আমার মেয়ের নাম অনেকেই বোঝে না। মেয়ে কি বোঝে!
সাদা কাগজের কোনো খাম খুলে পাইনিতো তাকে, নিরেট মানুষ ঈশ্বরীর পেটে ঘুমিয়ে এসেছে কতদিন বেমালুম।
তার কাছে টের পাই কিছুটা জীবন। আর কিছু নয়।
যে ঘরে বাস করি সে ঘরের চৌদিকে শুধুই দেয়াল, দরজাও আছে
ঘর মানেই তো তাই। এই ঘরে মাঝে মাঝে মেঘের শব্দ শুনে চমকাই।
অথচ আমার ছিলো চমকে থাকার মতো জাগুয়ার বুক। মেয়েটার আছে?
তার কাছে মাঝে মাঝে শুনতে যাই নিঃশ্বাসের কোমল রেখাব
যদিও ঘুম তার সারোদ-ধ্বনির চেয়ে দামি। প্রশান্ত কোমল।
এখন সে ছিঁড়ে ছিঁড়ে একেকটি দিন, রাত বেঁচে ওঠে। আমি দেখি।
আমার বউটিও যার ছিলো ঈশ্বরীর পেট সেও দেখে; দেখে কিছুই বোঝে না
আমি বলি, না বোঝার চেয়ে ভালো বুঝতে না চাওয়া।
আমার মেয়ের নাম অনেকেই বোঝে। কিন্তু জানে না। কেউ কি জানে?
কিংবা বোঝে না। কেউ তো বোঝে? যে বোঝে সে এই নামে বন্ধক রেখো
আসমানদারী। তাকে দেবো হাসি তার আঁধারবিনাশী, মেঘবালিশের স্পর্শ আর দৃষ্টির আশ্চর্য মোহনবীণা বেছে বেছে।
আর বাকী সব যা আছে তা আমার। একান্ত আমার। বুড়ো হয়ে গেলেও; মরে গেলেও।
আমার মেয়ের জন্ম ২০ জানুয়ারি ২০০৮। এখন বয়স প্রায় দু'মাস। এখন সে আমার নিঃশ্বাসের অংশ হয়ে আছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


