খরায় পানি কম? বর্ষায় পুষিয়ে দিমুনে...

২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:১৩

শেয়ারঃ
0 0 0

এস পি কাকরান বললেন, বর্ষায় পদ্মায় পানিপ্রবাহের ব্যাপারটি তারা বিবেচনা করবেন। এস পি কাকরান হলেন বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ভারতীয় পক্ষের সদস্য। আজ সকালে এই কমিশন হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে পদ্মায় পানি প্রবাহের অবস্থা দেখতে যান। কমিশন দেখতে পায়, ওখানে ২০ হাজার কিউসেক পানি কম আছে। বাংলাদেশ প্রতিনিধি পানি কমের বিষয়টি তুলে ধরলে, এস পি কাকরান বললেন, বর্ষায় পানি বাড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি তারা বিবেচনা করবেন। সেই সময় পানি সংরক্ষণাগার করে পানি সংগ্রহ করে রাখার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।


এস পি কাকরানের ইন্টারভিউটি টিভিতে প্রতিটি খবরেই দেখাচ্ছে, পারলে দেখে নিন।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:২৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:১৫
হাসিব বলেছেন: কাকরোল সাহেব কি আর্মিতে আছিলেন ? নাকি সচিব ? চিন্তা ভাবনায় মিল পাই ।
২. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:১৯
মৈথুনানন্দ বলেছেন: আগের সাদাকালো ছবিটাই তো বেশ রোম্যা ছিল।
৩. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:১৯
ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন: ভারত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র পানি না দিলেও বন্ধুত্ব নষ্ট হবে না।
পানি যদি নাও দেয় তবুও আমরা কৃতজ্ঞ '৭১ এ সাহায্য করার জন্য।
পানি অভাবে দেশ শুকিয়ে যাক,
আমরা ধ্বংস হয়ে যাই,
তাতে কি আসে যায়।
'৭১ এর ভুমিকার কথা ভুলা মানেই আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি হিসাবে পরিচিত হব।
৪. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:২৪
মৈথুনানন্দ বলেছেন: @ইসম

নো থ্যাংকস বিটউইন বন্ধুস - কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাশে পাশে চলব বলেই তো এসেছি। শুধু পানি নয়, প্রাণ চাইলে তাও হাজির, বন্ধুত্বের খাতিরে - ফ্রেন্ড্স ফরেভার।
৫. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৩০
ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন: জীবন দিব, বিলীন হয়ে যাব তবুও বন্ধুত্ব থাকবে।
৬. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৩১
যূথচারী বলেছেন: '৭১-এর ব্যাপারটি ভোলার দরকার নেই, সেই সময়ে পৃথিবীর যেসব মানুষ ও রাষ্ট্র বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলো, তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা থাকছে। কিন্তু কেউ যদি আমাদের রাষ্ট্রের প্রতি আগ্রাসন চালায়, তাহলেও তার প্রতি সশ্রদ্ধ থাকার কোনো মানে নেই।
৭. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৪৫
মৈথুনানন্দ বলেছেন: আসলে সমস্যটা হল কম-বেশি সব জায়গাতেই রাষ্ট্র হয়ে ওঠে হাতে-গোণা কয়েকজন সুবিধাবাদীর ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থের অস্ত্র মাত্র, সাধারণ মানুষ কিন্তু এই নোংরামির থেকে সব সময় দূরে থাকতে পছন্দ করেন, এবং সাধ্যমতো তার প্রতিবাদও করেন।

যখন ভিয়েতনাম পুড়েছে, আমেরিকার আম জনতা ভেতর থেকেই গর্জেছে, চুপ নয় তারা অতি-সাম্প্রতিক শোষণের বিরুদ্ধেও।

শেষ রায় দেবে সাধারণ মানুষই, কারণ তারা একজনকেই সমর্থন করে, সেই সাধারণ মানুষকেই।

বিশ্বের ইতিহাস আর মহাকাল, এদের কুর্নিশ জানাবে, বন্দেগী দেবে - ভেট করবে সালাম।
৮. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৪৫
হযবরল বলেছেন: যূথচারী কি নটরডেমে গ্রুপ সেভেন। ৯৬ ব্যাচ ?
৯. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৪৬
ইসমৎ আহাম্মদ বলেছেন: আগ্রাসন বলছেন কেন?
তাদের একটু পানি বেশি দরকার তাই নিচ্ছে।
বর্ষাকালে দিয়ে দিবে।
১০. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৫৫
যূথচারী বলেছেন: @ হযবরল- না ভাইয়া!

@ ইসমৎ- ভাইয়া, আপনি কিন্তু বেশি ফান করছেন! আয়রনি বেশি হলে ফানি হয়ে যায়, আপনার কথা তো আমরা আপনার প্রথম মন্তব্য থেকেই বুঝেছি!
১১. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৫৮
হযবরল বলেছেন: তোমার সাথে আমার পরিচয় হয়েছে জাহাঙ্গীর নগর কিংবা আজিজ, দু জায়গার কোন একটা জায়গায়। যাই হোক সেটা বড় কোন ইস্যু না।

বর্ষায় পানি ধরে রাখতে হবে সেটাই এখন ইস্যু।
১২. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:০৩
সোনার বাংলা বলেছেন: কাকরোল কি বন্যার ঘোষনা দিয়ে গেলো!
হালায় মনে হয় জোক করতাছে।
এই দেখি আজব কাকরোস।
আর ৭১-রে আমাদের কেন হেলপ করে ছিলো তা
কিন্তু ই.গান্ধির নাতি বলেছে।
তাই কোন চিন্তা করি না।
বন্ধু সত্য তবে কেমন চিন্তা করতে হবে!!!!
বুঝলেন চিন্তা করেন না হলে বাঁশ দেব কিন্তু!
১৩. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:০৬
যূথচারী বলেছেন: বন্যার ঘোষণা-ই তো দিয়ে গ্যালো! শিরোনামে বিষয়টি বোঝাতে পারিনি?
১৪. ২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:৫৯
পথহারা বলেছেন: ইসমৎ আহাম্মদ,
তুমি কি ইনডিয়ান না বাংলাদেশী? তোমার অতিরিক্ত ভারত প্রীতি সন্দেহজনক। তোমারে নয়া যুগের নয়া রাজাকার মনে হচ্ছে।
১৫. ২৯ শে মে, ২০০৭ রাত ১:১৭
সোনার বাংলা বলেছেন: যূথচারী@ হ পারছেন।
তয় মনে হইতে ছিলো
ভুল দেখতাছি তাই!
এরাতো আবার আমাদের বন্ধু!
১৬. ২৯ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:১১
যূথচারী বলেছেন: বন্ধু! হা হা হা! বলা হয়ে থাকে, আমেরিকা যার বন্ধু, তার ধ্বংসের জন্য আর কোনো শত্রুর দরকার নেই। ...আর ভারত যার বন্ধু, তার ধ্বংসের জন্য একটা অজুহাত দরকার হয়।
১৭. ২৯ শে মে, ২০০৭ রাত ৮:৫৭
সজীব বলেছেন: ৭১ -এ ভারত তার নিজ স্বার্থে শেষ কয়েকমাস সেনাবাহিনী দিয়ে সাহায্য করেছিল। মূল যুদ্ধ এদেশের খেটে খাওয়া মানুষই করেছিল। যশোরের শিরোমনির যুদ্ধ আজো সারাবিশ্বে সামরিক বাহিনীর পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভূক্ত। সবাই বিস্মিত হয় জেনে যে প্রায় নিরস্ত্র কিছু মানুষ কিভাবে পুরো একটা সামরিক ডিভিশনকে পরাজিত করেছিল। সবাই সতর্ক হোন যেন আপনার পূর্বপুরুষের কৃতিত্বকে ফিফথ কলামের সদস্য কোন দালাল বিদেশে পাচার করে না দেয়। পলিটিশিয়ানরা শক্তভাবে বলতে না পারলেও এদেশের সাধারন মানুষ জানে যে ভারত বরাবরই বাংলাদেশের সাথে বিমাতাসূলভ আচরন করে আসছে। ফারাক্কার পর এখন টিপাইমুখ বাঁধ দেখে আমরা মোটেও বিস্মিত হই না। আন্তজাতিক নদী আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ভারত একের পর এক বাঁধ দিয়ে চলেছে। বিএসএফ ঢুকিয়ে শিশু হত্যা করছে। মৃত লাশ কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রেখে ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। এদেশের মানুষের ধৈর্য্য একসময় শেষ হবে। আমরা কারো অধীনতা কোনদিন মেনে নেই নি।
১৯. ২৯ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:২৫
যূথচারী বলেছেন: @ সজীব এবং অন্যরাও- ইতিহাসের এক বিস্ময়কর তথ্য হলো, ভারতসহ বিশ্বের বড়ো সামরিকশক্তিগুলো যখন কোনো আগ্রাসী শক্তির কাছে ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে পরাজিত ও অধিকৃত হয়ে গিয়েছিলো, তখনও কিন্তু এক অদ্ভুতভাবে বাংলা (বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পূর্ব বাংলা মানে এখনকার বাংলাদেশ) ওই আগ্রাসীদের রুখে দিয়েছে। আর্যরা তো বাধাপ্রাপ্ত হয়ে "শুদ্ধির অযোগ্য, পক্ষীভাষী" কতো গাল-ই না পাড়লো! আলেকজান্ডারের "হায় সেলুকাস" তো প্রবাদসম হয়ে গ্যাছে! ভার্জিলের বাঙালিগাথা তো জগদ্বিখ্যাত। টলেমি আর প্লিনি বলেছেন এক ঋদ্ধ জাতির কথা। পরবর্তীতে বাংলার শাসক শশাঙ্কের কথা ভারতবাসী চিরদিন মনে রাখবে! কি শাসানিটাই না দিয়েছে! (অশোক যদিও পশ্চিমবাংলার প্রান্তীয় শাসক তবু তাকেই বা বাদ দেই কী করে?) তারপর পালশাসকগণের কথা তো বলাই বাহুল্য। মুসলিম যুগের আয়রনিতে তো মুসলিম আগন্তুকরাই সবচেয়ে কষ্ট পেয়েছে। ভারতে যখন প্রথম পর্বের মুসলিম শাসন শেষ হয় হয়, তখনো বাংলায় মুসলমানরা ঢুকতেই পারেনি। দ্বিতীয় পর্যায়ের মুসলিম শাসনের শেষভাগে যা-ও এলো শুরু হলো "বাংলার স্বাধীন সুলতানী আমল"। ইংরেজ আমলের পুরো সময়টাতেই বাংলা-ই ছিল ভারত-শাসনের কেন্দ্র। এরপরের ইতিহাস তো সবার-ই জানা। ভারতবর্ষীয়রা এইসব তথ্য ভুলে যায় কী করে? আমার মনে হয় ভোলেনি! বরং মনে রেখেছে শক্ত করেই। তবে আবারো যাতে বাঙালির হাতে মার খেতে না হয়, সেই ভয়ে আগে থেকে প্রতিরোধ নিচ্ছে। আর কথায় তো বলেই, "অফেন্স ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স"। ভারতীয়দের এই অফেন্সিভ নীতি আসলে কোনো "আশঙ্কা"র বিরুদ্ধে ডিফেন্স কিনা কে জানে?

তবে কথা হলো, এইসব অফেন্স করে কেউ কোনোদিন রক্ষা পায়নি।
২০. ২৯ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:২৮
শঙ্খ বলেছেন: বস, লাইনটা শেষ করেন নাই। এইসব অফেন্স করে কেউ কোনোদিন রক্ষা পায়নি, "ভারতও পাবে না।"
২১. ৩০ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৩৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: 'কাকরোল'তো আমাদের দেশের এক জাতীয় সব্জির নাম ! 'কাকরোল' নামের এই ভারতীয় সব্জিটাকে বর্ষার পানিতে ভাল করে চুবানো দরকার ।


'খরায় শুকানো-আর বর্ষায় ডুবানো'-
ভারতের এই পরিকল্পিত সামন্ত আচড়রণে পরিচিত ভারতীয়দের প্রায়শ গর্বিত হতে দেখি !
২২. ৩০ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৪০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: *এক জাতীয় =এক প্রকৃতির সব্জির নাম
২৩. ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৯:১৫
যূথচারী বলেছেন: সত্যিই কি সাধারণ ভারতীয় নাগরিকরা খুশি হন বাংলাদেশের মানুষের কষ্ট দেখে? ভারতীয় সাধারণ মানুষের মনস্তত্ত্ব বুঝতে চাচ্ছি, কেউ একটু বলবেন কি?
২৪. ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০১
মানবী বলেছেন: খবরটির প্রতি দৃষ্টি আর্কষন করানোর জন্য ধন্যবাদ যূথচারী।
২৫. ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৬
যূথচারী বলেছেন: @ মানবী- আপনাকে আমার ব্লগে স্বাগতম!
২৬. ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:০৯
মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন: ২০০৭-০৫-২৯ ২৩:২৫:৪১ সময়ে করা যুথচারীর কমেন্টের জন্য ৫ দিলাম।
২৭. ৩০ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:০০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: যূথচারী (সোহেইল ) ভাই ! প্রবাসী হবার ফলে ইনডিয়ান - পাকীস্তানীদের সাথে খুব কাছ থেকে মেশার সুযোগ হয়েছে !
সে অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি,সুযোগ পেলেই বাংলাদেশীদেরকে তারা হেয়জ্ঞান করে ।

অনেক ইন্ডিয়ানকে বলতে শুনেছি,-'আমরাতো কেবল পানি দিয়েই তোমাদেরকে মারতে পারি !'
যদিও যথার্থ জবাব পেয়ে তারা দমে যায় ।

সব ইনডিয়ান হয়তো এ-রকম মনোভাব পোষণ করে না । তবে সংখ্যাগুরু ইনডিয়ানের মানসিকতায় এমন!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮০৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সোহেইল জাফর
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই