ব্লগে যখন এসেছিলাম তখন আমি ছিলাম মোটামুটি হতাশ এবং বিক্ষিপ্ত মনমেজাজ খারাপ একজন মানুষ। প্রথম দিকে তেমন একটা মজাও পেতাম না। তারপর একসময় মজা পেতে শুরু করলাম। অনেক ভাললাগা শুরু হল। যখন থেকে রেগুলার হলাম তার কিছুদিন পরে কোন একদিন রাতে রাশুভাইয়ের মাধ্যমে আমার পোস্টে তানজিলা এসেছিল। তারপর থেকে ও রেগুলার আসে আমার পোস্টে আমিও যাই। কিন্তু প্রথম দিন থেকেই ওর প্রতি আমার একটা বিশাল ভাললাগা ছিল। আমি ওকে বলতাম, ও হাসতো। তারপর একদিন মজা করতেই ওকে নিয়ে আমার প্রথম সিনেমা বানাই। ও কালকেই বলছিল, ও কখনও ভাবতেও পারে নি যে ওকে নিয়ে আমি একটা লেখাই লিখে ফেলবো। ওর কথা শুনতে অনেক ভাললাগে, এটা আমি না আমার যাদের সাথে মোটামুটি ভাল যোগাযোগ হয় সবাই বলে।
আমার মুখে সারাদিন ওর কথাই চলতে থাকে। আমার ভাই তো রেগেই বলে ফেলে, সারাদিন হয় তানজিলা না হয় জিলাপী এই ছাড়া কোন কথা নাই?!!
আমি হাসি। আমার বান্ধবীও ওর কথা এত শোনে আমার কাছে যে ওর সাথে কথা বলার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছে। কিন্তু এই ২জনকে একসাথে কখনই পাওয়া যায় না।
যাই হোক অনেক ভ্যানভ্যান করলাম এবার কাজের কথায় আসি। আজ আমার এই ছোট্ট বোনটার জন্মদিন। আমি কখনই কাউকে উইশ করি না, আমার হাসি পায়। কিন্তু আজকে হাসি থামিয়েই করতে হচ্ছে।
আপুটুনি আমার তো তোর জন্মদিনে তোকে কত কিছুই দিতে ইচ্ছা হয়। এখন তোর মনে হবে কি কি দিতে ইচ্ছা হয়?
তোর জন্মদিন উপলক্ষ্যে একটা পার্টি দিতে ইচ্ছা হয় যেখানে থাকবে, তালে তালে নাচা নৃত্যশিল্পী জেবিন আপুর নাচ যে যখনই বেতালে পড়ে তখনই সুর পাল্টায়। আমি একদিন জিজ্ঞেস করলাম এত সুন্দর করে কিভাবে নাচতে পারো?
আপু বলেছিল, আর বলো না, নাচের সাথে সাথে গানটা আমার হৃদয়ে গেথে গেছে। এজন্যই যখন নাচতে নাচতে প্যাচ খাই তখন সুর পাল্টাই। সামান্য নাচতে সাইফুর ভাইও জানেন যদিও উনার কালকে পা মচকে গেছে তাই নাচতে পারবেন না।
আরো দেখাতে ইচ্ছা হয় ব্লগের ২ বিশিষ্ট অভিনেতাদের নাটক...... তুই ভাবছিস কারা তারা, তাই না? আরে একজন আমাদের রমজান(মানুষ) যাকে আমি শ্রদ্ধাকরে খালু ডাকি, তিনি ছিলেন স্কুল জীবনের মঞ্চকাপানো পুরষ্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা। আরেকজন আমার চাচা যিনি কানাডাপ্রবাসী সৌখিন শিল্পীগোষ্ঠীর একজন একনিষ্ঠ অভিনেতা(নাদান)।
ইচ্ছে করে তোকে গান শোনাই আরো ২ অজানা প্রতিভাবান শিল্পী আমাদের ব্লগের.....একজন শামীম...যাকে ব্লগের সব কিছুতেই পাওয়া যায় কিন্তু কেউ কোনদিন শুনে নাই বা শুনতে চায় নাই তার গান কিন্তু এই আমি সাক্ষী....আমি জানি ও কত বড়মানের একজন গায়ক.....যার দ্বৈতকন্ঠে “গাইবো না আর কোন গান” অপূর্ব, অসাধারণ লেগেছিল আমার কাছে। আর একজন ব্লগসুপারস্টার রাশুভাই....বিমা তো প্রায়ই তার গানের প্রশংসা করে বলে, রাশু একটা গায়ক বটে, শুনলে মনে হয় খালি শুনি। এই রাশুভাই আবার বেশ চাপা স্বভাবের, কখনই স্বীকার করেনা তার সঙ্গীতচর্চার কিন্তু প্রতিভা কখনও গোপন থাকে না। তাই আজকাল অকপটে রাশুভাই প্রায়ই কোনগান কিভাবে গাইতো বলে ফেলে।
এসব কিছু থেকে তোকে বঞ্চিত করছি, তুই ক্ষমা করে দিস আপু...আর মনখারাপ না করে বিমার গানটা শোন... কারণ ওটাই আছে তোর পিসিতে।
ছবি কৃতজ্ঞতায়: চিকনমিয়া

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

