ভোটের আগেরদিন ৩জন কাউন্সিলর প্র্রার্থী (নাড়িয়া, হটবুড়ো ও সোহাগ ভাই) উঠে পড়ে লেগে গেল, জিততে তাদের হবেই। প্রায় নিঃস্ব নাড়িয়া সাড়ে ৪ লাখ টাকা দিয়ে ৪৫০০ ভোট কেনার বুকিং দিল। ওদিকে হটবুড়ো ১০ লাখ টাকা দিয়ে ভোট কিনলো, সোহাগ ভাই হাজার টাকায় ভোট কেনার পাশাপাশি প্রতি ভোটারকে একটি করে মুরগী দিল।
এদের টাকা ছড়ানো এমন পর্যায়ে পৌছালো যে অনেকেই ৩ প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা খেল। এধরনেরই ভোটার শামীম, কাঁকন, হনুফা, দুলিয়া (দোলা হাসান), রাতমজুর সহ আরো অনেকেই। যেমন শামীম হট বুড়োর কর্মী ছিল তারজন্য একটা পারিশ্রমিক এবং ১০০০টাকা নিল আর সোহাগ ভাইয়ের ১০০০টাকা এবং ২টা মোরগের লোভে ভোট দিল সোহাগ ভাইকে।
ভোটের দিন নাড়িয়া ৯টা রিকশা ভাড়া করে দিল ভোটারদের ভোটদানে সাহায্য করার জন্য। কাঁকন নাড়িয়ার ভাড়া করা রিকশায় চড়ে হটবুড়োকে ভোট দিল।
সোহাগ ভাই আর হটবুড়োর কট্টিন লড়াই শুরু হল। নাড়িয়অ বেচারার কেনা ভোটাররা তার সাথে প্রতারণা করলো। হটবুড়ো এমনিই দাম বাড়ানো স্বভাবের তাই শেষকালে হটবুড়োকে হারানোর জন্য এবং সোহাগ ভাইয়ের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ পাবার আশায় নাড়িয়া তার নিশ্চিত কিছু ভোটারদের বলল সোহাগ ভাইকে ভোট দিতে।
খবর আসলো গাভী র্মার্কা জিতে গেছে। শান্ত তার লোকজন নিয়ে ভালই মিছিল দিল এলাকায়।পুরো এলাকা ২বার ঘোরার পর খবর আসলো একটা কেন্দ্রের একটা ব্যালট বাক্স গোনা বাদ পড়েছিল যার ফলে রেজাল্ট পাল্টে গেল। মাত্র ৭ ভোটে হটবুড়ো হেরে গেল।
খবর শোনার পর হটবুড়োর মিছিল পার্টি চোরের মত যার যাআর বাসায় ফিরে গেল।
ওদিকে মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী তানজু রহমানের কাছে বেশ নাজেহাল ভাবেই হারলো জিন্নাতী বেগম (মিসেস ছালূ)। তবে ছালুর এ নিয়ে কোন আক্ষেপ দেখা গল না কারণ সে নতুন কাজের লোক পেয়েছে জিলাপীকে। তার কাজ কমেছে এটাতেই ছালু খুশি।
রাশু মোরগকে ফিরিয়ে দেবার ওয়াদা তামান্না জিলাপীকে করেছিল কিন্তু তামান্না তার ওয়াদা পূরণ করতে পারলো না। রাশু মোরগকে চুরি করে আনাচুরা পিকনিক করতে গেল। কি ঘটেছিল রাশু মোরগের কপালে তা যে যার মত ভেবে নেবার অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


