চিন্তা করুন, আপনার নিজস্ব সিভি হবে একটি দোকানের জানালার মতো যা খুব অল্প সময়ে আপনার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং গুণগুলোকে প্রদর্শন করবে। নিচের টিপসগুলো সেরকমই একটা সিভি তৈরিতে সাহায্য করবে।
সহজ ও সংক্ষিপ্ত : শুরু করার পূর্বে বেছে নিতে হবে সঠিক গঠনের কারিকুলাম ভিটা। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনার কি-স্কীলগুলো এবং সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা অবশ্যই প্রথম দিকে দিতে হবে যেখানে সহজেই চোখ পড়বে। সিভিতে প্রোফাইল, সাফল্য, অভিজ্ঞতা, বিশেষ দক্ষতা (ভাষা, কম্পিউটার), শিৰা, প্রশিৰণ এবং আগ্রহ- এ শাখাগুলো থাকতে হবে। যদি ক্যারিয়ার জীবন বা পেশা জীবন দীর্ঘদিনের না হয়ে থাকে তাহলে স্মার্ট সিভি তৈরির ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে ২ পৃষ্ঠার বেশি না বাড়ানোই ভালো। অনেকেই ২ পৃষ্ঠার অধিক সিভি পড়তে আগ্রহ বোধ করেন না।
দর্শনধারী : স্মার্ট সিভি তৈরির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং প্রেজেনটেশন একটা প্রধান বিষয়। শাখাগুলোকে অবশ্যই বোল্ড করে পয়েন্ট আউট করতে হবে। অল্প কথায় আকর্ষণীয় বাক্য হতে হবে। সিভিতে যথেষ্ট পরিমাণে ফাঁকা অংশ রাখতে হবে যেন শাখাগুলো চোখে পড়ে সহজেই।
সাম্প্রতিকের অবস্থান : চাকরির অভিজ্ঞতাগুলোকে তারিখ উল্লেখ করে লিখতে হবে। তবে সাম্প্রতিক চাকরিকে প্রথম সারিতে রাখা আবশ্যক। চাকরি জীবনে কোনো গ্যাপ থাকলে সেটা বর্জন করাই ভালো। অনেক আগের চাকরি সম্পর্কে টু দ্য পয়েন্ট লিখে ছেড়ে দেওয়া ভালো। পার্ট টাইম চাকরির অভিজ্ঞতাও যুক্ত করা উচিত।
ঘটনার যুক্ততা : চাকরির দায়িত্ব কর্তব্যগুলোকে আলাদা আলাদা করে লিস্ট করতে হবে। একেক চাকরির জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্যারা দিতে এটা লিখতে হবে। সফলতা, দায়িত্ব এবং ফলাফলেরও লিস্ট করতে হবে। সম্ভব হলে অ্যাচিভমেন্টগুলোকে পয়েন্ট আউট করে লিখতে হবে।
লিস্টের পরিমাণ : দক্ষতাগুলোকে একবারই নির্দিষ্ট করে লেখা উচিত। প্রতি চাকরির ক্ষেত্রে এটা বার বার উল্লেখ করা ঠিক না। একটি বিষয় বার বার লেখা যাবে না। লিস্ট করার সময় স্বল্পতা মেইনটেইন করা উচিত।
জীবন্ত সিভি : চাকরিদাতা সিভির মাধ্যমে দেখতে চায় আপনি কোন সেন্সের মানুষ এবং আপনি আসলে কি করতে পারেন। তারা দেখতে চায় আপনি কি সময়ানুবর্তী, সচেতন নাকি মোটিভেটেড? আপনি কি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারেন? যাই লেখেন না কেন সিভিতে, মনে রাখবেন সেটা আপনার কথা বলে কিনা। অর্থাৎ সিভিকে জীবন্ত করে তুলুন।
যথার্থতা : সিভি নির্ভুল হতে হবে। বানান ভুল করা যাবে না। সিভি তৈরির পর অন্য কাউকে দিয়ে রি-চেক করানো প্রয়োজন। ভুলে ভরা সিভি চাকরিদাতাদের কাছে প্রত্যাশিত নয়।
সঙ্গতিপূর্ণতা : প্রত্যেক চাকরির ৰেত্রে একটি সিভি ব্যবহার করা ঠিক না। দুই তিন ধরনের সিভি তৈরি করা উচিত। অথবা জব অনুযায়ী রিসেন্ট সিভি সাজানো উচিত।
কভার লেটার : যদি না কোনো প্রতিষ্ঠানের কভার লেটার পাঠানোর ক্ষেত্রে আপত্তি থাকে, তাহলে সব চাকরিতে কভার লেটার পাঠানোর অভ্যাস থাকা ভালো। এটা আপনার সিভি তৈরি অভিজ্ঞতাকে পরিস্ফুট করবে।
সত্যবাদিতা : নিজেকে প্রদর্শন করার জন্য এমন কিছু সিভিতে লেখা উচিত না, যা আপনার মধ্যে !!
সৌজন্যেঃ দৈনিক ইত্তেফাক!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

