নাজিল আযামীর ব্লগ সাইট

তাবলীগ জামাত নয় , সত্যিকারের ইসলামী জামাত চাই-১

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

তাবলীগ জামাত এমনিতে খুব সুন্দর মনে হয় , কিন্তু এটা প্রকৃতপক্ষে ইসলামের চেতনার সাথে যায় না । তাবলীগ জামাত যারা করেন , উনারা চল্লিশ দিনের একেকটা চিল্লা করে দেশে বিদেশে ঘুরে বেড়ান । যেখানে রাত , সেখানে কাত এই ভাবে উনারা বিভিন্ন স্থানে ইসলামের পক্ষে সবাইকে আহ্বান করে থাকেন ।

কিন্তু তাবলীগ জামাতের ভাইয়েরা ভেবে দেখেন না যে এই ভাবে তারা দিনের পর দিন ঘরের বাইরে থাকলে তাদের ঘরের হক নষ্ট হয় । তারা যদিও জোর গলায় বলে থাকেন যে তারা যতোদিন ঘরে থাকেন না , ততোদিনের খানা খোরাকি রেখে তারপরই ঘরের বাইরে যান ।

কিন্তু শুধু মাত্র খানা খোরাকিই কি সব ? চল্লিশ দিন তারা নিজ নিজ স্ত্রী এবং সন্তানদেরকে সাহচার্য থেকে বঞ্চিত করেন ।

এই সন্তান যদি বিপথে চলে যায় , তার দায়ভার কে নিবে ?
এই স্ত্রী যদি বিপথে চলে যান , তার দায়ভার কে নিবে ?
এই ভাবে বছরের পর বছর তারা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান বলে তারা চাকরি বাকরি করতে পারেন না , কারন কয়জন নিয়োগকর্তার পক্ষে সম্ভব যে নিজের কর্মচারীকে এতো লম্বা সময়ে ছুটি দেয়া ? নিয়োগকর্তা তো তার কাজের জন্যই লোক রেখেছেন , কাজ না হলে উনি কিভাবে বেতন দেবেন ?

এই কারনে তাবলীগ জামাত এ জড়িত হওয়া মানে নিজের ও নিজ পরিবারেরর প্রতি জুলুম করা , এবং অন্যায় করা । এটা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা নয় ।
তদুপরি , তাবলীগ জামাতের মানুষেরা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে মানুষকে ইসলামের পক্ষে এবং নামাজরোজা করতে দাওয়াত দেন । কিন্তু উদাহরন হিসাবে ধরি যে ফরিদপুরের একজন মানুষ বরিশালে গিয়ে সবাইরে এই দাওয়াত দিতেছে । কিন্তু বরিশালে তো কেউ উনাকে চিনে না , উনার কথার তাই কোন গুরুত্ব দিবে না । তার চাইতে উনি যদি ফরিদপুরে নিজের এলাকায় এই কাজ করতেন তাইলে তাকে চিনে হয়তো কেউ কেউ তার কথায় প্রভাবিত হতো ।

এছাড়া এই সব লোক বিভিন্ন স্থানে মসজিদে রাত্রি যাপন করেন । এটা অন্যায় । মসজিদকে ইবাদতের ঘর হিসাবে তৈরী করা হয়েছে , এটা কোন সরাইখানা নয় । মসজিদে রাতে ঘুমানো অবস্থায় যদি কোন ধরনের নাপাকি স্বপ্ন কেউ দেখে থাকেন যাতে ফরজ গোসলের আবশ্যকতা দেখা দেয় , তাহলে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হয় যা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না ।

প্রত্যেক বছর টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার নামে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম সমাবেশ হয় । এটা খুবই আনন্দের কথা , কিন্তু এই সমাবেশ থেকে মুসলমানরা কিভাবে লাভবান হন , সেটা জানি না । হজ্ব একটি ইবাদত কিন্তু ইজতেমা মুসলিম সমাবেশ হিসাবে মুসলমানদের উপকারে অনেক ভাবেই কাজে লাগানো যায় ।

সেই সমাবেশে ভারতের বিভিন্ন মাওলানারা উর্দু আর ফার্সী ভাষায় বয়ান করেন , যা সমাবেশে উপস্থিত নব্বই ভাগ লোকই বুঝতে পারে না ।

বিশ্ব ইজতেমাকে অন্যভাবে মুসলমানদের কাজে লাগানো যেতে পারে । ধরা যাক , একবছরের স্লোগান হলো " সবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা " তাহলে সেখানে অংশগ্রহনকারী সকল মুসলমান যদি শপথ নেন যে তারা নিজের ছেলেমেয়েদেরকে স্কুলে বা আলিয়া মাদ্রাসায় পাঠাবেন এবং অন্যদেরকেও শিক্ষার জন্য সবাইকে সাহায্য করবেন , এতে করে মুসলমান সমাজে শিক্ষা দীক্ষা অনেক বেড়ে যাবে । এইভাবে আরো অনেক সামাজিক কাজ করা যায় এবং দুনিয়ার নিপীড়িত মুসলমানদেরকে কিভাবে সাহায্য করা যায় এটা নিয়ে সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিম নেতাদের মাঝে আলাপ আলোচনা এবং দিক নির্দেশনা আসতে পারে ।
তা না করে গোসলের নিয়ত নিয়ে কয়েক ঘন্টা বয়ান করে লাভ নাই , কারন সেই গোসলেনর নিয়ত ও নিয়মকানুন সকল মুসলমানই জানেন অথবা অল্প আয়াসেই জানতে পারেন , এই জন্য তুরাগ নদীর তীরে দুই রাত বসে থাকার প্রয়োজন পড়ে না ।


( আগামী পর্বে সমাপ্য )

 

 

  • ২৮ টি মন্তব্য
  • ৪৮৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ১৫ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯
comment by: স্রোত বলেছেন:
অদ্ভুত পোস্ট।
-
২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৫
comment by: িদদারুল আলম বাননা বলেছেন: অনেক জায়গায়দেখা যায় অনেকে চিল্লায় যায় যাদের বয়স ৫০ এর উর্ধে।
৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১১
comment by: নাজিল আযামী বলেছেন: অদ্ভুত কেন, স্রোত ?
৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২২
comment by: স্রোত বলেছেন:
@নাজিল আযামী
আপনি বলেছেন,,,,
"তাবলীগ জামাত এমনিতে খুব সুন্দর মনে হয় , কিন্তু এটা প্রকৃতপক্ষে ইসলামের চেতনার সাথে যায় না ।"

*********
আপনি একথা বলার কে????

আপনি কী কোনো স্কলার???

আপনি কী ইসলামের চেতনার স্রস্টা, না তার সংরক্ষক??

**********

অদ্ভুত পোস্ট, কারণ কুযুক্তিতে পূর্ণ পোস্ট।


৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৮
comment by: নাজিল আযামী বলেছেন: ধন্যবাদ স্রোত আপনার মতামতের জন্য । কিন্তু ইসলামের চেতনার সাথে কেন যায় না সেটা তো আমি পোস্টের মাঝেই আলোচনা করেছি । আপনার কাছে যদি কুযুক্তি মনে হয় তাহলে আপনি ভুলগুলো ধরিয়ে দিন । তা না করে বাতাসে মন্তব্য করলে তো হবে না ।
৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩২
comment by: শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন: ইসলামে বৈরাগ্যের স্থান নাই, তাবলীগ জামাত কেবল ইসলামের দাওয়াতের প্রাথমিক কাজ যেমন: নামাযের দাওয়াত, পরকালের ভয়, কবরের আযাব ইত্যাদি বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে বয়ান করে। অন্যকথায় বলা যায়, তারা কেবল মাটির নিচের আর আসমানের উপরের কথাই বলে।

ইসলাম যে একটি বৈপ্লবিক জীবনাদর্শ, মুসলমানদের দ্বীন ক্বায়েমের দায়িত্ব, সৎ কাজের আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ - এ ধরনের গুরু দায়িত্ব পালন থেকে নিজেরা দুরে থেকে তারা ইসলামের হক পুরাপুরি আদায় করছেননা। তাদের ধারনা, তাবলীগে যোগ দিয়ে লোকজন ক্রমে ক্রমে সব ভাল হয়ে যাবে আর এভাবে একদিন ইসলাম ক্বায়েম হবে - যা কেবল আকাশ কুসুম কল্পনা। অথচ বিশ্ব ইজতেমায় যে ক'লক্ষ লোক হয় তারা কি সবাই চায় এ দেশে ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠিত হউক? মোটেও না। তার মানে হলো তাবলীগ মানুষের মনে আদর্শগত বা গুনগত পরিবর্তন আনতে পারছেনা।

তাই আমি মনে করি তাবলীগের ধ্যান-ধারনা বা কর্ম পদ্বতি পুরো পুরি ইসলাম সম্মত নয়, ইসলাম প্রতিস্ঠা বা প্রচার যদি এতই সহজ হতো তবে যুগে যুগে দেশে দেশে নবী, রাসুল, সংস্কারক বা ইসলামি আন্দোলন কে ক্বায়েমী স্বার্থবাদীদের প্রবল বাধার সম্মুখিন হতে হতোনা। তথাপিও তাবলীগ জামাত ইসলামের ন্যুনতম খেদমত হলেও করছে, তাকে ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই।
৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪২
comment by: মামু বলেছেন: বউ চল্লিশদিন স্বামীকে কাচে পায় না, যারা বছর বছর বিদেশ থাকে হেরা কি আরেকটা স্বামী ঘরে রাইখা যায়?

আরে মিয়া তুমি ২৪ ঘনটায় অফিস কর মোট ১০ঘনটা (৮+২ অফিস আসা যাওয়ার সময় সহ)
ঘুমাও ৬ঘনটা তাইলে বউরে টাইম দেও কয় ঘন্টা?

২৪-(১০+৬)=৬ ঘন্টা বউরে টাইম দিতে তুমার লজ্জা লাগে না? বাকি ১৬ ঘন্টা বউরে বন্চিত কর ক্যান?

হুদাই কু যুক্তি দিয়া কতা কইলা।

অপরিচিত লোক তুমার কতায় দাম দেয় না, তাইলে তুমি যে একানে পুষ্ট দিলা তুমারে তো আমি চিনি না,,,, তুমারে ক্যান দাম দিমু?

বিদেশীরা ইজতিমাতে যে ওয়াজ করে সাথে সাথে তার অনুবাদ কইরা দেয়া হয়..... বাল না জাইনা কইতে আইচ,,, অহন তো তুমারে পুরা আবাল কইতে ইচ্ছা করতাচে।

গোশলের নিয়ত যদি কম বেশী সবাই জানে তাইলে "সবার জন্য শিক্ষা " কতাটা কি কমবেশী সবাই জানে না? তুমার মত আবাল ই জানে না....

বাল প‌ূর্ন পুষ্ট আর দিও না....
সবাই হাসতে আচে....
৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪
comment by: মামু বলেছেন: ২৪-(১০+৬)=৮
বুজলাম হিসাবে কাচা আচি :)
৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭
comment by: মামু বলেছেন: মসজিদে ঘুমাইলে যদি সপ্ন দোশ হয় তার জন্য মসজিদে থাকা টিক না, মাগার মসজিদে বইস্যা যকন পাদ দেও তখন কি টিক আচে?
১০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:২৪
comment by: হাপিবয় বলেছেন: ধন্যবাদ
১১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩
comment by: সূফি বলেছেন: মামু'র কমেন্টে প্লাস দিলাম ।
কই থাইকা যে এই সব চিজ নাজিল হয় কয় দিন পরে পরে । টাইপ করা শিখলেই মনে করে বুঝি লেখক হইয়া গেছে । মনগড়া একেকটা ফতোয়া হাজির কইরা ফালায় ।
১২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪
comment by: হুদাই বলেছেন: সূফি বলেছেন: মামু'র কমেন্টে প্লাস দিলাম ।
কই থাইকা যে এই সব চিজ নাজিল হয় কয় দিন পরে পরে । টাইপ করা শিখলেই মনে করে বুঝি লেখক হইয়া গেছে । মনগড়া একেকটা ফতোয়া হাজির কইরা ফালায় ।

ঝাক্কাস
১৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
comment by: এবি+ বলেছেন: আমার কাছে খুবই পছন্দ হয় ,

ধর্ম মানিনা নইলে প্রতি মাসেই ১ বার করে যেতাম ।

১৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: হা হা হা হা হা হা। অপবিত্রতা যুক্তি শুনে আমি হাসতে হাসতে শেষ! আপনি কি জানেন না রাসুল (সা) যে ইতিকাফ করতেন? মসজিদে রাত কাটাতেন রমজানের শেষ দশ দিন? বড় ধরণের কুযুক্তি হয়ে গেল!


এখানে সমস্যাটা 'তাবলীগের জামাত' না, কারণ, যারা ভালো তাবলীগ, তাদের অনেককেই দেখেছি, ভীষণ ভালো মুসলিম। সমস্যাটা গ্রাহকের, গ্রাহক গ্রহন করতে পারছে না। নিজের মত করে বিকৃত করে গ্রহন করছে। রাসুল (সা) যখন ইতিকাফ করতেন, তখন মসজিদ থেকেই ভিজা মাথা বাড়াতেন, আয়েশা (রা) চিরুণী দিয়ে চুল আঁচড়ে দিতেন। আমাদের ইউনিতে একটা বাঙালী মেয়ে আছে, নতুন বিয়ে হয়েছে। ওর জামাই চিল্লায় চলে যায়। একা মেয়ে, বিদেশ বিভূইয়ে থাকে, ভয় পায় খুব। কিন্তু জামাইকে না-ও করতে পারে না, ওর ধারণা এতে ওর গুণাহ হবে! আমি যেটা ভেবে দেখলাম তা হলো লোকটা টু বিগিন উইথ ভালো স্বামী না। এবং, ভালো মুসলিম না। ভালো স্বামী হলে দায়িত্ববান হতেন, ভালো মুসলিম হলে রাসুল (সা) কে অন্তত: অনুসরণ করতেন, যার জীবনে স্ত্রীর প্রতি ভীষণ ভালোবাসা আর দায়িত্বশীলতা দেখা যায়। ইসলামের যে কোন কিছু শিখে এসে তিনি প্রথমে তার স্ত্রীকে শিখাতেন, তারপরে আশে পাশের মানুষদের।

তাবলীগের কিছু ভুল আছে, কিন্তু এভাবে ঢালাও ভাবে 'তাবলীগের ইসলাম' বলে আলাদা ক্লাসিফাই করলে বড় অন্যায় হবে, ওদের ভালো কাজগুলোর জন্য যা প্রাপ্য, তা দেয়া হবে না। খুজে দেখেন, বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্ঝলে, যেখানে অন্য কোন ভাবেই ইসলাম পৌছানো সম্ভব ছিল না, সেখানে নাছোড়বান্দা তাবলীগেরা কিভাবে ইসলাম পৌছে দিয়েছে! সবার রিসেপশন তো ভালো না, তাই ভুল ইসলামকে গ্রহন করে, তারপরে সেটা ছড়িয়ে দেয়। কিন্তু তাবলীগের আলেমরা কিন্তু সেগুলোকে ভুল বলেই জানেন।

লেখা যখন ছেড়েছেনই, রিসার্চ বেইসড, ব্যালেন্সড হলে ভালো লাগতো।
১৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: খাইসে!
এইডা কি নাজিল করলাইন!!
বলগিং করা জায়েজ আচে তো?
১৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮
comment by: মুনশী বলেছেন:


তবিলগ জমাতের ভালা খারাপ দুইডাই আছে। তয় আপনে তরল লেহা দিছেন। ভালা লাগে নাই।
১৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৫
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: (পুরো পোস্ট ও এর সমর্থকদের জামাত-শিবির মনে হচ্ছে।)


আমি এক সময় তাবলীগের ঘোর বিরোধী ছিলাম। কিন্তু তাবলীগ বিরোধী জামাত-শিবির গোষ্ঠীর প্রকাশ্য পাপাচার, নীতিহীন ঘৃণ্য কর্মকান্ড আমাকে নতুন ভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। এখানে কিছু উদাহরণ দেয়া হল---

জামাত শিবিরের বক্তব্য হল তারা দাড়ি রাখবেনা, কারণ ছদ্মবেশে থেকে সংগঠনের কাজ করতে তাদের সুবিধা হয়। উল্টো মোচ রেখে, টাই পরে ইসলামি আন্দোলনের নামে গলা বাজি করে।

দাড়ি রাখা মুসলমান পুরুষদের জন্য
ওয়াজিব আর গোফ রাখা হারাম---মওদুদীর ব্যাখ্যায় তা অচল বলে মানেনা।


এই সন্তান যদি বিপথে চলে যায় , তার দায়ভার কে নিবে ?
এই স্ত্রী যদি বিপথে চলে যান , তার দায়ভার কে নিবে ?

আসলে দাড়ি ছাড়া এ শিবিরের ছেলেরা কতটা অধর্মাচারের ঝুকি থাকে তা আমার নিজের দেখা। বেপর্দা মেয়েদর সাথে দেখা করা , কথা বলা....বিভিন্ন পদের আর স্বাদের গান শোনা.....বাদ্যযন্ত্র দিয়ে আল্লাহ রাসূলের নামে উচ্চস্বরে গান বাজান .......(যেটা কে সুস্পষ্ট বেয়াদবি বলা হয়েছে ইসলামে).....শিবিরের বক্তব্য হল প্রেমের গান আরবিতে হলে শালীন বা জায়েজ, হিন্দি, বাংলা, ইংরেজিতে নাজায়েজ।

শিবিরের এ ছেলেদের দেখে মনে হয়না এরা মুসলমানের সন্তান। উল্টো নীরবে যারা ধর্মকর্ম করছে তাদের বিরুদ্ধে বিষেদাগার ছড়িয়ে মুসলমানদের ঐক্য ও ভাবমূর্তি এরা রসাতলে নিয়ে গেল।

শিবির---------তোরা আসল ধর্মে আয়। অশিক্ষিত মওদুদীর মতবাদ ফেলে পরীক্ষিত ইসলামকে বুঝার চেষ্টা কর।
১৮. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: জামাত শিবির দের প্রশ্ন করি। তারা কি জানে তাবলীগের লোকদের হাতে কতজন মুসলমান হয়েছে, মোহাম্মদ ইউসুফের মত কজন মুসলমান ক্রিকেটার তারা বানিয়েছে.....অথচ জামাতের নেটওয়ার্ক ত পৃথিবী ব্যাপী।

তা জামাত -শিবির নিচের বক্তব্য নিয়ে কতটা সজাগ যে অন্যের দোষ ধরে...........

নিপীড়িত মুসলমানদেরকে কিভাবে সাহায্য করা যায় এটা নিয়ে সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিম নেতাদের মাঝে আলাপ আলোচনা এবং দিক নির্দেশনা আসতে পারে ।
***********^^^^**********
এছাড়া এই সব লোক বিভিন্ন স্থানে মসজিদে রাত্রি যাপন করেন । এটা অন্যায় । মসজিদকে ইবাদতের ঘর হিসাবে তৈরী করা হয়েছে , এটা কোন সরাইখানা নয় ।

জামাত-শিবির ছাড়া সব দল মতে আলেম রা একমত, মুসাফিরদের মসজিদে থাকা খাওয়া অধিকার আছে........এবং তাবলীগের কাজ নিয়ে জামাত-শিবির ছাড়া কোন মহলকেই তেমন উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায়না।

নিজেরা কি ঠিক মত ধর্মীয় কর্তব্য পালন করছেন আপনারা? যদি না করেন, তাতে মনোনিবেশ করুন। যদি করে থাকেন তবে .......

যতজন মানুষ তাবলীগের সাথে থেকে মদ, সিনেমা হল, জুয়া, বেপর্দা প্রথা, বেনামায, হারাম উপার্জন...পাপাচার থেকে দূরে থাকছে....যতজন মুসলমানের যতটুকু ইন্নতি হচ্ছে সেটা জেনে নিয়ে চিৎকার না করাটাই ধর্মের জন্য মঙ্গল।
১৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০২
comment by: পদ্ম পুকুর বলেছেন: সন্ধ্যাবাতির কমেন্টে ৫। তাবলীগের মধ্যে কিছু ভুল কিছু প্রচলিত বিশ্বাস আছে যা টোটাল ইসলামের সাথে যায়না, আমি নিজে হলের মসজিদে বিকেল বেলার বয়ানে শুনেছি। তাই বলে তাদের সব কিছুই আপনি ভুল বলে উড়িয়ে দিতে পারেন না।

আর সাঈফ শেরিফ, দাড়ি রাখা এবং গোফ না রাখা, এগুলো যথেষ্ঠ তর্ক সাপেক্ষ বিষয়। আপনি যেমন বললেন, হারাম হালালের তেমন সরলীকরণ এখানে করা যায়না। হাদিসে এসেছে, গোফ এতটুকু ছোট করতে হবে যেন খাবার সময় গোফে কোন কিছু লেগে না থাকে।

২০. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১২
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @পদ্মপুকুর.........

দাড়ি বিষয়টা তর্ক সাপেক্ষ শুধু জামাত শিবিরদের কাছে। সব আলেম একমত....আপনি যে কোন আলেমের রেফারেন্স দিতে পারেন।
নচেৎ মুসলমান পুরুষদের নপুংশক সাজার কাহিনী পড়তে পারেন এখানে........

here
২১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১৩
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: ঘটনা হইলো, তাবলীগ জামাতরে সবাই পছন্দ করে :) এমন কি আইজুদ্দীন সাহেব ও ;)
২২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১৯
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: দুঃখিত! কিন্তু এটাকে ফালতু পোস্ট না বলে পারলামনা।
২৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২৫
comment by: এবিএম গিয়াসউদ্দিন (শামীম) বলেছেন: একটা প্রভোকেটিভ পোস্ট। বুয়েটে শিবিরের ছেলেদের এইটাইপের কমেন্ট করতে দেখতাম। যে বিষয়ে পুরোপুরি ধারনা নাই সেবিষয়ে কথা না বলাই ভালো @ লেখক
২৪. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২৭
comment by: পান্জেরী বলেছেন: ** দলীয় সন্কীর্নতার উর্ধে নন এরকম জামায়াত বা তাবলীগের কেউই অন্য দল সম্পর্কে নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গী প্রকাশ করতে পারেন না।

১.
আপনি (লেখক) যদি গ্রহণযোগ্য ইসলামী ব্যক্তিত্ব হোন, তবে সত্যিকারের ইসলামী জামাত কি - এব্যাপারে বিস্তারিত লিখুন। তাবলীগের সাথে এর ডিফেরেন্স কোথায় (অবশ্যই কোরআন-হাদিসের ভিত্তিতে) তাও লিখুন। ডিফেরেন্সের চেয়ে মিল বেশি হলে, তাবলীগ অবশ্যই ইসলামী দল হতে পারে। মানুষের দল বলে ভুলভ্রান্তি কিছু থাকতেই পারে, যদি সেসব কোরআন-হাদিসের সাথে ভাইটালি কন্ফ্লিক্ট না করে।

২.
আমি দু'টি মূল বিষয় শুনেছি ও অবজারভ করেছি। উল্লেখ্য এক্ষেত্রে আমি দাবী করছি না, আমি নিরপেক্ষ। নিচের উল্লেখিত বিষয় দুটি আমার অবজারভেশন, অভিযোগ হিসেবে না নিলে ভাল হবে।

২.১.
মহাগ্রন্হ আল-কোরআনের চেয়ে তাবলীগ ফাজায়েল এ আমল সহ কিছু বইকে বেশী গুরুত্ব দেয়। এসব বইয়ের অথেনটিসিটির ব্যাপারে আল্লাহ ও রাসুল সা: এর থেকে কোন সার্টিফিকেট নেই। মাত্র ১-২শ বছর আগে এসব বইয়ের কোন অস্তিত্ব ছিল না। এসব বইয়ে কতিপয় বুজুর্গের রেফারেন্স দিয়ে এমন কিছু কথাবার্তা আছে যেগুলোর সত্যতা সম্পর্কে অনেকেই সন্দিহান করেন। এছাড়া এসব বইয়ে আল্লাহ ও রাসুলের ব্যাপারে কিছু কথা আছে, যেগুলোর রেফারেন্স হিসেবে হাদিস-কোরআন দেয়া নেই, তাই এগুলোর ব্যাপারে সন্দেহ করেন অনেকেই। এগুলোর বিপরীতে আল-কোরআনই হলো একমাত্র নির্ভূল হেদায়াত গ্রন্হ। কিন্তু তাবলীগের লোকজন সাধারণ মানুষদের আল-কোরআন বুঝে পড়তে নিষেধ করেন বা অনুৎসাহিত করেন।

২.২.
তাবলীগ ইসলামের দাওয়াত দিলেও, আমরা দেখি পরিস্কার ইসলাম বিরোধী মহল যেমন, সেক্যুলার ও নাস্তিকরা (আওয়ামী ও বামরা) তাদের বড্ড বেশি পছন্দ করেন, যদিও তারা তাবলীগ হতে নারাজ। অনুরূপ, ইসলামের প্রকাশ্য শত্রু মুশরিক (ভারত) ও ইহূদী (ইসরাঈল) রাও তাবলীগদের পছন্দ করেন। উল্লেখিত দুটি রাষ্ট্র ছাড়াও অন্যান্য অমুসলিম ও খ্রীস্টান দেশেও তাদের কাজের যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়। আমাদের দেশে ও ব্লগেও অনুরুপ চিত্র দেখা যায়। ইসলামপন্হী লোকজনের কোন কোন কোরআন-হাদিসের পোস্টকে তাবলীগের লোকজন বুঝে বা না বুঝে সেক্যুলার ও নাস্তিকদের মতো ট্রিট করতে দেখা যায়। আবার সেক্যুলার-নাস্তিকদের ইসলামবিরোধী পোস্টে তাবলীগের লোকজন উপযুক্ত প্রতিবাদ করতে ব্যর্থ হন।

২.৩.
অথচ, মোহাম্মদ সা: এরকম নিরবচ্ছিন্ন ভাবে আরবে তাবলীগের মতো সুযোগ-সুবিধা পাননি। মক্কার মুশরিক ও মদীনার ইহূদীরা তাকে হত্যার বিভিন্ন পরিকল্পনা করেছিল। তিনি ও তাঁর অনুসারীরা বিভিন্ন পর্যায়ে মক্কা থেকে হিজরত করে আবিসিনিয়া ও মদীনায় যেতে বাধ্য হন। তাদেরকে যুদ্ধ করতে হয়েছিল। শত শত সাহাবীকে রক্ত দিতে হয়েছিল ইসলামের জন্য। আমরা যদি বিশ্বাস করি যে মোহাম্মদ সা: এর প্রদর্শিত ইসলাম প্রকৃত ইসলাম, তবে তাবলীগের প্রচারিত ইসলামের উপর ইসলামবিরোধীদের অনুরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাওয়া স্বাভাবিক হওয়া উচিত বলে তাবলীগের সমালোচকরা মনে করেন। অথচ বাস্তবে আমরা এর উল্টো দেখছি।

২.৪.
এসব আমার অবজারভেশন, অভিযোগ নয়। এসব বিষয়ের উপর যেকোন সর্বজনগ্রাহ্য সত্যিকার ইসলামী জ্ঞানীলোক যাচাই করে সুন্দর একটি সমাধান বা মতামত দিতে পারেন। ফলে আমার মতো অনেক কম জানা লোকের সম্ভাব্য ভুল সংশোধন হতে পারে। শুধু কোরআন-হাদিসের যথাযথ রেফারেন্সের ভিত্তিতেই তা করা যেতে পারে।

৪.
শুধু তাবলীগ কেন, যেকোন ইসলামী দলকে তথ্য প্রমাণ ছাড়া কিছু শুনা কথা বা আন্দাজের উপর দোষারোপ করা ঠিক নয় (যেমনটি এই পোস্টে করা হয়েছে)। আমাদের মতো (এখানকার অধিকাংশ ব্লগার) ইসলাম সম্পর্কে কম জানা লোক এসব বিষয়ে তর্ক না করাই ভাল। এতে ইসলামবিরোধীরা লাভবান হবে বেশী। যারা ইসলাম সম্পর্কে বেশী জানেন, শুধু তারাই এব্যাপারে কথা বললে তা শোভনীয় হবে।
২৫. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৩৯
comment by: শাওন বলেছেন: শিরোনাম দেখেই মাইনাস দিলাম ।
২৬. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:০৭
comment by: কতবতবকতকত বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি আর সাঈদ শেরিফের কমেন্টে বিপ্লব। এর পরে আর কোন কথা থাকার কথা না।

যান, তাবলীগ জামাত খারাপ, এরা জাহান্নামে যাবে আর জামাতে ইসলামী ভাল, সব জামাতীরা জান্নাতে যাবে। নিযামী...থুক্কু...আযামী মিয়াভাই কি এইবার খুশী?

শোনেন একটা ভাল কথা বলি। গীবত বাদ দিয়ে নিজের চরকায় তেল দেন মিয়া ভাই। তাবলীগ জামাত তো কোনদিন জামাতে ইসলামীর বদনাম করেনি, তা আপনি হঠাৎ তাদের পিছনে লাগলেন কেন? নাকি কোন তাবলীগওয়ালা আপনার পাকা ধানে মই দিয়েছে?

আরে বলার ইচ্ছে ছিল কিন্তু আলী (রা:) এর একটা কথা মনে পড়ে গেল- "মূর্খের সাথে কখনো তর্ক করোনা। করলে তোমার নিজের বিচার বুদ্ধি লোপ পাবে। (মোর অর লেস মিনিং)"

তাঁর কথার উপর আমল করলাম।:)
২৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৬:৪১
comment by: কতবতবকতকত বলেছেন: আযামী ভাই কৈ গেলেন? সত্যিকারের পিছলামী জামাত আনতে?;)
২৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
comment by: নুরুল কবির বলেছেন: রাজাকার

 



 


আমার ভাবনা, চিন্তা, স্রষ্টা, সাধনাকে নিয়ে আমার দুনিয়া।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৭৭৭০