১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দালালী করায় স্বাধীনতা পরবর্তী কালে দালাল আইনে বিচার হয় আবুল কালাম মোঃ ইউসুফের।
সংশ্লিস্ট দলীলে দেখা যায়একাত্তর সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সমর্থনে ডা. মালেকের মন্ত্রীসভায় বর্তমান জামাতের দুই জন সদস্য ছিল ।এদের একজন এই রাজাকার ইউসুফ ছিল রাজস্ব মন্ত্রী । অন্য জন সাবেক ভারপ্রাপ্ত আমির আব্বাস আলী খান ছিল শিক্ষা মন্ত্রী । আব্বাস আলী খান মারা গেছে ।
মুক্তিযুদ্ধের পর এরা দুজনি গ্রেপ্তার হয় । এবং দালাল আইনে যাবৎজীবন কারাদন্ড হয় ।গত মার্চ মাসে ইউসুফ প্রথম আলোকে বলেছিল ,''গ্রেফতার ও বিচার সম্পর্কে তার কিছুই মনে নাই '!!!!!!!!!
মালেক মন্ত্রীসভার সদস্য খেলাফত মজলিশের একাংশের চেয়ারম্যন মোহাম্মদ ইসহাক প্রথম আলোকে বলেছে,'স্বাধীনতার পর মালেক মন্ত্রীসভার সব সদস্যকে গ্রেফতার করা হয় । আদালত তাকে (ইসহাক) ও কারাদন্ড দেন ।ইসহাক আরো জানায় ,'' তার মামলার রায়ের কয়েকদি আগে জামাতের ভারপ্রপ্ত আমীর ইউসুফকেও যাবৎজীবন কারাদন্ড দেন আদালত ।১৯৭২ সালের ১৭ ডিসেম্বরের পত্রিকায় সে সংবাদ ছাপা হয় । বাংলার বানীর শিরোনাম ছিল করাদন্ড'''দালাল মন্ত্রীর যাবৎজীবন কারাদন্ড '।
মুক্তিযুদ্ধবিষায়ক গবেষক এস এম আরেফিন প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন,জামাতের ভারপ্রাপ্ত আমির এ কে এম ইউসুফই সেই ব্যাক্তি। আরেফিন আরো জানান , মালেক মন্ত্রীসভার সব সদস্যরই মুক্তিযুদ্ধের পর যাবৎজীবন কারাদন্ড হয়েছিল ।
সৌজন্যে প্রথম আলো

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

