নাস্তিকতার প্রচার বা প্রসার নয় বরং মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোই আলোচনার উদ্দেশ্য ঃkechal@hotmail.co.uk

ক্যাচালের সিরিয়াস পোস্ট
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৭
ডিস্ক্লেইমার : নাস্তিকতার প্রচার নয় বরং মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোই আলোচনার উদ্দেশ্য।
গত কয়েকদিন আজাইরা প্যাচাল করলাম, আজকে আমি একটা সিরিয়াস পোস্ট দিতে চাই। আমি বুঝতে পারছি আমার ক্যাচাল মার্কা পোস্ট অনেকেরই পছন্দ হচ্ছে না। কিন্তু যেহেতু আমি কূয়োর ব্যাং, তাই আমারও তো ইচ্ছে করে মাঝে মধ্যে পুকুরে আসতে, নদী কিংবা সাগরের কথা বাদ ই দিলাম।
যারা নদীতে কিংবা সাগরে বাস করেন তাদের কাছে জানতে চাই একটা সিরিয়াস প্রশ্ন।
::: একথা কি কেউ অস্বীকার করবেন যখন কোরআন নাজিল হয়েছিলো তখন পৃথিবীতে ইসলাম ছাড়াও আরো বড়ো দুইটি ধর্ম ছিলো। এর মধ্যে একটি হচ্ছে হিন্দু অন্যটি বৌদ্ধ । আল-কোরআনে এই দুইটি ধর্ম কি একবারো উল্লেখ আছে?:::
আবারো বলছি এটা আমার সিরিয়াস পোস্ট। কোন ধরনের ফাজলামী চলবে না এটা নিয়ে।
আপডেট:
সিহাব বলেন: কোরানে যদি লূত,আহুদ জাতির পাপাচারের বর্ণনা থাকে তাহলে ভারতের মূর্তি পূজকদের (ইসলাম মতে এরাও পাপাচারী) কথাও থাকা উচিত । কারন কুরান এটি ঐশী গ্রন্থ , এটি সব মানুষের গ্রন্থ (কুরান মতে ) ।
হমপগ্র বলেন:অনেক অনেক আগেকার কথা। তখন খ্রীষ্ট ধর্ম আর ইহুদি ধর্ম সু-প্রতিষ্ঠিত। আলেকজান্দ্রিয়া ছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লাইব্রেরী। সেই লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত ছিলো, কিছু মহা মূল্যবান বই যাতে প্রাচীন, ইহুদি আর খ্রীষ্ট ধর্ম সম্পর্কে বিষদ আলোচনা করা আছে। সেই সময় কোন এক কারণে অথবা কোন যুদ্ধের জন্য, এই লাইব্রেরিটা পুড়ে যায় আগুন লেগে। অনেক বিশ্ব-বিখ্যাত বই এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিন্তু আরবের একটা জাতির কাছে আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরির কিছু বই তখনও সংরক্ষিত ছিলো।
তারা সেইগুলো নিয়ে পারি জমান আরবে। বলা হয় ইসলাম এই বইগুলোকে অবলম্বন করে বেড়ে উঠেছে। ঐ বইগুলোতে হিন্দু অথবা বৌদ্ধ ধর্মের কথা লেখা ছিলো না। কারণ তখন এই প্রান্তরের মানুষ এত কিছু জানতো না। হয়তো এই কারণেই কুরআনে এই ধর্মগুলোর কোন উল্লেখ নাই।
যাই হোক, কথাগুলো খুব প্রিয় একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে শোনা। আমি নিজেও এর সত্যতা যাচাই করতে যাই নি।
আলেকজান্ড্রিয়া। মিশরে অবস্থিত একটি লাইব্রেরী ছিলো। এই বইগুলোর হদিস মেলে নাই তখন, মানে যেগুলো হারিয়ে গেলো, পুড়ে গেলো এবং লুট হলো।
এখন লুট হওয়ার পর কোথায় গেলো বইগুলো যখন সেখানকার রাজার কাছে কেউ কেউ জবাব চাইলেন, তখন, সেই রাজ্যের জোতিষি বললেন, "ঐ বইগুলো যে জাতির কাছেই পড়ুক, সেখানে একটা বিশাল রেভুল্যুশান হবে"।
কার্ল মার্কস এর ডাস ক্যাপিটাল যেমন একটা বই ছিলো রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের। আলেকজান্ড্রিয়া থেকে হারিয়ে যাওয়া বইগুলো সেইরকমই ছিলো হয়তো।
কুরআন আসলে সেই সকল বইয়ের থেকে লেখা একটা বই। খুব অবাক করা কথা হলেও সত্য। এখন, এইটা সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বলেই আমার মনে হয়।
দেখুন, আলেকজান্দ্রিয়ার বইগুলোতে যেসব ঘটনার উল্লেখ থাকার কথা
১) ফিরাও দের কথা
২) ইব্রাহিমের কথা
৩) বেথেলহ্যামের কথা,
সমস্তই আপনি কুরআনে পাবেন। সুতরাং এই বইগুলো যে পড়বে, সে বইগুলোকে নিজের আদর্শে মাখিয়ে নতুন কিছু লিখবে এইটাই স্বাভাবিক। এইজন্য সব ধর্মই আদম আর হাওয়াকে নিজেদের সপত্তি বানিয়ে ধর্মকে চিরন্তন বলতে চায়। সেই একই উদ্দেশ্য পরিলক্ষন করবেন তাওরাত,
জাবুর, আর ইঞ্জিলে।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন : তিনি [ শেষ নবী] কোরআনের কোন লিখিত ফর্ম হাজির করেননি, যা করেছেন তা হলো- বিভিন্ন ঘটনায় তাতক্ষণিকভাবে বিভিন্ন বিষয়ের আলোচনা, ফয়সালা, নতুন মত প্রচার এ সমস্তই করেন ঐশী বানীর নাম করে।
পথহারা বলেন:
তোমার প্রশ্নটা ভালো......তয় হিন্দুদের ব্যাপারে কিছু বলে নাই সেটা অবান্তর প্রশ্ন। হিন্দু নামে কোনো ধরমো নাই। এটা সনাতন ধরমো। লক্ষকোটি মুরতিপুজা (যারা মহাসত্বার মাল্টি রিফ্লেকশন রিপ্রেজেন্ট করে) সেটা আরবে হোক আর ভারতে হোক, কোনো পারথক্য আছে?
প্রশ্ন করা যাইতে পারে বু্দ্ধিজম নিয়া............একন বুঝতে হবে
বুদ্ধিজম কনচেপ্ট টা আসলে কি? বুদ্ধিজম টা কি আসলে গডের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে? না করলে প্রকারন্তরে তারা নাস্তিক.......
আর নাস্তিক যদি হইয়াই যায় তাহলে......এটা গুড নিউজ ফর ইউ(ক্যাচাল)। আর যদি এটা সাম সরট অফ ডিফ্লেকটেড হিন্দুইজম তাহলে
এই ধরমো নিয়া কুরানে আলাদা কৈরা বলার প্রয়োজন আছে বৈলা মনে হয় না।
তয় মাতায় রাখা উচিত, কুরানের ১০০০ বছর ( যিশুর ৫০০ বছর) পুরবে জন্ম নেওয়া এই ধরমো ( ধরমো বেত্তা) বানী অথবা জীবনি কতটা পিউর।
১. হতে পারে সে একজন ছোটো সাইজের নবি ছিলো যা তার অনুসারীরা কালের বিবরতনে পাল্টাইয়া ফালাইছে।
২. হতে পারে কুরানে অস্পষ্ট ভাবে কোনো লেস সিগনিফিকেন্ট নবির কতা বলা আচে যা বিষদ গবেষনার প্রয়োজন।
একালেও ভারতে অনেক সুফি মানুষ (বুদ্ধের অনুসারীদের বাইরে) দেকা যায় যারা এপারেন্টলি মানবজাতিকে ওম শান্তি ওম বলে শান্তির বারতা বৈয়ে দেন তাদের নিজস্ব ধ্যান ধারনা দিয়ে। তাদের কোটি অনুসারিও থাকে। তারা আসলে বলতে গেলে ছোটো খাটো বুদ্ধ......।
হতে পারে কুরানে এদের ব্যাপারে আলাদা করে বলার প্রয়োজন নাই কারন এরা নিজশ্ব চিন্তা ধারা এপ্লাই করে (কোনো রকমের ঈশ্বরের দোহাই না দিয়ে) যা তাদেরকে এক কাতারে দার করিয়ে দেয়
to be rejected by islam.
............কতা হলো ইচলাম এদের কে বাতিল বলে কেনো? পরকাল আর ইহকাল এই দুইটা বিশ্বাসীদের ( একগডের পুজক) ইচলাম একনামে বলে কেতাবে বিশ্বাসী। আর যারা মাল্টিগডের পুজক ((পরকালে ও ঐহকালে বিশ্বাসী) তাদের বাতিল বলে শিরকের কারনে।
বাকিরা সব এককাতারে (যারা পরকালে অবিশ্বাসী)। তাদের মধ্য অনেক সাধু সন্নাসী মানবতা বাদি থাকতে পারে। কিন্তু ইচলামে বিশ্বাস অনুযায়ি অল ইউজলেস / বাতিল এর কারন may be পরকালে অবিশ্বাস। সেই হিসাবে কাল মারক্স আর বুদ্ধের মধ্য কোনো পারথক্য আছে বৈলা মনে হয় না।
লেখক পথহারাকে বলেন: তার মানে আপনি বলতে চান কোরআন শরীফে যে ''Idol worshipers'' কথাটা ব্যবহার করা হয়েছে তার মধ্যেই হিন্দু ও বুদ্ধ এই দুইটি ব্যাপার রয়েছে?
কিন্তু ইতিহাস থেকে যা জানা যায় তৎকালীন সময়ে Idol worshipers বলতে পেগান( Pagan) অনুসারী দের কেই বুঝানো হয়েছে। এ নিয়ে আপনি আয়াত ৫৩-১৯,২০,২১ দেখতে পারেন।
The word(s) "Jesus" appears 29 time(s) in 28 verse(s) in Quran in Yusuf Ali translation.
The word(s) "mose" appears 176 time(s) in 167 verse(s) in Quran in Yusuf Ali translation.
দেখেন কোরআন যখন নাজিল হয়েছিলো তখন বিশ্বের মোট কতভাগ লোক হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো? অবশ্যই এই সংখ্যাটা কম নয়। কাজেই আল-কোরআন কোনভাবেই ঐ বিষয়টা না জানার কথা নয়। আল-কোরআনে যীসু ও মসী এর কথা কয়বার উল্লেখ করা আছে তা ও আমাদের অংকের মধ্যে আছে, সেই হিসাবে ক্বষ্ণ অথবা বুদ্ধ এর নাম একবার হলেও তো আশা উচিত, তাই নয় কি?
এমনকি আয়াত :১৮:৮৩-১০০ তে যুলকারনাইনের ছায়ায় আলেকজান্ডারের কথা আল-কোরআনে বলা আছে সেখানে আমরা ক্বষ্ণ অথবা বুদ্ধ নাম আশা করতেই পারি, তা না হউক অন্তত: ভারত শব্দ টা তো একবার হলেও উল্লেখ থাকাটা উচিত ছিলো।
আপডেট: ৬০০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলো আনুমানিক ২০০ মিলিয়ন মানে ২০ কোটি। তার মধ্যে চীনে ২৩ মিলিয়ন, ভারতে ২৬ মিলিয়ন, ইউরোপ ১৩ মিলিয়ন, আফ্রিকাতে ১০ মিলিয়ন, ভারত ছাড়া এশিয়াতে ১৮ মিলিয়ন এবং অন্যান্য ৪ মিলিয়ন।
Source: Colin McEvedy and Richard Jones, Atlas of World Population History (Penguin, 1978)
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ক্যাচাল বলেছেন:
৩০ মিনিটের ছুটি নিলাম, গোসল করবো, ভাত খাবো, পরে আসতেছি। ভালো থাকুন সবাই।
লেখক বলেছেন: আমি ও খুজতাছি।
নেহার পুরকায়স্থ বলেছেন:
কোরআন সম্পর্কে ধারণা নেই। তবে ইসলামের পূর্বে পৃথিবীতে আরো বড় দু'টি ধর্ম ছিল তা সত্যি।
লেখক বলেছেন: ইসলামের পূর্বে কথাটা আপত্তিকর, সবাই আদমের সন্তান, সুতরাং ইসলাম সর্বআদি ধর্ম।
মদনবাবু বলেছেন:
ভারতবর্ষের রাস্তা কী তখোনো চিনতো আরবের লোকেরা?
লেখক বলেছেন: ভারতের কথা কেউ জানতো না মনে হয়, আমেরিকার কথা তো নয় ই।
মিয়াবেপারী বলেছেন:
মনে হয় আমরা কোন কিছুই যেন সঠিক ভাবে যানি না..... কেন ?ইসলাম একটি সার্বজনীন ধর্ম, এর বেশি বলার কিছু নাই।
লেখক বলেছেন: ইসলাম একটি সার্বজনীন ধর্ম -please elaborate .
গন্ডমূর্খ বলেছেন:
আমি ঠিক জানি না, তবে উনি তো মূর্তিপূজার বিরূদ্ধেই জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন। তাহলে আরবের মূর্তিপূজকরা কোন ধর্মের ছিলেন ?খুব সম্ভবত আওরঙ্গজেব এর একটা পোষ্টে পড়েছিলাম 'রিক ভেদ' বাইবেল আর কোরানের মতোই ঐশী গ্রন্থ।
লেখক বলেছেন: তাহলে আরবের মূর্তিপূজকরা কোন ধর্মের ছিলেন ?
উনারা পেগান ধর্মের অনুসারী ছিলেন।
মদনবাবু বলেছেন:
১১ টি মন্তব্য
৭৯বার পঠিত
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
পরিসংখ্যান ভালো ।
লেখক বলেছেন: কেউ তো কোন উত্তর দিল ণা রে ভাই!
হমপগ্র বলেছেন:
আপনার প্রশ্নের জবাব আমার জানা নাই। তবে হ্যা এইটা আমারও প্রশ্ন এই বিশাল দুইটি ধর্মের কোন উল্লেখ নাই কেন কুরআনের। আরেকটা জিনিস,অনেক অনেক আগেকার কথা। তখন খ্রীষ্ট ধর্ম আর ইহুদি ধর্ম সু-প্রতিষ্ঠিত। আলেকজান্দ্রিয়া ছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লাইব্রেরী। সেই লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত ছিলো, কিছু মহা মূল্যবান বই যাতে প্রাচীন, ইহুদি আর খ্রীষ্ট ধর্ম সম্পর্কে বিষদ আলোচনা করা আছে। সেই সময় কোন এক কারণে অথবা কোন যুদ্ধের জন্য, এই লাইব্রেরিটা পুড়ে যায় আগুন লেগে। অনেক বিশ্ব-বিখ্যাত বই এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিন্তু আরবের একটা জাতির কাছে আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরির কিছু বই তখনও সংরক্ষিত ছিলো।
তারা সেইগুলো নিয়ে পারি জমান আরবে। বলা হয় ইসলাম এই বইগুলোকে অবলম্বন করে বেড়ে উঠেছে। ঐ বইগুলোতে হিন্দু অথবা বৌদ্ধ ধর্মের কথা লেখা ছিলো না। কারণ তখন এই প্রান্তরের মানুষ এত কিছু জানতো না। হয়তো এই কারণেই কুরআনে এই ধর্মগুলোর কোন উল্লেখ নাই।
যাই হোক, কথাগুলো খুব প্রিয় একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে শোনা। আমি নিজেও এর সত্যতা যাচাই করতে যাই নি। আমার লেখাটা যদি ইন্সাবস্টেন্সিয়েটেট হয় তাহলে ক্ষমা করে দিবেন।
আর ইসলামকে আদি ধর্ম বলার আগে অনেক কিছু বিবেচনা করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি। ধন্যবাদ।
হমপগ্র বলেছেন:
লেখক বলেছেন: মনে হয় , আপনি কি জানি বলতে চেয়েছিলেন এখানে, আরেকটুক বলেন,খুব সুন্দর বলেন আপনি। আপনাকে বন্ধু হিসাবে মাথায় ঢুকালাম।
মদনবাবু বলেছেন:
তারা সেইগুলো নিয়ে পারি জমান আরবে। বলা হয় ইসলাম এই বইগুলোকে অবলম্বন করে বেড়ে উঠেছে। ভাইংগা বলেন আরেকটু ।
পথহারা বলেছেন:
ক্যাচাল,তোমার প্রশ্নটা ভালো......তয় হিন্দুদের ব্যাপারে কিছু বলে নাই সেটা অবান্তর প্রশ্ন। হিন্দু নামে কোনো ধরমো নাই। এটা সনাতন ধরমো। লক্ষকোটি মুরতিপুজা (যারা মহাসত্বার মাল্টি রিফ্লেকশন রিপ্রেজেন্ট করে) সেটা আরবে হোক আর ভারতে হোক, কোনো পারথক্য আছে?
প্রশ্ন করা যাইতে পারে বু্দ্ধিজম নিয়া............একন বুঝতে হবে
বুদ্ধিজম কনচেপ্ট টা আসলে কি? বুদ্ধিজম টা কি আসলে গডের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে? না করলে প্রকারন্তরে তারা নাস্তিক.......
আর নাস্তিক যদি হইয়াই যায় তাহলে......এটা গুড নিউজ ফর ইউ(ক্যাচাল)। আর যদি এটা সাম সরট অফ ডিফ্লেকটেড হিন্দুইজম তাহলে
এই ধরমো নিয়া কুরানে আলাদা কৈরা বলার প্রয়োজন আছে বৈলা মনে হয় না।
তয় মাতায় রাখা উচিত, কুরানের ১০০০ বছর ( যিশুর ৫০০ বছর) পুরবে জন্ম নেওয়া এই ধরমো ( ধরমো বেত্তা) বানী অথবা জীবনি কতটা পিউর।
১. হতে পারে সে একজন ছোটো সাইজের নবি ছিলো যা তার অনুসারীরা কালের বিবরতনে পাল্টাইয়া ফালাইছে।
২. হতে পারে কুরানে অস্পষ্ট ভাবে কোনো লেস সিগনিফিকেন্ট নবির কতা বলা আচে যা বিষদ গবেষনার প্রয়োজন।
একালেও ভারতে অনেক সুফি মানুষ (বুদ্ধের অনুসারীদের বাইরে) দেকা যায় যারা এপারেন্টলি মানবজাতিকে ওম শান্তি ওম বলে শান্তির বারতা বৈয়ে দেন তাদের নিজস্ব ধ্যান ধারনা দিয়ে। তাদের কোটি অনুসারিও থাকে। তারা আসলে বলতে গেলে ছোটো খাটো বুদ্ধ......।
হতে পারে কুরানে এদের ব্যাপারে আলাদা করে বলার প্রয়োজন নাই কারন এরা নিজশ্ব চিন্তা ধারা এপ্লাই করে (কোনো রকমের ঈশ্বরের দোহাই না দিয়ে) যা তাদেরকে এক কাতারে দার করিয়ে দেয়
to be rejected by islam.
............কতা হলো ইচলাম এদের কে বাতিল বলে কেনো? পরকাল আর ইহকাল এই দুইটা বিশ্বাসীদের ( একগডের পুজক) ইচলাম একনামে বলে কেতাবে বিশ্বাসী। আর যারা মাল্টিগডের পুজক ((পরকালে ও ঐহকালে বিশ্বাসী) তাদের বাতিল বলে শিরকের কারনে।
বাকিরা সব এককাতারে (যারা পরকালে অবিশ্বাসী)। তাদের মধ্য অনেক সাধু সন্নাসী মানবতা বাদি থাকতে পারে। কিন্তু ইচলামে বিশ্বাস অনুযায়ি অল ইউজলেস / বাতিল এর কারন may be পরকালে অবিশ্বাস। সেই হিসাবে কাল মারক্স আর বুদ্ধের মধ্য কোনো পারথক্য আছে বৈলা মনে হয় না।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
ধন্যবাদ , ক্যাচাল ভাইয়া অজানা বিষয়টি গোচরিভূত করার জন্য ।
ধন্যবাদ হমপগ্র ভাইয়া । আপনার কথাগুলো(যদি সত্যি হয়ে থাকে) কুরআনকে মানুষের রচিত গ্রন্থ বলে ইংগিত করছে । সত্যের জয় হোক ।
কেউ যদি কোন উত্তর জানেন , তবে জানাবেন ।
হমপগ্র বলেছেন:
আলেকজান্ড্রিয়া। মিশরে অবস্থিত একটি লাইব্রেরী ছিলো। এই বইগুলোর হদিস মেলে নাই তখন, মানে যেগুলো হারিয়ে গেলো, পুড়ে গেলো এবং লুট হলো। এখন লুট হওয়ার পর কোথায় গেলো বইগুলো যখন সেখানকার রাজার কাছে কেউ কেউ জবাব চাইলেন, তখন, সেই রাজ্যের জোতিষি বললেন, "ঐ বইগুলো যে জাতির কাছেই পড়ুক, সেখানে একটা বিশাল রেভুল্যুশান হবে"।
কার্ল মার্কস এর ডাস ক্যাপিটাল যেমন একটা বই ছিলো রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের। আলেকজান্ড্রিয়া থেকে হারিয়ে যাওয়া বইগুলো সেইরকমই ছিলো হয়তো।
কুরআন আসলে সেই সকল বইয়ের থেকে লেখা একটা বই। খুব অবাক করা কথা হলেও সত্য। এখন, এইটা সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বলেই আমার মনে হয়।
দেখুন, আলেকজান্দ্রিয়ার বইগুলোতে যেসব ঘটনার উল্লেখ থাকার কথা
১) ফিরাও দের কথা
২) ইব্রাহিমের কথা
৩) বেথেলহ্যামের কথা,
সমস্তই আপনি কুরআনে পাবেন। সুতরাং এই বইগুলো যে পড়বে, সে বইগুলোকে নিজের আদর্শে মাখিয়ে নতুন কিছু লিখবে এইটাই স্বাভাবিক। এইজন্য সব ধর্মই আদম আর হাওয়াকে নিজেদের সপত্তি বানিয়ে ধর্মকে চিরন্তন বলতে চায়। সেই একই উদ্দেশ্য পরিলক্ষন করবেন তাওরাত, জাবুর, আর ইঞ্জিলে।
ধর্ম সব সময়ই মানুষের সৃষ্টি। যাই হোক আমার লেখা পড়েছেন, বলে খুব খুশি হলাম।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
পথহারা বলেছেনঃ
হতে পারে কুরানে এদের ব্যাপারে আলাদা করে বলার প্রয়োজন নাই কারন এরা নিজশ্ব চিন্তা ধারা এপ্লাই করে (কোনো রকমের ঈশ্বরের দোহাই না দিয়ে) যা তাদেরকে এক কাতারে দার করিয়ে দেয়
to be rejected by islam.
---------------------------------------------
ভাই, মানতে পারলাম না । সকল মূর্তিপূজকদের বিশ্বাস এক কাতারে হতে পারে , তাই বলে তাদের সংস্কৃতি,দৈশিক,সামাজিক চিন্তাধারা বিভিন্ন । সুতরাং, হিন্দু ধর্মের পুরোপুরি অনুল্লেখ থাকাটা - কোরান অপার্থিব হিসাবে খুবই বিষ্ময়ের জন্ম দিচ্ছে । আপনার যুক্তিটি দুর্বল ।
মদনবাবু বলেছেন:
কুরআন আসলে সেই সকল বইয়ের থেকে লেখা একটা বই। খুব অবাক করা কথা হলেও সত্য। এখন, এইটা সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বলেই আমার মনে হয়।দেখুন, আলেকজান্দ্রিয়ার বইগুলোতে যেসব ঘটনার উল্লেখ থাকার কথা
১) ফিরাও দের কথা
২) ইব্রাহিমের কথা
৩) বেথেলহ্যামের কথা,
সমস্তই আপনি কুরআনে পাবেন। সুতরাং এই বইগুলো যে পড়বে, সে বইগুলোকে নিজের আদর্শে মাখিয়ে নতুন কিছু লিখবে এইটাই স্বাভাবিক। এইজন্য সব ধর্মই আদম আর হাওয়াকে নিজেদের সপত্তি বানিয়ে ধর্মকে চিরন্তন বলতে চায়। সেই একই উদ্দেশ্য পরিলক্ষন করবেন তাওরাত, জাবুর, আর ইঞ্জিলে।
-----------------
আপডেটে এ্যাড করেন ক্যাচাল।
এই তথ্য ব্যপক আলোচনার খোরাক।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
@ হমপগ্, আপনার যুক্তি খুবই দূর্বল। বাচ্চাদের মত সরল। রেফারেন্স ও নাই, কাজেই এর কোন মূল্য নাই।
লেখক বলেছেন: আপনি হমপগ্রের সমমানের কমেন্ট পোস্ট করুন পারলে আমি আপডেট করবো। না পারলে অফ যান।
হমপগ্র বলেছেন:
শিহাব চৌধুরীআমার সমস্ত কথার শেষে একটাই কথা, "হতে পারে"। কারণ আমাদের কাছে অনেক কিছুই অস্পষ্ট। আমরা জানতে চাই। এই কথাগুলো যাযাদি এর এক সাংবাদিকের কাছ থেকে শোনা, যিনি আমার শিক্ষক ছিলেন কলেজে। তাঁর কাছে রেফারেন্স বুক আছে।
আমি ধর্মীয়, অথবা সাধারণত মিরাক্যালে বিশ্বাস করি না। সব কিছুরই একেকটা ব্যাখ্যা থাকা চাই। আগেকার দিনের মানুষ স্বপ্ন বিলাসী ছিলো। সুতরাং তাদেরকে কিছুটা জাদু মাখানো কথা দিয়ে ভুলানো খুবই সহজ ছিলো।
যীশুর জন্ম যেমন খুব রহস্যময়, তেমনি তাঁর মৃত্যু। এইসব ঘটনা (মিরাক্যাল) আমাদের যদি কোন সুশিক্ষা দেয় তো দিক, সেটা অনেক শ্রেয়। কিন্তু সত্য করে দেখুন আজ পর্যন্ত এমন কোন বড় ঘটনা কি ঘটেছে আপনার জীবনে, যা আসলেই মিরাক্যাল? ঘটবে না। কারন অতি প্রাকৃত বলে কিছু নেই, সব ইলুইশন।
কিন্তু আমাকে প্রশ্ন করলে, মহানবীর (সঃ) মিরাজে যাওয়া, অথবা, তাঁর চাঁদ ভাগ করে দেওয়ার ঘটনা, সেগুলো আমি বিশ্বাস করি। এর একটা পার্সোনাল কারণ আছে। সেটা পরে একসময়ে ব্যাখ্যা করে দেব।
আমি বিশ্বাসী সবার উপরে। হ্যা তবে কিসে বিশ্বাসী? ভাল জিনিসে, সব ভাল জিনিসে, খারাপ কিছুতে নয়। এইভাবে আমি সব ধর্মের ভালতে বিশ্বাসী, আর খারাপে অবিশ্বাসী।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আমি বিশ্বাসী সবার উপরে। হ্যা তবে কিসে বিশ্বাসী? ভাল জিনিসে, সব ভাল জিনিসে, খারাপ কিছুতে নয়। এইভাবে আমি সব ধর্মের ভালতে বিশ্বাসী, আর খারাপে অবিশ্বাসী।
খুউব সুন্দর কথা, আমার মনের মতো!
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
হমপগ্র, আপনি কি বলতে চাচ্ছেন হেরা গুহা, হযরত মুহাম্মদের পাঠাগার ছিল ? হতে পারে ।
"দেখুন, আলেকজান্দ্রিয়ার বইগুলোতে যেসব ঘটনার উল্লেখ থাকার কথা
১) ফিরাও দের কথা
২) ইব্রাহিমের কথা
৩) বেথেলহ্যামের কথা,
সমস্তই আপনি কুরআনে পাবেন।
"
যদি উক্ত তিনটি ঘটনা সত্য হয়, তবে আলেকজান্দ্রিয়ার ব ইগুলোতে যা থাকবে, তা কুরানেও থাকবে, ইঞ্জিলেও থাকবে, তাওরাতেও থাকবে (সত্য তো ইনভেরিয়েবল)। এটা দিয়ে কুরান কে মানুষের লেখা গ্রন্থ বলা, যুক্তিযুক্ত হচ্ছে কি(কুরানের বহু ডাম্বফাউন্ডেড আয়াত আছে বলেই বলছি )? প্রশ্ন জাগছে ।
পথহারা বলেছেন:
িসহাব চৌধুরীমানা না মানা আপনার ব্যাপার। আপনি যে হিন্দু শব্দটি ইউজ করছেন। সেটার মানে জানার জন্য হিন্দু ধরমে এক্সপারট কাউরে জিগাইতে পারেন। ইসলাম হিউম্যান কাইন্ডরে কি স্কেলে ডিফারেন্সিয়েট করে সেটা আগে যানুন।
হমপগ্র বলেছেন:
মদন বাবু,ভাই অনেক বলেছি, আমি রেফারেন্স নিয়ে আসিনি, এইটা খুব বড় একটা চাপাবাজির পর্যায়ে পড়ে যাবে। আমি আপনাদের এই থ্রেডে আবার প্রবেশ করবো, তবে এবার রেফারেন্স নিয়ে।
সুতরাং কাল পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করতে হবে।
হমপগ্র বলেছেন:
শিহাব চৌধুরীদাড়ান আরেকটু প্রিসাইস্লি জবাব দিবো।
তবে তার আগে একটু অপেক্ষা করুন।
প্রশ্ন করাটা খুবই সংগত। এইটা আপনার অধিকার।
মদনবাবু বলেছেন:
@ হমপগ্র : সব বিষয়ে রেফারেন্স এর আবশ্যকতা নেই। সহজ সরল যৌক্তিক ব্যাখ্যাই যথেশ্ঠ যা আপনার লেখায় আছে ।
মদনবাবু বলেছেন:
িসহাব চৌধুরী বলেছেন: হমপগ্র, আপনি কি বলতে চাচ্ছেন হেরা গুহা, হযরত মুহাম্মদের পাঠাগার ছিল ? হতে পারে ।
যৌক্তিক ভাবে মিথ্যা । যেহেতু মুহম্মদ নিরক্ষর ছিলেন। তবে সাহায্যকারীর ভুমিকা প্রশ্নসাপেক্ষ।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
পথহারা, আপনাকে প্রথমে বুঝতে হবে আমি ইসলাম আঘাত করছি না (আজ দুপুরে যোহরের নামায পড়েছি)। আমার শুধুই জানার খায়েশ । আপনার ও হমপগ্র ভাইয়ের কথায় অনেক কিছু জানতে পেরেছি । আপনি খেপছেন কেন ?
কোরানে যদি লূত,আহুদ জাতির পাপাচারের বর্ণনা থাকে তাহলে ভারতের মূর্তি পূজকদের (ইসলাম মতে এরাও পাপাচারী) কথাও থাকা উচিত । কারন কুরান এটি ঐশী গ্রন্থ , এটি সব মানুষের গ্রন্থ (কুরান মতে ) ।
মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোর জন্য সকলকে আহবান করছি ।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
মদনবাবু বলেছেন: িসহাব চৌধুরী বলেছেন: হমপগ্র, আপনি কি বলতে চাচ্ছেন হেরা গুহা, হযরত মুহাম্মদের পাঠাগার ছিল ? হতে পারে ।
যৌক্তিক ভাবে মিথ্যা । যেহেতু মুহম্মদ নিরক্ষর ছিলেন। তবে সাহায্যকারীর ভুমিকা প্রশ্নসাপেক্ষ।
--------------------------------------------------
হযরত মুহাম্মদকে পাঠক ভাবতে আমার নিজের ই বিব্রত লাগছিল । ধন্যবাদ মদনবাবু, আমার বিব্রতভাব দূর করার জন্য । ব্লগে এসে আস্লেই অনেক কিছু শিখছি ।
ক্যাচাল বলেছেন:
পথহারা ,শুনেন।এটা আমার সিরিয়াস পোস্ট।
শুদ্ধ বাংলায় ভদ্র ভাষায় যুক্তি দিয়ে কথা বলুন।
আপনার দূর্বল জেনারেলাইজ্ড যুক্তি ও কিন্তু আলোচনায় রাখা হয়েছে।
মদনবাবু বলেছেন:
িসহাব চৌধুরী বলেছেন: এটা দিয়ে কুরান কে মানুষের লেখা গ্রন্থ বলা, যুক্তিযুক্ত হচ্ছে কি(কুরানের বহু ডাম্বফাউন্ডেড আয়াত আছে বলেই বলছি )? প্রশ্ন জাগছে ।
---------------
ডাম্বফাউন্ডেড আয়াত >> কয়েকটা কী এখানে পোস্ট করবেন ।
ক্যাচাল বলেছেন:
@@ পথহারা ; খুবই সাদামাটা যুক্তিখন্ডন। তারপরে ও প্রশংসার দাবী রাখে। কোরআন শরিফ যেখানে প্রত্যেক টা জিনিস ব্যাখ্যা দিয়েছে; বিগ ব্যাং থেকে শুরু করে এমিবা পর্যন্ত, সেখানে হিন্দু ও বুদ্ধ- এই দুইটা জিনিসের ব্যাপারে সরাসরী উল্লেখ না করাটাই তো প্রশ্নের উদ্রেক করে। তাই নয় কি?
পথহারা বলেছেন:
িসহাব চৌধুরীআমি কখোনো ক্ষেপিনা............u got me rong man!!
িসহাব চৌধুরী/ক্যাচাল ,
আপনি যদি সায়েন্টিফিক ইনভেনশনের দিকে তাকান তাহলে দেখবেন....available ingredients are the best (or only) way to interpret the things. দেখুন, ১৪০০ বছর আগের আরব এলাকার মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির প্রসারতার কথা চিন্তা করেন । ভারতের কোনো দুরগম এলাকার মানুষ্যকুল কি প্রাকটিস করছে, সেটা কতটা প্রাসংগিক হতো, মুরতি পুজা(মুলত পৌত্তলিক কালচার) নিয়ে ঈশ্বরের বানী বুঝানোতে? যেখানে তাদের নেয়ারেস্ট কোমুনিটি অর হিস্ট্রিতে অসংখ্য সিমিলার culture/idology were being practised?
স্বভাবত ই প্রশ্ন আসবে যে, নবী যা জানেনা তা নিয়া গেজাইতে পারে নাই তাই কুরানে ভারত (অর ভারতিয় জাতির কথা) ঠাই পায় নাই। দেখুন , নবী আসলেই কোনো বিষয়ে ওয়াকবিহল ছিলো না যদিনা ঐশ্বরিক ভাবে তা প্রদত্ত হতেন। ভারত জাতির কথা বিষদ বলাতে ইসলামের মুল এজেন্ডায় খুব একটা সিগনিফিকেন্ড ও ছিলো না। এর একটা কারন may be limitation of the knowledge of Indian community at that time.
তাহলে ইসলাম/ কুরান স্বারবো জনীন হয় কি করে?
আজকের দিনে দুনিয়া অনেক ছোটো হইয়া গেছে....ইন্টার কালচার এখন clash হচ্ছে। কিন্তু আপনি একটা জিনিস দেখবেন সকল মানব জাতিই তার ইহলৌকিক এবং পারলৌকিক সকল ব্যাপার একই রকম attitude show করে। তাহলে বলুন what really make difference if Quran doesn't talk about indian traditional culture/religion? or Rural african culture who practise many idols as GOD? ...............Isn't it ok to put them in same catagory and call them Idol worshipers?
লেখক বলেছেন: তার মানে আপনি বলতে চান কোরআন শরীফে যে ''Idol worshipers'' কথাটা ব্যবহার করা হয়েছে তার মধ্যেই হিন্দু ও বুদ্ধ এই দুইটি ব্যাপার রয়েছে?
কিন্তু ইতিহাস থেকে যা জানা যায় তৎকালীন সময়ে Idol worshipers বলতে পেগান( Pagan) অনুসরী দের কেই বুঝানো হয়েছে। এ নিয়ে আপনি আয়াত ৫৩-১৯,২০,২১ দেখতে পারেন।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
আয়াতগুলো আমি পড়েছিলাম অন্য আরেকটি বইয়ে, মানে কুরান থেকে ডাইরেক্ট নয় । সুতরাং আয়াতগুলোর ভাবার্থ গুলো দিতে পারি, চমকপ্রদ হবার কারন সহ -
১) "সবার উপরে ১৯" - যে সূরার আয়াত এটি, সেই সূরার আয়াত সংখ্যা, হরফ সংখ্যা, শব্দ সংখ্যা --- ১৯ দ্বারা নিঃশ্বেষে বিভাজ্য !!
২)"লোহা অতি উপকারী বস্তু" - (আয়াত নং ২৬[কোন সূরা মনে করতে পারছি না,দুঃখিত]) - লোহার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ !!
৩) "আমি একটি উটকেও সুইয়ের ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করাতে সক্ষম " - আমাদের জ্ঞাত কোন বস্তুর সাথে মিলে কি? জ্বী, অনেক কুরানের গবেষকের বিশ্বাস এখানে "ব্ল্যাক হোল" সম্মন্ধে ইংগিত করা হয়েছে !!
আয়াতগুলোকে কাকতাল বলে উড়িয়ে দেয়া যায়, আবার যায় ও না ।
------------------------------------------------
এ রকম আরো অনেক আয়াত ছিল উক্ত বইটিতে । মনে করতে পারছি না- সবগুলো, অনেক আগে পড়া । ক্ষমাপ্রার্থী , রেফারেন্স বিহীন আয়াত গুলো উল্লেখ করার জন্য । যেহেতু মুক্ত আলোচনা হচ্ছে (ছিদ্রাণ্বেষন হচ্ছেনা) তাই নির্ভয়ে দিলাম । মুক্তচিন্তার জয় হোক ।
@ মদন বাবু ।
মদনবাবু বলেছেন:
@@ পথহারা ।ব্যাখ্যা কী যুক্তিযুক্ত হোলো । মুহম্মদ দুর্গম ( আরব দেশের সাপেক্ষে ) চীন দেশ কে চেনতেন কিন্তু ভারতবর্ষ কে আমলে নেন নাই । কেমনে কী ?
লেখক বলেছেন: উত্তরের অপেক্ষায়।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
পথহারা বলেছেনঃ
what really make difference if Quran doesn't talk about indian traditional culture/religion?
-----------------------------------------------------------
কালচার আর রেলিজিওন মেলাচ্ছেন কেন ভাই ? তাহলে বলেন যে ইস্লামিক সংস্কৃতিই(আরবীয় সংস্কৃতি) আমাদের সংস্কৃতি (বাঙ্গালী সংস্কৃতি) ? যদি তা না বলেন, তাহলে বলতে হয় -
it really makes plethoric difference if Quaran doesn't talk about indian traditional culture .
একটা উদাহরন দিই - ভারতবর্ষ নদী বিধৌত দেশ । এখান কার মূর্তি পূজকদের জীবন ধারন অনেকটাই নদী নির্ভর ছিল । আরব ছিল মরু প্রধান দেশ । সেখানে জীবন ধারন অনেকটাই পশুপালন নির্ভর । ফলে তাদের পারস্পরিক(ভারতীয় বনাম ভারতীয় । আরবীয় বনাম আরবীয়) বাণিজ্যরীতি পুরোপুরি আলাদা । অনেক ছোটখাট ঘটনার মাধ্যমে আরবীয় বাণিজ্য রীতি কেমন হবে তা স্পষ্ট ভাবে বর্ণিত আছে ।
এখন মনে করুন, ইসলাম খুব তাড়াতাড়ি ভারতবর্ষে প্রচারিত হয়ে পড়ল (প্রবর্তনের দুইশ বছরের মধ্যে ) । তখন যদি কোন ভারতীয় মূর্তিপূজক কোরান পড়ে, তবে সে নিজেকে কোরান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করবে । এক্ষেত্রে কোরানের সার্ব জনীনতায় ভাটা পড়ছে ই , যা কোরানের কাছ থেকে আশা করিনা ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
প্রিয় ক্যাচাল,আমি ইসলাম বিষয়ক গবেষক নই। তবে, যতটুকু জানি কুরআনে শিরককারীদের ও সাকার দেবতার পুজকদের কথা বলা হয়েছে। আর হিন্দু আর বুদ্ধরা ঐ গ্রুপের অন্তর্গত। আর হিন্দু মূলত কোন ধর্ম নয়। হিন্দুস্থানের অধিবাসীরাই হিন্দু। সেই হিসেবে আপনি আমি সবাই হিন্দু, যারা ভারতের অধিবাসী (বর্তমান সীমান্তের কথা এখানে অচল)। হিন্দুদের বিশ্বাস সনাতনী ধর্ম বিশ্বাস হিসেবে পরিচিত। আর বুদ্ধদের ধর্মতো আসলে একটা দর্শন। ওদের আচার সংস্কৃতি বেশির ভাগই হিন্দুদের থেকে নেওয়া।
আমি আবারো বললাম, এ বিষয়ে যতটুকু আমি জানি তাই বললাম। আসতে বলছেন তাই আসলাম, হুদাহুদি তর্কে আমি আগ্রহী নই। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনি তো বিবর্তনের বস্। আপনি আমাকে একটু হেল্প করবেন?
কোরআন যখন নাজিল হয়েছিলো তখন বিশ্বের মোট কতভাগ লোক হিন্দু ও বুদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো?
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
ক্যাচাল, রেফারেন্সের গুরুত্ব বুঝেন? না বুঝলে আপনারই পাবলিক ফোরাম থেকে অফ যাওয়া উচিত।
লেখক বলেছেন: আমি তো রে ভাই কূয়োর ব্যাং, আপনি বুঝাইয়া বললেই বুঝবো।
শমশের আলম শোভন বলেছেন:
ভাইরে আল্লাহর বেপারগুলা এক্টু ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন না কেন৷ উনারা অত পড়ুয়া লুক ছিলেন না৷ এল্লিগা চীন দেশ যাইতে কইছেন, ভাবছেন ঐটাই বেশি দুরে৷ আল্লাহর কাছে যেই ভুগোলের চোথাটা ছিল ঐটাতে আম্রিকার নাম ছিল না৷ ওস্ট্রেলিয়াও ছিল না৷ যদিও ঐসময় মেসো আমেরিকাতে এডভান্সড সিভিলাইজেশন ছি।
মদনবাবু বলেছেন:
নাস্তিকতার প্রচার বা প্রসার নয় বরং মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোই আলোচনার উদ্দেশ্য। মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোর জন্য সকলকে আহবান করছি ।
পথহারা বলেছেন:
মদনবাবুঐ সময় চীন দুরগম না ইন্দিয়া দুরগম ( considering undersatnding of culture) ছিলো সেটা তুমি কি কৈরা সিউর হও আমি বুঝি না। চীনকে নিয়া কুরানে কোনো প্রসংগ আসে নাই। আসছে হাদিসে যেখানে গিয়ান চরচার জন্য সুদুর চায়না (ঐ সময়কার aparent most difficult place to go(may be)/ best place to be familier with scienc and tech) যাইতে কৈছে.......
আমি কতা কৈ মুক্ত মনে নিজে যা বুঝি .তাই.....I dont like to give ref....হতে পারে নবী/(ততকালিন) আরব সমাজ ভারত সমাজ নিয়া অনেক গিয়ান রাখতো......so what?
what is the point?
মুরতি পুজক হিসাবে ঈশ্বরের বানী ভারতবাসীর প্রসংগ আসার তো কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না কারন মক্কা ইটসেল্ফ মুরতি পুজকে অভ্যস্ত ছিলো.....then what could be the possible reason to have Ayat regarding India?
ক্যাচাল বলেছেন:
The word(s) "Jesus" appears 29 time(s) in 28 verse(s) in Quran in Yusuf Ali translation.The word(s) "mose" appears 176 time(s) in 167 verse(s) in Quran in Yusuf Ali translation.
দেখেন আল-কোরআনে যীসু ও মসী এর কথা কয়বার উল্লেখ করা আছে তা ও আমাদের অংকের মধ্যে আছে, সেই হিসাবে ক্বষ্ণ অথবা বুদ্ধ এর নাম একবার হলেও তো আশা উচিত, তাই নয় কি?
লেখক বলেছেন: আল কোরআনে কিন্তু পেগানদের মূর্তি লাত, উযযা ও মানাত এই তিনটার উল্লেখ আছে।
মদনবাবু বলেছেন:
হাদিস অলারা তাইলে চীনে দেশে ধর্ম প্রচারের আগে ভারতবর্ষের দিকে কেনো নযর দিলো । চীনে কী তাইলে পাত্তা পায় নাই ?
লেখক বলেছেন: মাহমুদউল্লাহ রে কি আপনি থামাবেন? আমি কি আ টাইপের মানূষ, আমার সিরিয়াস পোস্ট টা নষ্ট করে দিচ্ছে মা,সা।
মদনবাবু বলেছেন:
@ ক্যাচাল । আগের পোস্টটা একটু দেখেন ।
লেখক বলেছেন: দেখছি, উত্তর দেওয়ার দরকার মনে করি নাই। '' Quranic Word Analysis'' নামে বই আছে কিনা খুজতাছি। পাইলে আওয়াজ দিয়েন তো।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
কি ভাই ক্যাচাল, গোস্বা করলেন নাকি? নো প্রবলেম। আমার কমেন্টগুলা মুছে দিতে পারেন (এইটা সহ) ।আপনার সিরিয়াস লেখক বলেছেন: আমি কারো কমেন্ট ডিলেট করি না। আপনাকে ধন্যবাদ।
মদনবাবু বলেছেন:
@ মাহমুদউল্লাহ । এখানে ত আলোচনা চলছে । সামহোয়ারইন সোশাল ব্লগিং সাইট। আপনি মনে হয় না সোশাল ব্লগিং আর এমনি পাবলিক ফোরাম এ দুয়ের মাঝের পার্থক্যটা বুঝেন। এই পোস্টের কোথাও আপনার তরফ থেকে রেফারেন্স যুক্ত তো কিছুই পেলাম না। আপনী ভাই অফ যান ।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
মদনবাবু, সমালোচনা আলোচনার একটা অংশ, আমি কিন্তু শুধু প্রথম কমেন্টাই নিজের ইচ্ছাতে করেছি, যেটাতে হমপগ্র ভাই একটি নতুন ধরণের মন্তব্য করেছেন, আমি তার রেফারেন্স চেয়েছি। উনি নিজেও কিন্তু পরে রেফারেন্স দিতে চেয়েছেন। কাজেই ঘটনা শেষ। আমার বাকি কমেন্টগুলা কিন্তু কাউনটার কমেন্ট হিসাবে এসেছে। আর একবার নজর বুলালাম, আপনার নিজেরও কোন রেফারেন্স বা যৌক্তিক কমেন্ট পেলামনা। বরং আপনি ক্যাচাল ভাইকে পোস্ট আপডেট করতে বলেছেন হমপগ্র ভাইয়ের কথা যুক্ত করে যেটা উনিই বলেছেন "হতে পারে"। আপনার পরামর্শটায় যুক্তির চেয়ে আবেগ কিন্তু বেশি ছিল। @ক্যাচাল, আন্তরিক ভাবেই দুঃখিত আবার আসার জন্য এবং অপ্রাসংগিক কথা বলার জন্য। কথা দিচ্ছি এই পোস্টে আর আসব না। আবারো বলছি, আপনি অপ্রাসংগিক কথাগুলা মুছে দিতে পারেন।
লেখক বলেছেন: ক্যাচাল বাদ দিয়ে আসল আলোচনা চলুক, আপনাকে অবশ্যই স্বাগতম।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
ভাইসব চালায়া যান ! এরকম আলোচনা চাই !! ঈশ্বর ও ধর্ম নিয়ে নোংরা রুচিহীন (নিধিরামীয়) আলোচনা ব্লগটাকে ভদ্র ব্লগারদের রেচনের অনুপযোগী করে তুলেছে ।
ব্লাসফেমী নাস্তিকদের আরধনা না । নাস্তিকদের আরাধনা মুক্তচিন্তার মাধ্যমে সত্যকে তুলে নিয়ে আসা ।
সত্যকেই ঈশ্বর মানি ।
ধন্যবাদ ক্যাচাল ভাই , সাবলীল আলোচনার সুযোগ দেয়ার জন্য । আপনার ব্লাসফেমী tandency change করলে বহু মুক্তমনা ব্লগার আপনার পোষ্টে আলোচনায় অংশ নিবেন বলে আশা করি ।
পুকুরে আপনাকে স্বাগতম ।
অফিস আছে , ঘুমাইলাম ।
মদনবাবু বলেছেন:
@মাহমুদউল্লাহ : রেফারেন্স নিয়ে টানাটানি কিন্তু শুরু করেছেন আপনিই । ক্যাচাল সাহেব ত যথোপযুক্ত রেফারেন্স সাপেক্ষেই পোস্টের অবতারনা করেছেন । হমপগ্র ভাই নতুন ধারনা দিয়েছেন । উনি নিজেও কিন্তু পরে রেফারেন্স দিতে চেয়েছেন। কাজেই ঘটনা শেষ। আমি এই পোস্টে এমন কোনোও মন্তব্য করিনী যা রেফারেন্স সাপেক্ষ ।আপনাকে অফ যেতে বলা হয়েছে কেননা আপনি কাউন্টার মন্তব্যের আড়ালে উদ্দেশ্যমুলক ভাবে ক্যাচাল কে আকরমন করেছেন।
পথহারা বলেছেন:
আল-কোরআনে যীসু ও মসী এর কথা কয়বার উল্লেখ করা আছে তা ও আমাদের অংকের মধ্যে আছে, সেই হিসাবে ক্বষ্ণ অথবা বুদ্ধ এর নাম একবার হলেও তো আশা উচিত, তাই নয় কি?ক্যাচাল,
কতা যেহেতু কুরান নিয়া কৈতাছো, তাইলে কুরানের কেমনে নাজিল হৈচে( ofcourse according to islamc faith not ur way)
সেটা খেয়াল কৈরা.......
একবাক্যেই কিন্তু মুসলমানরা তোমার প্রশ্ন এভয়েড করতে পারে সেটা হৈলো....ঐ দুজনের ব্যাপার কুড়ানের নাজিলের ঘটনাপ্রবাহের সাথে কোনো ভাবেই যুক্তিযুক্ত ছিলো না, তাই।
যেহেতু আমি ইন্ডিয়ান /এশিয়ান তাই তোমার মতো আমার মন আরো ফারদার ব্যাখ্যা চাইবে এটা নরমাল।
If u look at the bigger perspective of Quran then u find no reason to have those two person to be mentioned in Quran, except to have a position againgst islam/Quran.
আামার অলরেডি করা কমেন্ট গুলোতে যা বলার বলে দিয়েছি...If u dont get the satisfactory answer in it then I am sorry, nothing to say more from my part
...me, personally ok with all I told and not really bothered with ur arguments.
Once I asked my cristian friends why bible doesn't talk about muhammad/islam (ofcourse according to cristiainc faith)? They quickly put Islam in the bigger domain of anticrist which is fales proposition. Infact In bible muhammad and his religon was mentioned. They (cristian) just explain it their own way............
So what I want to say is, u have raised a good question but if u want the answer only the way u like then no need for farther discussion.
লেখক বলেছেন: আপনি বলুন আমি আপনার যুক্তিগুলো আপডেট করবো।
ক্যাচাল বলেছেন:
আল-কোরআনের আয়াতে আরো কয়েকটা মুতির নাম পাওয়া যায়, দেখুন: তারা বলছে: তোমরা তোমাদের উপাস্যদেরকে ত্যাগ করো না এবং ত্যাগ করো না ওয়াদ, সূয়া, ইয়াগুছ, ইয়াউক ও নসরকে|৭১-২৩
পথহারা বলেছেন:
ক্যাচাল,my reply still will be .........
............so what? whats the point here? any thing new in the question?
তুমি আমার পুরবের কমেন্টগুলি খিয়াল করো নাই.......
কুরানের ক্রনোলজিকাল আবিরভাবের সাথে এগুলার (মুরতি) রিলেশন ছিলো......তাই এগুলো এসেছে......
নরাধম বলেছেন:
আমি সবাইরে কমু তাবলীগে যান। চিল্লা দেন। সব প্রশ্নের উত্তর মিলিবেক। ভাই, এই কথা বলার জন্য আমারে গালি দিয়েন না।
লেখক বলেছেন: কোরআন যখন নাজিল হয়েছিলো তখন বিশ্বের মোট কতভাগ লোক হিন্দু ও বুদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো? অবশ্যই এই সংখ্যাটা কম নয়। কাজেই আল-কোরআন কোনভাবেই ঐ বিষয়টা না জানার কথা নয়।
মদনবাবু বলেছেন:
আলোচনা ত অন্যদিকে চলে যাচ্ছে ।
মদনবাবু বলেছেন:
তাবলীগ কি চীজ? দাওয়াতে গেলে ক্যামনে উত্তর মিলবে । রেফারেন্স কই ।
লেখক বলেছেন: আমাদের প্রশ্ন তো খুব সহজ, কোরআন যখন নাজিল হয়েছিলো তখন বিশ্বের মোট কতভাগ লোক হিন্দু ও বুদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো? অবশ্যই এই সংখ্যাটা কম নয়। কাজেই আল-কোরআন কোনভাবেই ঐ বিষয়টা না জানার কথা নয়। সুতরাং তাবলীগ বাদ দিয়ে আসুন সবাইকে মূল আলোচনায় আসতে বলি।
মদনবাবু বলেছেন:
নরাধম রে কন লেখক। তাবলীগ কি আমি আসলেই বুঝি না বা বুঝতেও চাঈ না ।
লেখক বলেছেন: বলেছি নরাধম কে।
ক্যাচাল বলেছেন:
এমনকি আয়াত :১৮:৮৩-১০০ তে যুলকারনাইনের ছায়ায় আলেকজান্ডারের কথা আল-কোরআনে বলা আছে সেখানে আমরা ক্বষ্ণ অথবা বুদ্ধ নাম আশা করতেই পারি, তা না হউক অন্তত: ভারত শব্দ টা তো একবার হলেও উল্লেখ থাকাটা উচিত ছিলো। Click This Link
পথহারা বলেছেন:
নরাধম,আমি জানি What u mean. সবাইরে যদি এম্বায় হাইকোট ধরাইয়া দাও তাইলেই কম্ম সাধন!!হঠাত আলোর ঝলকানি বেশিদিন মনে ধরে না।
নিজেকে বদ্ধখুপরির মদ্ধে রাইখা জগতটারে দেখাতে ক্রেডিটের কিচু নাই। তাইলে, মংকরা আজিবন মংক থাকবো....ফাদাররা আজীবন ফাদার থাকবো........মহাগুরূরা তাদের নিজস্ব বিশ্বাসে( with internal feeling of devine truth) আটুট থাকবো। আমার তো মনে হয় হংসরা সঠিক পথে আছে সারাদিন কাদা নিয়ে মাতামাতি। মাগার কাদা নেহি লাগেগা ইন বডি। পারলে হাস হও।
এখনকার ক্রশকালচারের যুগে তোমার আগে অন্য ফেইথ এর ক্রিটিকাল বিষয়গুলির সমাধান না করে হুট করে তাবলিগে ডুবদিয়া বেশি দিন টিকবা না। তোমার মাথা উরবর তাই তোমারে কতা গুলান কৈলাম।
ক্যাচাল,
হিন্দু বৌদ্ধ ইসলাম এগুলারে আমরা আমাদের মতো কৈরা ডেফিনিশন দেই। খিশ্চানরা, জিউসরা ও যে মুচলমান সেটা জানো? তারা মুসলমান ছিলো আনটিল সারটেইন পিরিয়ড। আসলে নাম নিয়া মাতামাতির কিচু নাই। তোমারে আমি একটা জিনিস বুঝাইতে পারলাম না যে ইচলামিক পয়েন্ট অবভিউতে যদি হিন্দু/বুদ্ধ একই ক্যাটাগরিতে পরে সেটার জন্য আলাদা কেনো ওহীর প্রয়োজন ?
তুমি কুরানের সাথে বাগড়া বাঝাইতে পারতা যদি কিরিশ্ন আর বুদ্ধ(মুলত তাদের অনুসারীরা) নতুন কোনো থিওরীর আবিরভাব ঘটাইতো। তারা সবাই শিরক কারি । তাদের অনুসারিদের জন্য কুরানের স্পেশাল কি বানী তুমি আশা করো?
লেখক বলেছেন: এমনকি আয়াত :১৮:৮৩-১০০ তে যুলকারনাইনের ছায়ায় আলেকজান্ডারের কথা আল-কোরআনে বলা আছে সেখানে আমরা ক্বষ্ণ অথবা বুদ্ধ নাম আশা করতেই পারি, তা না হউক অন্তত: ভারত শব্দ টা তো একবার হলেও উল্লেখ থাকাটা উচিত ছিলো।
লেখক বলেছেন: ==খিশ্চানরা, জিউসরা ও যে মুচলমান সেটা জানো? ==
ও জানি, এদের কেউ কেউ তো আবার বেহেসতে ও যাবে।
খালি বাদ পড়লো হিন্ডু আর বু্ড্ড?
মানুষ বলেছেন:
চিন্তার খোরাক জোগাচ্ছে। নজর রাখছি।
ক্যাচাল বলেছেন:
@পথহারা,আপনি মনে হয় উত্তেজিত হয়েই বললেন, ''তুমি কুরানের সাথে বাগড়া বাঝাইতে পারতা যদি কিরিশ্ন আর বুদ্ধ(মুলত তাদের অনুসারীরা) নতুন কোনো থিওরীর আবিরভাব ঘটাইতো। তারা সবাই শিরক কারি । তাদের অনুসারিদের জন্য কুরানের স্পেশাল কি বানী তুমি আশা করো?''
তার মানে আপনি বলতে চান, আল্লাহ আগে ভাগেই ধরে নিয়েছিলেন ভারতবাসীদের উনি উনার দলে নিবেন না?
পথহারা বলেছেন:
well! যদি বলি যুলকারনাইন এর ব্যাপারটা প্রাসংগিক ছিলো?
শুধু কি থাকার জন্য ই থাকবে তাদের নাম?
লেখক বলেছেন: কোরআন যখন নাজিল হয়েছিলো তখন বিশ্বের মোট কতভাগ লোক হিন্দু ও বুদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো?
এতগুলো মানুষরে অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা অবহেলা করতে পারেন না, সকল মানুষই তো উনার কাছে সমান। তাই না?
পথহারা বলেছেন:
হাসাইলা মিয়া!!ভারতবাসী বলতে খোদার কাছে স্পেশাল কিছু আছে? চিন্তার দিরিস্টি টারে আরো ব্রড করলে মনে হয় ভালো হয়.....কুরানের কতা প্রাসংগিক ঘটনা প্রবাহর আলোকে হৈচে মাগার জাতিগত বিভাজন খোদার কাছে....মহাসত্তায়..বিশ্বাসি আর অবিশ্বাসী হিসাবে মোস্টলি কনসারনড। নাথিং এলস.....
লেখক বলেছেন: উনি তো আদম থেকে শুরু করে কারো কথা বাদ দেন নাই, তা হিন্দু ও বুদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো বলে এতগুলো মানুষরে অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা অবহেলা করতে পারেন না, সকল মানুষই তো উনার কাছে সমান। তাই না?
নরাধম বলেছেন:
এইখানে ত দেখি ব্যাপক আলোচনা হইতাছে। পথহারা, তোমারে ধন্যবাদ আমার মাথা উর্বর মনে করার জন্য। প্রশংসা শুনলে আমার খুব ভাল লাগে।
কোরআন তো আসলে মানবজীবনের গাইডলাইন। কোন ইতিহাসের বই না। তাই দুনিয়ার সব সভ্যতার ইতিহাস সেখানে পাওয়ার আশা করা মনে হয় ঠিক না। আর বৌদ্ধধর্মটা মনে হয় ঠিক ধর্ম না, একটা দর্শন মনে হয় আমার কাছে। কনফুসিয়াসের মতই। আমি আবার বুদ্ধ আর কনফুসিয়াস দুজেনরই ভক্ত। হিন্দু ধর্ম অথবা সনাতন ধর্ম আরবের পৌত্তলিকদের মতই। তাই আলাদাভাবে উল্লেখ করার দরকার আছে বলে আল্লাহ হয়ত মনে করেননি। আমার মনে হয় আসলেই আপনার যদি জানার ইচ্ছে থাকে তাহলে জাকির নায়েকের কাছে জিজ্ঞেস করতে পারেন। তবে ডিবেটের উদ্দেশ্য হলে আলাদা কথা। জাকির নায়েকের অনেক উত্তরের সাথে আমি একমত না হলেও লোকটার ব্যাপক পড়ালেখা আছে এই ব্যাপারে। আর কৃষ্ঞ-রামকে অনেক ইসলামিক স্কলার কোন নবী মনে করেন। সে দৃষ্টিতে তাদের নাম হয়ত কোরানে অন্যকোন নামে এসেছে হতে পারে। বেদেও কিন্তু এক গডকেই পুজা করতে বলা হয়েছে। এবং বেদকেও অনেক ইসলামিক স্কলার ঐশী বাণী মনে করেন।
তবে একটা কথা আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি সেটা হল কোরাণ কোনমতেই মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নিজের বানানো হতে পারেনা। বিশেষ করে মানবশিশু জন্মের ব্যাপারগুলো কোরআনে যেভাবে বর্ণিত আছে সেটা নিঃসন্দেহে ১৫০০ বছর আগে কেউ জানতনা।
আমার জানার পরিধি খুব কম এই ব্যাপারে। ইচ্ছা আছে এই বিষয়ে ব্যাপক পড়ালেখা করার। অনেক ধন্যবাদ।
মদনবাবু বলেছেন:
একটা ব্যপার কি খেয়াল করসেন । ইহুদি বলেন খ্রীস্টান বলেন বা ইসলাম ই বলেন সব গুলোর ধর্ম প্রচারক বা ধর্ম গুরুরা একই বংশের । প্রতিটা ধর্মগ্রন্থে তাই এই এক বংশ নিয়েই বিস্তর আলাপ সালাপের অবতারনা। কোনো ভাবেই এখানে অন্য কোনোও জাতী বা তৎকালীন গোএের কথার উৎভব হয়নি । প্রধান ধর্মগুলোর এটা কি একটা সংর্কীন দিক নয় ।
হয়তোবা এই কারনেই সুদুর ভারতবর্ষের কোনও ধর্মের এই ধর্মগ্রন্থগুলোতে উল্লেখ নেই ।
মদনবাবু বলেছেন:
পথহারার কাছে প্রশ্ন । মুহম্মদ এর ধ্যানলাভে নবুওত আর গৌতম এর ধ্যানলাভে বোধীত্ব অর্জন এ দুটোকে আপনি কোন অর্থে একসাথে মেলাতে চাচ্ছেন না ।
মানুষ বলেছেন:
যিশুর বংশ কি? সে তো শুনছি কুমারী মাতার পেটে জন্মাইছে @ মদনবাবু
পথহারা বলেছেন:
মদনবাবু,মুহাম্দদ পয়লা ওহী পাবার সময় রেফেস্তারে দেইখা ডরে দৌর দিয়া ঘরে আইসা কাপা শুর করছে.......নবুওয়াতের পোরথম থিকা শেষপরযন্ত ওনি নিজের বানী আর ঐশ্বরিক বানী আলাদা করছেন।
মাগার
বুদ্ধের বেলায় উনি স্বশিক্ষিত গিয়ান (অর আইডিয়া) প্রচার করছেন।
যেমনটা নরাধম উল্লেখ করলো কনফুশিয়ানের বেলায়।
হতে পারে বুদ্ধ ঐশি বানী পেয়েও থাকতে পারেন। আমার গ্যানে ওনার ব্যাপারে যা জানছি তাতে মেন হয় উনি নিজে ঈশ্বরের কোনো বানী আওরাইতাছেন বৈলা দাবী করেন নাই।
মদনবাবু বলেছেন:
মানুষ বলেছেন: যিশুর বংশ কি? সে তো শুনছি কুমারী মাতার পেটে জন্মাইছে @ মদনবাবু বনি ইস্রাফিল । একই বংশধারা যা ইব্রাহীমের বংশধারা ।
মদনবাবু বলেছেন:
@ পথহারা । আরেকটু ক্লীয়ারলী বলেন ।
মদনবাবু বলেছেন:
আপনি বোধিত্ব কে কি একটু হালকা দৃষ্টিতে দেখছেন না? নবুওত এর ব্যাপারটা লিপিবদ্ধ আছে বলেই কি নবুওত ইজ সামথিং ?
পথহারা বলেছেন:
আপনে মনে হয় ঐশি বানীর মানে বোঝেন না.......
নরাধম বলেছেন:
বুদ্ধ কখনও দাবি করেননি যে তার কথা কোন ঐশী বাণী। প্রকৃতপক্ষে এই মহাপুরুষ গড সম্পর্কেও পরিষ্কার করে কিছু বলেননি। কিন্তু মহানবী হযরত মুহাম্মত (সাঃ) তো ঐশীবাণীই প্রচার করেছেন, তাই বুদ্ধের আর মুহাম্মাদ (সাঃ) এর বোধীত্ব আর নাবুওয়াত একি হওয়ার প্রশ্নই আসেনা। তবে এতে কোন সন্দেহ নাই যে বুদ্ধ একজন অসম্ভব জ্ঞানী লোক ছিলেন।
মদনবাবু বলেছেন:
আমি আমার মতো করে বুঝি রে ভাই । তবে অন্যদের থেকেও জানতে চাই । একটু বুঝান পারলে। আর সেইম বংশধারায় এতোগুলা ধর্ম কেনো । কোনো ব্যাখ্যা ?
মানুষ বলেছেন:
সেইম বংশধারার কথা আর কি কন, খোদ মুসলমানদের মধ্যেই দেখেন না কতো ভাগাভাগি। তাগো আর কি দোষ @ মদনবাবু
পথহারা বলেছেন:
নরাধম, মদনরে একটু ব্যাখ্যা দাও তো......টাইম থাকলে......
আমার হাত ব্যাথা হৈয়া গেছে......
তাছারা কাম আছে , গেলাম গা.......
মদনবাবু বলেছেন:
ব্যপারটা গৌতমের বুঝার ভুলও তো হতে পারে@ নরাধম ।
মদনবাবু বলেছেন:
ধন্যবাদ নরাধম । কিন্তু প্রয়োজন ছিলো না ।
নরাধম বলেছেন:
মদনবাবু বলেছেন: ব্যপারটা গৌতমের বুঝার ভুলও তো হতে পারে@ নরাধম ।মদনবাবু, এটা একটা কথা বললেন? হাহাহাহা......ধরলাম বুদ্ধ বুঝতে পারেননি যে তার কাছে ঐশী বাণী এসেছে। অন্তত গড তো তাকে বলা উচিত ছিল যে "হে বুদ্ধ, এটা আমার পক্ষ থেকে ঐশী বাণী।", তাই না?
আপনি বৌদ্ধ ধর্মের মুলনীতিগুলা পড়লেই বুঝবেন যে বুদ্ধ অসম্ভব প্রতিভাবান একজন লোক ছিল। তিনি কোন ধর্ম প্রচার করেননি আসলে, দর্শন প্রচার করেছেন।
নরাধম বলেছেন:
মদনবাবু বলেছেন: একটা ব্যপার কি খেয়াল করসেন । ইহুদি বলেন খ্রীস্টান বলেন বা ইসলাম ই বলেন সব গুলোর ধর্ম প্রচারক বা ধর্ম গুরুরা একই বংশের । প্রতিটা ধর্মগ্রন্থে তাই এই এক বংশ নিয়েই বিস্তর আলাপ সালাপের অবতারনা। কোনো ভাবেই এখানে অন্য কোনোও জাতী বা তৎকালীন গোএের কথার উৎভব হয়নি । প্রধান ধর্মগুলোর এটা কি একটা সংর্কীন দিক নয় ।
হয়তোবা এই কারনেই সুদুর ভারতবর্ষের কোনও ধর্মের এই ধর্মগ্রন্থগুলোতে উল্লেখ নেই ।
আসলে ইসলাম মতে সব মানুষ তো আদম আর হাওয়া থেকে এসেছে। তাই প্রচুর নবীরা একই বংশের হওয়া অসম্ভব কিন্তু নয়। তাছাড়া কোরান মতে প্রায় লক্ষাধিক নাবী-রাসুল এসেছেন, তাদের মধ্য হতে মাত্র ১৫/২০ জনের কাহিনী কোরানে পাওয়া যায়। যাদের কাহিনী পাওয়া যায় তারা বেশীর ভাগই হযরত ইসহাক (আঃ) এর বংশধর। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ই শুধু হযরত ইসমাইলের (আঃ) এর বংশধর। এখন কোরানে লক্ষাধিক নবীর কথা থাকলেও শুধু এই ১৫/২০ জন ছাড়া আর বাকিদের কিন্তু কোন উল্লেখ নেই। কোরানেই আছে আল্লাহ তাআ'লা প্রত্যেকটা গোত্রের কাছেই নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন। তার মানে ভারতবর্ষে অবশ্যই নাবীরা এসেছেন। তাছাড়া আমি আগেই বলেছি বেদকে অনেক ইসলামিক স্কলারই কিন্তু ঐশী বাণী মনে করেন এবং এই মহাগ্রন্থের প্রচুর কথা কিন্তু কোরাণের সাথে সামন্জস্যপুর্ণ। তাই ভারতবর্ষে নাবীরা আসেননি সেটা বলা বোধ হয় লজিকাল না। আর ভারতবর্ষের নাবী আসলে তারা নিশ্চয়ই অন্য কোন বংশের হওয়া বিচিত্র নয়।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ইতিহাসবিদেরা যেমন বলেন,
১। আলেকজাণ্ডারের সাম্রাজ্য টুকরো টুকরো হয়ে গেলে তার শাসনভার মিশরীয় সেনাপতি টলেমীর অধিকারভুক্ত হয়। তখন থেকে ৪৭ খৃষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত তাৎলেমীর বংশের অধীনে থাকে এবং ক্রমশ মিশরের রাজধানী আলেকজান্দ্রিয়া ব্যবসাকেন্দ্র ব্যতিত বিদ্যাকেন্দ্র হিসাবে দ্বিতীয় এথেন্সে পরিণত হয়। রোমে খৃষ্টধর্মের প্রচার যখন তুঙ্গে তখন গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠনের শক্তিশালি কেন্দ্র ছিল আলেকজান্দ্রিয়া।
আলেকজান্দ্রিয়ার প্রখ্যাত দর্শনের অধ্যাপক ফিলো-জোডাস(২৫-৫০ খৃষ্টপূর্ব), প্লটিনাস (২০৫-২৭১ খৃষ্টাব্দ)- উভয়েই রহস্যবাদী নব্য প্লেটোনিক দর্শনের অনুগামী ছিলেন, পঠন-পাঠনে এরিস্টোটলের গ্রন্থকেও তাঁরা গ্রহণ করেছিলেন।
প্লটিনাসের ছাত্র ও পরবর্তিতে দর্শনের অধ্যাপক পারফিরিয়াস (জন্ম ২৩৩ খৃষ্টাব্দে সিরিয়ায়) এরিস্টোটলের গ্রন্থের বিবরণ ও ভাষ্য রচনা করেন। তর্কবিদ্যার ছাত্রদের জন্য তাঁর রচিত গ্রন্থ ইসাগোজী- আজও আরবী মাদ্রাসায় অবশ্য-পাঠ্য পুস্তক।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
২। খৃষ্টধর্ম অন্যান্য একেশ্বরবাদী ধর্মের মতোই দর্শনের বিরোধী ছিল।
৩০০ খৃষ্টাব্দে পাদরী থিওফিলাস আলেকজান্দ্রিয়ার গ্রন্থাগার ভস্মীভুত করেন এবং ৪১৫ খৃষ্টাব্দে খৃষ্টানগণ আলেকজান্দ্রিয়ার বিদূষী গণিতজ্ঞ হাইপেনিয়াকে নির্মমভাবে বধ করে, ৫২৯ খৃষ্টাব্দে রাজা জাস্টিনিয়ান দর্শনের পঠন-পাঠন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে দেন। (এভাবে মানুষের চিন্তাজগতের তথা জ্ঞানে-বিজ্ঞানে-বিভিন্নক্ষেত্রে যে দারুন অগ্রগতি আমরা দেখি গ্রীক-রোমান-মিশরীয় পটভূমিকায়- তাকে স্তব্ধ করে দেয়া হয়; সে ক্ষতি মানবজাতির ইতিহাসে অপূরণীয়- উল্টোদিকে- আমাদের এ ভারত মহাদেশের পটভূমিকায় উজ্জ্বয়িনির ভূমিকাও কিন্তু স্তব্ধ হয়- এখানে মুসলমানদের আগমনের ও তাদের শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠানের পথ ধরে- এটার ক্ষতি- আমরা আজ পর্যন্ত পূরণ করতে পারিনি!! )
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
৩। দর্শনদ্রোহী জাস্টিনিয়ানের শাসনকাল থেকেই রোম-সাম্রাজ্যের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল তার প্রতিবেশি দেশ ইরাণ। ৫২৯ খৃষ্টাব্দে ৭ জন নব্য প্লেটোনিক দার্শনিক(ডায়োজেনিস, হারমিয়াস, ইউলেলিয়াস প্রমুখ) এথেন্স থেকে প্রাণ নিয়ে পলায়ন করতে বাধ্য হয়েছিলেন এবং ইরানের নৌসেরবান(নতুন শাহ) খশরু তাদের আশ্রয় দেন; যদিও এতে নৌসেবানের আন্তরিকতার চেয়ে রোমান কাইজারের বিরোধীদের আশ্রয় দেয়ার অভিসন্ধিই প্রধান ছিল।
নৌসেবান জন্দেশাপোরে একটি বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন যেখানে বিশেষভাবে দর্শন ও চিকিতসাশাস্ত্র শিক্ষা দেয়া হতো। এ ছাড়া কিছু গ্রীক দর্শন-গ্রন্থের েবং অন্য কিছু গ্রন্থেরও অনুবাদ হয়েছিল।
পৌলুস পার্সা অনুদিত এরিস্টোটলের তর্কশাস্ত্রে কথা জানা যায়।
নরাধম বলেছেন:
খসরুকে পরবর্তীতে মুসলিমরা যুদ্ধে পরাজিত করেছিল।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
৪। ৪। খৃষ্টীয় প্রথম শতক থেকেই বিশ্বের বাণিজ্যক্ষেত্রে সিরিয়ার বনিকদের একটি বিশিষ্ট স্থান ছিল। ইরাণ, রোম, ভারত ও চীন- পশ্চিম এশিয়া, আফ্রিকা এবং পশ্চিমে ফ্রান্স পর্যন্তওবাণিজ্যক্ষেত্রে তাদের প্রাধান্য বিস্তৃত ছিল।
বাণিজ্যের সঙ্গে ধর্ম-সংস্কৃতিরো আদান-প্রদান হয়, ফলে- তাদের সঙ্গে গ্রীক দর্শনও প্রচারিত হচ্ছিল। সিরিয়ান পন্ডিতগণ গ্রীক দর্শনকে আলেকজান্দ্রিয়া ও আন্টিয়োক থেকে তুলে এনে ইরান (জান্দেশাপোর), মেসোপটেমিয়া ও নিসিবী পর্যন্ত প্রচার করেন।
খৃষ্টীয় চতুর্থ থেকে অষ্টম খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত মেসোপটেমিয়ায় প্রচুর গ্রীক দর্শন ও শাস্ত্রীয় পুস্তকের অনুবাদ হয়েছিল। এসব অনুবাদে সর্বত্রই মূলকে অনুসরণ করার চেস্টা করা হয়েছিল, শুধু গ্রীক মহাপুরুষ ও দেবদেবীগণের পরিবর্তে খৃষ্টান মহাপুরুষের নাম করা হয়।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
৫। ততকালীন আরব প্রধানত মূর্তি পুজক ও বহু ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিল। কিন্তু, এটাও ঠিক যে, সেসময়ে আরবে খৃষ্ট ও ইহুদী ধর্মেরও প্রসার ঘটেছিল।
আরব জাতি অনকেগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপজাতি বা গোত্রে বিভক্ত ছিল। আরবদের মূল অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ছিল-
১। পশুপালন,
২। লুঠতরাজ,
৩। বাণিজ্য,
৪। মক্কার কাবাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় বাতাবরণে (মূর্তি পূজা)- উতসব, মেলা, ও বাণিজ্যিক কর্মকান্ড।
সে সময়, স্বাভাবিকভাবে, বণিক অংশই ছিল সমাজের এগিয়ে থাকা মানুষের প্রতিনিধি। এবং তাদের এ ব্যবসা-বাণিজ্য নির্বিঘ্ন ছিল না।
উপরন্তু, এই বণিক শ্রেণীটিকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া, ইরাণ, রোম সহ দেশ-দেশান্তরেও পাড়ি জমাতে হত। এদের মাধ্যমেই আরবে- জ্ঞানতত্বের প্রসার ও বিকাশ ঘটেছিল।
নরাধম বলেছেন: বুদ্ধ কখনও দাবি করেননি যে তার কথা কোন ঐশী বাণী। প্রকৃতপক্ষে এই মহাপুরুষ গড সম্পর্কেও পরিষ্কার করে কিছু বলেননি। কিন্তু মহানবী হযরত মুহাম্মত (সাঃ) তো ঐশীবাণীই প্রচার করেছেন, তাই বুদ্ধের আর মুহাম্মাদ (সাঃ) এর বোধীত্ব আর নাবুওয়াত একি হওয়ার প্রশ্নই আসেনা।
তবে এতে কোন সন্দেহ নাই যে বুদ্ধ একজন অসম্ভব জ্ঞানী লোক ছিলেন
""
গৌতম বুদ্ধ সম্পর্কে নরাধমের মন্তব্যের সাথে আমি একটু যোগ করি। গড সম্পর্কে বুদ্ধ পরিস্কার করেই বলেছেন-
'ওত্তাহি অত্তনো নাথো
কোহি নাথো পরোসিয়া'।
অর্থ - নিজেই নিজের প্রভু, অন্য কোন প্রভুর প্রয়োজন নাই।
আসলে অন্যান্য প্রধান ধর্ম থেকে বুদ্ধের ধর্ম বা দর্শনে মৈলিক পার্থক্য হলো সেখানে প্রভুর কোন স্থানই নাই। প্রভু, দেব দেবী, ফেরেশ্তা, হুর, স্ব র্গ -নরক ইত্যাদির স্থান এ ধর্মে নাই। এটার প্রধান উপজীব্য হচ্ছে মানুষ। প্রভুর সন্তুষ্টি বা ইবাদতের জন্য বৌদ্ধ ধর্ম না, বরং মানুষের প্রয়োজনে মানুষের দুঃখ কষ্ট থেকে মুক্তি লাভের জন্য মানুষের তৈরি ধর্ম ।
লেখক বলেছেন: প্রধান ধর্ম থেকে বুদ্ধের ধর্ম বা দর্শনে মৈলিক পার্থক্য হলো সেখানে প্রভুর কোন স্থানই নাই। প্রভু, দেব দেবী, ফেরেশ্তা, হুর, স্ব র্গ -নরক ইত্যাদির স্থান এ ধর্মে নাই। এটার প্রধান উপজীব্য হচ্ছে মানুষ। প্রভুর সন্তুষ্টি বা ইবাদতের জন্য বৌদ্ধ ধর্ম না, বরং মানুষের প্রয়োজনে মানুষের দুঃখ কষ্ট থেকে মুক্তি লাভের জন্য মানুষের তৈরি ধর্ম ।
ভালো লাগলো শুনতে।
ক্যাচাল বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা , আপনি ফিনিসিং দিলে আমি আমার পোস্ট টা একটু আপডেট করবো,অপেক্ষায় রইলাম।
নরাধম বলেছেন:
অচুর সাথে একমত।
ক্যাচাল বলেছেন:
কেউ একটু হেল্প করবেন?কোরআন যখন নাজিল হয়েছিলো তখন বিশ্বের মোট কতভাগ লোক হিন্দু ও বুদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো?
লেখক বলেছেন: কোরআন যখন নাজিল হয়েছিলো তখন বিশ্বের মোট কতভাগ লোক হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলো?
লেখক বলেছেন: সরি, আসলে ঐ শব্দ টা টাইপ করতে পারি না, আপনার কমেন্ট থেকে নিয়ে পেস্ট করে দিচ্ছি, ধন্যবাদ।
নরাধম বলেছেন:
৬০০ খ্রিষ্টাব্দে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল ২০০ মিলিয়ন, কিন্তু রিলিজিয়ান-ওয়াইস ফিগার পাওয়া মনে হয় নেটে একটু ঘাটতে হবে।http://ehistory.osu.edu/world/
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আমি ও খুজতাছি আসলে।
ক্যাচাল বলেছেন:
নরাধমের প্রতি:আপনি বলেছেন, ''আপনি বৌদ্ধ ধর্মের মুলনীতিগুলা পড়লেই বুঝবেন যে বুদ্ধ অসম্ভব প্রতিভাবান একজন লোক ছিল। তিনি কোন ধর্ম প্রচার করেননি আসলে, দর্শন প্রচার করেছেন। ''
তার মানে আপনি বলতে চান যে, দর্শন ও ধর্ম আলাদা জিনিস? আলাদা বলেই কি আপনি হিন্দু ও বৌদ্ধ এই দুটিকে ধর্ম থেকে আলাদা করে রাখেন, আর সেই আলোকেই কি আল-কোরআন এই দুটি নিয়ে কিছু বলেন নি?
তাই হলে আমরা কেন বলি ,,'' ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন দর্শন?''
মদনবাবু বলেছেন:
নরাধম বলেছেন:
মদনবাবু, এটা একটা কথা বললেন? হাহাহাহা......ধরলাম বুদ্ধ বুঝতে পারেননি যে তার কাছে ঐশী বাণী এসেছে। অন্তত গড তো তাকে বলা উচিত ছিল যে "হে বুদ্ধ, এটা আমার পক্ষ থেকে ঐশী বাণী।", তাই না?
আমি দুঃখিত । আমি হয়তোবা আমার ভাব প্রকাশের রীতী দিয়ে কথাটা আপনাকে ঠিক বোঝাতে পারিনী । আমার আসল প্রশ্নের ভেতর হাস্যকর কোনও যুক্তি নেই। হয়তো আমার চিন্তা ভাবনার দৃশ্টিকোনটা একটু ভিন্ন।
আপনার কথাতেই আসি । কোরানে লক্ষাধিক নবীর কথা থাকলেও শুধু এই ১৫/২০ জন ছাড়া আর বাকিদের কিন্তু কোন উল্লেখ নেই। কোরানেই আছে আল্লাহ তাআ'লা প্রত্যেকটা গোত্রের কাছেই নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন। তার মানে ভারতবর্ষে অবশ্যই নবীরা এসেছেন।
কই ।তাহলে এতদ অন্চলের ধর্মগ্রন্থে কেনো তেমন ভাবে গড সেন্ডেড ঐশি র কথা নেই । এমনভাবে কি চিন্তা করতে পারি ঐ ১৫/২০ জন নবী বাদে বাকীরা তহদের উপর প্রদত্ত ঐশীবানীকে ভুল অর্থে গ্রহন ও প্রকাশ করেছিলেন । যার মধ্যে একজন হতে পারেন গৌতম বুদ্ধ ।
লেখক বলেছেন: নরাধমের মতে হিন্দু ও বৌদ্ধ এই দুটি কোন ধর্ম নয়- দর্শন মাত্র। উনি মনে হয় একটু কনফিউসনে আছেন এই ধর্ম ও দর্শন নিয়ে।
মদনবাবু বলেছেন:
ধন্যবাদ ক্যাচালকে পোস্টের প্রারম্ভে ডিস্ক্লেইমার যোগ করার জন্য। ধন্যবাদ নাস্তিকের ধর্মকথা , নরাধম এবং অচেনা বাঙালি কে এখানে আলোচনা করতে আসায়।
ক্যাচাল বলেছেন:
নরাধম বলেছেন: ৬০০ খ্রিষ্টাব্দে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল ২০০ মিলিয়ন, কিন্তু রিলিজিয়ান-ওয়াইস ফিগার পাওয়া মনে হয় নেটে একটু ঘাটতে হবে।http://ehistory.osu.edu/world/
তো এর মধ্যে অবশ্যই হিন্দু ও বৌদ্ধ এই দুই ধর্মের মানুষ আরব পেগানদের চেয়ে অনেক অনেক বেশী ছিল। এতো গুলো মানুষকে অবহেলা করে কোরআন কি শুধুমাত্র পেগান, হিহুদী আর খ্রিস্টানদের নিয়েই ব্যস্ত ছিলো?
লেখক বলেছেন: তার মানে কমপক্ষে ১০০ মিলিয়ন মানে ১০ কোটি লোক হিন্দু ও বৌদ্ধ ছিলো? কোন আইডিয়া?
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
............................
৬। মুহাম্মদ সা. জীবনী হতে দেখা যায়ঃ
-> ৫৭০ খৃষ্টাব্দে মক্কার কুরায়শ বংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
->বাল্যকালেই তিনি পিতামাতাহীন হন, এবং পি্তৃব্য ও পিতামহের কাছে লালিত-পালিত হন।
-> বালক বয়সেই তিনি তাঁর চাচার হাত ধরে বাণিজ্যযাত্রায় অংশ নিয়ে প্রতিবেশি দেশসমূহে গমন করেন।
-> তিনি নিজেও ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হন।
->তিনি নিরক্ষর ছিলেন- এ কথা আংশিক সত্য। মানে, তিনি শুধু লিখতে ও পড়তেই জানতেন না- কিন্তু, বাল্যকাল থেকেই প্রতিবেশি দেশসমূহের উর্বরতা-রুক্ষতা, সেখানকার বিভিন্ন ধর্মের রীতি-নীতি তথা নানা জীবন-প্রণালী তথা জীবন দর্শন সম্পর্কে গভীর নিরীক্ষণের সুযোগ তাঁর হয়েছিল।
-> যুবক বয়সে সম্ভ্রান্ত খাদীজা তাঁর তীক্ষ্ণ বাণিজ্য-নৈপুন্যের কথা শুনে তাঁকে নিজ কারবারের প্রধান মুখিয়ার পদ দিয়ে বাণিজ্যে পাঠান।
->নিজে বণিক হওয়ায়, সে সময়ে আরবের এগিয়ে থাকা অংশ অন্যান্য বণিকদের সাথেও তাঁর ভালো যোগাযোগ ছিল।
->নিজ গোত্রের পৌত্তলিকদের সাথেই শুধু নয়, খৃষ্টান ও ইহুদীদের সাথেও তাঁর অন্তরঙ্গতা ছিল। তাদের কাছে থেকে তিনি সেসব ধর্ম সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান লাভ করেন।
->৪০ বছর বয়সের আগে তিনি নিজেকে ধর্ম প্রচারক দাবি করেননি।
->এ সময়কালে বণিকী কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তাঁকে ততকালীন আরব সমাজ নিয়ে গভীর চিন্তা করতে দেখা যায় ও নানধরণের কাজ-কর্মে অংশ নিতে দেখা যায়।
->সেই বহুধাবিভক্ত বর্বর আরব জাতি তথা আরব সমাজকে পাল্টানোর তাগিদ, মুহাম্মদ সা. এর থেকে আরম্ভ নয়।
->মুহাম্মদ সা. এর জন্মের আগ থেকেই এ ধরণের ক্রিয়াকলাপ সেখানে দেখা যায়।
->মুহাম্মদ সা. ছিলেন অসাধারণ প্রতিভার অধিকারি এবং আরব সোসাইটির অনেক কিছুই তিনি মেনে নিতে পারেননি, বা তার পরিবর্তন মনে প্রাণে চাইতেন।
->বণিক হিসাবে বণিকদের সমস্যার মূলে- বহুধা বিভক্ত নানা দল-উপদলের অবসান তথা জোর যার মুল্লুক তার এই জঙ্গলের নীতির বদলে সমস্ত উপদল-গোত্রগুলোকে একত্রিত করে একচ্ছত্র শাসন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন; আর মানুষ হিসাবে, দাসপ্রথা সহ বিভিন্ন প্রথার অবসান চেয়েছিলেন। কিন্তু, এই চাওয়া তখনকার সমাজ-ব্যবস্থার বাস্তবতায় অপরিহার্য চাহিদা ছিল, এবং তাঁর বাইরেও অনেক আরব এ ধরণের স্বপ্ন দেখেতেন।
-> মুহাম্মদ সা. নতুন ধর্ম প্রচারের আগে নানাভবে তাঁর সাধ্যমত সে চেস্টা চালিয়েছেন। হিলফুল ফুযুল এ ধরণের একটি চেস্টা।
-> একসময়ে তিনি বুঝতে পারেন, একটা বড় ধরণের পরিবর্তন দরকার। খাদীজার সাথে বিবাহের পর তাঁর আর্থিক সচ্ছলতা আসলে, তিনি গভীর ভাবে অনুসন্ধান করতে থাকেন- উপায় সম্পর্কে।
-> ৪০ বছর বয়সে গিয়ে তিনি নতুন ধর্ম প্রচার শুরু করেন।
->আরবদের জন্য ইসলাম ধর্ম কোন প্রোপার নাউন নয়, সেখানে এটা মানে শান্তির ধর্ম বুঝায়।
->মুহাম্মদ সা. স্বভাবতই বণিকদের ও দাসশ্রেণীর সাড়াই পান সর্বাগ্রে।
->তিনি কোরআনের কোন লিখিত ফর্ম হাজির করেননি, যা করেছেন তা হলো- বিভিন্ন ঘটনায় তাতক্ষণিকভাবে বিভিন্ন বিষয়ের আলোচনা, ফয়সালা, নতুন মত প্রচার এ সমস্তই করেন ঐশী বানীর নাম করে।
লেখক বলেছেন: কোরআনের কোন লিখিত ফর্ম হাজির করেননি, যা করেছেন তা হলো- বিভিন্ন ঘটনায় তাতক্ষণিকভাবে বিভিন্ন বিষয়ের আলোচনা, ফয়সালা, নতুন মত প্রচার এ সমস্তই করেন ঐশী বানীর নাম করে।
ঠিক এই বিষয়টাই আমার পরবর্তী সিরিয়াস পোস্টে আসবে।
নতুন বলেছেন:
চমতকার আলোচনা............... অনেক দিন পরে ..এমন শান্ত পরিবেশে একটি সিরিয়াস বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে... সবাইকে ধন্যবাদ...
মদনবাবু বলেছেন:
জয়তু নাস্তিকের ধর্মকথার সহজ সরল ব্যাখ্যা ।
ক্যাচাল বলেছেন:
আপডেট: ৬০০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলো আনুমানিক ২০০ মিলিয়ন মানে ২০ কোটি। তার মধ্যে চীনে ২৩ মিলিয়ন, ভারতে ২৬ মিলিয়ন, ইউরোপ ১৩ মিলিয়ন, আফ্রিকাতে ১০ মিলিয়ন, ভারত ছাড়া এশিয়াতে ১৮ মিলিয়ন এবং অন্যান্য ৪ মিলিয়ন। Source: Colin McEvedy and Richard Jones, Atlas of World Population History (Penguin, 1978)
হমপগ্র বলেছেন:
@ক্যাচালহুম...আলোচনা তো পড়ছি, সবই পড়লাম। নাস্তিকের ধর্মকথা যা বলছেন, আমিও কিন্তু সেরকমই বলেছিলাম, মানে আলেকজান্ড্রিয়ার কথা। যাই হোক, আমি আজকে লিঙ্ক পেয়েছি।
Click This Link
এই লিঙ্কে দেখবেন, আলেকজান্দ্রিয়ার ইতিহাস।
লেখক বলেছেন: হুম....
জনসংখ্যার পরিসংখ্যান থেকে যা বুঝা যায় আল-কোরআন ২০০ মিলিয়ন মানুষের মধ্যে অনেককেই অবহেলা করেছেন, হয় জেনে অথবা উনি বাকিদের সম্পর্কে জানতেন ই না!
হমপগ্র বলেছেন:
আচ্ছা আপনার উত্তরের ব্যাপারে বলি,দেখুন আলেকজান্দ্রিয়ার কথা বাধ রাখলাম। মনে করি, আরবের লোকদের মুখ থেকেই মহানবী সমস্ত তথ্য পেয়েছেন, পুরানো ধর্ম সম্পর্কে।
আরবীয়রা ইন্ডিয়ায় আসেন ১০০০ সালের কিছু আগে অথবা পরে। সুলতান মাহমুদের মাধ্যমে ভারত প্রথম আরবীয় (মুসলমান বলছি না) দের দেখা পেলো। এখন মহানবী যখন ছিলেন তখন আরবীয়রা কিন্তু ইন্ডিয়া পর্যন্ত আসেন নাই। সুতরাং ইন্ডিয়ার কোন খবরই তিনি জানতেন না। এখন একটা কথা সরাসরি জিজ্ঞেস করি, "তাহলে আল্লাহ ওনাকে দুইটি বিশাল ধর্ম সম্পর্কে অবহিত করলেন না কেন"?
তার মানে একটা বিশাল ফাঁক রয়ে গেছে। হিন্দু অথবা বৌদ্ধ সম্পর্কে তাহলে আল্লাহ কি এই জন্য তাঁকে জানান নাই, যে উনি ঐ ধর্মগুলো প্রেরণ করেন নাই তাই? তাহলে উনি মনে করেছেন, হিন্দু আর বৌদ্ধ্ রা বিপথগামী না।
আপনার প্রশ্নের থেকেও বড় প্রশ্ন হতে পারে, কেউ কুরআনে তো উপমহাদেশের ধর্ম না থাক, উপমহাদেশের অস্তিত্ব সম্পর্কেই কিছু বলা নাই। তার মানে কি ? নাই কেন? কুরআন তো সার্বজনীন। তাহলে?
আমি কি বলছি বুঝতে পারছেন নিশ্চয়ই। ব্যাখ্যা অনেক অন্ধকারে। তবে, সহজ কথা, একটাই উত্তর,
"তখনও ভারত বর্ষ আবিষ্কার হয়নি"। এই জন্য ছিলো না কুর-আনে। যদি হতো তা হলে অনেক অন্য রকম একটা ধর্ম ইসলাম হতে পারত। এইখানে আসলে কে ব্যার্থ সেটাই প্রশ্ন, মানুষ নাকি বিধাতা?
মানুষের হাত ধরেই ধর্ম এসেছে, এইটাই সত্য।
লেখক বলেছেন: অতি সুন্দর, আপডেট হবে আপনার তথ্য।
প্রাচীন ধর্মগুরুরা তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্যই ধর্ম তৈরি করেছেন।
পথহারা বলেছেন:
ক্যাচাল,
নাস্তিকের ধরমমো কতারে দাও্য়াত দিয়া আনলা......আর ও আইসা এলগাদা লেদাইয়া গেলো (sorry to say this way, I found no better words). কয়েকটা কমেন্টে সে সমস্ত ধরমোরে প্রশ্নরে মাঝে দাড়করাইয়া দিলো একটা ইতিহাস বিদের রেফারেন্স তুলে.....
ওর বোলোগে আমি পোরথমদিকে রেগুলার ঘুরনা দিতাম। ইদানিং ফারজানা নামক মাইয়ারে লগে বিশাল লড়াই শুরু কৈরা দিছে যা আমারে খালি আমার ছুডো কালের শুনা বয়াতিগো পালাগানের কতা মনে করাইয়া দেয়। যেখানে অলোচনা নানা রেফারেন্স তুলে বিবিতালাকের ফতোয়ার মত অনেক গভীর বিষয়াদি নিয়া মহাক্যাচাল বাধা হয়। শেষে সেটার একধরনের মজমায় পরিনত হয় rather anything to learn.
আলোচনার বিষয় সঠিকভাবে মাতায় রেখে নিজের অভিগ্যতা দিয়ে (যথা সম্ভব কম রেফেরেন্স টেনে) সহজ সরল ভাষায় আলোচনা ই আমদের কাম্য হওয়া উচিত।
যাইহোক,
ওর সকল কমেন্টের (পোস্টের সাথে আনরিলেটেড) উত্তরে আমি বলতে চাই......আমি যদি তোমার কতা শুইনা ইসলাম / মুহাম্মদ (অর আদারস) এর ধরমো বিকাশের ইতিহাস নিয়ে সন্দেহ করি......তাহলে
তোমার সোরস অব নলেজেকেও ছেম ওয়েতে প্রশ্ন বিদ্ধ করা ভুল কিছু হবে না।
এবার আসি ক্যাচাল তোমার কতায়,
তুমি জনসংখ্যার আধিক্য নিয়ে ইম্পরটেন্স এক্সপেক্ট করো কুরানের মত সক্লেইমড ডেভাইন বুকে। এক্সপেরিমেন্টাল সাইন্টেফিক ইনভেনশনে যখন একটা ডামি নিয়ে ল্যাবে কাজ করে থিউরি প্রতিষ্ঠিত করা হয় তখন যে বিষয়টির দিকে মেইনলি নজর দেওয়া হয় সেটা হলো ঐ ডামিটি রিয়াল ফিল্ডের ইচ এন্ড এভরি প্যারামিটার প্রপারলি রিপ্রেজেন্ট এজ ওয়েল এজ ভেরিফাই করে কিনা। এর কারন হলো সিমাবদ্ধতা ( by all means). then why cant u think about Quran sthe same way?
হমপগ্র (ও ক্যাচাল),
এটা খুব সহজ যে ভারত বরষের (অর কিরিশ্ন/ বুদ্ধ) কতা না বলাতে কুরানকে মুহাম্মদের করতিক রচিত হিসাবে পরিনত করা যায়। কিন্তু এই প্রপোজিশনের এগেন্সটে যদি আমি বলি এটা কি সম্পুন যুক্তিহীন না যে, যেখানে ইভেন মুহাম্মদ (/ইসলাম) ক্লেইম করে শুধুই সময় এবং ঘটনা প্রবাহের অলোকে অনিশ্চিত ভাবে কুড়আনের আয়াত একে একে অবতিন হয়, সেখানে কি করে আমরা ভারতের রেফারেন্স আশা করি?
একানে আবার উল্লেখ করতে চাই at the end of the day কুরানে ঈশ্বর যে মেজর বিষয় ( তাওহিদে বিশ্বাস) কে কেন্দ্র করে সকল বানীর অবতারনা করেন তাতে ...........ভারত/চীনা বাসিদের জন্য আলাদা করে আয়াত নাজিল হবার কোনো যুক্তি মেলে না।
সবার জন্য,
আধুনা পলিটিক্সে এটা এখন সবার জানা যে, কোনো একটা মিথ্যা নিয়ে অনেক বার ঘটাঘাটি করলে এটলিস্ট কিছু লোক মিথ্যাকে সত্য হিসাবে একসেপ্ট করা শুরু কৈরা দেয়। বোলগে নাস্তিক ব্লগাররা বোধকরি সেই একই পলিটিক্স খাটাইতাছেন।
আমি পারসনালি ডো্ন্ট কেয়ার । তয় ওনাদের উদ্দেশ্য যদি সেরকম না হয় (যদি সত হয়) তাহলে বলবো যেখান থেকেই ইনফরমেশন হজম করেন না কেনো( either books/ websites from antireligion or criticisisms among intra-religions) আপনি কখনোই ফেয়ার হতে পারবেন না যদি না পজিটিভ দিকগুলানিয়া ( স্পেশালি ইসলামের কথা বলবো coz I found it more meaning full compare to other religions) সমান ভাবে চিন্তা ফিকির করেন।
লেখক বলেছেন: আপনি উত্তেজিত হয়ে আছেন বুঝতে পারছি!
৬০০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলো আনুমানিক ২০০ মিলিয়ন মানে ২০ কোটি। তার মধ্যে চীনে ২৩ মিলিয়ন, ভারতে ২৬ মিলিয়ন, ইউরোপ ১৩ মিলিয়ন, আফ্রিকাতে ১০ মিলিয়ন, ভারত ছাড়া এশিয়াতে ১৮ মিলিয়ন এবং অন্যান্য ৪ মিলিয়ন।
লেখক বলেছেন: আপনার মুখে স্ল্যাং ঠিক মানাচ্ছে না!
পথহারা বলেছেন:
সংশোধন, কোনো একটা মিথ্যা নিয়ে অনেক বার ঘটাঘাটি করলে =
কোনো একটা মিথ্যা নিয়ে অনেক বার ঘটাঘাটি করলে / একটা লেস সিগনিফিকেন্ট বিষয়কে মোর সংনিফিকেন্স দিয়ে মাজর বিষয় কে ক্রমে আড়াল করার চেষ্টা করা।
ক্যাচাল,
কিচু কৈলেই আমারে উত্তেজিত বানাইয়া ফালাও মিয়া!! আমার একানে গরম হবার কিচু নাই..........তয় কতাগুলান গরম হৈলে আমার কিচু করার নাই।
'পিরিথিবির জনসংখ্যা কত ছিলো বা না ছিলো সেটা কেনো প্রাসংগিক বিষয় না ' সেটা একটা ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করো।
লেখক বলেছেন: ##'পিরিথিবির জনসংখ্যা কত ছিলো বা না ছিলো সেটা কেনো প্রাসংগিক বিষয় না ' ##
ধর্ম তো মানুষের জন্যই , নাকি? কাজেই জনসংখ্যা অবশ্যই একটা প্রধান বিষয়।
পথহারা বলেছেন:
সংনিফিকেন্স দিয়ে মাজর = সিগনিফিকেন্স দিয়ে মেজর
ক্যাচাল বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন : তিনি [ শেষ নবী] কোরআনের কোন লিখিত ফর্ম হাজির করেননি, যা করেছেন তা হলো- বিভিন্ন ঘটনায় তাতক্ষণিকভাবে বিভিন্ন বিষয়ের আলোচনা, ফয়সালা, নতুন মত প্রচার এ সমস্তই করেন ঐশী বানীর নাম করে।
মাহিরাহি বলেছেন:
কোরানে যদি ভারতবর্ষ, কৃষ্ন বা বুদ্ধের উদ্ধৃতি থাকত তাহলে কি আপনার ইসলামকে মেনে নিতেন। তখন বলতেন আমেরিকা কিংবা এন্টার্টিকার কথা বলা হয়নি কেন?আপনাদেরকে কোরান শরিফের একটি চমতকার আয়াতের কথা বলি। তাতে বলা হয়েছে যে কিয়ামত যখন আসবে তখন তা আসবে মুহুর্তের মধ্যে, তখন তা কিছু মানুষকে পাকড়াও করবে দিনের আলোতে আর কিছু মানুষকে রাত্রির অন্ধকারে। টাইম জোনের ধারনাটি মানুষের কতদিনের?
অথচ ভারতবর্ষের চাইতে আরবদের সময়ের পার্থ্ক্য বেশি হলে তিন চার ঘন্টার।
আর নবীজিকে সা: যখন বলবেন তিনি নিজের বিদ্যায় কোরআন লিখেছেন তাহলে তার সাথে আরো কিছু যোগ করতে হবে। তিনি আল আমিন ছিলেন, কাফেররাও তাকে বিস্বাস করত। তিনি উত্তম চরিত্রের মানুষ ছিলেন। সমাজ সংস্কারক ছিলেন, একজন ভাল সেনাপতি ছিলেন। একজন ভাল সংঘটক ছিলেন। একজন ভবিষত বক্তা ছিলেন। (আবুলাহাবের পরিনতি কিংবা রোম সামার্জ্যের পতন।} একজন খুব আত্মবিস্বাসী মানুষ ছিলেন, নাহলে কিংবা বলতে পারতেন ইসলামই হবে পৃথিবীর শেষ ধর্ম। খুবই সংযমী জীবন যাপন ছিল ওনার যখন পৃথিবী ত্যাগ করেন তখন নিজের পরিবারের জন্য খাবারের কিছুই রেখে যাননি। মাসের পর মাস শুধু খেজুর খেয়ে দিনাতিপাত করতে হত। পোশাক আশাক কিংবা আচার আচরন ছিল খুবই সহজ সরল।
এবার ধারাবাহিক মেলানোর চেষ্টা করেন।
এতিম ছিলেন। বড় হয়েছিলেন চাচার তত্বাবধানে।
একত্ববাদের ষোষনা দিলেন তার বাপচাচা, গোত্র, মক্কাবাসীর চিরাচরিত মুর্তিপুজার বিরুদ্বাচরন করে।
তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হল, তার বিছানায় পাওয়া গেল আলী রা:
পালিয়ে মদিনায় গেলেন।
ওখানেও প্রতিকুলতার সম্মুখীন হলেন।
শত প্রতিকুলতার মাঝেও মুসলমানদের সংঘবদ্ধ করলেন।
তার শুরু হল একের পর এক যুদ্ধ। কম সংখ্যক সাহাবীদের নিয়ে একের পর এক যুদ্ধ জয় করলেন।
এরপর মক্কা বিজিত হল।
আরবে ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হল।
এরমধ্যে আপনাদেরকে চমতকার একটি সময় বের করে নিতে হবে যখন আলেকজান্দ্রিয়ার বইগুলো অনেকটা কাকতালীয়ভাবে নবীজি সা: হাতে হস্তগত হয়।
ঠিক তাই একসময় মক্কার কাফেররা তাকে মিথ্যাবাদী বলত। আবার অনেকে বলত উন্মাদ, অনেকে আবার কবি।
সবার ধারনাকে মিথ্যে করে দিয়ে তিনি হয়েছে। ১৫০কোটি লোকের প্রানপ্রিয় মহানবী সা: হিসেবে।
লেখক বলেছেন: মাহিরাহি বলেছেন: কোরানে যদি ভারতবর্ষ, কৃষ্ন বা বুদ্ধের উদ্ধৃতি থাকত তাহলে কি আপনার ইসলামকে মেনে নিতেন। তখন বলতেন আমেরিকা কিংবা এন্টার্টিকার কথা বলা হয়নি কেন?
আমেরিকা কিংবা এন্টার্টিকার কথা তো আসতোই যদি ঐখানে মোট জনসংখ্যার ৬০ ভাগ লোক থাকতো!
মাহিরাহি , প্লীজ আবেগায়িত না হয়ে যুক্তি প্লাস ডাটা দিয়ে বুঝানো কামনা করি আপনার কাছে!
ক্যাচাল বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা , আপনার লাস্ট কমেন্ট টা মুছলো কেডা? সামইন মডুরা নাকি?
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
".....তিনি আল আমিন ছিলেন, কাফেররাও তাকে বিস্বাস করত। তিনি উত্তম চরিত্রের মানুষ ছিলেন। সমাজ সংস্কারক ছিলেন, একজন ভাল সেনাপতি ছিলেন। একজন ভাল সংঘটক ছিলেন।" "......... খুবই সংযমী জীবন যাপন ছিল ওনার যখন পৃথিবী ত্যাগ করেন তখন নিজের পরিবারের জন্য খাবারের কিছুই রেখে যাননি। মাসের পর মাস শুধু খেজুর খেয়ে দিনাতিপাত করতে হত। পোশাক আশাক কিংবা আচার আচরন ছিল খুবই সহজ সরল। "
এখানে যেসব গুনের কথা বলেছেন এসব যুগে যুগে বিভিন্ন মানুষের মধ্যেই আমরা দেখেছি- তাদের আমরা বলি মনীষি- তাদের এসব গুন না থাকলে তারা মানব সমাজের প্রতি কি রাখতে পারতেন?? ফলে- এসবের মধ্যে অলৌকিকত্বের কিছু নেই, ........
"একজন ভবিষত বক্তা ছিলেন। (আবুলাহাবের পরিনতি কিংবা রোম সামার্জ্যের পতন।} একজন খুব আত্মবিস্বাসী মানুষ ছিলেন, নাহলে কিংবা বলতে পারতেন ইসলামই হবে পৃথিবীর শেষ ধর্ম।"-
এসবকে ভবিষ্যত বক্তব্য হিসাবে না দেখে বলা উচিত ওনার প্রত্যাশা বা আকাঙ্খা বা ইচ্ছা। তবে শেষ ইচ্ছাটি ওনার পূরণ হয়নি। এ থেকেই বুঝা যায়- তিনি একজন ব্যক্তি-মানুষ বৈ কিছু নন।
লেখক বলেছেন: আপনার ৭ নম্বর পয়েন্ট টা আবার পোস্ট করেন প্লীজ। এটা কই গেল?
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
হায় হায়, ম্যালা কষ্ট করে লিখেছিলাম।
কপিও রাখিনি!!!
খুব খারাপ হলো, এটা।
মনটাই খারাপ হয়ে গেলো!!!!
লেখক বলেছেন: কেমনে কি হইলো, আপনার লাস্ট লাইনের জন্যই কি মডুরা ডিলেট করে দিছে কমেন্ট টা? মেজাজ খুব খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
পথহারা বলেছেন:
ইতিহাসের কাটপেস্ট হৈলে আর দরকার নাই লেকার.......মৌলিক কিচু লেইখা থাকলে পরে টাইম পাইলে লেইকেন........
মদনবাবু বলেছেন:
ক্যাচাল বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা , আপনার লাস্ট কমেন্ট টা মুছলো কেডা? সামইন মডুরা নাকি? আপনার নোটিশবক্স চেক করেন ।
লেখক বলেছেন: কিছু নাই।
ক্যাচাল বলেছেন:
মাহিরাহি বলেছেন: ইসলামই হবে পৃথিবীর শেষ ধর্ম।"-এসবকে ভবিষ্যত বক্তব্য হিসাবে না দেখে বলা উচিত ওনার প্রত্যাশা বা আকাঙ্খা বা ইচ্ছা। তবে শেষ ইচ্ছাটি ওনার পূরণ হয়নি। এ থেকেই বুঝা যায়- তিনি একজন ব্যক্তি-মানুষ বৈ কিছু নন।
নাস্তিকের ধর্মকথা এইমাত্র উইকিতে ঘুরে আসলাম দেখলাম বিস্বের বড় ধর্মগুলোর তালিকা এবং সংখ্যা।
ইসলামের পরে আবির্ভুত হয়েছে এমন ধর্ম পেলাম দুইটা বাহাই এবং শিখ ধর্ম এদের অনুসারীর সংখা যথাক্রমে ৭ আর ২৩ মিলিয়ন।
শিখ ধর্মের প্রবর্তক নানক হিন্দু পরিবারে জন্ম নিলেও সাধু কবিরের সংপর্শে এসে হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে জনপ্রিয় একটি মতবাদ চালুর চেষ্টা চালান। অন্যান বড় ধর্মগুলোর মত কোন ব্যপকতা বা মৌলিকত্ব নেই বললেই চলে এবং পৃথিবীব্যাপি কোন গ্রহনযোগ্যতা নেই। ভারতের একটি মাত্র প্রদেশেই সীমাবদ্ধ। বাহাই ধর্মের ব্যপারটাও অনেকটা একই রকম। ফাওলুংগংএর একই দশা।
তাই এটাই সত্য যে ইসলাম প্রকৃত অর্থে শেষ ধর্ম যার ব্যপকতা দেশ, জাতি কিংবা বর্ণকে ছাড়িয়ে সারা বিস্বব্যাপী শতকোটি মানুষের ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত।
ক্যাচাল বলেছেন:
@পথহারা, আপনি বাংলাদেশের সংবিধানের কথা চিন্তা করুন , এটাতে কিন্তু বাংলাদেশের সব মানুষের কথা বলা হয়েছে, যদি বাংলাদেশের কোন একটি এলাকার মানুষকে বাদ দেওয়া হতো তাহকে এটা কি সবার কাছে গ্রহনযোগ্য হতো? তেমনি কোরআনের সার্বজনীয়তা তখনই প্রকাশ হতো যদি তখনকার সময়ের বেশীর ভাগ মানুষের কথা তথা হিন্দু ও বৌদ্ধ এর কথা নির্দিষ্টভাবে প্রকাশ থাকতো!
মদনবাবু বলেছেন:
কমেন্ট ডিলিট করলে তো নোটিশবক্স এ নোট দেয়ার নিয়ম আছে বলেই জানতাম । এনি ওয়ে আমি একটা ব্যাকআপ রাখছিলাম এই পোস্টা টার ।
আই য়্যাম অন চেকিং ।
লেখক বলেছেন: ওকে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
এইবার তোরা খান্ত দে। ক্যাচাল বাবাজি, তুমি এইবার সব মন্তব্য নিয়া একটু শান্ত হইয়া বস এবং একটা সামারি পোস্ট দাও। এত ক্যাচালের পর তোমার গেইন কি হইল আমাগো নিশ্চয়ই জানাইবা। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
"ক্যাচাল বলেছেন: @পথহারা, আপনি বাংলাদেশের সংবিধানের কথা চিন্তা করুন , এটাতে কিন্তু বাংলাদেশের সব মানুষের কথা বলা হয়েছে, যদি বাংলাদেশের কোন একটি এলাকার মানুষকে বাদ দেওয়া হতো তাহকে এটা কি সবার কাছে গ্রহনযোগ্য হতো? তেমনি কোরআনের সার্বজনীয়তা তখনই প্রকাশ হতো যদি তখনকার সময়ের বেশীর ভাগ মানুষের কথা তথা হিন্দু ও বৌদ্ধ এর কথা নির্দিষ্টভাবে প্রকাশ থাকতো! "
ঠিকই, রেডইন্ডিয়ান আর আফ্রিকার কালোগো কথা প্রথম থেইক্যা বাদ গ্যাছে অন্যসব ঐশীগ্রন্থগোর মত।
যেহেতু ইতিহাস যারা পর্যবেক্ষন করছে, লিখছে তারা বাদ দিছে (বা জানতো না), সেহেতু ঐ জাতগুলান অদৃশ্য রইয়া গ্যাছে ঐশীগ্রন্থগুলিতে।
হায়রে কোন মিরাকল নাই...
নরাধম বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: ".....তিনি আল আমিন ছিলেন, কাফেররাও তাকে বিস্বাস করত। তিনি উত্তম চরিত্রের মানুষ ছিলেন। সমাজ সংস্কারক ছিলেন, একজন ভাল সেনাপতি ছিলেন। একজন ভাল সংঘটক ছিলেন।" "......... খুবই সংযমী জীবন যাপন ছিল ওনার যখন পৃথিবী ত্যাগ করেন তখন নিজের পরিবারের জন্য খাবারের কিছুই রেখে যাননি। মাসের পর মাস শুধু খেজুর খেয়ে দিনাতিপাত করতে হত। পোশাক আশাক কিংবা আচার আচরন ছিল খুবই সহজ সরল। "
এখানে যেসব গুনের কথা বলেছেন এসব যুগে যুগে বিভিন্ন মানুষের মধ্যেই আমরা দেখেছি- তাদের আমরা বলি মনীষি- তাদের এসব গুন না থাকলে তারা মানব সমাজের প্রতি কি রাখতে পারতেন?? ফলে- এসবের মধ্যে অলৌকিকত্বের কিছু নেই, ........
"একজন ভবিষত বক্তা ছিলেন। (আবুলাহাবের পরিনতি কিংবা রোম সামার্জ্যের পতন।} একজন খুব আত্মবিস্বাসী মানুষ ছিলেন, নাহলে কিংবা বলতে পারতেন ইসলামই হবে পৃথিবীর শেষ ধর্ম।"-
এসবকে ভবিষ্যত বক্তব্য হিসাবে না দেখে বলা উচিত ওনার প্রত্যাশা বা আকাঙ্খা বা ইচ্ছা। তবে শেষ ইচ্ছাটি ওনার পূরণ হয়নি। এ থেকেই বুঝা যায়- তিনি একজন ব্যক্তি-মানুষ বৈ কিছু নন।
আনুমানিক ২১০০ সালের মধ্যেই ইসলাম বিশ্বের সবচাইতে বড় রিলিজিয়ান হবে। তাই শেষ ইচ্ছাটা পূরণ হয়নি বলাটা মনে হয় যৌক্তিক নয়।
http://www.religioustolerance.org/worldrel.htm
Click This Link
http://www.religioustolerance.org/worldrel.htm
নরাধম বলেছেন:
নরাধমের প্রতি:
আপনি বলেছেন, ''আপনি বৌদ্ধ ধর্মের মুলনীতিগুলা পড়লেই বুঝবেন যে বুদ্ধ অসম্ভব প্রতিভাবান একজন লোক ছিল। তিনি কোন ধর্ম প্রচার করেননি আসলে, দর্শন প্রচার করেছেন। ''
তার মানে আপনি বলতে চান যে, দর্শন ও ধর্ম আলাদা জিনিস? আলাদা বলেই কি আপনি হিন্দু ও বৌদ্ধ এই দুটিকে ধর্ম থেকে আলাদা করে রাখেন, আর সেই আলোকেই কি আল-কোরআন এই দুটি নিয়ে কিছু বলেন নি?
তাই হলে আমরা কেন বলি ,,'' ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন দর্শন?'
ক্যাচাল, আমি কিন্তু কখনও বলিনি যে হিন্দু ধর্ম একটা দর্শন, আমি বুদ্ধধর্মের কথা বলেছি। আশা করি তথ্যটা মুল পোস্টে ঠিক করবেন।
আমার মতে ধর্ম ও দর্শন অবশ্যই আলাদা জিনিস। সক্রেটিসেরটা দর্শন ছিল, ধর্ম ছিলনা নিশ্চয়। আপনি সব ধর্মেই দেখবেন একজন/একাধিক গড/দেবতা/দেবীর কথা বলা হয়েছে। সব মেজর ধর্মেই এক/একাধিক সুপ্রিম বিং-এর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বুদ্ধ ধর্মে মানুষই শেষ কথা। গড সম্পর্কে তেমন কিছুই বলা নেই। তাই আমার কাছে বৌদ্ধ ধর্মকে দর্শন মনে হয়। কনফুসিয়াসের মতই। তাই ধর্ম আর দর্শন আলাদা। প্রত্যেকটা ধর্মই একটা দর্শন কিন্তু প্রত্যেকটা দর্শনই ধর্ম না। ইসলাম দর্শন এবং ধর্ম দুটোই কিন্তু সক্রেটিসের দর্শন ধর্ম না, শুধুই দর্শন।
এখানে উল্লেখ্য যে দর্শন বা ধর্ম হওয়াতে কোনটাকেই ছোট মনে করার প্রশ্নই আসেনা।
নরাধম বলেছেন:
ক্যাচাল বলেছেন: নরাধম বলেছেন: ৬০০ খ্রিষ্টাব্দে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল ২০০ মিলিয়ন, কিন্তু রিলিজিয়ান-ওয়াইস ফিগার পাওয়া মনে হয় নেটে একটু ঘাটতে হবে।http://ehistory.osu.edu/world/
তো এর মধ্যে অবশ্যই হিন্দু ও বৌদ্ধ এই দুই ধর্মের মানুষ আরব পেগানদের চেয়ে অনেক অনেক বেশী ছিল। এতো গুলো মানুষকে অবহেলা করে কোরআন কি শুধুমাত্র পেগান, হিহুদী আর খ্রিস্টানদের নিয়েই ব্যস্ত ছিলো?
পৃথিবীর ধর্মগুলোকে মোটামোটি মনোথিসটিক আর পলিথিসটিকে ভাগ করা যায়। বুদ্ধধর্ম কোনটাতেই পড়েনা, আমি আগেই বলেছি ইট'স মোর অফ আ দর্শণ দেন ধর্ম। পলিথিসটিক ধর্মের মধ্যে পৌত্তলিকতা, হিন্দু ধর্ম, প্যাগানিজম পড়ে। মনোথিসটিক ধর্মের মধ্যে আব্রাহামিক ধর্মগুলো, ইসলাম, খ্রিস্টিয়ানিটি, জুডাইজম আছে। তাই কোরানে তো মনে হয় আলোচনাটা এভাবেই এসেছে। হিন্দুরা যেমন প্রচুর দেবদেবীর পূজা করে, আরবের পৌত্তলিকরাও তাই করত। এমনকি হিন্দুরা যেমন মনে করে গড একজনই, কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন রুপ, আরবের পৌত্তলিকরাও একই ধরণের বিশ্বাস করত। তাহলে পৌত্তলিকদের নিয়ে আলোচনা করলেই কি যথেষ্ট নয়? তাছাড়া হিন্দু ধর্মে আর বৌদ্ধ ধর্মে লোক অনেক বেশী ছিল এজন্যই যে তাদেরকে নিয়ে আলোচনা করতে হবে যুক্তিটা ঠিক গ্রহনযোগ্য মনে হচ্ছেনা। জুডাইজমের লোকসংখ্যা তো এখনও খুব কম, কিন্তু তাদের অবস্থান?
আর তাছাড়া ভারতবর্ষের কোন আলোচনা নেই কারন মুহাম্মদ (সাঃ) ভারতবর্ষ সম্পর্কে জানতেননা এরকম যুক্তি দিয়ে যদি বলেন যে কোরাণ মুহাম্মদ (সাঃ) কতৃক রচিত সেটাও ভুল যুক্তি। কোরাণে আরও হাজার হাজার সায়েন্টিফিক ফ্যাক্টস আছে যেগুলা মুহাম্মদের পক্ষে জানা সম্ভব ছিলনা। বিশেস করে এম্ব্রায়োলজি, এস্ট্রনমির ক্ষেত্রে।
আমি হিন্দু, বৌদ্ধ বা অন্য কোন ধর্মের প্রতি কোনমতেই অশ্রদ্ধা প্রকাশ করতেছিনা।
লেখক বলেছেন: আপনাকে সালাম+
লেখক বলেছেন: আপনাকে সালাম+
নরাধম বলেছেন:
ক্যাচাল এরকম একটা অসাধারণ পোস্ট এবং হেলদি আলোচনার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আশা করি আমার কোন কমেন্টে কারও ফিলিংস-এ কোন আঘাত করিনি।
লেখক বলেছেন: I deleted the text u mentioned from Wiki. Cos there are some other para which contains the contradictory Ayats also. So, we should better off the text from there. Thanks.
নরাধম বলেছেন:
আরেকটা কথা, ধর্মটা পুরোপুরিই বিশ্বাস তেমনি নাস্তিকতাও। কোনটাই যুক্তি দিয়ে এবসলিউটলি প্রমাণ করা সম্ভব না।
লেখক বলেছেন: +
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
নরাধম বলেছেনঃ
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
"একজন ভবিষত বক্তা ছিলেন। (আবুলাহাবের পরিনতি কিংবা রোম সামার্জ্যের পতন।} একজন খুব আত্মবিস্বাসী মানুষ ছিলেন, নাহলে কিংবা বলতে পারতেন ইসলামই হবে পৃথিবীর শেষ ধর্ম।"-
এসবকে ভবিষ্যত বক্তব্য হিসাবে না দেখে বলা উচিত ওনার প্রত্যাশা বা আকাঙ্খা বা ইচ্ছা। তবে শেষ ইচ্ছাটি ওনার পূরণ হয়নি। এ থেকেই বুঝা যায়- তিনি একজন ব্যক্তি-মানুষ বৈ কিছু নন।
আনুমানিক ২১০০ সালের মধ্যেই ইসলাম বিশ্বের সবচাইতে বড় রিলিজিয়ান হবে। তাই শেষ ইচ্ছাটা পূরণ হয়নি বলাটা মনে হয় যৌক্তিক নয়।
------------------------->
শেষ ধর্ম মানে কি?????
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ক্যাচাল,
তাই এটাই সত্য যে ইসলাম প্রকৃত অর্থে শেষ ধর্ম যার ব্যপকতা দেশ, জাতি কিংবা বর্ণকে ছাড়িয়ে সারা বিস্বব্যাপী শতকোটি মানুষের ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত।
------------------------------------------->
ওনার কথা ছিল শুধু শেষ ধর্ম।
এখানে সংখ্যার তথা ব্যপকতা বিচারে শেষ ধর্মের কথা বলা হয়নি।
------------------------------
প্রকৃতপক্ষে, মুহাম্মদ সা. এ ধরণের কথা বলেছেন এই জায়গা থেকে যে, তিনিই আল্লাহ প্রেরিত শেষ রাসুল ও তার প্রচারিত ধর্মই শেষ ধর্ম।
---------------------------------
আর, সংখ্যায় আর ব্যপকতায় ইসলামের যে বিস্তার- তার পেছনে অনেক গুলো কারণ আছে- সেগুলোকে ভুললে চলবে না (পরে সে সম্পর্কে আলোকপাত করতে হবে)।
----------------------------------
ধর্ম দর্শন মানে কি বুঝি?
কোন নির্দিষ্ট দর্শনের বেসিক বিশ্বাস গুলোকে অস্বীকার করে নতুন বিশ্বাসের অনুসারী হলে, তাকে একই দর্শনের অনুসারি বলা যায়?
প্রোটেস্টান আর ক্যাথলিক উভয়কেই খৃষ্টান বলা হলেও উভয়েই কি একই বিশ্বাসের অনুসারি?
সুন্নি আর শিয়া উভয়েই মুসলমান নাম ধারণ করলেও - উভয়ই কি একই বিশ্বাসের অনুসারী?
ইসলাম পরবর্তি যুগের মুতজলী সম্প্রদায়সমূহের নানাবিধ চিন্তাভাবনা তথা দর্শন সম্পর্কে কি বলবো?
প্রকৃতপক্ষে, ইসলামের পরও পৃথিবীতে অনেক ধর্মই এসেছে, (নতুন নামে কিংবা পুরান নামেই নতুন ফর্মে); এমনকি সেই আরব অঞ্চলেই-
কিন্তু এটাও ঠিক যে, ইসলামের মত সে ব্যপকতা আর পায়নি!!!
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ক্যাচাল,
আমার ৭ নং পয়েন্ট টা খোয়া গেল!!!
সেই পয়েন্ট গুলোকে আবার লিখবো ঠিক করেছি।
আমি ভাবছি- একটি নতুন পোস্ট দিব, সেখানে এই ১ থেকে ৭ নং পয়েন্ট উল্লেখ করে আরো কিছু ভাবনা যোগ করতে চাই।
আপনার অনুমতি চাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: একবার কেন? ১০০ বার অনুমতি দিব। আমার অনুমতি চেয়ে আমাকে লজ্জা দিলেন? আমি কে? আমি তো এক জ্ঞান পিপাসু । আপনার কাছ থেকে জানবো।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
কোরআন নিয়ে কিছু কথাঃ->কোরআনের সুরাসমূহ দু'ভাগে বিভক্ত- মাক্কী ও মাদানী।
->মক্কায় প্রচারিত সুরাসমূহ মাক্কী, মদিনায় প্রচারিত সুরাসমূহ মাদানী।
->মাক্কী সুরাসমূহে প্রধানত আল্লাহর গুন, আল্লাহর একত্ববাদ, আল্লাহর মহিমা এসবই বর্ণিত।
->মাদানী সুরাসমূহে ইসলামী শাসনব্যবস্থা পরিচালনার বিভিন্ন বিষয়, মুমিনদের করণীয় বা আচার-আচরণ প্রভৃতি আলোচিত হয়েছে। সেইসাথে এই সুরাগুলিতেই ইহুদী ও খৃষ্ট ধর্মের বিভিন্ন বিশ্বাস নিয়ে কথা বলা হয়েছে, এবং প্রাচীণ ইতিহাস তথা ঈসা(যীশু), মুসা(মসেস) এর ঘটনাসমূহ আলোকপাত করা হয়।
->মুহাম্মদ সা. মক্কায় থাকাকালীন প্রধানত মক্কার পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে তাঁর নতুন ধর্ম প্রচার করেন। ফলে, সেসময় তাঁকে বহু ঈশ্বরবাদের বিপরীতে আল্লাহর মহিমা তথা একত্ববাদ প্রচারেই ব্যস্ত থাকতে হয়।
->মদীনায় অপেক্ষাকৃত শান্ত পরিবেশে তাঁকে ইসলামি শাসনব্যবস্থা কায়েমের চেস্টায় লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। ফলে, এসময় তিনি এসময় তাঁর অনুসারীদের ইসলামী শাসন কাঠামো কেমন হতে পারে সে সম্পর্কে আলোকপাত করেন, এবং সেই সাথে তাঁর অনুসারীদের বিভিন্ন ঘটনায় বিভিন্ন প্রশ্নে তিনি মুমিনদের আচার-আচরণ সম্পর্কে আলোকপাত করতে থাকেন।
->মদীনাতেই তিনি ইহুদী ও খৃস্টান ধর্মাবলম্বীদের মোকাবেলা করেন বেশী। যেহেতু, ইসলামকে ঐ দুই ধর্মের ধারাবাহিকতায় আসা ধর্ম হিসাবে উপস্থাপন করেন- সেহেতু- খৃস্টান ও ইহুদীদের বিভিন্ন প্রশ্নের তথা বিভিন্ন প্রচারণার উত্তর তাঁকে এসময় দিতে হয়।
->মুহাম্মদ সা. কোরআনের কোন লিখিত রূপ বা একিউমুলেটেড রূপ হাজির করেননি।
->বিভিন্ন ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে তিনি ইসলাম প্রচারে ও ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েমে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নেন, বিভিন্ন কথা তথা বক্তব্য প্রচার করেন। এই বক্তব্য প্রচারের সময় একটা বড় অংশকে তিনি ঐশী বা আল্লাহর ওহী হিসাবে প্রচার করেন।
->এ ধরণের ওহীসমূহ সেসময় তাঁর স্ত্রীগণ ও সাহাবীরা মুখস্থ করে, বিভিন্ন স্থানে লিপিবদ্ধ করে রেখে দিতেন।
->খলিফা ওসমানের বৃদ্ধাবস্থায় কোরআন লিপিবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, এবং তখন থেকে আমরা লিপিবদ্ধ একটি কনসলুটেড কোরআন পাই।
->আজ যে অবস্থায় আমরা কোরআন পাই (হরফের ব্যবহার ব্যতিরেকে) তা খলিফা ওসমানের অবদান।
->কোরআনের এই সুরা সংখ্যা, সুরা/ আয়াতসমূহের ক্রম- সবই ওসমানের সিদ্ধান্তানুযায়ি(বিবি হাফসা ও অন্যান্য কিছু সাহাবির ভূমিকাও ছিল) হয়েছে।
->কোরআনের প্রয়োজনীয় আয়াত তথা সুরা সমূহ অন্তুর্ভুক্ত করার পর বাদবাকি সব আয়াতসমূহ ওসমানের নির্দেশে ধ্বংস করে ফেলা হয়। অবশ্য যুক্তি দেয়া হয়- ওসব আসলে আল্লাহর ওহী নয়, অনেকের মনগড়া।
-> ওসমানের নেতৃত্বে এই সংকলন কর্মে কিছু আয়াতের পরিবর্তন ঘটানো অসম্ভব নয়। ইসলামী চিন্তাবিদেরা এ ধরণের কিছু কিছু পরিবর্তনের কথা স্বিকার করেন; যেমন আরবী ভাষারীতির পরিবর্তন।
->ওসমানের প্রতি আল্লাহর কোন ওহী নাজিলের কোন কথা কেউ কখনও দাবি করেননি। ফলে, কোরআন সংকলনের কাজটিও আল্লাহর নির্দেশে এমন কথা তিনি নিজেও দাবি করেননি।
->এই প্রয়োজনীয়তা তিনি শাসনব্যবস্থা পরিচালনার স্বার্থে অনুভব করেছিলেন।
->আলী ও ওসমানের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধের কথা সকলেই জানে। এই মতবিরোধ কোরআন সংকলনের ক্ষেত্রেও ছিল।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
৭। কোরআন নিয়ে কিছু কথাঃ
->কোরআনের সুরাসমূহ দু'ভাগে বিভক্ত- মাক্কী ও মাদানী।
->মক্কায় প্রচারিত সুরাসমূহ মাক্কী, মদিনায় প্রচারিত সুরাসমূহ মাদানী।
->মাক্কী সুরাসমূহে প্রধানত আল্লাহর গুন, আল্লাহর একত্ববাদ, আল্লাহর মহিমা এসবই বর্ণিত।
->মাদানী সুরাসমূহে ইসলামী শাসনব্যবস্থা পরিচালনার বিভিন্ন বিষয়, মুমিনদের করণীয় বা আচার-আচরণ প্রভৃতি আলোচিত হয়েছে। সেইসাথে এই সুরাগুলিতেই ইহুদী ও খৃষ্ট ধর্মের বিভিন্ন বিশ্বাস নিয়ে কথা বলা হয়েছে, এবং প্রাচীণ ইতিহাস তথা ঈসা(যীশু), মুসা(মসেস) এর ঘটনাসমূহ আলোকপাত করা হয়।
->মুহাম্মদ সা. মক্কায় থাকাকালীন প্রধানত মক্কার পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে তাঁর নতুন ধর্ম প্রচার করেন। ফলে, সেসময় তাঁকে বহু ঈশ্বরবাদের বিপরীতে আল্লাহর মহিমা তথা একত্ববাদ প্রচারেই ব্যস্ত থাকতে হয়।
->মদীনায় অপেক্ষাকৃত শান্ত পরিবেশে তাঁকে ইসলামি শাসনব্যবস্থা কায়েমের চেস্টায় লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। ফলে, এসময় তিনি এসময় তাঁর অনুসারীদের ইসলামী শাসন কাঠামো কেমন হতে পারে সে সম্পর্কে আলোকপাত করেন, এবং সেই সাথে তাঁর অনুসারীদের বিভিন্ন ঘটনায় বিভিন্ন প্রশ্নে তিনি মুমিনদের আচার-আচরণ সম্পর্কে আলোকপাত করতে থাকেন।
->মদীনাতেই তিনি ইহুদী ও খৃস্টান ধর্মাবলম্বীদের মোকাবেলা করেন বেশী। যেহেতু, ইসলামকে ঐ দুই ধর্মের ধারাবাহিকতায় আসা ধর্ম হিসাবে উপস্থাপন করেন- সেহেতু- খৃস্টান ও ইহুদীদের বিভিন্ন প্রশ্নের তথা বিভিন্ন প্রচারণার উত্তর তাঁকে এসময় দিতে হয়।
->মুহাম্মদ সা. কোরআনের কোন লিখিত রূপ বা একিউমুলেটেড রূপ হাজির করেননি।
->বিভিন্ন ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে তিনি ইসলাম প্রচারে ও ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েমে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নেন, বিভিন্ন কথা তথা বক্তব্য প্রচার করেন। এই বক্তব্য প্রচারের সময় একটা বড় অংশকে তিনি ঐশী বা আল্লাহর ওহী হিসাবে প্রচার করেন।
->এ ধরণের ওহীসমূহ সেসময় তাঁর স্ত্রীগণ ও সাহাবীরা মুখস্থ করে, বিভিন্ন স্থানে লিপিবদ্ধ করে রেখে দিতেন।
->খলিফা ওসমানের বৃদ্ধাবস্থায় কোরআন লিপিবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, এবং তখন থেকে আমরা লিপিবদ্ধ একটি কনসলুটেড কোরআন পাই।
->আজ যে অবস্থায় আমরা কোরআন পাই (হরফের ব্যবহার ব্যতিরেকে) তা খলিফা ওসমানের অবদান।
->কোরআনের এই সুরা সংখ্যা, সুরা/ আয়াতসমূহের ক্রম- সবই ওসমানের সিদ্ধান্তানুযায়ি(বিবি হাফসা ও অন্যান্য কিছু সাহাবির ভূমিকাও ছিল) হয়েছে।
->কোরআনের প্রয়োজনীয় আয়াত তথা সুরা সমূহ অন্তুর্ভুক্ত করার পর বাদবাকি সব আয়াতসমূহ ওসমানের নির্দেশে ধ্বংস করে ফেলা হয়। অবশ্য যুক্তি দেয়া হয়- ওসব আসলে আল্লাহর ওহী নয়, অনেকের মনগড়া।
-> ওসমানের নেতৃত্বে এই সংকলন কর্মে কিছু আয়াতের পরিবর্তন ঘটানো অসম্ভব নয়। ইসলামী চিন্তাবিদেরা এ ধরণের কিছু কিছু পরিবর্তনের কথা স্বিকার করেন; যেমন আরবী ভাষারীতির পরিবর্তন।
->ওসমানের প্রতি আল্লাহর কোন ওহী নাজিলের কোন কথা কেউ কখনও দাবি করেননি। ফলে, কোরআন সংকলনের কাজটিও আল্লাহর নির্দেশে এমন কথা তিনি নিজেও দাবি করেননি।
->এই প্রয়োজনীয়তা তিনি শাসনব্যবস্থা পরিচালনার স্বার্থে অনুভব করেছিলেন।
->আলী ও ওসমানের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধের কথা সকলেই জানে। এই মতবিরোধ কোরআন সংকলনের ক্ষেত্রেও ছিল।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
৮। আপনার প্রশ্নের উত্তরঃ
মুহাম্মদ সা. ও খলিফা ওসমান পর্যন্ত সাহাবীদের, জানাবোঝায় যা যা ছিল- তারই আলোচনা পাওয়া যাবে কোরআনে।
যেহেতু, হিন্দুদের বা বৌদ্ধদের সম্পর্কে তেমন কিছু জানা ছিল না বা সেই আরব অঞ্চলে শাসন-ব্যবস্থা কায়েমে এদের নিয়ে কথা-বার্তার কোন প্রয়োজন ছিলনা - সেহেতু কোরআনে তারা স্থান পায়নি।
লেখক বলেছেন: মুহাম্মদ সা. ও খলিফা ওসমান পর্যন্ত সাহাবীদের, জানাবোঝায় যা যা ছিল- তারই আলোচনা পাওয়া যাবে কোরআনে।
যেহেতু, হিন্দুদের বা বৌদ্ধদের সম্পর্কে তেমন কিছু জানা ছিল না বা সেই আরব অঞ্চলে শাসন-ব্যবস্থা কায়েমে এদের নিয়ে কথা-বার্তার কোন প্রয়োজন ছিলনা - সেহেতু কোরআনে তারা স্থান পায়নি।
মদনবাবু বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমি ভাবছি- একটি নতুন পোস্ট দিব, সেখানে এই ১ থেকে ৭ নং পয়েন্ট উল্লেখ করে আরো কিছু ভাবনা যোগ করতে চাই।
আপনার অনুমতি চাচ্ছি।
অপেক্ষাতে আছি জনাব । দয়া করে আপনার লেখাগুলী কে ব্যাকআপ নিয়ে রাখবেন । ধন্যবাদ ।
মদনবাবু বলেছেন:
@ ক্যাচাল, পোসট আপডেট করুন ।
ক্যাচাল বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা এ নিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন , তাই আপাতত '' নবীজী কি নিরক্ষর ছিলেন?'' -এইটা আপডেট করতেছি। তাছাড়া আরেকটা সিরিয়াস পোস্টের কাজ হচ্ছে।
ক্যাচাল বলেছেন:
A mail received from my senior well wisher:Quran does not mention the religion of Hinduism or Buddhist by those exact names, but lumps them altogether as non-believers, as in not believing in monotheistic god.
The main principle of Islam is "Shahadah" that is described as "the testimony that there is no deity but Allah and that Muhammad is the Messenger of Allah." Hindu religion is one of the oldest in the world, and is too broad to be profiled with a narrow set of commands. Buddhism is often described as a set of teachings than a religion, influenced by Sidharta Gautam.
I don't know of any religion that precisely mentions about other existing religions of the earth in their doctrine.
As you might know, the very first time God contacted a human being and asked him to worship in just one God was through Abraham. His two sons started two huge lineages, and continued with the belief in Arab and Israel. Many messengers of Gods were born in those families. And Quran talks about those incidences. Over and over again people distorted God's teachings and fell astray.
Many religious scholars consider Quran as the continuation of the original scriptures Taurat and Injeel. According to Quran the Jewish holy book had been vastly altered by the rabbis – and very different from God's direct teachings. The Christians did not preserve the original scripture. They call it the Old Testament, but that was altered version of Injeel. They focus more heavily on the New Testament, which is basically The Gospels which were written in 4 versions, by the four main disciples of Jesus – Mark, Luke, Peter and John. Mohammed was chosen by God to straighten out the original teachings of God.
People who used to involve in complete anarchy in 6th century Arab were pagans. BTW, pagans did not have any religion. Pagan is a generic term for people who do not practice any particular set of faith/beliefs and lack in moral value or respect for law.
When you read in Quran that the non-believers will go to hell after death, it is meant for the pagans who committed crimes against humans, not necessarily a peace loving individual who happened to not have converted to Islam. Mohammed never pressured or intimidated anybody into accepting Islam as their religion, but people who heard him talk/preach have en masse converted, voluntarily.
In today's world, the Muslim fanatics (some of who are terrorists) reference from Quran ayah that God had commanded to fight against Christians and Jews – validating their crusade against the west. But you have to understand those commands were against the so-called Christians and Jews, who did not follow God's teachings and were involved in immoral activities.
And no, Quran was not formulated by people. It is an ensemble of God's words/commands that were revealed to Mohammed who shared with his companions, who eventually, some years after Mohammed's death decided to put in a book called Quran – keeping the integrity of the actual revelations.
Just because it is beyond human capability of understanding the divinity or its mechanism -- does not mean we should throw it away. Seriously, how much of the mysteries of the universe has been understood by the inconsequential (in terms of the vastness of universe) humans? Probably 0.0001%.
It is sheer arrogance of human being to deny the existence of God when the human capability is so little.
কলুর বলদ বলেছেন:
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













