জামাল ভাস্করের নাফ নদী দর্শন, আমেরিকার কনডম ব্যবসা এবং কনডমের ভেতরকার শক্ত বস্তুটির মাজেজা
২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৩
আসল কথা হইলো- ট্যাক কার কাছে? ট্যাক আমার কাছে থাকলে আমিই বস, আপনার কাছে থাকলে আপনে। এবং এই সত্যটা প্রমোট করাই আমেরিকার (এবং ইহুদিবাদীদের) প্রধান লক্ষ্য বলে আমার কাছে মনে হয়। কিন্তু এর সাথে সাথে বলা দরকার, ট্যাক-এর জোরই সবসময় সবাইরে টিকাইয়া না-ও রাখতে পারে। বহু ট্যাকলু ইতিহাসে কানতাছে। কনডম কিছু না, কনডমের পিছনে যেইটা থাকে- ওইটার জোর যে কনডম কোম্পানীর মালিকের চেয়ে কনডম-পরা কারখানার শ্রমিকের বেশি থাকতে পারে, এইটাও প্রমোট করা দরকার।
এতো কথার হেতু রয়েছে জামাল ভাস্করের নাফ নদী দেখতে যাওয়ার শানেনজুলের মধ্যে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরকে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী প্রমাণ করার জন্য জামাল ভাস্করকে প্রচুর কষ্ট করতে হয়েছে। বহুত হাইপোথিসিসও নাকি খাড়া করতে হয়েছে। (অথচ রিফুজি সবসময়েই ভালনারেবল, এর জন্য হাইপোথিসিসের কোনো দরকার নেই; আমেরিকায় যেসব রিফুজি ক্যাম্প আছে (যেমন কিউবান) ওখানকার জনগোষ্ঠীকে তো ওরা ভালনারেবল-ই বলে। আর জামাল ভাস্কর বললেই যতো সমস্যা!)
এবং এইসবের লক্ষ্য রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে এইডসের হাত থেকে বাঁচানো! এইডস বলে আদৌ কোনো জীবনঘাতী রোগ আছে কিনা, এই নিয়েই বিতর্ক* আছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি বিতর্ক এই অসুখকে নিয়ে ব্যবসা করা নিয়ে। জামাত কায়দায় মানুষের দুর্বল জায়গা নিয়ে ব্যবসা করতে আমেরিকা (এবং ইহুদিবাদ) তো সবসময়ই সক্রিয়। এখানেই ইউএনএফপিএ কিংবা মার্কিন কংগ্রেসের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। মার্কিন কংগ্রেসম্যানরা একেকজন কনডম কোম্পানির শেয়ার হোল্ডার- আর আমাদের নাকি এইডস! সুতরাং লাগাও বাজি।
হাজার হাজার আফ্রিকান যখন শেল-ইউনিক্যাল আর নানা ইঙ্গ-মার্কিন কোম্পানির আগ্রাসনে না খেয়ে মরছিলো, তখন আমেরিকা আর ব্রিটেন আবিষ্কার করলো- "না! না খেয়ে মরছে না তারা, মরছে এইডসে!" এইডস যদি এতোই ঘাতক হতো, তবে আমেরিকানরা মারা যেতো সবচেয়ে বেশি। যতই অসচেতন বলা হোক না কেন, আফ্রিকার মুসলিম এবং এথনিক জনগোষ্ঠীর যৌনতাবোধ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যে কোনো তথাকথিত সভ্যদেশের চেয়ে বেশি নিরাপদ। বরং মাত্র ৫%** কনডম ইউজারের দেশ আমেরিকায় কেন এইডস-এ মৃত মানুষের সংখ্যা এতো কম, সেই প্রশ্ন নিদ্বির্ধায় তোলা যায়।
আসল কথা আগেই বলে ফেলেছি! শেষে আবার বলি, কনডম যতো ইলেকট্রিক শক-দেওয়াই হোক, টানলে যতোই লম্বা হোক, যতো হার্ড বা হার্ডকোর হোক- আসল কাম কিন্তু করে কনডমের পিছনেরটা। যতোই তারে আটকাইয়া রাখা হোক, যতোই ঢেকেঢুকে রাখা হোক, যতই বলা হোক- আমেরিকা-ইউএন-কনডম কোম্পানীর ট্যাকের জোর বেশি, কার্যক্ষেত্রে সবসময় তা না-ও হতে পারে। অন্তত ইতিহাস থেকে আমরা সেই শিক্ষাই পাই।
*এইডস সম্পর্কে যত কথা বলা হয়, যতো লোক মারা যাওয়ার তথ্য দেওয়া হয়, সেই তথ্যের সত্যতা নিয়ে ব্যাপক বিরোধ আছে। এই বিষয়ে আগামীতে একটা পোস্ট দিবো।
**এই হার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে কনডম-প্রচারণার আগের বর্তমানে এই হার ১৮%।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
যীশূ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। ৫
ভালো লেগেছে পোস্ট।
যূথচারী বলেছেন:
তথ্যটা ঠিকই! কিন্তু আরেকটা সার্চ দেন, সেইটা হলো পৃথিবীতে কনডম ব্যবসা। জানবেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনার জন্য যত টাকা ব্যয় করে, তার কত পার্সেন্ট তারা কনডম কেনার জন্য ব্যয় করে। এই মুহূর্তে ব্যস্ত আছি, না হলে নিজেই খুঁজে বলতাম। তবে যতদূর মনে পড়ে, ২০০০ সালে ৪ বিলিয়ন ডলারের কনডম কিনেছে উন্নয়নশীল দেশগুলো।
হাসিব বলেছেন:
- এইডসের উতপত্তি নিয়ে কিছু কনস্পিরেসি থিওরী আছে । পোস্ট করতে পারেন ওগুলো । - বাংলাদেশে এইডস সংক্রমনের জন্য কিছু এনজিও আছে উঠে পড়ে লাগছে । না থাকলেও হওয়াইবোই এইডস । বছরে একবার শাহবাগের রাস্তা বন্ধ কইরা র্যালি করবো । আর সেইটার ভিডিও বেইচা সারাবছর খাইবো ।
- সন্ধাবাতির কনডমের সাক্সেস রেট নিয়ে তথ্য ঠিক আছে । এইটারেও দেখা যাবে কয়দিন পর পুজি কইরা কইবো দেশী কন্ডম ভালা না, বিদেশী কনডম খিলাইতে হইবো তখন ।
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
রাজা কেমন?
@হাসিব
[এইডসের উতপত্তি নিয়ে কিছু কনস্পিরেসি থিওরী আছে ]
এইখানে উতপত্তি বলতে কি প্রথম আবিষ্কারক কে সেইটা বুঝাইছেন। যদি তাই হয় তাইলে আছে। আম্রিকা আর ফ্রান্সের বিজ্ঞানিগ একটা মারামারি আছে এইডা নিয়া।
তিমুর বলেছেন:
ঠিক আছে, দ্বিতীয় অংশে একমত । কিন্তু মায়ানমার জান্তা কতখানি ক্যাপিটালিস্ট ? এথনিক পলিটিক্স আসলে পুঁজিবাদ বা সমাজত্ন্ত্রের বাইরেও অবস্থান করে বা করতে পারে ।
তিমুর বলেছেন:
আপনারা দুইজনে এই বিষয়ে বাহাস করবেন আশা করি । জাবির কুতুবগো উপরে শ্রদ্ধা বাড়তেসে ।
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
হ্যাঁ, ধারণাটা অসত্য নয় ।বছর তিন-চার আগে দেশে একটা অদ্ভূত বিজ্ঞাপন রাস্তাঘাটে দেখা যেতো - "লাগবা বাজি" ..
এইডস বিরোধী প্রচারণা ।
একটা সময় পড়ে বিজ্ঞাপনটা নাই হয়ে যায় ।
পুরো ব্যাপারটা কনডম কোম্পানির বাজার বাড়ানোর জন্যে একটা প্রচেষ্টা ছিলো বলে মনে করা হয় ।
এবং এর পেছনে কনডম কোম্পানিগুলো সরকারের বিভিন্ন বিভাগে প্রচুর টাকা ঢালে - বলে প্রচারণা আছে।
হাসিব বলেছেন:
বিধবা নারীর প্রেম (বিএনপি) বলেছেন:
হাছা কথা, কনডম না থাকলে আমাগো কি হবে?
রবিনহুড বলেছেন:
যৌন রোগে আছে ভয়, বাপের বেটা কনডম লয়..... লাগ বাবাজি...
দ্রোহী বলেছেন:
সবাই অশ্লীল কথা বলে!! াগাাি একটা নেয়ামত! উহা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে সারাই মহত্ত্বম। শুধু শুধুই প্লাষ্টিক বিষয়ক অবতারণা!
রাগ ইমন বলেছেন:
লেখার জন্য ৫। জেনেও হয়ত ঠেকাতে পারি না অনেক কিছুই , তবু জানা এবং জানানোটা খুব জরুরী ।
একদিন আমাদের সময় আসতেও তো পারে!
সাইফ সামির বলেছেন:
Thanks for ur important comment in my blog!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















