আমার প্রিয় পোস্ট
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- অমৃত স্যারের জন্য বেহেশ্তটা কতদূর ? - সবাক
- ব্লগে আপনার পড়া সেরা ফান পোষ্ট কোনটা ?? - চিলে কোঠার সেপাই
- দৃষ্টি আকর্ষন:৭১ এর সকল অনলাইন দলিল একত্রীকরনের প্রচেষ্টা - আরিফুল হোসেন তুহিন
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- ধরো বন্ধু আমার কেউ নাই - টিংকু ট্রাভেলার
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- হ্যাপি ব্লগিং
বিশাল একখান কপি পেষ্ট পোষ্ট
- লাল দরজা
- যাদুর বর্গ - বিবেক সত্যি
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- না এলেই ভালো হতো...! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- কবি শহীদ কাদরীর ৫টি নির্বাচিত কবিতা - সফেদ ফরাজী......
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- অন্তহীন গন্তব্যে আমি একা...... - অদ্ভুত আঁধার এক
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন........ - শফিউল আলম ইমন
- মা - বিপ্র
বোনের ডাক্তার হওয়া দেখা হল না আহমেদ আল ফয়সালের........
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০
![]()
৬ই নভেম্বর চট্টগ্রামগামী ইউনিক সার্ভিসের বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে ঢাকাগামী এসিডের কন্টেইনার বাহী খোলা ট্রাকের। এতে আহত হন বুয়েটের শেষ বর্ষের ছাত্র আহমেদ আল ফয়সাল।প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে সিটি হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তাকে চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরিত করা হয়। আট দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে ১৪ই নভেম্বর তিনি দুপুর দেড়টায় সিটি হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুবরন করেন।
দুর্ঘটনার দিন দুপুর ১টার বাসে তিনি বাড়ি যাচ্ছিলেন। একমাত্র ছোট বোনের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ছিল পরদিন সকালে।বাবা মার একমাত্র ছেলে ফয়সাল চট্টগ্রামের বাসিন্দা। ২০০৩ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজ থকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ভর্তি হন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগে। ফয়সাল এর বাবা সরকারী প্রকৌশলী। বর্তমানে তিনি প্যারালাইসড অবস্থায় বাড়িতে রয়েছেন।
দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে যাত্রী ছিল মোট ৩৮ জন।কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট এর কাছাকাছি স্থানে বিকাল ৪টায় ঘটে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি। বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রচারিত হয় একজন মহিলা ও শিশুকে বাচাতে গিয়ে এ ঘটানা ঘটে যদিও এর সত্যতা এখনো প্রমানিত নয়। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসারত যাত্রীদের মুখে শোনা যায় হঠাৎ ধাক্কায় তারা বাসসহ রাস্তার পাশে ছিটকে পড়েন।
ট্রাকটি করে মেসার্স নাসির কেমিক্যাল এর নামে ১০টন এসিড ৮৮ টি কন্টেইনারএ করে বহন করে ঢাকার ফতুল্লায় নিয়ে যাচ্ছিল। অথচ কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা এতে নেওয়া হয়নি। এসিড পরিবহন একটি অত্যন্ত ঝুকিপুর্ন বলে এসব সাধারনত কাভার্ড ভ্যানে করে পরিবহন করা জরুরি। এসব কন্টেইনার এ ছিল সালফিউরিক এসিডের মত মারাতক এসিদ হলেও তাতে সামান্য তেরপলও দেওয়া হয়নি।দুর্ঘটনার পরপরই এসিড কন্টেইনার বাসের উপর এসে পরে। যা যাত্রীদের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
এতে সেখানেই বাস ড্রাইভার সহ ৬ জনের মৃত্যু ঘটে।বাস যাত্রীদের অনেকেই পরে বাস থেকে বেড়িয়ে এসে পাশব্বর্তী খাদে এসে পানি দিতে থাকে।এরপর বাসে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় জনগনের সহায়তায় আহতদের ২০ কিমি দূরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানেই প্রায় একই সময়ে ৫ জনের মৃত্যু ঘটে।আহতদের মধ্যে সংকাটপন্ন ১০ জনকে বিভিন্ন অ্যানবুলেন্সে করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ঢাকা মেডিকেলে পৌছামাত্রি মারা যান আরও একজন যার শতকরা ৯৭ ভাক তক পুড়েছিল।রাত ১২ টায় ফয়সাল কে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বেডের অভাবে রাখা হয় বার্ন ইউনিটের চারতলার বারান্দায়।প্রথমিক ভাবে বলা হয় তার শতকরা ২০ ভাগ শরীর ঝলসে গেছে।(সূত্রঃ মেডিকেল অভজারভেশন রিপোর্ট ঢাকা মেডিকেল)
আত্র মামা তার সাথেই ঢাকায় আসেন।পরদিন তার চিকিৎসা শুরু হয়।দেড় দিন পর তাকে দোতলার বেডে স্থানান্তরিত করা হয়।পরদিন থেকে তার শরীরে কৃত্রিম ভাবে রক্ত দেয়া হতে থাকে।তার চোখ ও কানে এসিডের ক্রিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে বলে কর্তব্য্রত ডাক্তার জানান।তিনি আরও জানান তার শরীরে কৃত্রিম ভাবে তক গ্রাফটিং করাতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।অসুস্থ বাবা নাকে তখনো তার খবর জানানো হয়নি।শনিবার থেকেই তার সহপাঠীরা তার জন্য অর্থ সংগ্রহ শুরু করেন।হলে হলে তার জন্য সাহায্য চাওয়া শুরু হয়, দেওয়া হয় সব হলের মাসিক ফিস্টের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা।আক্যাফের সামনে বসানো হয় বুথ।র্যাগের অনুষ্ঠান থাকা সত্তেও তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করতে থাকেন।
বুধবার ফয়সালের শরীরে গ্রাফটিং করা হয়,এতে ছিলেন ডাঃ সামন্ত লাল সেন এবং ডাঃ কিশোর কুমার দাস।সেনাবাহিনী প্রধান মইন ইউ আহমেদ দেখা করতে যান আহতদের সাথে।সরকারের পক্ষ থকে সব ধরনের সাহায্যের আশা দেন।
বুধবারই তার অবস্থা খারাপ হতে থাকলে তাকে লালমাটিয়ার সিটি হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয় কৃত্রিম শাস প্রশাসের সুবিধার্থে।কেননা ঢাকা মেডিকেলে মাত্র দুটি আইসিইউ আছে বলে কর্তব্য্রত ডাক্তার জানান।সিটি হাসপাতালের বেড নং ৬ এ রাখা হয় তাকে।সেখানে তার চিকিৎসা পরিচালনা করেন ডাঃ শহিদুল বারী এবং ডাঃ চৌধুরী ইকবাল।সেখানে নির্ধারন করা হয় তার পোড়ার হার শতকরা ৬০ ভাগ অথচ যেখানে ডাকা মেডিকেলে বলা হয়েছিল মাত্র ২০ ভাগ।তারা জানান তার চিকিৎসা ব্যায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
এদিকে বুয়েটে তার জন্য সাহায্য গ্রহন অব্যাহত থকে। ছাত্র কল্যাণ পরিচালক মাগলুব আল নুর শনিবার সকাল থেকেই হাসপাতালে অবস্থান করতে থাকেন।তার আগের দিন সকালেই ঢাকায় পৌছান তার মা।আরো অবনতি হতে থকে সেদিন।সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দুপুর দেড়টায় তিনি শেষ নিঃশাস ত্যাগ করেন।
ফয়সালের লাশ বিকালেই নিয়ে আসা হয় বুয়েটে। মাগরিবের নামাযের পরে বুয়েট খেলার মাঠে তার প্রথন জানাযা হয়। হাজির হর হাজারো শোকার্ত সহপাঠী বন্ধু শিক্ষক সহ অনেকেই।সেদিনই নিয়ে যাওয়া হয় কুমিল্লাই গ্রমের বাড়িতে।
কোন ব্যক্তি লাইসেন্স ছাড়া এরূপ এসিড পরিবহন যায়না বলে নিয়ম রয়েছে।এছাড়া সংশ্লিষ্ট পরিবহনের নকশাও থাকতে হয়।সরকার এর বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নিয়েছে বলে এখনো জানা যায়নি।ঢাকা মেডিকেল ও সিটি হাসপাতালে চিকিৎসারত প্রায় সবাই গত সাতদিনে মারা গিয়েছে।
এসিড পরিবহনের এরুপ দৃষ্টান্ত বন্ধ হোক।
আমরা তার বিদেহী আত্নার শান্তি কামনা করি।
উনার বোনটা চট্টগ্রাম মেডিকেলে চান্স পাইসে।অর কষ্টের কথা ভাবুন।
ভাইটা দেখে যেতে পারলনা ওকে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চাণক্য বলেছেন:
এ কোন কলি যুগে আসিলাম হে।
লেখক বলেছেন: কলির আর দেখলেন কি মাত্র তো শুরু।
বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন:
দুঃখের ঘটনা।
লেখক বলেছেন: আসলেই তাই। আমরা যারা আশপাশে ছিলাম তারা কেউ এখনো সুস্থ হতে পারিনি।
অরণ্য আনাম বলেছেন:
মন্তব্য নিঃপ্রয়োজন
লেখক বলেছেন: তাই ঠিক। আর বলার মত ভাষা খুজে পাওয়া যায়না।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
হুম, মামা কাজের কথা লিখসো, তবে মিডিয়ার ভূমিকা নিয়া আরো কিছু লিখতে পারতা..........আমি ব্যাপক হতাশ তাদের ভূমিকায়..........এই ইস্যুতে আরোও শক্তিশালী ভূমিকা কাম্য ছিল তাদর কাছে।।।
লেখক বলেছেন: চেয়েছিলাম মামা কিন্তু অনেকটুকু লিখে ক্লান্ত।
গত ৯ দিনের ধকল আমি এখনো সহ্য করতে পারিনি।
মিডিয়ার কথা কি বলব?
কয়জন মারা গেছে আমরা চোখে দেখলাম।
তার কতভাগ যে মিডিয়ায় আসে!
তানিম হুমায়ুন বলেছেন:
মন খারাপ হয়ে গেল।
খোলা ট্রাকে করে সালফিউরিক এসিড পরিবহন!..এ ধরনের জীবন বিপর্যয়কারী নির্বুদ্ধিতার প্রতিকার চাই।
লেখক বলেছেন: ভাই আছেন কেমন?
নির্বুদ্ধিতার????
এসব ঠান্ডা মাথায় মানুষ খুন করা মনে হয় আমার।
লেখক বলেছেন: দোয়া কর আপু।
আমরা তার জন্য আর কিছুই করতে পারবনা।
খুব খারাপ লাগে আপু।
লেখক বলেছেন: কে করবে বিচার?
সরকার একবারো এ নিয়ে কিছু বলেনি।
আচে নিজেদের তালে।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
এসিড পরিবহনের এরুপ দৃষ্টান্ত বন্ধ হোক।
আমরা তার বিদেহী আত্নার শান্তি কামনা করি।
লেখক বলেছেন: কি অবস্থা শামীম।
ওদিন হাসপাতালে যাচ্ছিলাম।
চিটাগাং কলেজে আমার সহপাঠী হিসেবে যা যোগাযোগ ছিল ফয়সালের সাথে সেটুকু স্মৃতি তেই খুব কস্ট লাগছে।
বাবা - মা- বোনের না জানি কস্টের সীম কোন আকাশে ছুয়েছে। আল্লাহ তাদের মনে সান্তনা দিক।
এসিড পরিবহনের এরুপ দৃষ্টান্ত বন্ধ হোক।
আমরা তার বিদেহী আত্নার শান্তি কামনা করি।
আর যেন এরকম ঘটনায় কারো প্রাণ না যায়...
এই দোয়া করি
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আমরা শেষ মুহুর্তে যারা দেখেছি তারা জানি কি পরিমান কষ্ট পেয়ে এ মানুষগুলো পৃথিবী থেকে চলে গেল।
এসব সহ্য করার মত না ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ইয়াহইয়া ফজল বলেছেন:
শু...(লিখার অযোগ্য)। শালারা নির্বাচন এলেই জনগণের স্বার্থ নিয়ে শহীদ হয়ে যায়। এরপর আর মনে থাকে না। আর আমাদের কপালে থাকে এই রকম পরিণতি।খুব খারাপ লাগছে। বাবা প্যারালাইস্ড। ওর মৃত্যুতে বোনটারও নিশ্চয়ই পরীক্ষা দেয়া হয় নি। কি প্যাথ্যাটিক।
এই বিষয়গুলোতে অন্তত সরকারের দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: জানেন বোনটা চট্টগ্রাম মেডিকেলে চান্স পাইসে।অথচ ভাইটা দেখতে পারলনা।
রাখাল ছেলে বলেছেন:
মিডিয়ার কি এত টাইম আসে? ওরা তো আছেই যত সব ফালতু খবর প্রচার করতে..........ঢাকা-কুমিল্লা রোডে আসলেই সমস্যা আছে, প্রত্যেক বছর ৫০ টার উপর এক্সিডেন্ট হয়...............আমি চিন্তা করছি আমিও তো মাঝে মধ্যে ওই রোড ইউস করি। কবে যে আমিও..................আমার মনে আছে , যখন ১-১ এ ছিলাম তখন ৫তলার ভাইয়ারা বারান্দায় খেলছিল, আমি দেখছিলাম। ফয়সাল ভাইয়ের কাছে বল খুজতেই ওনি দিয়ে দিলেন বোলিং করার জন্য...............আমার বিশ্বাস করতে এখনো কষ্ট হয়.....
লেখক বলেছেন: এসব ভাবলে আরো খারাপ লাগতে থাকে ভাই।
অন্তত মারা যাবে এরকম একবারও মনে হয়নি তখন ও।
ভাবছিলাম কষ্ট পেলেও সুস্থ হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। দোয়া করেন উনার বাবা মার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
এসিড পরিবহনের এরুপ দৃষ্টান্ত বন্ধ হোক।আমরা তার বিদেহী আত্নার শান্তি কামনা করি।
লেখক বলেছেন: সবাই একসাথে আসুন।
লেখক বলেছেন: আমারো একইরকম মনে হচ্ছিল।সত্যি বেচে থাকাটা কষ্টকর।
নকীবুল বারী বলেছেন:
ফয়সাল এর স্মৃতি আমার জন্য সারা জীবন বেদনাবিধুর হয়ে থাকবে। চলে যাওয়ার সময় কিছুটা আনন্দ, হাসি গানের মাঝ দিয়ে যেতে চেয়েছীলাম.........কিন্তু হলো না।বুয়েটের সকল ছাত্র ছাত্রীদের প্রতি ভালোবাসা থাকলো......মাত্র একদিনের নোটিশে তারা আমাদের প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা যোগার করে দিয়েছিলো।
মানুষের ভালোবাসার ক্ষমতা দেখে আমি মুগ্ধ ।কিন্তু আফসোস একটাই ফয়সালকে বাচাতে পারলাম না। এটা কি দূর্ভাগ্য নাকি নিয়তি কে জানে!!
লেখক বলেছেন: একমত।
আফসোস একটাই, কেন এত কষ্ট পাবার পর ওরা চলে গেল।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
একটু অসচেতনতায় ঝড়ে গেল অনেকগুলো প্রাণ !
হায় ! কতো মূল্যহীন মানুষের একেকটি জীবন !
লেখক বলেছেন: মুল্য দিতে পারিনা ভাইয়া।
এভাবেই তাদের হারাতে হয়।
আমরাও হারিয়ে যাব এভাবেই।
প্রিয়তমা বলেছেন:
মনটা ভীষন খারাপ হয়ে গেল!
লেখক বলেছেন: কেমন আছেন আপু?
অনেক দিন পর।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আমি পুরো ব্যাপারটা জানতাম না...মিডিয়া কোনো গুরুত্বই দেয় নাই। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।আপনি নাকি প্রথম পোস্ট দিয়েছিলেন।
রাতুল২০০৮ বলেছেন:
দুনিয়াটা এত কষ্টের লাগে ক্যান মাঝে মাঝে ...... কোন ভাষা নাই।
আকাইম্মা বলেছেন:
খবরটা জাইনা খুব খারাপ লাগছে ভাই। এই রকম উল্টাপাল্টা কাজ করে, এমনে এ্যাসিড নেয়! সরকার যদি এর বিরুদ্ধে একটা কিছু না করে তাহলেতো ঠিকমতো দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে না। ফয়সালের আত্মার শান্তি কামনা করি।
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
খোলা ট্রাকে করে সালফিউরিক এসিড পরিবহন!..এ ধরনের জীবন বিপর্যয়কারী নির্বুদ্ধিতার প্রতিকার চাই।এর পরেও সরকার নাকে তেল দিয়ে কিভাবে ঘুমায় বুঝি না। এভাবে এসিড পরিবহন অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। সরকার যদি কিছু না করে এরপরেও সেটা হবে উদাসিনতার এক চরম দৃস্টান্ত। সরকার যেন হাসির পাত্র না হয়ে এই ব্যাপারে কঠোর হয় সেটাই কামনা।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
এত বড় একটা মর্মান্তিক ঘটনা। মিডিয়া কেন এটার জরুরী প্রচার করছে না, বুঝতে পারছি না? এটা বোধ হয় বাংলাদেশে এই প্রথম যে, এসিড পরিবহণের ত্রুটির কারণে এইরকম দূর্বিসহ দূর্ঘটনা ঘটলো এত মানুষ ভয়াবহ ভাবে পুড়ে মারা গেল। তারমানে আগেও এইরকম বিপদ্দজনকভাবে এসিড আনা নেওয়া করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে।
তাহলে এর প্রতিকার কি? আচ্ছা, এই অ্যাক্সিডেন্টের পর কারও বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে? বিশেষ করে,মেসার্স নাসির ক্যামিকেলের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের যাবদ্দজীবন কারাদন্ড দরকার বা তার চেয়েও বেশী শাস্তির প্রয়োজন আছে।
সত্যি এই ঘটনাটা যতবার পড়ছি,মন থেকে কিছুতেই এর ভয়াবহতা মুছতে পারছিনা।
এরকম চলতে থাকলে, কে জানে একদিন হয়তো আমারও এরকম হতে পারে।?
ফয়সালের জন্য দোওয়া রইল এবং পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে, নিজেদের জন্যও দোওয়া পড়তে হবে, রাস্তায় বেরুলে। যেন পুড়ে না মরি।
লেখক বলেছেন: মিডিয়ার ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন আমাদের সবার।
জরুরী কোন ভাব তাদের মধ্যে ডেখা যায়নি এখনও।
সরকার এর ভুমিকা ঠিক একই রকম।
এখনও কোন মামলা হয়নি বলে জানি।
আমরা জানিনা এর ভবিষ্যটয় আসলে কি?
মিডিয়াতে দেখা গেল কোন রোগী মারা গেল খবর, অথচ কারা এসব ঘটাল এ নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই।
আমি হতাশ।
আখসানুল বলেছেন:
অইদিন বিকালেই আমি ঢাকা আসছি, গাড়ি আর ট্রাকটাক পড়ে থাকতে দেখছি। বাসায় এসে টিভিতে শুনলাম এসিড ছিল ট্রাকে......... এক্সিডেন্টের ঘন্টা-খানেক পর আমি অই রাস্তায় এসেছি... বাসায় কান্দা-কাটি শুরু হয়ে গেছিল...ফয়সালের বাব-মার অবস্থাটা আমি চিন্তাও করতে পারছি না মনে হয়...
লেখক বলেছেন: উনার বাবা মা দুজনেই অসুস্থ।
দোয়া করেন।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
কষ্টকর, তবে সত্য এবং এটাই ছিল অলংঘনীয়। এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান সাপেক্ষে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রয়োজনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং নিহতদের আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি। আহতরা দ্রুত সুস্থ হোক এই দোয়া করছি।পোস্টদাতাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
ফয়সাল কে নিয়ে যখন লেখাগুলো পড়ি বুকের ভীতর কেমন করে উঠে। বোনটা কি সে জ্বালা কোন দিন ভুলতে পারবে। আর কত মা'র বুক খালি হবে। বোন ভাইকে হারাবে.......।এসিড পরিবহনের এরুপ দৃষ্টান্ত বন্ধ হোক।
আমরা তার বিদেহী আত্নার শান্তি কামনা করি।
লেখক বলেছেন: আপু জান ঐ বাসে আমার দুজন ভাল পরিচিত ছিল।
তাছাড়া হাসপাতালে বাকিদের সাথে পরিচিত হই।
তাদের কেউ এখন বেচে নেই।
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন:
খুবই দুঃখজনক ঘটনা.....তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। আরো যাদের মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায় তাদের আত্মারও শান্তি কামনা করি....এইভাবে যাতে কারো চলে যেতে না হয়।লেখক বলেছেন: ভাষা আর নাই ভাই।
ইউনুস খান বলেছেন:
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: আছি ভাই ভালোই।
আপনার কি খবর? আছেন কেমন?
লাল সবুজের চিঠি বলেছেন:
আমাদের দেশে এ্কটা রীতি হয়ে গিয়েছে নিয়ম ভাংগার। কেউ্র আমরা কোন কিছুর তোয়াক্কা করতে চাইনা। এসব অসা্বধানতা দুর না হলে আরো দুঘ্টনা ঘটবে।
স্বপ্ন বালিকা বলেছেন:
সত্যি কষ্টকর..অনেক খারাপ লেগেছে পুরো ঘটনা পড়ে.........
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















