আমার প্রিয় পোস্ট
- আমরা তিনজন ভীষন ব্যস্ত - ভিয়েনাস
- সেইসব নাক উঁচু শিক্ষিত রুচিবান দেশপ্রেমিক ভাই বোনদের জন্য মূর্খদের শোনা কিছু সেরা গান ! - কবি ও কাব্য
- হাচিকো- এক মহান কুকুর - সজল শর্মা
- আমার বন্ধু আলুর দম - লেখাজোকা শামীম
- এশীয় নারীদের সতীত্ব পরীক্ষা নতুন বিতর্ক বৃটেনে - মোঃজাহিদুল ইসলাম মিঠু
- [ফিরে দেখা] ভুলে যাওয়া পত্রপত্রিকাগুলি - রাইসুল জুহালা
- ম্যাকের জন্য বাংলা ফনেটিক কি-বোর্ড Bangla-অঙ্কুর - ইউ২৫৬
- ক্যামেরা বন্দি চেনা সবুজের অচেনা সৌন্দর্য। - সম্রাট১৯৯১
- ভাষাসৈনিক মমতাজ বেগমঃ আজীবন বিপ্লবী এক নারীর ভুলে যাওয়া অধ্যায়। - আসিফ মহিউদ্দীন
- ইঞ্জিনিয়ারদের রম্যকথন-৫(ইঞ্জিনিয়াররা কী বলেন আর কী বুঝান) - বিনবি
- ( ছবি ব্লগ ) এশার - অসম্ভবের চিত্রকর - সি.কে. নাজমুল
- জনৈক মর্কটের স্কুলশিক্ষকবৃন্দ - শামীম শরীফ সুষম
- বাংলা সিনেমার কিছু প্রয়োজনীয় উপাত্ত -- প্রথম পর্ব! - ডিসকো বান্দর
- বাংলাদেশের যত টাকা.......................... - মোঃ সফিকুল ইসলাম
- বাংলাদেশী টপ গান (Top Gun) - আমার নাম নাই
- কুড়িয়ে পাওয়া শাক : ৪ -তেলাকুচা/ কুন্দ্রি শাক - এইচ, এম, পারভেজ
- মহামান্যার প্রতি শ্রদ্ধাবনত হয়ে... - হাসান মাহবুব
- কেমিক্যাল রাজ্যের রূপকথা (নাটক) - নুভান
- আসেন দেখি একটি অপ্রকাশিত বাংলা ছিঃনেমা.... - প্লাস_মাইনাস
- গোপীনাথের হরিসেবা- দ্য ডার্ক সাইড অব স্যালভেশন - সজল শর্মা
- অদ্ভুত সেই ছাগুটি (লিরিক্স সহ অডিওঃ ছোট সাইজ) - গ্রাউন্ড ফ্লোর
- ১৫টি ফ্রী মোবাইল ওয়েব সাইট (সব কিছু ফ্রী তে ডাউনলোড করুন) - মুস্তাফিজুর রহমান (মুন্না)
- ব্লগার বারামদী, বন্ধু জন 'ভ্যান ড্যাম' আর আমার মহাপুরুষ তত্ব! - উদাসী স্বপ্ন
- মুন্নি তোর বিকল্প নেই - মুকুট বিহীন সম্রাট
- রাইফেল সিরিজ - এম ১৬

- সাধারণমানুষ
- ৭০ এর নারীরা, আহ- - পশু
- বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ওয়েবসাইট - মহসিন০৮
- বাংলাদেশ পুলিশের শুধু খারাপ দিকটাই আমরা দেখলাম - আই আনাম
- শীতকালে গরমের ওয়াজ - কিপটে
- বাঁচতে হলে জানতে হবে-১০ - রাজীব নুর
- গোরস্থানরে বাবড়ি চুল (মৃত্যু মানে প্রস্থান নয়) - ফকির অাবদুল মােলক
- আত্মহত্যার মঞ্চ
- সেবু মোস্তাফিজ
- ছবিটা দেখলে মনটা কেমন হুহু করে ওঠে....... - সুবিদ্
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছেলের জীবন কাটে চায়ের দোকানের পানি টেনে - টাইগার্স
- আকবর হোসেনঃ নিজ নামে গড়ে তুলেছিলেন মুক্তিবাহিনী>> অকুতোভয় এক মুক্তিসেনার অসামান্য বীরত্বের কাহিনী - পারভেজ মাসুদ
- আমার বাবার সহস্তে লিখিত মুক্তিযুদ্ধের একটি পান্ডুলিপি চলমান ৩য় অংশ - হামীম
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ৭ > সম্মূখ যুদ্ধের প্রথম অভিজ্ঞতা - মনজুরুল হক
- যৌথ পরিবারে বড় হওয়া - ছায়া দে
- মা, তুমি কেন আমাকে তোমার ক্ষিধের গল্প শোনালে? - এস বাসার
- এবার ঈদের প্রকৃত প্রহর (রিয়েল টাইম) ধরে জীবন্ত (লাইভ ) রান্না বান্না - রাগ ইমন
- কোরবানীর গরু ও তার মালিক হাশিম - পাভেল করচাগিন
- শিবির আমার পুরাতন প্রেমিকা - সবাক
- ওহঃ স্বপ্ন ! - অণৃণ্য
- সারমর্ম (গল্প) - হাসান মাহবুব
- দেশের নাম ভানুয়াতু (৩য় পর্ব) - একজন সৈকত
- দেশের নাম ভানুয়াতু (২য় পর্ব) - একজন সৈকত
- ** জ্যোতির্ময় বচন * * ( এক রূপবতীর সাথে কথোপকথন
, হাল্কা ১৮+ ) - বোহেমিয়ান কথকতা
- লুল-এর উৎস অনুসন্ধানে - তাজা কলম
- অনুভূতির চিঠি (ডায়েরির পাতা থেকে) - সোমা.
- আমার দোস্তর কাছে আমি পরাজিত - যেমন ইকোনোমিক্স
- শিশু গণহত্যা........ (১৮+) - বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
- অপার্থিব রাঙ্গামাটি! - অন্যরকম
- জীবনে যা পড়েছি-৬ (শীর্ষেন্দুর দূরবীন) - তায়েফ আহমাদ
- আমার প্রিয় কিছু বাঙলাছবির তালিকা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- টেলিফোন নম্বর গুলো কি একটু মুখস্ত করবেন? - মিলটন
- বাংলা সিনেমার অন্যরকম নায়িকারা... ( ইহা লুল পুস্ট নহে) - ধীবর
- বাংলা সিনেমার অন্যরকম নায়কেরা ( এক বছর পুর্তি + ঈদের শুভেচ্ছামুলক পোস্ট) - ধীবর
- কিছু অমোঘ বাণী যা আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে - ১ - পাপী
- বঙ্গ দেশের প্রথম বাঙ্গালীর মহাকাশ অভিযানের বিবরণী - আনোয়ারুল আলম
- আসুন অংক শিখি সালমান খানের কাছ থেকে ! (নতুন একটি শিক্ষা পদ্ধতির বর্ণনা) - আনোয়ারুল আলম
- অত:পর দ্বিজহরিদাস...... - সজল শর্মা
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- কালিদাস এবং ... - শেষ পর্ব - মে ঘ দূ ত
- একটা ব্লগ লিখেই ফেলি সমাজ বদলের (ব্লগ লিখলেই সমাজ বদল হয় না) - উদাসী স্বপ্ন
- একটি ঐতিহাসিক রিপোস্ট দিয়ে লগআউট করলাম



- ইউনুস খান
- ওয়াইম্যাক্স এনাটমি: পারলে থিসিস করেন, পারলে ননটেকীরাও পড়বার পারেন! - উদাসী স্বপ্ন
- বাংলাদেশী ধাতব মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- ভালো থেকো মা, আনন্দে থেকো.................. শুভ জন্মদিন! - হক মাহবুব
- মারফিসূত্র বা Murfy's Laws - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- আগুন কমেন্ট সংকলন - আই লাভ ব্লগিং
- ফিলসফি - ফ্রুলিংক্স
- আদ্যোপান্ত নচিকেতাঃ একটি তথ্যমূলক পোষ্ট। - জয় সরকার
- ব্লগারের রক্তের গ্রুপভুক্ত তথ্য এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যঃ মোট মাত্র ২০১ জন (আপডেট পোস্ট) - এস রহমান
- পরিচিত হই বাংলার ফুলের সাথে (আপডেট) - রাজামশাই
- প্রকৃতির খেলা ১ - অপরিচিত_আবির
- ঢাকার অনেক পুরাতন কিছু ছবি!! দেখুন ও শেয়ার করুন
- বজ্রাহত
- ১৬ই জানুয়ারীতে শ্রাবণীর পোষ্টেড ব্লগ: - স্বাধীনতা তুমি
- সাবাকা 'জো' - শেরজা তপন
- চলুন সেন্টমার্টিন্স ঘুরে আসি... (এবার যাওয়ার আগে অনেক খুঁজেও কোন তথ্য পাইনি নেটে। সেই হতাশা থেকেই লেখা।) - ক-খ-গ
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১০৮ ব্লগারের তথ্য - ফিউজিটিভ
- এসো ভদ্রতার গলাত দড়ি লাগাই - মহাকাল
- ই-লাইব্রেরি - ০০৭৭৭৭৭
- জামাতি দাওয়াতে মওলানার জবাব - অমি রহমান পিয়াল
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- যারা কথা বলার সময় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশায় - তাদের কেন যেন বাটপার ধরনের মানুষ মনে হয়! - এস্কিমো
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। - কুম্ভকর্ণ
- আমার দশটি পুরানো (৩৬+) কৌতুক - আখসানুল
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
হাটের দিন
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৫
তখন অনেক ছোট। প্রতি বৃহস্পতিবার (সম্ভবত) আমাদের এলাকা ছাইড়া কিছুটা দূরে, সখীপুরে হাট বসত। পুরা গ্রাম্য হাটের চেহারা পাওয়া যাইত সেখানে। আমি বাপের সাথে যাইতাম। পুরা সপ্তাহের কিছু কিছু বাজার কইরা নিয়া আসত বাবা। আমি সঙ্গী হিসাবে যাইতাম। মাঝে মাঝে আমাদের ক্ষেতের ধান, বাদাম ইত্যাদি বিক্রি করতে যাইতাম। সারা মাঠ ভরা কালিজিরা ধানের সৌন্দর্য যে দেখছে সে জানে ইহা কি বস্তু। ধান কাইটা গরুর গাড়ী ভইরা ধান নিয়া আসা হইত আমাদের কারখানায়। একতলা উচা ধানের গাদার উপর বইসা আসতাম। মজাই ছিল আলাদা। মাঝে মাঝে শিলা বৃষ্টি পইড়া ধানে চিটা লাইগা যাইত। সেইবার লস যাইত। ধানের চিটা এক মারাত্মক জিনিস। খেড় ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায় না। পুরা মাথায় হাত অবস্থা। আবার কখনও বাদাম হইত ক্ষেতে। বাদাম ক্ষেতের গন্ধ আমার বিশেষ পছন্দ। বাদাম ভর্তাও আমার অতি প্রিয়। মারে যদি বলতাম, মা বাদাম ভর্তা খামু তবে কইত, বাদাম ছিলা দে। লোভে পইড়া, বাদাম ছিলার মত কষ্টকর কাজও করতাম। একগাদা বাদাম ছিলতাম, যাতে বেশী কইরা ভর্তা হয়। কিন্তু মা সামান্য ভর্তা বানাইয়া দিত আর কইত, পেট ব্যাথা করব। গুল্লি মারি পেট ব্যাথার, চিল্লাফাল্লা করতাম, তবুও মার মন গলত না। বাদাম ভর্তার সাথে আরেকটা ভর্তা আমার বিশেষ প্রিয়। সেইটা হইল কালীজিরা ভর্তা। পাটায় ভর্তা বাইটা বানানির পর পাটায় লাইগা থাকা অংশটুকু ভাত দিয়া মাখাইয়া খাইতে সবচেয়ে বেশী মজা। এইটা অবশ্য পাটায় বাটা সব ভর্তার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তো আমি বইসা থাকতাম কখন পাটায় মাখা কালীজিরা ভর্তার ভাতটুকু মা মুখে তুইলা দিব।
ধান আইনা আমাগোর কারখানার বড় চুলায় সিদ্ধ করা হইত। সিদ্ধ ধানের গন্ধ আমার অতি পরিচিত। সিদ্ধ করার পর কারখানার ছাদে শুকাইতে দেওয়া হইত আরেকবার। মা, কাজের লোকরা পা দিয়া মাঝে মাঝে ধান নাড়াইয়া দিত। আমিও শখের বসে পা চালাইতাম ধানের মধ্যে। ফলে ধান সব উলটা পালটা হইয়া এইদিক ঐদিক ছড়াইয়া পড়ত। কামের থিকা আকাম হইত বেশী। তা ধান শুকানির পর ছালায় ভরা হইত ধান। ছালা বা বস্তা আছিল দুই রকমের। পাটের ছালাই আছিল বেশী। আর কিছু আছিল প্লাষ্টিকের ছালা। ঐগুলা ছিল আসলে ফ্যাক্টরীর জন্য আনা চিনির বস্তা। বস্তা ভইরা অটোরিক্সা ভাড়া কইরা ধান নিয়া যাওয়া হইত সখীপুরের হাটে। বেপারীর কাছে মনদরে বিক্রি করা হইত। আমার বাপে কয়, আমি নাকি হাটে গিয়া তিন ব্যাকা দিয়া খাড়াইয়া থাকতাম। পুরাই বেক্কল আছিলাম।
হাটে বাপে একদিকে ধান বেচত তার কর্মচারীগোরে নিয়া, আরেকদিকে আমি থাকতাম হাট ঘুইরা দেখনের ধান্দায়। একটু ফাক পাইলেই বাইর হইয়া যাইতাম। জিলাপী বেচত কয়েক দোকানে। সিঙ্গারা আছিল এক টেকা পিছ। ঝালমুড়ি পাওয়া যাইত, চানাচুর মাখা পাওয়া যাইত, এক টেকায় অনেকগুলা। আমি বাপের কাছে আবদার ধরতাম এইগুলার কোন একটা কিনা দেওনের লাইগা। বহুত কওয়ার পর কিনা দিত। মাঝে মাঝে গরু ছাগল বিক্রি হয় যেইখানে সেইখানে যাইতাম। কালা কালা ছাগল, হলুদ হলুদ ভেড়া আর কালা, লাল, সাদা, ময়লা সাদা গরুর এক বিশাল বাজার আছিল তহন। তহন সাধারন সাপ্তাহিক হাটে যে পরিমান ছাগল ভেড়া পাওয়া যাইত এহনকার ঈদের হাটেও তা পাওয়া যায় কিনা সন্দেহ।
কোকাকোলার বোতল আছিল ছয় টেকা না সাত টেকা জানি। এই জিনিসটা আমার ছোটবেলায় আছিল স্বর্গের অমৃতের মতন। বছরে ২৫০ মিলি একটা বা দুইটা কোকের বোতল খাইতে পারতাম কিনা সন্দেহ। আমারে এক বোতল কিনা দিলে আমার ছোটবইনরেও এক বোতল কিনা দিতে হইত। তখনকার দিনে চৌদ্দ টেকা আসলেই বেশী আছিল আমার বাবা মার লিগা। পানি মিশাইয়া মিশাইয়া কোক খাইতাম। যতটা দীর্ঘায়িত করা যায় আর কি এই অমৃত পান! দেড় দুই ঘন্টা ধইরা ২৫৯ মিলি কোক খাইতাম। হাটে যাওয়ার পিছনে এই কোকের লোভও কাজ করত বৈকি! মাঝে মাঝে বাবা নিজে যাইত না হাটে। কোন কর্মচারীরে পাঠাইয়া দিত জিনিস বিক্রি করার লাইগা। আমিও ওর লগে যাইতাম। মা কইয়া দিত খেয়াল রাখবি কততে বিক্রি করে। আমি খেয়াল রাখতাম। বেচারারা ধরা খাইত। আমারে মাঝে মাঝে কোক ঘুষ দিত বেচারারা। তাও কাম হইত না। আমি চুপে চুপে মারে গিয়া সব কইয়া দিতাম। আসলে এক বেক্কইল্লা টাইপের সৎ আছিলাম। চুরি চামারি, বাটপারি করতাম না। এই কারনে পোলাপানে আমারে ক্রিকেট খেলায় সবসময় খাতায় স্কোর লেখতে দিত। বিপক্ষ পক্ষও আমারে দারুন বিশ্বাস করত। একদিন নিজের দলের নিদারুণ প্ররোচনায় সততা বিসর্জন দিলাম। আর কত সৎ থাকা যায়! ছাইড়া দিলাম স্কোর লেহা।
হাটের আবশ্যকীয় বিষয় হইল এর রোদ। কাঠফাটা রোদ পড়ে। ছাতি একটা আবশ্যকীয় বস্তু। সেই পুরান আমলের মজবুত কাঠের ডান্ডার কালা কাপড়ের ছাতি। এহনকার লুতুপুতু ফ্যাশনেবল ছাতি না। হেই ছাতি দিয়া এহনকার ছাতিরে এক বাড়ি দিলেই শেষ! "আলমের ১ নং ছাতা। রোদ বৃষ্টিতে সুরক্ষা।"
হাট শেষ করতে করতে বেলা পইড়া যাইত। সারি বাধা সব কাচা বাজারের দোকানের ডালা গুটানি হইত। গরু লইয়া গরুর ব্যাপারী ভাগা দিত। ধান যেইডি বেচা হইছে তো হইছে, আর বাকীডি নিয়া বাড়ীত ফেরত আইতাম। আমার লাভ আছিল, জিলাপা, মুড়ি, সিঙ্গারা বা এইজাতীয় কিছু একটা। বাসায় আইতে আইতে অন্ধকার নাইমা যাইত। পা না ধুইয়াই বিছানায় গিয়া শুইয়া পড়তাম। মায়ে টাইনা উঠাইতো, "যা পা ধুইয়া আয়।" সহজ সরল পর্যবেক্ষক জীবন। শুধু দেইখা যাইতাম। অংশগ্রহন করতে ইচ্ছা হইত কিন্তু পারতাম না ছোড ছিলাম বইলা। এহন আর সেই সুযোগ নাই। হাটের আগের জোশ কইমা গেছে। মাঝে মাঝে আমাগোর এলাকায় সেই ছোটবেলার মত রোদ নামে, দুপুরের দিকে। আমি দেখলেই চিনতে পারি। আমার পরিবেশ স্মৃতি তীব্র। গন্ধ স্মৃতিও তীব্র। গন্ধ শুকলেই কইতে পারি যে এইডা একটা ফ্লাট বাড়ী আর এইডা একটা কারখানা। তা যহনই সেই পরিবেশ বা রোদ দেহি সোজা রাস্তায় নাইমা যাই। মনে পড়ে ছোটবেলার সেই গান। হাওয়া হাওয়া ও হাওয়া দিস্কো দিওয়ানা, পাতলা পায়খানা......... ( আলী ভাইয়ের লন্ড্রীতে বাজাইতো গানড়া, উনি বেশ ইস্মার্ট আছিলেন, সবসময় ইন করা আর নায়কগোর মত একটা ওয়েষ্ট কোট জাতীয় কিছু পইরা থাকতেন)
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাধারণমানুষ বলেছেন:
স্রৃতি সতত উজ্জল ...... দারুন এক রোমন্থন। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আর ভাই রোমন্থন। এখন জাবর কাটা ছাড়া আর কিছু করার নাই।
লেখক বলেছেন: লাভ নাই। কুকাকুলায় আর সেই মজা নাই। এক টেকার সেই সিঙ্গারাও আর নাই।
নুশেরা বলেছেন:
অসামান্য স্মৃতিচারণ! বাদামক্ষেতের গন্ধ, কালিজিরা ভর্তা... এগুলোর সঙ্গে চেনাজানা আমারও আছে কিন্তু আপনার মতো করে লেখা সম্ভব না... প্রিয় পোস্টে যোগ করলাম।
লেখক বলেছেন: খাইছে! এইবার উলটাদিকে দৌড় মারি।
রাহি বলেছেন:
অসাধারণ- আপনার উপস্তাপন!!! আমিও যে গাঁয়ের ছেলে। গাঁয়ের কাঁদা মাখানো মেঁঠো পথ, বাঁশ বাগানের সাড়ি, রোঁদে পোড়া মাটির গন্ধ, গাঁয়ের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া চূট্র নদী, ছবির মতো সাজানো পাহার এগুলো হাতছানি দেয় আমাকে কন্তু আমি যে সাঁড়া দিতে পারিনা। কারন আমি হেরে গেছি ইট-পাথরের কৃত্বিমতার কাছে, হেরে গেছি অজানা এক সুখ নামের অসুখের কাছে। + + +
লেখক বলেছেন: বড়ই ছোয়াছে এই অসুখ। ওষুধ নাই। আফসুস।
একদিন দৌড় মারেন ধান ক্ষেতের আইলের মধ্যে দিয়া। কিছুটা উপশম হইতে পারে।
কাঠগোলাপ বলেছেন:
শুধু অসাধারণ বলা ছাড়া আর কিভাবে আপনার এই লেখাটার প্রশংসা করা উচিত বুঝতেছিনা আমার ছোটবেলার স্মৃতিগুলো ঠিক এই রকম না, কিন্তু অনেক কথাই মনে পড়ে গেল
আর প্রিয় কালিজিরা ভর্তার বর্ণনায় আমার রোজা হালকা হবার দশা
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: হায় হায় কন কি। বুঝার কিছু নাই তো। পেপার পত্রিকায় সাহিত্য পাতায় কত প্রশংসা পাওয়া যায়। অত্যন্ত নান্দনিক ছান্দিকতায়, বাস্তব উপাস্তাপনায়,............... কপি পেষ্ট মারলেই তো হইয়া যায়।
আসেন এইবার সরিষা দিয়া কচু ভর্তা খাই।
আপনিও ভাল থাকবেন।
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
অসাধারণভাবে নিজের ছোটবেলার স্মৃতি তুলে ধরেছেন।আমি আমার ছোটবেলায় কোক কে বলতাম- কালো কালো গ্যাস গ্যাস। আমাদের বাসায় কোন নিকাত্নীয় বেড়াতে আসলে আমি আব্দার জুড়ে দিতাম-আমি কালো কালো গ্যাস গ্যাস খাব। জীবনে দুইবছরের মত গ্রামে থাকা হয়েছে। বাড়ী থেকে একটু দূরে ছিল গোমতি নদী। প্রতিদিন সকালে উঠে গোমতি নদীর পারে এক সুইজ গেটে বসে থাকতাম, অপলক চোখে তাকিয়ে দেখতাম নদীর তীরে গড়ে উঠা বিভিন্ন বাজারের দিনে সকাল থেকে বিভিন্ন নৌকা, ট্রলারের আনাগোনা। আরেকটি জিনিস পছন্দ করতাম, আমাদের বাড়ি পাশে সরিষা ফলত মাঝে মাঝে। হলদে রঙ্গের বাগানে যখন বাতাসের আনাগোনায় ঢেউ খেলত তখন পাগল করা হ্রদয়মনোহর এক দৃশ্যর সৃস্টি হত।
ভাল থাকুন আপনার জীবন। শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: আপনিতো পুরা মার্ক টোয়েন আছিলেন। হাকলবেরী ফিনের নদী, নদী সংলগ্ন বাজার এইসবের গন্ধ পাইতাছি।
ভাইরে সরিষা ক্ষেতের আগুনের কথা আর কইয়েন্না।
হক মাহবুব বলেছেন:
ভাল লাগলো আপনার স্মৃতিচারণ। ছোটবেলাটা বিশেষত যারা আমরা গ্রামে বা মফস্বলে কাটিয়েছি তাদের জন্য বিশেষ কিছু।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আসলেই আমরা সৌভাগ্যবান। এখনকার বাচ্চারা যদি ভবিষ্যতে ব্লগিং করে তবে তারা ছোটবেলার স্মৃতি হিসাবে কি লিখবে, কে জানে।
ভাল থাকুন সবসময়।
লেখক বলেছেন: হ আপনার প্লাসগুলি আসাধারণ। এইমাত্র তেলে ভাইজা খাইলাম। প্রতিটা প্লাস ছিল টাটকা ও সুস্বাদু। অসংখ্য ধন্যবাদ প্লাসগুলির জন্য।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
কোক আমার কাছেও অমৃতের মত লাগতো। আপনি কি তিলভর্তা খাইসেন?স্বর্গীয় জিনিস।
লেখক বলেছেন: নাহ তিলভর্তা খাই নাই। তবে তিলের নাড়ু খাইছি। সেইডাও আরেক স্বর্গীয় জিনিস।
লেখক বলেছেন: মাথা নষ্ট! একশ হাত দূরে থাকুন!
একজন সৈকত বলেছেন:
আপনার সাথে শৈশবে ঘোরার মজাই আলাদা....বেশ কয়েকবারই হাটে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে তবে তা বেশিরভাগই উত্তরবংগের..... ধু ধু মাঠের মধ্যে পুরোনো বট গাছকে ঘিরে কিংবা নদীর ধারে কি জেলাশহরগামী মেইন রোডের ধারের ঐসব জমজমাট হাটগুলোর আবেদন মোটেও হেলাফেলার নয়... আপনার লেখার মধ্য দিয়ে সেই পুরোনো দিনগুলোতে ফিরে গিয়েছিলাম।
লেখক বলেছেন: হা হা হা। হাট জিনিসটা আমার খুব পছন্দের। জীবনের বিচিত্রতা দেখা যায় সেখানে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















