আমার প্রিয় পোস্ট

সামনে আছে অনেক কি ছু, দেখতে চাই আর ও কিছু

শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক ত্যানা প্যাঁচানো ..........।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

শেয়ারঃ
0 0 0

বিডিআর সদরের নির্মম হত্যাকান্ডে যখন বাংলাদেশ সহ বিশ্ববাসি শোকাহত তখনও আমাদের রাজনৈতিক ত্যানা প্যাঁচানো স্বভাব থেকে বেরিয়ে আসতে পারলাম না আমরা । পুরা দুইদিন চুপ থাকার পর বিদ্রোহীরা আত্বসমার্পনের পর বিরুধীদলীয় নেত্রী হঠাৎ বলে উঠলেন ,'' সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করা ছিলো সরকারের কৌশলগত বিরাট ভূল''।
দুই দিন ধরে তিনি বা তার দলের পক্ষ থেকে একটা বিবৃতিও দেশবাসি পায়নি এই সংকটময় মুহুর্তে ।যা একটা রজনৈতিক দল হিসাবে সবাইকে হতাশ করেছে ।

যে কোন বিষয়েই সরকারের কড়া সমালোচনা কারি বিএনপির মহাসচিব পবনের বাপ ও পুরা বোবা হয়ে ছিলেন দুই দিন । অথচ এখন সিএমএইচ এ আহতদের দেখার প্রতিযোগিতা, আহত নিহতদের পরিবারজনকে সমবেদনা আর মিডিয়ায় কথার ফুলজুড়ি করে চলছেন তারা ।

ব্লগেও পিছিয়ে নেই ।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
বিবর্তনবাদী বলেছেন: কিছুদিন এমন অনেক ত্যানাই প্যাচাবে। আর্মি ভেতরে ভেতরে তাদের প্রতিশোধ নিয়ে নিবে। কিছুদিন পর আমরা মাতামাতির অন্য ঘটনা পাব এবং মাতব।

২০১০ এর ২৫ ফেব্রুয়ারিতে পোস্ট আসবে, এই সেই ২৫ ফেব্রুয়ারি।

অতঃপর, ভবিষ্যতের অন্য কোন এক বিদ্রোহে আমরা কমেন্ট করব, "২০০৯ এর ২৫ ফেব্রুয়ারির ঘটনার কি হল? সেটার যথাযথ তদন্ত হলে এই ঘটনা হত না"।

ইতি।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা দুঃখজনক । আমরা বোধ হয় এমনই থেকে যাব সব সময় ।

২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: যার কাজ সে করুক, রাজনীতিকদের কাজ তারা করুক, এই ঘৃণ্য-নৃশংস-বর্বর খুনের ঘটনায় বর্বর খুনীদের কোনো ক্ষমা নেই।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: যার কাজ সে করুক, রাজনীতিকদের কাজ তারা করুক>

এটা রাজনৈতিকদের কাজ হওয়া উচিত নয় ।আমরা তাদের কাছে আরও ভালো কিছু চাই । অন্তত ১/১১এরপর পরিবর্তন আসবে এমনটাই প্রত্যাশিত ছিলো ।

৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
নামহীনা বলেছেন: তাইলে কন মাইনাচ ২ ফর্মুলায় কি এমন খারাপ হইতো? আর বিএম্পি যে কাজ করলো আম্লীগ ও এই একই কাজ করতো যদি তারা বিরোধী দল এ থাকতো।

[আমার ব্যক্তিগত মতামত।]
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৭

লেখক বলেছেন: আপনার মতামতের সাথে আমিও কিছুটা একমত ।

৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৬
জুয়েল রানা বলেছেন: লগে নিজেগো সব লোকজনরে দিয়া নানান গুজব রটাইতেছে। সেনাবাহিনীর ভিতরের বোবা কান্নারে 'ব্যাপক অসন্তোষ, যেকোন মুহূর্তে শুরু হইলো' বইলা রটাইতেছেন।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তের কারনে আমরা আরও ভয়াবহ অনাকাঙ্খিত ঘটনার থেকে রক্ষা পেলেও কারো মনে এখনো জ্বালা রয়ে গেছে ......

৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৭
উন্মোচক বলেছেন: বিরোধীদল সরকারের সমালোচনা করতেই পারে। তবে সমালোচনার পেছনে যুক্তি দেখাতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার ব্যাপারে সমালোচনা করলেও তার যুক্তি দেখান নি। যা অবশ্যই নিন্দনীয়।

তবে শেখ হাসিনাও খুব ভালো মানসিকতার পরিচয় দিতে পারেন নি। পৃথিবীর অন্যদেশে এমন সহিংসতা ঘটলে তারা সেই ঘটনার জন্যে সন্দেহের প্রথম আঙুল তুলে থাকে প্রতিবেশী শত্রু দেশের দিকে। অথচ আমাদের দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো, এখানে আমরা এমন সহিংসতার জন্য দায়ী করি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে।

বিরোধীদলীয় নেত্রী যদিও এর দায় সরকারি দলের ওপর চাপায় নি, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর দায় চাপিয়েছেন "বিশেষ মহল"-এর ওপর। এর দ্বারা তিনি যে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেই বুঝিয়েছেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: আমাদের কোন প্রতিবেশী শত্রুদেশ নাই । আমরা সবাইকেই বন্ধু মনে করি । ভারত ,পাকিস্হান, মায়ানমার কাউকেই আমরা আমাদের শত্রু মনে করিনা ।তা হলে আমাদের আঙুলটা কি ভাবে তুলবো ।

বিশেষ মহল বলতে তিনি যে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেই বুঝিয়েছেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

তিনি যদি তাই বুঝাতেন সিএনএনের খবরের পর তো জামাতের উপর একশ্যান নেওয়ার কথা ছিলো ।তা কি নিয়েছেন ?

ঝুলটা নিজের প্লেটে টেনে না নিলে কি হয়না

৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
বন্ধনহীন বলেছেন:
বিএনপি একেবারে মতামত জানায়নি, তাতো না। সবচেয়ে বড় কথা কোন উস্কানী তো তারা দেয়নি।

সবকিছুর ব্যপারে সবাই তো একমত পোষন করে না। এর জন্যই তো গনতন্ত্র। বিএনপি "ক্ষমার" ব্যপারে তাদের মতামত প্রদান করলো। এখন জনগন বিএনপির অবস্থান বুঝার সুযোগ পাবে।

ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি হাসিনা ঠিক কাজটি করেছিলেন। তবে আমি বিশেষজ্ঞ নই। কিছুদিনের মধ্যে এটা বুঝা যাবে।

আমি মনে করি, যে কোন অন্ধ সমর্থন বা বিরোধীতা গনতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য কাম্য নয়।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: বিএনপি কি মতামত দিয়েছিলো জানাবেন কি ? আমার চোখে দুই দিন তেমন কিছুই পরেনি ।

হ্যাঁ উস্কানি দেয়নি এটা ভালো লক্ষন , কিন্তু আস্তে আস্তে খোলাস থেকে বেরিয়ে আসছে দেখেই ভয় ........।

৮. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: লেখকের বক্তব্যের সাথে একমত। আমি খুবই অবাক হয়েছি যখন সংবাদে দেখলাম খালেদা জিয়া বলেছেন, সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা ছিল সরকারের কৌশলগত ভুল। একেই বলে অকারণে বিরোধিতা বা সমালোচনা করা। যাই হোক, তারপরও এবার বিরোধীদল হিশেবে বিএনপির ভূমিকা আগের চেয়ে আশাব্যঞ্জক।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।তবে খোলাস থেকে বের হওয়া শুরু করেছে দেখেই ভয় পাচ্ছি ।

৯. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
শুভ৭৭ বলেছেন: মাঝে মাঝে মনে হয়, ১৫০ জন আর্মি অফিসার না মেরে সব দলের থেকে মোট ১৫০ জন রাজনৈতিক নেতা মেরে ফেললে শান্তি হত দেশের।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: :(:(

১০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৮
মাসুদ রানা* বলেছেন: যদি এমন হয় যে তদন্ত করে দেখা গেলো আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত এই হত্যার সাথে জড়িত। তবে কি আওয়ামীলীগ পারবে কিছু করতে। তারা নিস্চয়ই সব চেপে যাবেন তাতে আমার সন্দেহ নাই।

আসলে আমাদের একটি দেশপ্রমিক দলের প্রয়োজন। যারা শুধু দেশকে ভালোবাসবে, দেশের মানুষকে ভালোবাসবে।

অন্য একটি দেশ আমাদের দেশের বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তখন কি সরকার বলতে পারে না এর বিরুদ্ধে কিছু ? অথচ ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বললে তাদের এতো গায়ে লাগে কেনো? আমাদের দেশের বিরোধী দলটিতো আমাদেরই। আমাদের দেশের বিরোধী দলের চাইতে অন্য কোনো দেশ আমাদের কাছেতো বড় হতে পারে না।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: কথা ঠিক !!

আপনি খুশী হয়েছেন?:(

১১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১১
কালপুরুষ বলেছেন: আমরা সকলেই যার যার দৃষ্টিকোণ থেকে কথা বলছি। ঘটনা ঘটে যাবার পর অনেক কথাই বলা যায়। আসলে কী ঘটবে বা কী হতে যাচ্ছে সেটা অনুমান করা কারো পক্ষেই সম্ভব ছিলনা। যেখানে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিজেরাই চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে সেখানে সাধারণ মানুষ আর কতটুকু অনুমান করতে পারে? তবে ঘটনা যে পূর্ব পরিকল্পিত সেটা অনেক বিশেষজ্ঞেরই অভিমত। সরকার সাধারণ ঘোষনা করেছিলনে যাতে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু খুনীরা আগে থেকেই বদ্ধ পরিকর ছিল সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার ব্যাপারে। আর সেই মুহূর্তে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা না করে যদি সেনাবাহিনী অপারেশনে নামতো তবে যারা এই পরিকল্পনার সাথে জড়িত নয় তারাও মরিয়া হয়ে নিজেদের বাঁচাতে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতো। সেখানে একজন জিম্মিকেও জীবিত পাওয়া যেত কিনা সন্দেহ। কারণ ভেতরের বিদ্রোহী গ্রুপের সাথে সাধারণ জোয়ানরাও মরিয়া হয়ে উঠতো। বরং যারা বিদ্রোহী গ্রুপের কেউ নয় তাদের কারণেই হয়তো অনেকের জীবন রক্ষা পেয়েছে। সবাই যে বিদ্রোহী ছিল তাতো নয়। তবে যেহেতু এটা কোন অংকের হিসেব নয় তাই দু'য়ে দু'য়ে চার মেলানোর চেষ্টা করা বৃথা। পরিস্থিতি তখন এমন ছিল যা সরকার থেকে শুরু করে, সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষ পর্যন্ত বুঝতে পারছিলনা কী ঘটতে যাচ্ছে বা তা কতদূর গড়াতে পারে। তবে কেই কেউ যে মারা যাচ্ছেন সেটা অনেকেই নিশ্চিত ছিলেন কারণ বাইরে থেকে তেমনই মনে হচ্ছিল। সকল পর্যায়ের যাবতীয় পারমুটেশন-কম্বিনেশন দৃশ্যতঃ তখন অকার্যকর মনে হয়েছে। তাই কোন সিদ্ধান্ত সঠিক হতো আর কোন সিদ্ধান্ত সঠিক নয় এখন অবস্থাদৃষ্টে অনুমান করা গেলেও তখন তা সম্ভব ছিলনা। এটাই বাস্তবতা। আর সেই সময়ের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা বা না করার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে কী ঘটতে পারতো বা না ঘটতো তা আগাম কারো জানা ছিলনা। আমরা কেউ সাসরিক বিশেষজ্ঞ নই, আমরা অনেক কিছুই বলে দিতে পারি। বিরোধী দলের নেত্রী সামরিক অফিসারের স্ত্রী হলেও সমর বিষারদ নন। তখন বর্তমার সরকার যে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা উচ্চ পর্যায়ের সামরিক কর্তব্যক্তিদের সাথে আলোচনার মাধ্যেমেই নিয়েছেন বলে আমার বিশ্বাস। আজ কেন আমরা এসব প্রশ্ন তুলছি আমি ভেবে পাচ্ছিনা। দেশের ক্রান্তিকালে অনেকেরই সাধারণ বিচারবুদ্ধি লোপ পায় কিন্তু সবার নয়। তাই যে সব সিদ্ধান্ত এসেছে অনেক বিচারবুদ্ধির মাধ্যমেই এসেছে। তবে পরিস্থিতি যেহেতু কারো একার নিয়ন্ত্রণে ছিলনা এমন কী বিদ্রোহী গ্রুপও চিহ্নিত কোন গ্রুপ ছিলনা তাই পরিস্থিতি ট্যাকল্ করা কষ্টকর ছিল। আর এতোগুলো ব্রিলিয়ান্ট অফিসার অসহায়য়ের মতো মৃত্যু বরণ করলো অজানা কোন প্রতিহিংসা বা জিঘাংসার কারণে বা দেশের মধ্যে অরাজকতা সৃষ্টির জন্য বা দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দূর্বল করার জন্য এবং তাতে অন্য কোন বৃহৎ শক্তির ইন্ধন নেই তাই বা উড়িয়ে দেয়া যায় কিভাবে। এখন কারো কোন সমালোচনা নয় বরং উদ্ভূত পরিস্থিতিকে শান্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শস্তির ব্যবস্থা করা। এমন নজিরবিহীন ঘটনা রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমতূল্য। তাই এর সুষ্ঠ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং দেশের স্বার্থে, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে, দেশের সার্বভৌমত্বের স্বার্থে দোষী ব্যক্তিদের অবশ্যই খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরী। আমাদের উচিৎ সমালোচনা বা নানা বিতর্ক ঊর্ধে রেখে সর্বপ্রকারে এই ব্যাপারে সরকারকে সাহায্য করা। যে সব পরিবার তাদের প্রিয় স্বজন হারিয়েছেন তাঁদের পাশে এসে দাঁড়ানো। বিভ্রান্তিমূলক সকল প্রচারণা বন্ধ হওয়া উচিৎ। যে হৃদয় বিদারক ঘটনা বা পরিস্থিতি আমরা প্রত্যক্ষ করলাম সেটা শত্রুদের ছকে বাঁধা পরিকল্পনা হলেও তার বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি বা সময়োপযোগী ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে নেয়ার মতো কোন কৌশল বা কার্যকর ব্যব্স্থা কারো হাতেই ছিলনা। গোয়েন্দাদের আগাম কোন বা তথ্য কারো হাতে ছিলনা। কোন প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা ছাড়া এমন একটা ঘটনা সামাল দেয়া একটা জাতির জন্য সত্যিই কঠিন চ্যালেঞ্জ। তাই কারো প্রতি কোন দোষারোপ নয় বরং সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি ও বিচার হলেই আমাদের মনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে আসবে।

উপরের বক্তব্য একান্তই আমার নিজস্ব অভিমত। কারো পক্ষে বা বিপক্ষে আমার কোন অবস্থান নেই। এদেশের একজন নাগরিক হিসেবে নিজস্ব স্বাধীন ভাবনায় যা মনে হয়েছে তাই বললাম। এই দেশের সামান্যতম ক্ষতি আমার নিজের ক্ষতি। কারণ এই দেশকে আমি ভালবাসি। এই দেশ আমার এই দেশের মানুষও আমারই মতো একজন। আর এই দেশ ও মানুষের যারা সর্বনাশ চায় তারা আমার আপনার সকলেরই শত্রু। তাই শত্রুকে চিনতে চেষ্টা করুন। আমাদের মাঝেই হয়তো সেই মুখোশধারী শত্রু লুকিয়ে আছে কিংবা পালিয়ে আছে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে। কোন বিভ্রান্তিই যেন আমাদের ঐক্যে ফাটল ধরাতে না পারে।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে ১০০% সহমত ।

কিন্ত কিছু মানুষের কর্মকান্ড দেখে সত্যিই হতাশ।


অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।

১২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৫
আবু আব্দুল্লাহ মামুন বলেছেন: আমার মনে হয় বিডিআর জোয়ানরা অফিসারদের রাতেই মেরে ফেলছে। দিনে শুধু ফাকা গুলি ছুড়ঁছে। আর প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে যে ভাষণ দিয়েছেন , তা অনেকটাই বিলম্বে দিয়েছেন। আরো দ্রুত দেওয়া উচিত ছিল।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: সবাই তো অনুমান নির্ভর কথা বলছে ।

১৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৬
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন: পিলখানা হত্যাকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্রের অবসান হোক।
এর নেপখ্যে কারা জড়িত? সুষ্ঠু তদন্ত হোক।
১৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩০
বিডি আইডল বলেছেন: খালেদা জিয়ার ত্যানা পেচানোর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি...জাতীয় ভাবে দুইজন ত্যানা প্যাচাতে পারে না
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ছাগলআইডল

২৯ ডিসেম্বরের দুঃখ এখনো ভুলতে পার নাই ?

১৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: কালপুরুষ- ভাইয়ের সাথে পুরোপুরি একমত।
১৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২
উন্মোচক বলেছেন: এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আপনি কাদের দায়ী করতে চান?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: রোবোট বলেছেন: উন্মোচক বলেছেন: এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আপনি কাদের দায়ী করতে চান?



আপনাকে

১৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৭
রোবোট বলেছেন: ত্যানা পেচানো জিন্দাবাদ
১৮. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৭
রোবোট বলেছেন: উন্মোচক বলেছেন: এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আপনি কাদের দায়ী করতে চান?



আপনাকে :)
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: রোবোট বলেছেন: উন্মোচক বলেছেন: এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আপনি কাদের দায়ী করতে চান?



আপনাক:)

আপনাকেও :):)

১৯. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২০
অলস ছেলে বলেছেন: ভুল পথে চলছে বাংলাদেশ।


কালপুরুষ সুন্দর মন্তব্য করেছেন। কিন্তু, ঐদিন সাথে সাথে অভিযান চালালে অনেক বিডিআর সদস্য আর গুপ্তঘাতকের দল মারা যেতো, ক্ষয়ক্ষতি হতো ঠিকই, সেই সাথে দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা হতো এমন অরাজকতার শাস্তি কি হতে পারে তার।

সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত কমান্ডোরা আক্রমণ করলে নির্দোষ মানুষ মারা যেতো না এতো, অফিসাররা এত বেশী হারে লাশ হয়ে যেতো না, তাদেরকে এমনসব পরিস্থিতিতে অপারেশনের জন্যই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এখন আস্তে আস্তে জানা যাচ্ছে, অনেক অফিসারকে বিকেলে আর সন্ধ্যায় মারা হয়েছে, খুঁজে খুঁজে বের করে মারা হয়েছে, এমনসব ঘটনা ঘটতো না

অবশ্য তাতে সেনাবাহিনীর ইমেজ একেবারেই ধ্বংশ হয়ে যেতো, মিডিয়ার দায়িত্বহীন প্রচারণাই সত্য হয়ে যেতো মানুষের মনে।

এই ষড়যন্ত্রের বাস্তবায়নকারীরা কি সহজে পালিয়ে গেল তাদের কাজ সিদ্ধি করে, দেশের অনেক উঁচু পর্যায়ের সমর্থন না থাকলে এই নির্মম গণহত্যা এভাবে সফল হতো না।

খালেদা জিয়ার কথা বলছেন? শেখ হাসিনা এক্স্যাক্টলি খালেদা জিয়ার জায়গায় থাকলে প্রথম দিন থেকে চিৎকার শুরু করে দিতো, "আমি বলেছিলাম না, দেশ বাচাও?"
দেশের এই বিপর্যয়ের মধ্যেও শেখ হাসিনা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের কম চেষ্টা করছেন না, যদিও তিনি এখন পুতুল মাত্র।
০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন: আমরা সবসময় শক্তির বদলে শান্তিকে প্রাধান্য দিবো । বল প্রয়োগ করে কখনই শান্তি প্রতিস্ঠা করা যায় । এটা নিশ্চই বলার অপেক্ষা রাখে না । শুরুতেই ভেতরকার অবস্হা কাহারোই ধারনায় আসে নাই ।

সেনা প্রতি আক্রমনে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তো এতে কোন সন্দেহ নাই । সেটা কি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হতো ?


আপনি নিজেই বলেছেন ,অবশ্য তাতে সেনাবাহিনীর ইমেজ একেবারেই ধ্বংশ হয়ে যেতো, মিডিয়ার দায়িত্বহীন প্রচারণাই সত্য হয়ে যেতো মানুষের মনে।


আমার আর কিছুই বলার নাই ।

২০. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২৩
প্রগতিশীল বলেছেন:
আপনিও দেখি শেখ হাসিনার মতোই। কোন সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না।
অসহনশীলতা কি সব আওয়ামী লীগারদেরই কমন সমস্যা?
০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: আপনি এক দিকদর্শী হলে আমার কিছুই করার নাই ।


শেখ হাসিনা সমালোচনা সহ্য করতে পারেনা আপনাকে এটা কে বলল । বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ, বঙ্গবন্ধু , শেখ হাসিনারে বিরুদ্ধে যত অযৌক্তিক সমালোচনা করা হয়ে আর কোন নেতার বিরুদ্ধ তা হয়েছে কি ?

তার বিপরীতে অসহনশীল কি করেছে বলবেন কি ?


আবার আমার মাঝে কি দেখলেন ?

আপনার মন্তব্যটা কি সহনশীল?

২১. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৩৬
নির্বাক হাসান বলেছেন: আওয়ামী লীগের সমর্থকরা পড়ছে মহা জ্বালায়, কোনদিকে ছাতি ধরবে বুঝে উঠতে পারতাছে না
০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: এই সংকট শুধু আওয়ামী লীগের নয় , সমগ্র জাতির । তাই ছাতা ধরা নয় সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দুষিদের খুজে বের করতে হবে তা না হলে জাতি গভীর সংকটে পড়বে ।

এখন ত্যানা প্যাঁচানোর সময় ও নয় ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৩২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার আমি ঃ সবার সাথে চলতে চাই (জামাত-শিবির ছাড়া) । তর্ক হবে যুক্তি দিয়ে ।বিতর্ক হবে বন্ধুত্ব পূর্ন আলোচনায় ।অশ্লীল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ