(আমি প্রথম সামহোয়ারের খোজ পাওয়া এবং ব্লগিং শুরু করার পরে একটা সংকট দেখা দিল। তা হল, কিছু না কিছু লিখতে ইচ্ছে করে। কিন্তু লেখা তো আর গাছের পাতা না যে চাইলাম আর পাড়লাম। আবার ইচ্ছা যেহেতু করে, বসে থাকাটাও দুস্কর। এরকমই কোন এক সময়ে উপরের শিরোনামের লেখাটা পয়দা হয়েছিল। পরে আর কোনদিন কোন খোজ পড়ে নাই। আজ বসে বসে নিজের লেখায় চোখ বোলাতে বোলাতে মনে হল, খারাপ না তো লেখাটা। তবে দীর্ঘ দেড় বছরে সঙ্গত কারণেই লেখাটা কিছু পরিবর্তন দাবী করে। প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধণ করে মধ্যরাতের বদখেয়ালে এই পোস্টটা নাজিল হচ্ছে..)
এক.
ডিম আগে না মুরগী আগে জানিনা। গল্প আগে না কবিতা আগে তাও জানিনা। শুধু জানি আমরা একদল একদা আমাদের খুব জ্বর হইছিলো। জ্বরে আমাদের গাঁ খালি পোড়ে আর পোড়ে। সে এক বিরাট সর্বগ্রাসী তাপপ্রবাহরে ভাই। পুড়তে পুড়তে আকাশ আগুন,বাতাস আগুন । পুড়তে পুড়তে জমিন আগুন পাতালও আগুন। মধ্যে মধ্যে জ্বর একটু কমে তখন আরাম লাগে। আবার জ্বর বাড়ে তখন ব্যারাম লাগে।জ্বর আরো বাড়ে তো ব্যারামের চৌহদ্দি ঘর দূয়ার ছাড়িয়ে ,আসমানে উঠে আবার ফিরে এসে ছালার বস্তা দিয়ে আমারে ধরে মুড়িয়ে। ঘাম দিয়া জ্বর একটুখানি ছাড়তে থাকে তো আরাম ও একটু খানি লাগতে থাকে। জ্বর আরো কমে, আরাম আরো লাগে। জ্বর আরো কমে, তখন আবার ব্যারাম লাগে। জ্বর আস্তে আস্তে আসতে থাকে তো আরামও আবার লাগতে থাকে।
(দুই
এতক্ষণ বলেছি ভূয়া কথা, আরাম ব্যারামের ধন্দ রাখিয়া এইবার কব আসল কথা। শুনেন সর্বজন শুনেন মন দিয়া, একখন্ড মেঘ কোথা হতে কোথায় যেন যাচ্ছিল ভাসিয়া ভাসিয়া। গরজণে মেঘ হইল বরষণ,ভিজিল গাঁ, বাধিল জ্বর। অত:পর উৎপাদিত তাপ নিবেদিত হইলো উৎপাদনের চরণে। এই যেমন ছাগল পালন করা অথবা সন্ধ্যাবেলা হাস মুরগী ঘরে তোলা ইত্যাদি বিবিধ। এই সকল কাজ নীচ বিবেচনায় প্রস্থান। সামনে অগ্রসরায়মান অবস্থায় পাওয়া গেল তাপাকাঙ্খী নারীকুল। বুক পকেটে তাপের তখন ভারী ছটফটানি অবস্থা। আমি জানি কেমন সহজেই তাদের গলিয়ে ফেলা যায় সোনার মত, সৃজন করা যায় আশ্চর্য সব কারুকার্য,টেরাকোটা। কিন্তু কেন যেন হৃদয় বীণ বাজেনা তাই সূত্রধর ও তামুক সাজেনা। অথবা চোখে দেখিনা তাই হৃদয় ভরেনা বা হৃদয়ে ধরে (ধারণ) না। কেউ কি আছেন ভাই, আমারে এক টুকরা মোম দ্যান। এই জ্বর তাপ আমি এখন কি করি। আমি মোম গলাই আর দেখি। আবার গলাই আবার দেখি। মোম আর তাপ যুগপৎ নি:শেষ হলেই খেল খতম হবে, পয়সা ও হজম হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

