অন্তিম এক স্নানের আশায় সারা জীবন নোংরা হলাম

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৩

শেয়ারঃ
0 0 0

স্নানসর্বস্ব দুই

স্নানের বাতিটি তুমি হেলায় নেভালে।সেই থেকে জলাতঙ্ক সেই থেকে ভয়।
আমার গাছের লতা তোমাতে জড়ালে। কিছুটা শ্বাপদ হলে এরকম হয়।
আসলে ছায়া তুমি, বৃক্ষ-অভিনেতা।তোমার ছায়ায় জন্মে বিষাদের ঘোর।
তুমিতো অশ্রুগুরু, বিরহপ্রণেতা। ভাঙনের রাত বাঁধে বিরহের ভোর।
স্নান থেকে আলো গেলে পড়ে থাকে জল।পুকুরের চাঁদ জানেএকাজ্বলেথাকা
জোছনা নিয়ম মাত্র আকাশের ছল। তোমার আকাশ জানে নীল হয়ে থাকা।

অস্নাত রেখেছ তুমি মিছে অজুহাতে।এইতো করেছি স্নান আঘাতে আঘাতে



______________
ছবি: র‌্যাম্‌ব্রাঁ ১৬৬৪

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৬
ফয়সল নোই বলেছেন: দারুণ ভালো লাগলো অশোক দেব।খুব ভালো ।

ভাল থাকবেন ।শুভেচ্ছা।

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।ফয়সল। অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন,শুভেচ্ছা

২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৫
রিফাত হাসান বলেছেন: স্নানের বাতিটি তুমি হেলায় নেভালে। সেই থেকে জলাতঙ্ক সেই থেকে ভয়।
আমার গাছের লতা তোমাতে জড়ালে। কিছুটা শ্বাপদ হলে এরকম হয়।


..এই লাইনগুলো দারুণ!
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। বাকি কবিতাটা জমেনি না?

৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
রাতিফ বলেছেন: অপূর্ব অশোক দা!




শুভেচ্ছা
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রাতিফ অনেক ধন্যবাদ

৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
আমি ও আমরা বলেছেন: "অস্নাত রেখেছ তুমি মিছে অজুহাতে।এইতো করেছি স্নান আঘাতে আঘাতে"


কথাটায় থমকে গেলাম অশোক দা। দারুন ফিনিশিং ছুড়ে দিলেন।

প্রীয় পোষ্টে যাক পড়তে পড়তে।

আমি কিন্তু কবিতায় স্নান করছি আপনার আঘাতে আঘাতে- তাইতো ফিরে আসি আপনার ব্লগে। কিছু কিছু আঘাত সহ্য করার শক্তি ঈশ্বর মানুশকে দিয়ে পাঠান। সেই আঘাত গুলো মানুষকে পরিপূর্ণ করে।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: খুব ভালো লাগল আপনার মতামত পেয়ে। ধন্যবাদ

৫. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: নিশুতি-স্নানের আমেজ পেলাম অশোক'দা! খুব ভাল লাগল!
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক ধন্যবাদ।

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: + এটা কী? কেমন আছেন? ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন।

৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: বেশ শক্তিশালী লেখা...... চালিয়ে যান।

শুভেচ্ছা রইলো........
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।এই ব্লগে স্বাগত।

৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১৬
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: দারুণ লাগলো.........
"স্নানের বাতিটি তুমি হেলায় নেভালে।সেই থেকে জলাতঙ্ক সেই থেকে ভয়।"
অদ্ভুত...........।
একটা লাইনের কি যে কারিশমা!
প্রীতি রইলো।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দিদি। আপনাকেও শুভেচ্ছা

৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা ভুল বুঝলেন হয়তো। ওখানে কিন্তু উষ্মার প্রকাশের কিছুই ঘটেনি।
আপনি আমাকে ছোট ভাইয়ের মত মনে করুন, আমি আপনার কবিতার অনেক ভক্ত, আমি আপনাকে মনে মনে কখন যেন একজন শিক্ষাগুরু হিসেবে বসিয়েছি আমি জানিনা। হয়ত বলবেন বাড়িয়ে
বলছি। কিন্তু আমার এখন যে বয়স, বা যে একটি কাল যাচ্ছে, সেখানে বাড়িয়ে বলার অবকাশ বা ছোট বেলার মত ঢং করার ক্ষন এখন নেই। তাই মোটেই বাড়িয়ে বলছিনা। এক্টুও না। আমি আপনাকে বুঝতে পেরেছি অনেকটা; আপনার কবিতা, সাহিত্যে সর্বপোরি বাংলা অভিধানে যে দখল তাকে আমি স্যালুট করি। তাই মনের অজান্তে আপনাকে অনুসরন করি। একজন শিষ্য বলতে পারেন। তাই আপনি যখন কোন মন্তব্য করেন আমার কবিতায়, তখন সাথে সাথে আরেকটি ভালো কবিতা প্রসব করার প্রয়াস জাগে। গুরুদক্ষিনা বলে একটা কথা আছে তো!
ওখানে দাদা মোটেই উষ্মা ছিলনা। কারন টা খুলেই বলি। আমি সাউথ কোরিয়াতে আছি ৭ বছর ধরে। এর আগ পর্যন্ত দেশে থাকতে কবিতা , আবৃত্তি আর ছবি আঁকা ছিল আমার নেশা। কিন্তু এখানে এসে বড্ড যান্ত্রিক আমি।
সারাদিন আমাকে কম্পিউটারের ০১০১০১ নিয়ে খেলা করতে হয়। কবিতা কিন্তু তা মানেনা। সেখানে চলে আসে কিন্তু এই সংক্ষ্যা গুলো মাঝে অনেক অনেক ইমোশান। তখন আমার একটু কষ্ট পেতে হয়। অনেক কষ্ট করে নিজের খোলস কে ত্যাগ করে আরেকটি খোলস পরে আমাকে কবিতা লিখতে হয়। সারাদিন কোরিয়ান ভাষায় কথা বলে জেতে হয় আমাকে। তাই ইদানিং বাংলা ভাষার দখল টাও অনেক দূর্বল। "খাক " শব্দটার অর্থ এই দূর্বলতার জন্যই জানা ছিলনা আমার অভিধানে। তাছাড়া আমার এখানে বাংলা অভিধান ও নেই।কিন্তু শব্দটির আবহ বুঝতে পেরেছিলাম। ওখানে তাই আমি মন্তব্য করেছিলাম কারন আমি জানাতে চেয়েছিলাম। তাই আপনি যখন মন্তব্য করলেন, তখন আমি সেজন্যই লিখেছিলাম, দাদা এসে পড়েছে। এর কারন হচ্ছে, আমি ওটা মেনে নিয়েছি, এখন যদি বাংলা একাডেমি এর অভিধানে ও যদি "খাক " শব্দ অন্য কোন অর্থ বুঝায় বুঝাক, আমি কিন্তু ধার ধারিনা। আমি একজন অশোক কে শ্রদ্ধা করি, তার আভিধানিক জ্ঞান কে বিশ্বাস করি।

দাদা আর হবেনা কথা টা বড্ড মনে লাগল। এই ব্যাথাটা কিন্তু আপনাকেই উপসম করার দায়িত্ব নিতে হবে।

পরিশেষে আবারো। আপনি আমার গুরু।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: ওরে বাবা, এত! এবার আমার ঠিক কষ্ট হচ্ছে। ভীষণ দুঃখিত। ভালো থাকবেন।

১০. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০৭
আমি ও আমরা বলেছেন: আমি এই মন্তব্য করে চলে যাই তখন, কারন আমার এক বন্ধু আমার বাসায় এসেছিল, তার কিছু কাজ নিয়ে। তাই আমি পরে যে কি ঘটল আমি দেখতে পারিনি, কিন্তু আমি অনলাইন ঠিকি ছিলাম।আমার উচিত ছিল তখনি কিছু বলার। আসাকরি দাদা এখন আপনি কিছুটা বুঝতে পারছেন?
১১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১২
অশোক দেব বলেছেন: আমি দুঃখিত। ক্ষমা চাইছি
১২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৫
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা ক্ষমা কথাটা বাদ দিন আমাদের সম্পর্কের মাঝে। একদম বাদ।
১৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
আমি ও আমরা বলেছেন: ওটা আমি চাইতে পারি, কিন্তু আপনি না। আপনি হয়তো আপনার অবস্থানের উপর উদাসিন কিন্তু আমি আপনার অবস্থাঙ্কে শ্রদ্ধা করি, এখানে আপনি যদি ক্ষমা কথাটা বলেন কেমন লাগে বলেন ত। মানায় না।

দাদা মাত্র ঘুম থেকে উঠেই আপনার মন্তব্য পেয়েছিলাম, এখন কিছু খাইনি, রান্না করতে হবে। আজ ছুটির দিন ছিল বেলা করে উঠলাম।
পরে নাহয় আড্ডা দেব!
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে বাপ্পী ভাই। ধন্যবাদ

১৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪০
ফয়সল নোই বলেছেন: অশোক দেব, আমি ও আমরা এবং আমি-দুই বন্ধু মিলে আপনাকে হাসতে অনুরোধ করছি। :)
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: :)

১৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
কৌশিক বলেছেন: ভালো লাগলে + দেয়ার অপসন আছে। সেটা দিয়ে প্রকাশ করা আর কি।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক ধন্যবাদ

১৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫২
আন্দালীব বলেছেন: দাদা, এই ছবিটা কি 'বাথশেবা' না? রেমব্রাঁ-র?
কবিতায় আসছি কিছু পরে...
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: ছবিটা রেম্‌ব্রাঁর আঁকা। ১৬৫৪। এখন ব্রিটিশ মিউজিয়ামে আছে। ইংরেজিতে নাম আ ওউম্যান বাথিং। প্রকৃত নামটা মনে নেই। তবে আমার কবিতার সঙ্গে যেটা আছে, সেটা অন্য পেন্টারের করা কপি। আসল ছবিটা এখন দিচ্ছি।

১৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৬
আন্দালীব বলেছেন: কবিতা, অসাধারন লাগলো দাদা। প্রথম পংক্তি থেকেই ঘোরের শুরু....
গ্রেট লেখা।

"পুকুরের চাঁদ জানেএকা জ্বলে থাকা জোছনা নিয়ম মাত্র
আকাশের ছল। "
কী আর বলি! এই মানের একজন কবির লেখায় সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছি; এটা একটা সৌভাগ্য মনে হচ্ছে।

তবে ছোট্ট একটা কথা-
আপনাকে "তোমাতে"-র মতো অর্থোডক্স প্রয়োগে যেতে দেখে একটু অবাক হয়েছি।

শুভকামনা।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: আরে! এই শব্দটি নিয়ে দুদিন ছুটি নিয়েছি। সারা দিন কেঁচোর মত গড়াগড়ি করেছি। লাইনটাই পাল্টে দিয়েছিলাম বার কয়েক। তারপর সম্পাদকের তাড়া খেয়ে কাগজে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। ছাপা হবার পরও বড় খুঁতখুঁত করেছে। সেদিন রাতে ভাবলাম ব্লগে দিয়ে দেখা যাক বন্ধুরা কী বলেন। আপনার চোখে গিয়ে ধরা পড়ল। জিও।

অনেক ধন্যবাদ।

১৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০৭
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: দারুণ মুগ্ধতায় স্নাত হলাম দাদা!





১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। অনেক অনেক ধন্যবাদ। একটু কাজের চাপে পড়ে গেছি আজকাল। আপনি কেমন আছেন?

১৯. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা নতুন একটা কবিতা দিয়েছি, একটু দেখে দিবেন। আর আরেকটি কথা- আপনি আমাকে বাপ্পী বলে ডাকবেন, সাথে যদি তুই যোগ হয় তাহলে মনে শান্তি পাব।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক

২১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৪৬
মুকুল বলেছেন: সবাই তো অনেক কিছু বলে দিয়েছে। শুধু বলি, মুগ্ধ হচ্ছি নিয়মিত আপনার লেখায়। লিখতেই থাকুন কবি। :)

*****
২২. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৬
হায়দার কািরগর বলেছেন: মুকুলের সাথে বলি আমি মুগ্ধ। অসাধারন সংযোজন বাংলা কবিতায়।
দাদা শুভেচ্ছা।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা

২৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৪০
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা একটা জিনিস জানতে চাই, ব্যাপারটা হচ্ছে আমার ভাষাগত দূর্বলতার জন্যই। আপনার কাছে তাই জেনে নিতে চাচ্ছি কিছু কিছু

১। তোমাতে, আমাতে।-- কখন কখন কোন সময় বসাতে পারি, এর ভাবধারা টা কি। আমি অর্থটা জানি কিন্তু সঠিক প্রয়োগের ব্যাপারটা বলে দিবেন।

২। যদি আমি সাধুরীতি তে লিখতে চাই তাহলে এই সময়কালে
"বলেছিনু, করেছিনু" এই ধরনের শব্দ গুলো কি ভাবে নেয়া যায়, এর সঠিক প্রয়োগ টা কি।

আজ এই টাই জানতে চাচ্ছি।
২৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০১
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা বসে আছিইইইইইইইই। আর দেখছি আপনি ব্লগে ব্লগে ঘুরছেন। একবার নিজেরটায় ঢুকুন, না জানা পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছিনা, ব্যাপারটা গত দুদিন ধরে ঘুরছে।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: কাজে যাব। আজ সকালে কিছুই লেখা হল না। এখন সেই পড়ানো। সাম্নে ছেলেদের মুখ। দেরি করে ফেলেছি ভাই। রাতে দেখা হবে।

২৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫৯
ফয়সল নোই বলেছেন: অশোক দাদু, আপনার লেখা একটা প্রেমের কবিতা পড়ার ইচ্ছা হলো এই মাত্র।:)

পেজগী থাকবেনা কোন।সরাসরি প্রেম:)
২৬. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৫
আমি ও আমরা বলেছেন: ওকে দাদা, রাতে কথা হবে।
২৭. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
আন্দালীব বলেছেন: না, এই ছবিটা বাথশেবা না। দেখে তাৎক্ষণিকভাবে মনে হয়েছিলো বাথশেবা। পরে বাসায় গিয়ে রেমব্রাঁ আর পিটার পল রুবেন্স নিয়ে একটা বই আছে সেটায় দেখলাম বাথশেবা অন্যটা। এই ছবিটাও ওই বইতে পাওয়া গেলো খুঁজতে গিয়ে...
২৮. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৫
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা জমলো কিন্তু দুই।

মানে কবিতা, একটা "পাপবোধ" আরেকটা হচ্ছে "বাস্তব প্রতিবিম্বে তুমি থাকো সাথে"

দুটাই দেখে দিবেন।
২৯. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১০
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা আর কত রাত, আমার এখানে ৩ টা বাজে।
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: তাহলে আজ থাক। দুবার টাইপ করেও দিতে পারিনি। এখন ঘুমো। আমিও ঘুমুই। তোদের ওখানে ছুটি কবে?

৩০. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১১
সবাক বলেছেন: স্নান সেরে নিলাম...
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩১. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩০
আমি ও আমরা বলেছেন: আমার এখানে শনিবার আর রবিবার তবে এই শুক্রবার ছুটি আছে, কোরিয়ার বিজয় দিবস।
৩২. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৩
তারার হাসি বলেছেন: অসহ্য রকমের সুন্দর, আবারও সেই বিষাদমাখা সুন্দর।
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার সহ্যশক্তির জন্য ধন্যবাদ

৩৩. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
আমি ও আমরা বলেছেন: তাহলে গেলাম দাদা, কিন্তু কবিতা ২টা জমে আছে। ভুল গুলো ধরবে কে?
৩৪. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা জমে গেলো কিন্তু ৩ টা। তবে বিশেষ করে "কামারীয় যন্ত্র সংগীত", বাস্তব প্রতিবিম্বে তুমি সাথে থাকো" এই ২ টা দেখে দিবেন।
৩৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬
জাহিদ সোহাগ বলেছেন: আপনার কবিতার সাথে কোনও যন্ত্র সংগীত যোগ করে দিলে আরো ভালো লাগতো।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: এ মন্তব্য থেকে আমার কী বোঝা উচিৎ?

১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: একটু ব্যস্ত ছিলাম আজ একটা দিতে পারব মনে হয়

৩৮. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৭
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদা আমি কিন্তু বসে আছি। শেকড় গরিয়ে গেলো গুরু দেখা পাবার। সময় নিয়ে এসো দাদা।
৩৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৫
অ রণ্য বলেছেন: অসাধারণ
এক কথায় মন্ত্র মুগ্ধ

তবে জনাব আন্দলীবের সাথে আমি একমত নই
কিছু এমন শব্দ আছে যার যুতসই বিপরীত একেবারে অনুপস্থিত বিশেষ করে কবিতার আহবমানে
যেমন এই কবিতায়
আমিও চেষ্টা করলাম অথচ বের করতে পারলাম না

আবারও মুগ্ধতা জানাচ্ছি
৪০. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৮
অ রণ্য বলেছেন: আরেকবার আসলাম এজন্য যে কবিতাটির
ভাল লাগাটার পরিমাণ জ্ঞাপন করতে
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অরণ্য।

৪১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৩
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: বাঙলাদেশের শারদীয় দুর্গা পূজা : বাঙালির সামাজিক ঐক্যের বৃহত্তম উৎসব
হাবীব ইমন গণমাধ্যমকর্মী, কবি



একসময়ে এ অঞ্চলে জমিদারদের বাড়িতে কিংবা চন্ডিমন্ডপে পূজা পার্বনের আয়োজন হতো। কিছু সময় প’র ধন্যাঢ্য ব্যক্তির বাড়িতে আয়োজন হতো। সেখানে কোনো সার্বজনীনতার কোনো আবেদন সংঘবদ্ধ ছিলো না। পূজার বিমূর্ত বা অ্যাবসার্ড ভঙ্গি নিয়ে নানারকম বিরুপ মন্তব্য থাকতো প্রথম দিক থেকে-ই। কালঅধিক্রমে পূজা পার্বন হয়ে ওঠেছে বাঙলা-বাঙালির চিরন্তন উৎসবে। মেলা বসে। লোকে লৌকারন্য হয়। বাঙালি সংস্কৃতির অগ্রযাত্রায় পুজা-পার্বনের অবস্থান সুমহান। তারমধ্যে শারদীয় দুর্গা পূজা উল্লেখ্য।

নদী ভাঙ্গনে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে বসেছিল এ অঞ্চলের জন্মধন্য জনপদ। ত্রিশের দশকেও এখানকার মানুষগুলো আতঙ্কগ্রস্থ জীবন অতিক্রম করেছে। আশ্রয়হারানোর আশংকায় অতিবাহিত করেছে অস্থিরভাবে দিনের পর দিন। সাজানো সংসার, ঘর-বাড়ি এশটি সুদৃশ্য শহরকে নদীর প্রচন্ড ছোবল থেকে রার জন্যে তাদের সেকি ব্যকুলতা। নির্মম সর্বনাশা নদী যেনো মানুষের সৃষ্টিকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে চাইছে। সর্বনাশার ছিনিমিনি খেলায় দুর্বিষহ হয়ে উঠলো হাজারো মানুষের জীবন। নদীর উন্মত্ত উচ্ছ্বাসে শত সহস্র নবিতুন কদম আলীর প্রেমময় সুখকর জীবনের অবসান ঘটল। সহজ সরল মানুষগুলো ঝঞ্জা বিুব্ধ প্রকৃতির তান্ডবে হলো বিপর্যস্ত, বিধ্বস্ত। আবার বিুব্ধ প্রকৃতির আঘাতে আঘাতে জীবনের কঠিন রূপের মুখোমুখি হলো মানুষগুলো। জীবনকে জানলো নতুনভাবে। বাঁচার প্রয়োজনে কেউ কেউ বেরিয়ে পড়লো দূর-দূরান্তে।

ভাঙ্গন সৃষ্টিকে আটকে রাখতে পারে না। পৃথিবীর অমর সন্তানরা আবার জীবনের সজীবতার স্পর্শ খুঁজে পেলো। নদীর ভাঙ্গন গেলো স্তব্ধ হয়ে। জীবনের জাগরণ ঘটতে লাগলো ধীরে ধীরে। মানুষের কোলাহলে সরব হয়ে উঠলো অসংখ্য গ্রাম, শহর, অসংখ্য অঞ্চলে।

মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তীতে শারদীয় দুর্গা পূজা সাড়ম্বরভাবে পালন সক্রিয় হয়ে ওঠে। বার বার ধারা পাল্টেছে, বক্তব্য পাল্টেছে। অস্থিরভাবে দিকবিদিক ছুটাছুটি হয়েছে। বহু ধরণের স্লোগান তুলেছে। কয়েকটি সা¤প্রদায়িক আক্রমণ হয়েছে। এগুলো পাশাপাশি হলেও বাাড়ির আঙ্গিনা থেকে বেরিয়ে প্রচলিত শারদীয় দুর্গা পূজা পরিণত হয়েছে বাঙলাদেশের একটি ধর্মীয়-সামাজিক সম্বনিত প্রধানতম উৎসবে। এখানে মানুষে মানুষে মিশে গেছে প্রাণোচ্ছ্বল, জাগরণ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ উচ্চঅর্থে সীমাবদ্ধ হলেও ছড়িয়ে গেছে মনন্তরে। এটি এখন আর হিন্দু ধর্মে নির্দিষ্ট নয়। বাঙালি হিন্দু-মুসলমানের সমষ্টিগত উৎসবে আকৃতি। গত কয়েকবছরে বাঙলাদেশে দুর্গা পূজার সাড়ম্বতা ব্যাপক আকারে শ্রীবৃদ্ধি হয়েছে। একই সাথে রমজান আর দুর্গা পূজা সংস্পর্শে পালন হয়েছে। প্রধানতম উপসনালয় ঢাকেশ্বরী মন্দির, রামকৃষ্ণ মন্দির ছাড়াও বাঙলাদেশের শহর-গ্রাম-পাড়া-মহল্লা সর্বত্র দুর্গাপূজা উৎসব আঙ্গিকে পালন হয়। কোথাও কোথাও এ পূজাকে কেন্দ্র করে মেলা বসে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় দৈনিকগুলো এ উপলে বিশেষ ক্রোড়পত্রসহ বিভিন্ন সংঘের প্রকাশনা প্রকাশিত হয়। রাষ্ট্রীয়ভাবেও এ পূজা পালনে পৃষ্টপোষকতা করা হয়। রাষ্ট্রপতি এ উপল্েয বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

দুর্গা মায়ের মূর্তি তৈরি, গৃহীনির ঘর-দোর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন, দুর্গার চরণে অর্ঘ্য দানের প্রস্ততি, নতুন পোষাক কেনা সহ নানা কর্মযজ্ঞ্য এ উপল্েয হয়ে থাকে। হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলমানরাও এগিয়ে আসছে এ আয়োজনে। উপভোগ করে এ পূজা। বাঙালির দশভূজা কল্পনা বহু বিবর্তনের মধ্যে অগ্রসর হয়েছে। শুরু থেকেই বাঙালি সংস্কৃতি যতটা মোড় নেয় দেবীর প্রতিমা রূপ, বসন, প্রকৃতি অনৃুযায়ী বদলে যায়। বদলে যাচ্ছে অংশগ্রহণমূলক চেতনা। সার্বজনীন শারদীয় দুর্গা পূজা সত্যিকার অর্থে বাঙলাদেশে বাঙালির বাঙালির সামাজিক ঐক্যের বৃহত্তম উৎসবে স্রোত তৈরি হয়েছে। সকল ধর্ম-বর্ণ-সমাজ-রাজনীতিতেও একটি অংশ হয়ে যাচ্ছে। পুরো বাঙলাদেশ তখন একাত্ম হয়ে জেগে উঠে।

বাঙালিরা প্রথম জীবন থেকে চিরায়তভাবে উৎসবে মুখর। কোনো প্রতিকূলতাই এর প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে না। হিন্দুদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গা পুজা, মুসলমানদের ঈদ। আমাদের এসব ধর্মীয় উৎসবগুলো নিজস্ব স¤প্রদায় থেকে উৎসারিত হলেও এর মধ্য দিয়ে আমাদের সামাজিক ঐক্যের বন্ধন দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর করে চলছে, নির্মান করে চলছে পারস্পরিক সংহতি। পরস্পর পরস্পরের সাথে একাত্ম হওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এসব ধর্মীয় আচারে। নিশ্চই এ উপলব্ধি এভাবে আসে, ধর্মীয় উৎসব আমাদের ব্যক্তিজীবনে যতোটা না বেশি সুখকর, তারচেয়ে সামাজিক বন্ধন প্রভাবিত করে। এখানে কোনো ভেদাভেদ স্পর্শ করে না।

অত্যাধুনিক আক্রান্তে জীবনটা আটপৌরে হয়ে উঠছে। আমরা হাপিয়ে উঠছি দৈনদিন আমাদের ক্রম ব্যস্ততায়। সেখানে আমাদের স্বজন কিঙবা প্রিয়জন সংপ্তি হচ্ছে, সন্দেহ নেই। সেখানে একটি উৎসব আমাদের মাঝে আমেজ তৈরি করে। উৎসবের আমেজ। আমাদের নি®প্রাণ প্রাণ জেগে ওঠে তার সান্নিধ্যে। নৃত্য খেলা করে। আমরা নতুন মানুষ, নতুন ভাবনা, নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সাথে প্রযুক্ত হই।

এ বন্ধন ণিকের হলেও নিয়মিত আমাদের মনোজগতে দুরত্ব ছাপিয়ে আমাদের অনুভব আমাদেরকে আলোড়িত-আন্দোলিত করে। এ কারণেই আমরা ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণী নির্বিশেষে কিছুটা হলেও পরিশীলিত-পরিবর্ধন-পরিশুদ্ধ হই। আমরা আমাদের পরস্পর বিরোধিতা ভুলে যাই। আমাদের মধ্যে একটি অখন্ড ঐক্য তৈরি করে। এ ঐক্য আমাদের আটপৌরে জীবনে অনেকটাই বরাবর অনুপস্থিত থাকে। তাছাড়া এ উৎসব আমাদের ভাবনার খোরাক যোগায়। চেতনা জাগ্রত করে। ত্যাগ ও তিতিার মহান মহিমা আমাদের সামাজিক বন্ধনকে ঐক্যবদ্ধ করে।

দুর্গা মানে-দুর্গতিনাশিনী। মায়ের চরণ বন্ধনার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করণে প্রার্থনা জানাই। মহিষাসুরের অত্যাচার-নিপীড়নের হাত থেকে স্বর্গরাজ্য আর স্বর্গের দেবতাগণকে স্বর্গ-রাজ্য ফিরিয়ে স্বর্গের শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়। সহজ-সরল জীবনের ধারাবাহিকতায় অনাচার-অত্যাচার অপশক্তির বিরুদ্ধে দুর্গা পূজা চেতনা বোধ জাগ্রত হোক মনন্তরে কাম্য একান্তই।



দাদা, পিডিএফ ফর্মে দিতে পারলামনা;

জানিনা আপনার চাহিদা পূরণ করতে পেরেছি কিনা; নির্দেশনা থাকলে জানাবেন। সংশোধিত হতে পারে।


লেখক: হাবীব ইমন, কবি বন্ধু;


৪২. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৮
জাহিদ সোহাগ বলেছেন: না বলছিলাম ছবিগুলো যেমন যাচ্ছেনা তার পাশাপাশি মিউজিক দেয়া গেলে কি আরো ভাল লাগত না?

আপনার চোখ দেখে কি মনে হয় আপনি এত নরোম করে লেখেন!

ঢাকায় আসেন একবার।
৪৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
মিতুলদত্ত বলেছেন: সুন্দর লেখা। আমি এই ক'দিন নেটে বসতে পারিনি। ফোন ডেড ছিল। আপনার কাছে কি স্বপ্নময় চক্রবর্তীর ফোন নাম্বার আছে? তরুণ ঔপন্যাসিকদের খবর উনিই দিতে পারবেন। ২৫৫৯৫১০০-তে ফোন করলে সকালে বা রাতের দিকে ওনাকে পেয়ে যাবেন। আর আপনার যদি গল্পের দরকার হয় তাহ'লে আমি কাউকে কাউকে বলতে পারি।

ভালো থাকুন। ব্লগ থেকে আপনার কয়েকটি লেখা আমি কবিয়ালের জন্য নিয়ে নেব কি? জানান।
৪৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
সুতরাং বলেছেন: কবিতাটি এতদিন চোখে পড়েনি। খুবই ভালো লেগেছে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কবিতাগুলো পূর্বপ্রকাশিত এবং সত্ত্ব সংরক্ষিত
asokedeb@yahoo.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই