আমরা যারা যুদ্ধ পরবর্তী প্রজম্ম, আমাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধ অত্যন্ত গর্বের ও স্বপ্নের মত। কিন্তু যুদ্ধ সমকালীন প্রজম্মগুলোর সত্য মিথ্যা মিশ্রিত কথায় আমরা সবাই বিভ্রান্ত। যুদ্ধপরাধী বলতে যুদ্ধকালীন সময় যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে থেকে হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ এবং অত্যাচার চালিয়েছে। রাজাকার বলতে ৭১'র সময়গুলোতে যারা হানাদার বাহিনীকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।
আমরা সবাই তাদের পুরোপুরি পরিচয় জানতে চাই এবং কোন বিচারের অপেক্ষাতে না থেকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে দেখতে চাই। তারা অতীতে আমাদের পঙ্গু করতে চেয়েছিল। ৭১'র মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যে আমরা স্বাধীন দেশে জন্ম নিতে পেরেছি। এখন আমরা বর্তমানে হাঁটছি। আমাদের প্রতিদিন যুদ্ধ করে যেতে হচ্ছে একটা বিশৃঙ্খল জীবনযাত্রায়। শত সমস্যার ভিড়ে আমরা ডুবে যাচ্ছি। লোডশিডিং, পানিবিহীন, গ্যাসবিহীন, যানজট, উচ্চমূল্য আহার এ-সবকিছূ আমাদের জীবনযাত্রায় অভস্ত হয়ে যাচ্ছে। রোজ পত্রিকাতে দেখতে পাচ্ছি কেউ না কেউ খুন, ধর্ষিত হচ্ছে , কারোর ভিটে জমি দখল যাচ্ছে। যারা করছে তাদের কেউ আটকে রাখতে পারছেনা তাদের ছায়া দিয়ে রাজনৈতিক নেতারা পুলিশদেরকে বেতন কর্টনের ভয় দেখাচ্ছে। আমরা যারা বিচার চাচ্ছি তারা পুলিশের পা পর্যন্ত ধরছি কিন্তু তাতে কোন লাভ হচ্ছে না কারণ আমরা সাধারণ নাগরিক আমরা কোন রাজনৈতিক পরিচয়ে চলি না। আমাদের বর্তমান জীবন যুদ্ধে যারা অপরাধ করছে তারা কি বর্তমানের যুদ্ধপরাধী নয়? তাদের জন্যে আমরা আপনজন হারাই । আজকের বখাটে কিশোর, তরুন ও যুবক আগামী দিনের রাজনৈতিক নেতা যারা যুদ্ধপরাধের মতন ভয়ঙ্কর অপরাধে লিপ্ত হবে এরাই হবে ভবিষ্যতের রাজাকার। এদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে এখনই। কেননা আমাদের ভবিষ্যত প্রজম্মদের নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে দেওয়া ভার আমাদের হাতে । নতুনবা প্রিয় দেশ রেখে চোখের জল ফেলে চলে যেতে হবে দূরের কোন অচিন দেশে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



