নাস্তিকতার প্রচার বা প্রসার নয় বরং মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোই আলোচনার উদ্দেশ্য ঃkechal@hotmail.co.uk

ক্যাচালের সিরিয়াস পোস্ট

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

ডিস্‌ক্লেইমার : নাস্তিকতার প্রচার নয় বরং মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোই আলোচনার উদ্দেশ্য।

গত কয়েকদিন আজাইরা প্যাচাল করলাম, আজকে আমি একটা সিরিয়াস পোস্ট দিতে চাই। আমি বুঝতে পারছি আমার ক্যাচাল মার্কা পোস্ট অনেকেরই পছন্দ হচ্ছে না। কিন্তু যেহেতু আমি কূয়োর ব্যাং, তাই আমারও তো ইচ্ছে করে মাঝে মধ্যে পুকুরে আসতে, নদী কিংবা সাগরের কথা বাদ ই দিলাম।

যারা নদীতে কিংবা সাগরে বাস করেন তাদের কাছে জানতে চাই একটা সিরিয়াস প্রশ্ন।

::: একথা কি কেউ অস্বীকার করবেন যখন কোরআন নাজিল হয়েছিলো তখন পৃথিবীতে ইসলাম ছাড়াও আরো বড়ো দুইটি ধর্ম ছিলো। এর মধ্যে একটি হচ্ছে হিন্দু অন্যটি বৌদ্ধ । আল-কোরআনে এই দুইটি ধর্ম কি একবারো উল্লেখ আছে?:::

আবারো বলছি এটা আমার সিরিয়াস পোস্ট। কোন ধরনের ফাজলামী চলবে না এটা নিয়ে।

আপডেট:

সিহাব বলেন: কোরানে যদি লূত,আহুদ জাতির পাপাচারের বর্ণনা থাকে তাহলে ভারতের মূর্তি পূজকদের (ইসলাম মতে এরাও পাপাচারী) কথাও থাকা উচিত । কারন কুরান এটি ঐশী গ্রন্থ , এটি সব মানুষের গ্রন্থ (কুরান মতে ) ।

হমপগ্র বলেন:অনেক অনেক আগেকার কথা। তখন খ্রীষ্ট ধর্ম আর ইহুদি ধর্ম সু-প্রতিষ্ঠিত। আলেকজান্দ্রিয়া ছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লাইব্রেরী। সেই লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত ছিলো, কিছু মহা মূল্যবান বই যাতে প্রাচীন, ইহুদি আর খ্রীষ্ট ধর্ম সম্পর্কে বিষদ আলোচনা করা আছে। সেই সময় কোন এক কারণে অথবা কোন যুদ্ধের জন্য, এই লাইব্রেরিটা পুড়ে যায় আগুন লেগে। অনেক বিশ্ব-বিখ্যাত বই এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিন্তু আরবের একটা জাতির কাছে আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরির কিছু বই তখনও সংরক্ষিত ছিলো।

তারা সেইগুলো নিয়ে পারি জমান আরবে। বলা হয় ইসলাম এই বইগুলোকে অবলম্বন করে বেড়ে উঠেছে। ঐ বইগুলোতে হিন্দু অথবা বৌদ্ধ ধর্মের কথা লেখা ছিলো না। কারণ তখন এই প্রান্তরের মানুষ এত কিছু জানতো না। হয়তো এই কারণেই কুরআনে এই ধর্মগুলোর কোন উল্লেখ নাই।

যাই হোক, কথাগুলো খুব প্রিয় একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে শোনা। আমি নিজেও এর সত্যতা যাচাই করতে যাই নি।

আলেকজান্ড্রিয়া। মিশরে অবস্থিত একটি লাইব্রেরী ছিলো। এই বইগুলোর হদিস মেলে নাই তখন, মানে যেগুলো হারিয়ে গেলো, পুড়ে গেলো এবং লুট হলো।

এখন লুট হওয়ার পর কোথায় গেলো বইগুলো যখন সেখানকার রাজার কাছে কেউ কেউ জবাব চাইলেন, তখন, সেই রাজ্যের জোতিষি বললেন, "ঐ বইগুলো যে জাতির কাছেই পড়ুক, সেখানে একটা বিশাল রেভুল্যুশান হবে"।

কার্ল মার্কস এর ডাস ক্যাপিটাল যেমন একটা বই ছিলো রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের। আলেকজান্ড্রিয়া থেকে হারিয়ে যাওয়া বইগুলো সেইরকমই ছিলো হয়তো।

কুরআন আসলে সেই সকল বইয়ের থেকে লেখা একটা বই। খুব অবাক করা কথা হলেও সত্য। এখন, এইটা সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বলেই আমার মনে হয়।

দেখুন, আলেকজান্দ্রিয়ার বইগুলোতে যেসব ঘটনার উল্লেখ থাকার কথা
১) ফিরাও দের কথা
২) ইব্রাহিমের কথা
৩) বেথেলহ্যামের কথা,

সমস্তই আপনি কুরআনে পাবেন। সুতরাং এই বইগুলো যে পড়বে, সে বইগুলোকে নিজের আদর্শে মাখিয়ে নতুন কিছু লিখবে এইটাই স্বাভাবিক। এইজন্য সব ধর্মই আদম আর হাওয়াকে নিজেদের সপত্তি বানিয়ে ধর্মকে চিরন্তন বলতে চায়। সেই একই উদ্দেশ্য পরিলক্ষন করবেন তাওরাত,
জাবুর, আর ইঞ্জিলে।

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন : তিনি [ শেষ নবী] কোরআনের কোন লিখিত ফর্ম হাজির করেননি, যা করেছেন তা হলো- বিভিন্ন ঘটনায় তাতক্ষণিকভাবে বিভিন্ন বিষয়ের আলোচনা, ফয়সালা, নতুন মত প্রচার এ সমস্তই করেন ঐশী বানীর নাম করে।

পথহারা বলেন:
তোমার প্রশ্নটা ভালো......তয় হিন্দুদের ব্যাপারে কিছু বলে নাই সেটা অবান্তর প্রশ্ন। হিন্দু নামে কোনো ধরমো নাই। এটা সনাতন ধরমো। লক্ষকোটি মুরতিপুজা (যারা মহাসত্বার মাল্টি রিফ্লেকশন রিপ্রেজেন্ট করে) সেটা আরবে হোক আর ভারতে হোক, কোনো পারথক্য আছে?

প্রশ্ন করা যাইতে পারে বু্দ্ধিজম নিয়া............একন বুঝতে হবে
বুদ্ধিজম কনচেপ্ট টা আসলে কি? বুদ্ধিজম টা কি আসলে গডের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে? না করলে প্রকারন্তরে তারা নাস্তিক.......
আর নাস্তিক যদি হইয়াই যায় তাহলে......এটা গুড নিউজ ফর ইউ(ক্যাচাল)। আর যদি এটা সাম সরট অফ ডিফ্লেকটেড হিন্দুইজম তাহলে
এই ধরমো নিয়া কুরানে আলাদা কৈরা বলার প্রয়োজন আছে বৈলা মনে হয় না।

তয় মাতায় রাখা উচিত, কুরানের ১০০০ বছর ( যিশুর ৫০০ বছর) পুরবে জন্ম নেওয়া এই ধরমো ( ধরমো বেত্তা) বানী অথবা জীবনি কতটা পিউর।

১. হতে পারে সে একজন ছোটো সাইজের নবি ছিলো যা তার অনুসারীরা কালের বিবরতনে পাল্টাইয়া ফালাইছে।
২. হতে পারে কুরানে অস্পষ্ট ভাবে কোনো লেস সিগনিফিকেন্ট নবির কতা বলা আচে যা বিষদ গবেষনার প্রয়োজন।

একালেও ভারতে অনেক সুফি মানুষ (বুদ্ধের অনুসারীদের বাইরে) দেকা যায় যারা এপারেন্টলি মানবজাতিকে ওম শান্তি ওম বলে শান্তির বারতা বৈয়ে দেন তাদের নিজস্ব ধ্যান ধারনা দিয়ে। তাদের কোটি অনুসারিও থাকে। তারা আসলে বলতে গেলে ছোটো খাটো বুদ্ধ......।
হতে পারে কুরানে এদের ব্যাপারে আলাদা করে বলার প্রয়োজন নাই কারন এরা নিজশ্ব চিন্তা ধারা এপ্লাই করে (কোনো রকমের ঈশ্বরের দোহাই না দিয়ে) যা তাদেরকে এক কাতারে দার করিয়ে দেয়
to be rejected by islam.

............কতা হলো ইচলাম এদের কে বাতিল বলে কেনো? পরকাল আর ইহকাল এই দুইটা বিশ্বাসীদের ( একগডের পুজক) ইচলাম একনামে বলে কেতাবে বিশ্বাসী। আর যারা মাল্টিগডের পুজক ((পরকালে ও ঐহকালে বিশ্বাসী) তাদের বাতিল বলে শিরকের কারনে।

বাকিরা সব এককাতারে (যারা পরকালে অবিশ্বাসী)। তাদের মধ্য অনেক সাধু সন্নাসী মানবতা বাদি থাকতে পারে। কিন্তু ইচলামে বিশ্বাস অনুযায়ি অল ইউজলেস / বাতিল এর কারন may be পরকালে অবিশ্বাস। সেই হিসাবে কাল মারক্স আর বুদ্ধের মধ্য কোনো পারথক্য আছে বৈলা মনে হয় না।

লেখক পথহারাকে বলেন: তার মানে আপনি বলতে চান কোরআন শরীফে যে ''Idol worshipers'' কথাটা ব্যবহার করা হয়েছে তার মধ্যেই হিন্দু ও বুদ্ধ এই দুইটি ব্যাপার রয়েছে?

কিন্তু ইতিহাস থেকে যা জানা যায় তৎকালীন সময়ে Idol worshipers বলতে পেগান( Pagan) অনুসারী দের কেই বুঝানো হয়েছে। এ নিয়ে আপনি আয়াত ৫৩-১৯,২০,২১ দেখতে পারেন।

The word(s) "Jesus" appears 29 time(s) in 28 verse(s) in Quran in Yusuf Ali translation.

The word(s) "mose" appears 176 time(s) in 167 verse(s) in Quran in Yusuf Ali translation.

দেখেন কোরআন যখন নাজিল হয়েছিলো তখন বিশ্বের মোট কতভাগ লোক হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো? অবশ্যই এই সংখ্যাটা কম নয়। কাজেই আল-কোরআন কোনভাবেই ঐ বিষয়টা না জানার কথা নয়। আল-কোরআনে যীসু ও মসী এর কথা কয়বার উল্লেখ করা আছে তা ও আমাদের অংকের মধ্যে আছে, সেই হিসাবে ক্বষ্ণ অথবা বুদ্ধ এর নাম একবার হলেও তো আশা উচিত, তাই নয় কি?

এমনকি আয়াত :১৮:৮৩-১০০ তে যুলকারনাইনের ছায়ায় আলেকজান্ডারের কথা আল-কোরআনে বলা আছে সেখানে আমরা ক্বষ্ণ অথবা বুদ্ধ নাম আশা করতেই পারি, তা না হউক অন্তত: ভারত শব্দ টা তো একবার হলেও উল্লেখ থাকাটা উচিত ছিলো।

আপডেট: ৬০০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলো আনুমানিক ২০০ মিলিয়ন মানে ২০ কোটি। তার মধ্যে চীনে ২৩ মিলিয়ন, ভারতে ২৬ মিলিয়ন, ইউরোপ ১৩ মিলিয়ন, আফ্রিকাতে ১০ মিলিয়ন, ভারত ছাড়া এশিয়াতে ১৮ মিলিয়ন এবং অন্যান্য ৪ মিলিয়ন।

Source: Colin McEvedy and Richard Jones, Atlas of World Population History (Penguin, 1978)

 

 

  • ১৯১ টি মন্তব্য
  • ১১৭৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৯
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: ৩০ মিনিটের ছুটি নিলাম, গোসল করবো, ভাত খাবো, পরে আসতেছি। ভালো থাকুন সবাই।
২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২২
comment by: সু-শান্ত বলেছেন: আমার জানামতে আল-হাদিসে মহানবী একবার ভারতের বাতাস ঠের পেয়েছিলেন। এর বেশি কিছু জানি না । জানলে আপনাদের কে জানাবো।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: আমি ও খুজতাছি।

৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৪
comment by: নেহার পুরকায়স্থ বলেছেন: কোরআন সম্পর্কে ধারণা নেই। তবে ইসলামের পূর্বে পৃথিবীতে আরো বড় দু'টি ধর্ম ছিল তা সত্যি।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: ইসলামের পূর্বে কথাটা আপত্তিকর, সবাই আদমের সন্তান, সুতরাং ইসলাম সর্বআদি ধর্ম।

৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৮
comment by: মদনবাবু বলেছেন: ভারতবর্ষের রাস্তা কী তখোনো চিনতো আরবের লোকেরা?
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: ভারতের কথা কেউ জানতো না মনে হয়, আমেরিকার কথা তো নয় ই।

৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২১
comment by: মিয়াবেপারী বলেছেন: মনে হয় আমরা কোন কিছুই যেন সঠিক ভাবে যানি না..... কেন ?
ইসলাম একটি সার্বজনীন ধর্ম, এর বেশি বলার কিছু নাই।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: ইসলাম একটি সার্বজনীন ধর্ম -please elaborate .

৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৫
comment by: গন্ডমূর্খ বলেছেন: আমি ঠিক জানি না, তবে উনি তো মূর্তিপূজার বিরূদ্ধেই জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন। তাহলে আরবের মূর্তিপূজকরা কোন ধর্মের ছিলেন ?
খুব সম্ভবত আওরঙ্গজেব এর একটা পোষ্টে পড়েছিলাম 'রিক ভেদ' বাইবেল আর কোরানের মতোই ঐশী গ্রন্থ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: তাহলে আরবের মূর্তিপূজকরা কোন ধর্মের ছিলেন ?

উনারা পেগান ধর্মের অনুসারী ছিলেন।

৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৪
comment by: মদনবাবু বলেছেন:
১১ টি মন্তব্য
৭৯বার পঠিত

পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

পরিসংখ্যান ভালো ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: কেউ তো কোন উত্তর দিল ণা রে ভাই!

৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৭
comment by: হমপগ্র বলেছেন: আপনার প্রশ্নের জবাব আমার জানা নাই। তবে হ্যা এইটা আমারও প্রশ্ন এই বিশাল দুইটি ধর্মের কোন উল্লেখ নাই কেন কুরআনের। আরেকটা জিনিস,

অনেক অনেক আগেকার কথা। তখন খ্রীষ্ট ধর্ম আর ইহুদি ধর্ম সু-প্রতিষ্ঠিত। আলেকজান্দ্রিয়া ছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লাইব্রেরী। সেই লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত ছিলো, কিছু মহা মূল্যবান বই যাতে প্রাচীন, ইহুদি আর খ্রীষ্ট ধর্ম সম্পর্কে বিষদ আলোচনা করা আছে। সেই সময় কোন এক কারণে অথবা কোন যুদ্ধের জন্য, এই লাইব্রেরিটা পুড়ে যায় আগুন লেগে। অনেক বিশ্ব-বিখ্যাত বই এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিন্তু আরবের একটা জাতির কাছে আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরির কিছু বই তখনও সংরক্ষিত ছিলো।

তারা সেইগুলো নিয়ে পারি জমান আরবে। বলা হয় ইসলাম এই বইগুলোকে অবলম্বন করে বেড়ে উঠেছে। ঐ বইগুলোতে হিন্দু অথবা বৌদ্ধ ধর্মের কথা লেখা ছিলো না। কারণ তখন এই প্রান্তরের মানুষ এত কিছু জানতো না। হয়তো এই কারণেই কুরআনে এই ধর্মগুলোর কোন উল্লেখ নাই।

যাই হোক, কথাগুলো খুব প্রিয় একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে শোনা। আমি নিজেও এর সত্যতা যাচাই করতে যাই নি। আমার লেখাটা যদি ইন্সাবস্টেন্সিয়েটেট হয় তাহলে ক্ষমা করে দিবেন।

আর ইসলামকে আদি ধর্ম বলার আগে অনেক কিছু বিবেচনা করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি। ধন্যবাদ।
৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪০
comment by: হমপগ্র বলেছেন:
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: মনে হয় , আপনি কি জানি বলতে চেয়েছিলেন এখানে, আরেকটুক বলেন,খুব সুন্দর বলেন আপনি। আপনাকে বন্ধু হিসাবে মাথায় ঢুকালাম।

১০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৪
comment by: মদনবাবু বলেছেন: তারা সেইগুলো নিয়ে পারি জমান আরবে। বলা হয় ইসলাম এই বইগুলোকে অবলম্বন করে বেড়ে উঠেছে।

ভাইংগা বলেন আরেকটু ।
১১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৬
comment by: পথহারা বলেছেন: ক্যাচাল,
তোমার প্রশ্নটা ভালো......তয় হিন্দুদের ব্যাপারে কিছু বলে নাই সেটা অবান্তর প্রশ্ন। হিন্দু নামে কোনো ধরমো নাই। এটা সনাতন ধরমো। লক্ষকোটি মুরতিপুজা (যারা মহাসত্বার মাল্টি রিফ্লেকশন রিপ্রেজেন্ট করে) সেটা আরবে হোক আর ভারতে হোক, কোনো পারথক্য আছে?

প্রশ্ন করা যাইতে পারে বু্দ্ধিজম নিয়া............একন বুঝতে হবে
বুদ্ধিজম কনচেপ্ট টা আসলে কি? বুদ্ধিজম টা কি আসলে গডের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে? না করলে প্রকারন্তরে তারা নাস্তিক.......
আর নাস্তিক যদি হইয়াই যায় তাহলে......এটা গুড নিউজ ফর ইউ(ক্যাচাল)। আর যদি এটা সাম সরট অফ ডিফ্লেকটেড হিন্দুইজম তাহলে
এই ধরমো নিয়া কুরানে আলাদা কৈরা বলার প্রয়োজন আছে বৈলা মনে হয় না।

তয় মাতায় রাখা উচিত, কুরানের ১০০০ বছর ( যিশুর ৫০০ বছর) পুরবে জন্ম নেওয়া এই ধরমো ( ধরমো বেত্তা) বানী অথবা জীবনি কতটা পিউর।

১. হতে পারে সে একজন ছোটো সাইজের নবি ছিলো যা তার অনুসারীরা কালের বিবরতনে পাল্টাইয়া ফালাইছে।
২. হতে পারে কুরানে অস্পষ্ট ভাবে কোনো লেস সিগনিফিকেন্ট নবির কতা বলা আচে যা বিষদ গবেষনার প্রয়োজন।


একালেও ভারতে অনেক সুফি মানুষ (বুদ্ধের অনুসারীদের বাইরে) দেকা যায় যারা এপারেন্টলি মানবজাতিকে ওম শান্তি ওম বলে শান্তির বারতা বৈয়ে দেন তাদের নিজস্ব ধ্যান ধারনা দিয়ে। তাদের কোটি অনুসারিও থাকে। তারা আসলে বলতে গেলে ছোটো খাটো বুদ্ধ......।
হতে পারে কুরানে এদের ব্যাপারে আলাদা করে বলার প্রয়োজন নাই কারন এরা নিজশ্ব চিন্তা ধারা এপ্লাই করে (কোনো রকমের ঈশ্বরের দোহাই না দিয়ে) যা তাদেরকে এক কাতারে দার করিয়ে দেয়
to be rejected by islam.



............কতা হলো ইচলাম এদের কে বাতিল বলে কেনো? পরকাল আর ইহকাল এই দুইটা বিশ্বাসীদের ( একগডের পুজক) ইচলাম একনামে বলে কেতাবে বিশ্বাসী। আর যারা মাল্টিগডের পুজক ((পরকালে ও ঐহকালে বিশ্বাসী) তাদের বাতিল বলে শিরকের কারনে।

বাকিরা সব এককাতারে (যারা পরকালে অবিশ্বাসী)। তাদের মধ্য অনেক সাধু সন্নাসী মানবতা বাদি থাকতে পারে। কিন্তু ইচলামে বিশ্বাস অনুযায়ি অল ইউজলেস / বাতিল এর কারন may be পরকালে অবিশ্বাস। সেই হিসাবে কাল মারক্স আর বুদ্ধের মধ্য কোনো পারথক্য আছে বৈলা মনে হয় না।
১২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৮
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
ধন্যবাদ , ক্যাচাল ভাইয়া অজানা বিষয়টি গোচরিভূত করার জন্য ।

ধন্যবাদ হমপগ্র ভাইয়া । আপনার কথাগুলো(যদি সত্যি হয়ে থাকে) কুরআনকে মানুষের রচিত গ্রন্থ বলে ইংগিত করছে । সত্যের জয় হোক ।

কেউ যদি কোন উত্তর জানেন , তবে জানাবেন ।
১৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৬
comment by: হমপগ্র বলেছেন: আলেকজান্ড্রিয়া। মিশরে অবস্থিত একটি লাইব্রেরী ছিলো। এই বইগুলোর হদিস মেলে নাই তখন, মানে যেগুলো হারিয়ে গেলো, পুড়ে গেলো এবং লুট হলো।

এখন লুট হওয়ার পর কোথায় গেলো বইগুলো যখন সেখানকার রাজার কাছে কেউ কেউ জবাব চাইলেন, তখন, সেই রাজ্যের জোতিষি বললেন, "ঐ বইগুলো যে জাতির কাছেই পড়ুক, সেখানে একটা বিশাল রেভুল্যুশান হবে"।

কার্ল মার্কস এর ডাস ক্যাপিটাল যেমন একটা বই ছিলো রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের। আলেকজান্ড্রিয়া থেকে হারিয়ে যাওয়া বইগুলো সেইরকমই ছিলো হয়তো।

কুরআন আসলে সেই সকল বইয়ের থেকে লেখা একটা বই। খুব অবাক করা কথা হলেও সত্য। এখন, এইটা সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বলেই আমার মনে হয়।

দেখুন, আলেকজান্দ্রিয়ার বইগুলোতে যেসব ঘটনার উল্লেখ থাকার কথা
১) ফিরাও দের কথা
২) ইব্রাহিমের কথা
৩) বেথেলহ্যামের কথা,

সমস্তই আপনি কুরআনে পাবেন। সুতরাং এই বইগুলো যে পড়বে, সে বইগুলোকে নিজের আদর্শে মাখিয়ে নতুন কিছু লিখবে এইটাই স্বাভাবিক। এইজন্য সব ধর্মই আদম আর হাওয়াকে নিজেদের সপত্তি বানিয়ে ধর্মকে চিরন্তন বলতে চায়। সেই একই উদ্দেশ্য পরিলক্ষন করবেন তাওরাত, জাবুর, আর ইঞ্জিলে।

ধর্ম সব সময়ই মানুষের সৃষ্টি। যাই হোক আমার লেখা পড়েছেন, বলে খুব খুশি হলাম।
১৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৭
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
পথহারা বলেছেনঃ

হতে পারে কুরানে এদের ব্যাপারে আলাদা করে বলার প্রয়োজন নাই কারন এরা নিজশ্ব চিন্তা ধারা এপ্লাই করে (কোনো রকমের ঈশ্বরের দোহাই না দিয়ে) যা তাদেরকে এক কাতারে দার করিয়ে দেয়
to be rejected by islam.

---------------------------------------------

ভাই, মানতে পারলাম না । সকল মূর্তিপূজকদের বিশ্বাস এক কাতারে হতে পারে , তাই বলে তাদের সংস্কৃতি,দৈশিক,সামাজিক চিন্তাধারা বিভিন্ন । সুতরাং, হিন্দু ধর্মের পুরোপুরি অনুল্লেখ থাকাটা - কোরান অপার্থিব হিসাবে খুবই বিষ্ময়ের জন্ম দিচ্ছে । আপনার যুক্তিটি দুর্বল ।
১৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৪
comment by: মদনবাবু বলেছেন: কুরআন আসলে সেই সকল বইয়ের থেকে লেখা একটা বই। খুব অবাক করা কথা হলেও সত্য। এখন, এইটা সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বলেই আমার মনে হয়।

দেখুন, আলেকজান্দ্রিয়ার বইগুলোতে যেসব ঘটনার উল্লেখ থাকার কথা
১) ফিরাও দের কথা
২) ইব্রাহিমের কথা
৩) বেথেলহ্যামের কথা,

সমস্তই আপনি কুরআনে পাবেন। সুতরাং এই বইগুলো যে পড়বে, সে বইগুলোকে নিজের আদর্শে মাখিয়ে নতুন কিছু লিখবে এইটাই স্বাভাবিক। এইজন্য সব ধর্মই আদম আর হাওয়াকে নিজেদের সপত্তি বানিয়ে ধর্মকে চিরন্তন বলতে চায়। সেই একই উদ্দেশ্য পরিলক্ষন করবেন তাওরাত, জাবুর, আর ইঞ্জিলে।


-----------------

আপডেটে এ্যাড করেন ক্যাচাল।

এই তথ্য ব্যপক আলোচনার খোরাক।
১৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৫
comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: @ হমপগ্, আপনার যুক্তি খুবই দূর্বল। বাচ্চাদের মত সরল। রেফারেন্স ও নাই, কাজেই এর কোন মূল্য নাই।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনি হমপগ্রের সমমানের কমেন্ট পোস্ট করুন পারলে আমি আপডেট করবো। না পারলে অফ যান।

১৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৯
comment by: হমপগ্র বলেছেন: শিহাব চৌধুরী

আমার সমস্ত কথার শেষে একটাই কথা, "হতে পারে"। কারণ আমাদের কাছে অনেক কিছুই অস্পষ্ট। আমরা জানতে চাই। এই কথাগুলো যাযাদি এর এক সাংবাদিকের কাছ থেকে শোনা, যিনি আমার শিক্ষক ছিলেন কলেজে। তাঁর কাছে রেফারেন্স বুক আছে।

আমি ধর্মীয়, অথবা সাধারণত মিরাক্যালে বিশ্বাস করি না। সব কিছুরই একেকটা ব্যাখ্যা থাকা চাই। আগেকার দিনের মানুষ স্বপ্ন বিলাসী ছিলো। সুতরাং তাদেরকে কিছুটা জাদু মাখানো কথা দিয়ে ভুলানো খুবই সহজ ছিলো।

যীশুর জন্ম যেমন খুব রহস্যময়, তেমনি তাঁর মৃত্যু। এইসব ঘটনা (মিরাক্যাল) আমাদের যদি কোন সুশিক্ষা দেয় তো দিক, সেটা অনেক শ্রেয়। কিন্তু সত্য করে দেখুন আজ পর্যন্ত এমন কোন বড় ঘটনা কি ঘটেছে আপনার জীবনে, যা আসলেই মিরাক্যাল? ঘটবে না। কারন অতি প্রাকৃত বলে কিছু নেই, সব ইলুইশন।

কিন্তু আমাকে প্রশ্ন করলে, মহানবীর (সঃ) মিরাজে যাওয়া, অথবা, তাঁর চাঁদ ভাগ করে দেওয়ার ঘটনা, সেগুলো আমি বিশ্বাস করি। এর একটা পার্সোনাল কারণ আছে। সেটা পরে একসময়ে ব্যাখ্যা করে দেব।

আমি বিশ্বাসী সবার উপরে। হ্যা তবে কিসে বিশ্বাসী? ভাল জিনিসে, সব ভাল জিনিসে, খারাপ কিছুতে নয়। এইভাবে আমি সব ধর্মের ভালতে বিশ্বাসী, আর খারাপে অবিশ্বাসী।

ভাল থাকবেন।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: আমি বিশ্বাসী সবার উপরে। হ্যা তবে কিসে বিশ্বাসী? ভাল জিনিসে, সব ভাল জিনিসে, খারাপ কিছুতে নয়। এইভাবে আমি সব ধর্মের ভালতে বিশ্বাসী, আর খারাপে অবিশ্বাসী।

খুউব সুন্দর কথা, আমার মনের মতো!

১৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৯
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
হমপগ্র, আপনি কি বলতে চাচ্ছেন হেরা গুহা, হযরত মুহাম্মদের পাঠাগার ছিল ? হতে পারে ।

"দেখুন, আলেকজান্দ্রিয়ার বইগুলোতে যেসব ঘটনার উল্লেখ থাকার কথা
১) ফিরাও দের কথা
২) ইব্রাহিমের কথা
৩) বেথেলহ্যামের কথা,
সমস্তই আপনি কুরআনে পাবেন।
"

যদি উক্ত তিনটি ঘটনা সত্য হয়, তবে আলেকজান্দ্রিয়ার ব ইগুলোতে যা থাকবে, তা কুরানেও থাকবে, ইঞ্জিলেও থাকবে, তাওরাতেও থাকবে (সত্য তো ইনভেরিয়েবল)। এটা দিয়ে কুরান কে মানুষের লেখা গ্রন্থ বলা, যুক্তিযুক্ত হচ্ছে কি(কুরানের বহু ডাম্বফাউন্ডেড আয়াত আছে বলেই বলছি )? প্রশ্ন জাগছে ।
১৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪০
comment by: পথহারা বলেছেন: িসহাব চৌধুরী

মানা না মানা আপনার ব্যাপার। আপনি যে হিন্দু শব্দটি ইউজ করছেন। সেটার মানে জানার জন্য হিন্দু ধরমে এক্সপারট কাউরে জিগাইতে পারেন। ইসলাম হিউম্যান কাইন্ডরে কি স্কেলে ডিফারেন্সিয়েট করে সেটা আগে যানুন।
২০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪২
comment by: হমপগ্র বলেছেন: মদন বাবু,

ভাই অনেক বলেছি, আমি রেফারেন্স নিয়ে আসিনি, এইটা খুব বড় একটা চাপাবাজির পর্যায়ে পড়ে যাবে। আমি আপনাদের এই থ্রেডে আবার প্রবেশ করবো, তবে এবার রেফারেন্স নিয়ে।

সুতরাং কাল পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করতে হবে।
২১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৪
comment by: হমপগ্র বলেছেন: শিহাব চৌধুরী

দাড়ান আরেকটু প্রিসাইস্লি জবাব দিবো।
তবে তার আগে একটু অপেক্ষা করুন।

প্রশ্ন করাটা খুবই সংগত। এইটা আপনার অধিকার।
২২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৭
comment by: মদনবাবু বলেছেন: @ হমপগ্র : সব বিষয়ে রেফারেন্স এর আবশ্যকতা নেই। সহজ সরল যৌক্তিক ব্যাখ্যাই যথেশ্ঠ যা আপনার লেখায় আছে ।
২৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫২
comment by: মদনবাবু বলেছেন: িসহাব চৌধুরী বলেছেন:
হমপগ্র, আপনি কি বলতে চাচ্ছেন হেরা গুহা, হযরত মুহাম্মদের পাঠাগার ছিল ? হতে পারে ।

যৌক্তিক ভাবে মিথ্যা । যেহেতু মুহম্মদ নিরক্ষর ছিলেন। তবে সাহায্যকারীর ভুমিকা প্রশ্নসাপেক্ষ।
২৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৩
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:

পথহারা, আপনাকে প্রথমে বুঝতে হবে আমি ইসলাম আঘাত করছি না (আজ দুপুরে যোহরের নামায পড়েছি)। আমার শুধুই জানার খায়েশ । আপনার ও হমপগ্র ভাইয়ের কথায় অনেক কিছু জানতে পেরেছি । আপনি খেপছেন কেন ?

কোরানে যদি লূত,আহুদ জাতির পাপাচারের বর্ণনা থাকে তাহলে ভারতের মূর্তি পূজকদের (ইসলাম মতে এরাও পাপাচারী) কথাও থাকা উচিত । কারন কুরান এটি ঐশী গ্রন্থ , এটি সব মানুষের গ্রন্থ (কুরান মতে ) ।

মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোর জন্য সকলকে আহবান করছি ।
২৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৭
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন: মদনবাবু বলেছেন: িসহাব চৌধুরী বলেছেন:
হমপগ্র, আপনি কি বলতে চাচ্ছেন হেরা গুহা, হযরত মুহাম্মদের পাঠাগার ছিল ? হতে পারে ।

যৌক্তিক ভাবে মিথ্যা । যেহেতু মুহম্মদ নিরক্ষর ছিলেন। তবে সাহায্যকারীর ভুমিকা প্রশ্নসাপেক্ষ।

--------------------------------------------------

হযরত মুহাম্মদকে পাঠক ভাবতে আমার নিজের ই বিব্রত লাগছিল । ধন্যবাদ মদনবাবু, আমার বিব্রতভাব দূর করার জন্য । ব্লগে এসে আস্লেই অনেক কিছু শিখছি ।
২৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৫
comment by: মদনবাবু বলেছেন:

মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোর জন্য সকলকে আহবান করছি ।
২৭. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৯
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: পথহারা ,শুনেন।
এটা আমার সিরিয়াস পোস্ট।
শুদ্ধ বাংলায় ভদ্র ভাষায় যুক্তি দিয়ে কথা বলুন।
আপনার দূর্বল জেনারেলাইজ্ড যুক্তি ও কিন্তু আলোচনায় রাখা হয়েছে।
২৮. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১১
comment by: মদনবাবু বলেছেন: িসহাব চৌধুরী বলেছেন:

এটা দিয়ে কুরান কে মানুষের লেখা গ্রন্থ বলা, যুক্তিযুক্ত হচ্ছে কি(কুরানের বহু ডাম্বফাউন্ডেড আয়াত আছে বলেই বলছি )? প্রশ্ন জাগছে ।

---------------

ডাম্বফাউন্ডেড আয়াত >> কয়েকটা কী এখানে পোস্ট করবেন ।
২৯. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:২৭
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: @@ পথহারা ;

খুবই সাদামাটা যুক্তিখন্ডন। তারপরে ও প্রশংসার দাবী রাখে। কোরআন শরিফ যেখানে প্রত্যেক টা জিনিস ব্যাখ্যা দিয়েছে; বিগ ব্যাং থেকে শুরু করে এমিবা পর্যন্ত, সেখানে হিন্দু ও বুদ্ধ- এই দুইটা জিনিসের ব্যাপারে সরাসরী উল্লেখ না করাটাই তো প্রশ্নের উদ্রেক করে। তাই নয় কি?
৩০. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৪
comment by: পথহারা বলেছেন: িসহাব চৌধুরী


আমি কখোনো ক্ষেপিনা............u got me rong man!!


িসহাব চৌধুরী/ক্যাচাল ,


আপনি যদি সায়েন্টিফিক ইনভেনশনের দিকে তাকান তাহলে দেখবেন....available ingredients are the best (or only) way to interpret the things. দেখুন, ১৪০০ বছর আগের আরব এলাকার মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির প্রসারতার কথা চিন্তা করেন । ভারতের কোনো দুরগম এলাকার মানুষ্যকুল কি প্রাকটিস করছে, সেটা কতটা প্রাসংগিক হতো, মুরতি পুজা(মুলত পৌত্তলিক কালচার) নিয়ে ঈশ্বরের বানী বুঝানোতে? যেখানে তাদের নেয়ারেস্ট কোমুনিটি অর হিস্ট্রিতে অসংখ্য সিমিলার culture/idology were being practised?


স্বভাবত ই প্রশ্ন আসবে যে, নবী যা জানেনা তা নিয়া গেজাইতে পারে নাই তাই কুরানে ভারত (অর ভারতিয় জাতির কথা) ঠাই পায় নাই। দেখুন , নবী আসলেই কোনো বিষয়ে ওয়াকবিহল ছিলো না যদিনা ঐশ্বরিক ভাবে তা প্রদত্ত হতেন। ভারত জাতির কথা বিষদ বলাতে ইসলামের মুল এজেন্ডায় খুব একটা সিগনিফিকেন্ড ও ছিলো না। এর একটা কারন may be limitation of the knowledge of Indian community at that time.

তাহলে ইসলাম/ কুরান স্বারবো জনীন হয় কি করে?

আজকের দিনে দুনিয়া অনেক ছোটো হইয়া গেছে....ইন্টার কালচার এখন clash হচ্ছে। কিন্তু আপনি একটা জিনিস দেখবেন সকল মানব জাতিই তার ইহলৌকিক এবং পারলৌকিক সকল ব্যাপার একই রকম attitude show করে। তাহলে বলুন what really make difference if Quran doesn't talk about indian traditional culture/religion? or Rural african culture who practise many idols as GOD? ...............Isn't it ok to put them in same catagory and call them Idol worshipers?
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: তার মানে আপনি বলতে চান কোরআন শরীফে যে ''Idol worshipers'' কথাটা ব্যবহার করা হয়েছে তার মধ্যেই হিন্দু ও বুদ্ধ এই দুইটি ব্যাপার রয়েছে?

কিন্তু ইতিহাস থেকে যা জানা যায় তৎকালীন সময়ে Idol worshipers বলতে পেগান( Pagan) অনুসরী দের কেই বুঝানো হয়েছে। এ নিয়ে আপনি আয়াত ৫৩-১৯,২০,২১ দেখতে পারেন।

৩১. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪০
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
আয়াতগুলো আমি পড়েছিলাম অন্য আরেকটি বইয়ে, মানে কুরান থেকে ডাইরেক্ট নয় । সুতরাং আয়াতগুলোর ভাবার্থ গুলো দিতে পারি, চমকপ্রদ হবার কারন সহ -

১) "সবার উপরে ১৯" - যে সূরার আয়াত এটি, সেই সূরার আয়াত সংখ্যা, হরফ সংখ্যা, শব্দ সংখ্যা --- ১৯ দ্বারা নিঃশ্বেষে বিভাজ্য !!

২)"লোহা অতি উপকারী বস্তু" - (আয়াত নং ২৬[কোন সূরা মনে করতে পারছি না,দুঃখিত]) - লোহার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ !!

৩) "আমি একটি উটকেও সুইয়ের ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করাতে সক্ষম " - আমাদের জ্ঞাত কোন বস্তুর সাথে মিলে কি? জ্বী, অনেক কুরানের গবেষকের বিশ্বাস এখানে "ব্ল্যাক হোল" সম্মন্ধে ইংগিত করা হয়েছে !!

আয়াতগুলোকে কাকতাল বলে উড়িয়ে দেয়া যায়, আবার যায় ও না ।
------------------------------------------------

এ রকম আরো অনেক আয়াত ছিল উক্ত বইটিতে । মনে করতে পারছি না- সবগুলো, অনেক আগে পড়া । ক্ষমাপ্রার্থী , রেফারেন্স বিহীন আয়াত গুলো উল্লেখ করার জন্য । যেহেতু মুক্ত আলোচনা হচ্ছে (ছিদ্রাণ্বেষন হচ্ছেনা) তাই নির্ভয়ে দিলাম । মুক্তচিন্তার জয় হোক ।

@ মদন বাবু ।
৩২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৭
comment by: মদনবাবু বলেছেন: @@ পথহারা ।ব্যাখ্যা কী যুক্তিযুক্ত হোলো । মুহম্মদ দুর্গম ( আরব দেশের সাপেক্ষে ) চীন দেশ কে চেনতেন কিন্তু ভারতবর্ষ কে আমলে নেন নাই । কেমনে কী ?
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: উত্তরের অপেক্ষায়।

৩৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৫
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:



পথহারা বলেছেনঃ

what really make difference if Quran doesn't talk about indian traditional culture/religion?

-----------------------------------------------------------

কালচার আর রেলিজিওন মেলাচ্ছেন কেন ভাই ? তাহলে বলেন যে ইস্লামিক সংস্কৃতিই(আরবীয় সংস্কৃতি) আমাদের সংস্কৃতি (বাঙ্গালী সংস্কৃতি) ? যদি তা না বলেন, তাহলে বলতে হয় -

it really makes plethoric difference if Quaran doesn't talk about indian traditional culture .

একটা উদাহরন দিই - ভারতবর্ষ নদী বিধৌত দেশ । এখান কার মূর্তি পূজকদের জীবন ধারন অনেকটাই নদী নির্ভর ছিল । আরব ছিল মরু প্রধান দেশ । সেখানে জীবন ধারন অনেকটাই পশুপালন নির্ভর । ফলে তাদের পারস্পরিক(ভারতীয় বনাম ভারতীয় । আরবীয় বনাম আরবীয়) বাণিজ্যরীতি পুরোপুরি আলাদা । অনেক ছোটখাট ঘটনার মাধ্যমে আরবীয় বাণিজ্য রীতি কেমন হবে তা স্পষ্ট ভাবে বর্ণিত আছে ।


এখন মনে করুন, ইসলাম খুব তাড়াতাড়ি ভারতবর্ষে প্রচারিত হয়ে পড়ল (প্রবর্তনের দুইশ বছরের মধ্যে ) । তখন যদি কোন ভারতীয় মূর্তিপূজক কোরান পড়ে, তবে সে নিজেকে কোরান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করবে । এক্ষেত্রে কোরানের সার্ব জনীনতায় ভাটা পড়ছে ই , যা কোরানের কাছ থেকে আশা করিনা ।
৩৪. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২২
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: প্রিয় ক্যাচাল,

আমি ইসলাম বিষয়ক গবেষক নই। তবে, যতটুকু জানি কুরআনে শিরককারীদের ও সাকার দেবতার পুজকদের কথা বলা হয়েছে। আর হিন্দু আর বুদ্ধরা ঐ গ্রুপের অন্তর্গত। আর হিন্দু মূলত কোন ধর্ম নয়। হিন্দুস্থানের অধিবাসীরাই হিন্দু। সেই হিসেবে আপনি আমি সবাই হিন্দু, যারা ভারতের অধিবাসী (বর্তমান সীমান্তের কথা এখানে অচল)। হিন্দুদের বিশ্বাস সনাতনী ধর্ম বিশ্বাস হিসেবে পরিচিত। আর বুদ্ধদের ধর্মতো আসলে একটা দর্শন। ওদের আচার সংস্কৃতি বেশির ভাগই হিন্দুদের থেকে নেওয়া।


আমি আবারো বললাম, এ বিষয়ে যতটুকু আমি জানি তাই বললাম। আসতে বলছেন তাই আসলাম, হুদাহুদি তর্কে আমি আগ্রহী নই। ধন্যবাদ।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনি তো বিবর্তনের বস্। আপনি আমাকে একটু হেল্প করবেন?
কোরআন যখন নাজিল হয়েছিলো তখন বিশ্বের মোট কতভাগ লোক হিন্দু ও বুদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো?

৩৫. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৪
comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: ক্যাচাল, রেফারেন্সের গুরুত্ব বুঝেন? না বুঝলে আপনারই পাবলিক ফোরাম থেকে অফ যাওয়া উচিত।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: আমি তো রে ভাই কূয়োর ব্যাং, আপনি বুঝাইয়া বললেই বুঝবো।

৩৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৬
comment by: শমশের আলম শোভন বলেছেন: ভাইরে আল্লাহর বেপারগুলা এক্টু ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন না কেন৷ উনারা অত পড়ুয়া লুক ছিলেন না৷ এল্লিগা চীন দেশ যাইতে কইছেন, ভাবছেন ঐটাই বেশি দুরে৷ আল্লাহর কাছে যেই ভুগোলের চোথাটা ছিল ঐটাতে আম্রিকার নাম ছিল না৷ ওস্ট্রেলিয়াও ছিল না৷ যদিও ঐসময় মেসো আমেরিকাতে এডভান্সড সিভিলাইজেশন ছি।
৩৭. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩৬
comment by: মদনবাবু বলেছেন:

নাস্তিকতার প্রচার বা প্রসার নয় বরং মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোই আলোচনার উদ্দেশ্য। মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোর জন্য সকলকে আহবান করছি ।
৩৮. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩৬
comment by: পথহারা বলেছেন: মদনবাবু

ঐ সময় চীন দুরগম না ইন্দিয়া দুরগম ( considering undersatnding of culture) ছিলো সেটা তুমি কি কৈরা সিউর হও আমি বুঝি না। চীনকে নিয়া কুরানে কোনো প্রসংগ আসে নাই। আসছে হাদিসে যেখানে গিয়ান চরচার জন্য সুদুর চায়না (ঐ সময়কার aparent most difficult place to go(may be)/ best place to be familier with scienc and tech) যাইতে কৈছে.......


আমি কতা কৈ মুক্ত মনে নিজে যা বুঝি .তাই.....I dont like to give ref....হতে পারে নবী/(ততকালিন) আরব সমাজ ভারত সমাজ নিয়া অনেক গিয়ান রাখতো......so what?

what is the point?


মুরতি পুজক হিসাবে ঈশ্বরের বানী ভারতবাসীর প্রসংগ আসার তো কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না কারন মক্কা ইটসেল্ফ মুরতি পুজকে অভ্যস্ত ছিলো.....then what could be the possible reason to have Ayat regarding India?




৩৯. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩৯
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: The word(s) "Jesus" appears 29 time(s) in 28 verse(s) in Quran in Yusuf Ali translation.

The word(s) "mose" appears 176 time(s) in 167 verse(s) in Quran in Yusuf Ali translation.

দেখেন আল-কোরআনে যীসু ও মসী এর কথা কয়বার উল্লেখ করা আছে তা ও আমাদের অংকের মধ্যে আছে, সেই হিসাবে ক্বষ্ণ অথবা বুদ্ধ এর নাম একবার হলেও তো আশা উচিত, তাই নয় কি?

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: আল কোরআনে কিন্তু পেগানদের মূর্তি লাত, উযযা ও মানাত এই তিনটার উল্লেখ আছে।

৪০. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৬
comment by: মদনবাবু বলেছেন:
হাদিস অলারা তাইলে চীনে দেশে ধর্ম প্রচারের আগে ভারতবর্ষের দিকে কেনো নযর দিলো । চীনে কী তাইলে পাত্তা পায় নাই ?
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫০

লেখক বলেছেন: মাহমুদউল্লাহ রে কি আপনি থামাবেন? আমি কি আ টাইপের মানূষ, আমার সিরিয়াস পোস্ট টা নষ্ট করে দিচ্ছে মা,সা।

৪১. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫২
comment by: মদনবাবু বলেছেন: @ ক্যাচাল । আগের পোস্টটা একটু দেখেন ।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: দেখছি, উত্তর দেওয়ার দরকার মনে করি নাই। '' Quranic Word Analysis'' নামে বই আছে কিনা খুজতাছি। পাইলে আওয়াজ দিয়েন তো।

৪২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৫
comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: কি ভাই ক্যাচাল, গোস্বা করলেন নাকি? নো প্রবলেম। আমার কমেন্টগুলা মুছে দিতে পারেন (এইটা সহ) ।আপনার সিরিয়াস :) :) পোস্ট নষ্ট করতে চাই না।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: আমি কারো কমেন্ট ডিলেট করি না। আপনাকে ধন্যবাদ।

৪৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৭
comment by: মদনবাবু বলেছেন: @ মাহমুদউল্লাহ । এখানে ত আলোচনা চলছে । সামহোয়ারইন সোশাল ব্লগিং সাইট। আপনি মনে হয় না সোশাল ব্লগিং আর এমনি পাবলিক ফোরাম এ দুয়ের মাঝের পার্থক্যটা বুঝেন।

এই পোস্টের কোথাও আপনার তরফ থেকে রেফারেন্স যুক্ত তো কিছুই পেলাম না। আপনী ভাই অফ যান ।
৪৪. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৩১
comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: মদনবাবু, সমালোচনা আলোচনার একটা অংশ, আমি কিন্তু শুধু প্রথম কমেন্টাই নিজের ইচ্ছাতে করেছি, যেটাতে হমপগ্র ভাই একটি নতুন ধরণের মন্তব্য করেছেন, আমি তার রেফারেন্স চেয়েছি। উনি নিজেও কিন্তু পরে রেফারেন্স দিতে চেয়েছেন। কাজেই ঘটনা শেষ। আমার বাকি কমেন্টগুলা কিন্তু কাউনটার কমেন্ট হিসাবে এসেছে। আর একবার নজর বুলালাম, আপনার নিজেরও কোন রেফারেন্স বা যৌক্তিক কমেন্ট পেলামনা। বরং আপনি ক্যাচাল ভাইকে পোস্ট আপডেট করতে বলেছেন হমপগ্র ভাইয়ের কথা যুক্ত করে যেটা উনিই বলেছেন "হতে পারে"। আপনার পরামর্শটায় যুক্তির চেয়ে আবেগ কিন্তু বেশি ছিল।

@ক্যাচাল, আন্তরিক ভাবেই দুঃখিত আবার আসার জন্য এবং অপ্রাসংগিক কথা বলার জন্য। কথা দিচ্ছি এই পোস্টে আর আসব না। আবারো বলছি, আপনি অপ্রাসংগিক কথাগুলা মুছে দিতে পারেন।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: ক্যাচাল বাদ দিয়ে আসল আলোচনা চলুক, আপনাকে অবশ্যই স্বাগতম।

৪৫. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৩১
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:

ভাইসব চালায়া যান ! এরকম আলোচনা চাই !! ঈশ্বর ও ধর্ম নিয়ে নোংরা রুচিহীন (নিধিরামীয়) আলোচনা ব্লগটাকে ভদ্র ব্লগারদের রেচনের অনুপযোগী করে তুলেছে ।


ব্লাসফেমী নাস্তিকদের আরধনা না । নাস্তিকদের আরাধনা মুক্তচিন্তার মাধ্যমে সত্যকে তুলে নিয়ে আসা ।

সত্যকেই ঈশ্বর মানি ।

ধন্যবাদ ক্যাচাল ভাই , সাবলীল আলোচনার সুযোগ দেয়ার জন্য । আপনার ব্লাসফেমী tandency change করলে বহু মুক্তমনা ব্লগার আপনার পোষ্টে আলোচনায় অংশ নিবেন বলে আশা করি ।

পুকুরে আপনাকে স্বাগতম । :)

অফিস আছে , ঘুমাইলাম ।
৪৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৫৫
comment by: মদনবাবু বলেছেন: @মাহমুদউল্লাহ : রেফারেন্স নিয়ে টানাটানি কিন্তু শুরু করেছেন আপনিই । ক্যাচাল সাহেব ত যথোপযুক্ত রেফারেন্স সাপেক্ষেই পোস্টের অবতারনা করেছেন । হমপগ্র ভাই নতুন ধারনা দিয়েছেন । উনি নিজেও কিন্তু পরে রেফারেন্স দিতে চেয়েছেন। কাজেই ঘটনা শেষ। আমি এই পোস্টে এমন কোনোও মন্তব্য করিনী যা রেফারেন্স সাপেক্ষ ।আপনাকে অফ যেতে বলা হয়েছে কেননা আপনি কাউন্টার মন্তব্যের আড়ালে উদ্দেশ্যমুলক ভাবে ক