somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাফাকুম জলপ্রপাত

১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আমরা বেঁচে আছি! আমরা বেঁচে আছি!.............

LIFE IS BEAUTIFUL. LIFE IS BEAUTIFUL....


Nafakhum Waterfall
এই কথাগুলোই বারবার সবাই বলাবলি করছিল নাফাকুম জলপ্রপাত থেকে ফিরে এসে৷ দুর্গম গিরি আর যৌবনবতী বিক্ষুদ্ধ ধিঙি সাঙ্গু নদী অতিক্রম করার পর এ ধরনের অনুভূতি অনুরণিত হচ্ছিল সবার মাঝে৷ সৌন্দর্যের প্রতি ভালোবাসা, নিজেকে ভালোবাসা, অপরকে ভালোবাসা, মিথোজীবিতার যে সুখ সে সুখ সবার মনকে ছুঁ য়ে ছুঁয়ে ঝিরঝির করে বয়ে যাচ্ছিল৷


পাহাড় - মেঘ

ঝর্ণা-জলপ্রপাত
পৃথিবীর চামড়া ফেটে বের হওয়া কষ্টই ঝর্ণা। ঝর্ণার পানি পাহাড়ের গা ঘেঁষে ঘেঁষে পাদদেশে পতিত হয়৷ অনেক অনেক ঝর্ণার মিলিত প্রবাহ একত্রিত হয়ে একেঁবেকেঁ পাহাড়ের পাদদেশ ধরে বয়ে চলতে চলতে নদীর সৃষ্টি হয়৷ বিশাল বিশাল পাথর যা প্রাকৃতিক উপায়ে সৃষ্টি হয় তা নদীর দু’পাশ কে ভাঙ্গন রোধে সহায়তা করে৷ ফলে পাহাড়ের ভাঙ্গন রোধ হয় ৷ এ যেন প্রাকৃতিক বেড়িবাঁধ৷ জলপ্রপাত হল একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে প্রাকৃতিক ভাবে বহমান জলের প্রবল বেগে পতন। নাফাকুমি জলপ্রপাতটা প্রায় ৩০ হতে ৩৫ ফুট উচুঁ স্থান থেকে হঠাৎ করে দিক পরিবর্তন নিচে পতিত হয়েছে৷ যেন চলতে চলতে অমনযোগীতার কারণে পা ফসকে পড়ে যাওয়া৷

থানছি যাত্রা
ঈ তে ঈপ্সা আর দ তে দম এ দু’টোকে মূল সম্বল করে ঈদের ছুটিতে পূর্বসরীদের নিষেধ উপেক্ষা করে আমরা নাফাকুম যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম৷ সাদা সাদা মেঘ , কালো কালো মেঘ যেগুলো অবিরত ছুটে চলে আর চলে অজানার উদ্দেশ্যে সেগুলোকে কী ছোঁয়া যায়? যায় কোন অজনায়ায়? দু’টো সুখ দু’টো দুঃখের কথা বলার সময় কী আছে তাদের? আহা! তাদের ধরা গেলে এসব কথা জিজ্ঞেস করা যেত৷ আমাদের স্বপ্ন পূরিত হয়েছে৷ আমরা মেঘকে ছুঁতে পেরেছি৷ অনেক অনেক মেঘ৷ পাহাড়ের খাপে খাপে আটকানো সাদা কালো মেঘদের , ছুটে চলা সাদা কালো মেঘদের, সন্তান সম্ভবা মেঘদের আমরা ছুঁয়েছি৷ মেঘেরা তাদের সদ্যোজাত সন্তান বৃষ্টিদের ঢেলে দিয়েছে আমাদের উপর৷ বৃষ্টির ফোঁটারা আলোর সাথে কথা বলে রঙের ধনুক বানিয়েছে আমাদের খুশি করতে৷ তা থৈ তা থৈ করতে করতে মেঘদের, রংধনুদের সাথে ছবি তুলতে তুলতে যখন থানছি পৌঁছেছি ক্লান্ত সূর্য তখন ঘুমানোর প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে ফেলেছে৷ আর চাঁদ ঘুম থেকে ওঠে আড়মোড়া দিচ্ছিল৷ নতুন পরিবেশ৷ প্রকৃতির সুর-ছন্দ-তাল-লয়, রূপ-রস-গন্ধ, আনন্দ-খুশির চাঁদ সবকিছুকে উপভোগের জন্য বিশ্রামের বাসা আর খাদ্যের যোগান এর ব্যবস্থা ঠিক করতে হবে সর্বাগ্রে৷ সূর্য ঘুম থেকে উঠার আগেই আমাদের রেমাক্রির উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে৷ এজন্য সব কিছু ঠিক করে রাখতে হবে৷ নতুবা সব পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে৷ কত ঝামেলা৷ এতসব ঝামেলাই উথলিয়ে গেছে নেতৃত্বের দক্ষতায়৷

পাথর-স্রোত

রেমাক্রি যাত্রা
চাকুরি সূত্রে বান্দরবান ছিলাম দীর্ঘ দিন৷ কাছ থেকে দেখেছি পাহাড়, নদী, ঝর্ণা আর পাহাড়িদের৷ ঘুরেছি এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে৷ কিন্তু এ গল্প অতীতকে হার মানানোর গল্প৷ থানছি থেকে রেমাক্রি ইউনিয়ন পর্যন্ত যাত্রা পথে ধিঙি সাঙ্গু নদের যে বিক্ষুদ্ধতা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি এ রূপ কেউ না দেখলে বিশ্বাস করবে না ৷ ৩টি ইঞ্জিন চালিত বোটে করে আমরা চলেছি স্রোতের প্রতিকূলে৷ দু’পাশে পাহাড়শ্রেণি৷ দু’পারে পাহাড় শ্রেণি থেকে সাঙ্গুতে এসে মিশেছে ছোট বড় অসংখ্য প্রাকৃতিক ঝর্ণা৷ চিরতৃষ্ণার্ত সাঙ্গু জলের এ উত্সমুখ থেকে পানি পান করেই চলেছে সেই টারশিয়ারী যুগ থেকে, যখন পাহাড়রা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল পার্বত্য চট্টগ্রামে৷ ঝর্ণা যেখানে সাঙ্গুতে মিশেছে সেখানে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ঘূর্ণনের৷ এ ঘূর্ণন মারাত্মক রূপ পরিগ্রহ করে বর্ষাকালে৷ তীব্র ঘূর্ণনের মধ্যে আমাদের বোটগুলো যখন পড়ে, পরের কিছু মুহূর্তের কথা আমাদের স্মৃতিতে নেই৷ যখন ঘুর্ণন থেকে বের হয়ে আসি তখন আমরা পুরোপুরি জলসিক্ত৷ এছাড়া বিশাল আকৃতির সব পাথর ছড়ানো ছিটানো নদীর ঐ অংশে৷ এক একটি পাথর প্রায় ২০-৩০ ফুট উচুঁ আর প্রস্থ ততোধিক৷ বিশেষত বড় পাথর নামক স্থানের পাথরগুলোর বিশালত্বের কারণে স্থানীয়রা এদের দেবতা জ্ঞানে পুজো করে৷ এসব পাথর নদীর কঙ্কাল হিসেবে কাজ করে নদীর দু’পাড়ের আকৃতি ঠিক রাখে৷ এ এক প্রাকৃতিক বেড়িবাঁধ৷ চলার পথে পথিকের মুহূর্তের সামান্য অসর্তকতা সাঙ্গু সহ্য করে না৷ অসর্তকদের নিজ বুকে টেনে নেয়৷ যাঁরা সর্তক সদা সর্বত্র তাদেঁরই বাচিঁয়ে রাখে সাঙ্গু৷ আমরা নিরাপদেই রেমাক্রি পৌঁছলাম৷

নাফাকুম যাত্রা
আমরা যখন রেমাক্রিতে পৌঁছলাম সুর্য তখন রেগে আগুন৷ রেমাক্রিতে ইউনিয়ন পরিষদের রেস্ট হাউসে আমরা লাগেজ রেখে দ্রুত নাস্তা সেরে নিলাম রুটি আর কলা দিয়ে৷ এইবার মূল যাত্রা শুরু৷ আমাদের গাইড ‘বাতেন’ এর নেতৃ্ত্বে। রেমাক্রি হতে নাফাকুমের দুরত্ব আনুমানিক ০৮ কিমি৷ পাহাড়ি পথে আনুমানিক ০৩ কিমি হাঁটার পর বাকিটুকু নদীর কিনার অথবা পাহাড়ের ঢাল বেয়ে চলা৷ আর ঐখান থেকে বিপদের শুরু ৷ নদীর কিনার ধরে চলতে চলতে হঠাৎ চোখে পড়বে রাস্তা শেষ৷ তখন অন্যপাড়ে চলে যেতে হবে৷ সেই পাড় ধরে হাঁটা যাবে৷ কিন্তু সমস্যা হল নদী পার হওয়া নিয়ে। যদি নৌকা-ভেলা কিছু না থাকে কিংবা সাতাঁর না জানেন৷ নদীতে কী তীব্র স্রোত!! এগোনোর চেষ্টা করতেই খড়-কুটোর ভাসিয়ে নিতে চাচ্ছে৷ আর চাইবেই না কেন? এখন যে বর্ষাকাল৷ সাঙ্গুর ভরা যৌবন৷ সে এখন কাউকেই পরোয়া করে না৷ এক বার নয়, দু’বার নয়, তিন তিন বার অপনাকে নদী এপাড় ওপাড় হতে হবে৷ আমরা পাড় হলাম কিভাবে? আমাদের কাছে ছিল দড়ি৷ নদীর দু’পাড়ের গাছের সাথে দড়ি বেঁধে নদী পার হবার চেষ্টা করতে হবে৷ কিন্তু তার আগেই বিপদ ঘটে গেল৷ নদীতে নামার সাথে সাথেই ‘শান্ত’ স্রোতের সাথে ভেসে চলে যাচ্ছিল৷ আমাদের চোখের সামনেই দেখছি ‘শান্ত’ ভেসে চলে যাচ্ছে৷ কিন্তু বিন্দুমাত্র এগোনো যাচ্ছে না৷ তীব্র স্রোতের কারণে৷ আমাদের গাইড ‘বাতেন’ স্রোতের কবল হতে ‘শান্ত’কে উদ্ধার করে নিয়ে আসল৷ এ যাত্রা রক্ষা পেলাম৷ এর পর দড়ি ধরেই আমরা এক একে পার হলাম৷ আরও বিপদ ওত পেতে ছিল আমাদের জন্য৷ নদীর কিনারা ধরে যখন এগানো যাচ্ছে না তখন আমাদের উঠতে হয়েছে পাহাড়ের সঙ্কীর্ণ ঢালে৷ এসব ঢাল ধরে চলা খুব বিপজ্জনক৷ কারণ একে পিচ্ছিল দ্বিতীয়ত যেকোন সময় ধ্বস নামার সম্ভাবনা৷ আর পড়ে গেলে খাড়া ২৫-৩০ ফুট নিচে যেখানে অপেক্ষা করে আছে তীব্র স্রোত আর পাথর৷ যেহেতু বিকল্প কিছু নেই আর আমরাও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলাম নাফকুম জয়ের সেহেতু ঝুঁকি নিতেই হল৷ সব ঝুঁকি অতিক্রম করে আমরা যখন নাফাকুম পৌঁছলাম৷ এ কী বিস্ময়!! বাধঁ ভাঙ্গার আনন্দ!! প্রথম দেখাতেই সবারই কন্ঠে বিজয়ের চিৎকার। কন্ঠে উল্লাস! এ সুন্দর অভূতপূর্ব৷ চার দিকের মেঘমালা, বৃষ্টিস্নাত সবুজ আর সবুজের মেলা, পানির উথাল-পাথাল করা আওয়াজ, পানি উপর থেকে নীচে পড়ে বাষ্পীভূত হয়ে উর্ধ্বপানে ছুটে চলা এককথায় অসাধারণ! এদিকে সূর্য পাটে বসতে যাচ্ছে৷



ফেরত যাত্রা

দুশ্চিন্তা পেয়ে বসেছে সবাইকে৷ সন্ধ্যা সমাগত৷ বৃষ্টি হচ্ছিল৷ এ দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হবে৷ যেখানে দিনের আলেতে কষ্টের একশেষ সেখানে রাত্রি নিশীথে কিভাবে লঙ্ঘন করব এ দুর্গম গিরি৷ বিকল্প কিছু নেই৷ শুধু কিছু ক্লিকে এবং মানসপটে নাফাকুমিকে ধারণ করে আমরা উল্টো যাত্রা শুরু করলাম৷ পথ আগের চেয়ে আরও বিপদসঙ্কুল কারণ বৃষ্টি৷ বৃষ্টির ফলে নদীতে পানির পরিমাণ বেড়ে গেছে আর পথ হয়ে পড়েছে পিচ্ছিল৷ এখন যতদূর সম্ভব চেষ্টা করতে হবে আলো থাকতে থাকতে যত বেশি দূরত্ব অতিক্রম করা যায়৷ সূর্য ঠিক সময়েই তার বাতি নিভিয়ে দিল৷ চার দিকে এখন অন্ধকার৷ অন্ধকার আর আমরা মুখোমুখি৷ নদী পারাপারের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক পাহাড়ের কিনারা ধরে পায়ে চলার পথটুকু৷ ভয় পিচ্ছিলতাকে আর বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের ধ্বস নামার সম্ভবনাকে৷ আমরা ২০ জন৷ টর্চলাইট ০২টি৷ সঙ্কীর্ণ পথের কারণে সারিবদ্ধভাবে চলতে হবে৷ আলো ছাড়া একপা সামনে দেয়ার উপায় নেই৷ বিপদ ওত পেতে ছিল৷ এবার বিপদের ফাঁ দে পড়ল ‘অনোয়ার’ ভাই৷ একা একা পার হতে না পেরে ‘সমীর’ এর হাত ধরে একটি সঙ্কীর্ণ একটি পথ পাড়ি দিচ্ছিল৷ হঠাত্ই দেখি ‘আনোয়ার’ ভাই ব্যালান্স হারিয়ে ‘সমীর’ হারে উপর ঝুলে আছে৷ হায়! ‘সমীর’ ব্যালান্স হারায়নি মোইে৷ নীচে পাথর ও তীব্র স্রোত৷ ‘পাতান ’ ও ‘সমীর’ এর যৌথপ্রচেষ্টায় ‘আনেয়ার’ ভাই কে উপরে তুলে আনা হল৷ আমরা হাঁফ ছেড়ে বাচঁলাম৷ অন্যরা অল্পের উপর দিয়ে বত্তে গেল৷ শেষবার নদী পরাপারের জন্য আমরা মানববন্ধন সৃষ্টি করে একে একে পার হয়েছি৷ দড়ি ব্যবহার করেনি৷ এত ঝক্কি ঝামেলা পার হয়ে আমরা যখন রেমাক্রিতে পৌঁছলাম তখন রাত ৯.৩০৷ সবাই এত ক্লান্ত ছিল খাবার সাথে সাথে ঘুম৷ ঘুম৷



বাতেন ঝর্ণা

ঝর্ণা! ঝর্ণা! সুন্দরী ঝর্ণা!....
তনু ভরি' যৌবন, তাপসী অপর্ণা!
ঝর্ণা!....
পর দিন ০১ সেপ্টেম্বর সকালে আমরা রেমাখুমে গোসল করতে গেলাম৷ সবাই বেশ মজা করল৷ গতকাল করেছি অ্যাডভেঞ্চার আজ করেছি মজা৷ সত্যিই তাই৷ এরপর আমরা বোটে করে সেই আগের পথ ধরে রেমাক্রির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম৷ মাঝখানে যাত্রাবিরতিতে আমরা দেখতে তৈন্দু ইউনিয়নে এর কাছে অনিন্দ্যসুন্দর একটি ঝর্ণা দেখতে গেলাম৷ ঝর্ণাটি তালপাতার পাখার মতো৷ একটি বিন্দু হতে চারদিকে শতশত রেখায় ছড়িয়ে পড়েছে৷ অভূতপূর্ব৷ এটি আমরা আমাদের গাইড ‘বাতেন’ এর নামে নামকরণ করেছি ‘বাতেন ঝর্ণা’৷ ‘বাতেন ঝর্ণা’ দেখা শেষ করে আমরা রেমাক্রির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম৷ থানছিতে যখন পৌঁছলাম তখন মধ্যদুপুর৷ এখানে লাঞ্চ সেরে আমরা বান্দরবান এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম৷ আসার পথেও মেঘরা আমাদের জড়িয়ে নিয়েছিল৷ পুরানো বন্ধুর মতো৷ মনে মনে শুধু বলেছি ভালো থেকো মেঘ, ভালো থেকো বৃষ্টি, ভালো থেকো নদী-পাহাড়-প্রকৃতি৷


রেমাক্রিমুখ




মজা


আমরা সবাই


এখন এ গল্প অতীত৷ অতীতের কতো স্মৃতি মনে জেগে আছে এখনো৷ এ ভ্রমণস্মৃতিও অনন্য, মনে থাকবে অ্যাডভেঞ্চার-মজা-বিপদ-সাহস এর মিশ্র স্মৃতি হিসেবে প্রত্যেকের মনে৷ মনোজদা, বিশুময় দেব, শঙ্কর পুরোহিত, সুমন সরকার, ফুয়াদকে যাঁরা যাত্রাপথের অসংখ্য মুহূর্তকে ক্লিকে ক্লিকে বন্দী করেছে৷ তাঁদের ধন্যবাদ৷ ‘শঙ্কর পুরোহিত’ কে স্পেশাল ধন্যবাদ৷ নদী পারাপারের জন্য ব্যবহৃত দড়ি ও টর্চ নেয়া ‘শঙ্কর’ এর দূরদর্শিতার প্রমাণ৷ ‘সমীর’ ও ‘যুবরাজ’ কে ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ৷ তাঁদের প্রেরণায় আমার যওয়া৷ আামাদের গাইড ‘বাতেন’ আর টিম লিডার ‘পান্না’দা এত রেসপনসিবল আর হেল্পফুল ছিল সে কথা কখনো কেউ ভুলবে না৷
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:১৬
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×