আমার প্রিয় পোস্ট
- কোরানে বিজ্ঞান খুঁজতে যেয়ে যখন কোরান হয় বিকৃত আর বিজ্ঞান হয় ধর্ষিত!! - হোরাস্
- স্যালারী সার্ভে (বেতন জরিপ ) সবাই সাহায্য করুন!!! - ফরহাদ মাহমুদ সোহাগ
- পাকমন পেয়ার - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- সময় কী ? - আনোয়ারুল আলম
- ঈশ্বরচিন্তা - ৪ - আরিফুল হোসেন তুহিন
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- স্পিনোজার নির্বিকার ঈশ্বর - ইমন জুবায়ের
- ধর্মে বিজ্ঞানঃ নিম গাছে আমের সন্ধান - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- দস্যু বনহুর নামে একজন আছেন..................... - সবুজপাতা
- মুসলমানদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত-১৯ - মোহাম্মদ আলী আকন্দ
বাংলার ঢেঁকির আফ্রিকা বিজয়!
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২১
আপনি যদি আইভরি কোস্টের মান শহরের অতি সন্নিকটে অবস্থিত দুটি গ্রাম পেতি জিবপ্লু ও কাসাপ্লুতে যান, তাহলে শুনতে পাবেন কুঁ -উ-উ- ঢেঁক, কুঁ -উ-উ- ঢেঁক শব্দের সংগীত৷ মানের মেয়েরা এখন ঢেঁকিতে কাসাবা কিংবা ধান ভানছে ৷ কি, অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ারই কথা৷ তবে অবাক হয়ে লাভ নেই, ঢেঁকি যখন স্বর্গে গিয়েও ধান ভানে, মানে গেলে তো ভানবেই৷ এখন কথা হলো, বাংলার ঢেঁকি ১৩ হাজার কিলোমিটার দুরের পশ্চিম আফ্রিকার এক গহন গ্রামে এল কী করে? সেই গল্পটাই শুনুন৷
শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করতে এসে বাংলাদেশের সেনাসদস্যরা বঙ্গদেশীয় প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি পৃথিবীর নানা বর্ণ ও ভূগোলে ছড়িয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত ৷ বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি এখন আইভরিকোস্টের উত্তরাঞ্চলে এক জনপ্রিয় প্রযুক্তি, ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের গ্রামে, গ্রাম থেকে জেলায়...
দৈনিক প্রথম আলোর ছুটির দিনে সাময়িকীতে ঢেঁকি বিষয়ক লেখাটি জটিলস লাগলো । বিস্তারিত পড়ুন - ঢেঁকি মানে গিয়েও ধান ভাঙে ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঢেঁকি, ঐতিহ্য, গ্রামবাংলা ;
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: এই দ্যাশে কুনো ভাল খবর নাই। মাঝেমইধ্যে এইগুলান পইড়া মন ভাল করার চেষ্টা করি...
রাজর্ষী বলেছেন:
কঠিন ব্যাপার
লাল পিপড়া বলেছেন:
এইটা পোর্টেবলল ঢেকি
রাজর্ষী বলেছেন:
সরকার সচেতন হইলে এই ধরনের শান্তি রক্ষা কার্যক্রমের প্রভাব বানিজ্যিক ভাবে কাজে লাগান যাইতো। কবে যে ভালো কেই ক্ষমতায় যাইবো।
লেখক বলেছেন: পুরোটা কম্পোজ করতে পার্লে ভাল হৈতো। যাউক আপনেরে পিলাচ আর পর্থম আলুরে মাইনাস, হালার পুতেগো ফন্ট এইখানে আনলে ভাইঙ্গা যায়... ;(
বিডি আইডল বলেছেন:
মইন দিলে ঠিকমত দেন..আপনি যদি আইভরি কোস্টের মান শহরের অতি সন্নিকটে অবস্িথত দুটি গ্রাম পেতি জিবপ্লু ও কাসাপ্লুতে যান, তাহলে শুনতে পাবেন কুঁ-উ-উ ঢেঁক, কুঁ-উ-উ ঢেঁক শব্দের সংগীত। মানের মেয়েরা এখন ঢেঁকিতে কাসাবা কিংবা ধান ভানছে। কি, অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ারই কথা। তবে অবাক হয়ে লাভ নেই, ঢেঁকি যখন স্বর্গে গিয়েও ধান ভানে, মানে গেলে তো ভানবেই। এখন কথা হলো, বাংলার ঢেঁকি ১৩ হাজার কিলোমিটার দুরের পশ্চিম আফ্রিকার এক গহন গ্রামে এল কী করে? সেই গল্পটাই শুনুন।
শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করতে এসে বাংলাদেশের সেনাসদস্যরা বঙ্গদেশীয় প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি পৃথিবীর নানা বর্ণ ও ভুগোলে ছড়িয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
তখন সন্ধ্যা হয় হয়। গোধুলিলগ্নের লাল আভা অতলান্তিকের জলে লেপটে আছে। আমি আর কর্নেল খালেক হাঁটছিলাম সায়েদা সৈকতে। হঠাৎ ১৬ বছরের এক কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ কোত্থেকে ছুটে আসে। ছেলেটির নাম মুসা। দরিদ্র কিশোর। পরনে ছেঁড়া জিন্স, স্িলভলেস ময়লা গেঞ্জি। পোক্ত গড়ন। অন্ধকার মুখে ফরসা একগুচ্ছ দাঁতের উজ্জ্বল হাসি। সে আমাদের সঙ্গে সৈকতে হেঁটে বেড়ায় অনেকক্ষণ। অনর্গল কথা বলে চলে বাংলা ভাষায়। মুসা বলে, ‘আমি বাংলাদেশে যেতে চাই, আমাকে নিবি?’ আমি বললাম, ‘নেব, যদি বাংলায় একটা গান শোনাতে পারিস।’ আমাদের অবাক করে দিয়ে ও গান ধরল, ‘বুকটা ফাইট্টা যায়, বুকটা ফাইট্টা যায়।’ শুধু যে গাইল তা-ই নয়, মমতাজের মতো শরীর দুলিয়ে তালি দিয়ে দিয়ে নাচল পর্যন্ত।
এমন ঘটনা এখন সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া, আইভরি কোস্ট, সুদানের আনাচকানাচে দেখা যায়। পেতি জিবপ্লু বা কাসাপ্লুতে বাংলার ঢেঁকি এরই ধারাবাহিকতা মাত্র। মেজর তারেক ভাওয়ালি আমাদের মান ব্যাটালিয়নের একজন ক্যাম্প-কমান্ডার। তার কর্ম-এলাকার গ্রামগুলো পরিদর্শন করতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, অতি প্রাচীন পদ্ধতিতে হাতের জাঁতায় আইভরি কোস্টের মেয়েরা তাদের প্রধান খাবার কাসাবা গুঁড়ো করছে কিংবা ধান ভেনে চাল বের করছে। এ পদ্ধতিতে সময় ও শ্রমের তুলনায় উৎপাদন খুব সামান্যই। তিনি গ্রামের নেতাদের ডেকে বললেন, ‘আমি তোমাদের এমন একটি প্রযুক্তি শেখাতে পারি, যা দিয়ে অনেক কম সময়ে কম পরিশ্রমে তোমাদের মেয়েরা অনেক বেশি ধান ভানতে পারবে এবং কাসাবা গুঁড়ো করতে পারবে।’ দিনরাত খেটে, ছুতারকে ছবি এঁকে বুঝিয়ে অবশেষে তারেক ভাওয়ালি তৈরি করলেন বাংলার ঢেঁকি, আইভরি কোস্টের নারীদের শেখালেন কীভাবে এটা ব্যবহার করতে হয়।
ঘটা করে এর আকিকাও হলো। পাকাপাকিভাবেই এর নাম রাখা হলো ‘বাংলার ঢেঁকি’। বাংলার ঢেঁকি এখন আইভরিকোস্টের উত্তরাঞ্চলে এক জনপ্রিয় প্রযুক্তি, ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের গ্রামে, গ্রাম থেকে জেলায়। সাম্প্রতিক সময়ে শুনতে পাচ্ছি, লাইবেরিয়া, সিয়েরা লিওনসহ পশ্চিম আফ্রিকার অনেক দেশেই নাকি এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়ে গেছে।
ঢেঁকির মতো অনেক প্রথাগত দেশীয় প্রযুক্তি বাংলাদেশ থেকে ক্রমশ হারিয়ে গেলেও হয়তো ঠিক এমনি করেই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও এর ব্যবহার থেকে যাবে।
লেখক বলেছেন: আপনেরে ১০+ ... কিভাবে এহেন বেসম্ভব কাম সমভেব হৈল ইট্টু যদি কৈতেন বস্?
লেখক বলেছেন: আফনেরে আবার ধইন্যাফাতা। কামের জিনিষ দিসেন।
বিডি আইডল বলেছেন:
তৈলকাম
লেখক বলেছেন: এখন গ্রামেও খুব একটা দেখা যায় না। রাইস মিলের প্রতাপে ঢেঁকি মনে হয় হারিয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: আছিরেবা ভাই কুনোরকম। খবরসবর বালানি?
মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন:
আমার খবর বেশ ভালা নায় ইতার যন্ত্রণায় আর লেখতা পাররামনা। পুরান ব্লগার নাই যারা আছে তারা বিটলামি করে। আপনার কিতা ওইছে, কোনান আছইন?
নিহন বলেছেন:
জাক্কাচতো ।
সৌপ্তিক বলেছেন:
দস্যু বনহুর আছে কুনোরকম
দস্যু বনহুর গাহে সাম্যের গান
দস্যু বনহুর ইয়া বড়ো গোঁফ
দস্যু বনহুর হাসি মাখা মুখ।
প্রোফাইলের ছবি দেখে আমি অবাক
এ দেখি হাসি মুখের ডাকাত।
কাঁধে রয়েছে বন্দুক
বড়ো খেলনা বন্দুক।
ছাগলে উনার প্রীতি বেশি
স্রষ্টার পক্ষে যুক্তি দেয় ও তিনি।
মোটামুটি নিয়মিত ব্লগার
অনিয়মিত পুষ্টায়।
খভিতা লিখার পর
দরজায় তালা দিছি
এই বুঝি দস্যু আইলো
এ ভাইবা খাটের তলায়
লুকাইছি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















ধন্যবাদ দেওয়ার জন্য!
"ঢেঁকি আফ্রিকাতে গেলেও ধান ভাঙ্গে"