somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পাশ্চত্য সভ্যতা

১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিশ্বব্যাপী পুজিবাদী দর্শনের পতনের পর মানব সভ্যতার সংকট নিরসনের অঙ্গীকার নিয়ে আবির্ভুত হল সমাজবাদী দর্শন। যা বস্তুবাদী দর্শনের আরেক রুপ। জার্মান দার্শনিক অগাষ্ট কোৎ এই দর্শনের প্রবক্তা । তাঁরই উত্তরসূরী হিসেবে কালমার্ক্স পরবর্তীতে মাও সেতুং প্রমূখ বাস্তববাদী মতাদর্শে দীক্ষিতরা এই দর্শনকে আরো একটু মডিফাই করে নিয়ে আসল সাম্যবাদী র্দশন। যদিও এই দর্শনে পরিচালিত দেশের সংখ্যা খুবই সীমিত। তবে এই দর্শনের একক প্রভাব বিশ্বব্যাপী শিক্ষব্যাবস্থার উপর ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। এটা বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত , এই
বস্তুবাদী বা সাম্যবাদী দর্শন ছাড়া শিক্ষা ব্যাবস্থা অসম্ভব। এমনই এক ধারণা বিশ্বব্যাপী কৃত্রিমভাবে তৈরী করা হয়েছে। এই সাম্যবাদী দর্শনের মূলমন্ত্র হল ধনী গরীব ব্যবধান নির্মূল করে একটি সাম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। তবে এই দর্শনে নৈতিক দর্শন উপেক্ষিত । সাম্যবাদী দর্শন নৈতিক দর্শন দিতে ব্যর্থ হয়েছে। মানুষের মননশীলতা, দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বাস, মূল্যবোধ বস্তুবাদী তথা ভোগবাদী দর্শন দ্বারা গঠিত হওয়াই বিশ্বব্যাপী স্বার্থবাদীতার ভয়াবহ রুপ দৃশ্যমান হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী ক্ষমতা লিপ্সা, ইন্দ্রিয়বাদীতা , নৈতিক বিপর্যয়ের মহাযাত্রা শুরু হয়েছে। বিশ্বের যাদেরকে আমরা ‘উন্নত সভ্যতা’ য় ভূষিত করি , সে সব সভ্যতায় এর ভয়ংকর প্রভাব বেশি। বিশেষ করে সভ্যতার ধারক বাহক হিসেবে বিবেচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভোগবাদী চিন্তাধারা এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে , যেখানে মানবতাবাদের কোন চিহ্ন সুষ্পষ্ট নেই। যদিও বিশ্বব্যাপী মিডিয়ায় তাদের একক নিয়ন্ত্রন থাকায় এগুলো সব সময় আমদের অগোচরে থেকে যায়। মাঝে মাঝে তাদেরই অসতর্কতা বশত কিছু তথ্য প্রকাশ হয়ে পড়ে। তাদের রঙ্গীন কাচের মোড়কে আবৃত বিলাসবহুল আকাশচুম্বি অট্রালিকা দেখে আমরা রোমাঞ্চিত হয় , চোখ ঝলসানো হৃদয় মাতানো আলোকের ঝলকানিতে আমরা শিহরিত হয়। বার বার হৃদয় টানে কবে যাব তাদের ঐ স্বপিল রাজ্যে। মনে হয় দুনিয়ার সমস্ত সুখ বুঝি ঐ স্বর্গরাজ্যে। অথচ আমরা ভেবে দেখেনি রঙ্গীন কাচের মোড়কে আবৃত ঐ সব ভবনগুলোর মধ্যে মানবতা গুমরে গুমরে কাদছে। নিষ্ঠুর বস্তুবাদী হায়েনার ছোবল হতে তারা মুক্ত হতে চাচ্ছে। যা পত্র পত্রিকার সংক্ষিপ্ত পরিসরে আমরা জানতে পারি। কত ভয়াবহ বিপর্যয় না শুরু হয়েছে তাদের এই তথাকথিত সভ্যতায়। বছরে শুধূ নিউইয়র্র্কে গর্ভপাতের পরিমাণ কত? বলতে পারেন ? ১২ লাখ! বাংলা (বাজার পত্রিকা-১৯.০১.০৮) আশ্চর্য হচ্ছেন? ১৩ লাখ মানুষ নিয়মিত খেতে পারেনা। (নয়াদিগন্ত-২৩/০৯/০৭) । কি অবাক কথা ! নিজের দেশের লোক অনাহারে দিনানিপাত করে আর একদিকে বিশ্বব্যাপী তেল ক্ষেত্র দখলের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিনাশ সাধন। কি নির্মম পরিহাস! যুক্তরাষ্ট ঘুষমুক্ত নয়। পাইলট রিপাবলিক কংগ্রেসম্যান ব্যান্ড ডিউক ক্যানিং হামকে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগে ৮ বছর ৪ মাস কারা দন্ড দেওয়া হয়েছে। এখানে প্রতি ১০ জনে ৪ জন জারজ সন্তান। বিয়ের হার মাত্র ৩৭ শতাংশ। গবেষণায় প্রকাশ অবাধ নারী পুরুষের সম্পর্কের কারণে এটা ঘটেছে। ব্রিটেনে বিবাহের হার মাত্র ৫.১ শতাংশ। ফ্রান্সে ৪.১ শতাংশ। (প্রথম আলো-০২.১২.০৬) প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি প্রেমলীলা কি চমৎকারই না দেখা গেল। এই যদি হয় দেশের প্রেসিডেন্টের অবস্থা , তাহলে ফ্রান্সের যুবক-যুবতি কোন যে কি দশায় আছে তা সহজেই অনুমেয় । এবার কিছুটা সন্ত্রাসের খন্ডচিত্র প্রকাশ করা হোক। যেহেতু সন্ত্রাস মানেই মুসলমান তা আমেরিকান ও ইসরাইল মিডিয়াগুলো ফলাও করে প্রচার করে। ভার্জিনিয়ার টেক বিশ্ববিদ্যলয়ে ৩৩ জন ছাত্রকে হত্যা করে মানসিকভাবে বিকারগ্রস্থ এক সন্ত্রাসী (সংবাদ-১৮.০৪.০৭)। ১৯৬৬ সালে একই স্থানে ১৫ জনকে হত্যা করা হয় । আমেরিকায় প্রতি বছর গড়ে ৩০ হাজার লোক নিহত হয়। এখানে ৪০ শতাংশ লোক অস্ত্র বহনকারী। (অধ্যাপক জাফর ইকবালের কলামথেকে প্রথম আলোয় প্রকাশিত-১৯.০৪.০৭) মিসৌরী রাজ্যে কানসাল শহরে শপিং মলে ৩ জন কে গুলি করে হত্যা করা হয় (যূগান্তর-০১.০৫.০৭)। এই হত্যাকান্ডের কয়েকমাসে একই রাজ্যে এক গীর্জায় ৩ জনকে হত্যা করা হয় (সমকাল-১৪.০৮.০৭)। আবার ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে শপিং মলে হত্যা করা হয় ৩ জনকে। মাঝে মধ্যে বোমার হুমকি দেয় স্কুল ছাত্ররা কারন অত্যাধিক ভায়োলেন্সপূর্ণ ছবি দেখ ছাত্ররা (যূগান্তর-২৫.০৫.০৭) । ইরাকে শিশু ধর্ষনের দায়ে এক মার্কিন সেনাকে ১০০ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয় (প্রথম আলো২৪.০২.০৭)। এক মার্কিন নৌসেনা গ্রেফতার করা হয় জাপানীজ এক মহিলার উপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগে (নয়াদিগন্ত-১৯.১২.০৭)। মার্কিন ক্যাথলিক বিশপকে ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। বুশের সাবেক উপদেষ্টাকে চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। রবার্ট চার্লস নামক সন্ত্রাসী ৪৮ জনকে হত্যা করে । আরো ৬ জন ছাত্র সন্ত্রাসী কতৃক নিহত। (মানব জমিন-২৯.০৭.০৭)। আমেরিকার উগ্র পররাষ্ট্র নীতি বিশ্বব্যাপী অশান্তি সৃষ্টি করছে। এটা আমেরিকার জনগণের মাধ্যমে সুস্পষ্ট হয়ে গেছে।একটি যুদ্ধবিরোধী মিছিলে শ্লোগানে ছিল এরকম-“শিক্ষার জন্য অর্থ যুদ্ধের জন্য নয়।” এবার আসুন আরো কিছু উন্নত সভ্যতার চিত্র উন্মোচন করি। যুক্তরাজ্য সভ্যতা। এখানেও ঘুষ থেমে নেই । গত সরকারের আমলে ব্রিটিশ সাংস্কৃতি মন্ত্রী তার স্বামীকে ঘুষ গ্রহণের কারনে তালাক দেন। মেক্সিকোতে প্রতি বছর ১ লাখ ২০ হাজার নারী ধর্ষিত হয় (আজকের কাজ-০৯.০৩.০৬)। ব্রিটেনে এক গবেষণায় দেখা গেছে ১৬ বছরের মেয়েদের এক তৃতীয়াংশই ধুমপায়ী। তারা মনে করে ধূমপান তাদের ওজন কমাবে (আজকের কাগজ-২৪.১০.০৪)। ব্রিটেনে ২০০৫ সালের এক জরীপে দেখা গেছে অনুর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে ৭৪৬৪ জন। তাদের মধ্যে অনেকের বয়স ১৩ বছর। ঔ সব কিশোরীর মধ্যে প্রতি ১০ জনে ৬ জন গর্ভপাত ঘটায়। নটিংহাম ইউনিভার্সিটির বিজনেস স্কুলের একদল গবেষক এ গবেষণা কর্মটি চালান। (দৈনিক মানবজমিন-২৪.০২.০৭)। ইংল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিছিদ্র হলেও-কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পর পর কয়েকবার ব্যাংক ডাকাতি হয়েছে। এবার অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী আরেক দেশ চীন এর প্রতি নজর দেওয়া যাক। ধনী-গরীব ব্যবধান দূর করে সাম্যবাদী বা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে মাও সেতুং এর নেতৃত্ত্বে চীনে একটি নতুন রাষ্ট্র গঠিত হয়। বর্তমানে এর দেশের অবস্থা কি তা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। যে অঙ্গীকার নিয়ে দেশটিতে বিপ্লব হয়েছিল তা সম্পূর্ণরুপে ভেঙ্গে পড়েছে। সম্পদের কেদ্রমূখী প্রবনতা অর্থাৎ পুজিবাদীদের হস্তগত হওয়ার কারণে ধনী- গরীব ব্যবধান মারাত্মকভাবে বেড়ে চলেছে। সাথে সাথে বেড়ে যাচ্ছে বেকারত্ব। যায়যায় দিন চীন কে নিয়ে একটি বিরাট প্রতিবেদন ছাপে তাতে দেখার হয়েছে সেখানে সেক্স স্ক্যান্ডাল আশংকাজনকহারে বাড়ছে । আর এই ধরনের অপকর্মে সরকারী আমলারাই বেশি জড়িত। অবাধ যৌনাচারের ফলে ক্রমাগত ঘাতকব্যাধী বৃদ্ধি পাচ্ছে। চীনে এই ব্যাধীতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৮৩ হাজার। এখানে মোট নারীর সংখ্যা ৬৩ কোটি যার মধ্যে ১২ লাখ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত। (প্রথম আলো-২৩.০১.০৮)। এই ব্যাধিতে প্রতি বছর মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে ৪০ হাজার । বাড়ছে তালাকের হার । গত বছর বিয়ে ভেঙ্গেছে ১৪ লাখ। অথচ সত্তরের দশকে তালাক হয় মাত্র মাত্র ৩ লাখ ৪১ হাজার (নয়াদিগন্ত-২৮.০১.০৮)। দুর্নীতির দায়ে খাদ্য ও ঔষধ বিভাগের এক প্রশাসককে ফাঁসি দেওয়া হয় (প্রথম আলো-০১.০৬.০৭)। জনসংখ্যা কমানোর জন্য এক সন্তান নীতি কার্যকর হচ্ছে না এখানে । কারন এই নীতি সরকারী আমলারাই বেশি ভঙ্গ করছে। অনেকে চারটি বিয়ে করে চারটিসন্তান নিচ্ছে। কেউবা আবার জরিমানা দিয়েও অধিক সন্তান নিচ্ছে (প্রথম আলো-১২.০৭.০৭)। চীনে যে অপরাধ মাথাচাড়া উঠেছে তা হল সাইবার ক্রাইম-অর্থাৎ পর্ণগ্রাফী। এবছর (২০০৮) এই অপরাধে ৮ হাজার জনকে গ্রেফতার করা হয়। ৪৪ হাজার ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। গত একই অপরাধে ৮১১ জনকে গ্রেফতার এবং ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার পর্ণসাইট বন্ধ করে দেওয়া হয় (তথ্যসূত্র ঃ বিবিসি)। জাপান বিশ্বের আরেকটি অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশ । এই দেশটিও বিপর্যয়ের বাইরে নেই। আত্মহত্যার ক্ষেত্রে বিশ্বখ্যাতি অর্জন করেছে দেশটি। মানসিকভাবে হতাশা ও বিষন্নতার কারনে দলবদ্ধভাবে আত্মহত্যার খবর মাঝে মধ্যে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ২০০৬ সালে ৩০ হাজার জন আত্মহত্যা করে (প্রথম আলো-১১.০৮.০৭)। অর্থনেতিক স্বনির্ভরতা তাদের কে সুখ দিতে পারেনি। পারেনি সন্ত্রাস বন্ধ করতে। কয়েকদিন আগে নাগাসাকি শহরের মেয়রকে গুলি করে হত্যা করা হয়। স্ত্রীর হাতে স্বামী , সন্তানের হাতে মায়ের খুনের ঘটানাও ঘটেছে দেশটিতে(সংবাদ-১০.০৫.০৭)। শিশু নির্যাতনও থেমে নেই। ২০০৭ সালে এখানে শিশু নির্যাতনের সংখ্যা ১৫৭ জন এর মধ্যে মারা গেছে ১৮ জন প্রথম (আলো-১১.০৮.০৭)। এবার বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন চিকিৎসা কেন্দ্র সিঙ্গাপুরের দিকে দৃষ্টি ফেরানো যাক। দেশটির আয়তন খুবই কম। জনগন মাত্র ৪০ লাখ। এর মধ্যে ৩০৬০ জনই এইডস আক্রান্ত। এ প্রধান কারন নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা। (যায়যায়দিন-১৬.০৬.০৭)। ভারতও এই মরনব্যাধী হতে পিছিয়ে নেই। পাশ্চত্য ভাবধারায় ভোগবাদী দর্শনে জীবনযাত্রা এর প্রধান কারন। বাড়ছে নারী পুরুষের আনুপাতিক বৈষম্য। বর্তমানে নারীঃপুরুষ=১০৫০ঃ৯২৭। প্রযুক্তি ব্যাবস্থার কল্যানে জেন্ডার সনাক্ত করেই পূর্বেই হত্যা করা ভ্রূন। গত দুই দশকে ভারতে ১০ মিলিয়ন ভ্রূন হত্যা করা হয়। নয়াদিল্লিকে বলা হয় অপরাধের নগরী (প্রথমআলো-০১.০১.০৮)। ধর্ষনের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে শহরটি। এই হল বিশ্বব্যাপী উন্নত দেশগুলোর চ্ত্রি। দেশগুলোর প্রত্যেকটিই অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর। অর্থতৈকভাবে সমৃদ্ধশালী হওয়া সত্ত্বেও অপরাধ দমনে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে । এই সব দেশের উদাহরন দিয়ে মানবতাকে জাস্টিফাই করা কোন ক্রমেই সঠিক বলে বিবেচিত হতে পারেনা। এখন ভাববার বিষয় অর্থনৈকিতভাবে সমৃদ্ধশালী এই সকল দেশগুলো কেন পারছেনা ধর্ষন , সন্ত্রাসী , ডাকাতি বন্ধ করতে। সিঙ্গাপুরের মত উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রও এইডস থেকে মুক্ত হতে পারছেনা। যে চীনে মাও দর্শন মানব সংকট নিরসনে মুক্তির দিশা নিয়ে এসেছিল তাও ব্যর্থ হয়েছে। তাহলে কেন এই বিপর্যয় দেশে দেশে ? সংকীর্ণ সমাজবাদী বা বস্তুবাদী দর্শন কি দায়ী নয়- যেখানে নৈতিক দর্শনের কোন স্থান নেই। মানবতার নৈতিক বিপর্যয় রোধে এইসব মতাদর্শ কি দিল? শুধু অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন করেই কি সকল সমস্যার সমাধান করা যায়? তাহলে কেন এইসব উন্নত দেশগুলো মহা নৈতিক বিপর্যয়ে পতিত হয়েছে ? এর উত্তর খুবই স্পষ্ট। মানবতার বিপর্যয় রোধে শুধু অর্থনৈতিক দর্শন নয়। ভোগবাদী বা বস্তুবাদী নয়। প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ দর্শন । যা মানবতাবাদী ও নৈতিক দর্শনের সমন্বয়ে রচিত। যে দর্শনে জীবনের সমস্ত বিভাগে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকবে। হবে মানবতাবোধে উজ্জীবিত যা পারবে মানুষের সকল স্তরে শান্তি আনয়ন করতে ।
৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×