আমার প্রিয় পোস্ট
- অপরাধীর কোন ধর্ম নাই, তবে "মুসলিম" হলে আলাদা কথা... - ত্রিভুজ
- হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - বিগ মব
- বব ডিলান, তার একটি গান “ব্লোয়িং ইন দ্যা উইন্ড” এর অনুবাদ আর কিছু প্রাসঙ্গিক কথা - ফাহাদ চৌধুরী
- বিদ্যাশ (আঞ্চলিক ভাষায় ছড়া) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- গাযা আগ্রাসন: কেন তারা আমাদের ঘৃণা করে? - রবার্ট ফিস্ক - ত্রিভুজ
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- ইসরায়েলী শিশুদের পাঠানো ভালবাসার বার্তা - ত্রিভুজ
- জ্বালা ও যন্ত্রণা : ধর্মেও আছি জিরাফেও আছি - মাহবুব মোর্শেদ
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একজন পিপড়া, একটা কবি এবং..... - মাঠশালা
- শীতল সঞ্জীবনী - মুনিয়া
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- নোংরা মেয়ে - মুনমুন
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- যখন থামবে কোলাহল - রন্টি চৌধুরী
- স্বাধীনতা দিবসে একজন সৈনিকের গল্প - অহেতুক অকারণ
- আকাশ কুসুম (পদ্য) - রোডায়া
- বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আমাদের শরীরী ভাষা এবং 'মোনালিসা স্মাইল' রহস্য - মাহবুবা আখতার
- বালক - বালিকা - স্বপ্নকর
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
তুমি জানলে না
৩১ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:১৮
নিজের আবেগ প্রকাশের ব্যাপারে ছোটবেলা থেকেই আমি খুব সংযত। এজন্যই খুব কাছের মানুষেরাও আমার মনের অবস্থা সহজে বুঝতে পারে না।
আমার বন্ধুরা(ছেলেবন্ধুরা) প্রায়ই আমার কাছে মেয়েদের সাইকোলজি সম্পর্কে জানতে চাইত। উদ্দেশ্য- রমা কি নীলা ওকে কতটুকু পছন্দ করে অথবা আদৌ করে কিনা সেটা বোঝা। আমি আমার ভিউ থেকে ব্যাখ্যা করতাম। বেশিরভাগই
ঠিক হত্। অনেকসময় পরামর্শও দিতাম। আবার অনেকসময়ই ওদের পছন্দের মেয়েদের জন্য কেনাকাটা করতে যেতে হত আমাকে। আমার নাকি চয়েস ভাল। অবশ্য আমি নিজে না সাজলেও সাজাতে ভালবাসি। তাই খারাপ লাগত না কাজটা। আমি ভাল্ই ছিলাম্।
কিন্তু মাঝে মাঝেই টের পেতাম আমার ভেতরে একটা বিশাল শূন্যতা রয়েছে। আড্ডা আর কাজের বাইরের সময়গুলোতে সেটা আমাকে গ্রাস করতে চায়। আর অদ্ভুত ব্যাপার হল ঐ সময়গুলোতেই রায়হানকে খুব মিস করতাম্। আমার আর্ও অনেক ভাল বন্ধু ছিল। কিন্তু ওকেই মিস করতাম আমি। আমার লজিক বলত- তুমি ওর প্রেমে পড়েছ। আমি অস্বীকার করতাম্। আবার ভাবতাম- হয়তো তাই। এরপরই শুনতাম বিবেকের শাসানি- মা বাবার মনে কষ্ট দিও না। তোমার ওপর তাদের অনেক high expectation. আবার ভেতর থেকে আরেকজন ফিসফিস করে বলত, তুমি মোটেও ওর প্রেমে পড়নি। এটা সাময়িক একটা obsession. আমি নিজের ভেতরে যুদ্ধ করে মরতাম। এভাবেই চলছিল। কিন্তু একদিন ও অনেক দূরে চলে গেল- USA. ও ভাল ছাত্র, স্কলারশিপ পেয়েছে- যাবেই তো।
কিন্তু যাওয়ার আগে ও আমার সাথে দেখা করতে এল। ও যাবে কিনা- আমার মতের উপর নাকি ডিপেন্ড করছে সেটা। আমি অবাক হয়েছিলাম কারণ ও সিরিয়াসলি জিজ্ঞেস করেছিল কথাটা। কিন্তু আমি ঠাট্টা শুরু করলাম- আমি তোর কি লাগি যে আমার কাছে পারমিশন চাস? তোর বউকে জিজ্ঞেস করগে, যা।
ও একটু্ও না হেসে বলল- তাইতো করছি। আমি ঠাট্টা করে উড়িয়ে দিলাম কথাটা। কিন্তু ভেতরে কেমন যেন লাগতে লাগল।
তারপর ও চলে গেল। আমারও দিন্ও থেমে থাকল না। তবে ওকে যতই মিস করলাম তত বেশি করে অস্বীকার করা শুরু করলাম। কাজের মধ্যে ডুবে গেলাম আমি। ওর কাছে আরও বেশি। যখনই ও ফোন করত তখনই আমি awfully busy হয়ে যেতাম্। পরদিনই আমার বিশাল ওয়েটের অ্যাসাইনমেন্ট জমার তারিখ পড়ত্। দেরিতে হলেও ও একসময় বুঝল যে ও ফোন করুক এটা চাই না আমি। তারপর ফোন আসা বন্ধ হল। মেইলগুলোতো না পড়েই ডিলিট করে দিতাম। এভাবে আমার অস্থিরতা একসময় কমে আসল। ভাবলাম- জন্মানোর আগেই ভালবাসাটাকে খুন করতে পেরেছি।
কিন্তু শিগগিরই আমার ভুল ভাঙল। আমি টের পেলাম যে অবচেতন মনে আমি শুধু ধরেই নেই নি যে ও আমার, আমি ওকে নিয়ে সমস্ত কল্পনার রাজ্যও ঘুরে এসেছি ততদিনে। আমি যে কাজের মধ্যে ডুবে থাকি এটাও একটা ছল। আসলে সারাক্ষণই ওর চিন্তা আমার মাথায় ঘুরতে থাকে। এবার আমি মনস্থির করে ফেললাম- আবার যদি কখনো কথা হয়, ওকে খুলে বলব আমার ফিলিংস এর কথা- ও যদি পাগল ভাবে আমাকে তবুও। তারপর ছয়মাস পার হয়ে গেল। যাকে প্রতিদিন দেখতাম অথচ তাকাতেও ইচ্ছা হত না, তার্ই একটা ফোনের জন্য চাতকের মতো অপেক্ষা করতে লাগলাম। ওর নাম্বারও ছিল না যে ফোন করব। অবশ্য থাকলেও হয়তো করতে পারতাম না। কতবার যে মেইল করতে বসে কিছুই না লিখে রাত পার করে উঠে গেছি...
যাইহোক, আমাকে অবাক করে দিয়ে ও একরাতে ফোন করল। ওপাশের হ্যালো শুনেই আমার বুকের ভেতর হাতুড়ি পড়তে শুরু করল। আমি অনেকক্ষণ কোন কথাই বলতে পারলাম না। মনে মনে ঠিক করতে লাগলাম কিভাবে বললে কথাটাকে গুরুত্বের সাথে নেবে ও। ঠিক করলাম আজকে কোন ঠাট্টাই করব না- সিরিয়াসলি কথা বলব। কিছুক্ষণ পর যখন ও হ্যালো, শুনতে পাচ্ছি না বলে চেঁচানো শুরু করল, তখন পুরনো অভ্যাসবশত আমার মুখ দিয়ে অটোমেটিক্যালি বের হয়ে এল- আরে শালা, হেলতে হেলতে তো শুয়েই পড়লাম- বয়রা নাকি তুই? তারপর... তারপর আরকি, ম্যারাথন আড্ডা চলল ঘন্টা দেড়েক। ফোন রেখে স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম আমি। মাথার ভিতরে সারা পৃথিবীর সমস্ত সাইক্লোন একসাথে বইতে শুরু করল। জানালার পাশে বসেই বাকি রাতটুকু পার করে দিলাম। ভোরের স্নিগ্ধ আলোটা ফিসফিস করে আমাকে কি সাহস দিয়ে গেল জানি না, তবে মোবাইলটা হাতে তুলে নিলাম আমি- ওর নাম্বার রেখে দিয়েছি। কিন্তু তখনই ক্রিস্টিন ফোন করল- ওর অ্যাটেন্ডেন্স দিয়ে দিতে হবে। আমি বললাম- সুন্দরী, আর কত প্রেম করবি? ও হাসল- করি না, হয়ে যায়।
আমি বললাম- তাহলে আমার হয় না কেন? ও মিষ্টি করে হেসে বলল- cool down, man. u'r cool.
আমি বললাম- I'm not a man.ও আবার হাসল- সব হবে ডার্লিং, ওয়েট এন সি।
আমি অপরিচিত আকাশটার মাঝে পরিচিত একটা অবয়ব দেখতে পেলাম। ফিসফিস করে বললাম- I'm still waiting, শুধু তুমি জানলে না
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৭:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নয়াশামীম বলেছেন:
কঠিন প্রেম
বাউন্ডুলের বউ বলেছেন:
হুমম... ৫
অ্যালন বলেছেন:
অপেক্ষায় আছি..আরো ১৩বছর..সে আসবে..আমি জানি..
লতা বলেছেন:
আর কতো অপেক্ষা। তাড়াতাড়ি বইলা ফালান। ছেলে আবার বুশের দেশে থাকে এরমধ্যে এখন সামার। অবস্হা বেশি সুবিধার না।কখন কোন সাদা মাইয়ার হাত ধইরা ফালায়।লেখাটা ভালো লেগেছে।
বকলম বলেছেন:
সময় নষ্ট করা একদম উচিৎ হচ্ছে না। অনেক দেরী হবার আগেই তাকে বলে ফেলুন। আর এক মূহুর্তও দেরী নয়, আজ, এখন, এক্ষুনি তাকে ফোন করে জানান। জাননোর আগে দুমিনিট ঠান্ডা মাথায় ভাবুন কি বলবেন, কথা গুছিয়ে নিন (যদিও ভাবনেন এক আর বলবেন অন্যভাবে, কিন্তু বলা তো হবে), তারপর বড় করে একবার দম নিয়ে মোবাইলে আঙুল চালান।
কালপুরুষ বলেছেন:
লেখাটা চমত্কার হয়েছে। বকলম-এর সাথে আমিও একমত। কালবিলম্ব না করে তোমার বলে ফেলা উচিত। পরে সময় না'ও পেতে পার। কারন কোন একদিন সে হয়তো তার প্রবাসী কোন এক গার্লফ্রেন্ডের কথা তোমাকে বলে ফেলতে পারে। সেই সুযোগ দেবার আগে তোমারই বলে ফেলা উচিত। বলে দাও, "দোস্ত আমি যে হেলতে হেলতে কবে তোর দিকে হেলে পড়েছি আর নিজেকে সোজা করতে পারছি না। তুই সোজা না করে দিলে আর আমি সারাজীবনে আর কখনই সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবো না। এখন তুই যা করার কর। আমি তোর অপেক্ষায় রইলাম। আর হ্যাঁ মনে রাখিস, যদি কোন শাকচুন্নির পাল্লায় পরিস তবে তোকে আমি এমন হেলান হেলাবো যে লাঠিতে ভর দিয়েও দাঁড়াতে পারবি না। কোন হিলিং সেন্টারে যেয়েও সোজা হতে পারবি না। মনে থাকে যেন। এখন তুই ভেবে দেখ কী করবি"।
আউটসাইডার বলেছেন:
বলে ফেলুন, আর শুনুন, কি বলবেন মোটেই আগে থেকে গুছিয়ে নেবেন না, আপনার লেখায় যদিও কোথাও আপনি পাঠকের উপদেশ চাননি, কিন্তু অযাচিত উপদেশ দিয়ে দিলাম।
রাশেদ বলেছেন:
হুমম...জানাইলে জানাইয়েন।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
কেমন খাপছাড়া ব্যাপার যেন...
সেলিম বলেছেন:
সহে না যাতনা, দিবস ও গুনিয়া গুনিয়া বিরনে নিশি দিন বসে আছি শধু পথ পানে চেয়ে , শুধু সখা হে এলে না। দিন যায়, রাত যায়, সব যায়, আমি বসে হায়, দেহে বল নাই, চোখে ঘুম নাই, শুকায়ে গিয়াছে আঁখি জল, একে একে সব আশা ঝড়ে ঝড়ে পরে যায়, সহে না যাতনা, দিবস ও গুনিয়া গুনিয়া বিরনে নিশি দিন বসে আছি শুধু পথ পানে চেয়ে, সখা হে এলে না,,,,,আপনার লেখা পরে এইগানটা কপি করে দিতে ইচ্ছে হল তাই দিলাম।
স্বার্থক হোক আপনার প্রেম।
ছায়াপথ বলেছেন:
জলদি মুনিয়া জলদিইইইইইইইইইই............নিজের ভুলে আবার না হারিয়ে ফেলেন.......
সুখী হন ।
মানবী বলেছেন:
একান্ত অনুভূতির চমৎকার প্রকাশ, খুব ভালো লেগেছে পড়ে। ধন্যবাদ মুনিয়া।
এই আমি মীরা বলেছেন:
ধুর!
মুনিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ ছায়াপথ, মানবী, এই আমি মীরা।
মুনিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ বকলম, কালপুরুষ... আমি আসলে courtsy and formalities মেইনটেনের ব্যাপারে খুবই আনাড়ি। আপনাদের পরামর্শের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
যীশূ বলেছেন:
হবে, হয়ে যাবে।
শাওন বলেছেন:
লেখাটা চোখ ফসকে দূরে চলে গেছে । কঠিন লেখা মুনিয়াপু । রিয়েলি কঠিন । এজন্য হয়ত সে . . .
এ্যাটেম পার্টি বলেছেন:
শাওন সব কিছু না বুঝে নাক এগিয়ে সিঁদুর না নিলে হয় না?নাকটা মনে হয় তোমার একটু ছোট-ই
নূর-ই-হাফসা বলেছেন:
প্রেমে পড়ছেন তা বুঝতেও এত সময় লাগে।আর কত দেরী করবেন বলে দেন না তাকে।আপনার মনের সব কথাগুলো।দেরী করলে কষ্ট পাবেন।তাকে হারিয়ে ফেলবেন।আর অশ্রুসিক্ত নয়নে বালিশ ভিজাবেন।অনেকদিন তো কেটে গেল আর কত অপেক্ষা।সুযোগ সবসময় আসে না বরং করে নিতে হয়।আপনার লেখাতে আপনার অনুভূতি,ভাবনা সব চমৎকারভাবে প্রকাশ পেয়েছে।আর নয় অবহেলা।
মুনিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ নূর-ই-হাফসা। শাওন, আপনার কথাটা ঠিক বুঝিনি।
রাশেদ বলেছেন:
এখন কি জানছে নাকি?
আমি কে বলেছেন:
ধুরু মুইছা দিছেন, আমার এই দুইটাও মুইছা দেন তাইলে।
মুনিয়া বলেছেন:
মনে হয়, সামহোয়্যারে 'আমি কে' নামের একটা বোবা আছে...
আমি কে বলেছেন:

আপনার কমেন্ট হজবরল আসছিল দেইখা এই কমেন্ট করছিলাম। এখন আপনার কমেন্ট মুইছা ত আমারে দেখি প্যাচে ফেললেন।
আমি কে বলেছেন:
হুমম...অফ গেলাম।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
আশ্চর্য মানুষ এত পচা কেন??সবাই পচা।
আমার কমেন্ট ডিলিট করে দিয়েছে।
কষ্ট পেলাম অনেক।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
আমি খারাপ কি বলেছিলাম আমি জানি না।
মুনিয়া বলেছেন:
মুজতবা, আমি ডিলিট করেছি বলে মনে পড়ছে না।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
হুম দেখলাম কর নাই।বাট আমার কথা কোন উত্তর দাও নাই।
আমাকে অপমান করেছ।
থাক তুমার সাথে আর কথা বলব না।
অযৌক্তিক বলেছেন:
তবে ওকে যতই মিস করলাম তত বেশি করে অস্বীকার করা শুরু করলাম। >> সেলফ ডিফেন্স।জন্মানোর আগেই ভালবাসাটাকে খুন করতে পেরেছি। >> সান্তনা।
ফিসফিস করে বললাম- I'm still waiting, শুধু তুমি জানলে না ।
>> দূরত্ব বেশি। সিগনাল স্ট্রেংথ কম। এন্টেনার পাওয়ার বাড়াতে হবে। প্যাসিফিক এবং আটলান্টিক পার হয়ে সিগনাল পৌছানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
এতগুলা দিন বন্ধ গেলো। কি করলেন বসে বসে ?
মুনিয়া বলেছেন:
নাহ! সত্যটা বলা উচিত। আমি আসলে এ গল্পটা লেখার সময় ব্লগে একদম নতুন- উল্লেখ করিনি যে গল্প এটা। আমি গল্প লিখলেও কেন যেন সবাই সত্য ভাবে ব্যাপারটাকে। আমিও একটু মজা পেলাম। ভাবলাম দেখি কে কি লেখে...
কয়েকজন অবশ্য বুদ্ধিমান। তবে এই একটা গল্প থেকে ব্লগে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী পেলাম।
আমার আরো একটা প্রেমের গল্প লেখা ছিল। এটার অবস্থা দেখে দিতে সাহস হল না। কিন্তু এখনো কন্টিনিউয়েশন দেখে মনে হচ্ছে সত্যটা বলা উচিত।
আরো আগে না বলার জন্য সরি...
খুশবু বলেছেন:
জটিল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ খুশবু।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
এতদিন পর গল্পটা বুঝলাম। এই গল্প খান পইড়া আমি তখনও বুঝি নাই তাই কমেন্টও করি নাই। তা পুলাটার নাম রায়হান আছিলো! জ্ঞানী পুলা!আচ্ছা এখনকার কি খবর? সেই কাব্যখান পইরা অনেস্টলি আমার কিছউ ভালো ঠেকে নাই!
মুনিয়া বলেছেন:
এখনকার খবর খুব খারাপ উদাসী। জানেন তো, বাস্তবের ইনফ্লুয়েন্স ছাড়া গল্প, কবিতা কিছুই হয় না।
কাব্য যা লিখেছি নিজের কথা।
আপনি ভাল আছেন?
লেখক বলেছেন: তাই নাকি?.....
লেখক বলেছেন: হা হা হা... তাই নাকি? তা বলে আমি কিন্তু মোটেও বেহায়া না।
লেখক বলেছেন: যার ইন্সপিরেশনে লেখাটা, সে এখন একেবারেই দৃষ্টির বাইরে। আরো অনেক কিছু হয়ে গেছে মাঝখানে। তবে ফার্স্ট লাভ নেভার গোজ অ্যাওয়ে....
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আপনার লেখা ভাল...কিন্তু আপনি বহুত নিষ্ঠুর চীজ!!
লেখক বলেছেন: তাই?
মনে হয় না... দুইটা কথাই ভুল হয়েছে
বাট, থ্যাংকস!
লেখক বলেছেন: চিনলাম না আপনাকে... আবার তুমি করে বলছেন...
এই লেখাটা ছুটির মধ্যে লেখা যতদূর মনে পড়ে। আর তখনও জুরি ফেইস করিনি আমরা..
নীল আলো বলেছেন:
হমমমম ...... নিজেকে এত কষ্ট দিচ্ছেন কেন??......সুন্দর উপসংহার কামনা করি...!!
লেখক বলেছেন: আর উপায় ছিল না....
ধন্যবাদ।
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন:
আকাশে উড়িছে বকপাতি...নয়নে আমার....
লেখক বলেছেন: হাহাহা।
চোখেরবালি বলেছেন:
মনে মনে ভালবাসা মোটেই নহে ভালো, কাউকে ভালোবেসে থাকলে এখনই বলো। নইলে পস্তাবে...জীবনটা তোমার সিদ্ধান্তই নিতে হবে তোমাকে...
লেখক বলেছেন: হুমম... পস্তানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম!
ডিজিটাল মুবিন বলেছেন:
চিমটি আপু ........................... আমারো same obostha
লেখক বলেছেন: হাহাহা... এটা অবশ্য অনেক পুরনো অবস্থা...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















