চট্টগ্রাম থেকে ৯২ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে পাহাড়ী শহর বান্দরবান। বান্দরবান জেলা হচ্ছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এর আয়তন ৪৪৭৯ বর্গ কিলোমিটার। উত্তরে রাঙ্গামাটি জেলা, দক্ষিণে আরাকান (মায়ানমার), পূর্বে চীন রাজ্য (মায়ানমার) এবং রাঙ্গামাটি জেলা, পশ্চিমে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা।
যা যা দেখবেন:
বন, পাহাড় ও সমভূমি দ্বারা আবৃত এ বান্দরবান। প্রধান নদী হচ্ছে সাঙ্গু (শংখ), মাতামুহুরী এবং বাকখালী। প্রধান গিরিশ্রেণী ৪টি, মেরাঞ্জা, ওয়াইলাটং, তামবাং এবং পলিতাল। বগাকাইল বা বগালেক আছে।
বান্দরবানকে ঘিরে ঐতিহাসিক ঘটনাবলী:
বান্দরবান পাহাড়ী এলাকায় জনবসতি কম হওয়ায় ব্রিটিশ শাসকেরা এই এলাকাকে বন বিভাগ হিসাবে ঘোষণা করে। ১৮২৪ সালে বার্মা ব্রিটিশ যুদ্ধে পরাজয়ের পর আরাকানীরা বান্দরবান এলাকায় অন্যমত প্রধান অভিবাসী উপজাতি হিসেবে স্হায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে। বান্দরবান যাওয়ার সময় পথের সৌন্দর্য্য মুগ্ধ করে পর্যটকদের। মারমা উপজাতিদের বর্ণালি জীবন, জুম চাষ, পাহাড়, অরণ্য কার না হৃদয় কাড়ে। সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ, নদী আর অরণ্যঘেরা বান্দরবান, পাহাড়ের পাদদেশেই জেলা শহরের অবস্হান, শহরের গা ঘেঁষে সাঙ্গু নদী, নদীর দু’তীরে অরণ্যশোভিত পাহাড়, আর রয়েছে বিচিত্র প্রাণীর আনাগোনা।
দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ রয়েছে বান্দরবান-এ:
দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তেলজিওডং (তাজিলডং), দ্বিতীয় উচ্চতম কেওকারাডং। চিম্বুক পাহাড়ে উঠার সুব্যবস্হা আছে। যাবার পথে পড়ে মনোরম বগালেক। সবকিছু মিলিয়ে বান্দরবান এক অপূর্ব শোভাময় স্হান।
আমার অনেক প্রিয় লেখক, কবি এবং ব্লগার হনুফা ওরফে হনলুলু এখন বান্দরবানে থাকে। তার আজকে জন্মদিন। তাকে শুভেচ্ছা জানানোর ভাষা থাকলেও আমাদের কোন সহজ মাধ্যম নেই আজ। কারণ বান্দরবানে নেট নেই! বান্দরবান যাবার আগে ছেলেটা বিদায়ী ফোনে দুঃখ করে বলল, আপু আমার ওখানে যা অবস্থা নেটওয়ার্কের তাতে আপনি ওখানে যেয়ে দেখবেন আমি গাছের ডালে ডালে চড়ে নেটওয়ার্ক খুজছি
(এই ছবিটা আমার কল্পনার হালকা নমুনামাত্র)
আমি তাকে ২/৩ বার ফোনেও চেষ্টা করলাম গত কয়েকদিনে কিন্তু নেটওয়ার্ক নেই
মনু আঙ্কেলের কাছে আমার আকুল আবেদন ছোটভাই হনুফাকে ব্লগে ফিরে আসতে দেবার জন্যই বান্দরবান থেকে বদলি করে দেয়া হোক
শুভ জন্মদিন হনুফা। এই পোস্টটা দেবার আগেও শেষ ট্রাই করলাম ফোন যায় না। জানি এই পোস্টও তুমি দেখবে না তারপরও পোস্ট দিলাম কারণ প্রিয় মানুষকে আনন্দময় মুহূর্তে ভুলতে চাই না। অনেক বড় মনু আঙ্কেল হও এই দোয়া করি
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



