আমার প্রিয় পোস্ট
- পাপবোধ সংক্রান্ত টুকিটাকি বা হেনো তেনো - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ।। মরিবার হলো তার সাধ ।। - রোবট রাজকন্যা
- অহেতুক রোমন্থন এবং একটি অনুধাবন... - দেবদারু
- প্রিয় কবিতা সংকলন (নিজের লেখা) - মানুষ
- জীবন থেকে অনেক দূরে সরে গেছি - হমপগ্র
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- দিল দরিয়ারে ----- (ভূমি) - বিষাক্ত মানুষ
- কাঠমেন্সিল - অনাহুত আগন্তুক
- ইস্নাইপস, ইউটিউব ডাউনলোডের উপায় - রন্টি চৌধুরী
- লাইলাতুল মিরাজের বিষ্ময়যাত্রা: বোঝার চেষ্টা করছি... - বিবেক সত্যি
- যদি দালাল হতে পারতাম। - বিহংগ
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২২ ( মানুষ--নির্মলেন্দু গুণ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সদ্য প্রকাশিত্ শহীদ কাদরীর একটি কবিতা - আদনান সৈয়দ
- কবি শহীদ কাদরীর ৫টি নির্বাচিত কবিতা - সফেদ ফরাজী......
- বাবা হতে পারা - প্রচেত্য
- মৃত্যুর মুখে দাঁড়ায় জানিবো, তুমি আছো আমি আছি!! - মানবী
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ১৫ (নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়--হেলাল হাফিজ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৫ (হায় চিল--জীবনানন্দ দাশ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ওহে ব্লগারগণ বৃষ্টি মানে কি? - রাজামশাই
- আকাশ লীনা-জীবনানন্দ দাশ - ২য় জীবনানন্দ
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- সবার সেরা (ছেলেবেলা) - (অ)গাণিতিক
- নিষিদ্ধ - সুলতানা শিরীন সাজি
- ফ্যাক্ট আর ফিকশনের গল্প, সাথে একটি মোরাল,সারা জীবন মনে রাখার মতো।/বিহংগ - বিহংগ
- এইসব অবেলার স্বগত আলাপ - ফারহান দাউদ
- মায়াবতী...so what বলার মুদ্রাদোষটা কি এখনো আছে তোমার? (শেষাংশ) - কতবতবকতকত
- মায়াবতী...so what বলার মুদ্রাদোষটা কি এখনো আছে তোমার? - কতবতবকতকত
- রূপাকে মনে পড়ে ( বাকি অংশ) - ফেরারী পথিক
- রূপাকে মনে পড়ে..... - ফেরারী পথিক
- কি হও তুমি ওর? - কাল্বেলা
- সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলো....আপনি কোন স্কুল? কত সনের ব্যাচ? - বকলম
- প্রিয় গান : উৎসর্গ-কনফু ও তার কঙ্কাবতীকে.. - চামেলী হাতে নিম্নমানের মানুষ
- আমি নিজেই যখন ঈশ্বর হয়ে যাই /বিহংগ। - বিহংগ
- হায় চিল - জীবনানন্দ দাশ - পিচ্চি
- রামগরুড়ের ছানা -- সুকুমার রায় - পিচ্চি
- এলিজি ফর দি মোস্ট বিউটিফুল লেডি - প্রজাপতি
- আজ আমার মন ভালো নেই (পুনঃপ্রকাশ) - নীলাঞ্জনা
- ১৭ বছর আগে যাকে ভালোবেসেছিলাম - মেহরাব শাহরিয়ার
- ছবি ব্লগ: মন ভালো, মন আলো - সন্ধ্যাবাতি
- এই লেখাটা তোমার জন্য - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
ও কে। আমি কোন কথা রাখি না, কারো কথা শুনি না। কোন সমস্যা?
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১৪
বেসিকালি আমাদের জীবনের পিছনে দৌঁড়ানো আমার কাছে অর্থহীন মনে হয়। যখন সাপেক্ষ বস্তু পুরো মহা বিশ্ব, কিংবা মহাকাল সেক্ষেত্রে ব্যাপারটা ঠিক আছে। কিন্তু আমাদের আশপাশের জগতের সাপেক্ষে যখন চিন্তা করি, তখনই ভেজালটা বাধে। যেসব জিনিসের আলটিমেইট কোন অর্থ নেই, সে জিনিসের পিছনেই ছুটতে হবে, এবং এতে আমি বাধ্য। ওকে, ছুটলাম।
কিন্তু....কিন্তু একটা সমস্যা আছে।
সেটা একান্তই আমার নেগেটিভ চিন্তাধারার ফলাফল।
এই যে আমি একা একা ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদছি, এতে আমার সময় নষ্ট হচ্ছে, স্বীকার করি। এসব মন খারাপ আসলেই কোন ফলাফল বয়ে আনে না। বিজ্ঞজনেরা আমাকে জিজ্ঞেস করে, তুমি একটা কাজ করবা, আর তার কোন ফলাফল থাকবে না, এটা ঘটা কি উচিৎ? হয়তো এর উত্তর হওয়া উচিৎ 'না'। কিন্তু আমার ইমোশন, আমার ফিলিংস এর কি কোনই মূল্য নেই? একে সংজ্ঞায়িত করা হবে সিম্পলি সময় নষ্ট বলে? এতই সহজ? আমি তো বিশ্বাস করি মানুষ শ্রেষ্ঠ তার বোধে, তার আবেগে। যাই হোক, আমার ইমোশনগুলোর মূল্য তো আমার কাছেই। আমার প্রচণ্ড কষ্টগুলো যখন কাউকে নাড়া দিতে পারে না, যখন একটু আর্দ্র কথা, একটু ভালোবাসা পাওয়ার জন্য জীবনটা দিয়ে দিতে ইচ্ছে করে, তখন সারা দুনিয়া খুঁজেও একটা মানুষ আমার পাশে পাই না। অথচ আমি যখন খুব সুখে থাকব, তখন নির্লজ্জভাবে সবাই আমার পাশে থাকতে চাইবে। আমার সঙ্গ তখন একটা প্রার্থনীয় বস্তু হয়ে দাঁড়াবে। আর ওই মানুষগুলোর দেয়া কষ্টগুলোর কারণেই যখন তথাকথিত সফলতা পাবো না, তখন তারাই আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে। ইহার নামই দুনিয়া!
তাহলে এসব করে কী লাভ? যেখানে হোল লাইফের মূল্য সম্পর্কেই আমি সন্দিহান, তারপরও আশেপাশের কতগুলো অবুঝ মানুষের জন্যও যদি ওইসব সফলতা নামক বস্তুগুলো আমার ঘরে বন্দী করতে চাই এবং ওইসব মানুষগুলোর জন্যই যদি প্রক্রিয়াটা বাধাপ্রাপ্ত হয়, তাহলে কাঁহাতক সহ্য করা যায়?
আমি তোমাদের সবাইকে ঘৃণা করি....সবাইকে। আমার কাছের মানুষগুলো আমাকে মেরে ফেলার জন্য যথেষ্ট! তোমরা...তোমরা আমার লাইফ, আমার স্বপ্নগুলো, আমার বেঁচে থাকার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি.....যাই বল, সব নষ্ট করে দিয়েছ। আমি যদি এর ভেতর থেকে বের না হয়ে আসতে পারি তো আমি তোমাদের কাউকে ক্ষমা করব না......
I HATE ALL OF YOU!
রাতমজুর বলেছেন:
মানে কি? লেখক বলেছেন: আরে ভাই, ভয় পেয়েন না। আপনাদের যে হেইট করি তা বলি নাই![]()
লেখক বলেছেন: জ্বি স্যার!
কঁাকন বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: হুমম too.
লেখক বলেছেন: লাফ দিয়ে ধরতে পারলেন না?![]()
কোলাহল বলেছেন:
হু.. ব্যাপারটা পরিস্কার হচ্ছেনা। পিছনে কিছু আছে নিশ্চয়ই।তবে শেষ কথা একটাই.......ইহার নামই দুনিয়া!
লেখক বলেছেন: ইহার নামই দুনিয়া!
ভালো আছেন?
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
"তুমি একটা কাজ করবা, আর তার কোন থাকবে না, এটা ঘটা কি উচিৎ?" - এখানে বোধহয় একটা শব্দ মিসিং। "আর তার কোন মূল্য থাকবে না," এরকম হবে কী?মাথা গরম শুনে অনুসন্ধানে নামলাম নিশীথ। মনে হয় কিছুটা আঁচ করতে পারি। তোমার সাথে আমার চিন্তার কিছু মিল আর অমিল পেলাম। আমার মনে হয় সব মানুষ দ্বীপের মত বিচ্ছিন্ন, একাকী। আমরা প্রতিনিয়ত সেতু বানিয়ে বানিয়ে যোগাযোগ তৈরি করি। এজন্য ক্লাশ ফোরে সমাজ বইতে পড়িয়েছিল: "মানুষ সামাজিক জীব।" না বলে দিলে হয়ত নিজে নিজে একদিন বুঝে যেতাম! তোমার আশেপাশের মানুষের অবস্থানে একটু নিজেকে চিন্তা করো তো! ধরে নাও তারাও একইভাবে দুঃখী, তুমি যখন সুখী থাকো তখন হয়ত তারা সেই আনন্দটা শুষে নেয় নিজেদের দুঃখের ভার কমাতে। কিংবা তোমাকে সুখী দেখে তাদের ঈর্ষা হয়। আর ঈর্ষা খুব বড় রিপু, তাই না? এভাবে ভাবলে দেখবা রাগ কমে সহানুভূতি চলে আসবে মনে।
আর আমি বিশ্বাস করি মানুষ তার বোধে, আবেগে সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যা ভাবি আমরা তা বলি না, যা বলি তা মীন করি না। যাকে মনে ঘৃণা করি তার সামনে হে হে করে হাসি, যাকে আপন ভাবি তার সাথে রূঢ় হই। এরকম হাজারো বিরূপতা আমাদের মাঝে, সেটাকে কীভাবে নিবা?
আর সবচেয়ে বড় সমস্যা তো ওটাই! আমাদের মাঝেই আলো আর অন্ধকার। ইহার নামই জীবন। এই কথাগুলো যদি তোমাকে একটু সুস্থির করে বা ভাবায় তাতেই আমি খুশি। ভাল থেকো।
লেখক বলেছেন: যা ভাবি আমরা তা বলি না, যা বলি তা মীন করি না
এটা মারাত্মক সত্য বলেছেন। কারণ এই আমিই বলছি যে আমি 'তোমাদের' ঘৃণা করি। অথচ আমি তাদেরকেই সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।
এটা চিন্তা করে আমার খারাপ লাগে যে যারা আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে বা দেয়, তাদেরকেই আমার ভালবাসতে হবে। এটা হল আমার নিয়তি। কষ্টগুলো পাবার পর তাদেরকে যদি আমি আর ভাল না বাসতাম, তাহলেই সমস্যা মিটে যেত।
অনেক ভাল লাগল আপনা কথাগুলো শুনে।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
^_^ কাছের মানুষেরা কখন ও সফলতার বাঁধা হতে পারে না । আপনার সফলতা কামনা করেই হয়তো তাদের এই নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা । এর মধ্য থেকেই , আপনার ইমোশনকে আপনি নিজের মত করে সাজিয়ে নেবেন যতখানি সম্ভব । কথা হলো, অনেক কিছুর সাথেই মানিয়ে চলার সময় এসেছে । বড় হয়েছেন না
(আসল ঘটনা না জেনেই লেকচার ঝেড়ে দিলাম
লেখক বলেছেন: সাজিয়ে নেয়ার চেষ্টাই তো করে যাচ্ছি। কিন্তু মেজাজ মাঝেমধ্যে এতই খারাপ হয়, মনে হয় দু'চারটা খুন করে ফেলি
হাহাহা।
সাজিয়ে নেয়ার জন্য একটু সহযোগিতাও তো দরকার, কী বলেন?
লেখক বলেছেন: না না!! আপনাদের বলি নি![]()
বিবেক সত্যি বলেছেন:
আপনার একান্ত নিজস্ব ইমোশনকে সাজিয়ে নিতে অন্যের সহায়তা আশা করাটা কি ঠিক ? ঠিক না .. খুন করে ফেলতে ইচ্ছা করলে মাঝে মধ্যে ২-১ টা গ্লাস ভেঙে ফেলতে পারেন
লেখক বলেছেন: ইমোশনগুলো নিজের ঠিক আছে, কিন্তু এর ক্রিয়েশনের দায় তো আমার একার না, এটাও স্বীকার করতে হবে।
আর আমার সাফল্যের ভাগ তো আমার একার থাকবে না, তাহলে আমার জন্য তারা না হয় একটু করলই!
বুদ্ধিটা ভাল, এখন দেখি কয়েকটা গ্লাস কিনে রাখতে হবে![]()
অপ্সরা বলেছেন:
আমি তোমাদের সবাইকে ঘৃণা করি....সবাইকে।ভেরিগুড, আমিও ঠিক তোমারি মত সবাইকে ঘেন্না করি।সবাইকেই। বিশেষকরে আমার আশেপাশে যারা রয়েছে আমাকে ঘিরে।আবার আমি তাদেরকেই কি করে যেন প্রচ্নর ভালোবাসি।
এটাও ফিল করি। নিজের ভেতরে এই বৈপরীত সত্তা দেখে মাঝে মাঝে নিজেই অবাক হই।
লেখক বলেছেন: এটাই সমস্যা, খালি ঘৃণা থাকলে এত কষ্ট পেতে হত না।
লেখক বলেছেন: নাকি রকেট?
পারভেজ বলেছেন:
চরমপন্থি চিন্তা ভাবনা!! যা ই করবো, ভালবাসা কিম্বা ঘৃণা দুটাই হয় এসপার নয় ওসপার! এমনটাই মনে হল পড়ে। ভাইডির মন কি বেশী খারাপ? সঙ্গে আরো দুএকজন দলে যোগ দিল মন্তব্যে বুঝা গেল। মাথা, দিল আর হৃদয় তিনটাই ঠান্ডা থাক, আমিন!!
লেখক বলেছেন: আপনার দোয়া আল্লাহ পূরণ করুক!
লেখক বলেছেন: কত কি যে হয়! আমার আসল সমস্যা আমার মাথায়। বুঝতে পারছি কিছুদিনের মধ্যেই সাইকিয়াট্রিস্ট দেখাতে হবে।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
তাড়াতাড়ি একটা মেল কর রে সোনা...কিছু কথা আছে
লেখক বলেছেন: মেইল করতে গেলে তো বলে ইনভ্যালিড অ্যাড্রেস!
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
কাউরে ধইরা বাইন্ধা পিটাও অথবা ডেক্ট্রাকটিভ কিছু কর, কাজে দিবে। এই তরিকা আমি না স্বয়ং হুমানুয় কাকু তার বিখ্যাত কোন এক নাটকে বলেছিলেন। খুব সম্ভবত বহুব্রীহি। অথবা দ্বিতীয় পন্থা। মেডিটেশন (বাট ইট ডিমান্ডস মানি)
লেখক বলেছেন: হুম...ডেস্ট্রাক্টিভ কিছু করে ফেলতে ইচ্ছে করে....সবাইকে ক্ষেপিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে।
উধাও ভাবুক বলেছেন:
হুমম..
এর জন্যও একটা মেডিটেশন আছে সেটা চর্চা কর।
আর একটা কথা মনে রাখবা, জয়ীরা কখনও থামেনা আর যারা থেমে যায় তারা জয়ী হতে পারেনা।
মানুষকে জয়ী হতে হয় পরিবারে, সমাজে সর্বোপরি নিজের কাছে। আর সেটা হতে গেলে অনেক কিছু আয়ত্তে আনতে হয়।
ভাল থাক। শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: এত সুন্দর কথার জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।
রোডায়া বলেছেন:
ঠিক কি অবস্থায় এটা লেখা বোঝা গেলো না বলে বেশি মন্তব্য করা গেলো না৷ তবে লেখার স্টাইল ভালো লেগেছে৷
লেখক বলেছেন: এসব তো প্রলাপ, বোঝার কোনই কারণ নেই।
স্টাইল ভালো লেগেছে???????
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
লেখাটা তিনবার পড়ে বুঝার চেষ্টা করলাম।মনে হলো জীবনের অর্থ নিয়ে আপনি বেশি চিন্তিত।অর্থহীন জিনসের অর্থ বুঝতে গেলেই ঝামেলা।তার চেয়ে বরং অর্থহীন জীবনকে অর্থপূন করার চেষ্টা করুন।সোনালি সুখকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে আর নীল বেদনাকে নিজের মাঝে নিয়ে নীলমনি হয়ে যান।
ধেৎ, কী বললাম নিজেই বুঝলাম না।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, জীবনের অর্থ নিয়ে আসলেই আমি অনেক চিন্তিত। আসলেই যদি অর্থহীন হয়, তাহলে এটা নিয়ে আড়ম্বর করার তো মানে হয় না। আর যদি অর্থ থেকেই থাকে, তাহলে এভাবে সময় নষ্ট করার জন্য আমার কপালে খারাবি আছে।
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কোনই সমস্যা নাই.....
মুনিয়া বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: হুমম too.
আর কিছু বলা গেল না?
চাঁদের বুড়ি বলেছেন:
অকৃতজ্ঞতাবোধের জন্য এমনটা হয়। কী পেলে তা না ভেবে কী দিলে তা নিয়ে ভাবা যায় না? একটু মাথা ঠাণ্ডা করে ভেবে দেখ তোমার জন্য কাছের মানুষেরা কত ভাবে! তুমি তাদের কতটা নিশ্চিন্ত করেছ??
/আমি যখন খুব সুখে থাকব, তখন নির্লজ্জভাবে সবাই আমার পাশে থাকতে চাইবে। আমার সঙ্গ তখন একটা প্রার্থনীয় বস্তু হয়ে দাঁড়াবে। আর ওই মানুষগুলোর দেয়া কষ্টগুলোর কারণেই যখন তথাকথিত সফলতা পাবো না, তখন তারাই আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে।/
...................................তুমি বলেছ।
তাই আমিও বলছি, সব মানুষই তাই করে। তুমিও তাই করবে বড় হলে। পৃথিবীর বাস্তবতা এটাই।
সত্যি বলতে কি, এখন তুমি আছ আপনজন পরিবেষ্টিত জায়গায়। কঠিন কিছু ফেস কর নি। এখন কেই তোমাকে ছুড়ে ফেলার চিন্তাও করে না। আল্লাহ না করুন, যখন এমন পরিস্থিতিতে পড়বে তখন বুঝবে যারা আসলেই কল্যাণকামী ছিল তাদেরকে কত ভুল বুঝেছ!!
শেষে বলব, মিথ্যে করে হলেও যদি বল /আই লাভ অল অব ইউ/ তাও তোমার উপকার করবে।
লেখক বলেছেন: যেটা বোঝ না, যেটা জানো না, সেটা নিয়ে কথা না বলাই কি ভাল নয়?
লেখক বলেছেন: এইবার দিলাম।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
বাদল ধারা,
আশা করি এবং মনে প্রানে চাই মেঘ কেটে যাক অচিরেই...
আলোকিত হয়ে উঠুক চারপাশ।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আপনার শুভকামনা পূর্ণ হোক।
অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা!
লেখক বলেছেন: আরে ভাই....আমি তো একাই লাফায় বেড়াচ্ছি। আমার সাথে তো কেউ লাগতে আসছে না। একা একা ব্যাটলফিল্ড বানায় কেমনে?
মানুষ বলেছেন:
ওম শান্তি!
লেখক বলেছেন: ওম শান্তি!!
লেখক বলেছেন: উনি আসলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় রত একজন![]()
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
অথচ আমি যখন খুব সুখে থাকব, তখন নির্লজ্জভাবে সবাই আমার পাশে থাকতে চাইবে.................এমন একটা স্বার্থপর ধারণা মাথায় আনাটা নিজের জন্য আমি পাপ মনে করি। আশা-স্বপ্ন শূণ্য জীবনে অপ্রাপ্তির বেদনা-দাহ নেই, এটা জানেন তো?একটু ভালোবাসা পাওয়ার জন্য জীবনটা দিয়ে দিতে ইচ্ছে করে, তখন সারা দুনিয়া খুঁজেও একটা মানুষ আমার পাশে পাই না।........আবারও নিজের সুখের জন্য আকুতি, এতে কেবল কষ্ট আর হা হুতাশই বাড়বে। যে করে হোক নিজেকে ভুলে থাকার চেষ্টা করুন।
আর ২৪ বছর পরে আমি ৫০ বছরের বৃদ্ধ, মাথার ভিতর একটা ন্যায্যা অগ্রিম চিন্তা বাসা বাধে। সেদিন মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে এক সহপাঠীর বাবা হার্ট এটাকে মারা গেলেন। আম্রিকা প্রবাসী ছোট ভাই দেশে জিএফ রেখে গিয়েছে, দু বছর বাদে ফিরে এসেই বিয়ে করবে। মানুষ আমাকে বাইরে বাইরে "মানসিক রোগী, নপুংশক" বিবিধ গাল বাক্য শোনায়।
সমাজের লোকাচারের সাথে মিশে গড্ডালিকায় গা ভাসিয়ে হারিয়ে যাবার চেয়ে কষ্ট করে হলেও সমাজের বিরুদ্ধ স্রোতে "অদ্বিতীয় অস্তিত্ব" নিয়ে দাড়িয়ে থাকার বদ অভ্যেস আছে আমার।শত মানুষের ভীড়ে আমার অস্তিত্বকে এক পলকেই আলাদা করা গেলে বেচে থাকার সার্থকতা জেনে মরতে পারব।
এর বাইরে ভালবাসার বন্ধন, ঘর সংসার, সঙ্গিনী,সুখ-শান্তির পিছে দৌড়ে অথবা এদের মাঝে থেকে 'মানুষ ' হিসেবে বেচে থাকার মৌলিক অধিকার ও অনুভূতিগুলো থেকে বঞ্চিত হতে চাইনা।
স্বজাতি দুপেয়ে জীবদের আমি ভীষণ অবিশ্বাস করি, এড়িয়ে চলি তাদের সমাবেশ সবসময়, অপছন্দ করি ভীষণ, করুণা হয় তাদের অন্ধত্ব ও লোকাচারের দাসত্ব করতে দেখে। কিন্তু নিজের স্বার্থ উদ্ধার বা নিজের স্বপ্ন-অধিকার আদায়-পূরণ হল না বলে ঘৃণা করিনা কখনও।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলোর মধ্যে একটা জিনিস খুব ভালো লাগল। যতদিন বাঁচব, একজন অদ্বিতীয় মানুষ হিসেবে বাঁচব।
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কিন্তু সমস্যা হল ও তো নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে বলে নি। আমি যেসব কথা বলেছি সেসব কথা somehow ওর গায়ে লেগে যাচ্ছে বলেই ওর এত মাথাব্যথা। নইলে আমি কোন জাহান্নামে গেলাম তাতে ওর কিছু আসে যায় না।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
বুঝলাম, চাঁদের বুড়ি আপনার বোন... আচ্ছা, আপনি বিভিন্ন কারনে খুব রেগে আছেন, যাই হোক, রাগ কমুক.. আপাতত সেই দোয়া করি..
লেখক বলেছেন: হুমম.... তিনি আমার বোন বটে।
আসলেই রাগটা কমানো জরুরি। কারণ রাগ থাকতে থাকতে এমন সব কাজ করে ফেলছি যে রাগ কমার পরও খুব ভুগতে হবে। স্বাভাবিকতায় ফিরে আসা কঠিন হয়ে যাবে। মোটামুটি একটা চক্রে পড়ে গেছি। জানি না কী হবে।
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন:
অনেক কষ্টে আছেন দেখছি, দুনিয়া কি সেটা বোঝা খুব সহজ না, প্রিয় মানুষদের পেলে, মিলেমিশে একটা কিছু করতে পারলে অনেক সময় কেটে যায়, এর পর আর কি? অস্থিরতা একেবারে কাটানো সম্ভব না। নো গ্যারান্টি। ভালো লেখা হয়েছে।
লেখক বলেছেন: এরপর আর যদি কিছু নাই থাকে, তাহলে এতটুকু সময় ভালো কাটানোর কী মানে?
আর প্রিয় মানুষরাই তো আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়......
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ!
দারুণ হয়েছে
কেমন আছো ? দেরিতে ৩ আগস্টের শুভেচ্ছা(দিবসটা চেপে গেলাম , এত লেইটে বলছি
লেখক বলেছেন: সময়ের বর্গের সমানুপাতিক হারে আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কাল রাতে একজন বলেছে "এভাবে চলতে থাকলে তুমি তো শিগগিরই সাইকো হয়ে যাবা।" আমি বললাম, "সেটা আমি ভালোই বুঝতে পারছি।"
.............এরকম আছি।
শুভেচ্ছার জন্য অনেক অনেক থ্যাংকস! আসলেই ভালো লাগছে।
কোলাহল বলেছেন:
কারো কথা শোনার দরকার নেই, বলতে থাকবেন, শুধু বলতেই থাকবেন।
লেখক বলেছেন: হুম...বলতে থাকব, বলতেই থাকব। কিন্তু আপনাদেন কান ঝালাপালা হলে আমি কোন ধরনের দায় দায়িত্ব নিতে পারব না।![]()
সেই তাকে আমার পক্ষ থেকেও থ্যাংকস
লেখক বলেছেন: ভাল ছিলাম ঘণ্টা দুয়েকের জন্য। তারপর যেই লাউ, সেই কদু।![]()
তবে আপনার পক্ষ থেকে থ্যাংকস পেয়ে সে কি, আমারই খুব ভালো লাগছে![]()
জগতের সবাই যদি আপনাদের মত ভাল হত!!![]()
নিলা বলেছেন:
এই টাইপের একটা বিশাল লেখা দিয়েছিলাম আমিও। এখন ড্রাফটে রেখে দিয়েছি। মাঝে মাঝে সব কিছু/সবাইকেই অসহ্য লাগে। লেখাটা প্রিয়তে রেখে দিলাম।
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: আমাকে আপু তুমি আপনি করে বলছ কেন??????
লেখা প্রিয়তে নেয়ার জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা!
রাহা বলেছেন:
ব্যাপার না... সবে তো ১৮ হলো ...
লেখক বলেছেন: মানে কি? এরকম দেখতে দেখতে একসময় অভ্যস্ত হয়ে যাবো?
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
রাতমজুর বলেছেন:
মাথা ঠান্ডা হৈছে?
লেখক বলেছেন: আরে ভাই, আগ্নেয়গিরির উপর দাঁড়ায় আসি, অগ্ন্যুৎপাত থামলে মাথা ঠাণ্ডা, শুরু হলে আবার গরম। আজ মাথা ঠাণ্ডা করার জন্য সারা রাত ব্লগে বসে আছি। আর আব্বু আম্মু ভাবসে, আমার মাথার পোকার জন্য আমি সারা রাত জেগে আছি।
বিরাট ক্যাচাল!
রাতমজুর বলেছেন:
আগ্নেয়গিরিরে মাইনাস। মাথা বেশি গরম হৈলে হয় ডিপফ্রিজে মাথা ঢুকায়া বইসা থাকেন, নাইলে আমার মত ডিজনীর মুভি দ্যাখেন। লেখক বলেছেন: ami idaning cartoon network er 'just for laugh' na ki jeno ekta show dekhi r daat kalay kalay haasi.![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: হাচা কতা!!
লেখক বলেছেন: বাহ!! আমাকে এককালে বিড়াল বলা হত!!
রাতমজুর বলেছেন:
বলেন কি!!! কেন!!!
লেখক বলেছেন: আমার স্বভাব বলে বিড়ালের মত (ছিল)।
রাতমজুর বলেছেন:
বলেন কি??!!! কামড়াইতেন নাকি ভাই? নাকি আঁচড় দিতেন?
লেখক বলেছেন: দূর মিয়া! আমার স্বভাব ছিল পোষা বিড়ালের মত....অলস আর আরামপ্রিয়![]()
আমাকে বিড়াল ১৯৯০ এর মার্চ মাসে হালকা করে একটু খামচে দিয়েছিল , মানে তোমার জন্মের আগের ঘটনা ।
তারপর বছরখানে বিড়ালকে বাঘ মনে হতো । পরে দেখলাম যে বিড়াল আসলে বিড়াল , ভয়ের কিছু নাই
লেখক বলেছেন: হা হা হা!!![]()
আপনি খালি ৯০ সালের কথা বলেন, শুনেই মনে পড়ে যায় আমার বয়স আসলে কত কম![]()
লেখক বলেছেন: বিড়াল আসলে বাঘ না, বিড়াল আসলে মুনা![]()
রাতমজুর বলেছেন:
হা হা হা, পুষি-ক্যাট!!! নাকি থান্ডার ক্যাটসদের কেউ?
লেখক বলেছেন: পুষি ক্যাট!!
লেখক বলেছেন: ![]()
কোলাহল বলেছেন:
কান ঝালাপালা হবার সম্ভাবনা নেই। কানে ফিল্টার আছে। ক্যাটাগরি ১৮ পর্যন্ত স্পেশাল প















