বরী রায়চৌধুরীকৃত গায়নরত উস্তাদ বড়ে গোলাম আলি খান
লেখক বলেছেন: নতুন,ধন্যবাদ। কেমন আছেন?
রাহামনি বৃষ্টি বলেছেন:
ভালো লাগা.........
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভালো লাগা জানলাম...
উত্তরাধিকার বলেছেন:
অপূর্ব হয়েছে অশোক দা।
অনেক ভাল লাগলো।
শেষে এসে যেন আপনার মোমের আলোয়
আমি মুগ্ধতায় ছেয়ে গেলাম।
অনেক সাধুবাদ জানাই।
লেখক বলেছেন: উত্তরাধিকারদা, খুব প্রাণিত বোধ করছি
আমি ও আমরা বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হায়দার ভাই। শুভেচ্ছা
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো/////////////"এই ঘোর যন্ত্রঘোর, চোখ বুজে থাকা।শিয়রের কাছে বৃথা মোম জ্বেলে রাখা"
ভালো তো?
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: ভাল আছি দিদি। ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন
লেখক বলেছেন: আরও সরল হতে চাইছি। ধন্যবাদ দাদা
লেখক বলেছেন: পয়ারই তবে একটু ঢংটা পাল্টাতে চাইছিলাম
প্রচেত্য বলেছেন:
আমার সব ভাল লেখয়িদের সাথে পরিচয় হয়ে গেল, পরিচয় হল তাদের সৃষ্টিকর্মের সাথে
লেখক বলেছেন: ভালো লেখিয়ে বলে কিছু কি হয়? কারও কারও কবিতা ভালো হয় কারও কারও কবিতা হয় অন্যরকমের। কবিতা সপ্রাণ তিনি একটি সজীব প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অনুশীলনকারীদের নিয়ে যান। আমাদের কাজ হওয়া দরকার ক্রমাগত অনুশীলন করে যাওয়া।
ধন্যবাদ প্রচেত্য, ভালো আছেন?
আন্দালীব বলেছেন:
অপূর্ব লিখেছেন অশোক'দা...."কিছুটা রমণ চাই সঙ্গমের আগে।"
এখানে যদি একটু আলো ফেলতেন.....
আবারো জানাচ্ছি মুগ্ধতার কথা। শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: নারী হ্লাদিনী শক্তি তার আরেক নাম প্রকৃতি। তার সাথে যুক্ত হবার আগে তার আনন্দপূজার প্রয়োজন হয়। প্রকৃতির সঙ্গে প্রকৃত মিলনের আগেও দরকার তার রসাস্বাদনের যোগ্য হয়ে ওঠা। শিল্পীদের প্রধান আরব্ধ বোধ করি তা-ই। এই প্রাকমিলন সুখক্রীড়াকে জ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন রমণ। আমি এখানে তার ইঙ্গিত রাখতে চেয়েছি। মৃত্যু যদি প্রাণকে মারার জন্য না পান, তবে তিনিও কেমন অসহায় হয়ে যাবেন। তাই তাঁকে আমার সঙ্গে মিলন করার আগে একটু রমণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। আপনার মতামত জানাবেন আবার, আহ্বান করছি
জাহিদ সোহাগ বলেছেন:
ভালো লাগে নাই।
লেখক বলেছেন: ইয়েস স্যার। ছন্দের জন্য? একটু খুলে বলিস উপকার হবে। জেদিদের কাছাকাছি যেতে চাই।
জানাস। কেমন আছিস?
অ রণ্য বলেছেন:
কাল পড়েছিলামআজ আবারও পড়লাম এবং মন্তব্য না করে যেতে পারলাম না
ভাল লাগা টুকু রেখে গেলাম
সবিশেষ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অরণ্য আবারও অশেষ
আমি ও আমরা বলেছেন:
দাদা নতুন একটা কবিতা লিখেছি যদি দেখে মন্তব্য করতেন খুশী হতাম।
লেখক বলেছেন: যাচ্ছি
জাহিদ সোহাগ বলেছেন:
আজ ২২ শ্রাবণ উপলক্ষ্যে কবিতা পড়লাম। কিন্তু শেষ অবধি `আগুন-জল' চুমুকে আসেনি। মাথাও খুলেনি। ছন্দ একটা ঝামেলা বটে। ইদানিং বুঝতে চেষ্টা করছি। কিন্তু বাক্সের ভেতর আর্তনাদ ঢোকাবো কিভাবে?আর নাই নাই নাই ভালো নাই। ভালো নাই।
আন্দালীব বলেছেন:
জ্বী, আমি সেন্স মেক করতে পারছি। তবে একটু শব্দানুগ হলে জানতে আগ্রহ জাগে যে "রমণ" শব্দটি নিজেই যেহেতু সঙ্গমের (রতিক্রিয়ার) পূর্ণ সমার্থবাহী...তাহলে সঙ্গমের আগে যেই 'রমণ' সংঘটনের কথা বলা হচ্ছে সেটি প্রকৃতার্থে কি "শৃঙ্গার"জাতীয় কোন অর্থে ব্যবহৃত কিনা...যদিও বিষয়টি প্রকৃতির সাথে/ মৃত্যুর সাথে মিলনের বিষয়ে এক ধরনের রুপকার্থে লেখা তবু যদি একদম শব্দশ্রয়ী হতে চাই তাহলে জানতে চাইবো সেখানে "রমণ" এর চেয়ে "শৃঙ্গার" জাতীয় শব্দ অধিক এ্যানিমেশান আনতে পারে কিনা?
নাকি চুড়ান্তভাবে "রমণ" ও "শৃঙ্গার" একই অর্থ প্রকাশকারী দুটি শব্দ?
লেখক বলেছেন: প্রিয় আন্দালীব, প্রচলিত অর্থ অনেক সময় শব্দের মূল অর্থকে খেয়ে ফেলে। রমণ শব্দটি এসেছে রম ধাতু থেকে। রম+ অন। রম মানে ক্রীড়া করা। রতিক্রীড়া। রতিক্রীড়া আর সঙ্গম এক নয়। আর শৃঙ্গার হল নায়ক নায়িকা পরস্পরের স্পর্শস্পৃহা। রমণ একটি আ্যকশন, শৃঙ্গার হল মূলত একটি রস। ইংরেজিতে গেলে
রমণ: foreplay
শৃঙ্গার হল: feeling urge for nearness and getting prepared for that
ফলে আমি শব্দটাকে এইমত ব্যবহার করেছি। বাংলা যে কত ব্যপক ভাবে আলোকময়ী ভাষা আরও একটি উদাহরণ দিচ্ছি আপনার জানা থাকবে তবু আড্ডার কারণেই দিচ্ছি। ফলশ্রুতি শব্দটি আজকাল ব্যবহৃত হয় as a result বোঝাতে। কিন্তু মূল শব্দটির মানে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেউ তীর্থ হতে ফিরে এসে তীর্থের গল্প করলে শ্রোতার তা শ্রবণে যে পূণ্যফল হয় তার নাম ফলশ্রুতি। আমাদের বাংলা কাগজগুলি শব্দের এই বিপর্যয় ঘটিয়ে চলেছে।
আন্দালীব বলেছেন:
শব্দশ্রয়ী=শব্দাশ্রয়ী
যীশূ বলেছেন:
অসাধারণ!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা। এই ব্লগে স্বাগত
যীশূ বলেছেন:
অসাধারণ!
আমি ও আমরা বলেছেন:
দাদা আন্দালিব ভাই কে দেয়া মন্তব্যতে অনেক কিছু জানলাম, জানতে আরও ইচ্ছা করে।দাদা একটা ছেলে ভালো টিচারের কাছে কেন যায়?কিছু শিখতে কিন্তু।
আপনি দাদা আমার স্নায়ুযুদ্ধ কবিতাটা দেখলেন না কিন্তু।
আপনার মন্তব্য পরেছি, ওটা আমি মেনে নিয়েছি তারপর ও দাদা মেসেজ কিন্তু লাগবেই বিপ্লবে। আমি আপনার বিপ্লবের সংগাটাও মেনে নিয়েছি। ভালো একটা ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন।
আপনার প্রতি আপনার জ্ঞানের প্রতি আমার অপার শ্রদ্ধা রইল।
আপনিই ভাঙুন, আপনিই গড়ুন কবি...............আমরা মুগ্ধতা নিয়ে ভাঙাগড়ার খেলা দেখি।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে একটু ওভার ডোজ হয়ে গেল।
জাহিদ সোহাগ বলেছেন:
দাদা দীর্ঘ কবিতার বইটির জন্য ৪/৫ টি স্কেচ করে দিতে হবে। একটা স্ক্রিপ্ট েতা দেখেছেনই। বাকিগুলো আমার ব্লগে ঢু দিলে পাবেন। অথবা পুরো পান্ডুলিপি শিঘ্রই মেইল করছি। আকবর কবে আসবে তা জেনে তার কাছে পাঠাবেন। আমার মেজাজ তো জানেনই তারপরও কিছু জানবার থাকলে বলবেন।
লেখক বলেছেন: তোকে আমার ভালো লেগেছিল। লাগে। আমাদের েখানে তরুণরা কেমন ম্যাদা মারা। আমরা যেমন সিনিয়রদের বলেছিলাম আমরা নতুন করে লিখতে এসেছি এই বেলা ফিরে দাঁড়াও। এরা আমাদের এরকম বলে না। ছবির জন্য প্রাক্তনপাঠ কাজে আসে না। তুই বরং আবার পাঠা। একবার ছবি হয়ে গেলে আর কিন্তু পাল্টানো চলবে না। তাই পান্ডুলিপি ফাইনাল করে পাঠাস। তোর কবিতার ছবি আঁকতে আমার ভালো লাগবে। আকবরের বিষয়ে জানাব। ভালো থাকিস।
লেখক বলেছেন: মন খারাপ করার চেষ্টা করেছিলাম ঠিকই। ধন্যবাদ মুকুল।
আমি ও আমরা বলেছেন:
দাদা নতুন কবিতা দিলাম। এটা বিপ্লবী ঢংয়ের । যতটুকু পেরেছি মেসেজ কে ওভারলুক করে গেছি, যদি একটু দেখে দিতেন!!!!
কাজী আলিম জামান বলেছেন:
দাদা, কেমন আছে? আপনার পরিবারের সবাই ভালো?
লেখক বলেছেন: ভালোই চলে যাচ্ছে। আপনি কেমন আছেন? ধন্যবাদ
মিতুলদত্ত বলেছেন:
বাঃ! খুব-ই ভালো লেখেন আপনি। কবিয়াল নামে একটা কাগজ করি আমি। আমন্ত্রণ রইল।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমন্ত্রাণের জন্যও।আশা করি লিখতে পারব।
তারার হাসি বলেছেন:
খুব কষ্ট হচ্ছে আমার, এটা পড়ার পর।
লেখক বলেছেন: কষ্টটাকেই প্রাণ করতে চাইছিলাম কবিতাটার। আপনার মন্তব্য পেয়ে ধন্য হলাম
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
একেবারেই অন্যরকম লাগলো । +++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আন্দালীব বলেছেন:
"প্রচলিত অর্থ অনেক সময় শব্দের মূল অর্থকে খেয়ে ফেলে।"খুবি ঠিক কথা আর সেইসাথে আলোকপাতটি যথার্থ। আপনি একেবারে অনুপূঙ্খ বিশদে গেলেন। অনেক ধন্যবাদ।
আমি শৃঙ্গার শব্দটিকেই Foreplay ধরনের জেনে এসেছিলাম, মানে ইন্টারকোর্সের আগে সেক্সুয়াল স্টিম্যুলেশান ধরনের কিছু আরকি।
অনেক বিষয় জানা হলো। "ফলশ্রুতি" বিষয়ক যা বলেছেন ওটা আমার কিন্তু জানা ছিলো না। কী অদ্ভুত! প্রয়োগের কারনে কি এসে যাচ্ছে কোথায়!!
অনেক ধন্যবাদ অশোক'দা। সত্যিই উপকৃত হলাম।
লেখক বলেছেন: সম্পাদনা আর পড়াতে পড়াতে এই এক দোষে ধরেছে ভাই। মাঝে মাঝে লজ্জ্বায় পড়ে যাই।



















দারুণ।