আমার প্রিয় পোস্ট

আওরঙ্গজেব

ইউটিউব: ইটিভি টক শো তে সাবেক অর্থসচিব শাহ আব্দুল হান্নান ও মিডিয়ার তথ্যসন্ত্রাস

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:২৬

শেয়ারঃ
0 0 0

[মনে হয় আগের পোস্টে ফন্ট সমস্যা হচ্ছে। মাল্টি পোস্টের জন্য দু:খিত।]

আমার মনে হয়, মিডিয়াতে শাহ আব্দুল হান্নানের মতামতকে যেভাবে টুইস্ট করে প্রচার করা হয়েছে, তাতে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়েছেন। ডেইলি স্টারের রিপোর্ট টি এখানেদেখুন। এতে দেখবেন, লেখার সাব-হেডিং এর সাথে বডির মিল নেই:

সাব-হেডিং: CIVIL WAR, NOT LIBERATION WAR


বডি: I frankly think it was a liberation war but it was also a civil war not only in the sense that it was between West and East Pakistan but also because it was a fight between political forces supporting a untied Pakistan and an independent Bangladesh.


সময় হলে ইউটিউবে টক শোর উপর ওনার ভিডিও গুলো দেখতে পারেন। আমারআগের পোস্টেও লিন্কগুলো দেওয়া হয়েছে।

পার্ট ১,
পার্ট ২,
পার্ট ৩

০১.১১.২০০৭

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৩৬
এস্কিমো বলেছেন: রাজাকার আর বাচ্চা রাজাকারের বুলি তো একই হবে, কি বলেন?
২. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৩৮
নরাধম বলেছেন: তুই রাজাকার। ১দিলাম।
৩. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৪১
এস্কিমো বলেছেন: এটি একটি মুক্তিযুদ্ধ ও গৃহযুদ্ধও ছিল।

- মানে একটা মেয়ে আর একই সাথে ছেলে ছিল - মানে হিজড়া জাতীয় কিছু।

জামাতি ভন্ডামীর শেষ কোথায় একমাত্র আল্লাহই জানেন।
৪. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৪২
নরাধম বলেছেন: গত কালের মানবজমিনের অনলাইন ভার্সানের লাস্ট পেইজে একটা খবর ছিল উল্লেখ করার মতো। বিশেষ করে জামাতি ব্লগারদের লাশের রাজনীতির কারনে অনেকেরই হয়তো খবরটা নজর এড়িয়ে গেছে।

সংক্ষেপে খবরটা হলো: (বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক মানব জমিনের ২৯ অক্টোবর ২০০৭ অনলাইন ভার্সানের শেষ পাতা)

"গত বছরে ২৮শে অক্টোবর পল্টনে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নিহত মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের স্ত্রীর প্রশ্ন? গরিব বলেই কি আমার স্বামীর হত্যার বিচার এখনও হলো না। এক ছেলে আর এক মেয়েকে কেঁদে বুক ভাসান তিনি। গতকাল মিরপুরের শাহ আলী বাগের ৫৫/১/এ নম্বর টিনশেডের বাসায় গিয়ে দেখা গেছে এ চিত্র। জরাজীর্ণ বাসায় গিয়ে দেখা গেছে, স্বামীর ছবিকে সামনে নিয়ে সবাই কাঁদছে।

মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার মিয়ারহাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন হাবিবুর রহমান মৃধা। জীবিকার সন্ধানে চলে আসেন ঢাকায়। হাবিবুর রহমান ছিলেন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর শাহ আলী ইউনিটের সভাপতি। ওই দিন স্বামীর সঙ্গে তিনিও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন। ২৮শে অক্টোবর তার সামনে হাবিবকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এর আগে হাবিবকে লক্ষ্য করে গুলি করে। লাশ দীর্ঘক্ষণ রাস্তার ওপর পড়ে ছিল। পুলিশ উদ্ধার করে লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেও চলে লাশ ছিনিয়ে নেয়ার নানা চেষ্টা। স্বামীকে হারিয়ে তার জীবন চলেছে অনাহার ও অর্ধাহারে। টাকার অভাবে সন্তানদের পড়ালেখা বন্ধ হবার উপক্রম। হাবিবুর রহমানের মৃত্যুর পর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আয়ার চাকরি নেন আছিয়া বেগম। সেখানকার সামান্য আয় দিয়েই চলছে তার সংসার। "


জামাত নেতাদের বেহেস্ত প্রাপ্তির মৌখিক নিশ্চয়তা অথবা নগদ আর্থিক লাভের আশায় গিয়ে নিহত হন জামাত কর্মী হাবিবুর রহমান হাবিব। কিন্তু দূর্ভাগ্য জনক হলেও সত্য জামাতের পক্ষ থেকে নিহত হাবিবের পরিবারের একটা খবর নেওয়ার সময় পায়নি দলের নেতারা। নিজেরা সরকারে সাথে গোপন আতাঁত করে বনানীতে ছয় তলা বাড়ী - কেউ কেউ ভিন্ন রাষ্ট্রের মেহমান হয়ে সস্ত্রীক বিদেশ গমন করে - তাদের ছেলেদের নাসারা আইন শিক্ষার জন্যে বিদেশে পাঠায়। কিন্তু দূর্ভাগা জামাত কর্মী হাবিবুর রহমানের বিধবা স্ত্রীর ভাতের সংস্থান কিভাবে হবে তার খোঁজ নেবার সময় পায়নি এই ধর্মব্যাসায়ী গনশত্রু জামাতি নেতারা। বিপুল অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রনকারী জামাতে অর্থের একটা সামান্য অংশও যখন তাদের নিহত কর্মীর জন্যে জোটেনি -

এই লজ্জা কার?

ধিক্, ধর্মব্যবসায়ীদের লাশের রাজনীতি!
ধিক রাজাকারদের কুটিল রাজনীতির।
নিপাত যাক এই স্বাধীনতার শত্রু রা।
নিপাত যাক এই ধর্ম ব্যবসায়ীরা।

আসুন সবাই এই গনশত্রুদের প্রতি একযোগে ধিক্কার জানাই!
৫. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:১৬
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
১. অশালীন মন্তব্য মুছে ফেলা হলো।

২. মতামতের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

৩. আমার লেখার মূল বক্তব্য ছিল, শাহ আব্দুল হান্নান মতো ব্যক্তি মিডিয়া কর্তৃক তথ্যসন্ত্রাসের স্বীকার। তিনি জামায়াত করেন না। দয়া করে কমেন্ট লেখার আগে ইউটিউবে দেয়া ইটিভির টকশোর অংশগুলো দেখুন।

৪. এস্কিমো ভাই, আমি আপনার ব্লগে আপনার একচোখা লেখার প্রতিবাদে আমার সুচিন্তিত মত প্রকাশ করাতে আপনি আমাকে ব্যান করেছেন। আপনাদের মতো অন্ধ সেক্যুলারদের একচোখা ক্যারেক্টারের কারণে, দেশের আজ এই অব্স্হা।

৫. নরাধম ভাই। আপনি শুধুমাত্র আপনার পছন্দের পত্রিকাগুলো পড়েন বলে ২৮শে অক্টোবরের ঘটনায় নিহিতদের জন্য জামায়াতের ভূমিকা চোখে পড়েনি।
আপনি অন্যপত্রিকাও পড়তে পারেন এজন্য, বিশেষ করে নিচের সংবাদ:

নয়াদিগন্ত (২৯-১০-২০০৭)
আপনাদের পত্রিকাগুলো এরকম সংবাদ প্রকাশ করেনি বলে লিন্ক দিতে পারলাম না।

জামায়াত যদি সত্যিকার অর্থে লাশের রাজনীতি করতো তবে ২৮শে অক্টোবরের ঘটানার পরে সারা দেশে বিপক্ষ দলের গোটা কতক লাশ তারা ফেলতে পারত, অন্তত: আওয়ামী স্টাইলে যানবাহন ও অন্যান্য প্রপার্টি ভাংতে পারত।

আর আওয়ামী নেতা হাজী সেলিম, ২৮শে ঘটনার পরপরই নিহত একজনের গার্জিয়ান সেজে লাশের রাজনীতি তখনই শুরু করে দিয়েছেন। আপনার উল্লেখিত হাবিবুর রহমান মৃধার লাশ নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে তুলকালাম কান্ড ঘটিয়েছেন। পরে জনতার ধাওয়া খেয়ে পলায়ন।

সেই হাবিবুর রহমান মৃধার স্ত্রী নিজামীর সাথে (উপরে উল্লেখিত নয়াদিগন্তের লিন্ক দেখুন) ২৮/১০/২০০৭ প্রোগামে ছিলেন।

অতএব আপনাদের অভিযোগের ভিত্তি খুব দূর্বল।
৮. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৪
গজ কচ্ছপ বলেছেন: এতদিন জামাত লাশের রাজনীতি করে নি --- কেবল লাশ ফেলেছে (কিরীচ দিয়ে হাত-পা কাটা তো নস্যি মাত্র!)। এখন জনসমক্ষে একটা লাশ পেয়ে নতুন ধারার রাজনীতি করা শিখছে। মোনাফেকের দল, আমরা অতটা অন্ধ
৯. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: লাশ নিয়ে আওয়ামী নোংরা আচরন শয়তানকেও হার মানায়।

আর শাহ আবদুল হান্নানের অবিকৃত বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। যদিও আমি এই বক্তব্যের সাথে একমত নই।
১০. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫৬
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: শাহ আবদুল হান্নানের অবিকৃত বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ। ৫
শয়তানদের কাজই হলো ভাল মানুষদের পেছনে লাগা।
১১. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০১
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ধিক রাকাজার ও রাজাকারের বাচ্চা
১২. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০২
রাশেদ বলেছেন: কি ব্যাপার!! মুইছা দিছেন কেন কমেন্ট! সত্য কথায় গা জ্বলে!! এইডা সহ্য করতে পারেন না আর দেশের বিরুদ্ধে বললে হাত তালি দেন দেখা যাইতেছে!
১৩. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১০
পাগলা দাশু বলেছেন: এটা যে গৃহযুদ্ধ উনি কোথা থেকে জেনেছেন ?
এনসাইক্লোপিডিয়া, এবং ...... থেকে। কেন ?
এই দেশে বাস করে, নিজের চোখে যুদ্ধ দেখে, সেই যুদ্ধের প্রকৃতি নির্ধারণের জন্য বিশ্বকোষের সাহায্য নিতে হয় কেন ? তার মানে এটা ওনার নিজের সিদ্ধান্ত, সেটা বলবার সাহস রাখেন না। মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলবার জন্য, বাইরের রেফারেন্স ব্যবহার করা যায় কিন্তু জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত গণহত্যা সেটা স্বীকার করতে বাঁধে কেন ?
এই প্রশ্নগুলো কি মাথায় এসেছে একবার ও।

যুদ্ধের মতাদর্শিক বিরোধীতা করা একটা পথ, সশস্ত্র বিরোধীতা করা আরেকটা পথ। নিজ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠের সমুন্নত চেতনার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা, দেশ এবং জাতির বিরুদ্ধে দ্রোহীতার সামিল।

১৬. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৬
এস্কিমো বলেছেন: আওরঙ্গজেব,

আপনাকে ব্লক করেছি আপনার পিছলা চরিত্রের জন্যে। আপনাকে একটা প্রশ্ন করেছি বারবার - কিন্তু উত্তর দেননি। আপনি বলেছে - জনকন্ঠ সম্পাদকের ভারতের দালালী আর দেশদ্রোহিতার জন্যে বিচার চলছে। আমি আপনার বক্তব্যের সূত্র জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আপনি ইগনোর করেছেন।

শুধু জামাতি প্রপাগান্ডা করার জন্যে ধর্মের ব্যবহার খুবই খারাপ। নিজের মিথ্যাচার করেন আর অন্যকে জ্ঞান দানের হিপোক্রেসীর জণ্যে আমার ব্লগে আমি ব্যান।
১৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৩৪
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টটার জন্য। তাঁর কথায় কোন আইনী ভুল নেই। সবাই বিচার বিচার করছে, তার ফাসি চাই, তার বিচার চাই, এই সব ছোট বেলা থেকেই শুনে আসছি। কাউকে আগাতে দেখি না। তিনি দেখিয়েছেন আইনগত অবস্থা কি। আইনগত ভাবে জাতিসংঘ বাংলাদেশের হত্যাকান্ডকে জেনোসাইড স্বীকৃতি দেয় নি। আইনগত ভাবে বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। যুদ্ধাপরাধী ব্যাপারটা কি তা নিয়ে কয়েক মাস আগে পড়াশোনা করেছিলাম। যা পেলাম তাতে নিশ্চিত হলাম বাংলাদেশে যাদের যুদ্ধাপরাধী বলা হয়, তারা বিশ্ব আইনে যুদ্ধাপরাধী না। শুধুমাত্র একটা যুদ্ধে একটা পক্ষ অবলম্বন করার জন্য কাউকে যুদ্ধাপরাধী বলা হয় না, ধর্ষক, খুন, অগ্নিসংযোগ, গণহত্যা এগুলোর সাথে জড়িত থাকতে হয়। যুদ্ধের যে কোন পক্ষ এই কাজগুলো করতে পারে। সাদ্দাম হোসেনকে পছন্দ করতাম না বলেই যে আমাকে আমেরিকার মা চেটে তাকে ইরাকে পাঠাতে হবে, ব্যাপারটা সেরকম না। অনেক গ্রে এরিয়া থাকে, যেগুলোকে ডিসক্রেডিট করার জন্য এস্কিমো হিজরা উদাহরণ টানলেন। ইটস জাস্ট আ রিয়ালিটি। হিজরারাও জন্মগত কম্প্লিকেশনে জন্ম হয়। হিজরাদের অস্তিত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। যখন ভ্যারিয়েবলে সাদা কালো ছাড়া অন্য রঙের অস্তিত্ব এসে যায়, সেগুলোকে অস্বীকার করাই মিথ্যাচার।

বাংলাদেশে যা হচ্ছে, আমি তার সাথে ইহুদীদের জার্মানরা যেভাবে ডিমোনাইজ করেছে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের আগে, আমি তার ভয়ংকর মিল খুঁজে পাই।
১৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:০৬
জেনারেল বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি
কার বই পড়েছ আর কি পড়েছ তা না হয় নাই বললাম। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃত করতে তুমার তুলনা নাই।

পরিবারের কর্তা রাকাজার হলে এরকমই হয়
১৯. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০২
অমিত বলেছেন: আমি জানি না সন্ধ্যাবাতি নামক ব্লগার জামাত প্রকাশিত কোন বইয়ে জাতিসংঘের বাণী খুজতে গেসিলেন।প্রথমে আপনাকে খুব সিম্পল কিছু সংখ্যা দিলাম।
১। অ্যাডল্ফ হিটলার (১৯৩৯-১৯৪৫): নিহতের সংখ্যা ১কোটি ১০ লক্ষ
২। জাপানিজ ইমপেরিয়াল আর্মি (১৯৪১-১৯৪৫): নিহতের সংখ্যা ৫০ লক্ষ
৩। পাক আর্মি ১৯৭১: নিহতের সংখ্যা ৩০ লক্ষ
এই যে দেখতেসেন বিগত শতাব্দীতে ৩য় অবস্থানে থাকা সংখ্যাটা, এটাতে জামাতে ইসলামি, আলবদর, আলশামসদের প্রত্যক্ষ হাত না থাকলে অনেক কম হতে পারত।
এখন আসি জাতিসংঘের আইনের কথায়।
জাতিসংঘের জেনারেল অ্যাসেম্ব্‌লি ১৯৪৮ এ Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide এ্যসপ্ট করা হয় এবং তা কার্যকর করা হয় ১৯৫২ থেকে।
ঐখানে আর্টিকেল ২ তে জেনোসাইডের ডেফিনেশনে বলা আছে-
any of the following acts committed with intent to destroy, in whole or in part, a national, ethnical, racial or religious group, as such:

(a) Killing members of the group;
(b) Causing serious bodily or mental harm to members of the group;
(c) Deliberately inflicting on the group conditions of life calculated to bring about its physical destruction in whole or in part;
(d) Imposing measures intended to prevent births within the group;
(e) Forcibly transferring children of the group to another group.
দেখেন এইখানে এনি অফ দা ফলোইং অ্যাক্ট বলা হইলেও আপনার পেয়ারে জামাত ১ম ৪টার সংগেই ভাল ভাবে সংযুক্ত ছিল। প্রমাণ ? শুধুমাত্র এই সাইটেই সেগুলা দেয়া হয়েছে অসংখ্যবার। আপনি চাইলে গত ১০ দিনের পোস্টগুলা দেখতে পারেন। এস্কিমো অথবা অমি রহমান পিয়ালের পোস্টগুলা দেখতে পারেন।
বাংলাদেশে জামাতের অবস্থানের সংগে প্রি সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের জার্মান ইহুদীদের মিল পেতে হলে শুধুমাত্র বোকাই হলে চলে না, মিথ্যাবাদীও হতে হয়।আপনারে আমার ১মটা মনে হয় নাই আপাতত।
আপনারে এসব জিনিস বিশ্বাস করানোর মহান দায়িত্ব নিয়া আমি আসি নাই। ১৯৭১ এ শিবিরের অস্তিত্ব ছিল বাস্তব। তাদের ধ্বংস তো দূরের কথা, পুনর্বাসিত করা হয়েছে। সুতরাং তাদের বাইপ্রোডাক্ট ২০০৭ এ এসে ক্যাওক্যাও করবে এটা খুব স্বাভাবিক। জবাব দিলাম একটা দায়িত্ববোধ থেকে। ৩০ লক্ষ সংখ্যাটার ওজন অনেক, আমাদের মধ্যে থেকেই সেগুলো বইবার মানুষ বের হয়ে আসতে হবে।
২৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এই মন্তব্য সন্ধ্যাবাতির জন্য-

Genocide is the deliberate and systematic destruction of an ethnic, religious or national group. While precise definition varies among genocide scholars, the legal definition of it is found in the 1948 United Nations Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide or CPPCG. Article 2 of the CPPCG defines genocide as "any of the following acts committed with intent to destroy, in whole or in part, a national, ethnical, racial or religious group, as such: killing members of the group; causing serious bodily or mental harm to members of the group; deliberately inflicting on the group conditions of life, calculated to bring about its physical destruction in whole or in part; imposing measures intended to prevent births within the group; and forcibly transferring children of the group to another group."


In 1971 the Pakistan occupation army plus their collaborators like the Jamat-e-Islam, the Islami Chatra Sangho, currently renamed Islami Chatra Shibir and their militant killing squads; the Al-Badr and the Al-Shams tried their utmost to apprehend and kill those that demand an independent Bangladesh. Since majority of Bengali speaking East Pakistanis or ethnic group favored an independent Bangladesh and Sheikh Mujib got 167 out of 169 seats in East Pakistan, they waged a war with intent to destroy that ethnic group. The Pak army systematically opened fire on un-armed masses of Bengali ethnic group on the midnight of March 25th 1971 indiscriminately resulting which, as per various reports 19,000 to 25,000 Bengali ethnic people died on that dark night alone and over a period of 10 months, 3 million reportedly killed, 30 million were dislodged from their homes and 10 million had to take refuge in neighboring India due to cleansing operation, fear and repression. As per global ranking, Bangladesh genocide is second to that of Nazi genocide of Jews.

In order to cripple the whole Bangali nationalism and nationhood, the Pak army in collaboration with the Jamat-e-Islam and few other such parties and their affiliates systematically and calculatedly murder the Bengali intellectuals, writers, doctors, journalists, educators and their political leadership. In addition, in order to cleanse the society of Hindu population, the Pak army and its collaborators calculatedly killed and/or uprooted them. No wonder, over 10 million East Pakistanis out of 75 million, mostly Hindu minority took shelter in the neighboring India. When army captured anybody, they tested whether the person could recite kolema or the 1st pillar of Muslim faith and then they checked whether he had circumcision, a symbol of being Muslim in the subcontinent. In addition, when the army forced us to lead them in their operations, they repeatedly asked two questions; find Mukti or liberation fighter and Hindu. If such are reported, they would immediately open their fire, weapons and mortars. Such is a testimony of cleansing of a religious group, a clear evidence of genocide.
২৬. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:২৮
আলোর দিশারী বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি নীচের ব্যাক্তি কি যুদ্ধাপরাধী হবে??
২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামাত জোটের পক্ষে জাতীয় সংসদের শেরপুর-১ (সদর উপজেলা) আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন জামাতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামার"জ্জামান। এই কামার"জ্জামানের অতীত নতুন প্রজন্মের কাছে অজানা। জামাত নেতা কামার"জ্জামান ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শেরপুরসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহে স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের হত্যা, নির্যাতন, তাদের সম্পদ লুণ্ঠনসহ ঘৃণ্যতম অপরাধ সংঘটিত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের ওপর পাকি¯Íানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যায় প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন তিনি। শীর্ষ স্থানীয় শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিক্ষকসহ বরণ্যে বুদ্ধিজীবীদের হত্যার জন্য গঠিত ‘আলবদর বাহিনী’ সংগঠিত করাসহ কামার"জ্জামানের দুষ্কর্মের বর্ণনা ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল ও যুদ্ধাপরাধীদের সম্পর্কে গঠিত জাতীয় গণতদন্ত কমিশনের রিপোর্ট’-এ বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কামার"জ্জামানের স্বাধীনতাবিরোধী তৎপরতা ও যুদ্ধাপরাধের বিবরণসমূহ তৎকালীন সংবাদপত্র, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ ও নির্যাতিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে জানা গেছে। ’৭১ সালে কামার"জ্জামান জামাতে ইসলামীর তৎকালীন ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের ময়মনসিংহ জেলার নেতা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় জামালপুরে প্রথম আলবদর বাহিনী গড়ে ওঠে, যার প্রধান সংগঠক ছিলেন তিনি।
’৭১ সালের ১৬ আগস্ট দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘পাকি¯Íানের ২৫-তম আজাদী দিবস উপলক্ষে গত শনিবার মোমেনশাহী আলবদর বাহিনীর উদ্যোগে মিছিল ও সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মুসলিম ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এই সিম্পোজিয়ামে সভাপতিত্ব করেন আলবদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক কামার"জ্জামান। সিম্পোজিয়ামে বিভিন্ন বক্তা ‘দেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত দুশমনদের’ সম্পর্কে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।
‘জামালপুরে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী হিসেবে আলবদর বাহিনী গড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে জামাত নেতৃত্ব হৃদয়াঙ্গম করতে পারে যে, ছাত্রসংঘকে তারা সশস্ত্র করে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সাধারণ তৎপরতা চালানো ছাড়াও বুদ্ধিজীবী হত্যার জন্য বিশেষ স্কোয়াড হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।
প্রথমত, পরীক্ষামূলকভাবে গোটা ময়মনসিংহ জেলার ইসলামী ছাত্র সংঘের কর্মীদের আলবদর বাহিনী হিসেবে সংগঠিত করে সশস্ত্র ট্রেনিং দেওয়া হয়। এই সাংগঠনিক কার্যক্রমের পরিচালক ছিলেন কামার"জ্জামান। কামার"জ্জামানের নেতৃত্বে মাসখানেকের মধ্যেই ময়মনসিংহ জেলার সব ইসলামী ছাত্রসংঘ কর্মীকে আলবদর বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। (তথ্য সূত্র : একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়, মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র, ঢাকা ১৯৮৭, পৃষ্ঠা : ১১১-১১২)
শেরপুরের একজন শহীদের পিতা ফজলুল হক গণতদন্ত কমিশনকে জানিয়েছেন, তার ছেলে শহীদ বদিউজ্জামানকে মুক্তিযুদ্ধের সময় আষাঢ় মাসের একদিন তার বেয়াইয়ের বাড়ি থেকে কামার"জ্জামানের নেতৃত্বে ১১ জন লোকের একটি দল ধরে নিয়ে যায়। বদিউজ্জামানকে ধরে আহমদনগর পাকি¯Íানি বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতার পর শহীদের বড়ো ভাই হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলার ১৮ জন আসামির অন্যতম ছিলেন কামার"জ্জামান। মামলাটির নম্বর-২ (৫) ৭২। জিআর নং-২৫০ (২) ৭২।
শেরপুর জেলার শহীদ গোলাম মো¯Íফার চাচাতো ভাই শাজাহান তালুকদার জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের ২৪ আগস্ট আলবদররা গোলাম মো¯Íফাকে শেরপুর শহরের একটি সড়ক থেকে ধরে জোরপূর্বক তাদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়। শেরপুর শহরের সুরেন্দ্রমোহন সাহার বাড়িটি দখল করে আলবদররা তাদের ক্যাম্প বানিয়েছিল। সে ক্যাম্পে গোলাম মো¯Íফাকে ধরে নিয়ে আলবদররা তার গায়ের মাংস ও রগ কেটে, হাত বেঁধে হাঁটিয়ে নিয়ে যায় শেরী ব্রিজের নিচে। সেখানে তারা গুলি করে হত্যা করে গোলাম মো¯Íফাকে। কামার"জ্জামানের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল। শহীদ গোলাম মো¯Íফার হত্যাকাণ্ড যে কামার"জ্জামানের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল এই তথ্য শেরপুরের আরো অনেকেই দিয়েছেন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শেরপুর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি শহীদ পিতার সন্তান তাপস সাহা জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কামার"জ্জামান ও তার সহযোগীরা শেরপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আলবদর ক্যাম্পে নারী-পুর"ষ-যুবক ধরে নিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার চালাতো। আলবদররা তাদের চাবুক দিয়ে পেটাতো। কামার"জ্জামানের বাহিনী শেরপুর পৌরসভার সাবেক কমিশনার মজিদকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল টর্চার ক্যাম্পে। সকালে ধরে নিয়ে পুরো দিন তাকে টর্চার ক্যাম্পের ‘অন্ধকার ক‚প’-এ আটকে রাখে।
১৯৭১ সালের মে মাসের মাঝামাঝি এক দুপুরে শেরপুর কলেজের তৎকালীন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ আব্দুল হান্নানকে খোলা গায়ে, মাথা ন্যাড়া করে, গায়ে-মুখে চুনকালি মাখিয়ে, গলায় জুতোর মালা পরিয়ে প্রায় উলঙ্গ অবস্থায় চাবুক দিয়ে পেটাতে পেটাতে কামার"জ্জামান ও তার সহযোগীরা শেরপুর শহর প্রদক্ষিণ করে।
শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা জিয়াউল হক জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের ২২ আগস্ট বিকেল ৫টায় কামাড়িচরে তার নিজের বাড়ি থেকে গাজীর খামার যাওয়ার সময় ৩ জন সশস্ত্র আলবদর তাকে ধরে শেরপুর শহরে আলবদর টর্চার ক্যাম্পে নিয়ে যায়। তিনি সেই ক্যাম্পে কামার"জ্জামানসহ তার সহযোগীদের দেখেন। তারা জিয়াউল হককে দুদিন টর্চার ক্যাম্পের ‘অন্ধকার ক‚পে’ আটকে রাখে। এরপর শেরপুর ছেড়ে চলে যাওয়ার শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্যথায় তারা তাকে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়।
শেরপুরের জাতীয় পার্টির নেতা মুক্তিযোদ্ধা এমদাদুল হক হীরা জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই কামার"জ্জামানের সহায়তার পাকি¯Íানিরা তার বাড়িঘর জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দিয়েছিল। সেখানে তারা ৫টা বাঙ্কার করেছিল। তার বাড়ির লিচু গাছের নিচে মানুষ ধরে এনে হত্যা করেছে।
অপর একজন প্রত্যক্ষদর্শী, শেরপুরের নকলার হাজি জালাল মামুদ কলেজের শিক্ষক মুসফিকুজ্জামান জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে তিনআনি বাজারের বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো লুট করা হয়েছিল কামার"জ্জামানের নির্দেশে ও উপস্থিতিতে।
শেরপুরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকি¯Íানি সেনাবাহিনী, রাজাকার ও আলবদর কর্তৃক নিরীহ লোকজনদের ধরে আনা এবং তাদের লাশ বহন করার জন্য ব্যবহৃত ট্রাকগুলোর একজন ড্রাইভার জানিয়েছেন, কামার"জ্জামান নকলার মুক্তিযোদ্ধা হন্তারবাড়ি পোড়ানোর জন্য পাকি¯Íানি বাহিনীকে রা¯Íা দেখিয়ে নিয়ে যান। তখন হন্তারবাড়ি থেকে কামার"জ্জামান প্রায় ১০০ মন চালও লুট করেন। এছাড়াও কামার"জ্জামানের নেতৃত্বে আলবদররা সাধারণ মানুষের গর", ছাগল ধরে নিয়ে আসতো এবং পরিত্যক্ত সম্পত্তিসহ অন্যান্য জমি-সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিতো বলে জানিয়েছেন এই ট্রাক ড্রাইভার। কামার"জ্জামানের নেতৃত্বে সেই সময় ডাকাতির অভিযোগও পাওয়া গেছে

২৭. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৯
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম টু অল,
মতবাদের জন্য সকলকে ধন্যবাদ।
২৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:২৭
আলোর দিশারী বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি নীচের ব্যাক্তি জামাতে ইসলামি করে এবং আপনার দোস্ত ওয়ালী এবং ওয়ামীর বাবা উনি কি যুদ্ধাপরাধী হবে??

আমাদের সময় থেকে

১ নভেম্বর জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশ প্লাজায় মৌসুমী মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক গোলাম আযম, নিজামী, কামরুজ্জামানসহ অন্যদের হাতে নিহতদের একটি চিত্র প্রদর্শনী হয় এবং একইসঙ্গে ন্যূরেমবার্গ বিচারালয়ের ভিডিও প্রদর্শনও করা হয়। এ উপলক্ষে ডা. মিনা ফারাহ্্র আহবানে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি জানানো হয়, রাষ্ট্রকেই বিচার শুরু করতে হবে। ডা. মিনা ফারাহ বলেন, আমার বাবার বাড়ি শেরপুর জেলা শহরে। বাবাসহ আমরা সকলে একাত্তরে প্রাণের ভয়ে ভারতে শরনার্থী-শিবিরে আশ্রয় নেয়ার পর জানতে পারি যে আলবদর বাহিনীর কমান্ডার মো. কামারুজ্জামান (বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর যুগ্মমহাসচিব) আমাদের দু’তলাবিশিষ্ট বাড়িটি দখল করে সেখানে বদরবাহিনীর ক্যাম্প করে। স্বাধীনতার পক্ষের লোকজনকে ধরে এনে আমাদের বাড়িতে তিনি নির্যাতন এবং নিজ হাতে জবাই করেছেন। সেসব শহীদ পরিবারের সদস্যরা এখনও ডুঁকরে কাঁদেন কিš' বিচার চাওয়ার সাহস পান না। কেননা কামরুজ্জামানেরা এখন অনেক বেশী ক্ষমতাবান। সংবাদ সম্মেলনে কমিউনিটির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


২৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১০
আলোর দিশারী বলেছেন: না সন্ধ্যাবাতি না আোরন্গজেব আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন। জামাতে ইসলামীর এসিসটেনট জেনারেল সেক্রেটারি কি ওয়ার ক্রিমিনাল নাকি?
৩০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১১
জেনারেল বলেছেন: সালাম,
আলোর দিশারী আপনার জবাব দিব না। তারা ছুটিতে আচে
৩১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৮
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম টু অল ফর কমেন্ট,
@আলোর দিশারী। যে বা যারা ডা. মিনা ফারাহ কে ভারতে থাকাকালীন তাদের বাড়ি দখল করার কথা বলেছেন, তার/তাদের কাছে তিনি ঘটনার সত্যতা চেয়েছেন কি? যে কেউ এরকম (উড়ো) খবর দিতে পারে, বিশেষ করে যুদ্ধের সময়। আর ডা. মিনা ফারাহের মত (আমি তাঁকে দোষ দিচ্ছিনা, আমি তাঁকে চিনিওনা) যে কেউ প্রমাণ ছাড়া একটা কথা বলবেন, আর আমরা তা বিশ্বাস করব কেন? এশতকে তো সবাই প্রমাণ চান তাইনা?

উল্লেখিত ভিডিওতে কামারুজ্জামান বা অন্যকেউ জবাই করছেন এরকম কিছু দেখেছেন? থাকলে আমাদের দয়া করে লিন্ক দিন।

সম্প্রতি কামারুজ্জামানের একটি প্রতিবাদ লেখায় দেখলাম, ওনি বলেছেন ওনি ১৯৬৭ সালে মেট্রিক পাশ করেছেন। এরপর ওনি শেরপুরে ছিলেন না। পড়ালেখার জন্য শেরপুরের বাইরে ছিলেন। ১৯৭১ সালে কলেজ ছাত্র ছিলেন। আমার কথা, একজন কলেজ ছাত্রের পক্ষে যখন তার বয়স ২০ বছর, তখন তিনি কিভাবে আল-বদর কমান্ডার হবেন? আপনি বয়স যাচাই করার জন্য ওনার মেট্রিকের সার্টিফিকেট দেখতে পারেন।
৩২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০২
আলোর দিশারী বলেছেন: ষোল বছর বয়সে মুক্তিযোদ্ধারা কমান্ডার হইসে আর উনি কমান্ডার হইতে পারবেন না। আর শুদু মিনা ফারাহর কথা বললেন কেন। ভোরের কাগজের কথাগুলানের জবান দেন। আপনার কথা তা কোন তথ্যসুত্র ছাড়া

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৪৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আস্সালামু আলাইকুম,

এই ব্লগের নিয়মাবলী:
১. পোস্ট রিলেটেড কমেন্ট ছাড়া অন্য কমেন্ট মুছে ফেলা হবে।
২. অভদ্র ভাষা ব্যবহারকারীদের ব্লক করার আগে এক-বা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই