বিষের ভেতর ডুবে থাকা বুক-শেলফের ডালা খুলে দেখলাম
তুমি নেই; একখণ্ড কুমারী অন্ধকার
থির খাটে আধশোয়া উপচ্ছায়ার মতো ঝিমুতে থাকে।
যখন চলে আসি, সাঁতরে গেছি সবুজ ত্রসরেণু
প্রেমার্ত সাইরেন বেজে ওঠে চোখ-পাপড়ি গিটারে
ফেলে দেয়া অন্তর্বাস থেকে ধারণা পেলাম তো কিছু
ডৌল ও সুডৌল, গোলকে-ব্যবচ্ছেদে-মন্তাজে।
ঘনস্মৃতির বে-হালা জঙ্গলে একাইতো সেবায়েত, আছে কেউ!
তার মধ্যে বিবশ পানিতে জিয়ল মাছের মতো কাঁৎরে ওঠো-
একবার, দু'বার, বহুবার...
যে ছায়ার ভেতর বসে থাকি- সুফিনাচের মৌনতায়
বহিরাভরণ চেপে আছো আর অন্তরমহল ধরে লাফাতে
থাকে বন্ধনীহীন স্থাবরতা তোমার শরীরের।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



