আমার প্রিয় পোস্ট
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স: জীবন ধবংস করে ’জীবন রহস্য’ উন্মোচনের রাজনীতি - দিনমজুর
- ঐ মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু সিস্টেমেটিক কিলিং এ মরছেন (উৎসর্গ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে) - অন্যমনস্ক শরৎ
- ডাইরেক্ট ফায়ার - কৌশিক
- আমার সেইসব প্রিয় বৃদ্ধদের জন্য - অন্যমনস্ক শরৎ
- অনিঃশেষ দেশভাগের কথকতা : সুধা কি সাদিয়ার কথা শুনছে - ফারুক ওয়াসিফ
- জরুরি পোস্ট: ইরানে অচলাবস্থা, মার্কিনের রেজিম চেঞ্জের নতুন খেলা (সংযোজিত - ফারুক ওয়াসিফ
- অনেক দিন পর বোর্হেসকে নিয়ে - রায়হান রাইন
- পুরুষ উদযাপন! - রাগ ইমন
- তোমাকে বুঝতে তত্ত্ব লাগেনা - অন্যমনস্ক শরৎ
- ইউনুসবন্দনা করি সবেঃ এক দিন বাংলাদেশে ভোর হবে। - রাসেল ( ........)
- কবিও চায় ভোগের অধিকার তবে কৌশল জানা নেই - রাসেল ( ........)
অধ্যাপক ইউনুস: প্রভুভক্তির স্বীকৃতি মিললো অবশেষে
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৪২
অবশেষে শিকে ছিড়লো। এতদিন লাগলো এটি ঘটতে সেটি বিস্ময়কর! তবে ব্যতিক্রম হয়নি এটা স্বস্তিদায়ক। গ্রামীন ব্যাংকের কর্ণধার অধ্যাপক ইউনুস নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। না পেলে তার প্রতি বিরাট অবিচার করা হতো। পুজিবাদের এক ঘোরতর দূর্দিনে তিনি পুজিবাদ কে দেখিয়েছেন নতুন আশার আলো। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শ্রম শোষণের এক নবতর পথ নির্মান করেছেন সাফল্যের সাথে। হয়ে উঠেছেন শোষকদের ত্রাতা। পুরস্কারটা পেতে একটু বেশি সময়ই লাগলো!
অনেক দিন আগে র্কাল মার্কস নামের একজন দার্শনিক একটি বৈষম্যহীন সমাজ খুজে ফেরার তাড়নায় পুজিবাদের ক্ষয়ের বেশ কিছু দিক খুজে বের করেছিলেন। শ্রম শোষনের চুড়ান্ত মাত্রায় জমে যাওয়া পুজি সংক্রান্ত সমস্যা ছিল তার মধ্যে অন্যতম। মার্কস পরবর্তীকালে এ সমস্যা নিয়ে পুজিবাদীদের মধ্যে দুটি বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত হয়ে গেছে। বাজার খোজা ও বিনিয়োগ করা নিয়ে। সমঝোতা করার জন্য বানানো হলো বিশ্বব্যাংক যাতে বড়ো ভাইরা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া ফ্যাসাদ না করে আপোষের ভিত্তিতে শোষণ-লুটপাট করতে পারে ছোটদের ওপর; তা নিশ্চিত করাই ঐ ব্যাংকের কাজ। জন্মলগ্ন থেকেই সে নিষ্ঠার সাথে পালন করছে তার ওপর অর্পিত দ্্বায়িত।্ব তারপর কতো ঘাটের জল কতো দিকে গড়ালো! অত কথা বলতে গেলে আসল কথাই বলা হবেনা।
সমসাময়িককালে পুজিবাদ আবারো যখন যুদ্ধ, বৈষম্য আর অমানবিকতার পর্বতসম ভাবমূর্তি নিয়ে প্রায় নুয়ে পড়তে যাচ্ছে, শোষণের মূল ক্ষেত্র তৃতীয় বিশ্ব নিয়ে পলিসির ক্রাইসিস কাটাচ্ছে, স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন প্রোপাগান্ডা অন্তসার শুন্য বলে প্রমানিত হয়েছে এবং ল্যাটিন আমেরিকাসহ তৃতীয় বিশ্বের মানুষ পুজিবাদের অনিবার্যতা যুদ্ধ এবং ক্ষুধা থেকে মুক্তি খুজছে তখনই আর্বিভুত হলেন একজন পয়গম্বর, ত্রাতা। যিনি চমৎকার সব মুখোশের আড়াল তৈরি করে পুজিবাদ দিলেন এক রঙীন, উজ্জল চেহারা। তার মতবাদের নাম ক্ষুদ্র ঋন। দরিদ্রের আসল পরিস্থিতির পরিবর্তন না ঘটিয়েই তার শ্রম শোষন সম্ভব হয় এই মতবাদে। সুদ আর বন্ধকীর ওাদে আটকে ফেলে পুজিবাদের মুঠোর মধ্যে পুরে নেয়া যায় নিরন্ন-অভাবী মানুষকে। সবচেয়ে বড়ো সুবিধা এই যে , এ ব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচনের কোন সুযোগ তৈরি হয়না। বাহ, এই তো চাই। যে পয়গম্বর পুজিবাদের ত্রাতা হয়ে আসলেন তিনি আমাদেরই অধ্যাপক ইউনুস।
ইউনুসের নোবেল প্রাপ্তি নিয়ে খুব আড়ম্বর হবে নি:সন্দেহে। তাতো হবেই.........
বাবু বলেন চুদির ভাই,
আমরা আল্লাদে ভেসে যাই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
অতিথি বলেছেন:
কিন্তু তাও তার অবদানটা একক হিসেবে ধরা হয়নি ।
অতিথি বলেছেন:
অনেকগুলো চরম সত্য কথার চাবুক...!
হাসিব বলেছেন:
খামোখা যা জানেন না তা নিয়ে পোস্ট করেন কিজন্য ?
হযবরল বলেছেন:
সত্য কথা একটু কটু-তিতা, কিন্তু সত্য। বাকী বিল্লাহ্ আপনাকে ধন্যবাদ।
কনফুসিয়াস বলেছেন:
ঝামেলা হইতেছে সব তিতা কথারেই কি সত্য মনে হয় আমাদের?বেশি জানি না, কিন্তু জানতে চাই। গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্্র ঋণ প্রকল্পের সাথে বন্ধকী ব্যাপারটার যোগাযোগ কতটুকু এটা কেউ একটু বিশদে বলবেন কি?
বাকী বিল্লাহ আপনারেই জিজ্ঞেস করলাম, প্রশংসা করলে কোন দায় থাকে না, কিন্তু অভিযোগ করলে সেইটা প্রমাণের একটা দায় থেকেই যায়, জানেনই তো।
অতিথি বলেছেন:
হাসিব, আপনি তো ভালোই জান্নেওয়ালা দেখতাছি। তা একটু জানান না ভাই, যে মানুষগুলান মাইক্রোক্রেডিট নামের মাল নেয় হেরা আর সেই ফ্যার থাইক্যা উঠবার পারেনা ক্যান?
পথচারী বলেছেন:
খবরটা শোনার পর এগুলোই ভাবতেছিরাম..........ভাল বলেছেন।তবুও আমরা নাচবো.অনেককাল নাচিনা যে।
অতিথি বলেছেন:
ভালো পোস্ট। মুদ্্রার অপর পিঠটাও আমাদের দেখার দরকার। তবে প্রথম পিঠটাকে আগে সম্মান করে।প্রথমত, বাংলাদেশি হিসেবে এই খবরে আমি সত্যিকারের প্রাউড ফিল করি। জাতি হিসেবে এ অর্জন অবশ্যই অনেক অনেক সম্মানের। বহিরবিশ্বের কাছে আমি কখনোই বলবো না, ড: ইউনুস দেশের মানুষকে শোষণ করছে কিনা। আসলে গরীব মানুষের গর্ব করার মত জিনিস খুব কম থাকে। আর এটা সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটা অর্জন। একে খাটো করে দেখাটা হীনমন্যতা মনে হয় আমার কাছে।
এখন মুদ্্রার অপর দিকটা হলো, অর্জনের পথে উনি কি কি খারাপ কাজ করেছেন, সেটা। কিন্তু সেটা আমাদের ইন্টারনাল ব্যাপার। আপনারা সমালোচনা করতে চাইলে খারাপ কাজগুলো তুলে ধরুন। কোনো প্রবলেম নেই।
আপেক্ষিকতার বিচারে ড: ইউনুস যত খারাপই হোন, আমাদের পলিটিশিয়ানরা দেশের যে ক্ষতি করেছে এবং করছে, উনি সেটা করেননি বলেই আমার বিশ্বাস। এর অর্থ এই না যে, উনি দেশের মানুষকে শোষণ করলে সেটাকে সাপোর্ট করছি। আমি জাস্ট আশা করি, এই অর্জনটা শুধুমাত্র পাওয়ার পয়েন্টে (কাগজে কলমে) সীমাবদ্ধ থাকবে না, দেশের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রকৃতপক্ষেই কাজে লাগবে।
অতিথি বলেছেন:
প্রথমত আমরা যতদিন নিজেদের গরীব ভাববো ততদিন আমরা গরীবই থেকে যাবো। আমাদের মনটা আগে বড় করতে হবে। তার নোবেল প্রাইজে আমরা খুশি তাই বলে তার শোষণের পলিটিক্স টা ঢেকে রাখা উচিত নয়। আর যেহেতু এখানে আমরা বাংলায় তার সম্বন্ধে আলোচনা করছি সেহেতু বহির্বিশ্বের কাছে আমাদের আপিল করার কোন প্রশ্নই উঠে না। চোর ভাই, আপনি কি চান না, বাংলা ভাষায় আমরা তার শোষক মানসিকতাটা তুলে ধরি। অন্তত আমরা বাঙ্গালিরা জানি উনি কোন পর্যায় থেকে কোন পর্যায়ে উঠেছেন কাদের বুকের উপর পা রেখে? জানতে হবে। সেই কবিতাটা মনে পড়ছে, তোমারে সেবিতে যারা পবিত্র অঙ্গে লাগালো ধুলি, তারাই মানুষ তারাই দেবতা, গাহি তাহাদের গান। তাদের ব্যথিত বক্ষে পা ফেলি আসে নব উত্থান। গরীবের ব্যথিত বক্ষ কিন্তু এখনো ব্যথিত। বিশ্বাস না হলে খোজ নিয়ে দেখুন। অজ পাড়া গ্রামে থাকি বলে আমি স্বচক্ষে তাদের ব্যথিত প্রাণের স্পর্শ পাই। হাসিব ভাইকে বলছি, আমার মনে হয় আপনি সব জানেন, তাহলে বলুন দেখি ডঃ ইউনুস প্রথম কত টাকা সুদে লাগিয়ে তার ব্যবসা শুরু করেছিল। মনে করুন এটা আপনার জন্য একটা কুইজ। আর এখন সে কত টাকার মালিক হয়ে গেছে? আগে কোন গাড়ীতে চড়তো আর এখন কোন গাড়ীতে চড়ে? তার ক্ষুদ্র ঋণের একটা কিস্তি পরিশোধ না করতে পারলে তার নিয়োজিত কমর্ী বাহিনী (?) খেটে খাওয়া দিন মজুরের উপর কেমন অত্যাচার করে গলায় পারা দিয়ে টাকা উত্তোলন করে? আপনি জানেন এসব? নাকি আপতত অন্ধ? আমি কিন্তু স্বচক্ষে দেখা এক অভাগা।
তবে তার যেটুকু প্রসংশা আমি সবখানেই করি, সেটা হলো তার পল্লী ফোন কর্মসূচী। এই একটি মাত্র কর্মসূচীতেই আমি দেখেছি এলাকার কয়েকটি যুবক এখন কিছুটা সাবলম্বি যা এদেশের বেকার যুবকদের জন্য পরম পাওয়া।
সর্বোপরি লেখাটির জন্য বাকিবিল্লাহ ভাইকে ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
ড. ইউনুস ভাল না খারাপ সেটা সম্ভবত এখানে আলোচ্য বিষয় নয়... ড. ইউনুস কি আবিষ্কার করে কি পেলেন এবং সেটা কি ভাল না খারাপ তাই মূল আলোচনার বিষয় বলেই আমার মনে হচ্ছে.... ব্যাক্তি ড.ইউনুস থেকে তার কাজগুলোর মূল্যায়ন জরুরী।বাকী বিল্লাহ'র পোষ্টের সাথে একত্মতা প্রকাশ করছি। সত্য কথা বলার সাহসের জন্য অভিনন্দন বাকী বিল্লাহ আপনাকে।
[link|http://www.somewhereinblog.net/trivuzblog/post/21527|Avwg GKwU
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
ভাল লিখেছেন।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
তাইতো বললাম আমার নিচের পোষ্টে[link|http://www.somewhereinblog.net/pothe_potheblog/post/21526#comments|
রোবট রাজকন্যা বলেছেন:
হুম..............এনটিভিতে প্রচারিত একটা সাপ্তাহিক নাটকের কথা মনে পড়ছে.... " কি পবিত্র এই শহর ".......নাটকটি তখন পুরোপুরি বুঝি নি , এখন বুঝতে পারছি ..... নাটকের নায়িকার একটি ডায়লগ ছিলো ........." মাত্র 500 টাকার জন্য আমাকে জীবন দিতে হলো ....."
হাবিবমহাজন বলেছেন:
আজকের গরম খবরঃ খবরঃ আদার ব্যাপারী জাহাজ চালনায় পুরষ্কৃত
হ।স।ন বলেছেন:
Congrats Dr. Yunus.Duita article share korlam apnader shathe.
The Micro-Credit Cult
Click This Link
Microcredit Meltdown
http://www.mises.org/story/337
ষড়ভূজ বলেছেন:
একজন দেশপ্রেমিক হিসাবে আমি এই নোেবল পুরষ্কারের নিন্দা জানাচ্ছি। কারন দেশের বারোটা বাজাতে আর বেশি দেরি নাই।
অতিথি বলেছেন:
হিসেব মতে গ্রামীন ব্যাংক ওতার সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলির মালিক ব্যাঙকের ঋণগ্রহীতারা। যে বিপুল টাকা সুদ হিসেবে এই নিরন্ন মানুষেরা দেন তার কতটুকু তাদের পুনোরাৎপাদনে কাজে লাগে সেই হিসেব কি কোনদিন দেয়া হয়েছে? গ্রামীন ফোনের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া কি? কেন বিদেশীরা এত সম্ভানাময় টেলিযোগাযোগ খাত থেকে মধ্যবিত্ত- নিম্নমধ্যবিত্তের হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেল? কেন এতকাল পরে রাস্ট্রীয় কোম্পানী টেলিটক এসেও দাড়াতে পারছেনা? কেন আজকে ইউনুস চট্টগ্রাম বন্দর মুক্ত করার দাবী জানালেন? ভুইফোড় এস এস এ কোম্পানী কে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেয়া হয়েছিল বিপুল টাকা কমিশন নিয়ে। আদালতের রায়ে তাদের ইজারা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে সরকার। দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লাভজনক এই বন্দর নিয়ে ইউনুসের আশাবাদ আমাকেও আশান্বিত করে তোলে। তবে উন্নয়ন বা দূর্নীতির অবসানের কথা না বলে তিনি যখন মুক্ত করার কথা বলেন তখন শংকাও লাগে। এস এস এ কোম্পানীর মতো অন্য কারো সাথে তার যোগাযোগ হয়েছে কিনা?বাঙালী হিসেবে আমিও আনন্দিত এই নোবেল প্রাপ্তিতে। ক্ষুদ্র ঋণ পুজিবাদের অনেক উপাদান থেকে ভালো। শুধু বলতে চাচ্ছি শংকামুক্তভাবে এই আনন্দ উদযাপনের সুযোগ আমাদের নেই।
থাকলে খুব ভালো হতো।
মুড়িওয়ালা বলেছেন:
এ্যাদ্দিন ধইরা তো সরকারের আওতাতেই আছে। কি কচুটা হইতাছে? লাভজনক বন্দরতো খালি লস দি য়া যায়। মুক্তবাজাররে গালি দেওয়াও আজকাল একধরনের ফ্যাশন। স্বমেহন জাতীয় আনন্দ পাওয়া যায়, মনে হয়।
অরূপ বলেছেন:
মুড়িওয়ালা, এইটা হইল বামহাতি স্বমেহন.. ঃ)
অতিথি বলেছেন:
মৌলবাদী, রাজাকার আর পরিত্যাক্ত কমুনিষ্টরা এত ক্ষেপলো ক্যা? এগো গোয়ায় ইউনুস সাব কবে আর ক্যামতে বাঁশ দিল?
কার্নেল বলেছেন:
আমার শৈশবের ভালোবাসা পুজিবাদ, কৈশোরের ভালোবাসাও পুজিবাদ,বর্তমানের ভালোবাসাও পুজিবাদ।















