আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে সরাবার জন্য মইনুল হোসেন ইত্তেফাক ভবনে খুন পর্যন্ত করিয়েছেন। সেই খুনের মামলা এখনো চলছে এবং তিনিই মূল আসামী। তারপরেও তিনি উপদেষ্টা।
তার ছেলে পাপ্পুকে তিনি ইত্তেফাকের সম্পাদক বানাতে চান। এই পাপ্পু যখন মদ ও মেয়ে নিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়তেন ইত্তেফাকের ক্রাইম রিপোর্টার জাকারিয়া মিলনের কাজ ছিল পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে আনা।
উপদেষ্টা হয়ে তিনি প্রথমে তালিকায় নাম ঢুকিয়েছেন মঞ্জুর। আনোয়ার হোসের মঞ্জু সম্প্রতি আমেরিকায় বসে এক সাাৎকারে বলেছেন, তিনি কাপড় পড়ে দেশ থেকে পালাতে পারলেও তার ভাইকে কাপড় ছাড়াই পালাতে হবে।
ইত্তেফাকে মইনুল হোসেন প্রকাশ্যে বলেন মঞ্জু তার বাপের ছেলে না। বারিধারায় যে বাড়িতে থাকেন তার প্লট এরশাদের দেওয়া। মইনুল বড় ধার্মিক সেজে উসকাচ্ছেন। নিজে ধর্মের একটি অনুশাসনও মানেন না।
রশীদ তালুকদারের কথা বলি। বঙ্গবন্ধু তখন প্রধানমন্ত্রী। একদিন তাঁর কয়েকজন ঘনিষ্ট ফটো সাংবাদিক গেলেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে। অর্থনৈতিক দুরবরাস্থা নিয়ে আলোচনার এক পর্যায় বঙ্গবন্ধু জিজ্ঞেস করলেন তিনি কি করতে পারেন। তখন সরকারের হাতে ছিল পাকিস্তানিদের ফেলে যাওয়া কয়েকটি পেট্রোল পাম্প। নিউমার্কেটের কাছের পাম্পটি তিনি দিলেন ফটো সাংবাদিক আলহাজ্ব জহিরুল ইসলামকে, এরকম করে যখন রশীদ তালুকদারের পালা এলো তখন দেখা গেলো আর কোনো পেট্রোল পাম্প নাই।
আলহাজ্ব জহিরুল এখন কোটিপতি, রশীদ তালুকদার চলতেন বেতনের টাকায়।
উদ্ভট বিড়ালের পিঠে চড়েছে স্বদেশ
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



