নিজেকে চিরকাল গাছ ভেবে এক সুখ পেয়েছি এতদিন...তাই সবসময় ভাবতাম ব্যাংকে জব করবো। ইন্টার্নশীপ শুরু করার ২/৪দিন পরই বুঝেছি এসব কাজ আমার মত বনসাই গাছের পক্ষে সম্ভব না :!> আমাদের ক্লাসের গুগলে একটা গ্রুপ আছে, ওখানে একদিন মনের চাপা কষ্টে লিখেছিলাম আমাদের কাজের মহিলা বানিয়ে দিয়েছে, কয়েকদিন পরে এসে দেখবা ঘর মুছছি। এক বন্ধু জিজ্ঞেস বলল, ওখানকার থালাবাসন কে ধোয়? আমি বললাম, নিজেরটা নিজেই ধুয়ে খাই। কালকে ভার্সিটিতে যেয়ে দেখি এই কথা সবার মুখে মুখে
মানুষ সবসময়ই এ্যাটেনশন চায়...আমিও চাই তা না হলে এই পোস্টটা প্রথম পাতায় দিতাম না। আমার ৩মাস বয়সী ভাগ্নেও এর ব্যতিক্রম না!! আজকে বাসায় এসে দেখলাম সে টিকা দিয়ে কাত হয়ে ঘুমিয়ে আছে। কিছুক্ষণ কাদলো তারপর আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো, আমি তার সাথে বকবক করলাম যা অত্যন্ত হাস্যকর....তারপরও করলাম....আম্মু পচা?...টিকা দিতে নিয়ে যায়?.....তোমার নতুন ফিডার লাগবে?.....সেও কি বুঝে আল্লাহই জানে...কিসব বলে..আবার হাসে ফোকলা মাড়িতে। একটু অমনযোগী হয়ে টিভির দিকে তাকালেই সে কাদতে শুরু করে কারণ তার প্রতি এ্যাটেনশন দেয়া হচ্ছে না।
ফ্রি পেলে কেউ কিছু ছাড়তে চায় না। আমাদের ব্যাংকের টেলিফোনটা ধুমসে ব্যবহার করে সবাই....ব্যাংকের ড্রাইভার তো এক সিটিংএ ৩টার নিচে কল করে না। এসব দেখে আমার বান্ধবীও একদিন তার শ্বশুরবাড়ির সকলকে ফোন করলো।
কিছু লোক অতিরিক্ত জলদিতে থাকে। আজকে এক লোক তার ১০পাতার সেভিং এর চেকবই নিতে এসেছিল। ১০টা পাতায় এ্যাকাউন্ট নাম্বারের সিল মারতে বড়জোড় ২মিনিট লাগবে। তিনি চেকবইয়ের পৃষ্ঠা উল্টানো শুরু করলো যেন তাড়াতাড়ি হয়। এতে করে আরো দেরিই হলো
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



