আমার প্রিয় পোস্ট

এডিট করুন

পঞ্চাশ টাকা

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৬

শেয়ারঃ
0 0 0

আলম রাস্তা দিয়ে হাটছে। দুপুরের কড়া রোদ। গায়ের শার্টটা ভিজে পিঠের সাথে লেপ্টে গেছে। সকাল থেকে তাকে দৌড়াদৌড়ি করতে হচ্ছে। আলম একটা লন্ড্রীতে কাজ করে। পাশাপাশি সে একজন রঙ মিস্ত্রী। কখনো কখনো কামলাও দেয়। মোটকথা যে কাজই পায় না কেন আলম তা আগ্রহের সাথেই করে। কারন তার একটা স্ত্রী আছে, একটা মেয়ে আছে , বৃদ্ধ বাবা-মা আছে এবং তাদের প্রতি দায়িত্ববোধ আছে। মাঝারি উচ্চতার, শ্যামলা চেহারার হালকা পাতলা আলমকে সবাই পছন্দ করে।

ইচ্ছা করলে আমি এখন আলমের চেহারার খুটিনাটি বর্ণনা দিতে পারি ডিকেন্সের পথ অনুসরণ করে। অথবা দায়সারা ভাবে বর্ণনা এইটুকুতেই সীমাবদ্ধ রাখতে পারি।

এই লেখাটার উপরেরটুকু বেশ কয়েকদিন আগে লিখে ড্রাফট করে ফেলে রেখেছিলাম। লিখতে ইচ্ছা করছিল না, অথবা লিখতে পারছিলাম না। কষ্ট কল্পনা করে হয়তো কিছু লেখা যায়, কিন্তু তা পরীক্ষার খাতায় সুন্দর সুন্দর শব্দমালা ব্যাবহার করে, সুবিন্যস্তভাবে লেখা মুখস্ত রচনামূলক প্রশ্নের উত্তরের মত হয়ে যায়। তাতে হয়তো নম্বরও পাওয়া যায় কিন্তু আত্মার চাহিদা আর মেটে না।

আমি সাধারণ একজন তৃতীয় শ্রেনীর ব্লগার। নিজের ভাললাগার জন্য লিখি। লেখার মান খুবই নিম্নমানের সেটা আমি নিজেই খুব ভাল করে জানি। যারা আমার লেখা ভাল লেগেছে বলে মন্তব্য করেন তারা নিতান্তই উদার ও বিশাল মনের মানুষ। নয়তো এইসব তৃতীয় শ্রেণীর লেখা কারো পক্ষে ভাল লাগা সম্ভব নয়।

তারপরেও এইসব আবজাব কেন চালিয়ে যাচ্ছি? উত্তর একটাই, নিজের কাছে ভাল লাগে। আত্মার চাহিদা মেটে। একটা লেখা সাদা কাগজে লিখে ফেলে রাখলে ততটা ভাল লাগে না যতটা ভাল লাগে কেউ সেখানে মন্তব্য করলে। তাই স্বার্থপরের মত নিজের জন্যই লিখি। একটা ছোট বাচ্চা যদি কাদামাটি দিয়ে একটা ব্যাকাত্যাড়া পুতুলও তৈরী করে তাও সে সেটা তার মাকে নিয়ে দেখায়। তাতে তার আনন্দ বাড়ে। আমিও সেই একই কাজটি করি। এখানে মাটির ঢেলা হচ্ছে আমার বাংলা ভাষা, পুতুলের শারীরিক গঠন হচ্ছে আমার চিন্তা ভাবনা আর পুতুল গড়ার আঙ্গুলের সাথে অতিরিক্ত যোগ হয়েছে এই কী-বোর্ড।


নিজের কথা বলছিলাম এতক্ষণ, এবার আলমের কথায় আসি। আলম হচ্ছে সাগর ভাই। উনার আসল নাম সাগর। আমাদের কারখানার সাথের এক লন্ড্রীতে কাজ করত। তখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি। এখন পর্যন্ত ক্লাস ভাই হচ্ছে আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়। আমি আমার সেই ক্লাস ফাইভের এক বছর প্রচুর লোকজনের সাথে মিশেছি, তাদের কথা শুনেছি। বয়স কম ছিল, তাই মানুষ আমাকে ততটা গুরুত্বপূর্ণ ভাবত না, বিশ্বাস করত। অনেকেই তার জীবনের অনেক কথা অকপটে আমার কাছে বলেছে। সবগুলো মানুষের ভেতরেই একজন দুঃখী মানুষ বাস করে। সুখী মানুষটা দুঃখী মানুষকে চাপা দিয়ে রাখে। মাঝে মাঝে উপযুক্ত পরিবেশ পেলে দুঃখী মানষটা বের হয়ে আসে। কেউ মদ খেয়ে মাতাল হলে তার ভিতরের দুঃখগুলো উগড়ে দেয়। কেউ লোডশেডিং হলে বাড়ীর ছাদে বসে বন্ধুর কাছে দুঃখগুলো উগড়ে দেয়। কেউ খোজ করে একজন নিরাপদ শ্রোতার। যে শ্রোতা তার দুঃখের কাহিনী জেনে পরবর্তীতে তাকে বিপদে ফেলবে না, হেনস্তা করবে না। ক্লাস ফাইভের একটা কম বয়সী ছেলে, যে কিনা খুব মনযোগ দিয়ে সব কথা শোনে, এক্ষেত্রে খুবই উপযুক্ত।

তাই আমি শুধু শুনতাম, শুনতাম আর শুনতাম। মনে হত যেন গল্প শুনছি। ভালো লাগত।

মানুষগুলো জীবকার তাগিদে গ্রাম ছেড়ে শহরগুলোতে আসে। দলে দলে শ্রমিকরা এক জেলা থেকে অন্য জেলায় পাড়ি দেয়। বেশীরভাগেরই লক্ষ্য থাকে ঢাকা ও তৎসংলগ্ন জেলাগুলো। কি করবে কোথায় থাকবে, কি খাবে না খাবে কিছুই না জেনে তারা রাতের বাস ধরে।

তুমার বাড়ী কই?
অংপুর।
আইছ কহন?
আইতের গাড়ি।
খাইছ কি?
উটি আর কলা।

শুনেছিলাম তাজুল ভাইয়ের কাছে। তাজুল ভাই একজন রাজমিস্ত্রী। উনি নিজেও রংপুরের লোক।

রুটি আর কলার উপর ভরসা করে চরম সাহসী এই লোকগুলো একসময় কোন না কোন এক চিলতে ছাউনির নীচে জায়গা করে নেয় রোদ বৃষ্টি থেকে বাচার জন্য। জায়গা না পেলেও সমস্যা নাই, পুরো পৃথিবীটাই তাদের জায়গা।

একসময় তারা অভ্যস্ত হয়ে ওঠে তাদের বর্তমান জীবনে। কোথাও না কোথাও ঠাই করে নেয়। বাড়ীতে টাকা পাঠায়, ঈদে কেনাকাটা করে বাড়ী যায়। মানুষ সর্বংসহা। পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক না কেন তাকে কেউ হত্যা না করলে সে বেচে থাকে।

সাগর ভাইও বেচে ছিলেন। সাথে ছিলেন শাজাহান ভাই। উনারা দুইজন দুই জায়গা থেকে এসেছিলেন। কিভাবে যেন মিলে গিয়েছিলেন একসাথে। মাঝে মাঝে দল তৈরী করতে হয়, নতুবা পতন আনিবার্য।

এমন হেন কোন কাজ নাই যে উনারা করতেন না। মাটি কেটে গর্ত তৈরী করা, কুয়ো খোদা থেকে শুরু করে রঙ মারা, চুনকাম করা, লন্ড্রীতে কাপড় ইস্ত্রি করা সব করতেন। তাদের মজুরী ছিল দৈনিক পঞ্চাশ টাকা। খেতেন লন্ড্রীর মালিকের বাসায় আর বিনিময়ে লন্ড্রীর কাপর ইস্ত্রি করতেন রাত্রের সময়টুকু। মাঝে মাঝে লন্ড্রীর মালিক হয়তো বিশ ত্রিশ টাকা ধরিয়ে দিত মজুরি হিসেবে, আর তাদের রাত্রে ঘুমানোর সুযোগ দেওয়া হত লন্ড্রীতে। জীবন এভাবেই চলে যায় কর্মব্যাস্তভাবে। সকলেই চিরতরুণ, সকলেই কর্মে উৎসাহী, সকলেই কাজে ব্যাস্ত।

কল্পনা করুন কোন একটি সকালের কথা। সকালে আধা ঘন্টা হালকা বৃষ্টি হয়েছে। আশেপাশের সবগুলো গাছের পাতা ধুয়ে পরিষ্কার সবুজ উঠেছে। একটা পাতার উপরেও ধুলিবালির আস্তরণ নেই। একসময় সূর্য উঠল। পরিষ্কার আকাশে সূর্যের আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিটি গাছ যেন এক একটা উজ্জ্বল সবুজের ভান্ড হয়ে উঠেছে। গাছগুলোর পাতা থেকে ঠিকরে পড়ছে আলো, প্রতিফলিত হচ্ছে। যেটুকু পানি জমা হয়েছিল মাটির উপর তা ইতিমধ্যে মাতি শুষে নিয়েছে। পরিষ্কার রৌদ্রজ্জ্বল একটি দিন। শাজাহান ভাই চুক্তি নিয়েছেন মাটি কাটার। মাটি কেটে সাড়ে চারফুট বাই সাড়ে চারফুট গর্ত করতে হবে কতগুলি। বাবা জিজ্ঞাসা করলেন দৈনিক মজুরি হিসাবে নিবি নাকি গর্ত প্রতি চুক্তি হিসাবে নিবি। দৈনিক মজুরী পঞ্চাশ টাকা আর গর্ত হিসাবে নিলে পয়ত্রিশ টাকা প্রতি গর্ত। দর দস্তুর করে চল্লিশ টাকা ঠিক হল প্রতি গর্ত। কঠিন লাল মাটি। শাহাজাহান ভাই গর্ত খোড়ার কাজে লেগে গেলেন। ঐদিকে সাগর ভাইকে দায়িত্ব দেওয়া হল পুরানো ঘরগুলি থেকে বাতিল মালামাল পরিষ্কার করে চুনকাম করার। শাহাজাহান ভাই একটা কোদাল আর টুকরি নিয়ে কাজে লেগে গেলেন। মাটিতে ধমাধম কোপ পড়ছে। ঐদিকে সাগর ভাই ধুলা থেকে বাচার জন্য একটা কাপড় মুখে পেচিয়ে ঘর পরিষ্কারের কাজে লেগে গেলেন। সবাই ব্যাস্ত। আমি ঘুরে ঘুরে একবার এইখানে যাই একবার ঐখানে যাই। ভাবলাম মাটি কাটি কতক্ষণ। আমিও একটা কোদাল আর একটা টুকরি নিয়ে শাজাহান ভাইয়ের কাছে এসে বললাম, শাজাহান ভাই পরের গর্তডা কোনখানে খুড়তে হইব দেখায়া দেন। শাজাহান ভাই কোদাল দিয়ে চারকোনা একটা বর্গ একে দিল। আমি কতক্ষণ খুড়লাম। আধা ঘন্টা পরে দেখি একটু বিশ্রাম নেওয়া দরকার। মাটি কাটা খুবই পরিশ্রমসাধ্য একটা কাজ। কোদাল ভাল না হলে কষ্ট আরো বেড়ে যায়। কোদালের বাট হতে হবে হালকা নয়তো অতিরিক্ত পরিশ্রম হবে কোদাল ওঠাতে। আর কোদালের বাটে যেখানে হাতে দিয়ে ধরতে হবে সেখানে কাপড় পেচিয়ে নিতে হবে। নয়তো কিছুক্ষণ পরেই হাতে ফোস্কা পড়ে যাবে আর পরিশ্রম বেড়ে যাবে। এই কাজে সবচেয়ে বেশী চাপ পড়ে কোমড়ের উপর। কোমর বা মাজা পুরা ব্যাথা হয়ে যায় মাটি কাটতে গিয়ে।

আধা ঘন্টা পরে কতক্ষণ বিশ্রাম নিলাম। মাটি কাটার শ্রমিকরা প্রায়ই বিশ্রাম নেয় কিছুক্ষণ পর পর। অবশ্য সব শ্রমিকরাই বিশ্রাম নেয়, তবে মাতি কাটার শ্রমিকদের বিশ্রামের সময় একটু দীর্ঘ হয়ে থাকে। আর যদি মাটি কাটতে হয় দুপুরের খাড়া তপ্ত রোদের নিচে দাঁড়িয়ে তাহলেও অবস্থা শেষ। চৈত্র মাসে অনেক শ্রমিককে আধা বেলা কাজ করে কাজ ছেড়ে দিতে দেখেছি শুধু এই খরতাপ রৌদ্রের জন্য। সকল মানুষের সবদিকে একটা সীমা আছে। সব কাজেই সে একটা সীমায় বাধা পড়ে, সীমার বাইরে সে আর যেতে পারে না।

শাজাহান ভাইও বাধা পড়েন। আমি চেষ্টা করি তার সাথে পাল্লা দিয়ে গর্ত খোড়ার কিন্তু আমি তখনও যে ইস্কুলে পড়ি সাধে কুলোলেও সাধ্যে কুলোয় না। আমার হাত আর মাজার বয়স অনেক কম শাজাহান ভাইয়ের তুলনায়। সূচক অথবা ঘাত ফাংশানের গ্রাফের মত আমি এক্স অক্ষ আর শাজাহান ভাই ওয়াই অক্ষ।

বারোটা পর্যন্ত মাটি কাটলাম। স্কুলে যেতে হবে। আমি সাগর ভাইকে যেয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, "চুন কখন মারবেন?" কারণ চুন মারায় আমার বড়ই আগ্রহ। সাগর ভাই বললেন, "আজকে হয়তো চুন মারা হইব না।" আমি স্কুলে চলে গেলাম। স্কুল থেক ফিরে এসে দেখি শাজাহান ভাই আর সাগর ভাই দুইজনে মিলে ঘর পরিষ্কারের কাজে লেগে গিয়েছে। গর্ত খোড়া হয়েছে একটার এক তৃতীয়াংশ। মানে চল্লিশ টাকার কাজও হয় নাই। হওয়ার কথাও না। শাজাহান ভাই বেশ ভালই বিশ্রাম নিয়েছেন। দুপুরে নাকি এক ঘন্টা ঘুমিয়েছেনও। যেহেতু চুক্তি দিয়ে দিয়েছেন তাই বাবা আর কাজের দিকে খেয়াল রাখেন নি।

শাজাহান ভাই খুব সৌখিন মানুষ। চেহারায় প্রচন্ড ফর্সা, স্বচ্ছল ঘরের সন্তান। কিছুদিন আগে বিয়ে করেছেন। হাতে একটা সোনার আংটি থাকে সবসময়। উনার বিয়ের আংটি। ভাইয়েরা উনাকে সম্পূর্ণ আলাদা করে দিয়েছে। কারণ উনার ভাইদের ভাষায় উনি একজন ভাদাইম্মা। শুয়ে বসে দিন কাটানোই উনার প্রিয় কাজ। বসিয়ে বসিয়ে ভাইয়েরা উনাকে আর উনার বউকে খাওয়াতে রাজী না। তাই বাকী ভাইয়েরা একসাথে থাকলেও উনি আলাদা। বাড়ি থাকাকালিন জমিজমা বিক্রি করে চলেছেন। তার সৌখিনতার দরুন কিছুদিনের মধ্যেই সব বিক্রি হয়ে যায়। পরবর্তীতে বউয়ের ঝাড়ি খেয়ে জীবিকার তাগিদে ঘুরতে ঘুরতে এখানে আসেন। তার হাতের মূল্যবান ঘড়িটা জানান দেয় যে উনি এখন মাটি কাটলেও কিছুক্ষন আগেই একজন ফুলবাবু ছিলেন।

চলবে............(জানিনা চলব কিনা)

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪১
বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন:
অর্ধেকটা পড়ে ভাল লেগেছে এই লাইনটি___

একটা ছোট বাচ্চা যদি কাদামাটি দিয়ে একটা ব্যাকাত্যাড়া পুতুলও তৈরী করে তাও সে সেটা তার মাকে নিয়ে দেখায়
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: পুরাটা পড়েন নাই :(

২. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৩
রাজসোহান বলেছেন: ইরে খাইছে
আপনি তো দেখি মারাত্মক লেখা শুরু করছেন
++++++++++++++++++++++++++
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: কচু আর ঘেচু! /:)

৩. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬
রাজসোহান বলেছেন: অফলাইন ছিলাম
শুধু এই লেখায় রেটিং দেয়ার জন্যই লগ ইন করছি
অহন কন আমার কত টা ভালো লাগতে পারে!!!!!!
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: খুব খুশী হইলাম :D

৪. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: শেষটা মনে হচ্ছে সুখকর হবেনা। তারপরেও চলুক।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: সাগর ভাই চুরি কইরা পলাইয়া যায় আর শাজাহান ভাই তার সোনার আংটিটা হারায়া ফালায় আমার দুষে যদিও পরবর্তীতে বুঝি সাগর ভাইই চুরি করছে ঐটা। শাজাহান ভাই আবার তার বাড়ীতে ফিরা যায়, ভাইয়েরা একটা ব্যাবস্থা করে তার জন্য। কাহিনী শ্যাষ!

৫. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩
সাধারণমানুষ বলেছেন: একটা লেখা সাদা কাগজে লিখে ফেলে রাখলে ততটা ভাল লাগে না যতটা ভাল লাগে কেউ সেখানে মন্তব্য করলে একদম সত্য কথা
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: এইল্লাইগাই তো বলগে আহি রে ভাই!

৬. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৮
সাধারণমানুষ বলেছেন: আমি সাধারণ একজন তৃতীয় শ্রেনীর ব্লগার B:-) B:-) :-& :-&
আমি তাইলে বিবি (বিশেষ বিবেচনায়) ব্লগার 8-| :#)
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধুরু এহন আবার কি শুরু করলেন :(

৭. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪
সাকিরা জাননাত বলেছেন: আলমভাই থেকে রাজভাই,রাজ ভাই থেকে সাগর ভাই,সাগর ভাই থেকে
শাজাহান ভাই..........
পড়তে পড়তে এমন পড়া পড়লাম :|| , সামলিয়ে উঠতে সময় লেগেছে :D :D ।বহত খুব হ্যায়......রাজ ভাই।
সামলিয়ে উঠতে কেন সময় লেগেছে জানেন!!!! কারন আমি কিন্টারগার্টেনের ব্লগার। B-) B-) B-) B-)
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: আমি তাইলে নার্সারীর! কচিকাচার আসর বহাই তাইলে একটা! ;)

৮. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৫
সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার বলেছেন: খাইচে মাতাতো দেকি ঠিক নাইক্কা। কোন মন্তব্য কোথায় করি। আগের মন্তব্যটা ডিলেট মাইরেন। একসাথে অনেকগুলা লেখা ওপেন করার ফল।
আপনার শাবলীল লেখা ভালো লেগেছে।
একটা লেখা সাদা কাগজে লিখে ফেলে রাখলে ততটা ভাল লাগে না যতটা ভাল লাগে কেউ সেখানে মন্তব্য করলে। তাই স্বার্থপরের মত নিজের জন্যই লিখি। একটা ছোট বাচ্চা যদি কাদামাটি দিয়ে একটা ব্যাকাত্যাড়া পুতুলও তৈরী করে তাও সে সেটা তার মাকে নিয়ে দেখায়। তাতে তার আনন্দ বাড়ে। আমিও সেই একই কাজটি করি। এখানে মাটির ঢেলা হচ্ছে আমার বাংলা ভাষা, পুতুলের শারীরিক গঠন হচ্ছে আমার চিন্তা ভাবনা আর পুতুল গড়ার আঙ্গুলের সাথে অতিরিক্ত যোগ হয়েছে এই কী-বোর্ড।

অসাধারন। এইটা মনে হয় অনেক ব্লগারেরই মনের কথা। ভালো থাকবেন।পোষ্টে প্লাস।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: উখে ব্যাপারনা!

ধনেপাতা!

৯. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১১
প্রবাসী রনি বলেছেন: আমি সাধারণ একজন তৃতীয় শ্রেনীর ব্লগার। নিজের ভাললাগার জন্য লিখি।

আমি কিন্তু ৫ম শ্রেনীর ছাত্র আ শিশু শ্রেনীর ব্লগার,

পোস্টে ++++++++
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: আমি নার্সারীতে পড়ি তাইলে।

পরকাল কেমন যাচ্ছে? দোজখে নাকি স্বর্গে আছেন? :-0

১০. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৭
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: উত্তর একটাই, নিজের কাছে ভাল লাগে। আত্মার চাহিদা মেটে।

এটাই আসল কথা।নিজের জন্য লিখি।নিজের জন্য পড়ি,কমেন্ট করি।


চলুক।ভালোই তো লাগছে।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: বেকতেই দেহি আমার লাহান স্বার্থপর! :(

১১. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৮
মুরুববী বলেছেন:

কি বাই কিতা খবর ? শইলডা বালা ?
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: এইতো চলতাছে।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: ঠেলতাছি জুরে জুরে।

১৩. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬
কায়কোবাদ বলেছেন: চলব না ক্যান.......... :( :( :(( :((
চলতে হইব।
আমি সাধারণ একজন তৃতীয় শ্রেনীর ব্লগার B:-) B:-) :| :|

আপনার মত কিছু "তৃতীয় শ্রেণীর ব্লগার"(!!!!) এর জন্যই আমি ব্লগে আসি।


০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: আপনে তো লুকটা বেশী ভালা না। খালি শরম দেন মাইনষেরে।

১৪. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৮
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: আমি আসলে উদার এবং বিশাল মনের মানুষ তাই আপনের লেখা খ্রাপ লাগছে তা কোন ভাবেই বলতে পারছি না। চলুক আপনার মত তৃতীয় শ্রেনীর ব্লগারের লেখালেখি আর পড়তে থাকি আমার মত আদর্শলিপি পড়ুয়া টাইপ ব্লগার।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ভাই এইবারের মত মাফ কইরা দেন। :(

১৫. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৬
বড় বিলাই বলেছেন: ব্লগারদের শ্রেণীভেদ করার চেষ্টাটা ভালো লাগল না। এছাড়া লেখাটা ভালো লাগছে।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: ভুল হইয়া গেছে। মাফ চাই। :(

১৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৩
প্রবাসী রনি বলেছেন: মাঝখানে আছি, আপনার কি খবর?
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: ভাই আমি এতদিন ভালই আছিলাম। এহন আবার দৌড় শুরু হইছে। কাইলকা থিকা আবার দৌড়ানি আরম্ভ হইব সম্ভবত। সবই কপাল! :(

১৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৭
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাই, একসময় ভাবতাম, সমাজ বদলানোর বিপ্লব করুম। কিন্তু কেমনে করুম সেইডা জানতাম না। ভাবতাম সর্ভারাগো মতো অস্ত্র তুইলা নিলে কি দারিদ্র দূর হইবো নাকি শিক্ষা দিয়া সবার মুখে ফুটবো হাসি! একসময় বাদ দইলাম।

কিন্তু আপনের লেখা পইড়া আবারো সেই চিন্তা ঘুইরা ফিরা আসে। কি করন যায় কনতো, সমাজ বদলামু না, আমি ভাই নর্মাল ঘুনে ধরা সমাজের একটা শীতের পাখি হইয়াই বাচতে চাই যার থাকবো পাথরের মতো মন....সমাজ টা বদলাইতে পারবেন? যদি পারেন তাইলে আওয়াজ দেন, আমি আছি আমৃত্যু!
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: সত্যি কথা কইলে ভাই মানুষ হাসব। কইব বয়স কম তাই এত তেজ। বয়সের সাথে তেজ যাইবগা।

আমি আওয়াজ দিলাম। পায়ের নীচে মাটি শক্ত হোক। একদিন ডাক দেব। আমৃত্যু আছি এবং থাকব। কি আছে জীবনে? কাজ কাম করা বিয়া শাদী করা, কয়টা সন্তানের বাপ হওয়া, তাগোরে মানুষ করা এরপর মইরা যাওয়া এত তো! দরকার নাই সেই জীবনের। আমি না হয় নিজেরে নষ্ট করলাম, নষ্ট করলাম আমার গতানুগতিক স্বাভাবিক জীবন। বিনিময়ে কয়টা ছিন্নমূল শিশু যদি গতানুগতিক জীবনে ফিরা যাইতে পারে তাইলেই না আমি স্বার্থক।

প্রস্তুত হোন। অভিজ্ঞতা জমান। অনেক অভিজ্ঞতা লাগবে, কাজের পথ অনেক লম্বা আর কঠিন। সব একসময় আমরা কাজে লাগাবো। আমাগো দিয়াই শুরু হোক না হয়। দুই চাইরজন মরলে যদি দশ জন বাচে সেইটাই তো ভালো, তাই না। না হয় ব্যার্থই হইলাম, কি আসে যায় তাতে! আমরা না হয় মরলাম!

১৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫২
একজন সৈকত বলেছেন: পুঁজিবাদী রাশিয়ায় গোর্কীয় লেখার পুনঃ জাগরন ঘটাতে চান না-কি ব্রাদার।
আপনার লেখায় কিন্তু সেরকমই আলামত। পার্থক্য শুধু পটভূমি এখানে বাংলাদেশ।
আপনি আগে থেকেই এমন অন্তঃবিপ্লবী না-কি লেলিনের দেশে গিয়ে এই আছর :) ......
তবে ব্রাদার আপনি কিন্তু কিছু নির্দয় আছেন। সহজ ভাষায় কি করে এত কঠিন বাস্তবতার কথা লিখেন!

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: আর কইয়েন্না ভাই, রুশরা বড় বজ্জাত আছে। গোর্কির নাম মুখেও আনে না, এমন ভাব করে যেন এই নামের কোন লেখক কোন কালেই ছিল না। উগ্র পুজিবাদী হইছে এহন রুশেরা। অবশ্য না হওয়ার কোন কারনও নাই। এইখানে ঠান্ডায় বিপ্লব তো দুরের কথা জান নিয়া টানাটানি।

নির্দয় কইলেন। :(

১৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৫
নীল-দর্পণ বলেছেন: "আমি সাধারণ একজন তৃতীয় শ্রেনীর ব্লগার।" আমিতো তারও নিচের। আপনারা ভাইয়া আপুরা অনেক ভাল। দয়া করে হাবিজাবি পোষ্ট গুলো পড়ে আসেন। আবার প্লাসও দেন। :)
আপনার লেখা আমার বেশ ভাল লাগে। এটাও তার ব্যাতিক্রম না। :)
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: আপনিও কিন্তু একটা হাবিজাবি পোষ্ট পইড়া সময় নষ্ট করলেন :)

২০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৬
পুরাতন বলেছেন: বরাবরের মতই বস লেখা :)
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন: ঐ কেডা আছস বিষ রেডী কর, আত্মহত্যা করুম। /:)

২১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৮
প্রবাসী রনি বলেছেন: বুঝলাম না কিসের দৌড়ানি, কে দৌড়ায় আপনাকে, একবার বলেন তাকে ধরে .................
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩২

লেখক বলেছেন: তারে ধরে তো আপনি আরো অনুরোধ করবেন আমারে জানি আর বেশী দৌড়ের উপ্রে রাখে। মাথা খারাপ আপনেরে কমু কেডা আমারে দৌড়ানি দেয় :|

২২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৩
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: রাজ, সত্যিই দারুন লিখা। চালিয়ে যান। খুব ভাল লাগল।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অসংখ্য।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: যাক শেষমেষ প্লাসাইলেন। কৃতজ্ঞ হইলাম :D

২৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬
কাঠগোলাপ বলেছেন: পোস্টে +
আর ১৭ নং কমেন্টের উত্তরটাতেও +
:)
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: নাহ আত্মহত্যা ফরজ হইয়া দাড়াইছে। তাড়াতাড়ি বিষ রেডী কর কে আছিস! /:)

২৫. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪১
প্রবাসী রনি বলেছেন: আপনি কেমনে এটা ভাবলেন যে আমি ও আপনাকে দৌড়াব।

আপনি তো চাপের মুখে ভালো খেলেন আসেন আমার সাথে একটু ফুটবল খেলেন
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: উখে আইতাছি।

২৬. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৮
রাজসোহান বলেছেন: ঐ শুনেন এতদিন পর ব্লগে আইসেন ভালো...আমার লাস্ট দুইটা পোস্ট অবশ্যই পড়তে হইবেক.........আর শুনেন......আপনারে চরম ভাবে শুভ বসন্ত জানানো হইলো......
আওর আপনের নতুন পোস্ট কই????????????????????? X( X( X( X( X(

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: চির বসন্তের শহর বলা হয় কোনটাকে? ইকুয়েডরের রাজধানী কিটো।

সামাজিক বিজ্ঞানে পড়া লাইনটা মনে পইড়া গেল। আপনাকে কিটো শহরের একমুঠো বাতাসের শুভেচ্ছা।

আইতাছি। :D

২৭. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫১
রাজসোহান বলেছেন: আর শুনেন ১৭নাম্বারে যা কইছেন আমারে সঙ্গে রাখতে হইব কিন্তুক কইলাম
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: রেডী হন।

২৮. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৩
রাজসোহান বলেছেন: রাজ ভাই এইটা দেখেন.........পুরাই হাসতে হাসতে শেষ

দেখেন

=p~ =p~ =p~ =p~
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: খেক্স! :D

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০০

লেখক বলেছেন: উখে।

৩১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৭
কিপটে বলেছেন: অবশেষে সামুর মত একটা ব্লগ সাইট তৈরী হচ্ছে। সামু পাঠকদের কাছ থেকে চাই আরো কিছু পরামর্শ।

View this link

Click This Link


পোষ্টটা পড়ে খুব বেশি খুশি হইছি কারণ-


ব্যান করা হবে শুধু মাত্র (পর্ণ আর কুরুচিপূর্ণ কথা গালি গালাজ ইত্যাদির জন্য)

এবার বিস্তারিত বলি

আমি আমার পরচিত ভাই বোন অনেককেই সামুর ঠিকানা দেই

কিন্তু মাঝে মাঝে ১৮+ নামে কিছু কিছু অশালীন পোষ্ট আসে।

যা আমার মতে আমাদের সামাজিকতায় খুব বেশি কুরুচি পূর্ণ।

আমার এই বিশ্বাসের কথা সরাসরি লিখলে মনে হয় কেও ফিরেও তাকাত না।

তাই আমি, ১৮+ লিখেই এসব কুরুচি পূর্ণ লেখার লাইসেন্স দেওয়াকে কটাক্ষ করে, গতকাল ৮১+ নামে একটি ফান পোষ্ট দেই যার শিরোনাম ছিলো- প্লিজ এ পোষ্টের জন্য আমাকে ব্যান্ড করবেন না।( এ জাতীয় ন্যাকামীর কথা অনেক ১৮+ পোষ্টেই আমি দেখেছি)

তার পরের কথা গুলো ছিল এরকম


ছোট ছোট বাবুরা তোমরা তারাতারি চকলেট নিয়ে এখান থেকে সরে পর।

আর এগিও না।


তার পর কয়েক লাইন বাদ দিয়ে লেখা ছিল।


মুরুব্বিদের দুঃখ আমি বুঝি, তাদের কথা কেও শুনতে চাইনা। তাই, আপনারা এখানে মন্তব্য করুন। আমি মন দিয়ে আপনাদের কথা শুনব।


৮১+ পোষ্টটাতে শুধু মাত্র কিপটে না, আমি যতগুলো নিক ব্যবহার করি তার মধ্যে সর্বচ্চ ভিজিটর পাই মাত্র কয়েক মিনিটেই।

এবং যত গুলো মন্তব্য পাই তা আমার অন্য সব পোষ্টের মন্তব্যের যোগ ফলের ও বেশি।

কিন্তু ৮১+ লেখা দেখে কিছু হিজিবিজি লেখা পাবে এই আশায় যারা এসেছিল, তারা খুব বেশি আশাহত হয়।

অবশ্য অনেকে লেখার থিমটা পছন্দ করে অনেক সুন্দর সুন্দর কথাও লেখে।

যাই হোক সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি দেখি আমার লেখাটি মুছে ফেলা হইছে এবং আমি হইছি জেনারেল।

অথচ অনেক ১৮+ পোষ্টই এই ব্লগে এখনো দাত বের করে ভেংচি কাটছে।

আমার মতে ইন্টার নেটে আজেবাজে জিনিসের কোন অভাব নাই।

আমরা কি অন্তত আমাদের ব্লগটাকে তার থেকে মুক্ত রাখতে পারি না।


আমাকে পাঠানো নোটিশে বলা হয়েছে-

dear blogger,

your post (প্লিজ এ পোষ্টের জন্য আমাকে ব্যান্ড করবেন না) have been deleted due to violation of the blog rules. please do not republish this writing again on the blog or we will be forced to ban you from the blog.

2i. if the post contains totally unrecognizable and meaningless words and/or sentences that is created to with the intention to fill up spaces on the front page.

২ঝ. যদি প্রথম পাতা পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে কেউ অহেতুক, একাধিকবার ব্যবহৃত বা মডারেটরের কাছে দুর্বোদ্ধ শব্দ,ভাষা কিংবা বাক্য পোস্ট করেন তবে তা সরিয়ে দেয়া হতে পারে।



regards,
somewherein blog team.


আচ্ছা আমারটা কি অহেতুক প্রথম পাতা পূর্ণ করেছিল
তাহলে এইটা কি-View this link

Click This Link

আরো হাজার হাজার উদাহরন দিতে পারি।

পোস্টটি একাধিক বারও করিনি।


মডারেটরের কাছে দুর্বোদ্ধ শব্দ,ভাষা কিংবা বাক্য এই বিষয়টা হতে পারে, কেননা আরিল নরওয়ের লোক। তার বাংলা ভাষার দৌড় কম হওয়া অপরাধের কিছু না। তাই বলে তার বউ জানা ও টিমের অন্যান্যরাও কি আমার ব্লগের কোন অংশ বুঝতে পারে নাই। না বুঝতে পারলে সে আমাকে লিখত, আমি বিনা পারিশ্রমিকে তাকে প্রত্যেকটা শব্দ,ভাষা কিংবা বাক্যর ব্যাখা দিতে রাজি আছি।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২২

লেখক বলেছেন: আপনার পোষ্টের ক্ষেত্রে বলব, পুরা আবলামী একটা কাজ হইছে। এইটা আশা করি নাই। তবে এই ধরণের কাজ মাঝে মাঝে হয়ে থাকে। আমার একটা মোটামুটি ভাবে লেখা পোষ্টও ডিলিট মারছিল। যাউকগা ব্যাপার না। মাগনা লেখতে দিছে এই বেশী।

ভাই কিছু কথা আমার পছন্দ হয় নাই। ভাল হোক খারাপ হোক আরিল লোকটা আমাদের দেশে আইসা পইড়া রইছে। সামান্য হইলেও কৃতজ্ঞতাবোধ থাকা উচিত। মডারেশনের বিরুদ্ধে যেই সব অভিযোগ আছে একটা বাঙ্গালী যদি ব্লগ খুলত তাইলে তার বিরুদ্ধেও তা থাকত। শুধু শুধু একজন লোকরে বিদেশী বইলা খোটা দেওয়া একধরণের বর্ণবাদী আচরণ। আমি এইটারে সমর্থন করলাম না।

ব্লগে লেখি। বলতে গেলে মাগনাই লেখতাম শুরুতে। পরে দুইটেলের ২২০ কেবি আর বিবিসির মাক্ষুন্দা মার্কা এডবেরেস আইছে। এডবলক লাগাইলে আবার সেই মাগনাই হইয়া যায়। তাই জায়গা এইটা আমার না। নিজের গরজে আসি, আমারে বাইন্দা আনে নাই কেউ। যতদিন ভালা লাগে আছি, ভালা না লাগলে বিদায়। এইখানে কোন চুক্তিও নাই কিছুই নাই। কয়ডা নীতিমালা আছে, জীবনে পইড়াও দেহি নাই, পড়ার প্রয়োজনও বোধ করি নাই।


নতুন ব্লগ হোক। সত্যি কথা কইতে খুশীই হইছি খবরটা শুইনা। আরো বেশী বেশী কইরা ব্লগ হোক, মানসম্পন্ন ব্লগ হোক, তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ুক, দিন দিন তারা আরো বেশী মানসম্পন্ন হোক। উন্নতি কিন্তু এভাবেই হয়। শুভকামনা থাকল।

ব্লগিং কইরা পেট চলে না। তাই এত সিরিয়াস হওনের কিছু নাই। কে কৈ যায় কার খোজ কে রাখে এই বিশাল দুনিয়ায়। আইজকা মরলে কাইলা সবাই ভুইলা যাইব। হুদাই।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৪

লেখক বলেছেন: মাফও চাই দুয়াও চাই, আমি ভাই ভেলেন্তিনা তেরেস্কোভাতে নাই।

হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন'স ডে আপনাকেও!!!!!

৩৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪১
সাকিরা জাননাত বলেছেন: রনি আমার গিফট আপনাকে দিয়েছে ভাই ।
এইটার কি করা উচিত।
আপনাকে বভএ শুভেচ্ছা।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫১

লেখক বলেছেন: ভালাই তো একজনের গিফট আরেকজনরে দিয়া কামে খাটাইতাছে। সাশ্রয়ী পরিকল্পনা। =p~ =p~

আপনাকেও বভএ শুভেচ্ছা।

৩৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫১
প্রবাসী রনি বলেছেন: এটা সাকিরার জন্য
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: সাকিরা বলেছে খাইছে। বাঘে খাইছে নাকি ভাল্লুকে খাইল আমি কিন্তু কিছু জানি না। আমার কোন দুষ নাই।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: খাওয়া দাওয়া ভাল। নিয়মিত পরিমিত আহার সুস্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা দেয়।

৩৬. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৭
কিপটে বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য

আমি কিন্তু আরিলকে ছোট করার জন্য কোন কিছু বলি নাই।

ব্যাক্তিগত ভাবে আমি আরিলকে অনেক পছন্দ করি।

তার সাথে কথা বলেও তারে আমার অনেক ভালোই মনে হয়েছিল
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ব্যাপারনা। :)

০২ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৬১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার ব্লগটা মূলত একটা আজাইরা ব্লগ। নানা বিষয়ে এইখানে যেইসব কথা আমি আমি বলি তাতে আমার নিজেরই খুব একটা আস্থা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই