কিরলিয়ান ফটোগ্রাফি
২১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৯
হতে পারে এর সহজ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা (করোনা ইফেক্ট) আছে । যদিও অতীন্দ্রিয়বাদ ও অধিবিদ্যার চর্চাকারীরা এতে 'জৈবশক্তির' (হ্যালো ইফেক্ট) প্রভাব দেখতে পাবেন।
সে যাই হোক কিরলিয়ান ফটোগ্রাফি আসলেই একটা দারুন অভিনব ফটোগ্রাফিক পদ্ধতি ।
হাই ভোল্টেজ আবেশে বস্তুর চারপাশে কী ধরনের জ্যোতির্ময় বলয় দেখা যায় সেটা সোভিয়েত অ্যামেচার উদ্ভাবক সেমিওন কিরলিয়ান ১৯৩৯ সালে প্রথম ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন ।
কিরলিয়ানের মতে এটা হচ্ছে জীবের 'লাইফ ফোর্স' বা জৈব শক্তির প্রকাশ আর বিশুদ্ধ পদার্থবিদরা অবশ্য বলেন এটা স্রেফ বস্তুর মধ্যে ইলেক্ট্রিক ইনডাক্শনের প্রভাব !!
এটা
কী ভাবে নেবেন আপনি সেটা সম্পুর্নই আপনার ব্যাপার!
প্রকাশ করা হয়েছে: এলে বেলে, যন্তর-মন্তর বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
গুড
হিজিবিজি হিজিবিজি বলেছেন:
ব্যপারটা অনেক মজার.... স্যরি তিমুর ভাই... আপনার জন্য সেই পোষ্টটা দেয়ার সময় পাচ্ছি না... কিছু প্রক্সি সার্চ করতে হবে আগে.. সেই সময়টা বের করতে পারলেই দিয়ে ফেলবো...
ভাল থাকুন।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
সাথের ফটুকটা দেখে ধোঁকা খেয়ে যাচ্ছিলাম প্রায়।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
কিরলিয়ান ফটোগ্রাফি আসলেই দারুন !
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














