আমার প্রিয় পোস্ট
- কোরানে বিজ্ঞান খুঁজতে যেয়ে যখন কোরান হয় বিকৃত আর বিজ্ঞান হয় ধর্ষিত!! - হোরাস্
- স্যালারী সার্ভে (বেতন জরিপ ) সবাই সাহায্য করুন!!! - ফরহাদ মাহমুদ সোহাগ
- পাকমন পেয়ার - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- সময় কী ? - আনোয়ারুল আলম
- ঈশ্বরচিন্তা - ৪ - আরিফুল হোসেন তুহিন
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- স্পিনোজার নির্বিকার ঈশ্বর - ইমন জুবায়ের
- ধর্মে বিজ্ঞানঃ নিম গাছে আমের সন্ধান - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- দস্যু বনহুর নামে একজন আছেন..................... - সবুজপাতা
- মুসলমানদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত-১৯ - মোহাম্মদ আলী আকন্দ
গণিতের সাধারন জ্ঞান ও নুহের প্লাবন
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৮
বাইবেল ও কোরআনে নুহের প্লাবনের যে বিবরণ দেয়া আছে তা বিস্তারিত না জানলেও অন্ততঃ ঘটনাটা সবাই জানেন। বাইবেলের ভাষ্য অনুযায়ী গোটা পৃথিবীজুড়ে এই প্লাবনে সবচাইতে উঁচু পাহাড়টিও তলিয়ে গিয়েছিল। পরমধার্মিক নোয়া (Noah) বা নুহ এবং তার পরিবারবর্গই কেবল রক্ষা পেয়েছিল। আসন্ন মহাপ্লাবন থেকে বাঁচতে নুহ সাহেব একটি নৌকা তৈরী করেন যার দৈর্ঘ্য ৩০০ কিউবেক, প্রস্থে ৫০ কিউবেক এবং উচ্চতা ৩০ কিউবেক। এটি ধারন করেছে শুধু নুহ আর তার পরিবারবর্গকেই নয়, পৃথিবীর যাবতীয় জীবকেও এক জোড়া করে। এছাড়া ছিল এসব জীবের জন্য পর্যাপ্ত খাবার ব্যবস্থা। চল্লিশ দিন পর্যন্ত পৃথিবীতে জলপ্লাবন হবার পর পৃথিবীর সবক'টি মহাপর্বত পনের হাত জলের নীচে তলিয়ে যায় এবং এর ফলে যাবতীয় ভূচর প্রাণী, পশু, পক্ষী, সরীসৃপ এবং মানুষ সবার সলিলসমাধি ঘটে। [আদিপুস্তক ৭ঃ২১]
নুহের মহাপ্লাবনের এই কাহিনী দুইটি প্রশ্ন জাগায় - (১) এমন বর্ষন কি আদৌ সম্ভব যাতে গোটা পৃথিবী এমনটি সবচেয়ে উঁচু পাহাড়টিও ডুবে যেতে পারে? (২) নুহের নৌকাটি পৃথিবীর যাবতীয় জীবকুলকে একজোড়া করে ধারন করতে সক্ষম হয়েছিল?
আসুন সাধারন গণিতের জ্ঞান দিয়েই প্রশ্নগুলো সমাধান করতে বসি।
প্লাবনে মহাপর্বত ডুবে যাওয়া কি সম্ভব?
প্রথমেই দেখা যাক প্লাবনের এত পানি আসলো কোথা থেকে। তর্কের খাতিরে ধরে নিচ্ছি মহাপ্লাবনের আগে পৃথিবীর যাবতীয় জলরাশি বাস্পীভূত হয়ে আবহমন্ডলে জমা হয়েছিল। এখন প্রতি বর্গমিটার স্থানোপরি বায়ুর কলামে গড়ে প্রায় ১৬ কিলোগ্রাম জলীয় বাষ্প থাকে এবং আবহবিদ্যা অনুযায়ী কখনোই তা ২৫ কিলোগ্রামের বেশী হয়না। আমরা এখানে সর্ব্বোচ্চ ফিগারটাই নিচ্ছি।
২৫ কিলোগ্রাম = ২৫, ০০০ গ্রাম
১ গ্রাম পানির আয়তন ১ ঘন সে.মি.
২৫,০০০ গ্রাম পানির আয়তন = ২৫,০০০ ঘন সে.মি.
১ বর্গমিটার =১০০ সে.মি. X ১০০ সে.মি. = ১০,০০০ বর্গ সে.মি.
উচ্চতা = আয়তন ÷ ক্ষেত্রফল = (২৫,০০০ ÷ ১০,০০০) বা ২.৫ সে.মি.
কাজেই দেখা যাচ্ছে প্রতি বর্গমিটার স্থানের উপরের বায়ুর পুরো কলাম দিয়েও ২.৫ সে.মি. এর অধিক গভীর পানিস্তর সৃস্টি করা সম্ভব নয়। এভাবে দেখা যায় পুরো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে সবটুকু জলীয়বাস্প যদি মুহুর্তের মধ্যে বৃষ্টি হয়ে নেমে আসে তাও পৃথিবীপৃষ্ঠ জুড়ে ২.৫ সে.মি. এর বেশী পানির স্তর সৃস্টি করা সম্ভব নয়। আর যেখানে ২.৫ সে.মি. উচ্চতার বেশী পানিস্তর সৃস্টি করা সম্ভব নয় সেখানে পর্বত মহাপর্বত জলমগ্ন হবার বিষয়টি বাস্তবতার সাথে সংগতিপুর্ণ নয়। প্রসঙ্গতঃ জানিয়ে রাখি হিমালয় পাহাড়ের চুড়ার উচ্চতা হলো ৯ কিলোমিটার!
নুহের নৌকা কি কথিত সকল জীবকে ধারন করতে সক্ষম?
পৃথিবীর সকল প্রজাতির জীব এক জায়গায় জড়ো করা বাস্তবে সম্ভব নয়, কারণ তার কখনো একজায়গায় থাকেনা। যেমন ক্যাঙ্গারু পাওয়া যায় কেবল অষ্ট্রেলিয়ায়, রেটলস্নেক বা এনাকোন্ডার জন্য যেতে হবে আমেরিকা। নুহ কিভাবে এসব জীব সংগ্রহ করেছিলেন বাইবেল বা কোরআনে এ সম্বন্ধে কোন ব্যাখ্যা নেই। যাহোক এবার দেখা যাক নুহের নৌকাটি কতখানি বড় ছিল।
১ কিউবেক = ০.৪৫ মিটার
৩০০ কিউবেক = ৩০০ X ০.৪৫ = ১৩৫ মিটার
৫০ কিউবেক = ৫০ X ০.৪৫ = ২২.৫ মিটার
কাজেই নুহ সাহেবের নৌকাটির ক্ষেত্রফল দাঁড়ালো ১৩৫ X ২২.৫ = ৩,০৪০ বর্গমিটার। সুতরাং তিনতলা মিলে সেখানে থাকবার জায়গা ছিল ৩০৪০ X ৩ =৯,১২০ বর্গমিটার।
এখন পৃথিবীর প্রাণীকুলের প্রজাতিগত একটি খসড়া হিসাব নেয়া যাক -
স্তন্যপায়ী প্রাণী - ৩,৫০০
পক্ষী - ১৩,০০০
সরীসৃপ - ৩,৫০০
উভচর - ১,৪০০
আকিনিড - ১৬,০০০
কীটপতঙ্গ - ৩৬০,০০০ ইত্যাদি।
হিসেব করলে দেখা যায় নুহের নৌকায় শুধু স্তন্যপায়ী জীবদের জন্যই জায়গার সংকুলান ঘটে না। ধরে নিলাম আর্কটি হয়তো আরো বড় ছিল, কিন্তু তাতে স্তন্যপায়ীসহ পক্ষী, সরীসৃপ, কীটপতঙ্গ, নুহের পরিবারবর্গ আর প্রাণীদের সবার জন্য পর্যাপ্ত খাবার মজুদ করা সাধারন অংকের হিসেবেই অসম্ভব।
কোরআনে নুহের মহাপ্লাবনের বিবরন মেলে সুরা ১১ এর ২৫ থেকে ৪৯ নং আয়াতে। বাইবেলের বিবরন থেকে কোরআনের বিবরন কিছুটা ভিন্ন। কোরআনে নুহের বন্যাকে নুহের জাতির উপর নেমে আসা গজব বলা হয়েছে, পৃথিবীব্যাপী নয়। কোন স্থানীয় বন্যায় পাহাড়-পর্বত নিমজ্জিত হয়ে পড়ার ঘটনা সম্পুর্ণ অবাস্তব। আরেকটা কথা হচ্ছে প্লাবনটা যদি স্থানীয় হয়ে থাকে তাহলে প্রজাতি সংরক্ষনের দরকার কি? কি প্রয়োজন ছিল একজোড়া করে জীব তুলে নেয়ার? পৃথিবীর অন্য স্থানগুলোতে কি ঐসব জীব আর ছিল না?
সহায়তাঃ
১. Figures for Fun by Ya Perelman, ISBN 0828515123
২. http://hubpages.com/forum/topic/9662
৩. http://www.livius.org/fa-fn/flood/flood1.html
৪. http://www.livius.org/fa-fn/flood/flood1-t-quran.html
৫. http://en.wikipedia.org/wiki/Noah
প্রেরনাঃ নূহ (আঃ) এর মহাপ্লাবন এবং কিস্তি বা নৌকার সন্ধান লাভ (একটি জ্বলন্ত নিদর্শন )
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞানচেতনা ;
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনার ভবিষ্যৎবানীগুলো জটিল, কুযুক্তির অভাব নাই
,
ফারুক আহসান নিকটি তাহলে আপনার ছিল, আর পোস্টগুলো গেল কোথায়?!
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
দাদা, এইটা হইলো মিথ এবং বিশ্বাস।
-----------------------------------------------------------------------------
মিথের শুরুতে একটা সত্য থাকে, সত্যটা হলো একটা নৌকা বন্যার আশংকাতেই বানানো হয়েছিলো। সত্যটা এখানে আর্ক এবং নোয়া। আর সবটাই মানুষের মুখে মুখে রচিত। সুতরাং আপনার চিন্তার কারণ নাই।
-----------------------------------------------------------------------------
মহাত্মা আরজ আলী মাতুব্বরও আপনার মতোই
এইবিষয়ে সত্যের সন্ধান করেছেন, সত্যের সন্ধানে নাম গ্রন্থে। হয়তো পড়ে থাকবেন; না পড়লে সত্বর পড়ে ফেলেন। অনেক বিষয় আপনাকে ভাবাবে।
-----------------------------------------------------------------------------
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: সেইটাই।
অ্যামাটার বলেছেন:
আমি সমাধান কইরা দিতেছি;১) নূহ (আ: ) ছিল মালদ্বীপে; একবৃষ্টিতেই তামাম দুনিয়া আন্ধার,
২) নৌকাতে নিছিল একটা অ্যামিবা; পরে বিবর্তন হইয়া জীবজগৎ গঠিত হইছে
লেখক বলেছেন: এইডার কপিরাইট নিয়া রাখেন, এইরম দাবী ভবিস্যথে আসবেনা এমুন ভাবা ঠিকনা।
রিসাত বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: ইভান অলমাইটি ছবি হিসাবে খারাপ লাগেনাই। খারাপ লাগে তখন এইগুলান যখন সইত্য বইলা দাবী করা হয়...
ম্যাভেরিক বলেছেন:
ইয়া পেরেলমানের বইতে এই অঙ্কের ব্যাপক হিসেব দেখেছি, যেখানে লেখক অঙ্ক মিলাতে পারেন নি। আবার খুঁজলে অঙ্ক মিলে যায় এরূপ রেফারেন্সও পাবেন। তবে প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস খুঁজলে বিভিন্ন সভ্যতায় এক মহা-প্লাবণের কথা পাওয়া যায় যা সত্যিই চিন্তাকে উদ্দীপ্ত করে।
লেখক বলেছেন: প্লাবন থাকতে পারে এটা অসস্ভব কিছু না, কিন্তু এমুন প্লাবন যে হিমালয় ডুইবা যায়
? .. যদিও প্লাবন হয়ে থাকে তা স্থানীয় প্লাবনের চেয়ে বেশী কিছু নয়, বাকীটা মুলত ইস্টার্ন উর্ব্বরদের মস্তিস্কের ফসল।
মিঠাই বলেছেন:
Allahor chaite boro mathematician hoisen mia? Dui tinta jog-biyoger boi poira nijere bishal mathematician mone kortesen? Allahor hisab manushe milaite parbe na. Jog-biyog baad dan. Monojog diya Quoran poren, sob bujhte parben.
লেখক বলেছেন: এই হিসাব করতে mathematician হওয়া লাগেনারে ভাই, গনিতের সাধারনতম জ্ঞান দিয়া এইটা বের করা যায়। আপসুস, বাইবেলে মহাপ্লাবনের দিনতারিখ, মেয়াদকালের কথা লিখা আছে, কিন্তু কোরআনে তারিখ বা স্থায়িত্তকাল নিয়ে কিছু লেখা নাই। অংকে উনি এতা ভাল হলেতো ধরা খাওয়া বিষয়গুলা তার পরবর্তী প্রত্যাদেশগ্রন্থে শুধরে নিতে পারতেন। সেইটাও তো করেন্নাই!!!
বিগব্যাং বলেছেন:
+একেই বুধায় বলে কলিযুগ...
দস্যু বনহুর জ্ঞানচর্চা করছে আর শিকখ্যাত লুকজন বিবি তালাকের ফতোয়া খুজছে ফিকাহ ও হাদীস ঘেটে...
লেখক বলেছেন: বিগব্যাং বলেছেন: +
একেই বুধায় বলে কলিযুগ...
দস্যু বনহুর জ্ঞানচর্চা করছে আর শিকখ্যাত লুকজন বিবি তালাকের ফতোয়া খুজছে ফিকাহ ও হাদীস ঘেটে...
লেখক বলেছেন: ??????
রিসাত বলেছেন:
@মিঠাই কুরআন পড়া আছে, এভাবে চোখবন্ধ করে মাইনশেরে উপদেশ দেয়া বাদ দেন, বহুত হইছে। নিজের চর্কায় তেল দেন নাইলে পরে শর্ট পড়তে পারে......আর ভালো কথা, কুরআন পড়ার সময় চোখ খুলা রেখে পড়বেন তাহলে বুঝতে পারবেন, আশা করা যায়,,,,,
রাশেদ বলেছেন:
রিসাত আলু বল্গে সা.ইনে বস্তির মানুষজন ব্লগিং করে বইলা পোস্ট দিছিলো। তারপর এইখানে আইছে বল্গিং করতে! আমাগো কয় অসুস্থ মানুসিকতার লুক! খিক খিক!
কঁাকন বলেছেন:
আলু বল্গে সা.ইনে বস্তির মানুষজন ব্লগিং করে বইলা পোস্ট দিছিলো ----- আলু ব্লগের চেয়ে আমাগো বস্তি উন্নতমানের
সাউথ কোরিয়া পৃথিবীর ৪০% সামুদ্রিক জাহাজ বানায়।তারা নূহ(আ
লেখক বলেছেন: নিজেকে জ্ঞানী বলে জাহির কর্লাম কুথায় জনাব
, এই হিসাব বাইর করার জইন্য জ্ঞানী হুওন বা ণিকপড়া করন লাগে নাকি, এইগুলান তো ক্লাস দু/থ্রি এর পোলাপাইনে কর্তার্ব...
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
হু
লেখক বলেছেন: হ।
অনিশ্চিত বলেছেন:
ভাই, গণিত্ দিয়া ধর্ম চলে না। ধর্ম চলে বিশ্বাস দিয়া। আপ্নে যতোই অঙ্ক করেন্না কেনো, মানুষ্জন ভাব্বে আহা কী কুদ্রত! আর আপ্নেরে বল্বে চউক্ষে ঠুলি পইরা আছেন। এইজন্যই এইসব জ্বলন্ত প্রমাণ বুঝ্বার পার্তাছেন্না। পিলাচ।
লেখক বলেছেন: কি আর করা! চউক্ষে ঠুলি পড়া অবস্থায় এদের থেকে ভাল দেখতাসি এইটাই শান্তনা।
লেখক বলেছেন: কতা সেইটাই!
ক-খ-গ বলেছেন:
দস্যু ভাইজান খুবই খারাপ লুক
কাইলকা একজনে কবর আজাব লৈয়া অনেক তরপাইছিলো...
Click This Link
লেখক বলেছেন: এইটা তো টোটাল ক্রিমিনাল। এত্ত ভূঁয়া আর বানানো রেফারেন্স দেয়, মানুষ যে কি পরিমান মিথ্যাচার করতে পারে এর পোস্ট না দেখলে বুঝা যাবে না।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
আল্লার কি কুদ্রত, লাটির বিত্রে শর্বত!
লেখক বলেছেন: আল্লার কি কুদ্রত, লাটির বিত্রে শর্বত!
ম্যাভেরিক বলেছেন:
প্রজন্ম গ্যাপ পূর্ববর্তী প্রজন্মের প্রতি আমাদের উদাসীন করতে পারে, পিতা-মাতার কোন কিছু ভালো না লাগলে আমরা অনেক সময় বলি, তোমরা কোন কিছু বুঝ না।"আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও আমাদেরকে নিয়ে হাসাহাসি করতে পারে। তাই প্রজন্মের বন্ধন দৃঢ় করার জন্য, পুরাকালের কোন কিছুই নিছক পরমকথা বলে হেসে উড়িয়ে না দিয়ে গভীর পর্যালোচনা করা উচিত। আধুনিক যে গণিতের কথা আমরা বলি, সেই গণিতও কিন্তু আমাদের কম বিভ্রান্তও করে না। গণিত কিন্তু একটা assumption ছাড়া আর কিছু নয়। আমরা পরীক্ষার খাতায় যে ৯০ ডিগ্রী কোণটি আঁকি, সভ্যতা এত উৎকর্ষ, এত আধুনিক হওয়ার পরও আমরা কি নিশ্চিত যে সেটি আসলেই ৯০ ডিগ্রী, ৮৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯.... ডিগ্রী নয়!
এই যে ০ একটা ছোট্ট সংখ্যা, এর সামগ্রিক রূপ কি আমাদের মস্তিষ্ক এখনও ধারণ করতে পারে? ০ কে বলা হয় একমাত্র সংখ্যা যা একই সাথে বাস্তব এবং অবাস্তব: ০+oi.
পৃথিবীতে প্রথম গণিতবিদ কে? জানি না, কিন্তু আজকাল অনেকেই বলেন, পৃথিবীর প্রথম গণিতবিদ যদি একজন পুরুষ হন, তার সাথে একজন নারীও ছিলেন, কারণ যে সময় পুরুষ তার ভেড়াগুলি গুণত, সে সময় নারী তার মাসিক menstruation cycle এর হিসেবও রাখত। পৃথিবীতে আমরা প্রতিনয়ত কত কিছুই না জানছি।
আমাদের জীবন আসলে একটা বড় assumption, precise না। একটু বেশি কথা বলে ফেললাম, অপ্রাসঙ্গিক মনে হলে দু:খিত।
দ্বিধা বলেছেন:
আকাশ অনেক বিশাল, তাই এটা নিয়ে ভেবে লাভ নাই!গনিত অনেক কঠিন, তাই এটা না বুঝার চেষ্টায় ভাল!...
এম্নে চিন্তা করলে, কোন কিছুই আর আগাইত না!
লেখক বলেছেন: কথা সইত্য। এম্নে চিন্তা করলে, কোন কিছুই আর আগাইত না...
ম্যাভেরিক বলেছেন:
এগুনো বন্ধ করার মত মুর্খ কথা বলি নি, দ্বিধা ভাই। আমি বলতে চেয়েছি, যে ০ এর সভ্যতা দাঁড়িয়ে, সেই ০ কি বাস্তব না অবাস্তব, এ ধরণের চিন্তাও মনে আসে। আর এই কারণে প্রাচীন জিনিসের প্রতি শ্রদ্ধা যেন না হারাই, প্রাচীন মানুষেরা পিছিয়ে ছিল এটি সামগ্রিকভাবে বলার উপায় নাই। আজকাল শুনবেন বোধ হয়, নতুন এক তত্ত্বের কথা: সবকিছুই নাকি perception। এই যে আপনি, দ্বিধা ভাই, যদি মমতায় কারো হাত ধরেন, তাও নাকি আসলে বাস্তব হাত ধরা না, সবকিছুই নাকি মস্তিস্কে একটা perceptual feeling। চিন্তা শ্রদ্ধেয়, মতের পার্থক্য শ্রদ্ধেয়, কিন্তু মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা হারানো শ্রদ্ধেয় নয়।
লেখক বলেছেন: কার্যকারণ সূত্রের চর্চার মধ্য দিয়েই মানুষের মধ্যে জিজ্ঞাসা অবিশ্বাসের জন্ম হয়েছে , সভ্যতা এগিয়েছে। মানুষকে চিন্তাকষ্ট থেকে রেহাই দেবার জন্য আসমানী কিতাব মারফত প্রেরিত তত্ত্ব ও ফর্মুলাগুলোতে শিরোধার্য ধরে রাখলে আজকে আমরা প্রস্তর যুগ বাস করতাম। ধর্মগ্রন্থগুলো প্রাচীন মানুষদের চিন্তা-ভাবনাকে কোনভাবেই প্রতিফলিত করেনা, ওগুলোর রচয়িতারা বরাবরই মানুষের চিন্তাশক্তি ও ক্ষমতাকে আটকে রাখতে চেয়েছে। কিন্তু মানুষকে শেষ পর্যন্ত বেঁধে রাখা যায়নি। কেউ না কেউ, কোথাও না কোথাও মানুষের চেতনার, মননের, যুক্তির, সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে দ্রোহিতার মাধ্যমে।
প্রজ্ঞা তাসনুভা রূবাইয়াৎ বলেছেন:
বরফ যুগ শেষ হবার সময় পৃথিবীর বরফ গলে একটা বিশাল প্লাবন সৃষ্টি হইসিলো। তাতে পৃথিবীর পানি পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায়। অনেকেই বলে যে, বরফ যুগের শেষে এই বন্যায় মহাসাগর গুলো উচু হইসে, অনেক জমি পানির নিচে চলে গেসে, সাগর-নদী-জলাশয় হইসে। পৃথিবীরও এই আকার পরিবর্তন হইসে। নূহ (আ) এর প্লাবন এর রেফারেন্স সেইটা হতে পারে। আর মিথ সবসময়ই অতিরঞ্জিত। ধর্মও তাই। সে কারনেই অনেক কিছু যুক্তি দিয়ে সত্য-অসত্য প্রমাণ করা যায়না।
নূহ (আ) এর মহাপ্লাবনের ঘটনাটা পৃথিবীতে আরো কয়েকটি ধর্মের-জাতির মিথে রয়েছে। হিন্দু ধর্মে এই ঘটনার রেফারেন্স আছে বিষ্ণু কে নিয়ে। এরকম আছে বাইবেলেও ( নোয়া)। আরও দুই-তিন্টা ধর্মের কথা পড়েছিলাম, এই মুহুর্তে নাম মনে পড়ছেনা।
একটা মহাপ্লাবন হইসিলো বটে, এঈ ব্যাপারের সত্যতা অন্তত আমরা বিজ্ঞান আর পুরাণ থেকে পাই।
লেখক বলেছেন: আপননার বলা ঘটনার রেফারেন্সগুলো এইখানে পাবেন - http://www.livius.org/fa-fn/flood/flood1.html
... ধর্মগ্রন্থগুলো যে স্থানে-কালে রচিত হয়েছে সে স্থান-কালের জ্ঞানচর্চার মানের ওপরেই নির্ভর করছে ওগুলোতে কি কি বিষয়ে কতটা যৌক্তিক ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে তা। মানুষের অজ্ঞতা এবং সাধারন প্রাকৃতিক একটি ঘটনাকে পুঁজি করে আসমানী কিতাব রচয়িতারা মানুষকে এভাবেই বিভাজিত ও প্রতারিত করে আসছে।
আখসানুল বলেছেন:
অ্যামাটার বলেছেন: আমি সমাধান কইরা দিতেছি;১) নূহ (আ: ) ছিল মালদ্বীপে; একবৃষ্টিতেই তামাম দুনিয়া আন্ধার,
২) নৌকাতে নিছিল একটা অ্যামিবা; পরে বিবর্তন হইয়া জীবজগৎ গঠিত হইছে
নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে শুধুই বিভ্রান্তি জাগে। এই সব দিয়ে কোন তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না।
১. বাইবেল ও কোরআনে নুহের প্লাবনের যে বিবরণ দেয়া আছে তা বিস্তারিত না জানলেও অন্ততঃ ঘটনাটা সবাই জানেন। বাইবেলের ভাষ্য অনুযায়ী গোটা পৃথিবীজুড়ে এই প্লাবনে সবচাইতে উঁচু পাহাড়টিও তলিয়ে গিয়েছিল। পরমধার্মিক নোয়া (Noah) বা নুহ এবং তার পরিবারবর্গই কেবল রক্ষা পেয়েছিল। আসন্ন মহাপ্লাবন থেকে বাঁচতে নুহ সাহেব একটি নৌকা তৈরী করেন যার দৈর্ঘ্য ৩০০ কিউবেক, প্রস্থে ৫০ কিউবেক এবং উচ্চতা ৩০ কিউবেক। এটি ধারন করেছে শুধু নুহ আর তার পরিবারবর্গকেই নয়, পৃথিবীর যাবতীয় জীবকেও এক জোড়া করে। এছাড়া ছিল এসব জীবের জন্য পর্যাপ্ত খাবার ব্যবস্থা। চল্লিশ দিন পর্যন্ত পৃথিবীতে জলপ্লাবন হবার পর পৃথিবীর সবক'টি মহাপর্বত পনের হাত জলের নীচে তলিয়ে যায় এবং এর ফলে যাবতীয় ভূচর প্রাণী, পশু, পক্ষী, সরীসৃপ এবং মানুষ সবার সলিলসমাধি ঘটে। [আদিপুস্তক ৭ : ২১]
# বাইবেলে প্রচুর গোঁজামিল আছে- প্রমাণিত তত্ত্ব, গোঁড়া খ্রীস্টানরাও আজ তা মানে। মারিস বুকাইলির বইতে এর দারূন ব্যাখ্যা আছে তারা কিভাবে এসব নিজেদের জীবনের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে; অপরদিকে কোরআন বলে বাইবেল বিকৃত এবং কোরআন সত্য- সে অনুযায়ী কোরআনে অসঙ্গতির পরিমাণ কম কারণ কোরআন বাইবেলের মত ডিটেইলড নয়।
২. নুহের মহাপ্লাবনের এই কাহিনী দুইটি প্রশ্ন জাগায় - (১) এমন বর্ষন কি আদৌ সম্ভব যাতে গোটা পৃথিবী এমনটি সবচেয়ে উঁচু পাহাড়টিও ডুবে যেতে পারে? (২) নুহের নৌকাটি পৃথিবীর যাবতীয় জীবকুলকে একজোড়া করে ধারন করতে সক্ষম হয়েছিল?
# পৃথিবীর উঁচু পাহাড় তত্কালে কত ইঞ্চি ছিল তা আমরা জানি না, আনুমানিক একটা হিসেব দাঁড় করাতে পারি।
# তখন হয়তো জীবজগতে প্রজাতির সংখ্যা কম ছিল।
সমস্ত হিসাব বাতিল করলাম।
৩. কোরআনে নুহের মহাপ্লাবনের বিবরন মেলে সুরা ১১ এর ২৫ থেকে ৪৯ নং আয়াতে। বাইবেলের বিবরন থেকে কোরআনের বিবরন কিছুটা ভিন্ন। কোরআনে নুহের বন্যাকে নুহের জাতির উপর নেমে আসা গজব বলা হয়েছে, পৃথিবীব্যাপী নয়। কোন স্থানীয় বন্যায় পাহাড়-পর্বত নিমজ্জিত হয়ে পড়ার ঘটনা সম্পুর্ণ অবাস্তব। আরেকটা কথা হচ্ছে প্লাবনটা যদি স্থানীয় হয়ে থাকে তাহলে প্রজাতি সংরক্ষনের দরকার কি? কি প্রয়োজন ছিল একজোড়া করে জীব তুলে নেয়ার? পৃথিবীর অন্য স্থানগুলোতে কি ঐসব জীব আর ছিল না?
দুর্বল প্রশ্ন। অনেকভাবেই গ্রহণযোগ্য উত্তর দেওয়া যেতে পারে। ইকরাম ভাইও দিয়েছেন।
এরচেয়ে বরং নবীজির জীবনের ঘটনাগুলো আমার কাছে চিত্তাকর্ষক মনে হয়! সেগুলো নিয়ে যদি লিখতেন পাঠক অনেক ভাবত। নবীজি সমস্যায় পড়লেই সাথে সাথে ওহী নাযেল, বিপদে পড়লে তাত্ক্ষণিক হাদীস ও ব্যাখ্যা প্রদান, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নবীজির বিভিন্ন রূপ আচরণ-এগুলো পড়লেই ইসলামের কাঠামো কিভাবে গড়ে উঠল তা স্পষ্ট হয়ে উঠে। সাথে আছি।
লেখক বলেছেন: বাইবেলে গোঁজামিল আছে বুঝলাম। ... বুকাইলির বইটি পড়েছি। বুকাইলির মতে গজব সেদিন শুধু নুহের সম্প্রদায়ের উপর নেমে এসেছিল - আদ, সায়ুদ, লুত ও মাদিয়ান সম্প্রদায়ের উপর নেমে আসা গজবের মতোই ছিল নুহের প্লাবন। কিন্ত লক্ষনীয় হচ্ছে, পুর্ববর্তী গজবগুলোতে প্রজাতি সংরক্ষনের কথা বলা হয়নি, যা নুহের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে [... প্রত্যেক জিনিষের একজোড়া করিয়া তুলিয়া নাও; তোমার পরিবারবর্গকে সেই একজন বাদে যাহার বিরুদ্ধে নির্দেশ জারি হইয়া গিয়াছে.... ১১/৪০]। কথা হলো স্থানীয় প্লাবনে প্রজাতি সংরক্ষনের যুক্তি কি? আর বাইবেলে নুহের প্লাবনের দিনতারিখ, মেয়াদকালের কথা লিখা আছে, যেখানে কোরআনে তারিখ বা স্থায়িত্তকাল নিয়ে বিশেষ কিছু লেখা নাই। কিন্তু এভাবে বিষয়গুলোকে এড়িয়ে না গিয়ে বাইবেলের ভুলগুলি শুধরে দেয়া হবে এমন আশা কি করা যায় না? পরবর্তী প্রত্যাদেশগ্রন্থে এনিয়ে সঠিক ব্যাখ্যা থাকাটাই কি যৌক্তিক নয়, প্রিয় সৃস্টি মানুষকে এভাবে ধাঁধার
মধ্যে ফেলে রাখা কি ঠিক হলো?
লেখক বলেছেন: ফেলাড প্রায় ১৫০ দিন আছিল, আর ফেলাডের সমুয় নুহ ভাইজানের বয়স আছিল মাত্র ৬০০ বছর
... এইখানেই শেষ না, ঐ ফেলাডের প্রায় ৩৫০ বছর পর্যন্ত উনি বাইচা ছিলেন! Click This Link
# যুক্তিতো ইকরাম ভাই দিলেন ...সংরক্ষণ করতে দোষ কোথায়...? খালি খুঁত ধরলেইতো হইবো না, চিন্তাও করন লাগবো।
ডিপলি ভাবেন...সবই মওলার লীলা। তার কর্ম বোঝা ক্ষুদ্র জ্ঞাণে সম্ভব নয়। মওলার প্রতিটি কর্মের পিছনে একাধিক উদ্দেশ্য থাকে, হয়তো তার মধ্যে একটি তুচ্ছ উদ্দেশ্য হইল আফনের মনের মধ্যে প্রশ্ন জাগানো...হয়তো তার একটি উদ্দেশ্য ছিল যাতে এই বিষয়টি নিয়ে ভবিষ্যতে দুই ব্লগার (আমি আর আপনি) আলোচনা হুদাই আলোচনা চালায়...
২. কোরআনে তারিখ বা স্থায়িত্তকাল নিয়ে বিশেষ কিছু লেখা নাই। কিন্তু এভাবে বিষয়গুলোকে এড়িয়ে না গিয়ে বাইবেলের ভুলগুলি শুধরে দেয়া হবে এমন আশা কি করা যায় না? পরবর্তী প্রত্যাদেশগ্রন্থে এনিয়ে সঠিক ব্যাখ্যা থাকাটাই কি যৌক্তিক নয়, প্রিয় সৃস্টি মানুষকে এভাবে ধাঁধার
# এই খানেইতো কাহিনী! জায়গামতন ধরছেন! কিন্তু গভীর চিন্তায় এই প্রশ্নও দুর্বল, কারণ বিশ্বাস স্থাপনের পর সবই জায়েজ। ইবাদাত করন দরকার, তাই করমু; অত হিসাব-নিকাশ দিয়া কি করমু? হিসাব-নিকাশ দিলেইতো প্যাঁচ লাগতো...! নবীজিরে অত সহজে ট্রিট কইরেন না, বহুত চিন্তা করতেন উনি, হাদীস পড়লেই (প্রচুর হাদীস নিশ্চয় শেষ কইরা ফালাইছেন, আমি সবে শুরু করছি) প্রমাণ পাইবেন...কোরআনের সকল আয়াতের ব্যাকআপ আছে এইটা মনে রাখবেন! জমাট রক্তপিন্ড থেকে নাকি আল্লাহ তায়ালা মানুষ সৃষ্টি করছেন...অবাক কাহিনী! কিন্তু এরও ব্যাখ্যা বাইর হয়া গেছে, আমি খালি চায়া চায়া শুনি পন্ডিতরা কিভাবে ব্যাখ্যাগুলা বাইর করে...কেমন জানি জানি মদন মদন মনে হয় নিজেরে...অনেক কিছুই অহনও জানি না।
মামা, আইজকা ব্যস্ত। পরে আলোচনা হইবো।
যাই হোক, কোন সিদ্বান্তে আসা গেল না।
লেখক বলেছেন: ... সবই মওলার লীলা
!!!!!!!!!!
১) ইবলিশ না থাকলে পূণ্যের সাগরে ভেসে ভেসে জান্নাতুল ফেরদাউসে চলে যেতাম- মুসলিমদের বড় আক্ষেপ। ধর্মীয় পন্ডিতগণ বলেন, তাহলে আল্লাহর ইচ্ছা বা পরিকল্পনা পূর্ণতা পেত না। অথচ প্রথম ভাবনাটাই ভুল। আসলেই কি হত? লাতিন আমেরিকা কিংবা আফ্রিকার গহীন জঙ্গলে যেসব হাজার হাজার উপজাতি তারা কি ঈমাণদার হত? ফার্মগেটের ফুটপাত যে উদ্বাস্তু মানুষগুলোর আশ্রয়স্থল তাদের ঈশ্বর কোথায় থাকেন ? এদের জীবনের তাত্পর্য কি? মৃত্যুর পর এরা স্বর্গ না নরকে যাবে? ওরাতো কুরআনের মর্ম বোঝে না, আযানের ধ্বনি শুনলে মুমিন মুসলমানদের মতন দেল খোদার প্রতি হিপনোটাইজড মুহাব্বতে বিগলিত হয়েপড়ে না...ওরা পায়খানা-প্রস্রাব করে পশ্চিমে মুখ করে...কে জানে পরকালে কি ভয়ঙ্কর শাস্তি অপেক্ষা করছে ওদের জন্য।
ইসলাম না গ্রহণ করে এরা কি বেহেশতে যেতে পারবে? তা কিভাবে হয়? তাহলেতো এদের মত পৃথিবীর আনাচে-কানাচে যেখানে সভ্যতার আলো পৌঁছায়নি এমন জায়গায় বসবাসকারী লক্ষ-কোটি বেইমাণদার মানুষকেও আল্লাহ তায়ালার বেহেশতে নিতে হবে...অথচ বেহেশতে না নিলে নিক্ষিপ্ত করতে হবে দোযখে যদিও এদের শৈশবই এদেরকে ভাগ্যের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। তাহলে আল্লাহ তায়ালা এদের কোথায় রাখবেন? বেহেশত আর দোযখের মধ্যবর্তী স্থানে কি আছে?
**************************
২) ইবলিশের ধোকায় পড়ে মানুষের যত বেঈমানদারী কাজ। আল্লাহর কর্তৃক স্বীয় ইচ্ছা প্রয়োগের নির্দিষ্ট সীমার ভেতর থাকার পরও মুমিন ব্যক্তিকে আল্লাহর আদেশ অমান্য করার জন্য প্রয়োজনীয় দাগা দেয় এই ইবলিশ। না হলে সবাই হত ঈমাণদার।
বুঝি না, আল্লাহর ইচ্ছার মুখাপেক্ষী হওয়া সত্বেও (যখন কেউ ইবলিশের মতন ধোকা দেওয়া দেবার জন্য নিয়োজিত ছিল না) ইবলিশকে কে ধোকা দিয়েছিল যার ফলে সে আল্লাহর আদেশ অমান্য করে অভিশপ্ত হয়েছিল?
*****************************
৩) শয়তানের এত সূক্ষ্ণ বুদ্ধি, এমন ‘চতুর’ আর ‘বুদ্ধিমান’ সে যে তার সূক্ষ্ণ কুবুদ্ধি দিয়ে সে জ্ঞাণী-গুণী অনেক ঈমানদার ব্যক্তিকেও প্রায় ‘ধোঁকা’ (পথচ্যূত) দিয়ে ফেলেছিল…ইতিহাসে এর প্রচুর নজির আছে পরবর্তী ঈমানদারদের সাবধান করে দেবার জন্য, এত সূক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন শয়তান কি 'বুঝতে' পারে না যে সে আসলে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালার মহাপরীক্ষার একটা অংশমাত্র? সে কি ‘জানে’ না যে, একদিন সে নিজে নিক্ষিপ্ত হবে মহাধ্বংসের (জাহান্নাম) মুখে?’
...আমি বিশ্বাস করি কাল সকালে সূর্য উঠবে, তেমনি ধার্মিকও বিশ্বাস করে ইবলিশ অস্তিত্বমান, ‘একদিন’ সে ধ্বংস হবে আল্লাহ কর্তৃক…কিন্তু ইবলিশ কি তা ‘জানে’ না? ইবলিশের ক্ষেত্রে ‘জানা’ শব্দটা ব্যবহার করাটা কি সঠিক? নাকি আল্লাহর সাপেক্ষে শুধু ‘বিশ্বাস’-ই আছে, কোন ‘জানা’ নেই? তবে কি বলতে হবে ইবলিশ ‘বিশ্বাস’ করে না? ইবলিশ কি ধার্মিকের চিন্তা-চেতনায় (মানুষের চিন্তায় ইবলিশের যাতায়াত ইসলাম নিশ্চিত করেছে) প্রবেশ করে এটা ‘জেনে’ (‘বিশ্বাস করে নিতে’) পারছে না যে সে একদিন ধ্বংস হবে? ধার্মিক যা ‘বিশ্বাস’ করে তা কেন ইবলিশ 'বিশ্বাস' করে না?
আমি নতুন, এ কারণে কেউ কথা কইতে চায় না।
আমি জানি উত্তর আছে...। এগুলো সবই আমার নিজের মনের প্রশ্ন। শেষ প্রশ্নটার উত্তর একজন দিছে, 'প্রবৃত্তি'।
লেখক বলেছেন: উত্তরগুলান কি পাইসেন???
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ফেলাড প্রায় ১৫০ দিন আছিল, আর ফেলাডের সমুয় নুহ ভাইজানের বয়স আছিল মাত্র ৬০০ বছর ...
মানুষ বলেছেন:
ঐ সময় সবাই সাইজে ছোট ছিল।
লেখক বলেছেন: হা হা .... এইটা জটিল কইসেন!
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
কিন্তু মাইনষে কয় ঐ সময় নাকি সবার সাইজ বড় ছইল@মানুষ.....চিন্তার বিষয়.....
ভালো-মানুষ বলেছেন:
কি আর করা, উত্তর হেগো কাছে একটা না একটা আছেই! +
তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন:
uporer alochonay onek jukti jukto kotha bola hoyacha. shegulo porlay oneker monai proshno jagbe. amar monao ase. shudhu ase bolle bhul hobe karon prochur porimane ase.kintu ekta bapar amar kase khotka lage sheta holo eto shundor jibon japoner dhara jai kitabe bola ache (quran) shei eki kitabe ki eto boro dhuka deya thakbe??? amar kaseo ekhon pray e dhormoke fake mone hoy.. kintu ei ekta khotka ami dur korte pari na. karon amder intelligence shimabodho. amra protidin notun notun jinish jante parchi. onek bhul dharona bhangche. hoyto hoyto ekdin proman hobe ashola dhormoi shotto. karon ami amar jibone prochur khetre dakhachi jake obishombhai shothik jukti mone hoy tao kisu din pore notun gayaner aloke tar bhul bujha jay. tai ekhono pore achi bishash nia. hoyto juralo noy tobe ha .... ei bishash amar kuno khoti kore ni.shudhu valor rastai dakhiyecha. oneke eka puji kore babsha korse ebong manush ke dhuka dichha . kintu amader er mul uddeshho dekhte hobe. ar lekhoker ei dharonar shatha ami ekmot noi ja islam manusher gayan ke shimabodho kore rakhte chayacha. karon allah bolesne gayan orjoner jonno dorkar hole puro prithibi bromon koro. nari der khatrao tai. kintu eshob baparer bhul bakha ebong egulo nia babshai islam ke aj ai manusher chukhe kharap kore tulecha. lekhok ebong kichu bloggerder kacha onurudh shudhu likhar shomoy bhibinno nobi rasul nia ektu shommaner shatha kotha bolben . karon amra onek blogger jara eta porchi tader feelings eta jorito thakte pare. asha kori kichu mone korben na. oshonkho dhonnobad.
লেখক বলেছেন: অনেক ধইন্যবাদরে ভাই, এইমাত্র পইড়া আসলাম। জটিল একখান পোস্ট!
রিফাত হোসেন বলেছেন:
নাজিম সাহেবরে সাপোর্ট দিলাম
সুইট বলেছেন:
ছাগল তোর অংকের বাইরে এইসব।
মাহমুদহাসান বলেছেন:
বাহ। এতটাই কাকতালীয়ভাবে দুজন একই পোস্ট দিলাম!
ইমরাজ বলেছেন:
ফালতূ গবেষণা; আল্লাহ ইচ্ছা করলে সবাইকে বিশ্বাসী বানাতে পারতেন। কিন্তু কুরআন কে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী হিসেবে।
মুসা (আঃ) এর লাঠি সাপ হত। এটি আপনি বিজ্ঞানের কোন Theory দিয়ে প্রমান করবেন।
ঈসা (আঃ) মৃতকে জীবিত করতে পারতেন। এটি কি science দিয়ে প্রমাণ করা সম্ভব?
এগুলো হচ্ছে Fact..........বিশ্বাস-অবিশ্বাস আপনার ব্যাপার।
জাহান্নামে নাকি জান্নাতে যাবেন; এটিও আপনার ব্যাপার
আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুন
লেখক বলেছেন: ব্যপক মন্তব্য! কমপক্ষে ২টা বিষয়ে জ্ঞান লাভ হইল -
১. মুসা (আঃ) এর লাঠি সাপ হত।
২. ঈসা (আঃ) মৃতকে জীবিত করতে পারতেন। (এখানে আপসুসের ইমো হবে)
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















আপনি যেটা বললেন শুধু এইটা কেন আরো অনেক গাঁজাখুরি এবং অযৌক্তিকতা নিয়াই ধর্মগুলা দাঁড়ানো ।
কিছু কুযুক্তিক জবাবের ভবিষ্যৎবানী করি ।
১- পাহাড় ডুবানোর পানি আল্লাহর আদেশে গায়েব থাইকা আসছিল আবার তার আদেশেই গায়েবে চইলা গেছিল ।
২- স্থানীয় বন্যায় পাহাড় ডুবানোর মত পানি কিছুতেই ধইরা রাখা সম্ভব না । সেটা গড়াইয়া চৈলাই যাইব । যদি সেই পাহাড়টা একটা গভীর খাতের মধ্যে অবস্থিত না হয় । সুতরাং নূহের কওম থাকত এমন একটা জায়গায় যার চাইরপাশ সর্বোচ্চ পাহাড়টার চাইতেও উচা ছিল । অথবা আল্লাহর আদেশের অদৃশ্য বাঁধে পানি আটকাইয়া ছিল ।
৩- খাবারের ব্যবস্থা আল্লাহ করছেন ।
৪- অন্য জায়গায় আছে বৈলা সেই প্রাণী সেইভ করতে দোষ কোথায় ।
সবগুলা ঘটনা কিন্তু দেখবেন এমন এক সময়ে ঘটছে যেটার কোনো প্রমাণ এখন সম্ভব না ।