আমার প্রিয় পোস্ট
- ধর্মের দোহাইয়ে যুদ্ধাপরাধের নিস্তার নাই!! - জামাল ভাস্কর
- অব্যবস্থার সারসংক্ষেপ - কৌশিক
- ধর্মনিরপেক্ষতা ও রাষ্ট্রের খৎনা :ফালতু কাজে টাইম খরচ,শিশুর সাথে আলাপচারিতা-1 - আরিফ জেবতিক
- রাজাকারদের ছেলেমেয়েদের কি আমরা ঘৃণা করব না? - ব্রাত্য রাইসু
- সংবাদপত্র বাইবেল নহে - বিপ্লব রহমান
- তোমাকে বুঝতে তত্ত্ব লাগেনা - অন্যমনস্ক শরৎ
- তত্ত্ববধায়ক সরকারের তত্ত্ববধান করবে কে? - অপ বাক
- ইউনুসবন্দনা করি সবেঃ এক দিন বাংলাদেশে ভোর হবে। - রাসেল ( ........)
- কবিও চায় ভোগের অধিকার তবে কৌশল জানা নেই - রাসেল ( ........)
জেবতিক এই উপন্যাস না লিখলেও পারতেন
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৫
জেবতিক যেমন তার উপন্যাসখানা না লিখলেও পারতেন তেমনি আমিও এই লেখাটি না লিখলেও পারতাম। অনেক দোনমনা করে লিখেই ফেললাম। ন্যাংটো রাজার গায়ে চমৎকার রেশমী পোষাক আবিস্কার করে ও তার সৌকর্যে মুগ্ধ হয়ে যে বা যারা স্তুতি করেন তাদের কোন ক্ষতি না হলেও রাজার ন্যাংটোত্ব কিন্তু ঠিকই প্রলম্বিত হয়। এ কারণে দারুন কিছু লেখার স্রষ্টা জেবতিকের উপন্যাসের ব্যাপারে নিস্পৃহ থাকা শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে না।
’ধুলি মাখা চাঁদের’ ডাকে সাড়া দিয়ে অর্থাৎ খরিদ করে এবং পাঠ করতে আরম্ভ করে কোন বাঁধা পেতে হয় না। এক নিঃশ্বাসেই পড়ে ফেলা যায়, কারণ কোন কিছুই ভাবায় না, পোড়ায় না। উপন্যাসটি নায়ক প্রধান। আনিস এবং দীপুকে কেন্দ্র করে এর গল্প আবর্তিত হয়েছে। বদরুল, তওহীদ, মির্জা, জয়ীতা, সেঁজুতি সহ আরো কিছু চরিত্র এসেছে। পেশীশক্তি নির্ভর রাজনীতি ছেড়ে দিয়ে সুস্থ্য জীবনে ফিরে আসে আনিস। কিন্তু অন্ধকার জীবনের পুরোনো ঘটনাপ্রবাহের জের তাকে ছাড়ে না। উচ্ছাস নামের একটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মী দীপু। সাংস্কৃতিক জগতকে ঘিরেই তার যত স্বপ্ন, প্রেম আছে একটি অনুষঙ্গ হয়ে। উচ্ছাসের বিকশিত রূপ আতঙ্কিত করে তোলে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও মৌলবাদীদের। নানা ঘটনার ঘনঘটা পেরিয়ে দীপু জীবন দেয়। পুরোনো অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েও আনিস ব্যর্থ হয় দীপুর জীবন বাঁচাতে।
এরকম ঘটনা নিয়ে আরো কয়েক গন্ডা উপন্যাস লেখা হয়েছে। কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় না। জেবতিক এটাকে কতখানি শিল্পিত করতে পেরেছেনে, বা জীবনবোধ ও সময়কে তা কতটুকু প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছে সেটাই মূখ্য। এ প্রশ্নের কোন উত্তর নেই এবং জেবতিকের লেখা যারা পছন্দ করেন তাদের জন্য এ উপন্যাসে হতাশ হওয়া ছাড়া আর কোন কিছুর সুযোগ নেই। ছাত্র রাজনীতির মত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ এ উপন্যাসের অন্যতম অনুঘটক। এ নিয়ে আলাপ পাড়তে গেলে অবশ্যই লেখকের কিছু ইতিহাস বোধের পরিচয় দিতে হয়। আমাদের তরুণরা তো আর এমনি এমনি বিপথগামী হয়নি। তার অনিশ্চয়তা, প্রতিদিনকার অস্থিরতা ও সাংস্কৃতিক দৈন্যতার যে রূপ এখন বাস্তব; সে বাস্তবের পেছনে আর কোন বাস্তব নেই? লেখক চরিত্র গুলোর মুখ নি:সৃত সংলাপ দিয়ে লাইনের পর লাইনের মনোটোনাস ঘটনার বর্ণনা দিয়ে যাবেন কিন্তু সময় ও বাস্তবের কাঁটাছেড়ায় পাঠককে অংশগ্রহণ করাবেন না আদৌ, এরকম উপন্যাস অন্য কেউ লিখতে পারেন কিন্তু জেবতিক কেন?
যদি মেনে নেই, এটি একেবারেই বর্ণনাধর্মী উপন্যাস যেখানে গল্পটাই মুখ্য তাতেও সন্তুষ্ট হওয়া যায় না। জেবতিকের উপন্যাসের শেষাংশে যখন দীপু মারা গেল, এ জায়গাটির বর্ননায় লেখকের দায়সারা ভাব রীতিমত পীড়া দিয়েছে। ’মেয়েরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল বা কেউ একজন বলল, দীপুকে মেরে ফেলেছে শুয়োরের বাচ্চারা, আনিস টের পেলো তার পায়ের নীচে মাটি সরে যাচ্ছে’ এরকম দু’চার লাইন দিয়ে উপন্যাস শেষ করা হল। শেষ হল ’তাকে ডেকেছিল ধুলিমাখা চাঁদ’ এর ডাক। দূর্মুল্যের বাজারে নগদ আশি টাকা খরচ হয়েছে বলে নয়, ’ধুলিমাখা চাঁদের ডাক শেষ করে চাঁদ খুঁজে না পেয়ে শুধু ধুলি ঝাড়তে হয়েছে বলেও নয়; আমি চিন্তিত একজন সম্ভাবনায়, সৃষ্টিশীল লেখকের গাঁজোয়ারি মানসিকতায়।
এ কারণেই এ লেখার শেষ একটি পূনরোক্তি দিয়ে, ’ আরিফ জেবতিক এই উপন্যাসটি না লিখলেও পারতেন।’
অচেনা বাঙালি বলেছেন:
আমার ধারণা লেখক ইন্টেনশনালি লেখাটা আর বড় করতে চাননি।
লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা ছোট বড়র না।
লেখক বলেছেন: তোমারে বিলাই'র মত গরগর করতে কেউ কয় নাই।
লেখক বলেছেন: আবারো! তবে রে ছাগু....
সমালোচনাকারী বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তোমারে বিলাই'র মত গরগর করতে কেউ কয় নাই।
মাছরাঙ্গা বলেছেন:
বইটা কেনবার সময় লেখক বলেছিলেন, তার বইয়ের পাতার চেয়ে সমালোচনা বেশি লেখা হয়েছে। খুব সস্তা গল্প নিয়ে এত আলোচন তিনিও বোধ হয় আশা করেন না।
ত্রিভুজ বলেছেন:
পরেরবার "ম" একটা বেশী ছিলো.. সুতরাং টেকনিক্যালি আপনি একই মন্তব্য দুইবার করা হয়েছে দাবী করতে পারেন না...
আসলে আপনার টলারেন্স পরিক্ষা করলাম। এত কম টলারেন্স নিয়ে কোন বইয়ের সমালোচনা লেখা উচিত নয়... (ব্যক্তিগত মতামত)
সমালোচনাকারী বলেছেন:
তিরভুজ,আর গেলা না আমার পুস্টে? তোমার পেরেম কেমন চলতাচে তাহসিন সাইদা মুনের লগে? বিয়াত দাওয়াত পামু তো?
ত্রিভুজ বলেছেন:
সমালোচনাকারী, ধরা খাইয়া শিক্ষা হয় নাই? প্রমাণ তো হাজির করতে পারলেন না... আমি ভাবলাম এইবার বুঝি একটা রেডিমেট গার্লফ্রেন্ড পেয়েই গেলাম.. হতাশ করলেন...
সমালোচনাকারী বলেছেন:
তুমি তো গোপনে পেরেম চালাও। ওয়েবে কথাবারতা সব ডিলিট কৈরা দিচো তাই পোরমান করা টাফ। তয় কিছু নমুনা দেকাইতে পারি!!! এত গোপনিয়তা কেন? ডাইরেক্ট বিয়া কৈরা ফালাও। মজিদ মিয়ারে ডড়াও কেন?
আচ্চা মুন তো তোমার ২/৩ বচরের ছুটো ও তোমারে তুমি কৈরা কয় কেন? = p ~
এইটা কও আগে.....
শাওন একন বোলগে আচে.......ও হৈলো তোমগো পেরমের রাম সাক্ষী...শাওনরে ডাকো..: # )
সমালোচনাকারী বলেছেন:
@তিরভুজ
সূফি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তোমারে বিলাই'র মত গরগর করতে কেউ কয় নাই।এই কমেন্টের তীব্র প্রতিবাদ ।
ছাগু বিলাইর মতো গরগর করে না , ছাগু করে ম্যাৎকার ।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
ছাগু পালাইচে.................সূফি বলেছেন: লেখক বলেছেন: তোমারে বিলাই'র মত গরগর করতে কেউ কয় নাই।
এই কমেন্টের তীব্র প্রতিবাদ ।
ছাগু বিলাইর মতো গরগর করে না , ছাগু করে ম্যাৎকার ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
@সমালোচনাকারী
তুমি করে বললেই প্রেম হয়ে যায়? মারহাবা! মারহাবা....!!
শাওনরে ডাকতে ইচ্ছে করলে আপনি ডাকেন... আপনার অভিযোগ প্রমাণের জন্য আমাকে দৌড়াতে হলে তো সমস্যা....
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ছাগলের সাথে আলাপচাড়িতায় বুদ্ধিবৃত্তির অবনয়ন ঘটে। সে ম্যাঁম্যাঁ করতেই থাকুক কাঠাঁল পাতা চিবুতে থাকুক, সমস্যা নাই। যার যেইটা কাজ। এই পোস্টেও দেখলাম ম্যাঁম্যাঁ করছে এক ছাগল। যাস্ট ইগনোর ইট মাইট।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
তুমি বলাটা পোরমান না। এইডা সিম্পটম!!!আমি গোপান সুত্রে খবর পাইচি তোমগো পেরেমের কথা.......শাওন মিয়ারে দেকো স্বাক্ষি হৈবার চায় না.....আমি শুনচি ও নাকি তোমগো পেরমের পোরমোটোর......
আমি চাই তোমরা ছাগু ছাগা মিলা সুকি হও.....তয় বোলগে লেদাও বৈলা এত কতা কৈ আর কি........@ তিরভুজ
সূফি বলেছেন:
মাহবুব সুমন বলেছেন: ছাগলের সাথে আলাপচাড়িতায় বুদ্ধিবৃত্তির অবনয়ন ঘটে।সে ম্যাঁম্যাঁ করতেই থাকুক কাঠাঁল পাতা চিবুতে থাকুক, সমস্যা নাই। যার যেইটা কাজ। এই পোস্টেও দেখলাম ম্যাঁম্যাঁ করছে এক ছাগল। যাস্ট ইগনোর ইট মাইট।
নগর বাউল বলেছেন:
আমি একটি ছড়া লিখেছি ছাগু ছাগু ডাক পাড়ি
ছাগু মোদের কার বাড়ি
আয়রে ছাগু ঘরে আয়
কাঁঠাল পাতা খেয়ে যা।
শাওন বলেছেন:
শাওন নিজের জীবনের খ্যাতা পোরে আর অন্যগো জীবন ! হাহ !! আর অন্যের প্রেমে ব্যাপারে শাওন কিছুই জানেনা । হুদাই শাওনরে টাইনেন না । আর আন্দাজে ঢিলও ছুইড়েন না । এইবারের ঢিল যায়গায় লাগেনি । সো এক কথা বার বার কইয়া লাভ কি ?
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
ছাগু ম্যাত্কার দিলে একটা পোস্টের কি ছিড়ি হইতে পারে সেইটার প্রমাণ এই পোস্ট।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
মুখ দিলেই বরবাদ!
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
ত্রিভুজ বলেছেন: ইগনোর করা হলো @ মাহবুব সুমন
-----------------------
আরেক কিংবদন্তির কথা মনে পড়ছে আজ
সূফি বলেছেন:
নগর বাউল বলেছেন: তিনকোনা ছাগুরাম না থাকলে ব্লগ জমে না-- হ , একশভাগ হাচা কতা । ছাগু যখন ব্যন আছিল তখন আমার সিরিয়াস পেরেশানী গেছে । ইন্টারনেটের বিল দিলে মনে হইতো , হুদাই দিতাছি , কী লাভ , কোন বিনোদন নাই ।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
হাহহা, বলে কারে আর বুঝে কে !! এইনা হলে ছাগু !ত্রিভুজ, কথাটা আপনাকে বলি নাই। ব্লগে যারা ছাগলের ম্যাঁম্যাঁ শুনতে শুনতে ক্লান্ত তাদের বলেছি। আপনারে না।
ছাগল ক্যামনে ছাগলরে ইগনোর করতে পারে !!??
ব্লগের যারা মানুষ আছে তাগো বলছি ছাগলরে ইগনোর করতে ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ও...রে.....জট্টিল !
ধন্যবাদ মতামতের জন্য @ বাকী ।
এখন অফিস শেষ , বাসায় গিয়ে আলোচনায় অংশ নেব ।
সুশীল সমাজ বলেছেন:
তামিম ইরফান বলেছেন: সমালোচনাকারী বলেছেন: লেখক বলেছেন: তোমারে বিলাই'র মত গরগর করতে কেউ কয় নাই।
বড় হুজুর বলেছেন:
এতসব কখন হ ইলো?
রাশেদ বলেছেন:
তামিম ইরফান বলেছেন: সমালোচনাকারী বলেছেন: লেখক বলেছেন: তোমারে বিলাই'র মত গরগর করতে কেউ কয় নাই।
অমিত আহমেদ বলেছেন:
আরিফ জেবতিক এর বইটি পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে, এবং পড়ার পর থেকেই নানান ব্লগে ও ব্যক্তিগত আলোচনায় আমি বলে এসেছি যে বইটি আমার ভালো লেগেছে। সেই একই বই আপনার ভালো লাগেনি সেটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু ন্যাংটো রাজার উপমা তুলে আপনি আমাদেরকে, যাদের উপন্যাসটি ভালো লেগেছে তাদেরকে, নির্বোধ চাটুকারের দলে ফেলে দিয়েছেন সেটা আমাকে বেদনার্ত করেছে। সে কারণেই মন্তব্য করতে বাধ্য হলাম। আপনার মতো আমিও বলবো উপন্যাসটি ‘পাঠ করতে আরম্ভ করে কোন বাঁধা পেতে হয় না। এক নিঃশ্বাসেই পড়ে ফেলা যায়’ তবে এর কারণ হিসেবে বলবো আরিফ জেবতিকের টানটান লেখার ধরণ। আমি বিশ্বাস করি উপন্যাস হবে সমসাময়ীক সময়ের দর্পন। তবে সমস্যা হলো, দর্পনে সবার ছায়া একসাথে আঁটে না। লেখক ধূলিমাখায় চেষ্টা করেছেন ক্যাম্পাসের মানুষগুলোর কিছুদিক তুলে ধরতে। ঘটনার পেছনের ঘটনা হয়তো আনা যেত, কিন্তু না আনাতে উপন্যাসের ক্ষতি বৃদ্ধি হয়েছে বলে আমার মত নেই। বরং পেছনের ইতিহাস/তন্ত্র তুলে আনতে গেলে সেই তেলের সাথে কিছু তরুনের আবেগের জলের মিশটা হয়তো ঠিক মতো হতো না। আমার কাছে সংলাপ গুলোও বিরক্তিকর লাগেনি। এখানেও মনে হয় সেই ভিন্ন রুচির ব্যাপারটা এসে যায়। আরেকটা ব্যাপারে আমি দ্বিমত পোষণ করবো, সেটা হলো লেখকের “গাঁজোয়ারি মানসিকতা”। আমার কাছে মনে হয়েছে আমাদের বাংলাদেশের ক্যাম্পাস জীবনের যে চিত্র লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন, তা আংশিক হলেও “গাঁজাখুড়ি” বলবে না কেউ। শেষে বলি আপনি যে নিজ তাগিদে উপন্যাসটির সমালোচনা লিখেছেন সেটা আমার ভালো লেগেছে। একটা সমালোচনা একজন নতুন লেখকের জন্য কতটা কাম্য তা আমার চেয়ে বেশি কেউ জানে না।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
ছাগু ম্যাত্কার দিলে একটা পোস্টের কি ছিড়ি হইতে পারে সেইটার প্রমাণ এই পোস্ট। কত সুন্দর আলাপ হতে পারত।
হাসিব বলেছেন:
অমিতের মন্তব্যের সাথে একমত ।
*তবে শেষে অমিত মনে হয় গাজোয়ারি শব্দটার ভুল ব্যাখ্যা করেছেন । পোস্ট লেখক এখানে গাজোয়ারি বলতে গায়ের জোরে করা কোন কাজকে বুঝিয়েছেন ।
অমিত আহমেদ বলেছেন:
গাজোয়ারিতে চন্দ্রবিন্দু ছিল দেখে বিভ্রান্ত হয়েছি। ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
অতটা নিষ্ঠুর হতে পারব না, যে না লিখলেও চলত। চেনা-পরিচিত কাহিনী যখন নতুনভাবে আসে তখন
পাঠক অবশ্যই বিশেষত্ব খুঁজবে।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
"জেবতিক এই উপন্যাস না লিখলেও পারতেন"-সমালোচকের দৃষ্টিকোন থেকে হয়তো আপনার এই শিরোনাম বা বক্তব্য ঠিক আছে ।কিন্তু খুব বেশী না প্যাঁচিয়েও বলা যায়, লেখক কী লিখবেন, কেমন লিখবেন,সেটি লেখক-ই নির্ধারণ করবেন । লেখক এখানে সম্পূর্ণ স্বাধীন ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
" জেবতিকের উপন্যাসের শেষাংশে যখন দীপু মারা গেল, এ জায়গাটির বর্ননায় লেখকের দায়সারা ভাব রীতিমত পীড়া দিয়েছে। "
---------------------------------
আমি ইচ্ছে করেই আপনার এই পোস্টটি পড়িনি এতো দিন ; গতকাল সকালে অর্ধেক আর আজ সকালে শেষ করে ফেললাম "....ধূলি মাখা চাঁদ".... এরপর খুঁজে নিয়ে আপনার পোস্টটা পড়লাম ।
আপনার উক্ত বক্তব্যের সাথে আমিও একমত; হয়ত পাঠককে একটা ঝটকা দেয়ার জন্য একটু হুট করে মৃত্যুটা আনা হয়েছে; কিন্তু আরেকটু স্পর্শকাতর এবং এক্সপ্রেসিভ হলে পাঠকের মনের উপর দীপুর মৃত্যুর একটা প্রবল চাপ পড়ত ।
যীশূ বলেছেন:
ভাগ্য ভালো, তোমার মত ছ্যাকা খাওয়া লাগে নাই।


















