দুর্লভ ছবিঃ সকল আন্দোলন সংগ্রামে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ
১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৩৬
View this link
![]()
দুর্লভ ছবিঃ সকল আন্দোলন সংগ্রামে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ একাত্ম হয়েও জামায়াত আজ দেশ বিরোধী
স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত সকল আন্দোলন সংগ্রামে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের দাবী এক হয়েও জামায়াত আজ দেশ বিরোধী। অথচ ষাট হতে সত্তরের দশকের প্রায় প্রতিটি আন্দোলনে জামায়াত আওয়ামী লীগের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করেছে। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে অবিসম্বাদী জয়ের পর যখন পাকিস্থানী শাসক গোষ্ঠি যখন টালবাহানায় লিপ্ত ছিল, তখন বারংবার জামায়াতের পক্ষ থেকে বিজয়ী শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পনের জোর দাবী জানানো হয়েছে। কেননা সকলেই জানতেন এর অন্যথা হলে দেশ অবশ্যম্ভাবী বিভক্তির দিকে এগিয়ে যাবে, যা আওয়ামী লীগ নিজেও চাইত না।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পুর্ব পাকিস্তানের ১৬৯ টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসনে বিজয়ী দল আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে না দেয়ায় পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এমন এক অবস্থায় ১৯৭১ সালে ৭মার্চ রেসকোর্স ময়দানে লক্ষ লক্ষ জনতার মাঝে শেখ মুজিব এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ওই ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন-
'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।'
ওই ভাষণে শেখ মুজিব যে চারটি দাবী জানান সেগুলো হলো-
১.সামরিক আইন মার্শাল 'ল' তুলে নিতে হবে।
৩.সমস্ত সেনাবাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
৩. যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে।
৪.আর জন প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
কেউ কেউ দাবি করেন মার্চের ভাষণে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু কথা হল, তিনি যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণাই দেবেন তাহলে পাকিস্তানী সরকারের উদ্দেশ্যে দাবী-দাওয়া পেশ করলেন কেন? এমনকি ভাষনের শেষে তিনি 'পাকিস্থান জিন্দাবাদ' বলে ভাষন সমাপ্ত করেন।এসব দাবী পর্যালোচনা করেই অনেকে বলে থাকেন যে, শেখ মুজিব ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। কারণ ১৩ মার্চের পর প্রেসিডেন্ট ইয়াহইয়ার সাথে ঢাকা বৈঠকে সমঝোতা যদি সফল হত, শেখ মুজিবুর রহমানই হতেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আদৌ কোন সম্ভাবনা ছিল না। শেখ মুজিব স্বাধীনতার চিন্তা করেননি, তা ২৪শে মার্চে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সভায় প্রদত্ত বক্তব্য থেকে প্রমাণ মেলে। সেদিন তিনি দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছিলেন,
"আমার ম্যান্ডেট স্বায়ত্ত্বশাসনের জন্য, স্বাধীনতার জন্য নয়।"
(সাংবাদিক আশরাফের প্রতি কৃতজ্ঞতা)
২৫ মার্চের আগ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর প্রচেষ্টা ছিল দেশের অখন্ডতার পক্ষে। এ কারনে বিভিন্ন সময়ে হুমকি ধামকি দিয়ে চেষ্টা করেছেন পাকিস্থানী ম্বেরাচার শাসকদের কাছ থেকে অধিকার টুকু আদায় করতে। এমনকি ২৫ মার্চ রাতেরও গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে তিনি দেশকে বিভক্ত করার পক্ষে ছিলেন না।
''একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতারের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত স্বাধীনতার কোনো ঘোষণা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেননি। তাজউদ্দীন আহমদ ওই রাতেই স্বাধীনতার ঘোষণার ছোট্ট একটি খসড়া তৈরি করে টেপরেকর্ডারে ধারণ করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে পড়তে দেন। বঙ্গবন্ধু খসড়াটি পড়ে নিরুত্তর থাকেন এবং এড়িয়ে যান। তাজউদ্দীন আহমদ ঘোষণাটি দিতে অনুরোধ জানালে বঙ্গবন্ধু উত্তর দেন,
''এটা আমার বিরুদ্ধে একটি দলিল হয়ে থাকবে। এর জন্য পাকিস্তানিরা আমাকে দেশদ্রোহের জন্য বিচার করতে পারবে।''
ইপিআর সিগন্যালসের মাধ্যমে শেখ সাহেব স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠিয়েছিলেন সেটাও বোধহয় অবাস্তব কথা। চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরীর কাছে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠিয়েছিলেন বলে যে কথা বলা হয়, তাও সঠিক নয়। ভারত সরকার বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার সময় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও অন্য প্রধান নেতাদের জিজ্ঞাসা করেছে যে, স্বাধীনতার ঘোষণার ব্যাপারে শেখ মুজিবুর রহমান কাউকে কিছু বলে গেছেন কিনা। এর মধ্যে জহুর আহমদ চৌধুরীও ছিলেন। ভারত সরকারকে প্রত্যেকেই বলেছেন, কাউকেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণার কথা বলে যাননি। জহুর আহমদ চৌধুরী নিজে তাজউদ্দীনকে বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণার ব্যাপারে তাকে কিছুই বলা হয়নি।'' (আমার দেশ এবং প্রিয় ডটকম http://priyo.com/forum/2010/mar/25/37599.html)
কিন্তু এত সবের পরেও আজ সত্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষক, আওয়ামী লীগ স্বাধীসতার সোল এজেন্ট আর দীর্ঘ আন্দোলনে পাশে থেকেও জামায়াত স্বাধীনতা বিরোধী। ভাষা আন্দোলনের ইশতেহার পাঠকারী অধ্যাপক গোলাম আযম দেশদ্রোহী। ছবি নাকি ইতিহাসের কথা বলে। বহু বচর আহে ছাপা হওয়া একটি বইয়ের দুর্লভ কিছু ফটো পেয়ে গেলাম। রীতিমতো চমকে দেবার মতো। দেখা যাক ইতিহাস কি বলে।
স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আগাগোড়া সব কিছুর সাক্ষী। বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের পর হতে ১৫ আগস্ট মুত্যুর আগ পর্যন্ত অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোন কথা বলেননি। চ্যালেঞ্জ রইল যদি কেউ প্রমাণ দেখাতে পারেন, আমার এই মন্তব্য ডিলিট করে দেব।
View this link
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
ইতিহাস কথা বলে..................................!!!
দাসত্ব বলেছেন:
ওকে ছবি ঠিক আছে , তবে ৭১ এ খুন খারাপী কারা করলো তাহলে ?কোন বাড়িতে কে মুক্তিযোদ্ধা , কে বুদ্ধিজীবি এটা কে দেখায়া দিসে পাকিস্তান আর্মিকে ?
লেখক বলেছেন: স্বাধীনতা বিরোধী
মঈনউদ্দিন বলেছেন:
দাসত্ব বলেছেন: ওকে ছবি ঠিক আছে , তবে ৭১ এ খুন খারাপী কারা করলো তাহলে ?
কোন বাড়িতে কে মুক্তিযোদ্ধা , কে বুদ্ধিজীবি এটা কে দেখায়া দিসে পাকিস্তান আর্মিকে ? মাইনাচ
লেখক বলেছেন: তারও বিচার হবে
রিফাত হোসেন বলেছেন:
+ দিলাম তবে জামায়াত এর অধিকাংশ লোক মুক্তিযুদ্ধে পশ্চিম পাকিস্তানের পক্ষে ছিল ।আর শেখ মুজিব এর ঐতেহাসিক ভাসনও আমার কাছে কড়া ফাউল লাগে । সেখানে স্বাধীনতার ঘোষনা দেন নাই । বরং পাকিস্তানের আগাম আক্রমণ সর্তক করে রাখলেন ।
যে তারা বোমা মাইর দিবে আর তোমরা লাঠি মাইর দিয়ে ফিরাবা ?? এটা কোন প্রস্তুতি হল ।
শেখ মুজিব একজন ভাল বক্তা এবং নেতা ছিলেন । তবে তার ইচ্ছা ছিল পাকিস্তান বিভক্ত না হোক । এটা সাধারণ জ্ঞানে বলে ।
বিপরীত স্রোত বলেছেন:
জামায়াতিরা মুখে কী বলে তা দিয়ে নয়, তাদের অবচেতন মন থেকে সময় সময় যে সঠিক মনোবাসনা বেরিয়ে আসে তা দিয়েই তাদের বিচার করা উচিত। পাকিস্তানের জন্য যে তাদের দিল পেরেশানি এখনও কাটেনি, তার প্রমাণ জাতীয় প্রেসক্লাবের সভায় নিজামী বলে ফেলেছেন, '৭০-এর নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিদের হাতে ক্ষমতা দিলে হয়তো ইতিহাস এ রকম হতো না।' অর্থাৎ পাকিস্তান ভেঙে যেত না।নিজামীরা এখানে পাকিস্তানের সামরিক জান্তার ওপর এককভাবে দোষটা চাপিয়েছেন। অথচ ১৯৭০ সালে বাঙালির ম্যাগনাকার্টা ছয় দফার ইস্যুতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ভোট দিলে আল্লাহ-খোদার বিরুদ্ধাচরণ করা হবে বলে প্রচার চালাতে এবং নির্বাচনের পর বিপুল ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের কাছে যাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা না হয় জামায়াতি নেতারা তার তৎপরতাতেই লিপ্ত ছিলেন। একাত্তরের ট্র্যাজেডি সৃষ্টিতে ইয়াহিয়া-ভুট্টোর ষড়যন্ত্রে জামায়াতের কী ভূমিকা ছিল, তা এখন তারা নির্লজ্জভাবে চেপে যাচ্ছেন।
১৯৭১ সালের মার্চ মাসে আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ইয়াহিয়া জান্তা যখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা শুরু করে, তখন তার প্রধান সহযোগী ও কোলাবরেটরের ভূমিকা গ্রহণ করে জামায়াত। তখনই ঢাকার গভর্নর হাউসে (বর্তমান বঙ্গভবন) জল্লাদ টিক্কা খান ও রাও ফরমান আলির সঙ্গে বৈঠকরত জামায়াত নেতা গোলাম আযমের একাধিক ছবি 'অধিকৃত ঢাকার' পত্রপত্রিকাতে ফলাও করে প্রকাশিত হয়েছিল। গোলাম আযম হানাদারদের গণহত্যায় এবং 'বিচ্ছিন্নতাবাদীদের' নির্মূল করার কাজে আলবদর, আলশামস, রাজাকার ইত্যাদি বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা তখনই টিক্কা খান ও রাও ফরমান আলির হাতে দিয়েছিলেন (সূত্র : রাও ফরমান আলির ডায়েরি)।
এখন গোলাম আযম ও নিজামীরা একেবারে ভিজে-বিড়াল সেজেছেন। তারা সেদিন সত্যই পাকিস্তানপ্রেমিক হলে পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার জন্য সীমান্তের ওয়ালি খান, এয়ার মার্শাল (অব.) আসগর খান প্রমুখের মতো দাবি তুলতেন, পাকিস্তানের ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য '৭০-এর নির্বাচনে জয়ী দলের হাতে ক্ষমতা তুলে দাও। তারা সে দাবি না তুলে সামরিক জান্তার গণহত্যায় শরিক হয়ে পাকিস্তান ভাঙা অনিবার্য করে তুলেছেন। আর এখন সব দোষ চাপাচ্ছেন এককভাবে আইয়ুব-ইয়াহিয়ার সামরিক জান্তা ও ভুট্টোর ওপর। আর নিজেরা দুধ চুরি করে খেয়ে বিড়ালের মতো ভিজে গোঁফের আড়ালে সেই চুরির চিহ্ন লুকাতে চাচ্ছেন।ত্তরের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত যোগ দিলে যখন পাকিস্তানিরা বাংলাদেশ থেকে পালাতে শুরু করে, তখন এই পলায়নপর হানাদার সৈন্যদের সঙ্গেই গোলাম আযম পশ্চিম পাকিস্তানে প্রাণভয়ে পালিয়েছিলেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরতে সাহসী হননি। এখন প্রচার করা হচ্ছে, তিনি কোনো কাজের ব্যাপারে পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাকে আর দেশে ফিরতে দেওয়া হয়নি।
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন:
দাসত্ব বলেছেন: ওকে ছবি ঠিক আছে , তবে ৭১ এ খুন খারাপী কারা করলো তাহলে ?
কোন বাড়িতে কে মুক্তিযোদ্ধা , কে বুদ্ধিজীবি এটা কে দেখায়া দিসে পাকিস্তান আর্মিকে ? ঠিক
আ শী ষ বলেছেন:
দুধ নষ্ট করার জন্য এক ফোটা চ্যানাই যথেষ্ট। কিন্তু নষ্ট দুধ ভালো করার কিন্তু কোন কায়দা নাই। আর জামাতীরাতো দুধ বার বার নষ্ট করছে। এমনই নষ্ট করছে যে এই দুধের ছানা দিয়ে তৈরি মিষ্টি এখন তাদের নিজেরাই খেতে পারছেনা। বার বার ঢোক গিলছে। হিক্...হিকৃ...
লুথা বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
হাসান বৈদ্য বলেছেন:
ভাই, আমার জানা মতে আপনার কাছে সিরাজোদ্দৌলার সাথে মীর জাফর, জগৎ শেঠদের ঘনিষ্ঠ ছবিও আছে, তাঁরাও তো আপনাদের হুজুরদের মত ইংরেজদের বিপক্ষেই অনেক ভালো ভালো শপথ বাক্য উচ্চারণ করেছিল। ভাই, আপনার কাছে ৭১ এর যুদ্ধ চলা কালীন পাক জল্লাদদের সাথে আপনাদের হুজুরদের, চক্রান্তরত অবস্হায় জামাতেরই প্রকাশিত পত্রিকার ছবি নাই?
আপনার মেধা ও রুচির প্রতি শ্রদ্ধা রইলো।
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন:
এক্কেরে হাডাইলাইসেনরে ভাই। এই কি ফটুক দেখাইলেন।
লালসালু বলেছেন:
হাহাহা
সুধাসদন বলেছেন:
জামায়াতের সাথে আওয়ামী লীগের পীরিতি বহু পুরনো। আর এজন্যই তো মওদুদীর সাথে মুজিবের ছবি, হাসিনার সাথে নিজামীর বৈঠকের ছবি, জিল্লুর রহমানের সাথে নিজামীর কদমর্দনের ছবি দেখে অবাক হই না। এখন জামায়াতকে ফাঁসানোর যে চেষ্টা আওয়ামী লীগ করছে তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে। জামায়াত যদি এখন আওয়ামী লীগের সাথে থাকতো তাহলে তারাও ১৪ দলীয় জোটের প্রভাবশালী দলে পরিণত হতো।
আশিক দিওয়ানা বলেছেন:
সুধাসদন বলেছেন: জামায়াতের সাথে আওয়ামী লীগের পীরিতি বহু পুরনো। আর এজন্যই তো মওদুদীর সাথে মুজিবের ছবি, হাসিনার সাথে নিজামীর বৈঠকের ছবি, জিল্লুর রহমানের সাথে নিজামীর কদমর্দনের ছবি দেখে অবাক হই না। এখন জামায়াতকে ফাঁসানোর যে চেষ্টা আওয়ামী লীগ করছে তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে। জামায়াত যদি এখন আওয়ামী লীগের সাথে থাকতো তাহলে তারাও ১৪ দলীয় জোটের প্রভাবশালী দলে পরিণত হতোএকমত
অশ্ব ডিম্ব বলেছেন:
দাসত্ব বলেছেন: ওকে ছবি ঠিক আছে , তবে ৭১ এ খুন খারাপী কারা করলো তাহলে ?কোন বাড়িতে কে মুক্তিযোদ্ধা , কে বুদ্ধিজীবি এটা কে দেখায়া দিসে পাকিস্তান আর্মিকে ?
-----------------
আজকে যারা খুন, ধর্ষন, গুপ্তহত্যা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, চোরাকারবারি, দালালি করছে তারা/তাদের বাপ দাদারাই ঐ সময় দেখিয়ে দিয়েছিল কারা মুক্তিযোদ্ধা, কারা বুদ্ধিজিবী আর কার ছেলে ঢাবির ছাত্র।
বিশ্বাস না হলে খোজ নিয়ে দেখেন।
কলমবাঁশ বলেছেন:
অশ্ব ডিম্ব বলেছেন: আজকে যারা খুন, ধর্ষন, গুপ্তহত্যা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, চোরাকারবারি, দালালি করছে তারা/তাদের বাপ দাদারাই ঐ সময় দেখিয়ে দিয়েছিল কারা মুক্তিযোদ্ধা, কারা বুদ্ধিজিবী আর কার ছেলে ঢাবির ছাত্র।
বিশ্বাস না হলে খোজ নিয়ে দেখেন।
আপনার সথে এ-ক-ম-ত না হওয়ার উপায় বলুন!
মুসাফির রকস বলেছেন:
আ'লীগ না করলেই রাজাকার।অথচ শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগ দেশটাকে লুটেপুটে খাচ্ছে সেদিকে কারও মাথা ব্যাথা নেই।
ইয়াহু বলেছেন:
সামহয়ার ইন ব্লগের মত opest নামে একটা নতুন ব্লগ চালু হয়েছে।এটা সবার জন্য উন্মুক্ত ।স্বাধীন , পরিচ্ছন্ন ও শতভাগ নিরপেক্ষ হওয়ায় এখানে আপনি আপনার মুক্ত চিন্তা প্রকাশ করতে পারেন । এখানে প্রতিষ্ঠিত ব্লগারদের দখল হয়ে যাওয়া নিক ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এখানে আপনাকেও স্বাগতম।ওপেষ্ট বাংলা- http://www.opest.net
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















Click This Link