মোমের আলোয় মখিয়ে নিলাম বিশ্রম্ভ-আলাপ সুরে
কেন জানি মনে হলো বিগত সন্ধ্যার ইমন-কল্যাণের কথা
দেবী ও মহত্তম যিনি; ভণিতার মতো যার সুর-সংবেদ
আদানা-মল্লার গাইছেন তিনি আমুনকরের মতো
মনে হলো অনেকদিন আগে খুব ভোরের আলোয় নিঃশ্বাসের তরঙ্গ তুলে
মেলেছিলেন গলা; আমি সুনসান ঘরের চারপাশ ঘিরে বেড়ে ওঠা শৈশবের স্মৃতি ধোঁয়াশা কাঁচের মতো মুছতে গিয়ে শুনলাম...
আজোবধি গাইছেন যেনো কিশোরী আমুন।
বাইরে সোনারোদের ঘাম ক্যারটে মেপে কিনে আনলাম কিছু অবসর
আমার রক্তে কয়েকটিবার দোলা লাগিয়েছিলো যে প্রেম ক্ষণকালের
তার থেকেও কয়েকটি সুন্দর ও সবুজ সময় বেছে নিলাম আর হাতের ভেতর গুঁজে দেয়া গোলাপ ফুলের নীল পাপড়ি কিছু খন্ডকালীন
পরিচয়ের নিয়ে বসে থাকলাম বৃষ্টির অপেক্ষায়।
অথচ বর্ষা শেষের আগেই উঠে আসতে হবে
ভোর থেকে জমেছে গান শরতের হাওয়ায়- তিনি আসবেন পায়ে পায়ে
ঘুঙুরের মার্বেল বাজিয়ে; হেসে উঠবেন কাশবনের ভেতর...
এইরকম ফ্ল্যাশব্যাকের অসংখ্য ছবি ক্যামেরায় তোলা ছিলো
যার কোনোটিই স্মৃতি ছাড়া আর কোনো বাকসে রাখা নেই।
শুধু দু'টি মন্দিরা'র সুতো আঙুলে পেচিয়ে শব্দে বাজাই
আমার সাথে অতল ও অনন্তভেদী হামির গাইবেন কুমারগন্ধর্ভ- এই ভরসায়।
একসময় ছিলো যখন গন্ধবাতি আর প্রদীপ জ্বেলে গান শুনতাম। এবং ভালোবাসতাম কাউকে। এখন যা মনে হলে বিষ্ময়ের আগুন জ্বলে ওঠে বুকে।
সঙ্গে পাঠনো বিনোদিনীর ভাষ্কর্যটি রামকিংকরের

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

