যুদ্ধের আগেই প্রায় সমস্ত সৈন্যের মৃত্যু হতে যাচ্ছিল।
জাতীয় শুখ হতে চলছিল শোকে পরিণত।
হাসি খুশি আর আনন্দের বন্যা শুকিয়ে গিয়ে এসে যাচ্ছিল খরা।
যাই হোক শেষ পর্যন্ত কিছুই হয় নি, সবাই সম্পুর্ন নিরাপদই আছেন।
ঘটনাঃ
আজ, সকাল ১১ টা ৫৫ মিনিট। বিমান, বিজি ০২২।
যাত্রি, বাংলাদেশ কানাডার ক্রিকেটার সহ ১৬১ জন।
উদ্দেশ্য, ঢাকা।
ঘটনাস্থল, চট্রগ্রাম।
সবাই রেডি, যাত্রিরাও প্রস্তুত। পাইলট বিমান নিয়ে সামনে চলতে শুরু করলেন। ধিরে ধিরে গতি বারাতে থাকলেন। রানওয়েতে গতি বাড়তে লাগল। শা শা শব্দে সবার কানে ভাপা ধরে যায়। মাত্রকয়েক সেকেন্ডের মাঝেই বিমান উরে যাবে আকাশে। পাখির মত ডানায় ভর করে উরে আসবে ঢাকায়।
হটাৎ....
হটাৎ...
হটাৎ পাইলট চমকে উঠলেন। রানওয়ের শেষ মাথায় বিমান। চিন্তায় পরে গেলেন পাইলট, বিমান কি উড়াবেন না কি থামিয়ে দিবেন। চিন্তা করার যে সময় নেই, সেকেন্ড পাঁচেক, এর মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন বিমান উড়ানো ঠিক হবে না। থামিয়ে দিলেন, নামিয়ে দিলেন যাত্রিদের। সবাই আতন্কে দ্রুত নেমে পরল বিমান থেকে।
পাইলটের ঐ পাসসেকেন্ড ভাবনা ও সঠিক সিদ্ধান্তই এ যাত্রায় রক্ষা পেল বাংলাদেশে, কানাডার খেলুয়ার সহ ১৬১ জন যাত্রি।
পরে বিমানটি মেরামত করে বেলা ২.৩০ টার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ঐ একই বিমানে কানাডার কয়েকজন খেলুয়ার ২য় বার উঠতে না চাওয়াতে তাদের অন্য বিমানে করে ঢাকা পাঠানো হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


