একরোখা শরীর শুধু বিজয়ের হাতল ধরেই শুয়ে রইলো অন্ধকারে
তোলপাড় করা নেশার শরীর শীতরাত্রের সংজ্ঞাহীন
রতিক্লান্ত ঘুম শেষে আলো ঝলমল এক ফর্সামুখ দেখতে পায়।
তার কাছেই একটা কুকুর বা থাকলে শেয়াল ঘুরঘুর করে
পেছনে কলমিলতার ঝোপ, একটা মরা মুরগীর পাখনা, খোলসা শরীর
বুকে ভর দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে একটা নীল সাপ
অন্ধকারের রঙ বদলে দিলো, কাছে পড়ে থাকে
বাঁকা শিঙের কঙ্কালের ওপর বসে থাকা
বহুদিনের বাসি ঘাসফড়িঙের শব।
বুকে হাত রেখে বলেছিলো- ছিনিয়ে নিতে পারো...
অথচ কার কাছ থেকে! এই ছিনিমিনি খেলা খেলতে হবে
জানবার আগেই মিনা করা সোনার আংটি আঙুলে
দেওয়ালের পিছে পীঠ ঠেকিয়ে বিপজ্জনক দূরত্বে তা দেখতে গিয়ে
বুকে ভর দিয়ে হাঁটতে শুরু করি, নীল সাপের মতো।
তোমার লবন আমার তিতা, সব মিলে এই যে পূর্ণিমার
রাতে কলকল ধোঁয়া, সিগারেটের কয়লা ওড়ে দমকা হাওয়ায়
আমি তার থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়েছি, গোগ্রাসে ভুলেছি সব
ইতিহাসের বেঘোর অধ্যাস।
বলছি কুহক কথকতা, অবিনশ্বর পিছুটান
বেঁচে থাকার মধু
কিন্তু এসবের থেকে ফিরে দেখবার অশেষ আনন্দ ছিলো যার
তার পিছে ছুটছি তো ছুটছিই, মনোবেদনার বাইসন চড়ছি
হুমড়ি খেয়ে পড়ছি পথে, উল্টেপাল্টে যাওয়া সব
স্বপ্নময় গোঙানী; বেশী দিনের মতো স্বল্প সময়ের সুখ ফুটে ওঠেনি
তার বাগানে ফুলের মঞ্জরী হয়ে।
বয়স টুকরো টুকরো করে জোড়া লাগানো যে জীবন তার কাছে
মুখ থুবড়ে পড়ি, এমন বিরূপ বাসনার কথা বলি কারে?
কফিনের চাপাতার রঙ বদলে যেতে থাকে
ছাইভষ্মের বদলে কিছু অংশ তুলে রাখবো কাছে- নিশানা তার।
চা বাগান, গাজীপুর
৮.৮.২০০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

