আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ ছিল গেটিসবার্গের যুদ্ধ। পেনসিলভেনিয়ার ছোট্ট শহর গেটিসবার্গে ১-৩ রা জুলাই, ১৮৬৩ ইউনিয়ন আর্মি এবং কনফেডারেট আর্মি চরম রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মুখোমুখি হয়। প্রাথমিক আক্রমনে ইউনিয়ন আর্মি পরাজিত হয়ে পিছু হটে। লী তার অধিনস্ত জেনারেল ইওয়েলকে অসঙ্ঘটিত ইউনিয়নদের আক্রমনের নির্দেশ দেন। কিন্তু ইওয়েল দেরি করায় তারা শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এদিকে রিইনফোর্সমেন্ট আসায় ইউনিয়ন সৈন্য সংখ্যা বেড়ে দাড়ায় এক লক্ষে। লী ভেবেছিলেন তার বাহিনী অপ্রতিরোধ্য। তাই তিনি আক্রমন চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। এই প্রথমবারের মত লী ভুল প্রমানিত হন, যার মুল্য কনফেডারেটদের রক্ত দিয়ে শুধতে হয়। ২৮,০০০ কনফেডারেট সৈন্য প্রাণ হারান। ইউনিয়নদের নিহতের সংখ্যা ছিল ২৩,০০০। লী ব্যার্থতার দায়ভার স্বীকার করেন এবং বলেন আজ থেকে যুদ্ধের মোড় ঘুরে গেল। তার বাহিনী নিয়ে তিনি ফিরে যান ভার্জিনিয়ায়।প্রেসিডেন্ট লিন্কন গেটিসবার্গ সফরে যান নভেম্বরের ১৯ তারিখ। গেটিসবার্গের রনাঙ্গণের একটি অংশকে যুদ্ধের সমাধি হিসেবে ঘোষনা করা হয়। এরপর তিনি দুই মিনিটের একটি বক্তব্য দেন, যেটা এখন পর্যন্ত আমেরিকার কোন প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে বিখ্যাত ভাষণ।
সাতাশি বছর আগে আমাদের পিতৃপুরুষরা এই মহাদেশে স্বাধীনতা আর সব মানুষের সমতার আদর্শ নিয়ে এক নতুন জাতির জন্ম দিয়েছিলেন।
”আজ আমরা এমনি এক বিশাল গৃহযুদ্ধে লিপ্ত যা প্রমান করবে এই জাতি বা এমনি করে জন্ম নেয়া কোন নিবেদিত জাতিসত্বা কতটা টেকসই হতে পারে। আজ আমরা সেই যুদ্ধের এক রণাঙ্গনে মিলিত হয়েছি। আমরা এই যুদ্ধক্ষেত্রের একটা অংশকে তাদের চিরনিদ্রার স্হান হিসেবে ঘোষনা করতে যাচ্ছি, যারা এখানে প্রান দিয়েছেন সেই জাতিকে টিকিয়ে রাখতে। তাদের প্রতি এই শ্রদ্ধা নিবেদন আমরা করতেই পারি। কিন্তু সত্যিকার অর্থে আমরা এই স্হানকে পবিত্র বা মহান করতে পারি না। সেইসব জীবিত বা মৃত সাহসী মানুষ যারা এখানে লড়েছেন, তারা এই স্হানটিকে যতটা পবিত্র করে তুলেছেন,তাকে নতুন করে আরো পবিত্র কিংবা অপবিত্র করার সাধ্য আমাদের নেই। আজ আমরা এখানে যা বলছি পৃথিবী তা মনে রাখবে না, কিন্তু এখানে তাদের কীর্তি বেচে থাকবে অনন্তকাল। এখানে আমরা যারা বেচে আছি তারা উৎসর্গীত হব সেই দায়িত্ব নিতে, যে মহান দায়িত্ব নিয়ে তারা এতদিন এগিয়ে গেছেন। আমরা উৎসর্গীত হব আমাদের সামনে যে অসমাপ্ত দায়িত্ব তা পালনে - আমরা অনুপ্রানিত হব এই মহান শহীদদের কাছ থেকে যারা এর জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন - আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হব যেন তাদের এই দান বৃথা না যায় - যেন স্রষ্টার কৃপায় এই জাতির জন্য স্বাধীনতার পূনর্জন্ম হয় - আর যেন মানুষে গড়া, মানুষের জন্য, মানুষের এই সরকার পৃথিবী থেকে মুছে না যায়।
গনতন্ত্রের সংজ্ঞা দিতে গেলে আমরা আবারাহাম লিংকনের ভাষনটাকে সামনে এনিয়ে আসার চেষ্টা করি।বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে।“গনতন্ত্র” এই শব্দটির চর্চা অনেক বেশি ব্যপক।শুধুমাত্র শব্দকে তত্ত্বীয়ভাবে ব্যবহার করে গনতন্ত্র চর্চা যে করা যায় সেটা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সহ অন্যান্য দলের কাউন্সিলের নাট্য উপস্থাপনা আমরা দেখতে পেলাম।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন হতে ২৪ জুন ঢাকা রোজ গার্ডেনে মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে মুসলিম লীগ কর্মী সম্মেলনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগের বিরোধী রাজনৈতিক দল পূর্ব-পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়। মাওলানা ভাসানী ছিলেন এই দলের সভাপতি। শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমান ও খন্দকার মোশতাক আহমেদ যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তিতে "আওয়ামী মুসলিম লীগ" নামটি থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আত্মপ্রকাশ করে।
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বা দর্শন প্রনয়নে শামসুল হক ছিলেন অবিসংবাদিত নেতা।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতি থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া এই রাজনীতিবিদের কথা পাওয়া যায় আবু জাফর শামসুদ্দীনের ‘আত্মস্মৃতি : সংগ্রাম ও জয়' বইতে। আবু জাফর শামসুদ্দীন লিখেছেন,
“১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তাকে (শামসুল হককে) আটক করা হয়। তখন তিনি বিবাহিত, একটি কন্যা সন্তানের পিতা। স্ত্রী নরসিংদির সেকান্দার মাস্টার সাহেবের কন্যা আফিয়া খাতুন এম.এ কলেজের লেকচারার। জেলখানায় শামসুল হকের মস্তিস্ক বিকৃতি ঘটে। নিজ পরিবারের প্রতি তাঁর মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। আফিয়া খাতুন তাঁকে ত্যাগ করেন। আফিয়া এখন পাকিস্তানে মিসেস আফিয়া দিল। শামসুল হক সম্পূর্ণ বিকৃতমসিত্মষ্ক অবস্থায় জেলখানা থেকে বেরিয়ে আসেন। আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শামসুল হকের চিকিৎসায় আওয়ামী মুসলিম লীগ কোনো উদ্যোগ নিয়েছিল বলেও মনে পড়ে না। শামসুল হক ঢাকার রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতেন- কখনও বন্ধু-বান্ধবদের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে টাকা ধার চাইতেন, কেউ সমাদর করলে আহার করতেন। টাঙ্গাইলের ওয়ার্টারলু বিজয়ী শামসুল হকের মৃত্যু কোথায় কি অবস্থায় হলো তার কোনো বিবরণ সংবাদপত্রে প্রকাশিত হতে দেখিনি। শোকসভাও করেনি কোনো রাজনৈতিক দল বা অন্যরা। অথচ এই শামসুল হক একদিন ছিলেন বাংলার তরুণ মুসলিম ছাত্রসমাজের প্রিয় নেতা- ১৯৫২ সালেও ভাষাসংগ্রামী এবং আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।“
এবার আসা যাক আওয়ামী লীগের নির্বাসিত সাধারন সম্পাদক (সদ্য বিদায়ী) আব্দুল জলিলের কথায়।কয়েকদিন আগে আমাদের সময়ের সম্পাদক তাকে নিয়ে একটি সম্পাদক মন্তব্য ছেপেছিলেন সেই লেখার কিছু অংশ এখানে তুলে ধরলাম।শিরোনাম ছিলো জলিল ঠিক বলেছে ,ঠিক বলেন নি...
“আব্দুল জলিল ঠিকই বলেছেন, তিনি গঠনতান্ত্রিকভাবে এখনো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং গঠনতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করে সাধারণ সম্পাদককে নিষ্ক্রিয় রেখে প্রথম যুগ্মসম্পাদককেও নয় বরং দ্বিতীয় যুগ্মসম্পাদককে দিয়ে দলের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে এমনটা করার সুযোগ নেই। এটা অনিয়ম, আব্দুল জলিলের প্রতি অবিচার।
আব্দুল জলিল এও ঠিক বলেছেন যে তার দলের বর্তমান মন্ত্রিসভায় ডিজিএফআই’র লোক রয়েছেন। তিনি এটাও ঠিক বলেছেন যে ওয়ান ইলেভেনের সময় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে যোগসাজশ করার পরও এখনো আওয়ামী লীগের অনেক নেতা বড় গলায় কথা বলেন এবং বর্তমান সরকারে দাপটের সঙ্গে অবস্থান করছেন। এগুলো সব খুবই সত্য কথা।
আব্দুল জলিল যেটা ঠিক বলেননি অথবা ভুলেই বসে আছেন সেটা হলো ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে তিনি গঠনতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ডেলিগেটদের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভিত্তিতে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হননি। তার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার মধ্যে দলীয় গঠনতন্ত্রের ভূমিকা ছিল না বললেই চলে। তিনি সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছায় এবং তার আস্থাভাজন হওয়ার সুবাদে। সেই অর্থে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার বৈধতা বা ভিত্তি সম্পূর্ণই শেখ হাসিনার আস্থানির্ভর। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার যেকোনো সমস্যা ও সম্ভাবনার মধ্যে তাই খুঁজতে হবে তার প্রতি শেখ হাসিনার আস্থায় সন্দেহ ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে। গঠনতন্ত্রের বিধান এখানে সম্পর্কিত বা প্রযোজ্য হয় কীভাবে?”
আওয়ামী লীগের গনতন্ত্র চর্চা কখনই হয়নি এটা বলা যাবে না।ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছে।সে তার সিদ্ধান্ত কারো উপর চাপিয়ে দেননি।অনেকে মনে করে থাকে যে মুজিব আওয়ামী লীগের প্লাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেকে একক নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা।স্বাধীনতার পরবর্তিতে মুজিবের বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যামে তার রাজা হবার ইচ্ছা এটাই প্রমান করেছে।অন্য দিকে শামছুল হকের আওয়ামী লীগ থেকে বিতারন মাওলানা ভাসানিকে কৌশলে পদত্যাগ করানোর পর মুজিব অসংবাদিত আওয়ামী লীগার হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার কৌষল অবলম্বন করে।সে একই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা তার অবিসংবাদিত ইমেজ তৈরি করবার জন্য দলের ডাকসাইটে নেতাদেরকে তিনি একটু দূরে রাখেন।মুজিব পরবর্তিতে আওয়ামী লীগ একক কর্তৃত্বের দলে পরিণত হয়েছে।শেখ মুজিবের রাজনোতিক কৌশল অনেক ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের উপর দিয়ে জায়েজ করে নিয়েছেন।মুজিবের অবিসংবাদিত নেতা হবার দর্শনে এই দলটী প্রকৃত গনতন্ত্রের সুবাতাস পাইনি।সেটার উচ্চারন আমরা দেখলাম তারাহুরা করে করা আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল।যেখানে হাসিনাকে আরো ক্ষুমতা দেয়া হলো।আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন যে ত্যাগের ইতিহাস মাওলানা ভাসানী দেখিয়েছিলেন সেই আদর্শ থেকে আওয়ামী লীগ এখন ভোগবাদি,জমিদারি এবং সামন্ত বাদি দর্শনে এগিয়ে চলছে।মুজিব কিংবা হাসিনাকে একক ক্ষমতা সম্পন্ন কিংবা অবিসংবাদিত হিসাবে অক্ষুন্ন রাখার জন্য আওয়ামী লীগের একটি অংশ নিরন্তর কাজ করে গেছে।আওয়ামী লীগ থেকে অনেক সংঠকই অসম্মানের সাথে বিদায় নিয়েছে।হয় সেটা মুজিবের আক্রশে না হলে হাসিনার রোষে পড়ে।শামসুল হক থেকে তাজুদ্দিন,তাজুদ্দিন থেকে আব্দুল জলিল পর্যন্ত আমরা অনেক বড় ফর্দ তৈরি করতে পারবো।বিষয়টা হলো আওয়ামী লীগের নিজস্ব কিছু শক্ত বাংলা শব্দের বুলি ছড়া আর কিছু আছে বলে বাংলাদেশের জনগন মনে করেনা।আওয়ামী লীগ চারটি আদর্শের একটি হলো সমাজতন্ত্র কিন্তু তাজউদ্দিন আহমেদ সমাজতান্ত্রিক হয়াতে তাকে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী পরিষদ থেকে বাদ পরতে হয়।গনতন্ত্রের কথা বলে বাকশাল প্রয়োগ করবার মাধ্যমে দেশের গনতন্ত্রকে টুটি চেপে হত্যা করা হয়।ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ উথানে সহযোগি হয় আবার হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মের প্রতি আক্রমন করে।অন্যদিকে ধর্ম কেন্দ্রিক রাজনীতি করে এমন দলের সাথে চুক্তি করে।বাংগালী জাতীয়তাবাদের তত্ব দিয়ে পার্ব্যত্য এলাকাকে উত্তেজিত রাখা দেশের ভুখন্ডকে অন্য দেশের কাছে সপে দেয়া।আওয়ামী লীগের চারটি দর্শনই ভিন্ন পথে ব্যবহার করে ফায়দা নিচ্ছে।এই ধরনের রাজনোইতিক হিপোক্রেসি আওয়ামী লীগের মত দলের কাছে এখন বাংলাদেশের মানূষের কাছে প্রাপ্য হয়ে গেছে।
কয়েকদিন আগে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘বাংলা ভিশন’ এ সরাসরি প্রচারিত 'পয়েন্ট অব অর্ডার' টক শোতে স¤প্রতি সংসদে দেওয়া তার বক্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাধারণ সম্পাদক হয়ে সংসদে নিজ দলের বিরুদ্ধে কথা বলায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে কিনা- এ প্রশ্নের জবাবে জলিল বলেন, এতে ভাবমূর্তি কি ক্ষুন্ন হলো, আওয়ামী লীগে যে গণতন্ত্র আছে এটাই প্রমাণ হয়েছে, নেতাকর্মীরা যে গণতন্ত্র ভোগ করে সেটাই প্রমাণ হয়েছে। অনুষ্ঠানে আরেক প্রশ্নের জবাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কর্মকান্ডের তদন্ত দাবি করে আব্দুল জলিল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় যদি কোন অগণতান্ত্রিক কাজ হয়ে থাকে সেটা তদন্ত করে সাধারণ সম্পাদক হয়ে সংসদে নিজ দলের বিরুদ্ধে কথা বলায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে কিনা- এ প্রশ্নের জবাবে জলিল বলেন, এতে ভাবমূর্তি কি ক্ষুন্ন হলো, আওয়ামী লীগে যে গণতন্ত্র আছে এটাই প্রমাণ হয়েছে, নেতাকর্মীরা যে গণতন্ত্র ভোগ করে সেটাই প্রমাণ হয়েছে।
এরপরে তিনি পদত্যাগ করেন এবং আওয়ামী লীগের গনতন্ত্রকে তিনি মেনে নেন।এটা ভালো লাগে ভেবে যে একটি একক সিদ্ধান্ত “গনতন্ত্র” হিসাবে মেনে নেয়া আওয়ামী লীগের আক্ষরিক গনতন্ত্র চর্চা হিসাবে সংজ্ঞায়িত হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



