টানা দুইদিন ইন্টারনেট থেকে দুরে ছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ট্যুর প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম ইজো ওশিমা দ্বীপে। অসাধারণ একটা দ্বীপ, সেই সাথে সুন্দর করে সাজানো গোছানো সবকিছু, রাস্তাঘাট-পরিবেশ। এই দ্বীপটা আসলে এক সময় নির্বাসন দ্বীপ হিসাবে ব্যবহৃত হত। জাপানে কেউ অপরাধ করলে, অপরাধীকে অপশন দেয়া হত-জেল খাটবে নাকি এই ইজো ওশিমা দ্বীপে যাবে। কারন এটা সাধারন জাহাজে ইয়োকোহামা থেকে প্রায় সাড়ে ৪ঘন্টা লাগে, টার্বো জাহাজে আড়াই ঘন্টার মত, আর সেই সময়েতো প্রায় অসম্ভব ছিলো, এই দ্বীপ থেকে মূল ভূখন্ডে আসা।
এই দ্বীপে একটা সুপ্ত আগ্নেয়গিরী আছে মিহারা পর্বতে, ২০বছর আগে সর্বশেষ অগ্নুৎপাত হয়েছে। এইটার চুড়াতেও উঠেছিলাম আমরা, প্রায় ৫ঘন্টা লেগেছে এ দিক দিয়ে উঠে, অন্য দিক দিয়ে নামতে। সমূদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮০০মিটারেরও বেশি উচ্চতা। ভয় লাগছিলো খুব, কারন উপড়ে এতো বেশি বাতাস যে, চূড়ার কাছাকাছি নিরাপত্তা রশি ধরে ধরে উঠেছিলাম। ৭/৮টা মিউজিয়াম এ গিয়েছিলাম, চমৎকার সব কালেকশন এসব মিউজিয়ামের কোনটা ছিলো শুধু ডাকটিকেটের মিউজিয়াম, ছিলো শামুক, আগেকার ব্যবহৃত দ্রব্যাদি, পোষাক ইত্যাদি। আজ হালকা ছবি দিলাম, এরপর ধারাবাহিকভাবে শেয়ার করবো আশা করছি।
ছবি ১-৩: দ্বীপ থেকে প্যসিফিক ওশেনে সূর্যাস্ত।
শামুকের মিউজিয়াম
মাউন্ট মিহারার আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ।
চূড়ার দিকে ওঠার পথ, চারিদিকে শুধু লাভা আর লাভা।
বিস্তারিত ধারাবাহিকভাবে আসবে....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

