আমার প্রিয় পোস্ট
- তাজউদ্দীন আহমদ ও জনগণের রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা - স্পাইডার
- একটি লিফলেটে সব গার্মেন্টস্ মালিকের বাটপারী ফুটে উঠেছে। - চরমপত্র
- কিউবি আর বাংলালায়নের দালালদের থেকে নিজেকে রক্ষা করুন - রংধনূ
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- নড়াইলে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলার বর্বর ভিডিও - চন্দন
- বঙ্গবন্ধু বনাম শহীদ জিয়া - জলপাই দেশি
- একজন বীরশ্রেষ্ঠের মা এবং তাঁর পায়ের ছেঁড়া স্যান্ডেল - নিরব হাসি
- বিদ্রোহ ১৯৭৭'বাংলাদেশ: অবশেষে একটা স্থির চিত্র পেলাম! - এ. এস. এম. রাহাত খান
- 100% কাজের রেপিডশেয়ার মেগাআপলোড প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর সাইট লিষ্ট - স্স্পরসের বাহিরে
- কম্পিউটার টেকনিশিয়ানদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সাইট (কপি পেষ্ট) - বোরিংবয়
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- উগ্র হিন্দুবাদের কবলে মুসলমানদের ইতিহাস - স্পাইডার
- ছোটো আকারের মুভি ডাউনলোডের জন্য 300mbunited টীম। - অমিত০৯৭
- টাই নটের পদ্ধতি সমূহ।। - সবুজ পোকা
- টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের এ কেমন নীরবতা????!!!! - ব্যতিক্রমী
- ফেল্লাচি বলেছিলো শেখ মুজিব ভুয়া এবং মেকী - স্পাইডার
- বেঁচে থাকো সর্দিকাশি - সৈয়দ মুজতবা আলী - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ইহুদিরা যুগে যুগে যেভাবে প্যালেষ্টাইন দখল করেছে - রিয়াজুল ইস্লাম
- তনুজা তুমি সোমেশ্বরী হয়ে ওঠো। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- আওয়ামীলিগ তাদের প্রিয় ভারতের স্বার্থে যেভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পথ রুদ্ধ করলো - হুমমম...
- "কেসপারস্কি-২০০৯ এন্টিভাইরাস ফুল ভারসন" ক্রেকসহ ফ্রি ডাউনলোড করুন। - লুলুপাগলা
- কয়েকটা মুভির নাম কি দিতে পারেন?
(১৮+) - লুলুপাগলা
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- আফতাব আর আশরাফুল এইচ এস সি ফেল - অন্যমনস্ক শরৎ
ফেল্লাচি বলেছিলো শেখ মুজিব ভুয়া এবং মেকী
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:২২
২৯ জুন ইতালিয়ান লেখিকা ওরিয়েনা ফাল্লাচির জন্মদিন। বাংলাদেশের সচেতন মহল এই নামটির সাথে পরিচিত। বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে তার নেয়া একটি সাক্ষাতকার বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। এই দেশের মানুষের প্রতি তার মূল্যায়ন এখনকার সময়ে এসে অতি প্রয়োজনীয় হিসাবে দেখা দিয়েছে। এই ধরনের সত্যব্রত সাংবাদিক পৃথিবীতে খুব একটা বেশি জন্মলাভ করেনি। প্রথমে তার জন্ম দিনে তাকে স্মরণ করছি। ২০০৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মৃত্যবরন করেন তিনি। তিনি এমন একজন সাংবাদিক ছিলেন যে কথপোকথনের মাধ্যমে আসল সত্যকে উদ্ধার করতে পারতেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে তার সম্পর্ক কি সেটা বলার আগে তার সম্পর্কে কিছুটা আমি উল্ল্যেখ করছি।
ইতালিয়ান লেখিকা ওরিয়ানা ফাল্লাচি আপসহীন রাজনৈতিক সাক্ষাতকার গ্রহণকারী হিসেবেই সবচেয়ে পরিচিত। তিনি ১৯২৯ সালের ২৯ জুন ইতালির ফোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ফ্যাসিবাদ বিরোধী একজন সক্রিয় কর্মী। দীর্ঘ পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে তিনি অত্যন্ত সফল। সাংবাদিক হিসেবে ওরিয়ানা আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত রাজনৈতিক ও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্বের সাক্ষাতকার নিয়েছেন। তাদের মাঝে হেনরি কিসিঞ্জার, ইরানের শাহ, আয়াতুল্লাহ খোমিনি, উইলি ব্রান্ডিট, জুলফিকার আলী ভুট্টো, ওল্টার ক্রনকিট, ওমর খাদাফি, ফেডরিকো ফেলিনি, ইয়াসির আরাফাত, ইন্দিরা গান্ধী, শেখ মুজিব,শন কনারি প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ওরিয়ানা ফাল্লাচি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গণতান্ত্রিক স্বশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী 'গুইয়াসতিজিয়া ই লিবার্তা'য় যোগ দেন। তার পিতা এদোয়ার্দো ফাল্লাচি ছিলেন একজন কাঠশিল্পী ও সক্রিয় রাজনৈতিককর্মী। ইতালির ফ্যাসিস্ট বেনিটো মুসোলিনি'র বিরুদ্ধে তারা সংগ্রাম করছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত সফলও হয়েছেন। তবে এর জন্যে এদোয়ার্দো ফাল্লাচিকে অনেক নির্যাতন সহ্য করতে হয়। মুসোলিনির বিরুদ্ধে আন্দোলনে ওরিয়ানার পিতা এদোয়ার্দো একবার ধরা পড়েন। অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয় তার ওপর। রাজনৈতিক ম্যাগাজিন 'এল ইউরোপীয়' তে দীর্ঘদিন বিশেষ রাজনৈতিক প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বহু খ্যাতনামা সংবাদপত্র এবং ম্যাগাজিনে লেখালেখি করেছেন। ১৯৬৮ সালে মেক্সিকান স্বশস্ত্র গোষ্ঠী ওরিয়ানার ওপর তিনবার বন্দুক হামলা চালায়। প্রতিবারই তিনি অল্পের জন্যে প্রাণে রক্ষা পান। ১৯৭৩ সালে সাক্ষাতকার নিতে গিয়ে আলেক্সজান্ডার প্যানাগোউলিস'র প্রেমে পড়েন তিনি। ১৯৬৭ সালের গ্রিক একনায়কের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ছিলেন আলেক্সজান্ডার প্যানাগোউলিস। ১৯৭২ সালে ওরিয়ানা ফাল্লাচিকে দেয়া সাক্ষা'কারে হেনরি কিসিঞ্জার, 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ'কে অপ্রয়োজনীয় বলে স্বীকার করে নেন। কিসিঞ্জার পরবর্তীতে এই সাক্ষাতকার সম্পর্কে লিখেছেন, 'প্রেসের সঙ্গে জড়িত কারো সঙ্গেই ইতোপূর্বে আমি এতো ভয়ঙ্কর কোনো আলোচনা করিনি।' 'লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস' এ ওরিয়ানাকে চিত্রিত করা হয়েছে এভাবে, 'কোনো বিশ্ব ব্যক্তিত্বের পক্ষেই যে সাংবাদিককে 'না' বলা সম্ভব নয়।' নিজের সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন ছিল, 'আমি কখনোই নিজেকে শান্ত একটি রেকর্ডারের মতো বিবেচনা করি না, যে শুধু যা দেখে এবং শোনে সাফল্যের সঙ্গে তাই ধারণ করে রাখে। 'ওরিয়ানা ফাল্লাচির এই বক্তব্যের মধ্যে তার নিজস্ব দর্শনের কিছুটা ছাপ পাওয়া যায়। অর্থাত সবকিছুর পরও নিজের অভিমত বা সিদ্ধান্তকে তিনি মর্যাদা দিতে আগ্রহী। ওরিয়ানা তাঁর নেয়া সাক্ষাতকার সম্পর্কে বলেছেন, 'প্রতিটি সাক্ষা'কারই আমার নিজের আঁকা ছবি।' বিষয়টির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, 'আমি যদি চিত্রকর হতাম এবং তখন তোমার ছবি আঁকতাম, তবে সে সময় আমি যেভাবে তোমাকে আঁকতে চাইতাম সেভাবে আঁকার অধিকার কি আমার থাকতো না?'
সাংবাদিকতায় ওরিয়ানা ফাল্লাচি দুইবার সম্মানজনক 'সেন্ট ভিনসেন্ট' পুরস্কার অর্জন করেন। এ ছাড়াও সাংবাদিকতায় এবং লেখালেখির কারণে তিনি বহু পুরস্কার অর্জন করেন। শিকাগোর কলাম্বিয়া কলেজ তাঁকে 'ডি লিট' সম্মানে ভূষিত করেছে। ওরিয়ানা ফাল্লাচি ইউনির্ভার্সিটি অব শিকাগো, ইয়েল ইউনিভার্সিটি, হার্ভাড ইউনিভার্সিটি এবং কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে লেকচার দিয়েছেন। ওরিয়ানা ফাল্লাচি’র লেখা বিশ্বের প্রায় ২১টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে, এ ম্যান (১৯৭৯), দ্য সেভেন সিনস অব হলিউড (১৯৫৮), দ্য ইউজলেস সেক্স: ভয়েজ অ্যারাউন্ড দ্য ওম্যান, (১৯৬১), পেনেলোপ এট ওয়ার (১৯৬২), লাইমলাইটার্স (১৯৬৩), দ্য ইগোটিস্ট: সিক্সটিন সারপ্রাইজিং ইন্টারভিউস (১৯৬৩), কুয়েল জিওরনো সুলা লুনা (১৯৭০), ইনশাল্লাহ, ইফ দ্য সান ডাইস, ইন্টারভিউ উইথ হিস্টরি (১৯৭৬), লেটার টু অ্যা চাইল্ড নেভার বর্ন, নাথিং অ্যান্ড সো বি ইট, ওরিয়ানা ফাল্লাসি ইন্টারভিসতা ওরিয়ানা ফাল্লাচি (২০০৪), দ্য রেজ অ্যান্ড দ্য প্রাইড (২০০১) এবং দ্য ফোর্স অব রিজন (২০০৪) উল্লেখযোগ্য।
জীবনের শেষ বছরটি তিনি কাটিয়েছেন নিউইয়র্কে। সেখানে তিনি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চিকিতসা নিচ্ছিলেন। কিন্তু তিনি আর টিকে থাকেননি। ২০০৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর , ৭৭ বছর বয়সে নিজ শহর ইতালির ফোরেন্সে চিরঘুমের দেশে পাড়ি জমিয়েছেন আমৃত্যু সংগ্রামী ওরিয়ানা ফাল্লাচি ।(ইনফরমেশন গুলো ইন্টারনেট থেকে নেওয়া ও কিছু অনুবাদ করা)
১৯৭২ সালের ফেব্রিয়ারীতে ফেল্লাচি বাংলাদেশে আসেন শেখ মুজিবের সাক্ষাতকার নেবার জন্য।এই সাক্ষাতকারে মুজিব কেমন ধরনের মানুষ ছিলেন সেই সম্পর্কে বিষদ বিবরন তিনি দিয়েছেন।সাক্ষাতকারটি এতো বড় যে সেটা এখানে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়।এই সাক্ষাতকারটির অংশগুলো আমি সাংবাদিক এবং অনুবাদক আনোয়ার হোসাইন মঞ্জুর লেখা থেকে সম্পাদনা করেছি।
রবিবার সন্ধ্যা : আমি কলকাতা হয়ে ঢাকার পথে যাত্রা করেছি। সত্যি বলতে কি, ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তাদের বেয়নেট দিয়ে যে যজ্ঞ চালিয়েছে তা প্রত্যক্ষ করার পর পৃথিবীতে আমার অন্তিম ইচ্ছা এটাই ছিল যে, এই ঘৃণ্য নগরীতে আমি আর পা ফেলবো না। এ রকম সিদ্ধান্ত আমি নিয়েই ফেলেছিলাম। কিন্তু আমার সম্পাদকের ইচ্ছা যে, আমি মুজিবের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করি। ভুট্টো তাকে মুক্তি দেয়ার পর আমার সম্পাদকের এই সিদ্ধান্ত যথার্থ ছিল। তিনি কি ধরনের মানুষ? আমার সহকর্মীরা স্বীকৃতি দিল, তিনি মহান ব্যক্তি, সুপারম্যান। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি দেশকে সমস্যামুক্ত করে গণতন্ত্রের পথে পরিচালিত করতে পারেন।
আমার স্মরণ হলো, ১৮ ডিসেম্বর আমি যখন ঢাকায় ছিলাম, তখন লোকজন বলছিল, ‘মুজিব থাকলে সেই নির্মম, ভয়ঙ্কর ঘটনা কখনোই ঘটতো না। মুজিব প্রত্যাবর্তন করলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না’। কিন্তু গতকাল মুক্তিবাহিনী কেন আরো ৫০ জন নিরীহ বিহারিকে হত্যা করেছে? ‘টাইম’ ম্যাগাজিন কেন তাকে নিয়ে বিরাট প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে হেডলাইন করেছে? আমি বিস্মিত হয়েছি, এই ব্যক্তিটি ১৯৬৯ সালের নভেম্বরে সাংবাদিক অ্যালডো শানতিনিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আমার দেশে আমি সবচেয়ে সাহসী এবং নির্ভীক মানুষ, আমি বাংলার বাঘ, দিকপাল ... এখানে যুক্তির কোনো স্থান নেই ...।’ আমি বুঝে উঠতে পারিনি, আমার কি ভাবা উচিত।......
...... আমরা রান্নাঘরে প্রবেশ করে দেখলাম, মুজিবের স্ত্রী খাচ্ছেন। সঙ্গে খাচ্ছে তার ভাগনে ও মামাতো ভাইবোনেরা। একটা গামলায় ভাত-তরকারি মাখিয়ে আঙ্গুল দিয়ে মুখে পুরে দিচ্ছে সবাই। এ দেশে খাওয়ার পদ্ধতি এ রকমই। মুজিবের স্ত্রী আমাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন। ঠিক তখনই মুজিব এলেন। সহসা রান্নাঘরের মুখে তার আবির্ভাব হলো। তার পরনে এক ধরনের সাদা পোশাক, যাতে আমার কাছে তাকে মনে হয়েছিল একজন প্রাচীন রোমান হিসেবে। পোশাকের কারণে তাকে দীর্ঘ ও ঋজু মনে হচ্ছিল। তার বয়স একান্ন হলেও তিনি সুপুরুষ। ককেশীয় ধরনের সুন্দর চেহারা। চশমা ও গোফে সে চেহারা হয়েছে আরো বুদ্ধিদীপ্ত। যে কারো মনে হবে, তিনি বিপুল জনতাকে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি স্বাস্থ্যের অধিকারী।
আমি সোজা তার কাছে গিয়ে পরিচয় পেশ করলাম এবং আমার উদ্দেশ্য ব্যক্ত করলাম। মি. সরকার ভূমিতে পতিত হয়ে মুজিবের পদচুম্বন করলেন। আমি মুজিবের হাতটা আমার হাতে নিয়ে বললাম, ‘এই নগরীতে আপনি ফিরে এসেছেন দেখে আমি আনন্দিত, যে নগরী আশঙ্কা করছিল যে আপনি আর কোনোদিন এখানে ফিরবেন না।’ তিনি আমার দিকে তাকালেন একটু উষ্মার সঙ্গে। একটু অবজ্ঞার হাসি হেসে বললেন, ‘আমার সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলো।’
আমার দ্বিধা ও সন্দেহের কারণ উপলব্ধি করা সহজ। মুজিবকে আমি জেনে এসেছি একজন গণতন্ত্রী ও সমাজতন্ত্রী হিসেবে। যখন আমি দম নিচ্ছিলাম, একজন যুবক আমার কাছে এসে বললো, সে ভাইস সেক্রেটারি। বিনয়ের সঙ্গে সে প্রতিশ্রুতি দিল, বিকাল চারটার সময় আমি ‘সরকারি বাসভবনে’ হাজির থাকতে পারলে আমাকে দশ মিনিট সময় দেয়া হবে।...
সেই সময়ের ঢাকা নগরীকে তিনি এই ভাবে তুলে ধরেছেন- ......বিকাল সাড়ে তিনটায় নগরী ক্লান্ত, নিস্তব্ধ, ঘুমন্ত মধ্যাহ্নের বিশ্রাম নিচ্ছে। রাস্তায় কাধে রাইফেল ঝুলানো মুক্তিবাহিনী টহল দিচ্ছে। যুদ্ধ শেষ হয়েছে এক মাসেরও বেশি সময় আগে। কিন্তু এখনো তাদের হাতে অস্ত্র আছে। তারা রাত-দিন টহল দেয়। এলোপাতাড়ি বাতাসে গুলি ছোড়ে এবং মানুষ হত্যা করে। হত্যা না করলে দোকানপাট লুট করে। কেউ তাদের থামাতে পারে না, এমনকি মুজিবও না। সম্ভবত তিনি তাদের থামাতে সক্ষম নন। তিনি সন্তুষ্ট এজন্য যে, নগরীর প্রাচীর তার পোস্টার সাইজের ছবিতে একাকার। মুজিবকে আমি আগে যেভাবে জেনেছিলাম, তার সঙ্গে আমার দেখা মুজিবকে মেলাতে পারছি না।...
ফেল্লাচি মুজিবের চারিত্রিক এবং ব্যক্তিত্যের বৈশিষ্ট্য নিয়ে নিজেকেই প্রশ্ন করেছেন এইভাবে... সোমবার সন্ধ্যা : আমি যে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছি এটা ছিল একটা দুর্বিপাক। তার মানসিক যোগ্যতা সম্পর্কে আমার সন্দেহ ছিল। এমনকি হতে পারে যে, কারাগার এবং মৃত্যু সম্পর্কে ভীতি তার মস্তিষ্ককে ভীষণভাবে আলোড়িত করেছে? তার ভারসাম্যহীনতাকে আমি আর কোনোভাবেই ব্যাখ্যা করতে পারি না। একই সময়ে আমি বলতে চাচ্ছি, কারাগার এবং মৃত্যুর ভয় ইত্যাদি... সম্পর্কে কাহিনীগুলো... আমার কাছে এখনো খুব স্পষ্ট নয়। এটা কি করে হতে পারে যে, তাকে যে রাতে গ্রেফতার করা হলো, সে রাতে সব পর্যায়ের লোককে হত্যা করা হলো? কি করে কি করে এটা হতে পারে যে, তাকে কারাগারের একটি প্রকোষ্ঠ থেকে পলায়ন করতে দেয়া হলো, যেটি তার সমাধিসৌধ হতো? তিনি কি গোপনে ভুট্টোর সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিলেন? আমি যতো তাকে পর্যবেক্ষণ করেছি, ততো মনে হয়েছে, তিনি (মুজিব) কিছু একটা লুকাচ্ছেন।...
এরপর ফেল্লাচি মুজিবের অফিসে যায় এবং তার সাথে কথা বলার বিবরন দিতে গিয়ে বলেন মুজিব তারসাথে খুব একটা ভালো ব্যবহার করেননি।তিনি সাক্ষাতকারটি এইভাবে নিয়েছেন- কেউ আমাকে অভ্যর্থনা জানালো না। কেউ আমার উপস্থিতিকে গ্রাহ্য করলো না। মুজিব আমাকে বসতে বলার সৌজন্য প্রদর্শন না করা পর্যন্ত সুদীর্ঘক্ষণ নীরবতা বিরাজ করছিল। আমি সোফার ক্ষুদ্র প্রান্তে বসে টেপ রেকর্ডার খুলে প্রথম প্রশ্ন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু আমার সে সময়ও ছিল না। মুজিব চিৎকার শুরু করলেন, ‘হারি আপ, কুইক, আন্ডারস্ট্যান্ড? নষ্ট করার মতো সময় আমার নেই। ইজ দ্যাট ক্লিয়ার?... পাকিস্তানিরা ত্রিশ লক্ষ লোক হত্যা করেছে, ইজ দ্যাট কিয়ার... আমি বললাম, ‘মি. প্রাইম মিনিস্টার...।’ মুজিব আবার চিৎকার শুরু করলেন, ‘ওরা আমার নারীদেরকে তাদের স্বামী ও সন্তানদের সামনে হত্যা করেছে। স্বামীদের হত্যা করেছে তাদের ছেলে ও স্ত্রীর সামনে। মা-বাপের সামনে ছেলেকে, ভাইবোনের সামনে ভাইবোনকে ... ‘মি. প্রাইম মিনিস্টার... আমি বলতে চাই...’
‘তোমার কোনো কিছু চাওয়ার অধিকার নেই, ইজ দ্যাট রাইট?’
‘আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া হলো। কিন্তু একটা বিষয় সম্পর্কে আমি আরো কিছু জানতে চাই।’ বিষয়টা আমি বুঝতে পারছিলাম না। ‘মি. প্রাইম মিনিস্টার, গ্রেফতারের সময় কি আপনার ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল।’
‘নো, ম্যাডাম নো। তারা জানতো, ওতে কিছু হবে না। তারা আমার বৈশিষ্ট্য, আমার শক্তি, আমার সম্মান, আমার মূল্য, বীরত্ব সম্পর্কে জানতো, আন্ডারস্ট্যান্ড?’
‘তা বুঝলাম। কিন্তু আপনি কি করে বুঝলেন যে তারা আপনাকে ফাঁসিতে ঝোলাবে? ফাঁসিতে ঝুলিয়ে কি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়?’
‘নো, নো ডেথ সেনটেন্স।’
এই পর্যায়ে তাকে দ্বিধাগ্রস্ত মনে হলো এবং তিনি গল্প বলতে শুরু করলেন, ‘আমি এটা জানতাম। কারণ ১৫ ডিসেম্বর ওরা আমাকে কবর দেয়ার জন্য একটা গর্ত খনন করে।’
‘কোথায় খনন করা হয়েছিল সেটা?’
‘আমার সেলের ভেতরে।’
‘আমাকে কি বুঝে নিতে হবে যে গর্তটা ছিল আপনার সেলের ভেতরে?’
‘ইউ মিস আন্ডারস্ট্যান্ড।’
‘আপনার প্রতি কেমন আচরণ করা হয়েছে মি. প্রাইম মিনিস্টার?’
‘আমাকে একটা নির্জন প্রকোষ্ঠে রাখা হয়েছিল। এমনকি আমাকে সাক্ষাৎকারের অনুমতি দেয়া হতো না, সংবাদপত্র পাঠ করতে বা চিঠিপত্রও দেয়া হতো না, আন্ডারস্ট্যান্ড?’’
‘তাহলে আপনি কি করেছেন?’
‘আমি অনেক চিন্তা করেছি, পড়াশোনা করেছি।’
‘আপনি কি পড়েছেন?’
‘বই এবং অন্যান্য জিনিস।’
‘তাহলে আপনি কিছু পড়েছেন।’
‘হ্যা, কিছু পড়েছি’।
‘কিন্তু আমার ধারণা হয়েছিল, আপনাকে কোনো কিছুই পড়তে দেয়া হয়নি।’
‘ইউ মিস আন্ডারস্টুড।’
‘তা বটে মি. প্রাইম মিনিস্টার। কিন্তু এটা কি করে হলো যে, শেষ পর্যন্ত ওরা আপনাকে ফাঁসিতে ঝোলালো না।’
‘জেলার আমাকে সেল থেকে পালাতে সহায়তা করেছেন এবং তার বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছেন।’
‘কেন, তিনি কি কোনো নির্দেশ পেয়েছিলেন?’
‘আমি জানি না। এ ব্যাপারে তার সঙ্গে আমি কোনো কথা বলিনি এবং তিনিও আমার সঙ্গে কিছু বলেননি।’
‘নীরবতা সত্ত্বেও কি আপনারা বন্ধুতে পরিণত হয়েছিলেন?’
‘হ্যা, আমাদের মধ্যে বহু আলোচনা হয়েছে এবং তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, আমাকে সাহায্য করতে চান।’
‘তাহলে আপনি তার সঙ্গে কথা বলেছেন?’
‘হ্যা, আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি।’
‘আমি ভেবেছিলাম, আপনি কারো সঙ্গেই কথা বলেননি।’
‘ইউ মিস আন্ডারস্টুড।’
‘তা হবে মি. প্রাইম মিনিস্টার। যে লোকটি আপনার জীবন রক্ষা করলো আপনি কি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা অনুভব করেন না?’
‘এটা ছিল ভাগ্য। আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি।’...
এরপর ফেল্লাচি মুজিবের সাথে নানা প্রসঙ্গে জানতে চান কিন্তু শেখ মুজিব তাকে ডমিনেট করে কথা বলতে থাকে।মুজিবের ব্যক্তিগত সম্পত্তির দুঃখ যে তার মনকস্টের কারন হয়ে আছে সেটা ফেল্লাচির কাছে অবাক করেছে।ফেল্লাচি বিষয়টিকে এভাবে লিখেছে-
... আমার বাড়ি, জমি, সম্পত্তি ধ্বংস করেছে, আমার...(মুজিব)।’
তিনি যখন তার সম্পত্তির অংশে পৌছলেন, তার মধ্যে এমন একটা ভাব দেখা গেল, যা থেকে তাকে এ প্রশ্নটা করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করলাম যে, তিনি সত্যিই সমাজতন্ত্রী কি না? তিনি উত্তর দিলেন, ‘হ্যা...’। তার কণ্ঠে দ্বিধা। তাকে আবার বললাম, সমাজতন্ত্র বলতে তিনি কি বোঝেন? তিনি উত্তর দিলেন, ‘সমাজতন্ত্র’। তাতে আমার মনে হলো, সমাজতন্ত্র সম্পর্কে তার যথার্থ ধারণা নেই।
এরপর ১৮ ডিসেম্বর হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি রাগে ফেটে পড়লেন। নিচের অংশটুকু আমার টেপ থেকে নেয়া:
‘ম্যাসাকার? হোয়াট ম্যাসাকার?’
‘ঢাকা স্টেডিয়ামে মুক্তিবাহিনীর দ্বারা সংঘটিত ঘটনাটি।’
‘ঢাকা স্টেডিয়ামে কোনো ম্যাসাকার হয়নি। তুমি মিথ্যে বলছো।’
‘মি. প্রাইম মিনিস্টার, আমি মিথ্যেবাদী নই। সেখানে আরো সাংবাদিক ও পনেরো হাজার লোকের সঙ্গে আমি হত্যাকা- প্রত্যক্ষ করেছি। আপনি চাইলে আমি আপনাকে তার ছবিও দেখাবো। আমার পত্রিকায় সে ছবি প্রকাশিত হয়েছে।’
‘মিথ্যেবাদী, ওরা মুক্তিবাহিনী নয়।’
“মি. প্রাইম মিনিস্টার, দয়া করে ‘মিথ্যেবাদী’ শব্দটি আর উচ্চারণ করবেন না। তারা মুক্তিবাহিনী। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল আবদুল কাদের সিদ্দিকী এবং তারা ইউনিফর্ম পরা ছিল।”
‘তাহলে হয়তো ওরা রাজাকার ছিল যারা প্রতিরোধের বিরোধিতা করেছিল এবং কাদের সিদ্দিকী তাদের নির্মূল করতে বাধ্য হয়েছে।’
‘মি. প্রাইম মিনিস্টার, কেউ প্রমাণ করেনি যে, লোকগুলো রাজাকার ছিল এবং কেউই প্রতিরোধের বিরোধিতা করেনি। তারা ভীতসন্ত্রস্ত ছিল। হাত-পা বাধা থাকায় তারা নড়াচড়াও করতে পারছিল না।’
‘মিথ্যেবাদী।’
“শেষবারের মতো বলছি, আমাকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলার অনুমতি আপনাকে দেবো না।”
‘আচ্ছা সে অবস্থায় তুমি কি করতে?’
‘আমি নিশ্চিত হতাম যে, ওরা রাজাকার ও অপরাধী। ফায়ারিং স্কোয়াডে দিতাম এবং এভাবেই এই ঘৃণ্য হত্যাকা- এড়াতাম।’
‘ওরা ওভাবে করেনি। হয়তো আমার লোকদের কাছে বুলেট ছিল না।’
‘হ্যা তাদের কাছে বুলেট ছিল। প্রচুর বুলেট ছিল। এখনো তাদের কাছে প্রচুর বুলেট রয়েছে। তা দিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুলি ছোড়ে। ওরা গাছে, মেঘে, আকাশে, মানুষের প্রতি গুলি ছোড়ে শুধু আনন্দ করার জন্য।...
ফেল্লাচির প্রতি মুজিব যে দূর্ব্যবহার করেছে তার জন্য সেটি তিনি এভাবে বিবৃত করেছেন- ......সোমবার রাত : গোটা ঢাকা নগরী জেনে গেছে, মুজিব ও আমার মধ্যে কি ঘটেছে। শমশের ওয়াদুদ নামে একজন লোক ছাড়া আমার পক্ষে আর কেউ নেই। লোকটি মুজিবের বড় বোনের ছেলে। এই যুবক নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছে তার মামার কাছে। তার মতে মুজিব ক্ষমতালোভী এবং নিজের সম্পর্কে অতি উচ্চ ধারণাসম্পন্ন অহঙ্কারী ব্যক্তি। তার মামা খুব মেধাসম্পন্ন নয়। বাইশ বছর বয়সে মুজিব হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষ করেছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতির সচিব হিসেবে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এছাড়া আর কিছু করেননি তিনি। কেউ কল্পনাও করতে পারেনি যে, মুজিব একদিন প্রধানমন্ত্রী হবেন। ওয়াদুদের মতে, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কারণ এটা নয়। আসলে একমাত্র ওয়াদুদের মাকেই মুজিব ভয় করেন। এই দুঃখজনক আচরণের জন্য তিনি পারিবারিকভাবে প্রতিবাদ জানাবেন।...
ফেল্লাচি ৭০ এর নির্বাচনের প্রসঙ্গে বলেছেন- কেউ কি জানে ১৯৭০ এর নির্বাচনে তিনি কেন বিজয়ী হয়েছিলেন? কারণ সব মাওবাদী তাকে ভোট দিয়েছিল। সাইক্লোনে মাওবাদীদের অফিস বিধ্বস্ত হয়েছিল এবং তাদের নেতা ভাসানী আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। জনগণকে যদি আবার ভোট দিতে বলা হয়, তাহলে মুজিবের অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্নতর হবে, যদি তিনি বন্দুকের সাহায্যে তার ইচ্ছাকে চাপিয়ে দিতে না চান। সেজন্যই তিনি মুক্তিবাহিনীকে অস্ত্রসমর্পণের নির্দেশ দিচ্ছেন না এবং আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, রক্তপিপাসু কসাই, যে ঢাকা স্টেডিয়ামে হত্যাযজ্ঞ করেছিল, সেই আবদুল কাদের সিদ্দিকী তার ব্যক্তিগত উপদেষ্টা।...
ফেল্লাচি দ্বিতীয়বারের মত মুজিবের সাথে সাক্ষাতের জন্য রাষ্ট্রপতির দ্বারস্ত হন এবং তিনি মুজিবকে অনুরোধ করতে গেলে উলটো ধমক খান।যাইহোক ফেল্লাচি আবার মুজিবের সাথে দেখা করার একটা ব্যবস্থা করেন।সময়মত তার কক্ষে প্রবেশ করতেই তাকে বের হয়ে যেতে বলে শেখ মুজিব।
“আমিও অফিসে ঢুকলাম। আমার দিকে ফিরে তিনি উচ্চারণ করলেন, ‘গেট আউট’।“...আমাকে এখনই বের হয়ে যেতে হবে এবং আবার আমি যেন এ দেশে পা না দিই।...
এই পর্যায়ে আমি নিজের ওপর সব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললাম এবং আমার মাঝে উত্তেজনার যে স্তূপ গড়ে উঠেছিল তা বিস্ফোরিত হলো। আমি বললাম, তার সবকিছু মেকি, ভুয়া। তার পরিণতি হবে খুবই শোচনীয়। যখন তিনি মুখ ব্যাদান করে দাড়ালেন, আমি দৌড়ে বেরিয়ে এলাম এবং রাস্তায় প্রথম রিকশাটায় চাপলাম। হোটেলে গিয়ে বিল পরিশোধ করলাম। স্যুটকেসটা হাতে নিয়ে যখন বেরুতে যাচ্ছি, তখন দেখলাম মুক্তিবাহিনী নিচে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তারা এ কথা বলতে বলতে আমার কাছে এলো যে, আমি দেশের পিতাকে অপমান করেছি এবং সেজন্য আমাকে চরম মূল্য দিতে হবে। তাদের এ গোলযোগের মধ্যে পাচজন অস্ট্রেলিয়ানের সাহায্যে পালাতে সক্ষম হলাম। (২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)ইন্টারভিউ উইথ হিস্টরী থেকে।
আজ ফেল্লাচির জন্ম দিন তাকে বাংলাদেশিরা কোনদিনই ভুলতে পারবে না।একজন সাহসি সাংবাদিক হিসাবে বিশ্বে তার অবদান আছে অন্যদিকে একজন উত্তেজিত শাসক সম্পর্কে তার বিবরন বাংলাদেশের ইতিহাসে শুদ্ধতা আনতে সাহায্য করবে।
আবু জুবায়ের
কবি,গবেষক,কলামিষ্ট
০১১৯৮০১৬০৮২
Email:
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ফেল্লাচি, মুজিব, ১৯৭১ ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হয়!!
মানুষ বলেছেন:
পড়লাম
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যই দিলাম। এইটা সিনেমা শামীমের মত প্রশ্ন নয়, বাস্তব ইতিহাস।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
মেলা টাইম নষ্ট করলেন!যদিও ইহাতেই আপনাদের সার্থকতা!
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
আবাল ...।..।।...।।...।।...।
লেখক বলেছেন: ফেল্লাচির সাক্ষাৎকারটা আবাল না তুমি বাথিজা?
হমপগ্র বলেছেন:
ফেল্লাচি একটা দেশ স্বাধীন করার নেতৃত্ব দিক না।অনেক কিছুই বলা যায়। কিন্তু করে দেখানো ওত সোজা না।
সাক্ষাতকার নিয়ে বাল বুঝছো!
লেখক বলেছেন: বঙ্গবন্ধু তাইলে স্বাধীনতার নেতৃত্ব দিছিল!!?? আমার ইতিহাস নলেজ খুবই কাচাঁ
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
তাই নাকি?
কানা-বাবা বলেছেন:
ফেল্লাচি ১০ মিনিট চিল্লা-চিল্লি কোরলেই মুজিব ফালতু হয়ে গেল!!! পোস্টটাই ভুয়া।
লেখক বলেছেন: সামেনর দিনে ফাল্লাচি যদি বঙ্গবন্ধুরে নিয়া তৈল চুপ চুপার লেখার সন্ধান পান সেইদিন কি করবেন?
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
ঠিক কইচেন ভাই!!! মুজিবের মত ভুয়া নেতা জগতে নাই!!! ফেল্লাচি তো আরো বিশাল সাংবাদিক!!! আসেন, আমরা মেকি নেতা মুজিক ফালায়া ফেল্লাচিকে জাতির মাতা ঘোষণা করি!!!মাইনাস! ফালতু যত্তসব!!!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ফেলাচ্চি আরো বলেছিলো ইমাম খোমেনি নাকি একজন পাষণ্ড বর্বর, কোন মহিলার স্তন কেটে ফেলেছিলো। মুসলমান বিদ্বেষী এই মহিলা আরো বলেছিলো যে সে মক্কা মদীনার মতো মুসলমানদের পবিত্র মসজিদে সে পেশাবও করতে যাবে না। তাদের গম্বুজের তলায় পায়খানা করতে যাবে না। হযরত মোহাম্মদের (দ.) কবরের সামনে গান গাইতে যাবে না। তার কথাগুলা ছিলো এইরকম : I don't go pitching tents at Mecca. I don't go singing Our Fathers and Hail Marys in front of Mohammed's tomb. I don't go peeing on the marble of their mosques; I don't go shitting at the feet of their minarets.
খোমেনি প্রসঙ্গে বলছে About that dotard Khomeini, for example, who after our interview held an assembly at Qom to declare that I had accused him of cutting off women's breasts. He extracted a video from this assembly that was shown for months on Teheran television so that, when I returned to Teheran the next year, I was arrested as soon as I got off the plane. It looked bad for me, you know, very bad. This was the period of the American hostages...
Click This Link
এমন একটা মহিলা যে মুসলমানদের ঘৃণা করে, সে কেনো শেখ মুজিবরে সম্মান করবে?
লেখক বলেছেন: পোষ্টের সাথে সেইগুলার কি সম্পর্ক???!!! আজিব!! শেখ মুজিবের সাক্ষাতকার কি মুসলিম হিসাবে নিছিল নাকি? আশ্রম মামার মাথা মুথা গেছে দেখি
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
দয়া কইরা আমার দেয়া লিংকটা জুবায়ের সাহেবরে পৌছাইয়া দিলে এই বিশিষ্ট গবেষকের প্রাসঙ্গিক মন্তব্যটা জানতে পারতাম। তবে ব্লগে এইটা নিয়া একটা কাহিনী হইছিলো। জানতে হইলে Click This Link
লেখক বলেছেন: ফুন নং+ই-মেইল দুইটাই আছে পোষ্টের নীচে
আমি এক যাযাবর বলেছেন:
এটা দেখেন: গার্ডিয়ান Click This Link
Oriana FallaciControversial Italian journalist famed for her interviews and war reports but notorious for her Islamaphobia
In an interview with the Ayatollah Khomeini, she ripped off her chador. She complained about Fidel Castro's body odour and threw her microphone at Muhammad Ali's face when he belched in answer to one of her questions.
পুংটা বলেছেন:
ফেলাচ্চি বোঝে নাই কাকে লাড়তে কাকে লেড়েছে।তয় যা কন না কেন ফেলাচ্চির চেহারাটা মাশাল্লা...
মামু পোষ্টা পুকুত কইরা দেও। ফেলাচ্চির আত্মার শান্তি বিনষ্ট হওয়ার চান্স আছে।
লেখক বলেছেন: সিটিএন
আমি এক যাযাবর বলেছেন:
আবু জুবায়েরকবি,গবেষক,কলামিষ্ট
০১১৯৮০১৬০৮২
Email:
মি: কবি,গবেষক,কলামিষ্ট,
আমি মুলত পাঠক - কিন্তু আপনার লেখা পড়তে অনেক কষ্ট হল।
শয়তান হন্তারক বলেছেন:
ফেলাচির মত চতুর্থ শ্রেণীর বিম্বো বেশ্যা কি বলল না বলল তাতে কিছু যায় আসে না।
লেখক বলেছেন: চতুর্থ শ্রেণীর এই বেশ্যার সাথে মুজিব একান্তে কি করছিলেন তাহলে??
মুহাম্মদ তসলিম বলেছেন:
আইছে নতুন রাজাকার, ফেলাচি মুজিবের বিরুদ্ধে লিখছে আর ...............ফালাফালি শুরু কইরা দিছেন? ফালতু পোষ্ট, শুধু শুধু সময় নষ্ট করলাম।
লেখক বলেছেন: গেট (গোট) লষ্ট
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
হা হা হা হামাঝে মাঝে ভাবি, অমি রহমান পিয়াল ভাই না থাকলে এই পোস্টটা আমার উপর কী প্রভাব ফেলত !!!
লেখকের ইচ্ছা পূরণ হইত।
অন্যান্য ব্লগে এই পোস্টের লেখক নিশ্চয়ই তার উদ্দেশ্য হাসিল করছে। অমি ভাইয়ের কমেন্টের কারণে এখানে আর পারল না।
লেখক বলেছেন: এই ব্লগ ছাড়া অন্য ব্লগে যাইবার টাইম নাইরে বাথিজা। আমারব্লগে একটা নিক আছে, সেইখানকার ভিতরের খবর জানার জন্য। ব্যাস।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
ফেলাচ্চি এখন খরাপ.......!!!এই ফেলাচ্চি যদি "তেল মারা" সাক্ষাতকার লিখতো, তো সবাই বলতো আহা বিখ্যাত ফেলাচ্চির সার্টিফিকেট পাইছে আমাগো নেতা!
লেখক বলেছেন: ইহা হইলো আওয়ামী বাকশাল চরিত্র।
মহলদার বলেছেন:
ফেল্লাচি কইলো আর মুজিব ভুয়া হয়ে গেল,
এই শুনিয়া কবি,গবেষক,কলামিষ্ট আবু জুবায়ের আনন্দে নাচিতে লাগিল।
শয়তান হন্তারক বলেছেন:
ফেলাচি যে তার প্রতিভার গুণে নয় , রুপ বেঁচে সাংবাদিকতার এওয়ার্ড গুলো বাগিয়ে নিতেন , সেই ফেলাচিকে যারা বড় করে দেখেন তাদের জন্য সত্যি দু:খ হয়।
মুহাম্মদ তসলিম বলেছেন:
এই পোষ্ট থেকে রাজাকারদের মার্কা মারা হোক.........................
জটিল বলেছেন:
হুম , পড়লাম ।এটা ঠিক ৭১ এ বাংলাদেশ যেভাবে স্বাধীন হয়েছিল সেখানে শেখ মুজিবের আগের কর্মকান্ডগুলোর প্রভাব বেশ ভালভাবেই আছে , নেতা হিসেবেও সুযোগ্য ছিলেন ।
কিন্তু তার জেলে থাকা আর তার পরবর্তী কর্মকান্ডগুলো আসলেও ভাসা ভাসা , মানসিক ভাবে তিনি যদি বিপর্যস্তও হন টর্চারের ফলে সেটাও জানার উপায় আছে কিনা জানিনা ।
তবে দেশ স্বাধীন হবার পর অনেক কিছুই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল ।
আসল ইতিহাস কিভাবে জানা সম্ভব সেই উপায়ও নেই ।
বক্তা এবং জননেতা হিসেবে মুজিব প্রচন্ড সফল হলেও , দূরদর্শিতার অংশ হিসেবে সেসময়ের অনেকের থেকেই পিছিয়ে । তিনি আবেগপ্রবণ ছিলেন এবং এর জন্যেই শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ ।
৭১ এর ১৪ ডিসেম্বরের বুদ্ধিজীবিদের হত্যাকান্ড দেশ কে অনেক বেশি পিছিয়ে দিয়েছিল ।
একজন মুজিবের চেয়ে সেসব সম্মিলিত প্রাণশক্তি অনেক বেশি প্রয়োজনীয় ছিল তা বলাই বাহুল্য ।
লেখক বলেছেন: দ্বিমত নেই আপনার সাথে।
এখন আসি আমার কথায়। ফাল্লাচির নামটার সাথে প্রথম পরিচিত হই ২০০১ এ। ৯১১ পরপরি মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর বিষোদগার করে লেখা বই "লা রাব্বিয়া এ অরগোলিও" ( বাংলায় বলা যেতে পারে ক্রোধ ও আত্মঅহংকার, বইটার কথা আপনে উল্লেখ করছেন আপনের লেখায়) রিতিমত চরমপন্থি ইসলাম বিরোধীদেরও বিব্রতকর পরিস্ঃিতিতে ফেলে দেয়। এবং সে সময় তার অনেক সাংবাদিক বন্ধুবর্গ তাকে সাপোর্ট করে অনেকটা সাফাই গাওয়ার মত বলতে থাকেন যে বেচারি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে একদম এক্সাউস্টেড হয়ে গেছেন সুতরাং তাকে ক্ষমাসুন্দর দৃস্টিতে দেখা হোক ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু ফাল্লাচি তার মতামতে অটুট থাকে। বিভিন্ন সাক্ষাতকারে বিশেষ একটা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতি তার ক্ষোভ ও ঘৃনার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে থাকে। এ পর্যায়ে এসে ইটালিয়ান বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে তার উপস্থিতর হার কমে যায়। কারন খোদ ইটালিয়ানরাও ( যারা নিশ্চয়ই উপরোক্ত ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপর খুব একটা খুশি ছিলনা) ফাল্লাচির কথাবার্তায় বিব্রত বোধ করত। এই পরিস্থিতিতে ফাল্লাচি আবার ইটালি ছেরে আমেরিকায় চলে যায় এবং সেখানে ইহুদি পৃষ্ঠপোষকতায় লিখে ফেলে " লা ফোরৎসা দেল্লা রাজ্জোনে" ( ফোর্স অব রিজন)। এই বইটাও শুধু মাত্র চরমপন্থি বিশেষ মহলের কাছে সমাদৃত হয়।
এখন আপনি বলেন এরকম একজন চরম পন্থি ব্যাক্তিরে কি আপনে যেই বিশেষনগুলা দিছেন সেই বিশেষনগুলা সাজে? হৈতে পারে সে আপনের ঘৃনিত ব্যাক্তি শেখ মুজিবরে নেংটা কৈরা ছাইরা দিছে। তাতেই কি আপ্নি তারে কোলে তুইলা নিবেন? মুজিবের প্রতি আপনার অশ্রদধাই বৈলা দেয় আপনার পরিচয়। আপনেরে যদি ফাল্লাচি সামনে পাইত তাইলে লবন ছারা খাইলাইত ( খ্যাক খ্যাক...)
লেখক বলেছেন: আমি কিছুই দেই নাই। কবি সাব দিছে। ফাল্লাচি কি টাইপের সাংবাদিক এদিক সেদিক ঘাটেন পাইবেন তাইলে
অ. ট. এই জুবের সাহেব কুন পত্রিকায় লেখে?
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@বৈকুনঠ:
ফেলাচ্চি যদি মুজিবের প্রশ;সা করে "গাফফার নামা" লিখতো তাহলে এই অখাদ্য ফেলাচ্চি হয়ে যেত ভূবনখ্যাত সা;বাদিক|
আওয়ামীলীগ হ্য়তো ডাইক্যা আইনা "একুশে পদক" বা "স্বাধীনতা পদক" ধরাইয়া দিত!
যেহেতু ইন্টারভিউটা বাঁশ হইয়া লীগের পাছা দিয়া গেছে, এখন দোষ হইছে ফেলাচ্চির.......!!!
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
মাহবুব মোর্শেদের একটা পোস্টে ফালাসির নেওয়া পুরো সাক্ষাৎকারটা ছিল। পড়ে রীতিমতো টাসকি খেয়েছি। ফালাসি তার সময়ের তুমুল আলোচিত সাংবাদিক ছিলেন। এখনো তাকে নিয়ে আলোচনা হয়।
লেখক বলেছেন: লিংকাছে?
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@বৈকুনঠ:
ফেলাচ্চিকে নিয়ে আপনি যা লিখেছেন আমি একমত|
শুধু ফেলাচ্চি না, বিদেশী সা;বাদিকরা যখন অন্যের দেশ নিয়ে লিখে সেটা হয় অন্ধের হাতি দর্শন শেষে হাতির রচনা লিখা!
আমার পয়েন্ট হলো প্রশ;সাসূচক কিছু লিখলেই সেই সা;বাদিক হইল বিখ্যাত আর নিন্দা সূচক কিছু লিখলেই সে হল অখাদ্য|
বিদেশী সা;বাদিকরা এসাইনমেন্ট নিয়ে আমাদের দেশে আসার আগেই ঠিক করে ফেলেন, বাঁশ দেয়া হবে নাকী তৈল মারা হবে|
লেখক বলেছেন: প্রশ;সাসূচক কিছু লিখলেই সেই সা;বাদিক হইল বিখ্যাত আর নিন্দা সূচক কিছু লিখলেই সে হল অখাদ্য এটাই সত্য
অনুপ্রবেশ বলেছেন:
ওরে খাইছে... তুই...কেমন আছিস?? তোর মা কেমন আছে??? ভাল তো? সেদিন নাকী একবার ধরা খাইছিল?? কে ছিল রুমে? তোর বাপে তো নেশা করে। মাতাল চোখে ভাল দেখে না..সমস্যা নাই..টেনশন নিস না। ভাল কথা..তোর কয়ডা বাপ উপস্থিত ছিল ঐ দিন?
লেখক বলেছেন: গান্জা নাকি স্বস্তা আইজকাল
ভন্ডপির বলেছেন:
ফেল্লাচ্ছির ফেলাসিওতে খুব খুশি হইচস রাজাকারের বাচ্চা?
সেতূ বলেছেন:
এ কি শুনাইলেন স্পাইডার ভাই ????আমরা কোন দিক যাবো
সবই তো দেখি এক ....
দেশ লুটে পুটে খাওয়ার শখ ...
যদি সত্য হয় তবে +++
না হলে ......
সপ্ন পুরন বলেছেন:
সবার ইন্টারভিউ নিলো।গোলামে আজম সাব কি দোষ করলো?হে কি মহান নেতা না?
অন্যরকম বলেছেন:
হুমম.... ইন্টার্ভিউটা আগে পড়িনি!
মুছা বলেছেন:
Awesome truth!!!
কমেন্ত গুলোও চিন্তা করার মতো ।
এখানে একটা কথা হলো সাম্বাদিকদের ওপরে আমার খুব একটা ভরসা নাই -- হিট পাওয়ার লোভে সত্য মিথ্যা মিশানো আকর্ষনীয় কে সংবাদ পরিবেশন করাই তার কাম
।
পুরো সাক্ষাৎকারে চেক এন্ড ব্যালান্স থাকলে হতো ।
শেখ মুজিবের নেতৃত্ব থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার কোন ব্যাপার উল্লেখ নেই ।
উনার নিজের অনুভুতি গুলোই প্রকট ।
তবে অন্যান্য জায়গা থেকে পাওয়া শেখ সাহেবের কথা বার্তা থেকে কিছুটা হলেও সত্য মিশ্রিত আছে বলে পাওয়া যায় ।
কমেন্তের লিংক থেকে বোঝা যায় এই মহিলার বক্তব্য পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য না ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
এখানে দুইটা ব্যাপার হবে -- যারা শেখ সাহেবের অন্ধ ভক্ত তারা গালাগালি দিবে ।
আর কিছু আছে ফালাচ্চি কে না জেনেই মাথায় তুলে নাচবে ।
ফালাচ্চি শেখ মুজিবকে যেমন বর্ননা করেছেন তার নিজের স্বভাবও এর চে ভালো কিছু না -- এটা পড়লেই টের পাওয়া যায় ।
বাঙ্গাল বলেছেন:
কারাগারে ক ব র খুড়ার স্টোরীটা আমার কাছেও "ট্রিপিক্লাল বাঙ্গালী"র গপ্পো বইলা মনে হইছে। এইটা কম বেশী সব বাঙ্গালীর ব্লাডেই আছে। আমারো।হে হে
দাসত্ব বলেছেন:
ফাল্লাচি কে এটা নিয়ে আমি concerned না।কিন্তু ফাল্লাচির কথা সত্যি ।
কাদের সিদ্দিকীর ব্যাপারে যেটা বলছে সেটা দেখেন একটু ধৈর্য ধরে :
Click This Link
শেখ মুজিব যে যথেষ্ট ঔদ্ধত্যচারী ছিলো সেইটা তো সিরাজ শিকদার কে মারার পর ই বোঝা গেছে :
" কোথায় আজ সিরাজ শিকদার ?"
স্পীকার শাহেদ আলি কে শেখ মুজিব চেয়ার ছুড়ে মাইরা ফেলছেন ।
এরপর থেকে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির চেয়ার ফ্লোর এর সাথে স্ক্রু দিয়ে আটকানো হইসিলো।
অত:এব ফাল্লাচির কথা ১০০% সত্য বলে বিশ্বাস করি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দাসত্ব বলেছেন:
যেই লিন্কটা দিলাম সেইটার ১:০২ তেই দরকারি জিনিস পাবেন
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন:
ফালাচি মুসলিম বিদ্বেষি কিনা সেটা ামার বিবেচ্য বিষয় নয়..সে যা লিখেছে তা সত্য না মিথ্যা ?????
সে যা লিখেছে এটা কি শেখমুজিব জীবিত থাকা অবস্থায় অস্বীকার করে গেছেন কিনা..????
একজন মুসলিম বিদ্বেষী কি সত্য লিখতে পারেনা??
পিয়াল ভাইয়ের কথা অনুযায়ী, আমি কি ফালাচী'র নেয়া ভূট্টো'র ইন্টারভিউ টাও কি সন্দেহের চোখে দেখব?????
রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন:
falachir shakkatkarer boi ta amar kache ache, purota porechi. tar mote yasir arafat bongobondhu era sobai kharap, kintu valo hoilo
israili golda mayer (former president) je kina tar mayer moto.
ebong tar islam biddesh probol. vutto k se bornona korche comotkar bakti. ebong vuttor kono dosh nai. othocho amra jani shadhinota judder jonne vuttoi beshi dayi
so ----- -
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















