somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... পুরুষতান্ত্রিক চিন্তাধারা (১৮+)
আমি বললাম, 'তুই মেডিকেল লাইনে পড়াশোনা করেছিস। শারীরিক পবিত্রতা অপবিত্রতা বিষয়ে তোর ধ্যান ধারণা যদি গ্রামের কাঠমোল্লার থেকে আলাদা না হয় তা হবে সত্যিই দুঃখজনক। তুই আমাকে বোঝা, হোয়াট ডু ইউ মিন বাই দা টার্ম "ইউজড মেয়ে"?'

'এই মেয়ে আগে দুইজনের সাথে সেক্স করছে। একজনের সাথে তার সেক্স করার দৃশ্য এই বঙ্গদেশের সবাই দেখছে। এমনকি তার ভিডিও নাকি বিদেশের বিভিন্ন সাইটেও খুব পপুলার হইছে। এরকম একটা মেয়েকে কিভাবে বিয়ে করা সম্ভব?'

'আমাকে বল মেয়েটার অপরাধ কি? মেয়েটা বাংলাদেশের কোন আইনটা ভাঙছে? প্রাপ্ত বয়স্ক দুইটা মানুষ যদি একে অন্যের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় তাহলে তুমি সেটা আটকানোর কে? আর নৈতিক দৃষ্টি থেকে যদি মনে হয় বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক খারাপ, তাহলে প্রশ্ন করি কোনটা বেশি খারাপ, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা নাকি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে সেটার ভিডিওচিত্র সারা পৃথিবীতে ছড়ায় দেওয়া? তোর নৈতিকতা কি বলে?'

'না ভিডিও ইন্টারনেতে ছেড়ে দেওয়াকে তো আমিও সাপোর্ট করি না। কিন্তু তুই বল একটা ছেলে যখন এইভাবে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয় তখন সে কি প্রতিশোধ নিতে চাইবে না?'

'এই তো এবারে তুই লাইনে চলে এসেছিস। তোর সাথে আমার বেসিক যে জায়গাটায় দ্বন্দ্ব সেটা এখানে। তোর কথা অনুযায়ী বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হলে সবই জায়েজ। খুন করা, এসিড মারা, রেপ করা, পর্ন ক্লিপ নেটে ছেড়ে দেয়া। প্রতিশোধ কখনো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে না। ব্যাটম্যান বিগিনস মুভির একটা ডায়ালগ আছে - Justice is about harmony. Revenge is about you making yourself feel better. Which is why we have an impartial system. আমি স্বীকার করি সব অন্যায়ের বিচার আইন আদালত দিয়ে হয় না। কিন্তু প্রতিশোধে উন্মত্ত হয়ে যখন কিছু করা হয় তখন সেটার ফলাফল হয় লঘু পাপে গুরুদণ্ড। মেয়েটি এখানে গুরুদণ্ডের শিকার হয়েছে। আর যে ছেলেটি এই অপকর্ম করেছে সে কখনোই কোন বিবেকবান মানুষের সহানুভুতি পাবে না। এবং আমি বিশ্বাস করি ছেলেটি আর কোনদিনও নিজেকে শ্রদ্ধা করতে পারবে না। নিজের প্রতি নিজে বীতশ্রদ্ধ হওয়া, আত্মসম্মান হারানোর চেয়ে মৃত্যুও শ্রেয়। আমি মনে করি প্রকৃতির একটা নিজস্ব বিচার ব্যবস্থা আছে। এ কারণে মেয়েটি শান্তর মত একটি মানুষকে পেয়েছে যে কিনা সব জেনে শুনে, সমাজে তোর মত মানুষের প্রতিক্রিয়া কি হবে সেটা জেনেই ঐ মেয়েটিকে বিয়ে করেছে। মেয়েটি যদি আবার কোন ভুল না অকরে তাহলে সে জীবনে নিশ্চয়ই সুখী হতে পারবে।আমরা আমাদের শরীরের কারণে মানুষ নই, আমরা মানুষ আমাদের চেতনার কারণে। উই আর সো মাচ মোর দ্যান জাস্ট ফ্লেশ অ্যান্ড ব্লাড। আই বিলিভ এভরিওয়ান ডিজার্ভস আ সেকেন্ড চান্স। ডোন্ট ইউ থিঙ্ক সো?'

আমার বন্ধুটি কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে বলল, 'আমি এভাবে ভাবি নাই।'

'আমি জানি। আমাদের সমাজ ব্যবস্থা চায় না আমরা এভাবে ভাবি। আমাদের চেতনার ভেতরে ঢুকে গেছে পুরুষতন্ত্র। যে কারণে ভিক্টিম মেয়েটি এমনকি অন্য মেয়েদের কাছ থেকেও কোন সহানুভুতি পায় নি। আমরা এই সমাজের সবচেয়ে সুবিধাপ্রাপ্ত গোষ্ঠীর সদস্য। আমরা যদি ভিন্নভাবে চিন্তা করা শুরু না করি তাহলে কিভাবে হবে? শুধু আর্থিক উন্নতি মানেই উন্নতি নয়। মানসিকতায় উন্নত হতে না পারলে আমরা সারা পৃথিবীর কাছে হাস্যস্পদই হতে থাকব। তোকে আমি শান্তর মত হতে বলছি না। তুই যদি পিওর ভার্জিন ছাড়া বিয়ে করবি না বলে প্রতিজ্ঞা করিস তাহলে সেটা তোর ব্যক্তিগত ইচ্ছা। কিন্তু তো পছন্দের বাইরেও পৃথিবীতে অনেক কিছু ঘটছে এবং ঘটবে। সেগুলোকে যত সহজভাবে নিতে পারবি ততই মঙ্গল।']]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29516727 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29516727 2012-01-05 14:36:56
ভারতীয়রা নিজেদের সংস্কৃতি কতটুকু ধরে রাখছে?
ব্লগে এবং আশেপাশের অনেককেই একটা অভিযোগ করতে দেখি - ভারতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসনে আমাদের সংস্কৃতি টিকতে পারছে না। আরেকটু স্থূলভাবে বলা যায় - বাঙালি সংস্কৃতি হিন্দী সংস্কৃতির তুলনায় অনেক দুর্বল এবং প্রতিযোগিতা করে টিকতে পারবে না। ভারতীয়রা তাদের সংস্কৃতির প্রতি খুবই যত্নশীল এবং আমরাই কেবল তাদের সংস্কৃতি গ্রহণ করে বিকৃত নতুন সংস্কৃতির জন্ম দিচ্ছি।

সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার আসলে ভারত নিজেই - তারা শিকার হয়েছে পাশ্চাত্যের সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের। লক্ষ করে দেখুন তাদের অনেক মুভিই চিত্রায়িত করা হচ্ছে ভারতের বাইরে, অথচ ভারতের ভেতরে মরুভূমি, জঙ্গল, বরফাচ্ছাদিত পাহাড় সবই আছে। ডায়ালগেও ইংরেজির ব্যবহার লক্ষণীয়। তাদের মুভির গানের অর্ধেক কথাই ইংরেজিতে। ইদানিং "শিলা কি জাওয়ানি" নামের একটি গান খুব চলছে। আসুন তার লিরিকসটার দিকে একবার তাকাই -

I know you want it
But you never gonna get it
Tere haath kabhi na aani
Maane na maane koi duniya
Yeh saari, mere ishq ki hai deewani

My name is Sheela
Sheela ki jawani
I'm just sexy for you
Main tere haath na aani
Na na na sheela
Sheela ki jawani
I'm just sexy for you
Main tere haath na aani

...

Silly silly silly silly boys
O o o you're so silly
Mujhe bolo bolo karte hain

ইত্যাদি ইত্যাদি।

কুৎসিত লিরিকসের এমন গানও দিব্যি চলে ক্যাটরিনার যৌনাবেদনময়তার কারণে। ইউটিউবে দেখলাম একজন কমেন্ট করেছে "ক্যাটরিনা ইউ আর জাস্ট মেকিং ইওরসেলফ চিপ অ্যান্ড অল মেন মাস্টারবেটিং।" আমারো মনে হয়েছে এই গানের লিরিকস এবং ভিডিও পুরুষদেরকে দ্রুত অর্গাজমে পৌছাতে সাহায্য করবে, কিন্তু এটি আসলে পাশ্চাত্যের যৌন সুড়সুড়ির ভারতীয় সংস্করণ ছাড়া আর কিছু না।

সুতরাং যারা বলেন ভারতীয়রা তাদের সংস্কৃতি আমাদের দেশে পাচার করছে কিংবা চাপিয়ে দিচ্ছে তারা অবশ্যই ভুল বলেন। খাটি ভারতীয় সংস্কৃতির সাথে আদতে বাঙালি সংস্কৃতির সম্পর্ক সাংঘর্ষিক নয়, কিন্তু সমস্যাটা হয়েছে মূলত ভারতীয় সংস্কৃতি বিকৃতির কারণে। এমটিভির স্প্লিটসভিলাতে বিকিনি পরা মেয়েরা যখন সারা গায়ে তেল মেখে একে অন্যের ওপরে স্লাইড দেয় সেটা আমাদের দেশের সংস্কৃতির ওপরেও কিছুটা ঋণাত্মক প্রভাব ফেলে বৈকি।

বাংলা সংস্কৃতি, বাঙালি সংস্কৃতি হিন্দীর চেয়ে পিছিয়ে নেই। বরং হিন্দীর যতটুকু পাশ্চাত্যায়ন হয়েছে সে তুলনায় বাংলা প্রায় অক্ষতই আছে। তাই আমার সবার প্রতি একটা অনুরোধ, দয়া করে হিন্দী চ্যানেলগুলা দেখা বন্ধ করেন। হিন্দী মুভি দেখেন, তবে বিদেশী মুভি হিসাবে। হিন্দী গান শুনেন নায়িকার নাচানাচি চিন্তা না করে শুধুমাত্র গান হিসেবে (তখন বুঝতে পারবেন আসলেই কয়টা গান শ্রুতিমধুর)। এয়ারটেলের আহবানে সাড়া দিয়ে সাইফ কারিনার সাথে ডিনারের লোভে এসএমএস পাঠানো বন্ধ করেন। বাংলা চ্যানেলগুলা দেখার চেষ্টা করেন। আমাদের দেশীয় প্রোডাকশন হাউজগুলো যে নাটক বানাচ্ছে তা ওদের হিন্দী সিরিয়ালগুলোর চেয়ে খারাপ না (গুলশান এভিনিউ টাইপের কিছু সিরিয়াল ছাড়া)। বাজেট অবশ্যই কম, তাই জৌলুসও কম, কিন্তু কাহিনী যথেষ্ট ভালো।

সংস্কৃতি চাপানোর জিনিস না, আমরা গ্রহণ না করলে ওরা আমাদের গেলাতে পারবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29294311 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29294311 2010-12-22 20:27:05
আমি এখন এয়ারটেল ইউজার, এই দুক্ষ কৈ রাখি http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29293465 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29293465 2010-12-21 11:59:39 নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে অভিনন্দন!
আমি মনে প্রাণে চাই ফাইনালে জিতুক স্পেন। সুইজারল্যান্ডের সাথে ম্যাচটি বাদ দিলে স্পেন পুরো টুর্নামেন্টেই ভালো খেলেছে, তবে নিজেদের সেরাটা এখনো দেখাতে পারে নি তোরেসের ফর্মের অভাবে। আজ তোরেস হয়তো একটি গোল পেতে পারত, পেড্রোর ভুলের কারণে তা হয় নি।

বেস্ট অব লাক টু নিউ চ্যাম্পস!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29194827 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29194827 2010-07-08 03:01:00
বেচারা স্লোভেনিয়া!
যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে হিসাবটা ছিল এরকম - অপর ম্যাচে যদি কেউ জেতে (ইংল্যান্ড কিংবা স্লোভেনিয়া) তাহলে তাদের অবশ্যই জিততে হবে। ৯০ মিনিট শেষে তাদের স্কোর ০ - ০, তাই বিদায়ের ঘণ্টা শুনতে পাচ্ছিল তারা। অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ হল চার মিনিট। ৯১তম মিনিটে স্লোভেনিয়ার মুখের হাসি মুছে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ল্যান্ডন ডনোভানের গোল। এই গোলে শুধু তারা পরের রাউন্ডেই গেল না, গ্রুপ চ্যাম্পিয়নও হল।

তবে ভাগ্য এতদিন বিরূপ আচরণই করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি। স্লোভেনিয়ার বিপক্ষের ম্যাচে রেফারি কোমান কৌলবালির ভুল সিদ্ধান্তে ৮৬ মিনিটে পাওয়া একটি গোল থেকে বঞ্চিত হয় তারা। কৌলবালিকে পরের রাউন্ড থেকে বাদ দিয়েছে ফিফা। আজও একটি গোল বাতিল হয় লাইনসম্যানের ভুল সিদ্ধান্তে। কিন্তু সব প্রতিকূলতা জয় করে তারা এখন পরের রাউন্ডে। আগামী ২৬ জুন রাত সাড়ে ১২টায় তারা খেলবে ডি গ্রুপের রানার্স আপের সাথে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29183688 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29183688 2010-06-23 22:46:16
মোহাম্মদ কায়কোবাদের লেখার প্রতিক্রিয়া মূল লেখা এখানে

স্যার আপনার মতামতের প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি, লেখাটা অনেকটাই একপেশে হয়েছে। বিশ্বকাপ ফুটবল আসে প্রতি চার বছর পর পর - এক মাস সময়ের জন্য। এটা নিয়ে উন্মাদনা শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই দেখা যায়। ২০৮টি দেশ ফিফার সদস্য (জাতিসংঘের চেয়েও বেশি), বিশ্বকাপ তো খেলে মাত্র ৩২টি দেশ। বাস্তবতা হল বেশিরভাগ দেশেরই বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা খুব কম। এবারের আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকাও আয়োজক দেশ হিসেবেই বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে, ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিং এ তাদের অবস্থানও অনেক নিচের দিকে। সুতরাং আপনার হিসাব অনুসারে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ বিশ্বকাপ উন্মাদনা নামক এই তথাকথিত "উন্নয়ন প্রতিকূল সংস্কৃতি" দ্বারা আক্রান্ত। অত্যন্ত দুঃখজকভাবে আপনি এই লেখায় বাঙালি সংস্কৃতির ওপরে চলমান হিন্দি ছবি এবং গানের আগ্রাসনের (যা সত্যিকার অর্থেই উন্নয়ন প্রতিকূল সংস্কৃতি) সাথে চার বছর অন্তর আসা সারা বিশ্বের ফুটবল উন্মাদনার তুলনা করেছেন।

আপনি পতাকার পেছনে ব্যয় হওয়া অর্থকে অপচয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং তা "যে দেশের রাজধানীতে যখন-তখন দালান ধসে পড়ে আর আগুন লেগে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়, সে দেশে এই অর্থের অধিকতর যৌক্তিক ও মানবিক ব্যবহার হতে পারত" বলে উল্লেখ করেছেন। তবে বাস্তবতা হল এই পতাকা বাণিজ্য সামগ্রিকভাবে দেশকে ততটা ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, যতটা করে আমাদের শিক্ষাবিদেরা যখন নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়নের নামে মাসের পর মাস প্রমোদ ভ্রমণ শেষে দেশে ফিরে "একমুখী শিক্ষা"র মত জিনিস উপহার দেয় যা বাতিল করার জন্য আমাদের আবার আন্দোলনে নামতে হয়। আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা মিনিটে এক লাখ টাকা ব্যয় করে মহান সংসদে বসে প্রতিপক্ষকে গালাগালির মাধ্যমে ঘায়েল করার চেষ্টা করেন, সেটা কি অর্থের অপচয় নয়? পতাকার ব্যবসা তো সে তুলনায় নেহায়েতই একটি মামুলি সিজনাল ব্যবসা, অনেকটা বর্ষাকালের ছাতার ব্যবসার মত।

আপনি হয়তো লক্ষ করেন নি, এবারে অন্যান্য দেশের পতাকার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণে বাংলাদেশের পতাকাও কেনাবেচা হয়েছে এবং মানুষ নিজের প্রিয় ফুটবল খেলুড়ে দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশের পতাকাও টানিয়েছে। দেশপ্রেম আমাদের দেশের মানুষের মাঝে কম নেই, ফুটবল আবেগও এই দেশপ্রেমকে চাপা দিতে পারে নি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29176012 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29176012 2010-06-13 13:54:34
পাকিস্তানী আদর্শ অনুসরণ সরকারের জন্য মঙ্গলকর হবে না
যারা মোটামুটিভাবে প্রক্সি কি জিনিস সেটা জানেন তারা এখনো ফেসবুকে ঢুকতে পারছেন। কোন এক কারণে (সম্ভবত অজ্ঞতা) ফেসবুকের মোবাইল ভার্সনও বন্ধ হয় নি।

প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদলীয় নেত্রীর ব্যঙ্গাত্বক ছবি থাকার কারণে ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছে। এই ছবি যিনি পোস্ট করেছেন তাকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত যারা নেন তারা কি জানেন যে ফেসবুকে ফিডব্যাক পাঠানোর ব্যবস্থা আছে এবং তাদের ফিডব্যাক পাঠালে তড়িৎ ব্যবস্থা নেয়া হয়? ঐ ছবি ২৪ ঘণ্টার মাঝেই সরানো সম্ভব হত এবং সেটা হতে পারত দেশের নয় লাখ ফেসবুক ইউজারকে হয়রানি না করে, বহির্বিশ্বে নিজেদের হাস্যস্পদ না করেই।

পাকিস্তানীদের সাথে আমরা যুদ্ধ করে নিজেদের স্বাধীন করেছিলাম। আমাদের যুদ্ধ কিন্তু শুধু একটি স্বাধীন ভূখণ্ড পাওয়ার জন্য ছিল না, পাকিস্তানীদের কট্টর এবং বর্বর মানসিকতা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যও ছিল। আজ ৩৯ বছর পর যখন দেখি পাকিস্তানে প্রায় প্রতিদিনই আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ হয়, কোন ক্রিকেট দল তাদের দেশে খেলতে যেতে চায় না, তখন মনে মনে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলি। কিন্তু আমাদের সরকার (দুঃখজনকভাবে এটি একটি আওয়ামী সরকার) এখনো এই পাকিস্তানী মানসিকতা থেকে বের হতে পারে নি দেখে আমরা ব্যথিত হই। পাকিস্তানী আদর্শ অনুসরণ সরকারের জন্য মঙ্গলকর হবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29165723 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29165723 2010-05-30 09:48:43
এত কষ্ট সহ্য হয় না, দেশ ছেড়েই চলে যাব
কিন্তু এখন আমার মাথায় শুধু একটাই চিন্তা - "কিভাবে এই দেশটা ছাড়ব"। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের আরো অনেকখানি এখনো বাকি, সেটার পাট চুকিয়ে সোজা বিদেশ চলে যাব, পেপারে প্রবাসে ডিগ্রী অর্জন নিয়ে যত লেখা ছাপানো হয় তার কোনটাই আমার চোখ এড়ায় না। এই চিন্তা নিঃসন্দেহে আমার দেশপ্রেমকে প্রশ্ন বিদ্ধ করে তোলে।

আমার আশেপাশের বন্ধু বান্ধবদের মাঝেও দেখি একই প্রবণতা। সবগুলা আছে দেশ ছাড়ার তালে। আসলে বাংলাদেশের মানুষ এখন আর কোন মানবিক জীবন যাপন করছে না। আমরা অনেকটা পাশবিক জীবন যাপন করছি, ফিরে চলেছি আদিম গুহা মানবদের জীবনের দিকে।

আমার এক ফ্রেন্ড টিউশনি করে বারিধারায়, ঐ ফ্যামিলির মেম্বার ৪ জন, ওদের গাড়ি আছে ছয়টা - সবগুলোই স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (SUV)। যাকে পড়ায় সেই মেয়েটি খুবই আহ্লাদী, ঘরের তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে ঊঠলেই তার প্রচন্ড গরম লাগে। তাই সে পুরো বাসার সবগুলো এসির তাপ ১৬ ডিগ্রিতে ফিক্স করে গায়ে রেশমী চাদর দিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

আমি জানি ঢাকা শহরে না হলেও কয়েক হাজার এ ধরনের পরিবার আছে, তারা নিজেরা জেনারেটর লাগিয়ে রেখে এইসব চোদনামি যত ইচ্ছা করুক আমার আপত্তি নাই, কিন্তু যেখানে হাসপাতালের রোগীরা বিদ্যুৎ পাচ্ছে না সেখানে সরকারী বিদ্যুতের লাইন নিয়ে এইসব ইতরামির কথা শুনলে গায়ে আগুন ধরে যায়।

আমি যেখানে নিরুপায় হতাশ হয়ে এই দেশ ছাড়ার কথা বলছি সেখানে এই সব পরিবারগুলো আসলে মূলত দেশের বাইরেই থাকে। এরা জানেও না তাদের আশে পাশে কি ঘটে চলেছে, এরা পড়ে টাইম ম্যাগাজিন, রিডার্স ডাইজেস্ট দেশের পেপার পড়ার সময় এদের হয় না।

আমি তোমাকে আগে ভালোবাসতাম, এখনো তাই বাসি - হে আমার প্রিয় দেশ। কিন্তু আমি থাকলে তোমার জন্যে আরো দুর্ভোগই বয়ে আনব, তাই তোমাকে ছেড়ে আমি চলে যাব। আর মাত্র কটা দিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29130724 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29130724 2010-04-07 19:29:20
কারেন্ট যাবে আর দু মিনিট পর (সাময়িক আজাইরা পোস্ট)
আপনার এলাকায় কি অবস্থা?

(প্রবাসী স্বর্গবাসী ব্লগারেরা এই পোস্টটি এড়িয়ে যেতে পারেন। একইভাবে এড়িয়ে যেতে পারেন ভিআইপি এলাকার বাসিন্দারাও যারা এসির তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রীতে সেট করে ইটালিয়ান কাপড়ের স্যুট পরে ঘুরে বেড়ান।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29126023 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29126023 2010-03-30 14:27:09
কালের কণ্ঠ বনাম প্রথম আলো: বাহ্যিক পর্যালোচনা
কালের কণ্ঠ হাতে নিয়ে প্রথমেই আমার মনে হল পত্রিকাটি বেশ ওজনদার। চব্বিশ পৃষ্ঠার মূল কাগজের সঙ্গে আরো আট পৃষ্ঠা ফিচার পাতা। ভেতরে খবরে ঠাসা, বিজ্ঞাপনের ভারে জর্জরিত নয়। প্রথম পৃষ্ঠার সেট আপ অবশ্য আমার তেমন ভালো লাগে নি, একটু যেন হিজিবিজি। মূল শিরোনামটা পুরোপুরি বামে না হয়ে কিছুটা মাঝামাঝি হলেই ভালো হত। শিরোনাম করা হয়েছে “কলেজে ভর্তি বিঘ্নিত ছাত্রলীগের বাণিজ্যে”। ঠিক নিচেই বক্স করে উত্তরাতে এক জঙ্গির হাতে আরেক জঙ্গি খুন হবার খররটি ছাপা হয়েছে যেটি প্রথম আলোর মূল শিরোনাম। দুটি পত্রিকাই প্রথম পাতার উপরে ডানে ভারোত্তলক হামিদুলের জাতীয় পতাকা হাতে ছবি এবং সেই সাথে এসএ গেমসে বাংলাদেশের সোনা জয়ের খবরটি ছাপিয়েছে। প্রথম আলোর প্রথম পাতার প্রথম কলামের নিয়মিত আয়োজন কলাম ১, উদ্ধৃতি, অনলাইন জরিপ এবং এপিঠ ওপিঠ (কার্টুন) এবং কালের কণ্ঠের প্রথম পাতায় এ ধরনের কিছু না থাকাটা লক্ষনীয়। আমি বলছি না কালের কণ্ঠকে প্রথম আলোর নকল করে একই জিনিস ছাপাতে হবে, কিন্তু একজন পাঠক হিসেবে আমি প্রথম পাতায় খবরের পাশাপাশি কিছুটা বৈচিত্র্যও আশা করি।

কালের কণ্ঠ গুরুত্ব দিয়েছে ব্যবসা বাণিজ্যের খবরকে, আজ তারা এর জন্যে বরাদ্দ রেখেছে তিন পাতা। এছাড়া শেয়ারের মূল্য তালিকা রয়েছে এক পৃষ্ঠা জুড়ে। প্রথম আলো ব্যবসা বাণিজ্যের খবরের জন্য প্রতিদিনই বরাদ্দ রাখে দুই পাতা, তবে এই পরিবর্তনটি এসেছে বেশিদিন হয় নি (আগে এক পাতা করে ছাপাতো)। খবরের কোয়ান্টিটিতে কালের কণ্ঠ অবশ্যই এগিয়ে আছে, কোয়ালিটির তুলনাতে যাচ্ছি না। <img src=" style="border:0;" />

কালের কণ্ঠের সবচেয়ে ভালো লেগেছে যে জিনিসটি সেটা হল খেলার পাতা। আমি এমন অনেককেই চিনি যারা রাজনীতি কিংবা অন্য কোন খবরে আগ্রহী নয়, কেবল খেলার পাতাটা পড়েই কর্মস্থলে চলে যায়। পুরো চার পৃষ্ঠা রঙ্গিন খেলার পাতা বিপুল সংখ্যক তরুণ পাঠককে আকৃষ্ট করবে নিশ্চতভাবেই। আরেকটি ভালো দিক হল খেলার চারটি পাতা হল পত্রিকার এগারো থেকে ১৪ নম্বর পৃষ্ঠা – অর্থাৎ মাঝের চার পৃষ্ঠা। সকাল বেলায় কেউ খেলার পাতা আর কেউ অন্য পাতা নিয়ে যে কাড়াকাড়ি করে তা সহজেই দূর হবে মাঝের চার পাতা খেলার জন্য বরাদ্দ থাকাতে।
ঢাকার বাইরের খবরাখবর নিয়ে প্রথম আলোতে থাকে দুই পাতা – বিশাল বাংলা শিরোনামে। কালের কণ্ঠে সেই খবরগুলো আছে তিন পাতা জুড়ে – প্রিয় দেশ শিরোনামে। এখানেও কোয়ান্টিটিতে কালের কণ্ঠ এগিয়ে আছে। যারা বিনোদন জগতের খবরাখবর জানতে চান বেশি বেশি তাদেরও কালের কণ্ঠই পছন্দ হবে, কারণ এখানেও নিউজের পরিমাণ বেশি। <img src=" style="border:0;" />

শেষের পাতাতে দুটি পত্রিকাই গুরুত্বের সাথে ছাপিয়েছে একুশের বইমেলার খবর এবং প্রথম দিনে কি কি বই প্রকাশিত হয়েছে সেই খবর। কালের কণ্ঠ মেলার খবরের পাশাপাশি একজন লেখকের (মহাদেব সাহা) এবং প্রকাশকের (মহিউদ্দিন আহমেদ) মেলা নিয়ে লেখা ছাপিয়েছে।

শেষ কথা
আমার এই তুলনা নিছকই সময়ক্ষেপণের জন্য, কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হবার উদ্দেশ্যে এই লেখাটি নয়। খবরের পরিমাণের দিক থেকে কালের কণ্ঠ এগিয়ে আছে কিন্তু ভেতরের মান নিয়ে আমি নিশ্চিত নই। কালের কণ্ঠের একটি খারাপ দিক হল এর গায়ে শুরু থেকেই “বসুন্ধরার পেপার” এই সিলটা লেগে আছে, কিন্তু প্রথম আলোর ক্ষেত্রে কিন্তু আমি শুরুতে শুনি নি যে এটা ট্রান্সকমের পেপার। বসুন্ধরা যদি কালের কণ্ঠকে মিডিয়া উইপন হিসেবে ব্যবহারের জন্য এর পেছনে বিপুল অর্থ খরচ করে তাহলে সেটি যতই ভালো গেট আপ বজায় রাখুক না কেন, মানুষ একে প্রত্যাখ্যান করবে (যা হয়েছিল যায় যায় দিনের ক্ষেত্রে)। আবেদ খানের মত সাংবাদিক গোষ্ঠীস্বার্থের কাছে মাথা নোয়াবেন না আশা করি।

প্রথম আলো এক দশকেরও বেশি সময় নিয়ে একটি পাঠক গোষ্ঠী গড়ে তুলেছে, এদেরকে রাতারাতি কালের কণ্ঠের পাঠক বানানো যাবে না। কালের কণ্ঠকে এর পৃষ্ঠপোষকেরা যদি প্রথম আলোর মত পর্যায়ে তুলতে চান তাহলে অবশ্যই পত্রিকাটির সম্পাদকীয় নীতিতে মালিকপক্ষের কোন হস্তক্ষেপ চলবে না।


অফটপিক: মুহম্মদ জাফর ইকবালের নতুন একটি বই এসেছে এবারের মেলাতে – “মহব্বত আলীর একদিন”। কিন্তু আমার যতদূর মনে পড়ে একই শিরোনামের একটি বই কয়েক বছর আগে প্রকাশিত হয়েছিল। কেউ কি বলতে পারেন দুটো বই একই কিনা?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29090032 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29090032 2010-02-02 14:31:42
ঘুম তাড়ানোর সেরা উপায় কি?
কিন্তু এখন ঘুম তাড়াই কেম্নে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29089206 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29089206 2010-01-31 23:03:39
বিবমীষা <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_64.gif" width="23" height="22" alt=":-&" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_64.gif" width="23" height="22" alt=":-&" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_64.gif" width="23" height="22" alt=":-&" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

সিটি কর্পোরেশন করছেটা কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29051131 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29051131 2009-11-29 14:22:48
একটা ডাইনোসর আমলের জোকস <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />
তখন সামনে শীতকাল। এক দিন গোত্রের কয়েকজন এল নতুন সর্দারের কাছে। তারা বলল,"প্রতি শীতের আগে আমাদের সর্দার নির্ধারণ করে দেন কি পরিমাণ কাঠ আমরা বন থেকে কাটব। এবারে সে দায়িত্ব আপনার ওপরে।"

নতুন সর্দার তখন খুব চিন্তায় পড়ে গেল। কারণ তার এ ব্যাপারে তার কোন ধারণা নেই। সে তাদের কাছে একদিন সময় চাইল চিন্তা করার জন্য।

পরের দিন যখন গ্রামবাসী আবার এল তখন সর্দার বলল অন্যান্য সময়ে তারা যে পরিমাণ কাঠ কাটে এবারে তার চেয়ে একটু বেশিই কাটুক। সর্দার ভেবেছিল শীত যদি বেশি পড়ে তাহলে কাঠ বেশি লাগবে, আর যদি শীত কম পড়ে তাহলে বেঁচে যাওয়া কাঠ পরবর্তীতে কাজে লাগবে। কাঠের টান পড়লে সেটা সর্দারের জন্য অসম্মানজক, তারচেয়ে কাঠ উদ্বৃত্ত থাকাই ভালো।

কিছু দিন পরে সর্দার শহরে গেল। সেখানের একটা রেস্টুরেন্টে সে দেখল সিএনএনের ওয়েদার রিপোর্টে বলা হচ্ছে এবারে অনেক শীত পড়বে।

সর্দার পড়ে গেল চিন্তায়। যদি কাঠের টান পড়ে যায়? সে লোকদের ডেকে এনে আরো বেশি করে কাঠ কাটার নির্দেশ দিল।

সর্দার তারপরেও নিশ্চিন্ত নয়। দুইদিন পর সে আবার গেল শহরে, সেখানে সিএনএন এর রিপোর্টে সে দেখল বলা হচ্ছে এ বছরে গত বিশ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শীত পড়বে।

সর্দার আবার চিন্তায় পড়ল। সে সবাইকে বলল যত সম্ভব বেশি কাঠ কাটতে।

কিছু দিন পরে সর্দার আবারো শহরে গিয়ে সিএনএন এ দেখল বলা হচ্ছে এবারে নাকি সর্বকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শীত পড়বে।

সর্দার আর নিজেকে নিবৃত্ত করতে পারল না। ফোন করল আটলান্টাতে অবস্থিত সিএনএন এর হেডকোয়ার্টারে। তাদের জিজ্ঞেস করল, "আপনারা কিভাবে শীতসংক্রান্ত এসব ভবিষ্যদ্বাণী করছেন?"

ওপাশ থেকে জবাব এল, "কেন আপনি জানেন না রেড ইন্ডিয়ানেরা এবার শীতের প্রস্তুতি হিসেবে সমস্ত জঙ্গল কেটে সাফ করে ফেলছে?"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29041798 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29041798 2009-11-11 19:19:02
ঢাকা শহরে ট্রাফিক জ্যামের নতুন মাত্রা এবং কিছু এক্সট্রিমিস্ট চিন্তা ভাবনা
সকালবেলায় উত্তরা/মিরপুর থেকে ধানমন্ডি/মতিঝিল যাওয়াটা সম্ভবত সবচেয়ে কঠিন রুট। আমি নিজে মিরপুর ১০ টু ধানমন্ডি (সাত মসজিদ রোড) রুটের নিয়মিত যাত্রী। আমার হাতের অপশনগুলো বলি-

১। শতাব্দী পরিবহন: আমাকে সরাসরি আমার গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেবে। কিন্তু মাঝখানে এদের স্টপেজের সংখ্যা ১৬টি!

২। ১ এর ই (আগে ১৪ নাম্বার ছিল): সিটিং বাস, সিটগুলো এমনভাবে বসানো হয়েছে যে পা ঢোকানোই মুশকিল। যাত্রীর সংখ্যা কম হলে যেখানে সেখানে থেকে যাত্রী তুলে থেমে থেমে।

৩। ১৯ এর ই (আগে ছিল ৩৬ কিংবা সেফটি): এই রুটের সেরা অপশন। কিন্তু সমস্যা হল মিরপুর দশের মত বড় স্টপেজে এরা থামে না! থামে ১১, কাজীপাড়া এবং শ্যাওড়াপাড়াতে। মাঝে মাঝে সিট বেশি খালি থাকলে ১০ নাম্বার থেকেও যাত্রী তোলে।

৪। মাই লাইন: ঢাকা শহরের বীভৎসতম বাস সার্ভিস। এক দিন চড়ে দেখবেন, তাহলেই বুঝবেন।

৫। আল জামী: নতুন চালু হওয়া এই সার্ভিসটাই আমি এখন নিয়মিত ব্যবহার করি। কিন্তু বাসের সংখ্যা কম, আর রুটটা উদ্ভট হওয়াতে যাত্রীর সংখ্যাও কম। তারপরেও মিরপুর দশ থেকে ধানমন্ডি যাওয়ার জন্য এটাই সেরা অপশন।

৬। লোকাল বাস: ১ম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে কিছু বাস এখনো চলে, সেগুলোই লোকাল বাস। বাংলাদেশের স্বাভাবিক উচ্চতার কোন মানুষ ওগুলোতে মাথা সোজা রেখে দাঁড়াতে পারবে না। সকালের রাশ আওয়ারে বাসগুলো ধানমডি পর্যন্ত যায় না, কোনটা টেকনিক্যাল, কোনটা শ্যামলী আবার কোনটা কলেজগেট পর্যন্ত যায়।

এবারে আমি আমার এক্সট্রিমিস্ট চিন্তাগুলো বলি। পাগলামিও বলতে পারেন।

১। সকাল সাতটা থেকে দশটা, এই সময়ে কোন প্রাইভেট কার রাস্তায় বের হতে পারবে না। যদি কেউ বের হতে চায় তাহলে ঐ গাড়ির মালিককে ট্যাক্স দিতে হবে, যার নাম হতে পারে "রাশ আওয়ার ট্যাক্স"।

২। ঢাকা থেকে সমস্ত হিউম্যান হলারগুলো তুলে দিতে হবে।

৩। বাস টপেজে সবগুলো বাসকে এক লাইনে দাঁড়াতে হবে। কোন বাসই এক মিনিটের বেশি থামতে পারবে না। পাশাপাশি দুই লেন দখল করে বাস দাঁড়ালে দ্বিতীয় লেনের বাস চালকের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।

৪। রাস্তার পাশে গাড়ি পার্ক করলে সেই গাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্ব তার মালিককেই বহন করতে হবে। মানে রাস্তার পাশে পার্ক করা গাড়ির উইন্ডস্ক্রীন যদি কেউ ঢিল দিয়ে ভেঙে ফেলে, কিংবা সাইড মিরর চুরি যায় তাহলে কোন মামলা করা যাবে না।

৫। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গলিকে ওয়ান ওয়ে করে দেয়া যেতে পারে।

তাড়াহুড়ো করে যা মাথায় আসল লিখলাম। আপনারাও অ্যাড করতে পারেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29028379 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29028379 2009-10-19 12:48:40
চুপিচুপি মাইনাস<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />
আমি কোন লেখক না, মাঝে মাঝে আলতু ফালতু কয়েকটা লাইন লিখে পোস্ট করে দেই, পরিচিত কয়েকজন এসে কমেন্ট করে। আমি যদি নতুন ব্লগার হতাম তাহলে হয়তো সেই কমেন্টগুলোও পেতাম না। কিন্তু সে জন্যে আমার দুঃখ নেই, লেখালেখি সবার জন্যে না।

এখন ধরা যাক একজন লেখকের কথা। তিনি যখন ব্লগাতে আসেন তখন তাকে কি ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় যেটা একজন সাধারণ ব্লগারের হয় না? সেই জিনিসটা হল ইগো। আমাদের দেশের বেশিরভাগ লেখক (সম্ভবত দুনিয়ার বেশিরভাগ লেখক) তাঁর লেখার স্তুতি শুনেই অভ্যস্ত। সমালোচনা সহ্য করা খুবই কঠিন কাজ, বাস্তবে সেটা সহজেই এড়ানো সম্ভব। কিন্তু ব্লগে যখন তিনি লিখতে আসেন তখন ব্যাপারটা তার জন্য কঠিন হয়ে যায়। বেনামী কোন নিক এসে তার লেখার গুষ্টি উদ্ধার করছে এটা তিনি মেনে নিতে পারেন না।

ফলে তিনি ঐ নিকটাকে ব্লক করেন। ব্লগের নিয়মিত সব ব্লগারেররই একাধিক নিক আছে। তাই ব্লক করলে সমস্যার সমাধান হয় না, বরং আরো জটিল হয়। অন্যান্য নিক থেকে ঐ লেখককে সাইজ করা চলতে থাকে।

এই ধরনের কেস অনেকগুলা আছে এবং উদাহরণ দেয়াটা অপ্রয়োজনীয়। নোটিশবোর্ডের স্টিকি পোস্টের কমেন্ট দেখলেই বুঝবেন কারা চ ধারা সাপোর্ট করছে।

এখন পোস্টের শিরোনামের ব্যাপারে আসি। যারা ভাবছেন এই চ ধারা তাদের 'ট্রোল'দের হাত থেকে বাঁচাবে তারা ভুল করছেন। আমি বরং মনে করি এই ধারাটি 'ট্রোল'দের সংখ্যা বাড়াবে। শুধুমাত্র মাইনাস রেটিং দেয়ার জন্যে অনেকে নিক খুলবে। যাদের একাধিক নিক তারা আসল নিকে কমেন্ট করবে আর আরেক নিকে চুপচাপ মাইনাস দিবে। ব্লগের গেরিলা হামলা বাড়বে।

আমার কথা হল লেখকদের সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। এখানে সবাই সমান। লেখকেরা যদি নিজেদের সাধারণের কাতারে নামাতে না চান সে ক্ষেত্রে তাদের ব্লগিং ছেড়ে দেয়াটাই ভালো।

শেষ কয়েকটা লাইন এই পোস্ট থেকে নিলাম -

তাই সকল "আভিজাত্যের" সংজ্ঞার ক্ষেতাপুড়ি। ব্লুব্লাড বলে কিছু নেই। যা আছে সবই টকটকে লাল রক্ত। কারও নতুন সূর্যের মত উজ্জল আর কারে পুরাতন ক্ষতে বাস করা মৃত শ্বেত কণিকা ভাসা কুৎসিত কালচে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29021875 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29021875 2009-10-07 13:48:44
বারুদের গন্ধ
সেবারই আমি বারুদ এবং তার গন্ধ সম্পর্কে ধারণা পেয়েছিলাম।

ব্লগে এখন অতটা সময় দিতে পারছি না, কারণ আমার কাজিনের থিসিসের কাজে সাহায্য করতে হচ্ছে। কিন্তু ব্লগ এবং ফেসবুক গত এক ঘণ্টা যাবত ঘুরে আমি একটা আন্তর্জালিক বারুদের গন্ধ পাচ্ছি। ইতিমধ্যে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন ব্লগার, কেউ নিহত হয়েছেন কিনা জানি না। পুরোনো ইস্যুতে আবার ব্লগ গরম হচ্ছে - ইত্যাদি সুশীলীয় উদ্ধৃতিও শোনা যাচ্ছে বেশ কজনের মুখে।

পুরোনো ইস্যু আবার নতুন করে ওঠার কারণটা খুব সহজ, পুরোনো ইস্যুটাকে কেবল চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল, সমাধানের কোন চেষ্টা নেয়া হয় নি। গত জুনে একটি পোস্ট স্টিকি করা হয়েছিল যাতে মডারেশন নিয়ে মতামত দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই মতামতের ভিত্তিতে কোন পরিবর্তন এসেছে কিনা সেটা আমি জানি না।

সামহোয়্যার সবচেয়ে বড় বাংলা ব্লগ, তাই এর দায়বদ্ধতাও সবচেয়ে বেশি। পক্ষপাতিত্বমূলক মডারেশন নতুন নতুন ইস্যুর জন্মই দেবে কেবল, সমাধান আনবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29019856 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29019856 2009-10-03 19:16:39
ঈদের সকাল
সকাল সাতটায় গাড়ি আসার কথা। রাস্তা অতিরিক্ত ফাঁকা থাকার কারণেই হোক আর ড্রাইভারের অতি সময়ানুবর্তিতার কারণেই হোক গাড়ি সাতটা বাজার কয়েক মিনিট আগেই চলে আসল। ড্রাইভার পাঙ্কচুয়াল হলেও বুদ্ধিমত্তার বিশেষ পরিচয় পাওয়া গেল না, কারণ সে আমাদের বাসার বেল না টিপে মেইন গেটের বাইরে। নিসান পেট্রোলটা রেখে দোতলার দিকে উদাস নয়নে তাকিয়ে থাকল। বারান্দা দিয়ে দেখে আমার একটু সন্দেহ হল, আমার মেজো ভাই নিচে নেমে ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করে নিশ্চিত হল এই গাড়ি আমাদের নিতেই এসেছে। গাড়ি পাঠিয়েছেন আমার ছোট মামা, ঈদের দিন সকালে এত মানুষের এক সাথে রওনা হবার অসুবিধার কথা ভেবে।

আগের রাতে ফ্লোরিং করেছি, সর্বকনিষ্ঠ হবার জ্বালা আমাকে প্রায়শই সহ্য করতে হয়। ঘুম থেকে উঠে সোজা গোসলে ঢোকাটাও যন্ত্রণাবিশেষ, কিন্তু কিচ্ছু করার নেই। ঈদের দিনটা আনন্দের চেয়ে দায়িত্ববোধেরই বেশি। সুতরাং সব যন্ত্রণা হাসি মুখে মেনে নিয়ে সবার সাথে গাড়িতে চড়ে বসলাম। গন্তব্যস্থল বেইলীরোডস্থ আমার বড় মামার বাসা। ঢাকাতে ঈদ করলে সাধারণত সেখানেই ঈদ করা হয়। সেখানে গিয়ে দেখি বেশিরভাগ মানুষ তখনো ঘুম থেকেই উঠে নি! কারণ জানতে পারলাম বাইরের মেঘ দেখে ঈদ্গাহে সাড়ে আটটার নামাজ পড়ার প্ল্যান বাতিল করা হয়েছে। নটায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি মসজিদের প্রথম জামাত ধরা হবে। রাগে গাটা জ্বলে গেল। শুধু শুধু এত সকালে উঠলাম। তিন রাত মিলিয়ে ঘুমিয়েছি চোদ্দ ঘণ্টা।

যাই হোক আটটা চল্লিশে যখন আমরা সদলবলে চারটা গাড়ি ভর্তি মানুষ নামাজের জন্যে রওনা দিলাম ততক্ষণে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। আমি সেই নিসানটার সামনের সিটেই বসলাম। মাঝে তিনজন সিনিয়র। আর একদম পিছনে চারটা পিচ্চি, আমার কাজিন – এদের সবার বয়স আট থেকে তেরোর ভেতরে। ঈদটা আসলে এদের জন্যই, একুশ বছর বয়সেই ঈদের দিন নিজেকে বড় বেশি বৃদ্ধ লাগে।

মসজিদে যখন পৌছালাম তখন ঠিক নয়টা। বৃষ্টিটা চরম আকার নিয়েছে। মসজিদের গেটের সামনে মহাগিট্টু লেগে গেছে। গাড়ি থেকে নেমে যে একটা দৌড় দিয়ে নামাজ ধরব তারও উপায় নেই, সরু রাস্তায় তিন সারি গাড়ি পার্ক করা, আর সেই সাথে রাস্তায় জমে থাকা পানি তো আছেই। কি করব সেটা নিয়ে গাড়ির ভেতরে প্রায় ঝগড়া হবার মত অবস্থা। সিনিয়র কারুর বৃষ্টিতে ভেজার শখ নেই, পিচ্চিগুলা আবার বৃষ্টিতে ভিজতে আগ্রহী। কারণও আছে – পরের জামাত শুরু হবে এক ঘণ্টা পরে, এই এক ঘণ্টা সময় তারা নষ্ট করতে আগ্রহী না।

যাই হোক, শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি একটু কমল, আমরা বহু কষ্টে গাড়ির চিপা দিয়ে, বাম্পারের ওপরে পা দিয়ে শেষ পর্যন্ত যখন মসজিদে ঢুকলাম তখন সালাম ফেরানো হয়ে গেছে। দ্বিতীয় জামাত ধরা ছাড়া উপায় নাই। আমরা আর কি করব, দাড়ায়ে দাড়ায়ে খুতবা শুনলাম, মোনাজাতে শরীক হলাম, সবাইকে কোলাকুলি করে বের হয়ে যেতে দেখলাম। তারপরে ভেতরে গিয়ে সব কাজিনেরা একসাথে বসলাম। ততক্ষণে মোবাইলে কল আসা শুরু হয়ে গেছে, বন্ধুদের কাছ থেকে।

প্রতিটা ঈদেই আমাকে এই একটা যন্ত্রণা সহ্য করতে হয় – ফ্রেন্ডস বনাম ফ্যামিলি। ফ্যামিলি ট্র্যাডিশন হল ঈদের দিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সবাই এক সাথে থাকবে, বিকালের পরে যার যার বন্ধুদের বাসাতে যেতে পারে। সমস্যা হল আমার বেশিরভাগ বন্ধু বান্ধবের ফ্যামিলিতে এই ট্র্যাডিশনটা নেই। তারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একসাথে থাকে, ঘোরাঘুরি করে। আর আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করে – কেন আসছিস না? গত ঈদে ফ্যামিলি ট্র্যাডিশন ভেঙে দুপুরের খাবার খেয়েই ফ্রেন্ডদের সাথে গিয়েছিলাম, যার ফলশ্রুতিতে আমাকে বেশ কিছু কথা হজম করতে হয়েছিল। এবারে তাই আমি আগেই জানিয়ে দিয়েছিলাম, বিকালের আগে আমি কোন বন্ধুর বাসায় যেতে পারব না।

সমস্যাটা আমি একা নই, আমার বয়সী অন্য কাজিনেরাও ফেস করে। তারাও বন্ধুমহলে আমার মতই অসামাজিক হিসেবে গন্য হচ্ছে। আমি নিজেকে সান্ত্বনা দেই – কিছুটা বোরিং হলেও পারিবারিক এই বন্ধনটার প্রয়োজন আছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29014911 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29014911 2009-09-24 00:41:59
ঢাকা আমার ঢাকা
আসলে মানুষ যেখানে বেড়ে ওঠে সেই জায়গাটির প্রতি একটা আলাদা মায়া থাকেই, এটা প্রাকৃতিক নিয়ম। একেক অঞ্চলের সংস্কৃতি একেক রকম, আর বাংলাদেশের সব এলাকার সংস্কৃতি একসাথে এসে মিশেছে এই ঢাকায়। দেশের সংস্কৃতির সাথে যোগ হয়েছে বৈশ্বিক সংস্কৃতিও, বলিউড এবং হলিউডের প্রভাব এই শহরের সংস্কৃতির ওপরে অনেক। আজ যেটা আধুনিক দু দিন বাদে সেটাই হয়ে যাচ্ছে পুরোনো কিংবা "ক্ষ্যাত"। মফস্বল থেকে যারা এই শহরে আসছেন তারা চট করে এই সংস্কৃতির সাথে নিজেকে মানাতে পারেন না। তখনই তারা বনে যান "মফিজ"।

পার্থক্যটা যতটা সাংস্কৃতিক, ততটাই অর্থনৈতিক। দেশের সবচেয়ে সামর্থবান মানুষেরা বাস করছেন ঢাকায়। সুতরাং প্রতিনিয়ত নতুন পোশাক কেনা, দামি গাড়িতে চড়া কিংবা ২৫০০ টাকায় বুফে ইফতারি খাওয়ার মত ধনাঢ্য ব্যক্তির দেখা মিলবে এই ঢাকাতেই। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না তাদের সংখ্যা নেহায়েতই কম, ঢাকার মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি না। বাকি ৯০ শতাংশ কিন্তু ঐ মফস্বল থেকে আসা মফিজ, তারা চলাচল করেন লোকাল বাসে, গরমে ঘামতে ঘামতে তারা বাসের জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকেন কোটি টাকার গাড়িতে বসে থাকা ফুলবাবুদের দিকে। তাদের শ্রমের কারণেই এই শহর শত প্রতিকূলতার মাঝেও সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।

আমি এক দিক দিয়ে অনেক ভাগ্যবান কারণ আমি ঢাকাতে আমার পরিবার সহ থাকতে পারছি। কিন্তু এই আমিই যখন চিন্তা করি আমি যদি থাকতাম কোন মেসে, অন্য কারো সাথে সিঙ্গেল বেড শেয়ার করে, তখন এই স্বপ্নীল জায়াগাটাই দুঃস্বপ্নময় মনে হত। আমার বন্ধুরা যারা মেসে থাকে তাদের অবর্ণনীয় কষ্টের কথা শুনলে চোখে পানি চলে আসে। কিন্তু তারপরেও তারা এই কষ্টটুকু সহ্য করছে কারণ এই শহর সবাইকে দেখায় সোনালী আগামীর হাতছানি। এখানেই ঢাকার কৃতিত্ব।

রমজান মাসে ঢাকাতে মানুষ ঢোকার হার অনেক বেড়ে যায়, এ ব্যাপারে কোন পরিসংখ্যান আমার জানা নেই, কিন্তু সেটা যে একটা বিশাল সংখ্যা তাতে কোন সন্দেহ নেই। ঈদের ঠিক আগে আগে এই মানুষগুলো বাড়ি ফেরা শুরু করে, টানা এক মাস অমানবিক জীবন যাপন করে আয় করা কিছু অর্থ, কিছু নতুন জামাকাপড় হাতে নিয়ে, পরিবারের সাথে ঈদ উপভোগ করার জন্য। কারো কারো সেই সৌভাগ্যটুকুও হয় না, সড়ক কিংবা নৌ দুর্ঘটনায় হারিয়ে যায় তাদের জীবন। এই মানুষগুলো ঢাকাতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে এক মাস এ কথা সত্যি, কিন্তু তেমনই সত্যি যে তারাই দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছে। সুতরাং ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে তাদেরকে আমি কিছুতেই অবজ্ঞা করতে পারি না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29012137 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29012137 2009-09-17 17:40:43
প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর (আপডেটেড - ১৭ই ডিসেম্বর ২০১০)<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> সবগুলোই কাজ করছে। কোনটা বন্ধ হয়ে গেলে কমেন্টে জানানোর অনুরোধ করা গেল।

http://gr0wl.com/

http://leechtube.com/

http://rapidrar.com/

http://rapid8.com/

http://www.hlusoe.info

http://www.rapidhard.pl/index.php (নো রিজিউম সাপোর্ট)

http://www.rapidit.info/



(বেশির ভাগ জেনারেটরগুলোই আপনার আই.পি. অ্যাড্রেস ডিটেক্ট করে সীমিত সংখ্যক লিঙ্ক জেনারেট করতে দেবে। তাই ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার করুন ফায়ারফক্স এবং সাথে FoxyProxy অ্যাড অন। এই ভিডিওটিতে FoxyProxy-র ব্যবহার সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29008015 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29008015 2009-09-10 13:42:40
ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> সামু

নতুন করে বলার কিছু নাই। সময় কাটানোর জন্যে ভালো জায়গা। মাঝে মাঝে যখন একটা কিছু নিয়ে ক্যাচাল লাগে তখন সামু আরো বেশি প্রাণবন্ত (!) হয়ে উঠে। <img src=" style="border:0;" /> রাজাকার ছাগু টাইপ কিছু না হইলে আমি সাধারণত নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করি। <img src=" style="border:0;" />

ফেসবুক

সত্য কথা হল, আমি ফেসবুক খুব একটা পছন্দ করি না। <img src=" style="border:0;" /> কিন্তু বন্ধুদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার জন্য এর উপরে আর কিছু নাই। <img src=" style="border:0;" /> নেহায়েত সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে হলেও ফেসবুকে যেতে হয়। হাবিজাবি অ্যাপ্লিকেশন যতটা সম্ভব এড়ায়ে চলি। সামহোয়্যারের অনেক ব্লগারের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ফেসবুকের মাধ্যমেই হয়। <img src=" style="border:0;" />

জিমেইল

জিমেইল যে দিন থেকে ব্যবহার করি তারপর থেকে ইয়াহু, হটমেইল সব কিছু বাদ দিয়েছি। জিমেইলের অসাধারণ ফিচার নিয়ে আমার প্রিয় পোস্টের তালিকায় একটা পোস্ট আছে, দেখতে পারেন।

warez-bb

দুনিয়ার সেরা ডাউনলোড বিষয়ক ফোরাম। বর্তমান মেম্বার ১৪ লক্ষের মত। মুভি, গান, মিউজিক ভিডিও, গেম, টিভি সিরিয়াল, সফটওয়্যার, ই বুক - মোট কথা দরকারী জিনিস পত্র সব কিছুর ডাউনলোড লিঙ্ক পাওয়া যায় এই সাইটে।

উইকিপিডিয়া

জ্ঞানভাণ্ডার সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই। দুনিয়ার যে কোন বিষয়ে জানতে ইচ্ছা হইলে উইকিতে সার্চ মারি। <img src=" style="border:0;" />

আইএমডিবি

নতুন মুভির খবর কিংবা পুরোনো মুভির র‌্যাঙ্কিং, রিভিউ ইত্যাদি দেখি।

আমাদের ফোরাম

এটাও একটা ডাউনলোড ফোরাম, তবে সাইজে ছোট। হলিউডি, বলিউডি মুভি, বাংলাদেশি নাটক, টেলিফিল্ম, গান, ইবুক, টিভি সিরিয়াল ইত্যাদি সবকিছুর লিঙ্ক পাওয়া যায় এখানে।

ইউটিউব

নানান ধরনের ভিডিও দেখি। তবে ইন্টারনেটের স্পীডের কারণে অনলাইনে ভিডিও দেখার চেয়ে ডাউনলোড করে দেখাটাই ভালো মনে করি।

জিএসএম অ্যারেনা

নতুন নতুন ফোনের খবর, রিভিউ ইত্যাদি জানার জন্যে ভালো একটা সাইট। <img src=" style="border:0;" />

পোলাপাইন

বাংলা গানের খবরাখবর + ডাউনলোড করার জন্য ভিজিট করি।

র‌্যাপিড এইট

র‌্যাপিডশেয়ার প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর। এর চেয়ে স্টেবল কোন সাইট আমি খুঁজে পাই নি।

সাবসিন

সাবটাইটেল নামানোর জন্যে সেরা সাইট।

বিডি নিউজ

বাংলাদেশের খবরাখবর জানার জন্য।

ক্রিকইনফো

ক্রিকেটের স্কোর জানার জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29006846 http://www.somewhereinblog.net/blog/atpidus/29006846 2009-09-08 17:06:04