মিছেমিছি গিয়েছিলাম...........
বাড়িতে অথিতি এসেছে।এক সপ্তাহ যায়,দু্ই সপ্তাহ যায় তার যাওয়ার কোন নাম নেই ।স্বামী-স্ত্রী লজ্জায় কিছু বলতেও পারে না।একদিন অতিথিকে শুনিয়ে শুনিয়ে মিছেমিছি তারা পাশের ঘরে ঝগড়া লাগিয়ে দিল।এক পর্যায়ে স্বামী স্ত্রীকে প্রহার করার এবং স্ত্রী কান্নাকাটি করার আওয়াজও পাওয়া গেল।গতিক সুবিধের নয় দেখে অতিথি তার সুটকেস নিয়ে বেড়িয়ে গেল।জানালা দিয়ে স্বামী-স্ত্রী তা দেখে ঝগড়া বন্ধ করে হাসতে লাগল।স্বামী বলল তোমার লাগেনি তো যে ভাবে কাঁদছিলে! একটুও লাগেনি,কান্নাতো ছিল লোক দেখানো।একটু পরে অতিথির আবির্ভাব,আমিও কিন্তু মিছেমিছি গিয়েছিলাম।
দার্জিলিং স্পেশাল.....
গৃহস্বামী-এই যে চা খেলেন এটা একবারে দার্জিলিং স্পেশাল !
অতিথি-এই জন্যই বোধ হয় এটা এত ঠান্ডা !
অতিথি আপ্যায়ন......
অনেদিন পর বাড়িতে মেহমান এসেছে।মেহমানকে দেখে বাড়ির মালিক বললেন-কেমন আছেন ? অনেক দিন পর এলেন,তা আজতো আর থাকবেন না,আবার কবে আসবেন ?
মেহমান-অনেক দিন পর এলাম,যেতে তো আর দিবেন না,লুঙ্গিটা দেন গোসলটা সেরে আসি ।
আর একটু হলেই ধরা পড়তাম.......
কোন এক অপিসে এক পাঞ্জাবি অফিসার মালিকের ভয়ে সর্বদা তটস্থ থাকত।একদিন সে তার সহকর্মীকে বলল- ভাই আজ শরীরটা খুবই খারাপ,মনে হয় অসুখ করেছে । সহকর্মী বলল-বাড়িতে গিয়ে শুয়ে থানেক।
---তা পারব না,মালিক দেখে ফেললে বরখাস্থ করবে !
---বোকামি করো না,মালিকতো আজ অফিসেই আসেনি।
---শেষ পর্যন্ত সহকর্মীর কথা বিশ্বাস করে সে বাড়ি গেল এবং জানালা দিয়ে দেখতে পেল তার মালিক লোকটির স্ত্রীর সাথে হাসি-ঠাট্টায় মগ্ন।এটা দেখে লোকটি দৌড়ে অফিসে ফিরে গিয়ে তার সহকর্মীকে তিরস্কার করে বলল তুমি তো খুব হিতৈষি বন্ধু দেখছি, তোমার কথা শুনে আর একটু হলেই তো বাড়িতে ঢুকে পড়েছিলাম,আর ঢুকলেই তো মালিকের কাছে ধরা পড়ে যেতাম !
আর হেসে লাভ নেই...
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তার অধীনস্তদের কৌতুক শোনাচ্ছেন।
একজন বাদে অন্য সবার হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরার জোগার।
যিনি হাসছেন না তাকে নিয়ে এবার সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ল।সবাই বলল সাহস কত পরিচালকের কৌতুকে হাসে না !
---কিরে তুই হাসছিস না কেন ?
---এখন আর হেসে লাভ নেই,কাল আমি অন্য চাকরিতে যোগ দিচ্ছি ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



