একের পর একেক অহংকারী পদক্ষেপ নিতে পিছুপা হচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গনতন্ত্র বলে যে বিষয়টা ছিল সেটি এখন রাজতন্ত্রে পরিনত হয়েছে। কেননা এখন কোন সিদ্ধান্ত গণভোট কিংবা গণরায়ে গৃহীত হচ্ছে না বরন্ঞ সরাসরি আদেশ জারী করে পালন করতে বাধ্য করা হচ্ছে । ১৮৬৪ সালের আইনকে পরিবর্তন করে গেজেট করা হচ্ছে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন হচ্ছে বেইজিং সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১৬,৮০১.২৫ বর্গকিঃমিঃ এলাকা জুড়ে এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশরের আয়তন ১,৫৩০ বর্গকিঃমিঃ। এই আয়তনের মাধ্যমে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের বিভক্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বেইজিং সিটি অবিভক্ত। অথচ সেই তুলনায় অতি নগণ্য আয়তনের ঢাকা শহরকে বিভক্ত করা হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশন বিভক্ত করার ফলে ঢাকা উত্তর এবং ঢাকা দক্ষিণ হয়ে গেছে। দু'টি মেয়র নির্বাচিত করা হবে। খুব সম্ভবতঃ দু'দলের দু'টি নির্বাচিত মেয়র থাকবেন। কিংবা ক্ষমতাসীন পক্ষে কিংবা বিরোধী দলেরই দু'জন হতে পারেন। যে কোন একটা সিটি কর্পোরেশন সরকারী দলের মেয়র অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করবেন। অন্য সিটি কর্পোরেশনটি বিরোধী দলীয় মেয়র কম সুবিধাপ্রাপ্ত হবেন। স্বাভাবিকভাবেই একটি কর্পোরেশন বাজেট, উন্নয়ন এবং টেন্ডার সবকিছুর ক্ষেত্রে একচ্ছত্র অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। অন্য কর্পোরেশনটি অবহেলিত থেকে যাবে। মিউনিসিপালটি ট্যাক্স, ডাম্প ইয়ার্ড, অবকাঠামো সম্পূর্ণ পৃথকভাবে আলাদা হয়ে যাবে। আইনগত জটিলতা ঘনীভূত হবে। লাল ফিতার দৌরাত্ম দ্বিগূণ হবে। মেয়র পক্ষ অনায়াসে বলবেন আমাদের কিছু করার নাই আপনি নিজের থেকে আপোষ করেন। তখন ভুক্তভোগী আমরা সাধারন মানুষ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



