নির্বাচনের এই ফলাফল আগামী জাতীয় নির্বাচন এবং ভবিষ্যতে দেশের জন্য এক বিরাট সংকট তৈরী করবে ।বিএনপি তথা তাদের জোট সরাসরি নির্বাচনে অংশ না নিলেও বিএনপি নেতারা সবকটা আসনেই প্রতিদন্ধীতা করে এবং বিপুল ভোটে হেরে যায় । কোথাও সামান্য প্রতিদন্ধীতা ও গড়ে তুলতে পারেনি । যা পেরেছে বরিশালে নতুন দল পিডিপি ।
এতেই প্রমানীত হয় গত জোট সরকারের দুঃশাষন ,দূর্নীতি ,দলীয়করন,রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্যাতনের কথা গত দুই বছরেও মানুষ এখনো ভূলেনি ।তাই প্রথম সুযোগেই জনগন তার প্রতিফলন ঘটিয়েছে ব্যালটের মাধ্যমে । যদিও এই ফলাফল আওয়ামীলীগ তাদের দলীয় জনপ্রিয়তা দিয়ে পেয়েছে মনে করার কোন কারন নাই ।এই প্রাপ্ত ভোট মুলতঃ তাদের প্রতি সহানুভুতির ভোট হিসেবে এসেছে। ভোটাররা ২০০১ সালে বিএনপি জামাত জোটকে ভোট দিয়ে যে অনাচার দুর্নীতি আর দুঃশাষন পেয়েছে এটা তার থেকে বাহির হওয়ার চেষ্টা মাত্র ।
যদিও চার দলীয় জোট সরাসরি এই নির্বাচনের মাঠে ছিলনা । গোপনে নিজেদের প্রাথীদের সমর্থন দিয়ে দেখতে চেয়েছে তাদের মাঠের কি অবস্হা । তা তারা ভালো ভাবেই টের পেয়েছে ।
এর পর ও বিএনপি এই গরু হারা হারার জন্য আগামী নির্বাচে যাবে এটা ভাবা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় ।
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি যদি অংশ না নেয় তা হলে ঐ নির্বাচনকে এক তরফা নির্বাচন বলে মনে করা হবে । তখন নির্বাচন নিয়ে একটা সংকট তৈরী হবে যা ভবিষ্যত বাংলাদেশের জন্য খুব একটা সুখকর হবে বলে আমার মনে হয় না।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



