
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন সাংবাদিক বেলাল হোসেন। মাত্র ৩৩ বয়সের তারুণ্য উদ্দীপ্ত এই তরুণকে সড়ক দুর্ঘটনা নামক দৈত্যের কাছে নিজের প্রাণটি দিয়ে দিতে হলো। প্রতিদিনের মতোই বাসা থেকেই বের হয়ে যাচ্ছিলেন টিভি চ্যানেল 'সময়' এর অফিসে। যেতে যেতে হয়তো ভাবছিলেন আজকে কি কি সংবাদগুলো সম্প্রচার হবে, কি কি নতুন পরকিল্পনায় সময় টিভি এর সংবাদ এক্সুক্লুসিভ করা যায়। কিন্তু, ভাগ্যের নির্মম পরিহাস... নিজেই এখন সংবাদের শিরোনাম হয়ে গেলেন। টিভিতে স্ক্রল সংবাদের বিষয়বস্তু হলেন তিনি। কিন্তু.... তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই।
তার শূণ্যতা হয়তো আমি হয়তো ততখানি উপলব্ধি করতে পারবো না, যতখানি উপলব্ধি করবেন তার সকর্মীরা। আর আড্ডার আসরে কিংবা কর্মব্যস্ত সময়ে তাকে পাওয়া যাবে না। জুনিয়রদের আর হাতেখড়ি দিবেন না এই মানুষটি।
হাসবেন না.... উপর মহল থেকে এমন কড়া নির্দেশ দিলেও তার মুখে হাসি যেন সবসময় লেগেই আছে। হাসিমাখা মুখ মানেই সাংবাদিক বেলাল হোসেন।
মীরসরাইয়ে এতগুলো শিক্ষার্থীর প্রাণ কেড়ে নিল সড়ক দুর্ঘটনা নামক এই মহা দৈত্যটি। সেই সংবাদটি দেখার সময়েও তিনি ভাবেন নি যে একই দৈত্যটি তাকেও গ্রাস করবে।
শনিবার সকাল ১১টার দিকে তিনি রিকশায় করে রাজধানীর কাজীপাড়ার বাসা থেকে অফিসে যাচ্ছিলেন। পথে আগারগাঁওয়ের আইডিবি ভবন সামনে মিরপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস রিকশাটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে রিকসাটি উল্টে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই তথ্যের সূত্র : Click This Link
এই অকালপ্রয়াণ মেনে নিতে কষ্ট হয়, তারপরেও মেনে নেয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।
শুধু একটি অনুরোধ সরকারের কাছে সড়ক দুর্ঘটনা নামক এই দৈত্যকে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে থামাতে পারি.... প্রয়োজন সরকারের সহযোগিতা ও সচেতনতা..... জানি না... প্রধানমন্ত্রী এই আকুতি কবে অনুভব করবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



